Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০০৬ – দুর্গম দুর্গ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প165 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দুর্গম দুর্গ – ১৩

    তেরো

    খেত-খামার ডিঙিয়ে চলছে ওরা তিনজন সোমনাথের মন্দিরের দিকে। রাস্তা থেকে বেশ খানিকটা তফাতে ঝোপ ঝাড়ের আড়ালে আড়ালে এগোচ্ছে ‘ওরা। পিচ্ছিল ভেজা মাটির ওপর দিয়ে চলতে গিয়ে পতন থেকে বাঁচবার জন্যেই বেশি মনোযোগ ব্যয় হচ্ছে। মন্দিরের চুড়ো দেখা যাচ্ছে এখন। হঠাৎ একটা মাটির তৈরি পোড়ো ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে পড়ল মিশ্ৰী খান কথা বলে উঠল সে এতক্ষণ পর।

    ‘আর পারছি না, ওস্তাদ। একটু বিশ্রাম না নিলে নির্ঘাত মারা পড়ব। এই ঘরের মধ্যে মিনিট কয়েক বিশ্রাম নিয়ে নিলে কেমন হয়? বেশিক্ষণ না, এই একটা সিগারেট খেতে যতক্ষণ লাগে।’

    অবাক হলো রানা। এত সহজে কাহিল হবার মানুষ তো মিশ্ৰী খান নয়। কিন্তু অনিচ্ছাসত্ত্বেও রাজি হয়ে গেল রানা। সে নিজেও অত্যন্ত ক্লান্তি বোধ করছে।

    ‘ঠিক আছে, মিশ্রী। চলো, ঢুকে পড়ি।’

    ঢুকে পড়ল ওরা তিনজন ছোট্ট ঘরটার মধ্যে। ফসল পাকলে মাঠ পাহারা দেয় কৃষকরা এই ঘরে শুয়ে-বসে। একটা বাঁশের মাদুর পাতা আছে ঘরের এক কোণে। মাদুরে বসে পড়ল রানা। চোখ তুলেই অবাক হয়ে গেল সে। সারা ঘরে দেয়াল ধরে ধরে কি যেন পরীক্ষা করছে মিশ্ৰী খান।

    ‘কি হে, কি করছ? এই কি বিশ্রাম নেয়ার নমুনা?’

    ‘না, ওস্তাদ। বিশ্রাম নিতে আসলে আসিনি। এই ঘরের মধ্যে ঢুকবার জন্যে ওই ছুতো ধরেছিলাম। আসলে আমি আপনাকে তিনটে অদ্ভুত জিনিস দেখাতে চাই।’

    ‘অদ্ভুত জিনিস! কি অদ্ভুত জিনিস দেখাবে তুমি আমাকে?’

    ‘একটু ধৈর্য ধরুন, ওস্তাদ। আপনার সময় আমি শুধু শুধু নষ্ট করব না। মাত্র কয়েক মিনিটের ব্যাপার।’

    রানা অবাক হলো ঠিকই, কিন্তু মিশ্রী খানের ওপর থেকে ওর আস্থা টলল না একবিন্দুও। বলল, ঠিক আছে। কিন্তু বেশি দেরি করিয়ে দিয়ো না আবার।’

    ‘দেরি হবে না। জানালা নেই এ ঘরে একটাও। নির্বিঘ্নে আলো জ্বালা যাবে। কিন্তু তাও আগে বাইরে থেকে একবার দেখা দরকার আলো দেখা যাচ্ছে কিনা।’

    ‘আমি বাইরে গিয়ে দেখছি,’ বলল নাজির বেগ।

    ‘না না। আপনি খোঁড়া মানুষ, বসুন। আমি টর্চ জ্বালাচ্ছি, ওস্তাদ বাইরে থেকে ঘরটা একপাক ঘুরে দেখে আসবেন?’ বলল মিশ্ৰী খান।

    রানা নিঃশব্দে বেরিয়ে গেল বাইরে। মিশ্রী খানের ব্যবহারটা রহস্যজনক মনে হচ্ছে। মতলব কিচ্ছু বোঝা যাচ্ছে না। কি দেখাতে চায় সে ওকে? বাইরে দিয়ে একপাক ঘুরে ফিরে গেল রানা ঘরের মধ্যে।

    ‘এক বিন্দু আলোও যাচ্ছে না বাইরে।

    ‘বেশ,’ কাঁধ থেকে ব্যাগটা মাটিতে নামিয়ে রাখল মিশ্রী খান। কিন্তু বসল না। নিঃশব্দে দাঁড়িয়ে রইল কয়েক সেকেণ্ড। বোধহয় মনে মনে গুছিয়ে নিল কথাগুলো।

    একবার ঘড়ির দিকে চেয়ে মিশ্রীর দিকে চাইল রানা আবার। ‘কি দেখাবে বলে আমাকে, মিশ্রী?’ তাড়া দিল রানা।

    ‘ঠিক। তিনটে জিনিস।’ পকেট থেকে ম্যাচ বাক্সের সমান একটা ছোট্ট কালো বাক্স মত কি যেন বের করল মিশ্রী খান। বলল, ‘প্রথম এইটে দেখুন, ওস্তাদ।’

    ‘কি ওটা?’ জিজ্ঞেস করল বিস্মিত রানা।

    ‘ক্লকওয়ার্ক ফিউজ। পেঁচিয়ে বাক্সটার পেছন দিকটা খুলতে আরম্ভ করল মিশ্রী খান। বিশ্রী জিনিস। কিন্তু টিএনটি-র জন্যে অত্যন্ত দরকারী।’ বাক্সটা খোলা হয়ে গেছে ততক্ষণে। টর্চের আলোর সামনে ধরল সেটা। ‘কিন্তু এটা দিয়ে আর কোন কাজ হবে না। ঘড়ি ঠিকই আছে, কিন্তু কন্ট্যাক্ট আর্ম বাঁকিয়ে তুলে দেয়া হয়েছে ওপরে। টিক্ টিক্ বাজতে থাকবে ঠিকই, কিন্তু ম্যাচ বাতিও জ্বলবে না এটা দিয়ে।’

    ‘আশ্চর্য! কিন্তু কিভাবে…’

    ‘দুই নম্বর জিনিস, মিশ্রী খান যেন রানার কথাটা শুনতেই পায়নি এমনভাবে নিজের কথাই বকে যেতে থাকল। ডিটোনেটার বক্স খুলল সে। ফেল্ট আর তুলোর ওপর থেকে আলতো করে দুই আঙুলে তুলল একটা ফিউজ। এটাও পরীক্ষা করল টর্চের আলোয়। তারপর সোজাসুজি রানার দিকে চেয়ে বলল, ‘মারকারির ফালমিনেট, ওস্তাদ। মাত্র সেভেন্টি সেভেন গ্রেন, কিন্তু কারও আঙুল ক’টা উড়িয়ে দেবার পক্ষে যথেষ্ট। খুবই নাজুক জিনিস। সামান্য একটু টোকা লেগেছে কি ফাঁৎ করে জ্বলে উঠবে।’ মাটিতে ফেলে দিল ওটাকে সে, তারপর বুটসুদ্ধ একটা পা তুলে জোরে ফেলল ওটার ওপর। নিজের অজান্তেই চোখ বুজল রানা আধ সেকেণ্ডের জন্যে। কিন্তু কোনও বিস্ফোরণ হলো না।

    ‘এটাও ঠিক কাজ করছে বলে মনে হচ্ছে না, তাই না, ওস্তাদ?’ এতক্ষণে একটা বক সিগারেট বের করে ঠোঁটে লাগাল মিশ্ৰী খান। আগুন ধরিয়ে কিছুক্ষণ টানল চুপচাপ। রানার কাছে অনেক কিছু পরিষ্কার হয়ে আসছে এবার।

    ‘তৃতীয় আরেকটা কি দেখাতে চেয়েছিলে?’ শান্ত ঠাণ্ডা গলায় বলল রানা।

    ‘হ্যাঁ। আরেকটা জিনিস দেখাব আপনাকে। আমি আপনাকে একটা বিশ্বাসঘাতক, নীচ, বিষাক্ত, দুই-মুখো সাপ দেখাব।’ কথাটা বলতে গিয়ে চাপা উত্তেজনা ফুটে উঠল মিশ্রী খানের কণ্ঠে। বিস্মিত রানা দেখল চক্ চক্‌ করছে মিশ্রী খানের হাতে ওর সাইলেন্সার লাগানো পিস্তলটা। লোলুপ দৃষ্টিতে চেয়ে আছে সেটা নাজির বেগের বুকের দিকে। ‘জামাটা খুলে ফেলো, নাজির বেগ।

    ‘কি করছ, মিশ্রী? মাথা খারাপ হয়ে গেল নাকি তোমার?’ এগিয়ে যাচ্ছিল রানা। থেমে গেল মিশ্রী খানের ইঙ্গিতে। বলল, ‘কি গোলমাল শুরু করলে তুমি?’

    ‘গোলমাল অনেক আগেই শুরু হয়ে গেছে, ওস্তাদ। রাজগড়ের কাছে গুহার মধ্যে আমরা ধরা পড়লাম কি করে? তুমুল বৃষ্টির মধ্যে ব্লাড হাউণ্ডের বাপ এলেও তো গন্ধ শুঁকে আমাদের বের করতে পারত না। যদি ব্লাড হাউণ্ডই ওদের পথ চিনিয়ে নিয়ে আসবে, তাহলে সেগুলো গেল কোথায়- আমরা বেরিয়ে তো ব্লাড হাউণ্ডের ছায়াও দেখতে পাইনি? চিন্তা করে দেখুন, ওস্তাদ, আমাদের ঘুমন্ত অবস্থায় কে ছিল গার্ড? নাজির বেগ। ওই নেড়ি কুত্তার বাচ্চাই পথ চিনিয়ে এনেছিল লেফটেন্যান্ট অলোক রায়ের দলকে। কি, বুঝতে পারছেন, ওস্তাদ? কাপড় খুলে ফেলো। তিন সেকেণ্ড সময় দিলাম, নইলে গুলি করব কব্জিতে।’

    মিশ্রী খানকে নিরস্ত করবার জন্যে এগোতে যাচ্ছিল রানা। হঠাৎ চোখ পড়ল ওর নাজির বেগের ওপর। শ্বাপদের মত জ্বলছে তার চোখ জোড়া। দাঁত বেরিয়ে পড়েছে। বন্য একটা হিংস্রতা ফুটে উঠেছে তার মিশকালো মুখে। পরমুহূর্তেই বিকৃত হয়ে গেল ওর মুখটা। ‘দুপ্’ করে একটা মৃদু শব্দ তুলে ওর বাম হাতের কব্জিতে প্রবেশ করল একটা পয়েন্ট থ্রী-টু ক্যালিবারের বুলেট। দুই চোখে ওর অবিশ্বাস।

    ‘আরও তিন সেকেণ্ড সময় দিলাম। এবারে যাবে ডান হাতের কব্জি।’ স্থির দৃষ্টিতে ওর দিকে চেয়ে বলল মিশ্রী খান। পিস্তলটা তেমনি লোলুপ দৃষ্টিতে চেয়ে আছে ইঙ্গিতের অপেক্ষায়। দ্রুত খুলে ফেলল নাজির বেগ গায়ের জামা। ওর চোখ জোড়া যেন বিষোÇগার করছে মিশ্রীর চোখের দিকে চেয়ে।

    ‘ঘুরে দাঁড়াও।’

    ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াল নাজির বেগ।

    ‘বাহ্! চমৎকার! দেখুন, ওস্তাদ। চাবুক মেরে মেরে এই লোকটারই পিঠের চামড়া তুলে নিয়েছিল ভারতীয় সৈন্যরা। কি বীভৎস সাদা সাদা দাগ পড়ে গেছে- চাওয়া যায় না! এই না ছিল ওর বানানো গল্প? এরই জন্যে না সুযোগ পেলেই সে পাগলের মত খুন করে বেড়াচ্ছে ভারতীয় সৈন্যদের? দাউ দাউ করে জ্বলছে ওর মনের মধ্যে প্রতিহিংসার আগুন?’

    রানার মাথার মধ্যে সব গোলমাল পাকিয়ে গেল। চক্‌চকে কালো মসৃণ পিঠে একটা দাগও নেই।

    ‘প্যান্টের পা’টা ওপর দিকে তোল, নিমকহারাম। তিন সেকেণ্ড সময় দিলাম।

    কথা মত কাজ করল নাজির বেগ। প্যান্টের পা গুটিয়ে তুলে ফেলল হাঁটুর ওপর।

    ‘আরও একটু। হ্যাঁ। চমৎকার! এবার ব্যাণ্ডেজ খুলে ফেলো। জলদি!’ কয়েক সেকেণ্ড পার হয়ে গেল। উল্লসিত কণ্ঠে বলল মিশ্ৰী খান, ‘আহা-হা। কি সা’ঘাতিক জখম, তাই না, ওস্তাদ?’

    কোনও রকম ক্ষতচিহ্ন নেই নাজিরের পায়ে।

    ‘বুঝলাম, মিশ্রী খান। এবার বুঝতে পেরেছি।’ চিন্তিত রানা বলল মৃদুস্বরে। ‘কিন্তু বুঝতে পারছি না কেন…’

    ‘সহজ ব্যাপার। ব্যাটা অসম্ভব ধূর্ত আর হারামী। অসম্মান-জ্ঞান সম্পন্ন কোনও জাত-গোক্ষুর সাপও ওর আধমাইলের মধ্যে আসবে না। এই জখম- পায়ের দোহাই দিয়ে পড়ে থাকল ভাতিজা একটা গুহার মধ্যে আমরা যখন প্রথম গুলি চালালাম ভারতীয় সৈন্যদের ওপর। আমাদের অনুপস্থিতির সুযোগে চিঠি লিখে ফেলল। আমাদের সাথে চলবার সময় খোঁড়াতে খোঁড়াতে পিছিয়ে পড়ে চিঠিটা ফেলে দিল চোখে পড়বার মত কোনও জায়গায়। তাতে খুব সম্ভব লেখা ছিল আমরা অমুক সময়ের দিকে অমুক জায়গায় আসছি, আমাদের অভ্যর্থনার যেন সুবন্দোবস্ত থাকে। অভ্যর্থনা কমিটি তৈরিই ছিল- আমরা গুহা-মুখ থেকে বেরিয়ে প্রায় ধরা পড়তে যাচ্ছিলাম, খেয়াল নেই? ওদের ট্রাক নিয়েই ঢুকেছি আমরা শহরে। তখনই প্রথম সন্দেহটা হলো আমার। বুঝলাম, গুহা মুখে ওকে ফেলে রেখে আসবার জন্যে যে করুণ মিনতি জানিয়েছিল ভাতিজা, সেটা আসলে পেছনের সৈন্যদের ঠিক গুহাটা চিনিয়ে দেবার জন্যেই- মহান আত্যাগ নয়। তাই উপত্যকায় বেরিয়েই সৈন্য দেখে মাথার পেছনে টোকা মেরে অজ্ঞান করে ফেলেছিলাম ওকে, যাতে নতুন কোনও বিপদ ঘটাতে না পারে।

    ‘সব পরিষ্কার হয়ে আসছে আমার কাছে। কিন্তু আরও আগে আমাকে জানানো উচিত ছিল তোমার। এভাবে চেপে গিয়ে…’

    ‘আমি বলতে চেষ্টা করেছি, ওস্তাদ, কিন্তু সুযোগ পাইনি। ও কিছুতেই সঙ্গ ছাড়েনি। সব সময় সাথে লেগে ছিল আঠার মত। ছাতের ওপর তখন বলতে যাচ্ছিলাম, অমনি গোলাগুলি আরম্ভ হয়ে গেল।’

    ‘এখন বুঝতে পারছি, হঠাৎ কথা নেই বার্তা নেই বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত আমাদের ওপর বোমা ফেলতে আরম্ভ করেছিল কেন প্লেনগুলো আজ দুপুরে।’

    ‘হ্যাঁ। আয়না দেখিয়ে আমাদের পজিশন জানিয়েছিল ও এই দুর্গকে। এবং সময় থাকতে নিজে সরে গিয়েছিল নিরাপদ দূরত্বে। তার আগেই সে আরীফের ব্যাগ থেকে বের করে ক্লক ফিউজ, পো বার্নিং ফিউজ আর ডিটোনেটার নষ্ট করে দিয়েছে ওর ঘুমন্ত অবস্থায়। শুধু দুঃখ, ভাতিজা শেষ রক্ষা করতে পারল না।’

    ‘নিজেকে রক্ষা করতে পারল না, কিন্তু আরীফকে শেষ করে দিয়ে গেল,’ বলল রানা।

    ‘আমার মনে হয় আরীফ ঠিকই আছে। নিজে রয়ে গিয়ে আরীফকে ও- ই পাঠিয়েছে আলতাফের সঙ্গে আহত পায়ের ছুতো দেখিয়ে। ওরা বেরিয়ে যেতেই খবর দিয়েছে দুর্গের গেটে যেন সোমনাথের মন্দিরে ডজন খানেক সৈন্য পাঠানো হয়, এবং যাবার সময় যেন গোটা কয়েক ফাঁকা আওয়াজ করে মেশিনগানের। আমাদের দু’জনকে ধরিয়ে দেয়ার জন্যেই আসলে ছাতে উঠেছিল ও। ওর পকেট সার্চ করলেই সিগন্যাল টর্চ বেরিয়ে পড়বে আমার যতদূর বিশ্বাস।’

    প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে একটা টর্চ বের করে আনল রানা।

    ‘মৃত্যুর আগের মুহূর্তে কেমন লাগছে, নাজির বেগ? জানতে ইচ্ছে করছে আমার। নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছ তোমাকে খুন করব আমি, এবং এক্ষুণি। কিছু বলবার আছে তোমার?’

    আহত হাতটা অন্য হাতে চেপে ধরে আছে নাজির বেগ। কোনও কথা বলল না। তীব্র ঘৃণা ফুটে উঠল ওর দৃষ্টিতে, তেমনি চেয়ে রইল সে মিশ্রীর চোখে চোখে।

    ‘ভাতিজা বুঝেছে, কিছু বলে কোনও লাভ নেই। তাই চুপ করে আছে। ওস্তাদ, আপনার মূল্যবান সময় আর নষ্ট করতে চাই না। কি বলেন? দোষী?’ মাথা ঝাঁকাল রানা। সিগারেটটা মাটিতে ফেলে বুট দিয়ে পিষে ফেলল মিশ্রী খান। তারপর যত্নের সাথে পর পর দুটো গুলি করল নাজির বেগের হৃৎপিণ্ড লক্ষ্য করে। মৃতদেহটা মাটির ওপর আছড়ে পড়বার আগেই ব্যাগ দুটো কাঁধে তুলে নিয়ে টর্চ নিভিয়ে দরজার কাছে পৌঁছে গেল ওরা।

    .

    ‘পারছি না, ক্যাপ্টেন আলতাফ, গিঁঠগুলো খুব শক্ত,’ হতাশ কণ্ঠে বলল ইশরাত।

    ‘তাতে কি হয়েছে? ভেজা রশি দিয়ে বেঁধেছে তো, না কেটে খোলা মুশকিল। দেখা যাক অন্য কোনও বুদ্ধি বের করা যায় কিনা।’ আশ্বস্ত করল আলতাফ ইশরাতকে। দুই মিনিট আগে যে সে হাত-বাঁধা অবস্থাতেই লোহার মত শক্ত আঙুল দিয়ে ইশরাতের হাতের বাঁধন খুলে দিয়েছে কয়েক টানে, সে-কথা বেমালুম চেপে গেল আলতাফ।

    ঘরের চারপাশে একবার চোখ বুলাল আলতাফ। একটা হারিকেন জ্বলছে মিটমিট করে। মন্দিরের শান বাঁধানো মেঝেতে পড়ে আছে ওরা দু’জন। নিজেদের দুরবস্থার কথা চিন্তা করে হাসি পেল আলতাফের। একই দিনে দ্বিতীয়বার বন্দী হয়েছে ওরা। ভাগ্যের কি নিষ্ঠুর পরিহাস! এবারও বিনা বাধায় আসমর্পণ করতে হয়েছে ওদের। সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত ভাবে এসে পৌঁছেচে ভারতীয় সৈন্য। অনায়াসে বন্দী করেছে ওদের। ক্যাপ্টেনের মুখেই শুনেছে ওরা নাজির বেগের ভূমিকা। বিশ্বাস করেনি। কিন্তু অবিশ্বাসই বা করবে কোন্ ভরসায়? সব ব্যাপার যে মিলে যাচ্ছে। ক্যাপ্টেনের কথা যদি সত্য হয়, তাহলে এতক্ষণে রানা আর মিশ্রী খানও ধরা পড়ে গেছে। তবে কি এখানেই সব আশা সব ভরসা শেষ? পরাজিত হলো ওরা? কথাটা কিছুতেই স্বীকার করে নিতে পারল না সে মনে মনে।

    হঠাৎ একটা কথা মনে হতেই ঝট্ করে ফিরল সে ইশরাতের দিকে। কাছেই জ্বলছে হারিকেনটা।

    ‘আরীফ!’ ডাকল সে মৃদুস্বরে।

    ‘বলুন।’ ইশরাত ফিরল ওর দিকে।

    ‘হাতে একটা কাপড় জড়িয়ে হারিকেনের কাঁচটা খুলে ফেলো। মেঝেতে একটা টোকা দিয়ে ভেঙে ফেলো কাঁচটা। ওটা দিয়ে অনায়াসে কেটে দিতে পারবে আমার হাতের বাঁধন।’

    অবাক হয়ে ওর দিকে কিছুক্ষণ চেয়ে থেকে ধীরে ধীরে মাথা ঝাঁকাল ইশরাত। এই ভয়ঙ্কর বিপদের মধ্যেও বুদ্ধি হারায়নি লোকটা। একটা না একটা ফন্দী ফিকির বের করবার চেষ্টায় আছে। আশ্চর্য এই দলের প্রত্যেকটি লোক!

    মেঝের ওপর দিয়ে গড়িয়ে চলে গেল ইশরাত হারিকেনের কাছে। পা দুটো এখনও বাঁধাই আছে ওর। হারিকেনের দিকে হাত বাড়িয়ে হঠাৎ কি একটা শব্দ কানে যেতেই থমকে গেল ও। মাথাটা তুলে দেখল দরজার শিকের ফাঁক দিয়ে এগিয়ে এসেছে একটা রাইফেলের ব্যারেল। আবার ব্যারেল দিয়ে খটাখট বাড়ি মারল অসহিষ্ণু প্রহরী শিকের ওপর

    ‘আর এক ইঞ্চি হাত বাড়িয়েছ কি ছাতু করে দেব কব্জিটা।’

    ‘থাক, আরীফ, ফিরে এসো এখানে,’ বলল আলতাফ।

    ফিরে এল ইশরাত। কিন্তু প্রহরীকে অত্যন্ত চঞ্চল হয়ে উঠতে দেখা গেল। রাইফেলটা বের করে নিল সে শিকের ফাঁক থেকে। একজোড়া বুটের শব্দ দ্রুত চলে গেল ডান দিকে।

    এমনি সময় একটা শব্দ কানে এল ওদের। গজ বিশেক দূরে যেন কেউ কপাট বন্ধ করল একটা। এবার একাধিক পায়ের শব্দ শোনা গেল। দ্রুত এগিয়ে আসছে এই ঘরের দিকে। বোধহয় প্রহরী ইশরাতের হাত বাঁধন-মুক্ত দেখে আরেকজনকে সঙ্গে নিয়ে ফিরছে। চাবি ঘুরিয়ে ক্লিক করে তালা খোলার শব্দ এল। বিচিত্র ক্যাচকুঁচ শব্দ করে খুলে গেল দরজা। দু’জন সৈন্য এসে ঢুকেছে মন্দিরে। প্রথমেই ইশরাতের চোখ পড়ল দু’জোড়া কাদা মাখা ভেজা বুটের ওপর। পরমুহূর্তে ভেসে এল একটা পরিচিত কণ্ঠস্বর।

    ‘ছাগলের মত বেঁধে রেখেছে, ওস্তাদ! কোরবানির খাসী! ইয়া আল্লা, দুই ভাতিজারই অবস্থা কাহিল!’

    ঘটনার আকস্মিকতায় স্তম্ভিত হয়ে গেল ইশরাত ও আলতাফ। কয়েক সেকেণ্ড কেউ কোনও কথা বলতে পারল না। ইশরাতই প্রথম সামলে নিল

    ‘ওই বিশ্রী গোঁফ-ওয়ালা লোকটা বেঁচে আছে তাহলে? আর কোনদিন দেখা হবে বলে ভাবতে পারিনি।

    ‘ঠিক বলেছ, আরীফ,’ বলল আলতাফ। ‘ব্যাপার কি, রানা? দিব্যি বহাল তবিয়তেই আছ দেখছি!’

    ‘হ্যাঁ, আছি। এর জন্যে সবটুকু কৃতিত্ব মিশ্ৰী খানের সন্দেহপ্রবণ বিশ্রী মনের। আমরা যখন নাজির বেগ বলতেই অজ্ঞান, ও তখন ভেতর ভেতর প্যাঁচ কষছে।’

    ‘কোথায় নাজির বেগ?’ জিজ্ঞেস করল ইশরাত।

    ‘নাজির বেগ?’ জবাব দিল মিশ্ৰী খান। ‘ওকে রেখে এসেছি মাঠের মধ্যে একটা ঘরে। হঠাৎ একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে বেচারার।

    মনের আনন্দে বেসুরো শিস দিতে দিতে বাঁধন কাটতে থাকল সে একটা ছুরি দিয়ে। রানা নিজেদের ঘটনাগুলো সংক্ষেপে বলল ওদের এবং ওদের সব কথাও শুনল মন দিয়ে। উঠে দাঁড়াল প্রকাণ্ডদেহী আলতাফ ব্রোহী। হাতের কব্জি দুটো ঘষল অল্পক্ষণ, তারপর বলল, ‘শিসটা বড় বিশ্রী লাগছে মিশ্ৰী খান। একে তো বেসুরো, তার ওপর অত্যন্ত তীক্ষ্ণ। বাইরে গার্ড…’

    ‘ওসব তোমার চিন্তা করতে হবে না, ভাতিজা। ওরা কল্পনাও করতে পারেনি যে আমরা এসে উপস্থিত হব। মাত্র দু’জন দুর্বল চরিত্রের গার্ড রেখেই নিশ্চিন্তে ফিরে গেছে দ্বারোকায়।

    ‘তোমরা করাচিকে পেয়েছিলে, আলতাফ?’ রানা কাজের কথায় এল।

    ‘হ্যাঁ। খবর অত্যন্ত গরম। চমৎকার রিসেপশন। খোদ কমোডোর জুলফিকার ছিলেন সেটের সামনে। উত্তেজনায় তোতলাচ্ছিলেন তিনি সারাদিন আমাদের সংবাদ না পেয়ে ভয়ঙ্কর উৎকণ্ঠার মধ্যে কেটেছে ওঁর। জিজ্ঞেস করলেন আমাদের অবস্থা। বললাম, এখনও দুর্গে ঢুকতে পারিনি, তবে ঘণ্টা খানেকের মধ্যে ঢুকতে পারব আশা করছি।’ দম নেয়ার জন্যে থামল আলতাফ।

    ‘তারপর?’

    ‘উনি বললেন আমাদের জাহাজ আজ রাত বারোটায় আক্রমণ করবে দ্বারোকা দুর্গ। তার আগেই শেষ করতে হবে দুর্গের চারটে কামান। নইলে মস্ত ক্ষতি হয়ে যাবে পাকিস্তানের। বললাম, কিছু একটা তো এখনও গোলমাল হয়ে যেতে পারে। উনি বললেন, মেজর মাসুদ রানা আর ক্যাপ্টেন মিশ্রী খান থাকতে উনি সেসব নিয়ে ভয় পান না। বারোটার আগে সব কাজ শেষ করা চাই।’

    ‘সবাই রেডি?’ রানা জিজ্ঞেস করল। ‘আমাদের সরে পড়তে হবে এখান থেকে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। নাজির বেগের সিগন্যাল না পেয়ে ওরা বুঝতে পারবে, হয় নাজির আমাদের খুঁজে পায়নি, নয় ওকে শেষ করে দিয়েছি আমরা। কিন্তু যে-কোনও অবস্থাতেই আমরা যে সোমনাথের মন্দিরের দিকেই এসেছি তাতে ওদের নিশ্চয়ই কোনও সন্দেহ নেই। এতক্ষণে অর্ধেক পথ চলে এসেছে ওরা। দেরি করলে সর্বনাশ হয়ে যাবে। যে করে হোক আজই রাত বারোটার মধ্যে কাজ সারতে হবে আমাদের। আজই দ্বারোকায় আমাদের শেষ রাত। পা চালাও সবাই।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬১ – অপশক্তি

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }