Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০০৬ – দুর্গম দুর্গ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প165 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দুর্গম দুর্গ – ২

    দুই

    আধঘণ্টার মধ্যে জিনিসপত্র সব নৌকোয় তুলে তৈরি হয়ে নিল ওরা। কমোডোরের পার্সোনাল পিক্-আপে মালপত্রসহ ওদের সমুদ্রের ধারে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। নৌকার চার্জে যে গার্ডটা ছিল তাকে তুলে নিয়ে ফিরে গেছে পিক-আপ।

    গয়না-নৌকোর সমান বহুদিনের পুরানো একটা জেলে নৌকা। এখানে- ওখানে কাঠ দিয়ে তালি মারা। পাটাতনের নিচেই এঞ্জিনরুম। এঞ্জিনের অবস্থাও নৌকার মতই।

    নৌকার মধ্যে ওদের জন্যে পুরানো নোংরা কাপড়, খাবার, একটা স্টোভ, রশি, রিসিভারসহ একখানা রেডিয়ো ট্র্যান্সমিটার, দুটো বেরেটা সাব- মেশিনগান, দুটো মাউজার ব্রেনগান, তাছাড়া আয়না, টর্চ ইত্যাদি টুকিটাকি জিনিস আগে থেকেই রাখা আছে। পিক-আপ থেকে নামানো হয়েছে দুটো বাক্স। একটায় টিএনটি, অ্যামাটোল, ডিনামাইট স্টিক, গান কটন প্রাইমার, এমারি ডাস্ট, গ্রাউণ্ড গ্লাস আর একটা জারে করে পটাশিয়াম আছে। অন্যটার মধ্যে আছে ডিটোনেটার। পারকাশন আর ইলেকট্রিক দু’রকমই।

    এঞ্জিন রূমের মধ্যে থেকে বাইরে মাথা বের করল মাহবুব। মাস্তুলটার দিকে চেয়ে বলল, ‘পাল আছে না, স্যার, সঙ্গে?

    ‘আছে বোধহয়, কেন?’

    ‘কারণ আমি হলপ করে বলতে পারি, দরকার হবে।’

    ‘কেন, এঞ্জিন?’

    ‘ওটা ‘এন’-ও নয় ‘জিন’-ও নয়। ঠাকুরদার আমলের একটা টু সিলিণ্ডার ভটভটি। প্রপেলার শ্যাফটের সাথে যে জায়গাটা মিশেছে ওখানে দুই মণ রাস্ট পড়ে আছে। এ জিনিসের ওপর নির্ভর করলে আর পৌঁছতে হবে না আমাদের।’

    রানা বুঝল এই এঞ্জিন পেয়ে ভেতর ভেতর যার-পর-নাই খুশি হয়ে উঠেছে মাহবুব। ওর কারিগরী মাথা খেলাবার সুযোগ পেয়েছে সে এইবার। কিন্তু এ ধরনের একটা নৌকায় ওদের এত গুরুত্বপূর্ণ কাজে পাঠানো হচ্ছে বলে মনে মনে একটু অসন্তুষ্ট না হয়ে পারল না সে।

    ছেড়ে দিল নৌকা। সোজা এগোল ওরা দক্ষিণে। দ্বারোকা আর ওখা-র মাঝামাঝি পাহাড়ী জায়গায় উঠবে। আধঘণ্টার মধ্যেই সামরিক পোশাক খুলে জেলে পোশাক পরে নিল ওরা। সাগরে ডুবিয়ে দেয়া হলো পাকিস্তানী পোশাকগুলো পাথর বেঁধে। প্রকাণ্ড গোঁফে বার কয়েক তা দিয়ে পাটাতনের ওপর চিৎ হয়ে শুয়ে পড়ল মিশ্ৰী খান। পালা করে রাত জাগতে হবে। প্রথমে জাগবে আলতাফ আর মাহবুব।

    রানা শুয়ে পড়ল মিশ্রী খানের পাশে। এঞ্জিনের শব্দ আর সাগরের কুলুকুলু। বাতাস নেই। নিস্তরঙ্গ আরব সাগরে ভেসে চলেছে ওরা অজানার উদ্দেশে।

    ‘ওস্তাদ!’ কিছুক্ষণ চুপচাপ থেকে নিচু গলায় ডাকল মিশ্ৰী খান।

    ‘কি?’

    ‘আমার অবশ্য মাথা ঘামানো উচিত না, তবু জিজ্ঞেস করছি, যদি ওই ছোকরা ক্যাপ্টেন আপনার হুকুম না শুনত, তাহলে কি করতেন আপনি?’

    ‘কর্নেলকে বলতাম। কর্নেল না শুনলে গুলি করে মেরে ফেলতাম করিমকে।’

    ‘আমিও ঠিক তাই ভেবেছিলাম। আচ্ছা, ক্যাপ্টেন যদি আপনার কথা না শুনত তাহলে কি ওর কোর্ট মার্শাল হত সত্যি করে?

    ‘না। আমাদের হাতে অত ক্ষমতা নেই। এমনি ভয় দেখিয়েছিলাম। ধমকেই কাজ হয়ে গেল- কাজেই ওসব কথা ভাবার কোনও দরকার নেই। ঘুমে জড়িয়ে এল রানার কথাগুলো।

    ‘আমিও তাই ভেবেছিলাম। আসলে আমাদের হাতে অত ক্ষমতা নেই কিন্তু কেন জানি আমার মনে হচ্ছে করিমকে মেরে রেখে আসাই উচিত ছিল ওই ক্যাপ্টেনটার মুখের চেহারা দেখেছিলেন? আপনি দেখতে পাননি, আমি দেখেছি। আপনি যখন ওর দিকে পেছন ফিরলেন তখন কেউ উপস্থিত না থাকলে আপনার পিঠে ছুরি বসিয়ে দিতেও দ্বিধা করত না ও। ওর অহঙ্কার গুঁড়ো হয়ে গেছে, ওস্তাদ। অনুম্ভরী লোকের কাছে এর চাইতে বড় অপমান আর কিছুই নেই।

    রানার তরফ থেকে জবাব এল না কোনও। গভীর ঘুমে অচেতন হয়ে পড়েছে সে। পাশ ফিরে ঘুমিয়ে পড়ল মিশ্রী খানও। কিন্তু মন থেকে অস্বস্তি গেল না ওর।

    ঠিক ভোর ছ’টার সময় বন্ধ হয়ে গেল এঞ্জিন। ছুটে গেল রানা এঞ্জিন রুমের দিকে। ঘুম ভেঙে উঠে বসল আলতাফ আর মিশ্রী খান। মাহবুব ঘুমাতে অস্বীকার করায় মিশ্রী খানকে আর ওঠানো হয়নি।

    ‘কি হলো, ওস্তাদ? পৌঁছে গেছি?’

    জবাব দিল মাহবুব। মাথা বের করল সে এঞ্জিন রুমের ভেতর থেকে। ‘প্রায়। তিনভাগের দুই ভাগ চলে এসেছি। বাকিটা পাল টাঙিয়ে যেতে হবে। একজস্ট লিক।’

    ‘মেরামত হবে না?’ জিজ্ঞেস করল রানা।

    ‘অসম্ভব। ওয়েলডিং দরকার। হাবিজাবির মধ্যে একটা স্পেয়ার এঞ্জিন খুঁজে পাওয়া গেছে, দেখি চেষ্টা করে লাগানো যায় কিনা।’

    ‘কতক্ষণ লাগবে, মাহবুব?’

    ‘ঠিক বলতে পারছি না, স্যার। আদৌ হবে কিনা তা-ও বলা যায় না একদম রাস্ট পড়ে আছে। আপনি পালটা ওঠাবার ব্যবস্থা করুন, আমি চার্ট দেখে হাল অ্যাডজাস্ট করে দিয়ে লাগব এঞ্জিনের পেছনে।

    মাথার ওপর দিয়ে দুটো মিগজেট উড়ে চলে গেল। কিছুদূর গিয়ে কি মনে করে ঘুরে এল আবার। ডাইভ দিয়ে অনেক নিচে নেমে দেখল ওদের- তারপর সন্তুষ্ট চিত্তে চলে গেল যেদিকে যাচ্ছিল সেদিকেই।

    পাল তুলে দেয়া হলো নৌকায়। বেশ ফর্সা হয়ে গেছে চারপাশ। মিশ্রী খান নেমে গেল মাহবুবের সাথে এঞ্জিনরূমে, সাহায্য করবে বলে। বড় সাইজের একটা মশুরির ডালের মত সূর্য উঠল পুব সমুদ্র থেকে।

    দুই ঘণ্টা পার হয়ে গেল। মন্থর গতিতে চলেছে নৌকা গন্তব্যস্থলের দিকে। হঠাৎ পেছন দিকে চেয়েই চিৎকার করে উঠল রানা।

    ‘দেখেছ, আলতাফ?’

    ‘দেখেছি, মেজর। এখনও তিন মাইল আছে। ঘণ্টাখানেক আগে যেটা পাশ কাটিয়ে চলে গেল, খুব সম্ভব সেটাই। ওদের টহলদারী লঞ্চ।’

    ‘সোজা আসছে আমাদের দিকে! মিশ্রী আর মাহবুবকে শিগগির ডাকো।’

    জরুরী বৈঠক বসল।

    ‘আমাদের থামিয়ে সার্চ করবে ওরা। কিছু একটা সন্দেহ করেছে নিশ্চয়ই। কিংবা কোন সংবাদ জানতে পেরেছে, তাই ফিরে আসছে। বিপদ আশা করবে ওরা, এবং সাবধান থাকবে। কাজেই মাঝামাঝি কোনও ব্যবস্থা চলবে না। হয় ওরা ডুববে, নয় আমরা- এছাড়া আর কোনও উপায় নেই। আমাদের অস্ত্রশস্ত্র আমরা কিছুতেই পানিতে ফেলব না। কাজেই, সার্চ করলে সব বেরিয়ে পড়বে।

    খুব দ্রুত প্ল্যান ঠিক করে সবাইকে বুঝিয়ে দিল রানা। সব চাইতে অনভিজ্ঞ মাহবুব। জীবনে মৃত্যুর মুখোমুখি দাঁড়ায়নি সে কখনও আগে যুদ্ধক্ষেত্রের অভিজ্ঞতা হয়নি ওর। হঠাৎ বলে উঠল, ‘অসম্ভব! আপনি যা করতে যাচ্ছেন সেটা মানুষ খুন। এভাবে হত্যা করবার কোনও অধিকার…’

    ‘খবরদার! চিৎকার করে উঠল মিশ্রী খান। ‘তুমি দুধের বাচ্চা, তুমি কি বোঝ? চুপ করে থাকো।’

    ‘হয়েছে, মিশ্রী খান!’ তীক্ষ্ণ কণ্ঠে বলল রানা। কয়েক সেকেণ্ড তীব্র দৃষ্টিতে ওর দিকে বিরক্তি বর্ষণ করে ফিরল মাহবুবের দিকে। ‘লেফটেন্যান্ট, এটা যুদ্ধ। আর যুদ্ধের নিয়মই হচ্ছে শত্রুপক্ষকে সমান সুযোগ না দিয়ে কোনও না কোনও অসুবিধার মধ্যে রাখা। কারণ আমরা যদি ওদের মারতে না পারি, ওরা আমাদের মারবে। এটা অত্যন্ত সহজ যুক্তি- হয় ওরা তলিয়ে যাবে, নয় আমরা। আমাদের মিশনের উদ্দেশ্য হাজার হাজার পাকিস্তানী সৈনিকের প্রাণ রক্ষা করা, বিশ্বের চোখে আমাদের যোগ্যতা তুলে ধরা। এখন এই মুহূর্তে বিবেকের প্রশ্নই ওঠে না।’

    মাথা নিচু করে রইল মাহবুব। রানার যুক্তির অকাট্যতা হৃদয়ঙ্গম করল। কিছুক্ষণের মধ্যেই যে হত্যাকাণ্ড ওর নিজ চোখে দেখতে হবে সেটা কল্পনা করে শিউরে উঠল একবার। বুঝল, রানাকে বিচার করবার ক্ষমতা এখনও হয়নি ওর। বলল, ‘আমাকে মাফ করবেন, মেজর। ক্যাপ্টেন খান ঠিকই বলেছেন, আপনাদের তুলনায় আমি দুধের বাচ্চা ছাড়া কিছুই ন‍ই। আমার চুপ করে থাকাই উচিত।’ একবার ফিরে চাইল সে মোটর লঞ্চটার দিকে। ‘আমার ওপর নির্ভর করতে পারেন, স্যার।’

    ‘বেশ, বেশ,’ মৃদু হাসল রানা মাহবুবের দিকে চেয়ে। তোমার ওপর নির্ভর করতে আমার বিন্দুমাত্র দ্বিধা নেই। এছাড়া অবশ্য উপায়ও নেই- আলতাফ আর তুমি ছাড়া কচ্ছ ভাষা আর কেউ জানে না। কিন্তু সেজন্যে নয়। আমাদের এই ছোট্ট গ্রুপের প্রত্যেকের ওপর প্রত্যেকে নিশ্চিন্তে নির্ভর করতে না পারলে সাফল্য আসবে না। মিশ্রী খান, জিনিসটা রেডি করো। স্বাভাবিক, সহজভাবে চলাফেরা করবে। ওদের দূরবীন এখন পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে আমাদের।

    সামনের দিকে হেঁটে চলে এল রানা। আলতাফ এল পিছু পিছু। এঞ্জিন সারতে বসল মাহবুব। মিশ্রী খান ব্যস্ত হয়ে পড়ল একটা বিশ্রী কাজে

    লঞ্চটা যখন ছয়ফুট দূরে এসে পড়ল তখন পাটাতনে বসে একটা ছেঁড়া চাদর কোলের ওপর বিছিয়ে সেলাই করছে রানা। জনা ছয়েক ভারতীয় ন্যাভাল অফিসার দেখা গেল রেলিং-এর ধারে। তিনজনের হাতে অটোমেটিক কারবাইন, দু’জনের হাতে রিভলভার। একধারে ট্রাইপডের ওপর বসানো একটা মেশিনগান চেয়ে আছে ওদের দিকে স্থির দৃষ্টিতে। হুইল-হাউস থেকে মাথা বের করল অল্প বয়সী এক লেফটেন্যান্ট। দুই হাত মুখের কাছে তুলে চিৎকার করে বলল, ‘পাল নামাও।’

    মনেমনে চমকে উঠল রানা। হিম হয়ে গেল বুকের ভেতরটা। কথাটা পশতু ভাষায় বলেছে লেফটেন্যান্ট। মাহবুব একে ছেলেমানুষ, তার ওপর অনভিজ্ঞ। ঠিক ধরা পড়ে যাবে। রানা পরিষ্কার বুঝল, এই প্রথম কথাতেই ধরা পড়ে যাবে ওরা।

    কিন্তু মাহবুব এই ফাঁদে পা দিল না। মাথাটা কাত করে কানের কাছে হাত তুলে হাঁ করে কিছু শুনবার চেষ্টা করল। ঠিক মাথা মোটা জেলেদের চমৎকার অনুকরণ। কথাটা যেন বুঝতেই পারেনি এমন ভাবে কচ্ছ ভাষায় জিজ্ঞেস করল, ‘কি বলছেন গো?’

    ‘পাল নামাও। তোমাদের নৌকা সার্চ করব।’ রানা লক্ষ করল এবারেও পশতু ব্যবহার করছে লেফটেন্যান্ট।

    বোকার মত চেয়ে রইল মাহবুব ওর মুখের দিকে কিছুক্ষণ, তারপর রানা এবং আলতাফের দিকে চাইল অসহায় দৃষ্টিতে। ওদের চেহারা দেখেও বোঝা গেল একটি বর্ণও বুঝতে পারেনি ওরা। হতাশ ভাবে দুই হাতের তালু চিৎ করল সে।

    ‘মাদ্রাজী ভাষা আমরা বুঝি না,’ চিৎকার করে বলল সে। ‘কচ্ছের ভাষা বলতে পারেন না?’

    এক বিশেষ ধরনের মুখভঙ্গি করল লেফটেন্যান্ট। ভাঙা-ভাঙা কচ্ছ ভাষায় বলল, ‘এক্ষুণি নৌকা থামাও, আমরা সার্চ করব।’

    ‘কি? নৌকা থামাব? কেন নৌকা থামাব, কিসের সার্চ? আমরা চোর, না ডাকাত? লাইসেন্স আছে আমাদের…’ খেপে উঠল যেন মাহবুব। হাত-পা ছুঁড়ে আরও কিছু বলতে যাচ্ছিল তীক্ষ্ণ কণ্ঠে বাধা দিল লেফটেন্যান্ট।

    ‘দশ সেকেণ্ড সময় দিলাম। তারপর গুলি করব।’

    আহত-পরাজিত মাহবুবের মুখের চেহারা। তিক্ত কণ্ঠে বলল, ‘নামাও পাল।’

    পাল নামিয়ে ফেলল আলতাফ। নামিয়ে বোকার মত হাঁ করে দাঁড়িয়ে রইল। খালি দুই হাত ঝুলছে দেহের দুই পাশে। রানাও সেলাই বন্ধ করে বিরক্ত মুখে চেয়ে রইল লঞ্চের অফিসারদের দিকে। ডিজেল এঞ্জিনের শব্দটা একটু গভীর হলো। কাছে সরে এসে নৌকার গায়ে গা ঠেকাল লঞ্চটা।

    রিভলভার আর অটোমেটিক কারবাইন হাতে নেমে এল তিনজন অফিসার মেশিনগানের লাইন অফ ফায়ার থেকে গা বাঁচিয়ে। ঝট করে প্রথম জন সরে এল মাস্তুলের কাছে। ঘুরে দাঁড়িয়েই রানা ছাড়া বাকি সবাইকে কন্ট্রোলে রাখার জন্যে রিভলভারের মুখটা বুলিয়ে নিল ওদের ওপর। রানাকে লঞ্চের স্প্যানডাও মেশিনগানটার হাতেই ছেড়ে দিল সে।

    মাথা ঘুরিয়ে নির্বোধ দৃষ্টিতে চারদিকে চাইল রানা। মাহবুব ডেকের ওপর সাইলেন্সার মেরামতের কাজে লেগেছে। মিশ্রী খান ওর থেকে দেড় গজ দূরে কাতানি দিয়ে একটা টিন কাটছে মনোযোগের সঙ্গে- মেরামতের কাজে লাগবে। রানা লক্ষ করল কাতানিটা বাম হাতে ধরেছে মিশ্রী খান। অর্থাৎ, ডান হাতটা মুক্ত আছে রানার আদেশের অপেক্ষায়। আলতাফ তেমনি দাঁড়িয়ে আছে বোকার মত। মাস্তুলের কাছে দাঁড়ানো লোকটা নিষ্পলক চোখে চেয়ে রয়েছে সবার দিকে। বাকি দুজন ধীর পায়ে হেঁটে আলতাফের পাশ দিয়ে যাচ্ছে, কারবাইন দুটো ঢিল করে ধরা। সমস্ত নৌকাটা যে ওদের আয়ত্তে এসে গেছে, তাতে ওদের কোন সন্দেহ নেই। গোলমালের কথা ভাবাও এখন হাস্যকর।

    ঠিক এই সময় চাদরের তলা থেকে ঠাণ্ডা মাথায় সযত্নে প্রথম গুলিটা করল রানা। সোজা গুলি গিয়ে লাগল স্প্যানডাও মেশিনগানারের হৃৎপিণ্ডে। পর মুহূর্তে ঢলে পড়ল মাস্তুলের পাশে দাঁড়ানো অফিসারটা রানার দ্বিতীয় গুলিতে। অফিসারটা ডেকের ওপর গড়িয়ে পড়বার আগেই তিনটে জিনিস ঘটল একই সঙ্গে। ঝট্ করে বল-সাইলেন্সারের পাশে লুকানো মিশ্রী খানের পিস্তলটা তুলেই পরপর চারটে গুলি করল মাহবুব। কাতানি দিয়ে থ্রী-সেকেণ্ড কেমিক্যাল ফিউজটা একটু কুঁকড়ে দিয়ে ছুঁড়ে ফেলল সেটা মিশ্রী খান পাশে দাঁড়ানো লঞ্চের এঞ্জিনরুমের ভেতর। আর সঙ্গে সঙ্গে আলতাফের দুটো গরিলা সদৃশ প্রকাণ্ড হাত ওর পাশের দু’জন অফিসারের মাথা দুটো ভয়ঙ্কর জোরে ঠুকে দিল। ঠাস্ করে দুটো খোসা ছাড়ানো নারকেলে বাড়ি লাগল যেন। পরমুহূর্তে চারজনেই ওরা শুয়ে পড়ল পাটাতনের ওপর।

    প্রচণ্ড বিস্ফোরণের সাথে সাথে ধোঁয়া আর আগুনের হল্কা উঠল আকাশের দিকে। ভারতীয় টহলদারী লঞ্চের একটা রেলিং মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে পড়ল দশগজ তফাতে। জোর ঝাঁকুনি খেল নৌকাটা। ধাক্কা খেয়ে কিছুটা সরে এল জ্বলন্ত লঞ্চ থেকে। তারপর সব চুপ।

    কানে তালা লেগে গেছে রানার। টলতে টলতে উঠে দাঁড়াল সে পাটাতনের ওপর। ডুবে যাচ্ছে লঞ্চটা। মিশ্রী খানের বোমায় এঞ্জিনরূমের তলা নিশ্চয়ই খসে গেছে। দাউ দাউ করে জ্বলছে লঞ্চ। শুকনো কাঠ জ্বলছে, তাই ধোঁয়াও নেই, আর ধোঁয়া দেখে অনুসন্ধিৎসু প্লেনের আশঙ্কাও নেই। আধ মিনিটেই চলে যাবে লঞ্চটা পানির তলায়। হঠাৎ দৃষ্টি পড়ল রানার একজন লোকের ওপর। ছুরির মত কোনও লোহার পাত লেগে চিরে গেছে পেটটা। নাড়ি-ভুঁড়ি বেরিয়ে পড়েছে ডেকের ওপর। বেঁচে আছে এখনও। এক হাতে পেট চেপে ধরে হামাগুড়ি দিয়ে আগুন থেকে সরে আসতে চাইছে সে। বীভৎস সে দৃশ্য। চোখে-মুখে তার মৃত্যুর আতঙ্ক। ভাঙা-চোরা ডেকের ওপর উঠে এল পানি। দপ্ করে নিভে গেল আগুন। ধীরে ধীরে ডুবে গেল লঞ্চটা। খানিকটা সাদা ফেনা আর তৈলাক্ত বুদ্বুদ ছাড়া কিছুই অবশিষ্ট রইল না। শান্ত আরব সাগরে মৃদু হাওয়া- চারদিক নিস্তব্ধ। একটা উল্টানো হেলমেট ভেসে যাচ্ছিল, ডুবিয়ে দিল রানা সেটাকে। চিহ্নমাত্র রইল না আর এতবড় লঞ্চটার।

    নিজেদের নৌকার দিকে ফিরল এবার রানা। প্রকাণ্ড দেহী আলতাফ আর বাচাল মিশ্রী খান উঠে দাঁড়িয়েছে। মাহবুবও উঠে বসবার চেষ্টা করছে। ওর জুলফির কাছে একটা ক্ষত থেকে রক্ত ঝরছে। মিশ্রী খান এগিয়ে গেল সবচেয়ে আগে। ক্ষতটা পরীক্ষা করে ডাক্তারী চালে বলল, ‘কিচ্ছু হয়নি। সামান্য বাড়ি লেগেছে কাঠের টুকরোর।’ ইমার্জেন্সী মেডিকেল কিট খুলে ডেটল দিয়ে ধুয়ে জায়গাটায় সার্জিক্যাল টেপ লাগিয়ে দিল সে।

    আলতাফ ব্রোহী বিষণ্ণ মুখে দাঁড়িয়ে ছিল চুপচাপ। ওর পায়ের কাছে পড়ে আছে কারবাইন-ধারী অফিসার দুজন। ওর দিকে চেয়ে রানা বুঝল ওর মানসিক অবস্থাটা।

    ‘শেষ?’ জিজ্ঞেস করল সে মৃদুকণ্ঠে।

    মাথা নাড়ল আলতাফ ব্রোহী।

    ‘হ্যাঁ! অতিরিক্ত জোরে মেরেছিলাম।’ ভারি শোনায় ওর কন্ঠস্বর।

    রানা জানে বহু লোক প্রাণ দিয়েছে আলতাফ ব্রোহীর হাতে। যখনই সে মেরেছে; দক্ষ হাতে নির্দয়ভাবে মেরেছে। কিন্তু প্রতিবারই অনুশোচনায় নিজেকেও সেই সাথে দগ্ধে মেরেছে। ওর ধারণা কারও প্রাণ নেবার তার কোনও অধিকার নেই। খোদা এভাবে অপঘাতে মরবার জন্যে প্রাণ সৃষ্টি করেননি। কিন্তু বেশি লোকের বেশির ভাগ ভাল-র জন্যে অসংখ্য প্রাণ শিখা নিজ হাতে নিভিয়ে দিতে হয়েছে ওকে। প্রতিবারই বিবেক দংশন করেছে ওকে- প্রতিবারই ওর মনে হয়েছে, হয়তো অন্য কোনও উপায় ছিল, হয়তো এদের মৃত্যুর সত্যিই কোনও প্রয়োজন ছিল না। প্রতিবারই ওকে অনেক যুক্তি-তর্ক দিয়ে নিজের মনকে বোঝাতে হয়েছে যে সে হত্যা করেছে প্রতিশোধের জন্যে নয়, ঘৃণার জন্যে নয়, জাতীয়তাবাদ কিংবা ‘ইজম্’ তো নয়ই- অন্যায়কে দমন করে ন্যায়ের প্রতিষ্ঠার জন্যে।

    ‘আর কারও কিছু লাগেনি তো? মিশ্ৰী?’

    ‘না, ওস্তাদ।

    ‘বেশ। আলতাফ, পাল তুলে দাও। নয়টা বাজতে যাচ্ছে। সিগন্যালের সময় হয়ে গেছে। মাহবুব হাল অ্যাডজাস্ট করে করাচি টিউন করবার চেষ্টা করে দেখো।’ আকাশের দিকে একবার চেয়ে বলল, ‘ওদের ফোরকাস্টটাও শোনা দরকার। এখন আপাতত যত তাড়াতাড়ি এখান থেকে সরে যাওয়া যায় ততই মঙ্গল।’

    রেডিও রিসিপশন ভাল হলো না। মাঝে মাঝে ঘড়র্ ঘর্ করে বিকট শব্দ হচ্ছে। পশ্চিম আকাশের খানিকটা জায়গা কালো মেঘে ছেয়ে গিয়েছে। মাহবুব বলল ওর মধ্যে বিদ্যুৎ চমকাচ্ছে, তাই এই আওয়াজটা। আওয়াজটা একবার বেড়ে যাচ্ছে, একবার কমে যাচ্ছে।

    ‘স্যামসন কলিং ডেলায়লা।’ করাচি আর কম্যাণ্ডো গ্রুপের কোড। ‘ক্যান ইউ হিয়ার মি লাউড অ্যাণ্ড ক্লিয়ার?’

    মাহবুব হাঁ-বাচক টোকা দিল

    ‘স্যামসন কলিং ডেলায়লা। এনি ট্রাবল?’

    আবার হাঁ-বাচক টোকা।

    ‘এঞ্জিন ট্রাবল্‌?’

    আবার টোকা।

    ‘এনিমি ট্রাবল?’

    রানার দিকে চাইল মাহবুব। রানা মাথা নাড়তেই আবার হাঁ-বাচক টোকা দিল মাহবুব। রানা স্পষ্ট মানসচক্ষে দেখতে পেল কমোডোরের কুঞ্চিত ভ্রূ, উদ্বিগ্ন চেহারা।

    ‘অল ক্লিয়ার নাউ?’

    আবার টোকা।

    ‘নাউ ওয়েদার ফোরকাস্ট ফর ডেলায়লা। হেভি রেনফল অ্যাসোশিয়েটেড উইথ থাণ্ডার অ্যাণ্ড স্টর্ম এক্সপেক্টেড বিফোর নূন। টেম্পারেচার ফলিং, ভিজিবিলিটি পুওর। ডেঞ্জার সিগন্যাল- এইট।’

    ছাইয়ের মত সাদা হয়ে গেছে মিশ্রী খানের মুখ। এই ভয়ই সে করেছিল। সাঁতার জানে না সে। জানলেও কোন লাভ হত না, কিন্তু কিছুক্ষণ তো অন্তত ভেসে থাকা যেত। বেশ খানিকটা উঠে এসেছে পশ্চিমের মেঘ। ঘণ্টা খানেকের মধ্যেই ঢুকে যাবে সব লীলা খেলা।

    রানাও চিন্তিত হয়ে পড়ল। উঠে গিয়ে ঝুঁকে পড়ল মাহবুবের ম্যাপের ওপর। ছ’মাইল দূরে আছে একটা ছোট্ট দ্বীপ। ঝড়ের আগে গিয়ে পৌঁছতে পারবে সেখানে?, চোখ তুলেই দেখল মাহবুব বুঝতে পেরেছে ওর মনের কথা। বলল, ‘বৈঠা চালালে অসম্ভব না-ও হতে পারে, স্যার।’

    ‘ঠিক বলেছ। তুমি এঞ্জিনটার পেছনে লাগো। আমরা শেষ চেষ্টা করে দেখি।

    ‘কিন্তু ওই দ্বীপটায় ভারতীয় সৈন্য থাকার সম্ভাবনা আছে।’

    ‘জানি। কিন্তু ডুবে মরার চেয়ে বন্দী হওয়া ভাল। যাও, কুইক।’

    আধঘণ্টা পরই তুমুল জোরে বৃষ্টি নেমে গেল। চারদিক অন্ধকার হয়ে এসেছে। তীরের মত বৃষ্টির ফোঁটা এসে বিঁধছে তিনজনের চোখে-মুখে। হাওয়ার বেগ বাড়ছে ক্রমেই। অক্লান্ত ভাবে বৈঠা চালাচ্ছে তিনজন। এঞ্জিনের কাজ ছেড়ে হাল ধরে বসেছে মাহবুব। হঠাৎ উল্লসিত কণ্ঠে চিৎকার করে উঠল মাহবুব।

    ‘এসে গেছি!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬১ – অপশক্তি

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }