Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প242 Mins Read0
    ⤷

    রক্তের রঙ ১.১

    এক

    জলকল্লোল।

    সাঁঝ হয়ে আসছে।

    একা।

    ডেকে বসে নিজের একাকীত্বকে অদ্ভুত নিবিড়ভাবে অনুভব করছে রানা। সূর্যাস্ত দেখে সবসময় কেমন যেন বিষাদে ছেয়ে যায় ওর মন। একা থাকলে আরও। একটা দিন খসে গেল রানার জীবন থেকে-আরও একটা দিন। বড় অসহায়, ক্ষুদ্র মনে হয় নিজেকে। বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের বিশাল বিপুল আয়োজনের মধ্যে ওর স্থান কোথায়, মূল্যই বা কি? অথচ নিজেকে কত বড় করে দেখতে ভালবাসে মানুষ। সব অর্থহীন, সব ঝুটা।

    ছোট্ট অ্যালিসক্যাফোর (ইয়ট) অ্যালুমিনিয়াম ও ম্যাগনেশিয়াম অ্যালয়ের তৈরি খোলের গায়ে মৃদু চাপড় দিচ্ছে বঙ্গোপসাগরের ঢেউ-কুল কুল ছলাৎ।

    স্পীড বাইশ নট।

    বিকেল থেকে সামান্য হাওয়া দিয়েছে উত্তর-পশ্চিম থেকে। সামান্য হাওয়াতেই চারফুটি ঢেউয়ের মাথায় সাদা ফেনা উঠে গেছে। রাতে ফসফরাসের আলো জ্বলবে সারা সমুদ্র জুড়ে। বেশ লাগবে দেখতে।

    রোল করছে ইয়টটা ভালই লাগছে রানার। আলস্য আসছে দোল দোল দুলুনিতে।

    টুইন ব্রাউন-বেভারি টার্বো সুপারচার্জার ফিট করা ফোরস্ট্রোক ডেইমলার বেঞ্জ ডিজেল ইঞ্জিনের মৃদু-গম্ভীর গর্জন, ঢেউয়ের ছল-ছলাৎ অবিরাম কলধ্বনি। আর সব চুপ। আশপাশে দুশো মাইলের মধ্যে একটি জনমানুষ নেই। একা।

    বিশাল সমুদ্রের বুকে রানা একা। চারদিকে যতদূর চোখ যায়, শুধু জল। সামুদ্রিক সোঁদা গন্ধ। ঢেউ। দূর সমুদ্রে হালকা কুয়াশার আভাস।

    শীত শীত করছে ঠাণ্ডা হাওয়ায়। জ্যাকেটটা গায়ে জড়িয়ে নিল রানা।

    হাওয়াটা বাড়বে নাকি আবার? আকাশের দিকে চাইল রানা। বোঝা যাচ্ছে না ঠিক। অবশ্য ভয়ের কিছুই নেই। লিওপোল্ড রডরিক্সের তৈরি ইয়ট ডোবেনি আজ পর্যন্ত—তা সে যত বড় ঝড়ই উঠুক। তাছাড়া ‘ব্যালাস্ট’-এর কাজ করবে ইয়টের হোল্ডে ঠাসা কয়েক টন অস্ত্রশস্ত্র আর গোলা বারুদের বাক্স। তাছাড়া বাংকারভর্তি আছে ডিজেল-চিন্তা কি?

    ব্ল্যাক ডগের বোতল থেকে আরও দু’আউন্স তরল পদার্থ ঢালল রানা গ্লাসে। বরফ তুলে নিল কয়েক টুকরো। মনে মনে ধন্যবাদ দিল সোহেলকে। শালা ভোলেনি। এত অল্প সময়ে সবকিছু জোগাড়-যন্ত্র ব্যবস্থা করতেই জান বেরিয়ে যাবার কথা, এরই মধ্যে এক বোতল ব্ল্যাক ডগ ম্যানেজ করে দিয়েছে ও বুদ্ধি করে। এটা ছাড়া মুশকিলই হয়ে যেত রানার সময় কাটানো। অদ্ভুত নিঃসঙ্গ বোধ করছে সে, দম আটকে আসতে চাইছে থেকে থেকে। একেবারে একা।

    অবশ্য সত্যিকার অর্থে একা ঠিক বলা যায় না। এক আশ্চর্য সঙ্গী জুটে গেছে ওর সাথে খুলনা থেকে শ’দুয়েক মাইল দক্ষিণে আসতেই। অ্যালবাট্রস পাখি একটা। পাখি না বলে আসলে উড়োজাহাজ বলা উচিত। একটা অস্টার প্লেনের সমান ওটার পাখার বিস্তার-কমপক্ষে ষোলো সতেরো ফিট। প্ৰকাণ্ড।

    পৃথিবীর বৃহত্তম সামুদ্রিক পাখি এই অ্যালবাট্রস। সাদা গায়ে ঢেউ খেলানো খয়েরি দাগ, ডানা দুটো গাঢ় খয়েরি, পা দুটো হাঁসের পায়ের মত। সেই সকাল থেকে পিছু নিয়েছে, গ্লাইডারের মত নিঃশব্দে উড়ে চলেছে প্ৰকাণ্ড পাখিটা ইয়টের সাথে সাথে। ডানা ঝাপটানো নেই, শুধু পাখাদুটো মেলে দিয়ে ভেসে রয়েছে শূন্যে। মাঝে মাঝে ঝুপ করে ডাইভ দিয়ে নামছে সাগরজলে, এঁকেবেঁকে ছটফট করছে ওর ছুঁচোল ঠোঁটে ধরা সামুদ্রিক মাছ। খাওয়া সেরে ম্যালার্ডের মত পা টেনে টেনে খানিক সাঁতার কাটছে, ডিগবাজি খাচ্ছে, আবার উঠছে আকাশে।

    ওঠাটা বড় অদ্ভুত। দুই ডানা মেলে ধরে পানির উপর থপ থপ পা ফেলে দৌড়ে চলে যাচ্ছে সত্তর আশি গজ, পা গুটিয়ে নিয়ে ভেসে পড়ছে বাতাসে, বারকয়েক পাক খেয়ে আকাশে উঠছে, তারপর আবার নিঃশব্দে অনুসরণ করছে ইয়টটাকে। বেশ ভাব হয়ে গেছে রানার সাথে।

    শুনেছে রানা, একবারও পানিতে না নেমে শত শত মাইল উড়তে পারে এই পাখি জাহাজের পিছু পিছু। মারতে নেই, অমঙ্গল হয়। অ্যালবাট্রস নাকি সৌভাগ্যের প্রতীক। কথাটা সত্যি হলেই ভাল। সৌভাগ্যের প্রতিটা বিন্দু প্রয়োজন পড়বে এবার ওর সফল হতে হলে।

    সূর্যটা অনেকক্ষণ আগেই ডুবে গেছে সমুদ্রে। এবার লাল আভাটাও মুছে যাচ্ছে দ্রুত আকাশ থেকে। সাদা মেঘের গায়ের রঙগুলো কালচে হয়ে এসেছে। সন্ধ্যা নামছে বঙ্গোপসাগরে নিঃশব্দ পায়ে।

    নেভিগেশন লাইট জ্বেলে দিল রানা। পোর্ট সাইড, অর্থাৎ সামনের বামদিকে লাল আলো; আর স্টারবোর্ড সাইড, অর্থাৎ সামনের ডানদিকে সবুজ আলো; আর মাস্তুলের মাথায় সাদা আলো। কম্পাস দেখে কোর্সটা সামান্য একটু পরিবর্তন করে দিয়ে আবার এসে বসল ডেক চেয়ারে। আকাশে জ্বলে উঠেছে অসংখ্য তারা। একাদশীর ম্লান চাঁদটা উজ্জ্বলতর হচ্ছে ক্রমেই। সিগারেট ধরাল রানা। সমুদ্রের নীল জলরাশি এখন পেলিক্যান জেট ব্ল্যাক কালির মত দেখাচ্ছে।

    আবছা আঁধার কেটে সমান গতিতে এগিয়ে চলেছে তিরিশ ফুট লম্বা অ্যালিসক্যাফো। ঢাকার, কর্মচাঞ্চল্য থেকে ঘণ্টায় পঁচিশ মাইল বেগে দূরে সরে যাচ্ছে রানা গত আঠারো ঘণ্টা ধরে। ঠিক একই বেগে এগিয়ে যাচ্ছে সে কোন্ বিপদের মুখে কে জানে! মাঝপথে ও এখন। আরও আঠারো ঘণ্টা-তারপর ‘ইয়ানগন’। ১৭৫৩ সালে ব্রহ্মদেশের রাজা আলোম্পার তৈরি তাঁর সাধের রাজধানী, ইয়ানগন। মানে, রেঙ্গুন।

    হ্যাঁ, রেঙ্গুন। বিশ্ববিখ্যাত রহস্যময়ী বন্দরনগরী, রেঙ্গুন। বার্মার রাজধানী, প্যাগোড়া নগরী রেঙ্গুন। এককালের ভয়ঙ্কর দস্যু উ-সেনের প্রধান ঘাঁটি, রেঙ্গুন।

    মেজর জেনারেল রাহাত খানের ধারণা ওখানেই জমে উঠেছে বাংলাদেশের ভাগ্য নিয়ে ছিনিমিনি খেলার জন্যে এক বিচিত্র নাটক। এ নাটকের মাঝখানেই যবনিকা টানতে হবে রানাকে। একা। যে করে হোক ধ্বংস করে দিতে হবে এই আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র। কিন্তু কি করে? জবাব দিতে পারেননি মেজর জেনারেল, বলেছেন, সে আমি জানি না।

    মুচকি হাসল রানা। ওর ওপর অগাধ বিশ্বাস বুড়োর। কিন্তু এবার আদেশ দিতে গিয়ে কেঁপে গিয়েছিল বুড়োর কণ্ঠস্বর। ভাঙন ধরেছে বুড়োর আত্মবিশ্বাসে। কাঁচা-পাকা ভুরু জোড়ার নিচে শান দেয়া ছুরির মত চকচকে চোখ দুটোতে উদ্বেগ আর আশঙ্কার ছায়া দেখতে পেয়েছে রানা। ঘাবড়ে গেছে আসলে বুড়ো।

    .

    গতকাল বিকেল চারটে পর্যন্ত কিছুই জানত না রানা। বি.সি.আই-এর ছায়াও মাড়ায়নি সে কয়েকমাস। দিব্যি আছে নিজের গোয়েন্দাগিরি নিয়ে। একটার পর একটা কেস সমাধান করে চলেছে দ্রুতবেগে। বেশির ভাগই সহজ সব কেস। গুগুলোর মোটামুটি একটা ছক তৈরি করে কাজের ভার চাপিয়ে দেয় সে সালমা আর গিলটি মিঞার উপর-ওরাই করে। দু’একটা জটিল আর বিপজ্জনক কেস হাতে এলে একটু তাজা হয়ে ওঠে রানা, উৎসাহ নিয়ে কাজ করে। ক’দিন বেশ আনন্দেই কাটে, তারপর আবার যে কে সেই, কুঁড়ের বাদশা। সপ্তাহে তিনদিনের বেশি অফিসেই যায় না সে। কোনরকম বিজ্ঞাপন নেই, খরিদ্দার আকর্ষণের চেষ্টা তদবির নেই, চুপচাপ। কিন্তু ইদানীং মুখে মুখে নাম ছড়িয়ে পড়ায় একটু অসুবিধা হয়ে গেছে ওর-ফি-এর পরিমাণ দ্বিগুণ করে দিয়েও মক্কেল ঠেকাতে পারছে না।

    এইটাই রানার কাভার। মেজর জেনারেলের আদেশ, এভাবেই প্রতীক্ষা করতে হবে ওকে আগামী অ্যাসাইনমেন্টের জন্যে, আনুষ্ঠানিকভাবে বি.সি. আই-এ অফিস করা চলবে না।

    ‘তুমি নিজের ব্যবসা নিয়েই যেমন ছিলে তেমনি থাকো। যখন দরকার হবে ডাকব আমি। বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের সাথে বাহ্যত কোন সংস্রব থাকবে না তোমার কিন্তু মাসে মাসে বেতন ঠিকই জমা হয়ে যাবে তোমার অ্যাকাউন্টে। তুমি, আমি আর সোহেল ছাড়া কেউ জানবে না আসল কথা। সবাই জানুক, চাকরি ছেড়ে দিয়েছ তুমি।’

    ঠিক আছে। ‘রানা এজেন্সি-প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটার্স’ টিকে গেল। ভালই লাগে রানার। কত বিচিত্র সব সমস্যা নিয়ে আসে মানুষ ওর কাছে, মানুষের মনের কত গোপন গভীর রহস্যের উন্মোচন হচ্ছে ওর চোখের সামনে-কত ব্যাকুলতা, লোভ, ক্রোধ, নীচতা, পাপ, মোহ, প্ৰেম এমনভাবে, এত কাছে থেকে মানুষকে জানবার সুযোগ পায়নি সে কখনও আগে। কিন্তু মাঝে মাঝে অস্থির হয়ে ওঠে ওর মনটা। ভয়ঙ্করের সুহৃদ সে। বিপদ আর মৃত্যুর হাতছানি ছাড়া হাঁপিয়ে ওঠে ওর রোমাঞ্চপ্রিয় মন।

    হঠাৎ ফোন এল সোহেলের। আবাল্য-বন্ধু প্রিয়তম মাসুদ রানাকে অনেকদিন না দেখে কলজেটা ফেটে যাবার উপক্রম হয়েছে, আগামী আধঘণ্টার মধ্যে দেখা না পেলে ফেটেই যাবে। গোটা কয়েক সদ্য উদ্ভাবিত গালি দিয়ে নামিয়ে রাখল রানা রিসিভার। চলল রানা।

    সোহেলের কামরায় ঢুকতেই আপনা আপনি বন্ধ হয়ে গেল দরজাটা। ক্লিক্ করে শব্দ হলো।

    ‘শালা ভোম্ভোট, রটনটট-কালিসি করার জায়গা পাও না!’ একটা চেয়ার টেনে বসতে যাচ্ছিল রানা। বাধা দিল সোহেল।

    ‘এখানে না, দোস্ত। ব্যাপারেশন ক্যাটাভ্যারাস। খোদ বুঢ়া মিঞা…’ বাম পাশের দেয়ালের দিকে ইঙ্গিত করল সোহেল।

    রানা দেখল, দেয়াল-আলমারির দরজা দুটো খুলে গেছে। ওটা পাশের ঘরের দরজা।

    কাগজপত্র থেকে চোখ তুলে একবার ভুরু কুঁচকে রানাকে আপাদমস্তক দেখলেন মেজর জেনারেল, তারপর দাঁতে চেপে ধরা পাইপটা হাতে নিয়ে আবছা ইঙ্গিত করলেন বসবার জন্যে। বসে পড়ল রানা। পাঁচ মিনিট চুপচাপ। নিবিষ্টমনে একটা ফাইলে কি যেন দেখছেন বৃদ্ধ, মাঝে মাঝে পাতা ওল্টাচ্ছেন। মনে হচ্ছে ভুলেই গেছেন রানার কথা।

    ঘরটার চারপাশে দৃষ্টি বোলাল রানা। সেই পরিচিত পরিবেশ ফিরে এসেছে আবার। ইলেকট্রনিক দেয়াল ঘড়িতে বাজছে সাড়ে চারটা। সাউন্ড- প্রুফ ঘরটায় পিন-পতন স্তব্ধতা। কাঁচের জানালা দিয়ে দেখা যাচ্ছে নীল আকাশে ঘুরে ঘুরে উড়ছে কয়েকটা চিল। পড়ন্ত বিকেলের রোদ পড়েছে পুরু কার্পেটের উপর। জানালার কাঁচে প্রতিফলিত হয়ে এক চিলতে রোদ রঙধনু সৃষ্টি করেছে দেয়ালের গায়ে। সময় যেন থমকে দাঁড়িয়ে গেছে এই ঘরে-ঘড়িটা মিথ্যা।

    মেজর জেনারেল বসে আছেন সেই পিঠ-উঁচু রিভলভিং চেয়ারটায়। নীল সার্জের স্যুট, সাদা শার্ট, ব্রিটিশ কায়দায় বাঁধা লাল রঙের দামী টাই। বেশ ছোকরা ছোকরা লাগছে প্রায় তিন কুড়ি বছর বয়সের ঋজু রাশভারী চিরকুমার বৃদ্ধকে। ওঁর ঠিক পেছনেই সারা দেয়াল জুড়ে একটা ম্যাপ। একেকটা বোতাম টিপলে একেক দেশের ম্যাপ ভেসে ওঠে এই দেয়ালের গায়ে।

    আজকের ম্যাপটা গোলমেলে। তিনটে দেশের ইন্টারন্যাশনাল বর্ডার দেখা যাচ্ছে, কিন্তু জায়গাটা ঠিক্ চেনা যাচ্ছে না। অসংখ্য শুঁয়োপোকা দেখে বোঝা যাচ্ছে, পার্বত্য এলাকা। নিজের অজান্তেই ছড়ানো ছিটানো নামগুলো পড়তে শুরু করল রানা। হাকা, গাংগাও, পলেতোয়া, ফালাম, টাও, মলাইক, উইটুং, শেরমুন, মালিয়ানপুই, রোনিপারা, লইংকলাংপারা, চিন হিস, মাউন্ট ভিক্টোরিয়া, লুসাই হিল্স, মিজো হিল্স … থমকে গেল রানার চোখ। পরিষ্কার বুঝতে পারল, চট্টগ্রাম, আসাম ও বার্মার অংশবিশেষ দেখতে পাচ্ছে সে দেয়ালের গায়ে। দ্রুততর হলো রানার চিন্তা। দৃষ্টিটা ফিরে এল বৃদ্ধের মুখে। নিবিষ্টমনে ফাইল ঘাঁটছেন তিনি। হঠাৎ চোখ তুললেন।

    ‘কেমন আছ, রানা?’

    ‘ভাল, স্যার।’

    ‘গোয়েন্দাগিরি চলছে কেমন? খুব ব্যস্ত?

    ‘না, স্যার। ব্যবসা ভালই চলছে, কিন্তু ব্যস্ততা নেই। জটিল কেস না পেলে সময় কাটতেই চায় না। হাঁপিয়ে উঠেছি।’

    ‘তাই নাকি? তাহলে কিছুদিন ঘুরে এসো রেঙ্গুন থেকে।’

    চট করে ম্যাপের উপর ঘুরে এল একবার রানার দৃষ্টিটা। মৃদু হাসলেন মেজর জেনারেল রানার চিন্তার গতি বুঝতে পেরে।

    ওটা হচ্ছে ঘটনাস্থল। কিন্তু চাবিকাঠি রয়েছে রেঙ্গুনে। আজ রাত বারোটায় রওনা হচ্ছ তুমি।’

    রানার চোখে প্রশ্নবোধক দৃষ্টি দেখে আবার কথা বললেন মেজর জেনারেল।

    ‘হ্যাঁ। খুলে বলছি। তার আগে বলো দেখি ‘মুসলিম বাংলা’ সম্পর্কে তোমার কি ধারণা?’

    ‘ভাল করে ভেবে দেখিনি, স্যার। বাজারে জোর গুজব…’

    ‘গুজব? এটাকে গুজব বলে মনে করো তুমি, রানা?’,

    একটু থমকে গেল রানা কথাটা শুনে। বলল, ‘রেডিয়োর নব ঘুরিয়েছি অনেক, কিন্তু ওই নামের কোন বেতারকেন্দ্র খুঁজে পাইনি, স্যার।’

    ‘মুসলিম বাংলা’র প্রসঙ্গ তোলায় সত্যিই অবাক হয়েছে রানা। বলল, ‘যাই হোক, আমার ধারণা, ব্যাপারটার মধ্যে কিছু সত্যতা যদি থেকেও থাকে, অনেক বেশি অতিরঞ্জিত হয়েছে লোকের মুখে মুখে।’

    ‘তাই হলেই ভাল।’ মাথা নাড়লেন মেজর জেনারেল। ‘কিন্তু আমি এর মধ্যে অশুভ ইঙ্গিত দেখতে পাচ্ছি। দু’একটা নমুনা ইতিমধ্যেই পাওয়া গেছে। দ্রব্যমূল্য হু হু করে বাড়ছে, সামরিক শক্তি বৃদ্ধি করছে পাকিস্তান, ভুট্টোর মুখে ঘন ঘন শোনা যাচ্ছে মুসলিম বাংলা’র কথা, কে বা কারা জ্বালিয়ে দিচ্ছে আমাদের পাটের গুদাম, চিঠিতে হুমকি আসছে দেশপ্রেমিক নেতাদের কাছে, লুট হয়ে যাচ্ছে একটার পর একটা ব্যাংক…আমার মনে হয় এসবই কোন ভয়ঙ্কর আঘাতের প্রাথমিক নমুনা মাত্র। খুব শিগির যদি ভয়ানক গোলমাল রেধে যায়, আমি অবাক হব না। আমার ধারণা, প্রায় প্রস্তুত হয়ে গেছে ‘মুসলিম বাংলা গেরিলা ফৌজ’। ‘

    ‘কিন্তু স্যার, ব্যাপারটা শুধু অসম্ভব নয়, উদ্ভট ঠেকছে আমার কাছে। গেরিলা যুদ্ধ চালাতে হলে গণ-সমর্থন চাই। যে-কোন দেশের গেরিলার সবচেয়ে বড় ডিফেন্স হচ্ছে জনসাধারণ। প্রয়োজন হলেই মিশে যেতে পারে, নিরাপদ আশ্রয় পায় ওরা জনসাধারণের কাছে। এই একটি মাত্র কারণে ক্ষ্যাপা কুকুর হয়ে উঠেছিল পাকিস্তান আর্মি। আকস্মিকভাবে তুমুল আক্রমণ আসছে, অথচ মুকুত কাঁহাঁ’ জানা ছিল না ওদের। ফলে লোম বাছতে কম্বল উজাড় হবার দশা হয়েছিল, গ্রামকে গ্রাম জ্বালিয়ে দিয়ে, নির্বিচারে নিরীহ মানুষকে হত্যা করেও নিশ্চিন্ত হতে পারেনি, পদে পদে হোঁচট খেয়েছে মুক্তিযোদ্ধাদের অ্যামবুশের সামনে। সেই গণ-সমর্থন কোথায় পাবে এরা?’

    ‘ধর্মের দোহাই দিয়ে জনসাধারণের সমর্থন পাবে না ভাবছ?’

    ‘অসম্ভব। ওভাবে আর বোকা বানানো যাবে না এদেশের মানুষকে ইসলাম বিপন্ন বলে…’

    ‘ভারতের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ প্রচার করে?’

    ‘ওদিক থেকে যে একেবারে অসম্ভব তা বলব না, স্যার। কিন্তু তাতে সময় লাগবে অনেক। মুক্তিযুদ্ধের নয় মাস ভারতের অকৃত্রিম বন্ধুত্ব, বিপুল সমর্থন, আর অকৃপণ সাহায্যের কথা এত সহজে ভুলবে না এদেশের মানুষ। মানুষের মন থেকে কৃতজ্ঞতা আর সম্প্রীতির রেশটুকু মুছে ফেলতে হলে অনেক কাঠখড় পোড়াতে হবে ওদের। কেবল স্যাবোটাজে জনসাধারণের সমর্থন আসবে না। টিকতেই পারবে না। সত্যিই স্যার, উদ্ভট…’

    ‘হ্যাঁ। উদ্ভট পরিকল্পনা বলতে পারো, কিন্তু অসম্ভব নয়। সারা দেশজুড়ে অরাজকতা সৃষ্টি করার পক্ষে যথেষ্ট। আমার ধারণা এই অরাজকতার সুযোগ গ্রহণ করার চেষ্টা করবে কোন বিশেষ মহল। বিরুদ্ধভাবাপন্ন বিশ্ব-শক্তির প্রত্যক্ষ হাত দেখতে পাচ্ছি এর পিছনে। নইলে অস্ত্র-শস্ত্র, গোলা-বারুদ, বেতারকেন্দ্রের ট্র্যান্সমিটার ইত্যাদি কোথা থেকে আসছে ওদের? বার্মা ও ভারত সরকার এমন দিশেহারা হয়ে পড়েছে কেন? সীমান্তে কারফিউ দেয়ার কথা দেখনি কাগজে?’ এপাশ ওপাশ মাথা নাড়লেন রাহাত খান। ‘এক মহাপরিকল্পনা রচনা করেছে ইয়াহিয়া ও তার দোসররা মিলে, আমার যতদূর বিশ্বাস। ‘

    ‘প্রত্যক্ষ কোন প্রমাণ পাওয়া গেছে, স্যার?’ সতর্কতার সাথে প্রশ্ন করল রানা।

    ‘না।’ সাফ জবাব দিলেন বৃদ্ধ। ‘প্রত্যক্ষ কিছুই হাতে আসেনি আমাদের। কিছু কিছু আভাস দেখে অনুমান করে নিতে হচ্ছে। আসলে সবটাই অনুমান। তোমার প্রধান কাজ হচ্ছে এই অনুমানের মধ্যে সত্যতার পরিমাণ কতটুকু তা যাচাই করে দেখা!’

    ‘আর্মি পাঠানো হচ্ছে?’ কাজের কথায় এল রানা।

    ‘কোথায় পাঠাব? ওদের ঘাঁটিই তো লোকেট করা যায়নি এখন পর্যন্ত ভারত, বাংলাদেশ ও বার্মার সীমান্তে নয়শো বর্গমাইল জঙ্গল আর পাহাড়ের মধ্যে ঠিক কোন জায়গাটায় ওদের ট্রেনিং সেন্টার, জানা যাচ্ছে না। লোক পাঠালে ফেরত আসে না সে লোক। একমাত্র লোক, যে সঠিক লোকেশনটা জানত এবং জানাতে যাচ্ছিল, প্যাপন মং লাই, সে-ও নিখোঁজ হয়েছে সপ্তাহখানেক হলো। তাই বার্মিজ ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসের সহযোগিতায় জটিল একটা জাল পাততে হয়েছে আমাদের।’

    ‘প্যাপন মং লাই লোকটা কে?’

    ‘অত্যন্ত প্রতাপশালী এক আরাকানী উপজাতীর সর্দার। গেরিলাদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গিয়ে রেঙ্গুন থেকে যোগাযোগ করেছিল সে আমাদের সাথে। কিন্তু পরদিনই গায়েব করে ফেলা হয়েছে তাকে।

    ‘ব্যাপারটা ট্র্যাপ হতে পারে না, স্যার?’ সাবধানে জিজ্ঞেস করল রানা। ‘খুব সম্ভব ট্র্যাপ নয়, তবু সেটাকেও একটা পসিবিলিটি বলে ধরতে হবে তোমাকে।’

    লোকটাকে খুঁজে বের করতে হবে আমার?’

    ‘না।’ পাইপটা ধরিয়ে নিলেন মেজর জেনারেল আবার। খানিকক্ষণ আনমনে টানলেন, চোখের নিচটা বাম হাতের কনিষ্ঠা দিয়ে চুলকালেন, তারপর বললেন, ‘সেজন্যে মাসুদ রানাকে পাঠাবার প্রয়োজন পড়ে না। উ- সেনকে মনে আছে তোমার?’

    চমকে গেল রানা।

    ‘সেই ভয়ঙ্কর বার্মিজ দস্যু, উ-সেন? মনে আছে, স্যার। প্লেন ক্র্যাশে মারা গেছে বছর তিনেক হলো।’

    ‘মারা যায়নি। আমাদের তথ্যে ভুল ছিল। বেঁচে আছে এবং বহাল তবিয়তেই আছে। তোমার এবারের টার্গেট উ-সেন।’

    আশ্চর্য হয়ে গেল রানা। হাঁ করে চেয়ে রইল কিছুক্ষণ বোকার মত। সংবিৎ ফিরে পেয়ে জিজ্ঞেস করল, ‘মুসলিম বাংলার সাথে দস্যু উ-সেনের কি সম্পর্ক স্যার?’

    ‘টাকার সম্পর্ক। প্রচুর ডলারের বিনিময়ে ওর সহযোগিতা কিনে নিয়েছে পাকিস্তান। ওর প্রকাণ্ড নেট-ওয়ার্ক এখন কাজ করছে ‘মুসলিম বাংলা গেরিলা ফৌজে’র অস্ত্রশস্ত্র, রসদ, এমন কি মানুষ সরবরাহ করার কাজে। অনেকটা লিয়াজো ও রিক্রুটিং অফিসারের কাজ করছে সে। সরাসরি গেরিলা ফৌজে যোগ দেয়ার উপায় নেই, প্রথমে ওর ক্লিয়ারেন্স সংগ্রহ করতে হবে তোমাকে।

    ‘আমি কি ওদের দলে যোগ দিতে চলেছি?’

    তুমি একা নও। হাজারতিনেক মুক্তিযোদ্ধাকে সুন্দরবনের এক গোপন আস্তানায় লুকিয়ে রেখে ওদের মুখপাত্র হিসেবে তুমি একা যাচ্ছ উ-সেনের সাথে দেখা করতে। প্রচুর অস্ত্রশস্ত্র আর গোলা-বারুদ নিয়ে যাচ্ছ তুমি তোমার সততা এবং ‘মুসলিম বাংলা’র প্রতি নিষ্ঠার প্রমাণ স্বরূপ। সব ব্যবস্থা হয়ে গেছে, বার্মিজ ইন্টেলিজেন্সের মারফত কৌশলে কন্ট্রাক্ট করা হয়েছে উ-সেনের সাথে, আজই রাত বারোটায় রওনা হচ্ছ তুমি। খুব সম্ভব পাকিস্তানী কোন জেনারেলের সাথে দেখা হয়ে যাবে তোমার রেঙ্গুনে। কপাল ভাল হলে মাহমুদ আলী বা গোলাম আযমকেও পেয়ে যেতে পারো।’

    ‘আমার কাজটা কি, স্যার?’

    ‘প্রথম কাজ প্রাণে বেঁচে থাকা। দ্বিতীয় কাজ শত্রু ধ্বংস করা। বার্মিজ ইন্টেলিজেন্স সার্ভিসকে সরে থাকতে বলেছি। কিভাবে কি করবে সেসব নির্ভর করবে পরিস্থিতির গতি প্রকৃতির উপর। যেমন ভাল বুঝবে, করবে। তবে আমি আশা করব, সাতদিনের মধ্যে ছত্রভঙ্গ হয়ে যাবে ঊ-সেনের দল, মারা যাবে ‘মুসলিম বাংলা’ আন্দোলনের দু’একজন গুরুত্বপূর্ণ কর্ণধার, গেরিলা ট্রেনিং সেন্টারের অবস্থান হাতে আসবে আমার।’ পাইপটা নামিয়ে রাখলেন মেজর জেনারেল টেবিলের উপর। ডান হাতটা সামান্য একটু নড়ল ডানদিকে। অর্থাৎ-বক্তব্য শেষ, এবার তুমি আসতে পারো। সরাসরি চাইলেন বৃদ্ধ রানার চোখে। ‘কিছু প্রশ্ন আছে?’

    ‘শত্রুপক্ষ কে? কাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করছি আমরা?’

    তুমি জানতে চাইছ, যেহেতু ‘মুসলিম বাংলা গেরিলা ফৌজে’র সাথে কিছু ভারতীয় মিজো, নাগা ও বর্মী বিদ্রোহী যোগ দিয়েছে, আমরা তাদের সাথেও লড়ছি কিনা? উত্তরটা হচ্ছে, হ্যাঁ। ওরা যৌথভাবে কাজ করছে। ওদের মধ্যে চুক্তি হয়েছে, মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালিয়ে এক এক করে প্রত্যেকের সমস্যার সমাধান করবে। যাই হোক, বাংলাদেশের মাটিতে যেই আসুক, ভারতীয় হোক, বর্মী হোক, আর পাকিস্তানী হোক—যদি দেশের স্বার্থের বিরুদ্ধে কাজ করতে চায়, আমরা তাদের শত্রু।’

    ‘বুঝলাম স্যার, কাউকে ছেড়ে কথা বলব না। এখন কিভাবে যাচ্ছি, কিভাবে কন্ট্যাক্ট করছি উ-সেনকে, ইত্যাদি ব্যাপারে একটু ডিটেইল্স্ …

    তোমাকে কন্ট্যাক্ট করতে হবে না, ওরাই খুঁজে নেবে তোমাকে। আর অন্যান্য ব্যাপারগুলো বিস্তারিত জানতে পারবে সোহেলের কাছে।

    ‘ঠিক আছে, স্যার।’ উঠে দাঁড়াল রানা।

    সরাসরি রানার চোখের উপর চোখ রাখলেন মেজর জেনারেল।

    ‘উ-সেন কতটা ভয়ঙ্কর ক্ষমতাশালী সে কথা তোমাকে স্মরণ করিয়ে দেয়ার প্রয়োজন নেই আশা করি। রেঙ্গুনে বসে ওর বিরুদ্ধাচরণ করবার ক্ষমতা পৃথিবীর কুখ্যাত দস্যুদল টং বা মাফিয়ারও নেই।’ উদ্বেগ আর আশঙ্কার ছায়া দেখতে পেল রানা বৃদ্ধের চোখে। ‘কাজেই প্রয়োজন হলে যেন প্রাণ নিয়ে পালাতে পারো, তার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে রেঙ্গুনে। নানকিং হোটেলে তোমার সাথে এক ছুতোয় পরিচয় করে নেবে এক ভারতীয় দম্পতি, মিস্টার অ্যান্ড মিসেস সরোজ গুপ্ত। তোমার মিশন সম্পর্কে কিছুই জানে না ওরা, জানাবার প্রয়োজনও নেই। কাজ শেষ হলেই নিশ্চিন্তে ছেড়ে দেবে তুমি নিজেকে মিসেস গুপ্তর হাতে।’

    হঠাৎ চোখজোড়া সঙ্কুচিত হয়ে গেল রানার। পরমুহূর্তে চমকে উঠল সে। দ্বিগুণ হয়ে গেল হার্টবিট।

    কি ওটা!

    মেজর জেনারেলের শেষের কথাগুলো এখনও বাজছে কানে…কিন্তু একলাফে ঢাকা থেকে ফিরে এসেছে মনটা চারশো মাইল দক্ষিণের বর্তমান বাস্তবে।

    আলো!

    বামদিক থেকে একটা লাল আলো এগিয়ে আসছে ইয়টের দিকে। দ্রুত। নিঃশব্দে।

    কিসের আলো? জাহাজ? প্লেন?

    তড়াক করে লাফিয়ে উঠে ছুটল রানা ব্রিজের দিকে। দূরবীন অ্যাডজাস্ট করতে করতেই বেশ অনেকটা কাছে চলে এল আলোটা। মাইল দেড়েক হবে এখান থেকে বড়জোর। চট করে নেভিগেশন লাইট নিবিয়ে দিল রানা। ভাল করে কিছু বুঝে উঠবার আগেই এক মাইলের মধ্যে এসে পড়ল আলোটা। আবছামত দেখতে পাচ্ছে রানা।

    হেলিকপ্টার!

    এই অন্ধকার সমুদ্রের বুকে হেলিকপ্টার কেন? বার্মার কোস্টাল সিকিউরিটি গার্ড। পুলিস? আর্মি? না চোরাচালানী?

    এইদিকেই আসছে। রোটর ব্লেডের আওয়াজ শুনতে পাচ্ছে রানা এখন। হেম্ ঘুরিয়ে কোর্স পরিবর্তন করল রানা পঁয়তাল্লিশ ডিগ্রি। স্পীড বাড়িয়ে দিল, থারটি নটস্! কিন্তু কোন লাভ হলো না। অনেক কাছে এসে গেছে।

    দপ করে জ্বলে উঠল চোখ-ধাঁধানো সার্চলাইট।

    সমুদ্রের বুকে কি যেন খুঁজছে হেলিকপ্টার,। এই ইয়টটাকে? ব্যাপার কি? রানার পজিশন জানল কি করে ওরা?

    খানিকক্ষণ এদিক ওদিক ঘুরে স্থির হলো সার্চ লাইটের আলো ইয়টের উপর। একশো গজ উপরে এসে দাঁড়াল হেলিকপ্টার। রোটর ব্লেডের কর্কশ আওয়াজে কানে তালা লাগবার জোগাড়। ধীরে ধীরে নেমে আসছে ওটা নিচে।

    কর্কশ কণ্ঠে আদেশ এল লাউড স্পীকারে ।

    ‘থামাও ইয়ট। নোঙর ফেলো। নইলে গুলি করব।’

    ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা
    Next Article মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }