Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প141 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রানা! সাবধান!! – ৮

    আট

    হাঁ হয়ে গেছে সন্তোষ মুখার্জীর মুখ। চোখ দুটো বিস্ফারিত। পকেটের মধ্যে ছুরির বাঁটটা চেপে ধরল রানা। ব্যস্তসমস্ত লোকজন আর কুলি, সবার নজর রাস্তার দিকে। চশমাধারী টিকেট বিক্রেতা অমনযোগী দৃষ্টিতে চেয়ে আছে ওর দিকে।

    ‘আপনি এখানে কি করছেন?’ জিজ্ঞেস করল সন্তোষ ফ্যাশফেঁশে শুষ্ক কণ্ঠে।

    ‘সেরে গেছি,’ বলল রানা। পরিষ্কার বুঝল কোন রকম গুল মেরে ধুলো দিতে পারবে না সে সন্তোষ মুখার্জীর চোখে। একমাত্র উপায় এখন ছুরিটা।

    ‘অসম্ভব!’ বলল প্রফেসর।

    ‘অসম্ভব কেন হবে? আপনি বলেছিলেন দুইদিনে সেরে যাব। এক ডোজ ওষুধ পড়তেই সবাইকে আশ্চর্য করে দিয়ে সেরে উঠেছি আমি। আপনি হেলিকপ্টার নিয়ে চলে যাওয়ায় ক্যাপ্টেন খান্না হায়দ্রাবাদ যেতে বললেন ট্রেনে করে- ওখান থেকে যাব দিল্লী। কয়েকটা জরুরী কথা মনে পড়েছে আমার…’

    ‘পালিয়েছ!’ বলল মুখার্জী চাপা কণ্ঠে। চট্ করে ওর চোখটা রাস্তার দিকে গেল একবার। ধূর্ত হাসি ফুটে উঠল ওর ঠোঁটের কোণে। ‘দু’জন পুলিস আসছে এদিকেই

    রানা পিছন ফিরে চাইল না, কিন্তু বুঝল কথাটা মিথ্যে নয়।

    আবার কথা বলল মুখার্জী। ‘কোনও ভাবে পালিয়েছ তুমি ক্লিনিক থেকে। আমি যা বলব তাই যদি করো তাহলে কিছুই অসুবিধায় পড়তে হবে না তোমাকে। নইলে এক্ষুনি পুলিস ডাকব আমি। আমার সঙ্গে দ্বীপে ফিরে যেতে হবে তোমাকে।’

    কোন জবাব দিল না রানা। পিছনে ভারি বুটের শব্দ শুনতে পেল সে।

    আবার হাসল সন্তোষ মুখার্জী। ‘তুমি বড় কঠিন ফাঁদে পা দিয়েছ এবার, মাসুদ রানা। কঠিন শিক্ষা দেয়া হবে তোমাকে। এসপিয়োনাজে এখনও তোমরা কতখানি পিছিয়ে আছ সেটা টের পাবে মিস্ বটব্যালের সাথে দেখা হলেই।’

    ‘মিস বটব্যাল?’

    ‘হ্যাঁ। সমস্ত প্ল্যানের পেছনে আছে একটি মাত্র ব্রেন। কর্নেল বটব্যাল। বিনা বাধায় এতদূর পর্যন্ত আসতে পেরে ভেবেছ তোমাদের বুদ্ধিমত্তার তুলনা নেই। দ্বীপে ফিরে গিয়েই টের পাবে সব। যাক, একটা উপকার করেছ তুমি আমার। তোমাকে ধরে ফিরিয়ে নিয়ে গেলেই ক্লিনিকের হেড বানিয়ে দেয়া হবে আমাকে।’

    অনেক কাছে চলে এসেছে বুটের শব্দ। পকেট থেকে হাতটা বেরিয়ে এল রানার। মুখ খুলল প্রফেসর পুলিস ডাকবার জন্যে। ঠিক সেই সময় রানার হাঁটুটা দ্রুত একবার উঠেই নেমে গেল। ব্যাপারটা এতই দ্রুত এবং সহজ ভঙ্গিতে ঘটে গেল যে কেউ লক্ষই করল না, শুধু টের পেল সন্তোষ মুখার্জী। তলপেটে প্রচণ্ড আঘাত লাগতেই ব্যথায় কুঁকড়ে গেল সে। যেন ওকে সাহায্য করছে এমনিভাবে বাম হাতে ওর পিঠ জড়িয়ে ধরল রানা, সেইসঙ্গে ডানহাতে ধরা চার ইঞ্চি ব্লেডের ছুরিটা সোজা ঢুকে গেল ওর হৃৎপিণ্ড বরাবর। লোকটাকে হত্যা করবার ইচ্ছে ছিল না রানার–কিন্তু উপায় নেই, কেবল রানার নয়, শায়লা, ডক্টর ফৈয়াজ এবং সাদেক খানের নিরাপত্তার ভারও এখন রানার ওপর।

    অস্ফুট একটা গোঙানির শব্দ শুনতে পেল রানা, তারপরই সব চুপ রানার ওপরই হেলে পড়ল প্রফেসর সন্তোষ। ওকে ধরে এদিক-ওদিক চাইল রানা। জোরে জোরে বলল, ‘অজ্ঞান হয়ে গেছে মানুষটা।’

    টিকেট কাউন্টার থেকে তাড়াতাড়ি বেরিয়ে এল চশমাধারী। ছুরির বাঁটটা দেখা যাচ্ছে- ওটা হাতের তালু দিয়ে চেপে আরেকটু ঢুকিয়ে দিল রানা, তারপর কোটটা টেনে দিল তার ওপর।

    ‘বেঁচে আছে, এক্ষুণি বাসায় নিয়ে যেতে হবে ওকে। একটা ট্যাক্সি ডাকুন না মশাই, দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে কি তামাশা দেখছেন?’

    একজন যাত্রী ছুটল ট্যাক্সি ডাকতে। কিংবা কেটে পড়ল সে।

    ‘কি হয়েছে?’ প্রশ্ন করল একজন রানার ঘাড়ের ওপর দিয়ে ঝুঁকে। রানা ঘাড় ফিরিয়ে দেখল পুলিস।

    ‘হার্ট অ্যাটাক,’ বলল রানা। ‘বাড়ি নিয়ে যেতে পারলেই ঠিক হয়ে যাবে।

    আরও কাছে ঘেঁষে এল পুলিস দু’জন। একজন বলে উঠল, ‘আরে। এ তো প্রফেসর সন্তোষ। একে চিনি, ওঙ্কার দ্বীপের লোক।

    ‘হ্যাঁ, ঠিক বলেছেন,’ বলল রানা। ‘আমিও ওখানকার লোক। এই দেখুন আমার আইডেন্টিটি কার্ড। কিন্তু জলদি করুন, নইলে মারা যাবেন প্রফেসর।

    ‘আমি ধরছি পায়ের দিকটা,’ বলল একজন পুলিস।

    ‘তার দরকার হবে না। আপনি ট্যাক্সির ব্যবস্থা করুন, ট্যাক্সি ডাকতে গেল একজন। ঝুঁকে পড়া দেহটা টেনে সোজা করল রানা। বলল, ‘আমারই দোষ। গতরাতে দ্বীপে একটা দুর্ঘটনায় আমাদের ল্যাবরেটরি চুরমার হয়ে গেছে। সেই খবর দেবার জন্যে পাঠানো হয়েছে আমাকে। কিন্তু খবরটা শুনেই যে উনি এমন মুষড়ে পড়বেন তা বুঝতে পারিনি।’

    ‘আমরাও বিস্ফোরণের শব্দ শুনেছি। আগুনও দেখা গেছে ইলোর থেকে। আমাদের এস.পি. আইন ভেঙে রেডিও মারফত যোগাযোগ করবার চেষ্টা করেছিলেন- কোনও জবাব পাওয়া যায়নি দ্বীপ থেকে,’ বলল দ্বিতীয় পুলিস।

    ‘কেউ জখম হয়নি। ভগবানের কৃপা। সন্তোষ মুখার্জীর ডানহাতটা নিজের কাঁধে তুলে নিয়ে ডাক্তারী ভঙ্গির অনুকরণ করে বলল রানা, ‘কোনও ভয় নেই, স্যার, এক্ষুণি ঠিক হয়ে যাবেন বাসায় গেলেই। চোখে মুখে ঠাণ্ডা জল…’

    ‘আমি ধরছি আরেক হাত,’ বলল দ্বিতীয় পুলিস।

    বাম হাতটা উঁচু করেই চমকে ছেড়ে দিল সে। কোটটা সরে গিয়েছিল হাতটা তুলতেই- ছয় ইঞ্চি পরিমাণ জায়গা রক্তে ভিজে লাল হয়ে গেছে সাদা শার্ট। মৃতদেহটার দিকে চাইল সে বিস্মিত দৃষ্টিতে।

    তারপরই রানা, চশমাধারী আর কনস্টেবল্ তিনজনেরই চোখ পড়ল দেড় ইঞ্চি বেরিয়ে থাকা ছুরির বাঁটের ওপর। আঁতকে উঠল চশমাধারী, ডাণ্ডাটা ডানহাতে নিল কনস্টেবল।

    ধাক্কা দিয়ে সন্তোষ মুখার্জীকে ফেলল রানা পুলিসটার ওপর। দৌড় দিতে গিয়ে দেখল ওর জামা টেনে ধরেছে চশমাধারী টিকেট বিক্রেতা। এক থাবড়া দিয়ে দাদার আমলের চশমাটা ওর নাকের ওপর ভেঙে বসিয়ে দিয়ে ছুটল রানা রাস্তার দিকে। ফিরে আসছিল প্রথম পুলিসটা গেটের সামনে ট্যাক্সি দাঁড় করিয়ে। ওকে পাশ কাটিয়ে দৌড় দিল রানা। কিন্তু পাশ থেকে ল্যাঙ মারল সে রানার পায়ে।

    দড়াম করে শানের ওপর আছড়ে পড়ে পিছলে কয়েক হাত সামনে এগিয়ে গেল রানার দেহটা মাটিতে মুখ গুঁজে।

    .

    ‘গর্দভ, বুদ্ধু, উল্লুক কোথাকার!’ জ্বলে উঠল মুখোশের অন্তরালে ললিতার চোখ দুটো। মেকি হাসিটা লেগেই আছে মুখোশের ঠোঁটে। মাথা নামাল ক্যাপ্টেন খান্না। ‘তোমাকে কতবার করে সাবধান করেছি, ভয়ঙ্কর ধূর্ত লোক ওই মাসুদ রানা। সাবধানতার এই নমুনা দেখালে শেষ পর্যন্ত!’

    ‘কিন্তু আপনিই তো ওকে ছেড়ে রাখতে বলেছিলেন,’ বলল খান্না ভয়ে ভয়ে।

    ‘ছেড়ে রাখতে বলেছিলাম, ছেড়ে দিতে বলিনি!’

    ‘কিন্তু কম্পিউটার রূম কি করে ধ্বংস করল…আ র্য! দুঃস্বপ্নের মত লাগছে ব্যাপারটা আমার কাছে।

    ‘দুঃস্বপ্ন মাত্র আরম্ভ হয়েছে, খান্না। কম্পিউটার শেষ, মাসুদ রানা, সাদেক খান, ডক্টর ফৈয়াজ গায়েব; সত্যিকার দুঃস্বপ্ন দেখার এখনও বাকি আছে তোমার। সরকার যদিও ছাড়ে, কবীর চৌধুরী তোমাকে ছেড়ে দেবে ভেবেছ? আসছে সে শিকারি বাজপাখির মত।’

    ‘কিন্তু আমি কি করব বলুন? আপনি বললেন প্রথম রাতে বিশ্রাম নেবে মাসুদ রানা, কিছুই করবে না- প্রফেসর সন্তোষ বললেন ডক্টর ফৈয়াজ ওষুধ দিয়ে ওকে ঘুম পাড়িয়ে রেখেছে বারো ঘণ্টার জন্যে- আমার চোরা মাইক্রোফোনগুলোতেও সন্দেহজনক কিছুই পাওয়া গেল না। আমার দোষটা কোথায়?’

    ‘এসব যুক্তি-তর্ক আমাকে দেখিয়ে লাভ নেই, কবীর চৌধুরীকে দেখিয়ো। খবর পেয়েই রওনা হয়ে গেছে সে দ্বীপের উদ্দেশে। এখন বলো, নতুন কি সংবাদ পেয়েছ?’

    ‘আপনার কথামত সমস্ত রাস্তাঘাট ব্লকের ব্যবস্থা হয়েছে। যাদের জঙ্গলে খুঁজতে পাঠানো হয়েছিল ওদের কাছ থেকে কোন সংবাদ পাইনি এখনও। আজই দশটার মধ্যে বিজয়ভদ থেকে স্পেশাল ফোর্স পৌঁছে যাবে। সমস্ত নদী পথেও কড়া পাহারা দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপনি যে গুহাটার কথা বলেছিলেন ওখানে পাওয়া যায়নি কাউকে, এখন খালের অন্য পাড়টার জঙ্গল খোঁজা হচ্ছে তন্ন তন্ন করে।

    ‘কালই শেষ করে দিতাম আমি ব্যাটাকে, হেলিকপ্টার থেকে হ্যাণ্ড গ্রেনেড ফেলে, কিন্তু হঠাৎ খেয়াল হলো, তাহলে সাদেক খান আর ডক্টর ফৈয়াজও শেষ হয়ে যাবে, মাঝখান থেকে বিপদে পড়ব আমি। মেশিনগানে চেষ্টা করলাম, পারা গেল না,’ বলল ললিতা ক্ষোভের সঙ্গে। ‘ধরা ওদের পড়তেই হবে। এখন বাধা দিতে গিয়ে গুলি খেয়ে মারা না পড়লেই বাঁচা যায়।

    ‘আমি বিশেষভাবে নির্দেশ দিয়েছি সবাইকে, কাউকে যেন পারতপক্ষে প্রাণে মারা না হয়। সার্চ পার্টিতে আমিই থাকতাম, কিন্তু এই দ্বীপ ভ্যাকেট করার ব্যাপারে আমার এখানে না থাকলেও আবার চলে না।’

    ঠিক এমনি সময় বেজে উঠল রেডিও টেলিফোন। রিসিভার তুলে নিল ললিতা বটব্যাল। খবরটা শুনেই চমকে উঠল সে। হাত কাঁপছে ওর থর থর করে।

    ‘কি রকম দেখতে লোকটা? চেহারার বর্ণনা দিন। মন দিয়ে শুনল সে বৰ্ণনাটা।

    ‘হ্যাঁ, আমাদের লোক। কিন্তু আর সবাই? ওর সঙ্গে আরও তিনজন ছিল, তারা কোথায়?’

    উত্তরটা শুনে একটু যেন হতাশ হলো ললিতা।

    ‘ঠিক আছে। আমি আধঘণ্টার মধ্যে আসছি।

    রিসিভার নামিয়ে রেখে ফিরল সে ক্যাপ্টেন খান্নার দিকে।

    ‘ধরা পড়েছে মাসুদ রানা। সন্তোষকে খুন করে ইলোর রেল স্টেশন থেকে পালাবার চেষ্টা করছিল সে- ধরে ফেলেছে পুলিস। আটকে রেখেছে হাজতে। এখন আর চিন্তার কিছুই নেই খান্না, বাকি তিনটেকে বের করতে অসুবিধে হবে না। আমার কথাই ঠিক, গুহায় ঢোকেনি যদিও- গুহার পাশ দিয়েই ছ’মাইল হেঁটে চলে গেছে ওরা ইলোর। খালের এপাশের জঙ্গল মিছেমিছি না খুঁজিয়ে এই জায়গাটায় সৈন্য পাঠাও- অনায়াসে ধরতে পারবে ওদের। একটা ম্যাপের ওপর আঙুল দিয়ে দেখাল কর্নেল ললিতা বটব্যাল।

    ‘আমি এক্ষুণি ইন্‌স্‌টাকশন দিচ্ছি। আপনি কি ইলোর যাচ্ছেন?

    ‘হ্যাঁ। কিন্তু কবীর চৌধুরী যদি জিজ্ঞেস করে, আমি কোথায় গেছি, বলবে না। মাসুদ রানা যে ধরা পড়েছে সেকথাও যেন ও জানতে না পারে। বুঝেছ?

    ‘বুঝেছি।’

    .

    দুইঘণ্টা অপেক্ষা করল ওরা রানার জন্যে। শেষ পর্যন্ত হাল ছেড়ে দিল। অস্থির হয়ে উঠল শায়লা। রাজামুন্দ্রির টেস্ন ছেড়ে যাওয়ার শব্দ শুনতে পেল ওরা। নিশ্চয়ই কিছু একটা দুর্ঘটনা ঘটেছে।

    কাছেই গুলির শব্দ শোনা গেল একটা। বসে বসে ঝিমোচ্ছিল, তড়াক করে উঠে দাঁড়াল সাদেক খান। চোখে-মুখে ওর আতঙ্কের চিহ্ন।

    ‘বাম দিক থেকে এল শব্দটা,’ বললেন ডক্টর ফৈয়াজ। ‘এখান থেকে সরে যেতে হবে আমাদের।’

    ‘কিন্তু লোকটাকে বিপদের মুখে ঠেলে পাঠিয়ে দিয়ে এভাবে সরে যাওয়া কি ঠিক হচ্ছে, আব্বাজী? যে লোকটা আমাদের জন্যে এতবড় বিপদের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়ল হাসি মুখে, তাকে সাহায্যের চেষ্টা করব না?’

    ‘করব, শায়লা। আমাদের সাধ্যমত সব করব আমরা। কিন্তু আপাতত আত্মরক্ষা করতে হবে। ধরা পড়ে গেলে কাউকে কোন সাহায্যই করতে পারব না। চলো সাদেক, সরে যাই জঙ্গলের ভিতর।’

    ‘অ্যাঁ? ও, চলুন। কিন্তু তাড়াহুড়োর কিছুই নেই। গুলি ছুঁড়ে সঙ্কেত দিল লেফটেন্যান্ট সবাইকে একসাথে জড়ো হওয়ার জন্যে। গুহা পর্যন্ত এসে ফিরে গিয়েছিল এরা। এবার আরও দুই মাইল বাম দিকে সরে গিয়ে কাজ শুরু করবে। তন্ন তন্ন করে প্রত্যেকটা ঝোপঝাড় খুঁজতে খুঁজতে এগোবে এদিকে যাতে একটা খরগোশও নজর না এড়ায়।’

    ‘আব্বাজী! অত ভাবছি কেন? সাদেক খানই তো বলতে পারবে রানা কোথায়। হঠাৎ বলে উঠল শায়লা।

    ‘রানা? রানা কে?’ জিজ্ঞেস করল সাদেক খান ভুরু কুঁচকে।

    ‘মাসুদ রানা। যে আমাদের পালাতে সাহায্য করছে। ও গিয়েছিল আমাদের জন্যে রেলের টিকেট করতে। হয়তো ধরা পড়েছে। ও কোথায় আছে বলতে পারবেন?’ বলল শায়লা সাদেক খানের কাছে গিয়ে।

    শায়লার একটা হাত শক্ত করে চেপে ধরল সাদেক খান। ‘ওর কোন দরকার নেই। আমিই তোমাদের নিয়ে যাব পাকিস্তানে। কোন চিন্তা নেই। পাকিস্তানে ফিরে বিয়ে করব আমি তোমাকে। তোমাকে ভালবাসি আমি…’ একটা হাত শায়লার কাঁধের উপর রাখল সাদেক খান।

    ‘সাবধান, শায়লা!’ বললেন ডক্টর ফৈয়াজ অস্ফুট কণ্ঠে।

    ‘রানা কোথায় আছে বলতে পারবেন?’ বলল আবার শায়লা। ভীতি চেপে রাখবার চেষ্টা করছে সে প্রাণপণে। ‘হাত ছাড়]ন।’

    ‘কেন? আমাকে পছন্দ হচ্ছে না?’ বলল সাদেক খান চোখ পাকিয়ে। পর-মুহূর্তে ভাব পরিবর্তন হয়ে গেল ওর। ‘কী নরম তোমার শরীর! উহ্, একেবারে মাখনের মত। গলায়, থুতনিতে হাত বুলাল একটু, তারপর খেপে উঠল ভয়ানকভাবে। ‘ভয় পাচ্ছ কেন আমাকে? আমি বাঘ না ভাল্লুক?’

    ‘ভয় পাইনি,’ বলল শায়লা ভীত কণ্ঠে।

    ‘আবার মিছে কথা! মনে করছ আমার মাথা খারাপ, কিছুই টের পাই না আমি! মিছেকথা বললে দোজখে যাবে তা জানো?’ খামচে ধরল সে শায়লার কাঁধের মাংস। নখগুলো বসে গেছে নরম মাংসের মধ্যে। ব্যথায় বিকৃত হয়ে গেল শায়লার মুখ।

    হঠাৎ কাপড় ধরে টানাটানি শুরু করল সাদেক খান। ছিঁড়ে গেল ব্লাউজ। হাতটা ছাড়াবার চেষ্টা করল শায়লা, কিন্তু দশটা হাতীর শক্তি এখন সাদেক খানের গায়ে। উত্তেজনায় হাঁপাচ্ছে সে। মুখের দুই কষা বেয়ে লালা গড়াচ্ছে।

    নিজের ঠোঁট কামড়ে ধরে চিৎকার বন্ধ করল শায়লা। এখন চিৎকার করলেই শুনতে পাবে সৈন্যরা। হাতটা ছেড়ে দিয়ে মট্ করে ডাল ভেঙে নিল সাদেক খান একটা গাছ থেকে।

    ‘পিটিয়ে লাস করে ফেলব, হারামজাদী। লোভ দেখাচ্ছিস আমাকে? দাঁড়া!’

    দাঁড়িয়ে রয়েছে শায়লা বিবর্ণ মুখে। ঠিক এইভাবেই খুন করেছিল সাদেক খান ক্লিনিকের সেই নার্সটাকে। এবার কাপড় ধরে টানাটানি আরম্ভ করল লোকটা। দুনিয়াটা দুলে উঠল শায়লার চোখের সামনে! আব্বাজী করছে কি, ভাবল একবার সে আবছা ভাবে। চড়াৎ করে পিঠের ওপর পড়ল লাঠির বাড়ি।

    ‘খুন করে ফেলব তোকে, হারামজাদী…’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৩৩ – বিদেশী গুপ্তচর – ১
    Next Article মাসুদ রানা ০০৬ – দুর্গম দুর্গ

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }