Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০০৬ – দুর্গম দুর্গ

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প165 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    দুর্গম দুর্গ – ৬

    ছয়

    কেন ঘুমটা ভাঙল বুঝতে পারল না রানা। কিসের শব্দ? ঘুমের কালো পর্দা ভেদ করে একটা শব্দ এসে পৌঁছেচে ওর অর্ধসচেতন মনের দুয়ারে। রোমাঞ্চ আর বিপদ নিয়েই রানার জীবন। এই সঙ্কেতের উপযুক্ত গুরুত্ব দিল সে। এক মুহূর্তে উঠে দাঁড়াল। সম্পূর্ণ সজাগ, সতর্ক সে এখন। এমনি সময় আবার শুনতে পেল সে শব্দটা। বহুদূর থেকে ভেসে আসছে উঁচু পর্দায় একটা হুইস্লের শব্দ। দুই সেকেণ্ড বেজেই থেমে গেল। ছোট-বড় অনেক পাহাড়ের গায়ে অস্পষ্ট প্রতিধ্বনি উঠল।

    রানার ক্রিস্টাল সেভেন সিটিজেন অটোমেটিক ঘড়িতে বাজে সাড়ে দশটা। ক্যানভাসের পর্দা সরিয়ে বাইরে চাইল সে। অন্ধকার হয়ে আছে এখনও আকাশটা। গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি পড়ছে।

    জেইস আইকন বিনকিউলারটা হাতে নিয়ে বেরিয়ে গেল সে গুহা থেকে।

    পঁয়ত্রিশ কি চল্লিশজন হবে। পার্বত্য সৈনিক। তন্ন তন্ন করে খুঁজতে খুঁজতে এগোচ্ছে ধীর পায়ে ওরা যে-পথে এসেছে সেই পথ ধরে। অনেক দূর ছড়িয়ে। প্রত্যেকটা পাহাড়, টিলা খুঁজছে ওরা সাবধানে। আধ মাইলও হবে না।

    দূরবীনটা চোখ থেকে নামাল রানা। হঠাৎ কাঁধে হাত পড়তেই চমকে ফিরে দেখল আলতাফ ওর পেছনে দাঁড়িয়ে হাসছে। বিনাবাক্য ব্যয়ে দূরবীনটা ওর হাতে দিল রানা। ওটা চোখে তুলে গম্ভীর হয়ে গেল আলতাফের মুখ। ফোকাস অ্যাডজাস্ট করে ভাল করে একবার দেখে নিয়ে বিনকিউলারটা নামাল সে চোখ থেকে।

    ‘অবস্থা তো খুব খারাপ দেখা যাচ্ছে, রানা।’

    ‘ওদের পার্বত্য ট্রুপ। এদের ফাঁকি দেয়ার উপায় নেই, খুঁজে বের করবেই এরা আমাদের।’ মাথার পেছনটা চুলকাল রানা চিন্তিত মুখে। কিন্তু এত তাড়াতাড়ি আমাদের উপস্থিতি জানতে পারল কি করে ওরা? কাল রাতেই বোধহয় সেই সেন্ট্রির মৃতদেহটা পেয়েছে সেপাইগুলো। ফিরে এসে যখন সাগর পারে মাহবুবের দেহটা দেখতে পায়নি, তখনই ওরা বুঝে নিয়েছে আমরা একজন আহত লোককে বয়ে নিয়ে যাচ্ছি, কাজেই খুব বেশি দূরে যেতে পারিনি এখনও। আগে হোক, পরে হোক ধরা পড়ছি আমরা।’

    ‘বড়জোর এক ঘণ্টা। এই অবস্থায় মাহবুবকে ফেলে পালালে পালাতে পারি আমরা, ওকে নিয়ে গা ঢাকা দেয়া অসম্ভব।’

    ‘কিন্তু পালাতেই হবে। এবং ওকে নিয়েই।’

    ‘বৃহত্তর স্বার্থে ক্ষুদ্রতর স্বার্থ বিসর্জন?’ হাসল আলতাফ।

    ‘তাই।’

    ‘কিন্তু তুমি শুধু শুধু চিন্তা করছ, বন্ধু। চলো, ক্যাপ্টেন মিশ্রী খানকে চমকে দেয়া যাক সুখবরটা দিয়ে।

    ক্যানভাসের পর্দা তুলেই প্রথম চোখ পড়ল রানার মাহবুবের চোখে। ওর দিকে চেয়ে মৃদু হাসল রানা। বলল, ‘যাক, জ্ঞান ফিরেছে তাহলে। এখন কেমন বোধ করছ, মাহবুব?’

    রানার দিকে চেয়ে মৃদু হাসবার চেষ্টা করল মাহবুব। রক্তশূন্য মুখে ঠোঁট দুটো সাদা দেখাল। রানা ভাবল, আহা, কার বাচ্চা না জানি। একেবারে অল্প বয়স বেচারার, অথচ কী দুর্ভোগই না ভুগছে।

    ‘খুব খারাপ না,’ বলল মাহবুব। কথা বলতে গিয়ে ব্যথায় কুঁচকে গেল মুখটা। ব্যাণ্ডেজ করা পায়ের দিকে চাইল সে একবার, তারপর সোজাসুজি রানার দিকে চেয়ে বলল, ‘আমি অত্যন্ত দুঃখিত, স্যার। বোকার মত এই কাণ্ডটা বাধিয়ে বসলাম।

    ‘এটা শুধু বোকামি নয়, গর্দভের মত কাজ হয়েছে। অমার্জনীয় অপরাধ। এবং এজন্যে একমাত্র দায়ী হচ্ছি আমি। তুমি কি পরিমাণ দুর্বল হয়ে পড়েছ, আমার বোঝা উচিত ছিল। দলের কে কেমন আছে খোঁজ নেয়ার দায়িত্ব ছিল আমারই ওপর।’ মাহবুবের কাঁধে একটা হাত রাখল রানা। ‘আমাকে সেজন্যে মাফ করো, মাহবুব। সত্যিই আমি বুঝতে পারিনি তোমার অবস্থা।’

    অস্বস্তি বোধ করল মাহবুব। কিন্তু মুখটা উজ্জ্বল হয়ে উঠল এই ভেবে যে কেউ এটা ওর দোষ মনে করছে না। খুশি হয়ে উঠল ওর মনটা ভেতর ভেতর। লজ্জিত হাসি হাসল সে। তারপর বলে ফেলল সেই কথাটা, যেটা অন্য সময় বা অন্য কারও কাছে কিছুতেই বলত না প্রাণ গেলেও।

    ‘ব্যাপারটা দুর্বলতার জন্যে ঘটেনি, স্যার। আসলে খুব ভয় পেয়েছিলাম। অতিরিক্ত ভীতু আমি। প্রথম দিন থেকেই ভয়ে কুঁকড়ে আছি। ভয়েই হাত-পা অসাড় হয়ে গিয়েছিল আমার।’

    সাইকো-অ্যানালিস্টের কাছে রোগী যেমন কিছুই গোপন রাখে না, সব কথা বলে ফেলে, তেমনি ভাবে কথাগুলো বলে ফেলল মাহবুব। প্রথমটায় হতভম্ব হয়ে গেল রানা। তারপর মাহবুবের দিকে চেয়ে রহস্যময় হাসি হাসল।

    ‘বুঝতে পারছি, তুমি এই মাঠে নতুন পিলিয়ার। তুমি হয়তো ভাবছ আমি হাসতে হাসতে গান গাইতে গাইতে চলেছি? ভাবছ আমি ভয় পাইনি?’ চোখ সরু করে পাপড়ির মধ্যে দিয়ে চাইল রানা মাহবুবের দিকে। ‘কেবল ভয় নয়, প্রতিটা মুহূর্ত আমার আতঙ্কিত বিভীষিকার মধ্যে কেটেছে। আলতাফেরও। মিশ্রীরও।’

    ‘আলতাফ!’ হাসল মাহবুব। হাসতে গিয়ে ভাঙা হাড় একটু নড়ে উঠতেই গোঙানি বেরিয়ে এল ওর মুখ থেকে। সামলে নিয়ে বলল, ‘আলতাফ? আতঙ্কিত? আমি বিশ্বাস করি না।’

    ‘আলতাফ সত্যিই ভীত।’ প্রকাণ্ড সিন্ধীর গলাটা গমগম করে উঠল গুহার মধ্যে। ‘আলতাফ ভীতু বলেই এতদিন পর্যন্ত বেঁচে আছে। যারা ভয় পায় না, তারা মারা পড়ে অসাবধান থাকার জন্যে। এই যেমন ভয় না পেলে এখন রাইফেল নিয়ে বেরোতাম না। আর বাইরের ওই বন্ধুরা ভয় পায়নি বলে প্রাণ দেবে অকাতরে।

    ‘কি হয়েছে?’ জিজ্ঞেস করল মিশ্রী খান। এতক্ষণ চোখ বন্ধ করে এই সব আলাপ শুনছিল সে। এই কথায় চোখ বড় বড় করে চাইল। রাইফেলের ওপর একটা টেলিস্কোপিক সাইট লাগিয়ে ফেলেছে আলতাফ ইতিমধ্যেই

    ‘মাউন্টেন ট্রুপের পঁয়ত্রিশ-চল্লিশজন এদিকে আসছে। আমাদের খুঁজে বের করতে ওদের খুব বেশি বেগ পেতে হবে না।

    ‘চমৎকার!’ উঠে বসল মিশ্রী খান। ‘খুশির চোটে আমার নাচতে ইচ্ছে করছে। কতদূর ওরা, ওস্তাদ?’

    ‘ঘণ্টা খানেক লাগবে পৌঁছতে,’ বলল রানা।

    ‘আগামী ষাট ঘণ্টার মধ্যে এই গুহার কাছাকাছি আসতে পারবে না ওরা,’ বলল আলতাফ। ‘ওদের বিভ্রান্ত করে দিয়ে সরিয়ে নিয়ে যাব আমি। আমি একটু ঘুরে আসতে পারি, মেজর?’

    রানা বুঝল এছাড়া আপাতত আর কোনও উপায় নেই। এই অবস্থায় মাহবুবকে নিয়ে পালাবার চেষ্টা করলে নির্ঘাৎ মারা যাবে ছেলেটা। মাথা ঝাঁকাল সে।

    ‘সন্ধ্যার আগে তো ফেরা যাবে না। তোমরা কি এখানেই থাকবে?’ জিজ্ঞেস করল আলতাফ।

    ‘সবাই যদি নাও থাকি, কেউ না কেউ থাকবে।’

    মিশ্রী খান চেপে ধরল আলতাফের হাত। বলল, ‘খোদাকা ওয়াস্তে, নিজের দিকে লক্ষ রেখো, আলতাফ।’

    ‘আমার জন্যে চিন্তা করো না, মিশ্রী। ওই বেচারাদের জন্যে প্রার্থনা করো খোদার কাছে। ওরা বড় ভুল পথে এসেছে আজ।’ চলে গেল আলতাফ মৃদু হেসে।

    ‘স্যার! মাহবুবের দুর্বল কণ্ঠ শোনা গেল। এগিয়ে গেল রানা ওর কাছে। ‘স্যার, যদি অপরাধ না নেন তবে একটা কথা বলি। আমি অকৃতজ্ঞ নই, তাছাড়া হিরো হবারও চেষ্টা করছি না, কিন্তু…কিন্তু এটা ঠিক, আমি আপনাদের গলার কাঁটা হয়ে দাঁড়িয়েছি এখন, আপনাদের কাঁধের ওপর চেপে বসেছি সিন্ধুবাদের সেই…’

    ‘তাই তোমাকে ছেড়ে চলে যাব, এই তো?’ বাধা দিল রানা। ‘ওসব কথা ভুলে যাও, মাহবুব। তোমাকে শত্রুদের হাতে তুলে দিয়ে পালানো আমাদের পক্ষে সম্ভব হচ্ছে না। সেজন্যে দুঃখিত।’

    ‘কিন্তু…কিন্তু স্যার–’

    ‘তুমি আমাদের অপমান করছ, মাহবুব,’ মিশ্রী খান বিশ্রী করে হাসল। ‘তাছাড়া আমি তো আমার পেশেন্ট ভাল না হওয়া পর্যন্ত তাকে হাতছাড়া করতে পারি না।’

    মাহবুবকে অবাক হয়ে চাইতে দেখে রানা বলল, ‘ওহ-হো, ডাক্তার আর রোগীর পরিচয়ই তো হয়নি এখনও। শোনো, মাহবুব, ইনি হচ্ছেন ডক্টর মিশ্ৰী খান। আপাতত ওঁরই চিকিৎসাধীনে আছ তুমি। তোমার পায়ের ব্যাজে আর স্প্লিন্ট ওঁরই বাঁধা।

    কৃতজ্ঞ দৃষ্টিতে মিশ্রীর দিকে চেয়ে কিছু বলতে যাচ্ছিল মাহবুব। হাত তুলে থামবার ইঙ্গিত করল মিশ্রী খান।

    ‘আর কোনও কথা নয়। এখন রি-ড্রেস করতে হবে। মনটাকে শক্ত করে নাও, ভাতিজা। তেমন কিছু লাগবে না। আগে এই ওষুধটা খেয়ে নাও। পায়ের অবস্থাটা একবার চেক করে দেখা দরকার।’

    পাঁচ মিনিটে জ্ঞান হারাল মাহবুব। ব্যাণ্ডেজ বেঁধে রানার দিকে ফিরল মিশ্ৰী খান!

    ‘ছেলেটা মারা যাচ্ছে, ওস্তাদ। কমপক্ষে একশো চার ডিগ্রী জ্বর ওর গায়ে, পালস্ বিট একশো বিয়াল্লিশ। এক্ষুণি হাসপাতালে দেয়ার ব্যবস্থা না করতে পারলে আর বড়জোর আটচল্লিশ ঘণ্টা টিকবে। ওর অবস্থা আমার ক্ষমতার বাইরে। আমি সালফা দিয়ে বেঁধে দিলাম, কিন্তু সেসিস্ ঠেকাতে পারব না। এখন কি করা যায়, ওস্তাদ?’

    ‘আপাতত কিছুই করবার নেই।’

    ‘এই গুহা থেকে আমরা সরে যাচ্ছি কখন? ‘খুব সম্ভব আজই রাতে।’

    ‘ওকে নিয়ে?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘ঠিক মরে যাবে।’

    ‘মারা গেলে ওকে ফেলে রেখে এগোতে পারব আমরা, কিন্তু তার আগে নয়। রানার মুখটা কঠোর দেখাল। ‘মাহবুব আমাদের প্ল্যান জানে। ভারতীয়রা নিশ্চয়ই আন্দাজ করতে পেরেছে আমরা এখানে ঘাস কাটতে আসিনি। কিন্তু ওরা জানে না কিভাবে আমরা কাজ উদ্ধার করতে যাচ্ছি। কিন্তু মাহবুব জানে। ওকে যদি ভারতীয়দের হাতে ফেলে রেখে যাই, সব কথা বলতে বাধ্য করবে ওকে ওরা। স্কোপোলামিন ট্রুথ সিরাম পড়লে যে কেউ কথা বলতে বাধ্য।’

    ‘আধমরা ছেলেটার ওপর স্কোপোলামিন!’ অবিশ্বাসের ভাব মিশ্রীর মুখে।

    ‘কেন নয়? তুমি বা আমি হলেও তাই করতাম। এতবড় একটা নৌঘাঁটির নিরাপত্তার জন্যে এটুকু করাটা কিছুই নয়।’

    ‘বুঝলাম, ওস্তাদ। এরই জন্যে ওকে টেনে নিয়ে বেড়াচ্ছি আমরা। নিজ হাতে খুনও করতে পারছি না, আবার কোথাও ফেলে রেখেও পালাতে পারছি না। অথচ বেচারা ভাবছে আমরা ওর কত বড় মঙ্গলাকা’ক্ষী- কত ভালবাসি ওকে আমরা! ওর বিপদে আমরা নিজেদের নিরাপত্তা তুচ্ছ করেও ওকে বাঁচাবার কি আপ্রাণ চেষ্টা করছি। ছিঃ! একটা মুমূর্ষু বাচ্চা ছেলের এই সরল বিশ্বাসে নিজেকে বড় ছোট মনে হচ্ছে, ওস্তাদ। ঘেন্না লাগছে নিজের ওপর।

    তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে চেয়ে ছিল রানা মিশ্রী খানের মুখের দিকে। পরিষ্কার দেখতে পেল সে একজন দুর্ধর্ষ যোদ্ধার কোমল মনটা। নিজের মনের সাথে সে-ই কি কম যুদ্ধ করেছে গত রাত থেকে? কিন্তু কঠিন কর্তব্যের কাছে স্হে মমতা ভালবাসার কোনও স্থান নেই। এ-কথাটা মিশ্রীও জানে। তাই তাকে কিছুই বোঝাবার চেষ্টা করল না সে। চোখ ফিরিয়ে নিয়ে তাকাল বাইরের দিকে।

    ‘টাশ্, টাশ্, টাশ্!’ রাইফেলের গুলির শব্দ পাওয়া গেল। তারপর আবার তিনটে আওয়াজ। কিছুক্ষণ সব চুপচাপ। তারপর এলোপাথাড়ি শব্দ আরম্ভ হলো। শত্রুপক্ষও এবার গুলি ছুঁড়তে আরম্ভ করেছে।

    ঘণ্টা খানেক পর এক-আধটা শব্দ পাওয়া গেল বহু দূর থেকে। রানা বুঝল বিপদ কেটে যাচ্ছে ক্রমে।

    .

    ‘ওস্তাদ!’ ডাকল মিশ্রী খান আস্তে করে।

    ‘বলো,’ থেমে দাঁড়াল রানা সূচীভেদ্য অন্ধকারে। তিনহাত দূরেও কিছু ঠাহর করা যাচ্ছে না। ঘন জঙ্গলের মধ্যে দিয়ে চলেছে ওরা।

    ‘আপনি ভূতে বিশ্বাস করেন?’

    ‘সে বয়স আমার পার হয়ে গেছে। কেন, ভয় লাগছে নাকি?’

    ‘কিসের যেন শব্দ শুনলাম, ওস্তাদ!’ কানের কাছে ফিসফিস করে বলল মিশ্ৰী খান।

    ‘ওটা মনের ভুল।

    ‘না, ওস্তাদ, অস্পষ্ট মত যেন শুনলাম মানুষের গলা। দু’জন কথা বলছে।

    ‘অসম্ভব। এখনও আধমাইল আছে সেই ডাকবাংলো। বাদলার রাতে এই জঙ্গলের মধ্যে কে আসবে?’

    এখানে ওখানে টুপ-টাপ পানি পড়ছে ঝরা পাতার ওপর। রানার বাম হাতটা ধরে ফেলল মিশ্রী খান। রানা বুঝল ভয় পেয়েছে মিশ্ৰী খান। ‘সেজন্যেই তো ভাবছি, মানুষ না। জিন-টিন হতে পারে।’

    চুপচাপ বেশ কিছুদূর এগোল ওরা। হঠাৎ মিশ্ৰী খান বলল, ‘ওস্তাদ, ক্যাপ্টেন আলতাফ কি বেঁচে আছে এখনও?’

    ‘কেন? তুমি কি ভাবছ আলতাফের ভূতই পিছু নিয়েছে আমাদের?’ একটু হাসল রানা। মিশ্রী খানের কাঁধের ওপর হাত রাখল। ‘এত সহজে মরবে না আলতাফ। ও হচ্ছে পাকিস্তানের শ্রেষ্ঠ গেরিলা ফাইটার।

    ‘তবু ওকে একা এভাবে যেতে দেয়া আপনার ঠিক হয়নি।’

    ‘ভালমন্দ বোঝার ক্ষমতা তোমার-আমার চাইতে ওর অনেক বেশি আছে। তুমি হয়তো জানো না, আর্মিতে ও লেফটেন্যান্ট কর্নেল ছিল।’

    ‘কি বললেন?’ চমকে উঠল মিশ্রী খান। ‘আমি তো জানতাম ক্যাপ্টেন…’

    ‘ডাবল ডিমোশন হয়েছিল ওর। বর্ডারে ওর বাড়ি। রান অফ কাচের যুদ্ধের সময় ওর বাবা-মা, স্ত্রী এবং তিন ছেলেকে ভারতীয় সৈন্যরা ঘর জ্বালিয়ে দিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে মেরেছিল। খবরটা কানে যেতেই ছদ্মবেশে চলে গিয়েছিল সে শত্রু লাইনের পেছনে। ছয় মাস নিরুদ্দেশ থেকে এই হত্যাকাণ্ডের জন্যে দায়ী প্রত্যেকটা লোককে খুঁজে বের করে নির্মম প্রতিশোধ নিয়েছিল সে। যখন পাকিস্তানে ফিরে এল তখন চেহারা আর চেনা যায় না- হাড় ক’খানা আছে শুধু শরীরে। অ্যারেস্ট করা হলো ওকে সেনাবাহিনী থেকে পালানোর অপরাধে, বিচারে ডাবল ডিমোশন হলো। এমন সময় আমাদের চীফ সমস্ত ঘটনা জানতে পেরে ওকে নিয়ে এলেন পাকিস্তান কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সে। এখন বুঝতে পারছ, ভালমন্দ বোঝার ক্ষমতা ওর এত বেশি কেন?’

    মিশ্রী খান এতক্ষণ মনে মনে তলিয়ে দেখে বুঝল কেন রানা বিশেষ সম্মানের সঙ্গে কথা বলে ক্যাপ্টেন আলতাফের সঙ্গে, কেন ওর মতামতের এত দাম দেয়, কখনও কেন হুকুমের সুরে আদেশ দেয় না, অনুরোধ করে। চুপচাপ বেশ কিছুদূর চলে গেল ওরা। হঠাৎ রানার আস্তীন ধরে টান দিল মিশ্ৰী খান।

    ‘ওস্তাদ! আবার শুনলাম!’

    হেসে ফেলল রানা। পরমুহূর্তেই সতর্ক হয়ে গেল ওর সজাগ মন। বলল, ‘সত্যি শুনেছ তুমি? কোনদিক থেকে এল শব্দটা?’

    ‘বামদিক থেকে?’ গলাটা কেঁপে উঠল মিশ্রী খানের। অদ্ভুত মানুষের চরিত্র। সামনা-সামনি যুদ্ধক্ষেত্রে যে লোক বীরের মত যুদ্ধ করতে পারে, রাত্রির অন্ধকারে সেই লোকই শিশুর মত ভূতের ভয়ে আতঙ্কিত। শিশুকাল থেকেই ভয়টা মজ্জার মধ্যে ঢুকিয়ে দেয় আমাদের কুসংস্কারাচ্ছন্ন মায়েরা। কিন্তু রানার মন এইসব গবেষণায় একবিন্দু সময়ও নষ্ট করল না। মাথায় চলছে ওর দ্রুত চিন্তা। তিন সেকেণ্ডেই প্ল্যান ঠিক করে ফেলল সে। মিশ্ৰী খানকে বুঝিয়ে বলতেই ভূতের ভয় কেটে গেল ওর। কিছুদূর এগিয়ে চট্ করে একটা গাছের আড়ালে সরে গেল রানা, আর কৌশলে দু’জনের পায়ের শব্দ করতে করতে এগিয়ে গেল মিশ্ৰী খান সামনের দিকে।

    আক্রমণটা এল পেছন থেকে। প্রায় হুড়মুড় করে ওর ঘাড়ের ওপর এসে পড়ল লোকটা। ধাঁই করে রানার কনুইয়ের গুঁতো পড়ল ওর পেটের ওপর, সোলার প্লেক্সাসে। নিঃশব্দে পড়ল লোকটা মাটিতে। পিস্তলের বাঁটটা প্রচণ্ড জোরে ওর মাথায় মারতে গিয়েও সামলে নিল রানা। সোজা ধরে থাকল সেটা লোকটার বুকের দিকে। কিন্তু নড়ল না লোকটা। এত সহজেই অজ্ঞান হয়ে গেল? সাবধানে এক পা এগিয়ে ওর হাঁটুর ওপর মাঝারি রকম একটা লাথি দিল রানা বুট দিয়ে। এটা একটা পুরানো কৌশল। জ্ঞান থাকলে নড়ে উঠতেই হবে। কিন্তু একটুও নড়ল না ধরাশায়ী দেহটা। হাঁটু গেড়ে বসল রানা পাশে। হুড় লাগানো একটা পেনসিল টর্চ জ্বেলেই চমকে উঠল সে। লেফটেন্যান্ট আরীফ! এরই সাথে দেখা করতে চলেছে ওরা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!
    Next Article মাসুদ রানা ৪৬১ – অপশক্তি

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }