Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প141 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানা! সাবধান!! – ৪

    চার

    কি হয়েছে?’ পুলিস ভ্যান থেকে নেমে এল একজন অফিসার।

    ‘এই লোকটা প্লেন নিয়ে আক্রমণ করেছিল আমাদের ব্যারাক। লছমন আর ভৌমিক গুলি করে নামিয়েছে,’ জানাল একজন সীমান্তরক্ষী উত্তেজিত কণ্ঠে।

    ‘কে তুমি? কি হয়েছিল প্লেনের?’ জিজ্ঞেস করল অফিসার রানাকে। ‘আমার নাম মাসুদ রানা। প্লেনের দু’জন গার্ডকে খুন করে পাইলটকে ভারতীয় এলাকায় ল্যাণ্ড করতে বাধ্য করেছি আমি।

    ‘কেন?’ প্রশ্নটা করেই বুঝতে পারল অফিসার এখন এই লোকটাকে দিয়ে কোন কথা বলালে গুজব আরম্ভ হয়ে যেতে পারে। ‘ঠিক আছে সব কথা হেড কোয়ার্টারে গিয়ে শোনা যাবে। উঠে পড়ো গাড়িতে।

    অফিসারের পাশেই বসানো হলো রানাকে। আগেই সার্চ করে দেখা গেছে অস্ত্র নেই রানার সাথে। ছেড়ে দিল গাড়ি। অল্প কিছুদূর গিয়ে রাস্তার বামে থেমে দাঁড়াল কয়েক সেকেণ্ড টং-টং করে ঘণ্টা দিতে দিতে দুটো দমকল লরী চলে গেল বিধ্বস্ত প্লেনটার দিকে। চলল এবার ওরা আগরতলার দিকে।

    ‘পাকিস্তানী?’ প্রশ্ন করল অফিসার। তারপরই রানার দুইহাতের কব্জিতে ক্ষতচিহ্ন দেখতে পেল সে। ‘বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল তোমাকে। হাতকড়ার দাগ না ওগুলো? স্পাই?’

    ‘হ্যাঁ। আমাকে কোর্টমার্শালের জন্যে ধরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ঢাকায়।’

    বিস্মিত দৃষ্টিতে চেয়ে রইল অফিসার রানার মুখের দিকে। বোধহয় আন্দাজ করতে পারল কেন একজন পাকিস্তানী স্পাইকে বন্দী করে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল ঢাকায় কোর্টমার্শালের জন্যে, কেন ভারতীয় এলাকায় প্লেন ল্যাণ্ড করাতে পারলে ভয়ের কিছুই নেই বলে ভাবছে একজন পাকিস্তানী স্পাই। চুপ করে রইল সে। এসব ডিফেন্সের ব্যাপারে ঘাঁটাঘাঁটি না করাই ভাল।

    ‘আমার ডান পায়ের কব্জিটা বোধহয় ভেঙে গেছে। আগরতলা পৌঁছেই কোন ডাক্তারকে দিয়ে পরীক্ষা করানো দরকার।’

    ‘চিন্তা করবেন না। সব ব্যবস্থা হয়ে যাবে।’

    পুলিস হেডকোয়ার্টার থেকে দু’তিন জায়গায় টেলিফোন করতেই যেন ভীমরুলের চাকে ঢিল পড়ল। মুহুর্মুহুঃ রানা সংক্রান্ত টেলিফোন আসতে আরম্ভ করল পুলিস হেডকোয়ার্টারের পাঁচ-পাঁচটা লাইনে। অস্থির হয়ে উঠল অফিসার। ক্রমে রানার প্রতি তার ব্যবহারটা ধমক থেকে সমীহ, শেষকালে শ্রদ্ধায় পরিণত হলো। রীতিমত খাতির-যত্ন আরম্ভ করল লোকটা রানাকে। এক কথায় যাকে বলে ভি আই পি টিস্টমেণ্ট। চা, সিগারেট এমন কি শেষ পর্যন্ত পানও খাবার অনুরোধ করে বসল সে রানাকে। ইতিমধ্যে লোশন লাগিয়ে রানার মচকানো পায়ে ব্যাণ্ডেজ করে দিয়েছে একজন ডাক্তার।

    আধঘণ্টার মধ্যে দিল্লীর সাথে জরুরী বেতার যোগাযোগের পর চারজন উচ্চপদস্থ সামরিক কর্মচারী এসে উপস্থিত হলো ল্যাণ্ডরোভারে করে। তাদের একটা ঘরে বসিয়ে রানাকে নিয়ে যাওয়া হলো সেখানে।

    ‘বসুন,’ বলল এদের মধ্যে কর্নেল র‍্যাঙ্কের অফিসার। পুলিসের অফিসারকে বলল, ‘আপনি এবার যেতে পারেন, প্রয়োজন হলে ডাকব।

    ‘ইয়েস, স্যার। বেরিয়ে গেল পুলিস অফিসার।

    ‘আপনার নাম মেজর মাসুদ রানা? পাকিস্তান কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের একজন এজেন্ট- দেশের বাইরে কার্যরত অবস্থায় প্রয়োজন বোধে মানুষ হত্যার অনুমতি যে পেয়েছে সরকারীভাবে?’

    ‘দু’জনকে এই ক্ষমতা দেয়া হয়েছিল। আমি তাদের মধ্যে একজন,’ বলল রানা।

    ‘কিছুদিন আগে আপনি আমাদের হয়ে কাজ করবেন বলে লিখিতভাবে অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছিলেন?’

    ‘খুব সম্ভব,’ আমতা আমতা করে বলল রানা।

    ‘খুব সম্ভব? তার মানে?’

    ‘মানে…মানে, ঠিক মনে নেই। অ্যাক্সিডেন্টের পর কিছু কিছু কথা চেষ্টা করেও মনে আনতে পারছি না।

    ‘মাথায় আঘাত পেয়েছিলেন নাকি?’ সচকিত কণ্ঠে বলল কর্নেল। ‘এইবার মনে এসেছে। জেনেভায় একরাতে, অতিরিক্ত মদ খেয়েছিলাম, সুহর্ষ নাগ বলে একজনের সাথে পরিচয় হয়েছিল, তাকে বলেছিলাম আপনাদের হয়ে কাজ করতে রাজি আছি…’

    ‘সেসব তো দু’মাস আগের কথা। তারপর কোন ঘটনা স্মরণ করতে পারছেন না?’

    ‘হ্যাঁ, বিস্ফোরণ…ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম আমি দু’জনের ওপর…তারপর জোরে ধাক্কা খেল প্লেনটা যেন কিসের সঙ্গে। লোকগুলোকে বের করবারও চেষ্টা করেছিলাম আমি…’

    এ সবকিছুই জানি আমরা,’ বলল কর্নেল। ‘গতকাল রেঙ্গ]নে চাইনিজ সিক্রেট সার্ভিসের হাতে বন্দী হয়েছিলেন আপনি। ওখান থেকে মান্দালয়ে নিয়ে আসা হয় আপনাকে কালই ইন্টারোগেশনের জন্যে। মনে পড়েছে?’

    ‘কই না তো। মান্দালয়? আমার মনে পড়ছে রিভলভার কেড়ে নিয়ে গুলি করেছিলাম গার্ডদের। হঠাৎ ডিগবাজি খেতে আরম্ভ করল প্লেনটা…’

    ‘ঠিক আছে। পাইলট এবং দু’জন গার্ড ঠিকই ছিল। ওরা তিনজন চাইনিজ সিক্রেট সার্ভিসের লোক ছিল। ওদের ইউনিফরমের দুই-একটা ব্রাসের টুকরো পাওয়া গেছে ভস্ম স্তূপের মধ্যে। কিন্তু আমরা জানতে চাই অন্যকথা। টেবিলের উপর কনুই রেখে একটু সামনের দিকে ঝুঁকে এল কর্নেল।

    ‘চীন সফর শেষ হলে হংকং থেকে কাগজ-পত্র নিয়ে এসেছিলেন আপনি রেঙ্গুনে। মনে আছে?’

    ‘কাগজ-পত্র?’ অবাক হলো রানা।

    ‘হ্যাঁ, অত্যন্ত জরুরী কিছু কাগজ-পত্র। বইয়ের মধ্যে ছিল। হংকং-এর একটা বইয়ের দোকান থেকে বইটা কিনে রেঙ্গ]নের আরেকটা দোকানে বিক্রি করেছিলেন আপনি সেটা। পথে তথ্যগুলো মুখস্থ করেছিলেন আপনি ঢাকায় আমাদের এজেন্টকে দেবার জন্যে- অত্যন্ত জরুরী কয়েকটা তথ্য, মনে নেই?’

    ‘কোথায়। মনে পড়ছে না-তো!’ ভুরু কুঁচকে মনে আনবার চেষ্টা করল রানা। ‘খুবই কি জরুরী কিছু। মনে আসছে না তো আমার…’

    ‘ভাল করে ভেবে দেখুন,’ বলল কর্নেল।

    ‘চেষ্টা তো করছি, মনে না এলে কি করব?’ জবাব দিল রানা।

    নিচু গলায় নিজেদের মধ্যে কি যেন আলোচনা করল অফিসাররা। বেল টিপতেই তটস্থ হয়ে ঢুকল ঘরে পুলিস অফিসার।

    ‘এই ভদ্রলোকের মেডিকেল চেক-আপ করা হয়েছে?’

    ‘পা মচকে গিয়েছিল, ডাক্তার ডেকে ব্যাণ্ডেজ করিয়ে দিয়েছি, স্যার।’

    ‘আর কিছু চেক করা হয়নি?’

    ‘না, স্যার। উনি বললেন কেবল পায়ে ব্যথা পেয়েছেন তাই…’

    ‘মানুষটা প্লেন ক্র্যাশে আহত হলো, সাথের তিনজন মারাই গেল, তবু আপনি থরো মেডিকেল চেক-আপ করাননি ওর?’ বিরক্ত কণ্ঠে বলল কর্নেল। রানা বুঝল তথ্যগুলো ভারতের জন্যে নিশ্চয়ই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। রানার দিকে ফিরে বলল কর্নেল, ‘আপনি আপনার স্মৃতিভ্রংশের কথা বলেননি ওকে?’

    ‘না। আমি নিজেও ভাল করে টের পাইনি আগে, এখন বুঝতে পারছি। দিল্লীর সাথে রেডিও মারফত আলাপ করা হলো। রানার স্মৃতিভ্রংশের কথা জানানো হলো, সেখান থেকে ডিরেকশন এল। নোট করে নিয়ে আবার ঘরে প্রবেশ করল কর্নেল। টুকিটাকি কয়েকটা প্রশ্ন করে রানার উত্তরগুলো লিখে নিল সে। খুবই চিন্তিত এবং উদ্বিগ্ন মনে হলো তাকে।

    ‘ঠিক আছে,’ উঠে দাঁড়াল কর্নেল। সাথে সাথে আর সবাইও দাঁড়াল। ‘কিচ্ছু ভাববেন না। অল্প কয়েকদিনের মধ্যেই ঠিক হয়ে যাবেন আপনি ভাল চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হবে। নয়াদিল্লীর সাথে কথা বলেছি, আপনার সব রকমের সুবিধার দিকে নজর রাখতে বলা হয়েছে আমাকে। আজই রাতে আপনাকে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে নয়াদিল্লী, ওখান থেকে আমাদের একটা স্পেশাল ক্লিনিকে নিয়ে যাওয়া হবে। খুব শীঘ্রিই ভাল হয়ে যাবেন।

    ‘অনেক ধন্যবাদ,’ বলল রানা। ‘কোথায় সেই ক্লিনিকটা?’

    ‘দাক্ষিণাত্যে। কোলায়ের লেকের একটা দ্বীপে। ভারতের সেরা মেন্টাল ক্লিনিক ওটা এখন।’

    যেন দাক্ষিণাত্যেই হোক আর দার্জিলিং-এই হোক রানার কিচ্ছু যায় আসে না, এমনিভাবে মাথা নাড়ল রানা। ভিতরের উচ্ছ্বাস টিপে মারল সে কঠিন হাতে- চেহারায় প্রকাশ পেল না একবিন্দুও। ঠিকই বলেছিল বুড়ো- চীনা এজেন্টের নামের লিস্টটা খুবই দরকার ভারতের। তাই সেরা ক্লিনিকে পাঠাবে এরা রানাকে। এই রকম প্ল্যান মাফিক ভালয় ভালয় বাকিটুকু সারা গেলেই হয় এখন। আসলে বাইরে থেকে সব কিছুই কঠিন মনে হয়, কাজে নেমে গেলে কেমন করে যেন সহজ হয়ে যায় সবকিছু। এ রানা বহুবার দেখেছে। মনটা হালকা হয়ে গেল রানার।

    .

    খলখল করে হেসে উঠল লোকটা।

    বিছানার উপর চিৎ হয়ে পড়ে আছে একটি রমণীদেহ। এলোমেলো কুঁচকানো বিছানার চাদর। কপালটা একখানে অসম্ভব ফুলে উঠেছে রমণীর। অসাড় দেহটা জ্ঞানহীন মনে হচ্ছে- তবে শ্বাস-প্রশ্বাস চলছে।

    এবার দ্বিতীয় ক্যামেরায় ধরা পড়ল একজন লোকের চেহারা। দোহারা গড়ন, মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি, চোখে অস্বাভাবিক দৃষ্টি। মুখটা হাঁ হয়ে আছে। দুই কষা বেয়ে লালা গড়াচ্ছে। লোলুপ দৃষ্টিতে চেয়ে আছে বিছানার দিকে।

    এগোতে গিয়েও কি মনে করে ফিরে গেল লোকটা ড্রেসিং টেবিলের কাছে। ড্রয়ার টেনে কি যেন খুঁজল ব্যস্ত হাতে। কি যেন মুঠো করে ধরে এগিয়ে এল সে বিছানার পাশে। বালিশের পাশে রাখল সে জিনিসটা।

    প্রথম ক্যামেরা চালু হলো আবার। বালিশের পাশে দাড়ি কামানোর খুর দেখা গেল একটা। আলোর প্রতিফলন হচ্ছে ওটার চকচকে খোলা ব্লেড়ে। তেমনি শুয়ে রয়েছে রমণী। জ্ঞানহীন। উঠে এসেছে লোকটা, দুলে উঠল বিছানা।

    সামনের দিকে ঝুঁকে নিবিষ্টচিত্তে একশো পঞ্চান্নতম বার উপভোগ করছে দৃশ্যটা কর্নেল মিস বটব্যাল। একা। প্রশস্ত ঘরটায় প্রজেক্টারের একটা মৃদু শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ নেই। জোরে জোরে শ্বাস পড়ছে কর্নেল বটব্যালের। ঠোঁট দুটো ফাঁক হয়ে আছে, শুকিয়ে এসেছে জিভ। ধ্বক্ ধ্বক্ করে জ্বলছে দুই চোখ। স্ক্রীনের ওপরের দৃশ্যটা গিলে খাচ্ছে যেন সে।

    অদ্ভুত ধরনের একটা মুখোশ পরা কর্নেল মিস্ বটব্যালের মুখে। পাতলা রাবারের তৈরি। নাক, মুখ, চোখ সবই আছে ঠিক ঠিক জায়গায় বসানো, কিন্তু সবটা মিলে কেমন বিকট লাগে দেখতে। রুজ লিপস্টিক লাগানো আছে গালে, ঠোঁটে। মুখে সর্বক্ষণ লেগে আছে একই মাপের একটুকরো হাসি। আড়ালে হয়তো তার সম্পর্কে সমালোচনা হয়, কিন্তু এই মহিলার সামনে দাঁড়িয়ে বুক কাঁপবে না এমন বীরপুরুষ খুব কমই আছে ইণ্ডিয়ান সিক্রেট সার্ভিসে। অত্যন্ত ক্ষমতাশালী বদমেজাজী উচ্চপদস্থ অফিসার সে সার্ভিসের।

    ঘামে পিচ্ছিল হয়ে গিয়েছে মুখোশ। চোখের গর্তটা সরে যেতে চাইছে একপাশে- ব্যস্ত হাতে টেনে ঠিক করে নিল বটব্যাল। সমস্ত মনোযোগ তার একত্রীভূত হয়েছে এখন স্ক্রীনের ওপর। এইবার!

    ঠিক এমনি সময় ডেস্কের উপর একটা ওয়ার্নিং লাইট জ্বলে উঠল পরমুহূর্তে বেল বেজে উঠল ঘরের মধ্যে। রসভঙ্গ হয়ে যাওয়ায় জিভ দিয়ে একটা বিরক্তিসূচক শব্দ করল মিস্ বটব্যাল। প্রজেক্টার অফ করে দিয়ে ডেস্কের ওপরের একটা সুইচ টিপল সে। দেয়ালের গায়ে বসানো ক্লোজড সার্কিট টেলিভিশন স্ক্রীনে আগন্তুকের চেহারা দেখা গেল। আরেকটা সুইচ টিপতেই একটা দরজা খুলে গেল। ঘরে প্রবেশ করল সামরিক পোশাক পরা একজন লোক।

    ‘কি খবর, ক্যাপ্টেন খান্না? বিরক্ত করবার আর সময় পেলে না?’ কণ্ঠস্বরটা বিরক্ত কিন্তু মুখোশের মেকি হাসিটা লেগেই আছে ঠোঁটে, তাই অস্বাভাবিক শোনাল কথাগুলো।

    মিস্ বটব্যালের মুডের সাথে গত তিনমাসে ভাল ভাবেই পরিচয় হয়ে গেছে ক্যাপ্টেন খান্নার, তাই প্রথমে কাজের কথায় এল সে।

    দিল্লী থেকে মেসেজ এসেছে। এসে গেছে মাসুদ রানা। ওকে এই ওঙ্কার দ্বীপের উদ্দেশে রওনা করে দেয়া হয়েছে প্লেনে।

    এক কথাতেই পাল্টে গেল বটব্যালের মেজাজ। খুশি হয়ে উঠল সে। বলল, ‘ভারতে ঢুকল কি করে?’

    ‘প্লেন ক্র্যাশ। আগরতলায়। পুরো রিপোর্ট পৌঁছে যাবে ঘণ্টা খানেকের মধ্যে।

    ‘মাসুদ রানার শারীরিক কোন ক্ষতি হয়নি তো?’

    ‘না। তবে স্মৃতিভ্রংশের ভান করবে বলেছিলেন, ঠিক তাই হয়েছে।’

    ‘তা তো হবেই। ওরা জানে ডক্টর আবদুল্লাহ ফৈয়াজ অ্যামনেশিয়ার বিশেষজ্ঞ। কাজেই এ রকম একটা কিছু ভান করলে ওঙ্কার দ্বীপে এসে পৌঁছতে পারবে মাসুদ রানা।’

    মৃদু হাসল_ ক্যাপ্টেন খান্না। ‘এ পর্যন্ত এই ব্যাপারে আপনি যা যা ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন সবগুলো মিলে গেছে কাঁটায় কাঁটায়। আৰ্য…’

    ‘অত আ র্য হবার কি আছে? তুমি কি মনে করেছিলে এক-আধটা কথা না-ও মিলতে পারে?’ জিজ্ঞেস করল কর্নেল বটব্যাল কঠোর কণ্ঠে।

    ‘না, না। তা ঠিক ভাবিনি। তবে ওদের প্রত্যেকটা প্ল্যান, প্রত্যেকটা কার্যকলাপ, প্রতিটা খুঁটিনাটি এমন নির্ভুলভাবে দু’মাস আগে বলে দিলে কে না আ র্য হবে, বলুন?’

    ‘আমি বৈজ্ঞানিকের মত চুল চেরা বিশ্লেষণ করেছি এই ব্যাপারটা খান্না, একটা বিশেষ ব্যক্তিগত স্বার্থে। যখনই পাকিস্তান এবং চীন জানতে পেরেছে সাদেক খানের আ র্য শক্তির কথা তখনই জানি ওরা একজন এজেন্ট পাঠাবে হয় ওকে খুন করতে, নয় দেশে ফিরিয়ে নেবার চেষ্টা করতে। পাঠাবেই। আর যেহেতু শায়লা ফৈয়াজকে একবার বিপদ থেকে উদ্ধার করেছিল মাসুদ রানা- মাসুদ রানাকে পাঠানোই স্বাভাবিক। তার পরের ব্যাপারগুলো তো ছক বাঁধা গৎ। কথা বলতে গিয়ে মুখোশটা সরে গিয়েছিল একটু, টেনে সোজা করে বলল, ‘যাক। ক্লিনিকের খবর কদ্দূর?’

    ‘প্রফেসর সন্তোষ বলছে হপ্তাখানেকের মধ্যেই ডক্টর ফৈয়াজের প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে। ব্রেন অ্যানালিসিস সম্পূর্ণ তো হয়েছেই, কম্পিউটারও তৈরি হয়ে গেছে, কয়েকটা অ্যাডজাস্টমেন্ট কেবল বাকি। কিন্তু, কবীর চৌধুরী সাহেব না ফেরা পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছে না

    ‘কবীর চৌধুরী ফিরছেন কবে?’ সমীহ ফুটে উঠল মিস্ বটব্যালের কণ্ঠে।

    ‘ঠিক নেই। আজ, কাল, পরশু- যে কোনদিন ফিরতে পারেন।’

    ‘যাক, সন্তোষ মুখার্জী সবকিছু বুঝে নিয়েছে তো?’

    ‘বলছে তো বুঝে নিচ্ছে।’

    ‘বেশ। তারপর খতম করে দিতে হবে ওই শয়তান দুটোকে। দুধ-কলা দিয়ে সাপ পোষার কোন মানেই হয় না। পালিয়ে গেলে দেশের অগৌরব। দুই-দুইবারের চেষ্টা ব্যর্থ করা গেছে, তৃতীয়বার ফসকেও যেতে পারে। কাজেই শেষ করে দিতে হবে।’ হঠাৎ অস্ফুট কণ্ঠে অনেকটা আপন মনে বলল, ‘সব ক’টাকে জড়িয়ে এনেছি জালে। এইবার বিষ কামড় দিতে হবে।’ তারপর সচকিত হয়ে সামলে নিল সে। ‘সাদেক খানের কি অবস্থা?’

    ‘নার্সটাকে খুন করবার পর থেকে বেশির ভাগ সময় ঘুম পাড়িয়েই রাখা হচ্ছে ওকে।

    ‘ঠিক আছে। তুমি এখন যেতে পারো। আর দেখো, মাসুদ রানা যেন নির্বিঘ্নে ক্লিনিকে পৌঁছায়। মাঝে কেউ কোন মাতব্বরি করলে সরাসরি আমার কাছে জবাবদিহি করতে হবে তাকে।’

    ‘আমি সব ডিপার্টমেণ্টকেই জানিয়ে দিয়েছি। টপ প্রায়োরিটি দেয়া হবে সবখানে।

    ‘কাল বিকেলে পৌঁছবে সে এখানে। আমি চাই পরশু সকাল পর্যন্ত যেন সে কিছুই টের না পায়। একটা রাত ও মনের আনন্দে প্ল্যান করুক- মনে করুক সবকিছু ঠিক আছে ওদের প্ল্যান মাফিক। প্রফেসর সন্তোষ ফিরলেই আমার সঙ্গে দেখা করতে বলো, ঠিক কবে সে সব কাজ হাতে তুলে নিতে পারবে আমি নিজের কানে শুনতে চাই। আর কবীর চৌধুরী যদি এর মধ্যে এসে পৌঁছান খেয়াল রাখবে যেন মাসুদ রানার ব্যাপার তাঁর কানে না যায়। বুঝেছ? এবার যাও।’

    বেরিয়ে গেল ক্যাপ্টেন খান্না। সুইচ টিপতেই বন্ধ হয়ে গেল দরজাটা। চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল মিস্ বটব্যাল। পাশের বাথরূমে ঢুকে আয়নার সামনে দাঁড়াল সে। মুখের ঘা থেকে রস বেরিয়ে ভিজে চটচটে হয়ে গেছে রাবারের মুখোশটা। হালকা একটা দূর্গন্ধ নাকে আসছে। বেসিনে ঠাণ্ডা পানি ভরল সে। তাকের উপর থেকে একটা ক্রীমের শিশি নামাল। তারপর খুলে ফেলল মুখোশটা।

    নিজের ভয়ঙ্কর চেহারার দিকে একবারও চাইল না কর্নেল বটব্যাল। মাথাটা সামনের দিকে ঝুঁকিয়ে ছোট-বড়-মাঝারি গর্ত, ক্ষতচিহ্ন আর ঢাকা চাকা কালো পোড়া মাংস জমে থাকা বীভৎস মুখে ঠাণ্ডা পানি ছিটাল কিছুক্ষণ। মুখোশ খোলা অবস্থায় দেখলে মানুষের চেহারা বলে চেনা যায় না। ঠোঁটগুলো গলে গিয়ে বিচ্ছিরি আকার ধারণ করেছে মুখটা, নাকের ডানপাশটা সম্পূর্ণ নি িহ্ন, একটি পাপড়ি নেই চোখে- চোখের পাতাও গলে গেছে খানিকটা, পৈশাচিক দৃষ্টি সে চোখে।

    যত্নের সঙ্গে লোশন লাগাল ক্ষতগুলোয়। আপন মনে বলল, ‘ধৈর্য ধরো, ললিতা, আর একটা দিন ধৈর্য ধরো। আসছে মাসুদ রানা। এতদিন অপেক্ষা করেছ, আর একটা দিন। তোমার প্রতিহিংসা চরিতার্থ হবেই।

    দুর্গন্ধযুক্ত মুখোশটা ফেলে দিয়ে নতুন একটা মুখোশ পরে নিল কর্নেল ললিতা বটব্যাল।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৩৩ – বিদেশী গুপ্তচর – ১
    Next Article মাসুদ রানা ০০৬ – দুর্গম দুর্গ

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }