Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প141 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানা! সাবধান!! – ২

    দুই

    খট্ করে শব্দ হলো কেবল, গুলি বেরোল না পিস্তল থেকে। খনখনে গলায় হেসে উঠল মেজর টিং ফং। উঠে দাঁড়াল চেয়ার ছেড়ে।

    ‘মাফ করবেন, মেজর মাসুদ রানা। হাতে সময় আছে, তাই একটুখানি বাস্তব রসিকতা করছিলাম, আমার চীফ একটু ব্যস্ত আছেন, এক্ষুণি ডাক আসবে আপনার, ততক্ষণ…’

    টেবিলের ওপর টেলিফোন বেজে উঠল। একটিও কথা না বলে রিসিভার কানে তুলে শুনল সে বিশ সেকেণ্ড, তারপর নামিয়ে রাখল।

    ‘হাত কড়াটা খুলে দাও। চলুন, মেজর রানা। তলব এসেছে চীফের কাছ থেকে। দোতলায় যেতে হবে আমাদের এখন। তোমরা থাকো, তোমাদের আর যেতে হবে না।’

    সিঁড়ি দিয়ে উঠেই লম্বা করিডর। তিনটে ঘর ছেড়ে বাঁয়ে গেছে আরেকটা করিডর। শেষের ঘরটার সামনে গিয়ে দাঁড়াল রানা। দুটো টোকা দিয়ে অনুমতির অপেক্ষা না করেই রানাকে নিয়ে ঢুকে পড়ল টিং ফং ঘরের ভিতর।

    ঘরের মেঝেতে পুরু লাল কার্পেট বিছানো। প্রথমেই চোখ পড়ল রানার ঘরের দেয়ালে টাঙানো বিভিন্ন রকমের বন্দুক, রাইফেল, পিস্তল ও রিভলভারের ওপর। মারলিন কারবাইন, মসবার্গ আর উইনচেস্টার রাইফেল, ফারলাখ, ফিনিশ লায়ন, ওয়ালথার, সাকো- কি নেই? আর্জেন্টিনার ব্যালেস্টার মলিনা, ইটালিয়ান গ্লিসেনটিস, সুইডিস লাটিস, আর রাশান ম্যাকারভ- সব রকম আছে। শেষের তাকে সাজানো আছে কয়েকটা টেলিস্কোপিক সাইট, সায়ানাইড ফায়ারিং সিগারেট কেস, টাইম বম্ব ফিট করা মিনিয়েচার ক্যামেরা আর এক্সপ্লোসিভ রিস্টওয়াচ।

    তারপরই দেখতে পেল রানা, একটা মস্ত বড় বাঁকা সেক্রেটারিয়েট টেবিলের ওপাশে বসে ফাইল ঘাঁটছে একজন লোক। একনজরেই অনায়াসে চিনতে পারল রানা। চাইনিজ সিক্রেট সার্ভিসের চীফ, অ্যাডমিরাল হো ইন। এবার সত্যি অবাক হলো রানা। এ ভাবে ধরে আনা হলো কেন ওকে?

    ‘আসুন, মেজর মাসুদ রানা।’ সহাস্যে স্বাগত জানালেন অ্যাডমিরাল। ‘বসুন ওই চেয়ারটায়। টিং ফং, তুমি এখন যেতে পারো। ঠোঁটের ওপর রক্ত দেখেই বোঝা যাচ্ছে যাত্রাটা তেমন উপভোগ্য হয়নি মাসুদ রানার। তাছাড়া সারাটা দিন খাওয়া-দাওয়া হয়নি ওঁর। সেই ব্যবস্থা করো গিয়ে তুমি। দরকার হলেই ডাকব তোমাকে।…কই, বসুন?’

    অবাক হয়ে চেয়ে আছে রানা জানালার দিকে। ছিপছিপে লম্বা একজন লোক রানার দিকে পিছন ফিরে দাঁড়িয়ে জানালার বাইরে চেয়ে রয়েছে। দাঁতে চেপে ধরা পাইপ থেকে ধোঁয়া উঠছে অল্প অল্প। অ্যাডমিরাল হো ইনের কথা কানে ঢুকল না রানার। হাঁ হয়ে গেল ওর মুখটা। বাইরের দিক থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়ে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়ালেন পাকিস্তান কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের চীফ, মেজর জেনারেল রাহাত খান।

    দীর্ঘ পদক্ষেপে টেবিলের কাছে চলে এলেন রাহাত খান। অ্যাডমিরাল হো ইনের পাশের চেয়ারটায় বসে গম্ভীর কণ্ঠে বললেন, ‘বসো, রানা।

    বিস্মিত রানা বসল একটা চেয়ারে। মাথার মধ্যে অনেকগুলো চিন্তা একসাথে ভিড় করে এসে গোলমাল করে দিল সবকিছু। কিছুই বুঝতে পারছে না সে। মান্দালয়ে রাহাত খান, হো ইন- এরা কেন? ওকেই বা ছেলে-ভুলানো কাজ দিয়ে রেঙ্গনে পাঠানো হয়েছিল কেন? ধরেই বা আনা হলো কেন এমন রূঢ় ভাবে? কি এদের উদ্দেশ্য? মেজর টিং ফং কি ঠিকই বলেছিল? তাকে বিশ্বাসঘাতক বলে সন্দেহ করে এখানে ধরে আনা হয়েছে?

    ‘এসবের কি অর্থ, স্যার?’ জিজ্ঞেস করল রানা আহত কণ্ঠে।

    ‘অর্থ আছে। তোমার সব প্রশ্নেরই সদুত্তর পাবে। কিন্তু তার আগে খাওয়া-দাওয়াটা সেরে নিতে চাও?’

    ‘না, স্যার। এক্ষুণি জানতে চাই আমি কেন এভাবে…’

    ‘আমিই বরঞ্চ শুরু করি, কি বলেন, মেজর জেনারেল?’ হঠাৎ বলে উঠলেন অ্যাডমিরাল হো ইন। ‘আমার মুখ থেকে শুনলে আঘাতটা কম লাগবে মেজর রানার। মোটামুটি ব্যাপারটা হচ্ছে এই যে, আপনি তলে তলে ভারতের সাথে হাত মিলিয়েছেন, কিংবা অদূর ভবিষ্যতে ওদের পক্ষে কাজ করবেন বলে গোপনে চুক্তিবদ্ধ হয়েছেন, এই সন্দেহ করে আপনাকে এখানে ধরে আনা হয়েছে।

    ‘আমি কী এমন কাজ করেছি, যার জন্যে আপনাদের মনে এই জঘন্য সন্দেহ?’ জিজ্ঞেস করল রানা বিস্মিত কণ্ঠে।

    ‘একটা-দুটো প্রমাণে আমাদের সন্দেহ উৎপন্ন হয়নি, মেজর মাসুদ রানা। অসংখ্য প্রমাণ হাতে আছে আমাদের। কোটা বলব? ভারতীয় এজেন্টের কাছে পাকিস্তানের অনেক গোপন তথ্য পাচার করেছেন আপনি, বেইজিং-এ চীনা সামরিক ঘাঁটির ছবি তুলে দিয়েছেন ওদের হাতে, ভারতে কার্যরত চীনা ও পাকিস্তানী এজেন্টদের লিস্ট ধরিয়ে দিয়েছেন ওদের হাতে…কত বলব? সব রিপোর্ট টাইপ করা আছে আমাদের কাছে, আপনি পাবেন এককপি।’

    ‘আপনারও কি এই মত, স্যার?’ সোজাসুজি চাইল রানা রাহাত খানের চোখের দিকে। ‘আপনিও কি বিশ্বাস করেন এ-সব কাজ আমার দ্বারা সম্ভব?’

    ‘আমার বিশ্বাস-অবিশ্বাসে কিছুই এসে যায় না, রানা, দাঁতের ফাঁক থেকে পাইপটা হাতে নিয়ে বললেন রাহাত খান। ‘স্পষ্ট প্রমাণ আছে তোমার বিরুদ্ধে, পুরো এক ঘণ্টার একটা ফিল্ম আছে, গোটা পঞ্চাশেক স্টিল ফটোগ্রাফ আছে…’

    ‘গোড়া থেকে বুঝিয়ে বলুন, স্যার।’ আকাশ ভেঙে পড়ল রানার মাথার ওপর। মেজর জেনারেল রাহাত খানের মুখে এই কথা শুনবে, কল্পনাতেও ছিল না ওর।

    ‘আমিই বলছি,’ বললেন অ্যাডমিরাল। ‘ব্যাপারটা শুরু হয়েছে দু’মাস আগে জেনেভায়। মাতাল অবস্থায় হোটেলে ফিরছিলেন আপনি অনেক রাতে। আপনাকে ঘরে পৌঁছে দেয় ভারতের একজন প্রতিভাবান সিক্রেট এজেণ্ট সুহর্ষ নাগ। এবং একজন পরমাসুন্দরী ভারতীয় মহিলা এজেন্টকে ঢুকিয়ে দেয় আপনার ঘরে। বাকি ব্যাপারটা বুঝতেই পারছেন। ছবি তোলার বন্দোবস্তটাও সে-ই করেছিল। আমাদের কষ্ট করতে হয়নি। তিনদিন পরে মেয়েটির লাস পাওয়া গিয়েছিল হোটেলের সুইমিং পুলে। আপনি প্রকৃতিস্থ হয়েই বুঝতে পেরেছিলেন কি ভুল করে ফেলেছেন- তাই এইভাবে মুক্তি পেতে চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু জড়িয়ে পড়লেন আরও। সুহর্ষ নাগ সময় মত সাহায্য না করলে খুনের দায়ে জেল খাটতে হত আপনাকে।

    ‘আচ্ছা! তাহলে খুনও করেছি?’ চিবিয়ে চিবিয়ে বলল রানা কথা কয়টা। ‘কেবল তাই নয়, নিজেকে সম্পূর্ণ ভাবে বিক্রি করে দিয়েছেন সুহর্ষের কাছে। অবশ্য আপনি ওর হাত থেকে নিস্তার পাওয়ার জন্যে চেষ্টার ত্রুটি করেননি, কিন্তু এতগুলো ছবি এবং জ্বলন্ত প্রমাণ সুহর্ষের হাতে থাকায় তেমন কোন সুবিধা করে উঠতে পারেননি। অনিচ্ছাসত্ত্বেও রাজি হতে হয়েছে আপনাকে সুহর্ষের প্রস্তাবে। এবং তারপর থেকে আপনি ডাবল এজেন্টের কাজ করে চলেছেন- বিনিময়ে পয়সাও পাচ্ছেন প্রচুর। বিভিন্ন দেশের পাকিস্ত ানী হাই কমিশনারের অফিস থেকেও আপনি অনেকগুলো ডকুমেন্টের ফটোগ্রাফ তুলে পাচার করেছেন ইণ্ডিয়ান সিক্রেট সার্ভিসের কাছে। ঢাকায় ফিরেও পূর্ণোদ্যমে কাজ করে যাচ্ছিলেন, এমন সময় আপনাকে টোকিও হয়ে বেইজিং যাওয়ার প্রস্তাব দেয়া হলো, আমাদের অনুরোধে। যেন অনিচ্ছাসত্ত্বেও যাচ্ছেন, এমনি ভাব করে ভেতর ভেতর আহ্লাদে আটখানা হয়ে চলে গেলেন আপনি বেইজিং আপনার নতুন প্রভুদের নির্দেশে কিছু তথ্য জোগাড় করতে। কি, মনে পড়েছে এখন সব কথা?’

    কোনও উত্তর দিল না রানা।

    ‘আরও বলব? আপনার অজান্তে ঢাকার পি.সি.আই. হেড কোয়ার্টারে ঢুকেছেন আপনি মাইক্রো ট্রান্সমিটার সঙ্গে নিয়ে, ফলে অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে গেছে চীন ও পাকিস্তানের। পৃথিবীর বিভিন্ন জায়গার অন্তত একশো জন সিক্রেট এজেন্টকে কায়দা মত বাগে এনে ফেলবে ওরা অল্পদিনের মধ্যেই, ওদের ডাবল এজেন্ট হিসেবে কাজ করতে বাধ্য করবে। আরও শুনবেন?’ এতক্ষণ একটানা কথা বলে লম্বা করে দম নিলেন অ্যাডমিরাল।

    ‘বলুন, বলুন। থামলেন কেন? আর কি কি করেছি শুনি,’ বলল রানা তিক্ত কণ্ঠে।

    এবার কথা বললেন মেজর জেনারেল রাহাত খান। পাইপটা ধরিয়ে নিয়েছেন তিনি ইতিমধ্যে।

    ‘এ ব্যাপারে আর বিশেষ কিছু বলার নেই তোমাকে। সীলমোহর করা চিঠি দেয়া হয়েছিল নিজহাতে বেইজিং পৌঁছে দেবার জন্যে, সেটা ওদের না দিয়ে আজ তুমি পোস্ট করেছ নয়াদিল্লীর ঠিকানায়। এরপরেও তোমাকে মুক্ত রাখা যুক্তিযুক্ত মনে না করায় ধরে নিয়ে আসা হয়েছে এখানে। আমি আজই সকালে চলে এসেছি জরুরী খবর পেয়ে।’

    ‘আচ্ছা। এবার আমার কপালে কি ঘটতে চলেছে? ফাঁসি না যাবজ্জীবন কারাদণ্ড?’ জিজ্ঞেস করল রানা শান্ত কণ্ঠে।

    ‘প্রথমে তোমাকে আচ্ছা করে ইন্টারোগেট করা হবে, মারধোর করা হবে অল্পবিস্তর, তারপর একটা প্লেনে করে পাঠিয়ে দেয়া হবে পাকিস্তানে কোর্ট মার্শালের জন্যে। পথে দু’জন গার্ড এবং একজন পাইলটকে হত্যা করে তুমি প্লেনটাকে ক্র্যাশ ল্যাণ্ড করাবে ভারতীয় এলাকায়।’

    বিস্ফারিত দৃষ্টিতে চেয়ে রইল রানা মেজর জেনারেল রাহাত খানের তীক্ষ্ণ দুই চোখের দিকে। দশ সেকেণ্ড একটি কথাও বেরোল না ওর মুখ থেকে। রাহাত খানের ঠোঁটের কোণে পাতলা একফালি রহস্যময় হাসি।

    ‘কিন্তু…কিন্তু…’ থেমে গেল রানা। আবার কথা বললেন রাহাত খান।

    ‘ব্যাপারটার গুরুত্ব নিশ্চয়ই বুঝতে পারছ। ভয়ঙ্কর একটা ঝুঁকি নিতে হবে তোমাকে। ইচ্ছে করলে এখনও এড়িয়ে যেতে পারো। ভেবে দেখো ভাল করে।’

    ধীরে ধীরে অনাবিল হাসিতে উদ্ভাসিত হয়ে উঠল রানার মুখ। বুকের ওপর চাপানো দশ মণী পাথরটা কেউ তুলে নিয়েছে যেন। চট্ করে চোখ ফিরিয়ে দেখল অ্যাডমিরালের মুখেও হাসি। রানাকে এড়িয়ে চোখ টিপে ইশারা করতে গিয়েছিলেন তিনি রাহাত খানকে, ধরা পড়ে গেলেন।

    ‘কিন্তু, স্যার, মাসুদ রানা হিসাবে এতদিন কাউকে দিয়ে যদি অভিনয় করিয়ে থাকেন, আমার চেহারা দেখলেই বুঝে ফেলবে ওরা।’

    ‘না। সে সম্ভাবনা নেই। সুহর্ষ নাগ আমাদের লোক। আর তোমার নামে যে লোকটাকে এতদিন চালিয়েছি সে দেখতে অনেকটা তোমারই মত। চুলগুলো পর্যন্ত তোমার মত করে ছাঁটিয়ে নেয়া হয়েছিল। আর সিনেমা রীলটা তোলা হয়েছিল আমাদের ফটোগ্রাফিক ল্যাবরেটরিতে সেট তৈরি করে নিয়ে। বেশিরভাগ সময়ই লোকটার মুখ আবছা রাখা হয়েছে- যখন স্পষ্ট করে দেখানো হয়েছে তখন সেটা তোমার ছবি।

    ‘ঢাকায় যে ভারতীয় এজেন্ট মাসুদ রানাকে কন্ট্যাক্ট করেছিল, সে তো নকল মাসুদ রানাকে স্পষ্ট দেখেছে?’ জিজ্ঞেস করল রানা।

    ‘দেখেছে। কিন্তু সাক্ষ্য দিতে আসবে না সে আর কোনদিন। সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তার,’ গম্ভীর মুখে বললেন রাহাত খান।

    ভুরু কুঁচকে গেল রানার। খুন-খারাপি পছন্দ করেন না মেজর জেনারেল। কতখানি সিরিয়াস ব্যাপার হলে এতসব আয়োজন দরকার হতে পারে, উপলব্ধি করল রানা। বুঝল ওর জীবনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অ্যাসাইনমেন্ট এসে উপস্থিত হয়েছে আজ সামনে। চীন-পাকিস্তানের যৌথ কোনও ব্যাপার। ভয়ঙ্কর কোন কাজের কথা পাড়বে এক্ষুণি বুড়ো। ছলকে উঠল এক ঝলক রক্ত ওর বুকের ভিতর।

    ‘তা, অন্য কাউকে দিয়ে অভিনয় না করিয়ে গোড়াতেই আমাকে বলেননি কেন, স্যার? অনর্থক…

    ‘অনর্থক আমি কোন কাজ করি না, রানা।’ চাবুক পড়ল যেন রানার পিঠে।

    ‘সরি, স্যার, আমি ঠিক তা বলতে চাইনি…’

    ‘বুঝেছি। তোমাকে প্রথমেই আনা হয়নি এই জন্যে যে, প্রথমেই যদি হঠাৎ কোন সড়ক দুর্ঘটনায় তোমার মৃত্যু হয় তাহলে আমাদের সমস্ত প্ল্যান ভেস্তে যাবে। তোমাকে দূরে সরিয়ে রেখে আগে অন্য লোককে দিয়ে তাই পথ পরিষ্কার করেছি। তুমি এই প্ল্যানের একটা অবিচ্ছেদ্য অংশ।’

    ‘খুবই সাদঘাতিক ব্যাপার মনে হচ্ছে?’

    ‘হ্যাঁ।’ এতক্ষণে কথা বললেন অ্যাডমিরাল। ‘আপনি যদি সফল হতে না পারেন তাহলে আগামী ছয় মাসে পৃথিবীর চেহারা পাল্টে যাবে। সিক্রেট সার্ভিসের ইতিহাসে এক মহা বিপ্লব ঘটতে চলেছে, মেজর রানা। আপনি যদি ঠেকাতে না পারেন তাহলে আমাদের একটা তথ্যও ওদের কাছে অজানা থাকবে না। আমাদের অস্ত্র তৈরির আগেই তার ফর্মুলা মুখস্থ হয়ে যাবে ওদের। আমাদের সরকার কি প্ল্যান করতে যাচ্ছে, জেনে ফেলবে ওরা বৈঠকে আলোচনা হবার আগেই। এমন কি আমাদের রাষ্ট্রীয় নেতারা কি চিন্তা করছে তাও অজানা থাকবে না ওদের কাছে। ছয় মাসের মধ্যেই সারা বিশ্বকে হাতের মুঠোয় নিয়ে আসবে ইণ্ডিয়া। যে কোন রাষ্ট্র যত শক্তিশালীই হোক, মাথা নোয়াতে বাধ্য হবে ভারতের কাছে। কল্পনা করতে পারেন কি ভয়ঙ্কর অবস্থা সেটা?’

    রানা কিছুতেই ভেবে পেল না কি করে তা সম্ভব। কি এমন ব্যাপার ঘটাচ্ছে ভারত যাতে মহাচীন পর্যন্ত কেঁপে উঠেছে?

    ‘পাগলামি মনে হচ্ছে আপনার কাছে, তাই না?’ সিগারেট ধরালেন অ্যাডমিরাল। ‘আসলে ব্যাপারটা শুরু হয়েছিল পাগলামি থেকেই। গোড়া থেকে শুনুন। গদি আঁটা চেয়ারে একটু নড়ে চড়ে বসে আরম্ভ করলেন তিনি। ‘লোকটার নাম সাদেক খান। জন্ম ঢাকা জেলায়। অত্যন্ত মেধাবী ছাত্র ছিল। কিন্তু বি.এ. পরীক্ষার পরই মাথা খারাপ হয়ে যায়। মাঝে মাঝে একটু ভাল থাকে- বছর খানেক চাকরি করে এ-অফিস ও অফিসে, অদ্ভুত ধূর্ততার সাথে প্রচুর পয়সা উপার্জন করে, তারপর আবার মাস ছ’য়েক কাটায় পাবনার মেন্টাল হসপিটালে। কেবল মাথা খারাপ হলে হত, ১৯৬৪ সালের জানুয়ারি মাসে একটা গাড়ির তলায় চাপা পড়ে মাথায় চোট পেয়েছিল লোকটা, দৃষ্টিশক্তিটা বাঁচাবার জন্যে মাথার মধ্যে সূক্ষ্ম একটা অপারেশন করতে হয়েছিল- সেই থেকে অদ্ভুত এক ধরনের বিকৃতি দেখা দিয়েছে ওর মধ্যে। এখানে-সেখানে যুবতী নারীর মৃতদেহ পাওয়া যেতে আরম্ভ করল পঁয়ষট্টি সালের গোড়া থেকে। অষ্টম খুনের পরই ধরা পড়ল লোকটা। বিচারে কিন্তু পাগল সাব্যস্ত হলো। মেন্টাল হসপিটালের সেলে পুরে দেয়া হলো ওকে।

    চুপচাপ সিগারেট টানলেন অ্যাডমিরাল কিছুক্ষণ।

    ‘গত বছর জুলাই মাসে বন্দী স্পাই বিনিময় হলো ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে। হঠাৎ সাদেক খানকে চেয়ে বসল ভারত সরকার দুইজন মূল্যবান পাকিস্তানী এজেন্টের বিনিময়ে। এক কথায় রাজি হয়ে গেল পাকিস্তান…’

    ‘ঠিক এক কথায় নয়,’ বাধা দিলেন রাহাত খান। ‘আমরা সাদেক খান সম্পর্কে সব রকম খোঁজ-খবর নিলাম। কিন্তু অনেক চেষ্টা করেও তাকে ভারতীয় এজেণ্ট হিসাবে দাঁড় করানো গেল না। হাসপাতালে খবর নিয়ে জানা গেল প্যারানোইয়ার প্রথম স্টেজ চলছে ওর। ওর ধারণা প্রত্যেকটা লোক ওকে হত্যা করবার সুযোগ খুঁজছে। তার ওপর আরেক উপসর্গ- মঙ্গলগ্রহের লোকদের সঙ্গে নাকি টেলিপ্যাথির সাহায্যে কথা বলছে সে অনর্গল। আমরা বুঝলাম- যদি অতীতে ভারতের হয়ে কোন কাজ করেও থাকে, এখন লোকটা বদ্ধ পাগল। কাজেই রাজি হয়ে গেলাম।

    ‘ব্যাপারটা ওখানেই শেষ হয়ে যেত, কিন্তু মাস দু’য়েক পর হঠাৎ পাওয়া গেল সাদেক খানের ডায়েরীটা। লুকিয়ে রেখেছিল সে ওটা ভেন্টিলেটার গ্রিলের ওপর- হোয়াইট ওয়াশ করতে গিয়ে মিস্তিরীর চোখে পড়েছিল ওটা। হয়তো ওর মধ্যে কোন তথ্য থাকতে পারে মনে করে নার্স সে ডায়েরীটা দিয়েছিল সাদেক খান যে সাইকিয়াট্রিস্টের পেশেন্ট ছিল তাকে। তার ডেস্কে পড়েছিল ওটা হপ্তা খানেক, তারপর হঠাৎ একদিন পাতা উল্টেই অবাক হয়ে গিয়েছিল ডক্টর নিয়াজ। এতই আশ্চর্য কয়েকটা কথা লেখা ছিল ওতে যে, সেই দিনই সে ডায়েরীটা তুলে দেয় পুলিসের হাতে। সেখান থেকে সোজা চলে আসে আমাদের কাছে- কারণ আমরাই ডিল করছিলাম সাদেক খানের কেস।’

    পাইপটা টেবিল থেকে তুলে নিয়ে আবার ধরাবেন কিনা ভাবলেন রাহাত খান, তারপর নামিয়ে রাখলেন সেটা টেবিলের ওপর।

    ‘প্রত্যেকটা লোককে সন্দেহের চোখে দেখতে আরম্ভ করেছিল সাদেক খান। ডাক্তারদের ওপরই সন্দেহ ছিল ওর সবচেয়ে বেশি। এইসব অনুভূতির কথা লেখা আছে ডায়েরীতে। আশ্চর্যের কথা এই যে, প্রত্যেকটা ডাক্তার এবং নার্সের নিজেদের মধ্যেকার টুকরো টুকরো আলাপ-আলোচনা হুবহু লেখা আছে ডায়েরীতে। এমন কি জটিল সব কেস হিস্ট্রি পর্যন্ত হুবহু টোকা আছে। সবচেয়ে অবাক কাণ্ড ডক্টর নিয়াজ বলছেন উনি যে-কথা কখনও কাউকে বলেননি, মনে মনে চিন্তা করেছেন কেবল, সেইসবও হুবহু লেখা আছে।

    ‘প্রথম দিকে তথ্যের কিছু কিছু ভুল-ভ্রান্তি ছিল, কিন্তু মাঝামাঝি আসতেই বোঝা যায় এক অসাধারণ ক্ষমতা অর্জন করেছে সাদেক খান। এভিয়েশন টার্ম দেখে আমরা পি.আই.এ-র প্রত্যেকটি পাইলটের সাথে যোগাযোগ করেছি। দেখা গেছে ল্যাণ্ডিং করবার সময় গ্রাউণ্ড কন্ট্রোলের সাথে তাদের কথাবার্তা লেখা আছে ডায়েরীতে। এমন কি একজন পাইলট বলল তার ব্যক্তিগত জীবনের দুই-একটা কথা চিন্তা করছিল সে সেই সময়ে তাজ্জব কথা, হুবহু সেই চিন্তাগুলো লেখা আছে- এমন কি তার স্ত্রী-পুত্র- কন্যাকে সে যে-নামে ডাকে সে-সবও ঠিক ঠিক লিখে গেছে সাদেক খান।

    ‘আশ্চর্য!’ বলল রানা।

    ‘আরও অনেক কথা লেখা আছে ডায়েরীতে। সেসব তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয়, কিন্তু তার থেকে একটা কথা জানা গেছে, দূরত্ব সাদেক খানের এই টেলিপ্যাথিক কনট্যাক্টে কোন রকম বাধার সৃষ্টি করে না। আমরা খোঁজ নিয়ে দেখেছি হাজার হাজার মাইল দূরের কথাবার্তা লাইনকে লাইন লিখে গেছে সে নির্ভুলভাবে। বিস্ময়কর ব্যাপার, তাই না? যে-কোন লোকের চিন্তা ভাবনা, কথাবার্তা জানতে পারছে লোকটা। ঠিক যেন রেডিও রিসিভার।

    ‘সত্যিই আশ্চর্য!’ বলল রানা। ‘কোনমতে ওর এই ক্ষমতার কথা টের পেয়ে ভারত নিয়ে গেছে ওকে। ওকে এখন ব্যবহার করবে আমাদের বিরুদ্ধে…’

    ‘না। তার চেয়েও বড় কিছু। সে সব কথায় পরে আসছি। বর্ডার ক্রস করবার পরই সাদেক খানকে রাজকীয় সম্মানের সঙ্গে হেলিকপ্টারে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে দিল্লী, সেখান থেকে কোলায়ের লেকের একটা সুরক্ষিত ক্লিনিকে। দক্ষিণ ভারতের ঈস্টার্ন ঘাটে গোদাবরী আর কৃষ্ণা নদীর মাঝামাঝি এলাকায় রয়েছে বিশাল এই কোলায়ের লেক। ইলোরের কাছে। ছোট ছোট অনেকগুলো দ্বীপ আছে এই লেকের মধ্যে। একটার নাম ওঙ্কার। এই ওঙ্কার দ্বীপে সেই সুরক্ষিত ক্লিনিক। হঠাৎ থেমে সোজাসুজি রানার চোখের দিকে চাইলেন রাহাত খান। ‘কবীর চৌধুরীকে মনে আছে?’

    ‘কবীর চৌধুরী! রাঙামাটির ডুবো পাহাড়ের সেই পাগল বৈজ্ঞানিক ‘হ্যাঁ। কৌশলে জেল থেকে পালিয়ে ইণ্ডিয়ায় চলে যায়। সেই কবীর চৌধুরীই এ সমস্তকিছুর উদ্যোক্তা। সে-ই আবিষ্কার করে সাদেক খানকে। এবং ভারত সরকারের মাথায় এই প্ল্যানটা ঢোকায়। এই প্রজেক্টটা পরিচালনা করছে কবীর চৌধুরী। মানুষ মরণশীল। কবীর চৌধুরী জানে হাজার চেষ্টা করলেও সাদেক খানের আয়ু বাড়াতে পারবে না সে। তাই ওর ব্রেনের অনুরূপ কম্পিউটার তৈরি করছে এখন। কাজ প্রায় সম্পূর্ণ। তৈরি হয়ে গেলে পৃথিবীর কোন তথ্য আর অজানা থাকবে না ওদের কাছে। সে এক ভয়ঙ্কর অবস্থা রানা। আর আমরা যা জানতে পেরেছি সেটা আরও ভয়ঙ্কর। যদিও ভারতের সাহায্য নিয়ে যন্ত্রটা তৈরি করছে কবীর চৌধুরী, ভারত এর ফল ভোগ করতে পারবে না। অত্যন্ত শক্তিশালী একটা ইন্টারন্যাশনাল গ্যাঙ তৈরি করেছে কবীর চৌধুরী- যন্ত্রটা তৈরি হলেই তারা ছোবল মারবে ভারতের বুকে। যাই হোক, আপাতত সাদেক খানকে দেশে ফিরিয়ে আনতে হবে আমাদেরকে, রানা।

    ‘তার মানে আমাকে যেতে হচ্ছে ওঙ্কার দ্বীপে?’

    ‘হ্যাঁ। সমস্ত পৃথিবীর স্বার্থেই ওদের ঠেকানো দরকার। তোমার কি মনে হয়?’

    ‘নিশ্চয়ই, স্যার। নইলে গোপন বলে কিছু থাকবে না। পৃথিবীর সমস্ত সামরিক, রাজনৈতিক, বৈজ্ঞানিক তথ্য জানা হয়ে যাবে ওদের এবং নিজেদের ইচ্ছেমত ব্যবহার করবে ওরা ওসব তথ্যকে। সারা দুনিয়া ওদের হাতের ক্রীড়নক হয়ে পড়বে। আশ্চর্য! কিন্তু সত্যিই কি টেলিপ্যাথি দিয়ে এইসব ব্যাপার সম্ভব?’

    ‘এ নিয়ে আমিও আলাপ-আলোচনা করেছি কয়েকজন বিশিষ্ট বিশেষজ্ঞের সাথে। তাঁরা বলছেন, অত্যাধুনিক বিজ্ঞান এতদিনে স্থির নিশ্চিত হয়েছে যে, সত্যিসত্যিই এমন একটা জিনিস আছে। খুব সম্ভব ব্রেন অপারেশনের পরেই ওর এই ক্ষমতা জন্মেছে।’

    ‘প্লেন ক্র্যাশ করবার পর আমার কাজ কি হবে, স্যার?’

    ‘সে-সব তোমাকে পরে জানাব। আজ তুমি অত্যন্ত ক্লান্ত হয়ে আছ। খেয়ে-দেয়ে বিশ্রাম নিয়ে নাও।

    এই কথায় রানার মনে পড়ল তাকে কিভাবে ধরে আনা হয়েছে। বলল, ‘কিন্তু এমন ভাবে আমাকে ধরে আনার পেছনে…

    ‘সব প্রশ্নের উত্তর পাবে তুমি, রানা। তখন দেখবে তোমার প্রতি দুর্ব্যবহার করার পেছনে সত্যিই যৌক্তিকতা আছে।’ পাইপটা আবার ধরালেন রাহাত খান। কয়েকটা টান দিয়ে ধোঁয়া ছাড়লেন, তারপর ওটা হাতে নিয়ে বললেন, ‘আর একটা কথা, ভারতীয়রা ভাল করেই জানে কতখানি গুরুত্বপূর্ণ কাজে হাত দিয়েছে ওরা এবার। কাজেই গার্ডের ব্যবস্থাও সেই পরিমাণ কঠোর করা হয়েছে। কিন্তু অতিরিক্ত গার্ড দিয়ে ঘেরাও করতে পারছে না, পাছে তাই দেখে ব্যাপার কি জানতে চেষ্টা করি আমরা। ওরা জানে না যে আমরা সাদেক খানের অলৌকিক শক্তি সম্পর্কে ওয়াকেফহাল হয়ে গেছি মাস তিনেক আগেই। কাজেই আমার মনে হয়, তোমার পক্ষে লোকটাকে উদ্ধার করে আনা অসম্ভব না-ও হতে পারে।

    ‘আপনারা যখন জানেন কোথায় ওদের গবেষণাগার, জায়গাটা ধ্বংস করে দিলেই তো চুকে যায়।’

    ‘আরেকটা যুদ্ধের মধ্যে জড়িয়ে পড়তে পারি তাহলে। সেটা চাই না আমরা।’

    ‘বোমা ফেলা ছাড়া আরও তো উপায় আছে।’

    ‘নেই। ভেতরে না ঢুকতে পারলে কিছু করা যাবে না। সেজন্যেই তোমার গ্রাউণ্ড তৈরি করা হয়েছে বহু যত্নের সঙ্গে।

    ‘আমি এই প্ল্যানের অবিচ্ছেদ্য অংশ হলাম কি করে, স্যার? এত লোক থাকতে আমাকে বেছে নেয়া হলো কেন?’

    ‘তার কারণ তুমি ক্লিনিকের ভেতর থেকে সাহায্য পাবে। ওই ক্লিনিকে এমন একজন আছে যাকে তুমি চেনো- এমন একজন, যে তোমার কাছে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ- যাকে তুমি সাহায্য করেছিলে সোয়া দুই বছর আগে।’

    ‘কে?’ ভুরু কুঁচকে স্মরণ করবার চেষ্টা করল রানা। কাকে সে সাহায্য করেছিল সোয়া দুই বছর আগে। কে তার কাছে কৃতজ্ঞতা পাশে আবদ্ধ হয়ে আছে।

    ‘এই ক্লিনিকের প্রধান বৈজ্ঞানিক ডক্টর আবদুল্লাহ্ ফৈয়াজ এবং তাঁর সহকারিণী ও একমাত্র কন্যা শায়লা ফৈয়াজ।’

    ‘শায়লা ফৈয়াজ!’ চেনা চেনা লাগল নামটা রানার কাছে।

    ‘যাকে তুমি আম্বালা হাসপাতাল থেকে উদ্ধার করে পৌঁছে দিয়েছিলে নয়াদিল্লী ওর বাবার কাছে।

    ‘আচ্ছা!’ স্পষ্ট মনে পড়ল রানার শায়লার মুখটা।

    ‘এবার বলো, রানা। যাবে তুমি ওঙ্কার দ্বীপে?’ তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে চেয়ে রইলেন বদ্ধ রানার দিকে।

    ‘যাব,’ মৃদু হেসে বলল রানা।

    উজ্জ্বল হয়ে উঠল মেজর জেনারেলের চোখ-মুখ।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৩৩ – বিদেশী গুপ্তচর – ১
    Next Article মাসুদ রানা ০০৬ – দুর্গম দুর্গ

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }