Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প242 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রক্তের রঙ ১.১০

    দশ

    সিট্রন ডি.এস. নিয়ে বেরিয়ে এল রানা আন্ডারগ্রাউন্ড কার পার্ক থেকে রাস্তায়। একটা লাল রঙের ফিয়াট সিক্স-হানড্রেড ছোট্ট গর্জন তুলে স্টার্ট নিল কাছাকাছি একটা গলিমুখে।

    এ রাস্তায় ও রাস্তায় ঘুরল রানা মিনিট দশেক। মনে মনে ভবিষ্যৎ কর্তব্য স্থির করছে সে। নানকিং হোটেলে লোক আছে উ-সেনের, এখন কি সেখানে যাওয়া ঠিক হবে? গুপ্ত দম্পতির সাথে রানার যে যোগ রয়েছে সেকথা জানা হয়ে গেছে উ-সেনের দলের, ওদের সাহায্য নেয়া কি ঠিক হবে? কি করবে রানা?

    কর্তব্য পরে ঠিক করা যাবে, ভাবল রানা। এখন প্রথম কাজ ওদের সাবধান করে দেয়া।

    কয়েকটা ব্যাপারে খটকা রয়ে গেছে রানার মনে, গোলমেলে ঠেকছে গোটাকতক ঘটনা। কিন্তু হাজার ভেবেও এর সমাধান বের করা যাবে না, বুঝতে পারছে সে। কাজেই মাথা থেকে দূর করে দিল সে বিক্ষিপ্ত

    ভাবনাগুলো। আগের কাজ আগে।

    মিনিট দশেক ঘোরাঘুরির পর যখন পরিষ্কার বুঝতে পারল লাল ফিয়াট ছাড়া আর কোন গাড়ি অনুসরণ করছে না, তখন একটা সিনেমা হলের সামনে সার বাঁধা গাড়ির ভিড়ে আরেক গাড়ির পেছনে সিট্রন ডি. এস-এর নাক ঠেকিয়ে দিয়ে নেমে এল সে। রাস্তায় অপেক্ষা করছে লাল ফিয়াট। রানা এগোতেই বামপাশের দরজা খুলে হাঁ হয়ে গেল। উঠে বসল রানা। গাড়ি ছেড়ে দিল সোফিয়া মং লাই।

    ‘প্রথমেই চলো এমন কোন গোপন জায়গায় যেখানে টেলিফোন আছে।’ সোফিয়ার দিকে চাইল রানা। ‘আছে এরকম কোন নিরাপদ জায়গা?’

    ‘আছে।’

    ‘বার্মিজ পোশাকে কিন্তু চমৎকার লাগছে তোমাকে।

    ‘ধন্যবাদ।’ মিষ্টি করে হাসল সোফিয়া।

    জেটির দিকে গাড়ি ঘুরিয়ে নিল সোফিয়া। মিনিট দুয়েক চুপচাপ কাটল। সিগারেট ধরাল রানা। একবুক ধোঁয়া নিয়ে ছাড়ল আয়েস করে, ঝিরঝিরে হাওয়ায় প্রাণটা জুড়িয়ে গেল ওর, পনেরোতলা বিল্ডিং-এর দুঃস্বপ্ন দূর হয়ে গেল। একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে জিজ্ঞেস করল, ‘তোমার বাবার খবর জানতে চাইলে না?’

    ‘একা ফিরতে দেখেই বুঝতে পেরেছি বাবা এখানে নেই, থাকলে কিছুতেই একা আসতেন না আপনি।’ রানাকে অবাক হয়ে চাইতে দেখে বলল, ‘আমার মধ্যে দুর্ধর্ষ ভয়ঙ্কর, আদিম আরাকানীর রক্ত আছে-মানুষ চিনতে ভুল হয় না আমার। লক্ষ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে আমার মধ্যে। তাছাড়া পনেরো তলার এক জানালা থেকে আরেক জানালায় যেতে দেখেছি আমি আপনাকে। সেটা দেখে, এবং তারপর আপনার হাতে ফাইল দেখে সহজেই অনুমান করতে পারছি কি ঝড় বয়ে গেছে ওখানে। কে জয়ী হয়েছে বুঝতে খুব বেশি বুদ্ধির প্রয়োজন হয় না।’ সোজাসুজি চাইল সোফিয়া রানা চোখে অকপট দৃষ্টিতে, ‘সন্ধান পেয়েছেন?’

    ‘মান্দালয়ে বন্দী করে রাখা হয়েছে তোমার বাবাকে।’

    মাথা ঝাঁকাল সোফিয়া। কোন কথা না বলে গাড়ি চালানোয় মন দিল। দশ মিনিটে পৌছে গেল ওরা নদীর ধারের একটা দোতলা বাড়িতে। সোজা সিঁড়ি বেয়ে দোতলার চিলেকোঠায় উঠে এল রানা সোফিয়ার পিছু পিছু। ছোট্ট একটা ঘর, বাথরূম আছে অ্যাটাচড। সিঙ্গল একটা খাট দেয়ালের গায়ে লাগানো, আলনায় ভাঁজ করা দামী কাপড়, অন্তর্বাস ঝুলছে। টেবিলের উপর টুকিটাকি প্রসাধনী। তেপায়ার উপর দাঁড়িয়ে নদীর দিকে চেয়ে রয়েছে একটা শক্তিশালী টেলিস্কোপ। রানা বুঝতে পারল কিভাবে রানার ছদ্মবেশের কথা জেনেছিল সোফিয়া। খাটের মাথার কাছে তেপায়ার উপর রাখা টেলিফোনটা দেখে খুশি হলো রানা সবচেয়ে বেশি। বসে পড়ল সে খাটের কিনারে। বলল, ‘কাল ধরা পড়ার হাত থেকে বাঁচলে কি করে?’

    ডেকের অন্ধকারে দাঁড়িয়ে আপনাদের সব কথা শুনেছিলাম আমি কাল।’ হাসল সোফিয়া। ফলে জামা-কাপড় জুতোর দু’শো গজের মধ্যে যাইনি।’ একটু যেন লজ্জা পেল, ‘ওই রকম ন্যাংটো হয়েই ফিরে এসেছিলাম এখানে লুকিয়ে লুকিয়ে

    ফাইলটা খুলল রানা। দশ মিনিট ধরে উল্টে গেল একটার পর একটা পাতা। মাঝে মাঝে মন দিয়ে পড়ল কয়েকটা পৃষ্ঠা, বাকিগুলো উল্টে গেল চোখ বুলিয়েই। গোটা কয়েক নকশা রয়েছে ফাইলে, নকশাগুলোর উপরে কয়েকটা বিভিন্ন রঙের চিহ্ন রয়েছে কেবল-কোন্ অঞ্চলের নক্সা বুঝতে পারল না রানা। কিন্তু মনে মনে মুখস্থ করে ফেলল প্রতিটা দাগ। কয়েকটা কাগজে বিদেশী শক্তির প্রত্যক্ষ সাহায্যের স্বীকৃতি রয়েছে। এগুলো পড়তে পড়তে মেজর জেনারেল রাহাত খানের মুখের চেহারা কি আকার ধারণ করবে ভাবতে গিয়ে হেসে ফেলল রানা। বন্ধ করে দিল ফাইল।

    ‘আপনার নির্দেশমত আমার একশো লোককে পাঠিয়ে দিয়েছি আকিয়াবের পথে…

    ‘শুনেছি খবরটা।’

    ‘এইবার?’ প্রশ্ন করল সোফিয়া। ‘এখন কি করতে হবে আমাকে?’

    মান্দালয়ে যেতে হবে।’ সহজ উত্তর দিল রানা।

    ‘আর আপনি?’

    ‘ভাবছি।’ বলল রানা গম্ভীরভাবে। ‘আমার ওপর হুকুম আছে, কাজ শেষ হলেই নানকিং হোটেলের সেই মহিলার হাতে নিজেকে সমর্পণ করতে হবে। গোপনে পাচার করবে সে আমাকে রেঙ্গুন থেকে ব্যাংকক। আমার কাজ শেষ।

    ‘এখন সেই মহিলার কাছে চলেছেন?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘তাহলে আমার বাবাকে উদ্ধার করব কি করে?’ চিন্তিত হয়ে পড়ল সোফিয়া। হুকুম যদি থাকে তাহলে তো মানতেই হবে তা আপনাকে। ‘

    ‘সেই সাথে আমাকে এ-ও বলে দেয়া হয়েছে, যা ভাল বোঝো অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা করবে।’

    ‘কি ভাবছেন?’

    ‘ভাবছি, বিবাহিতা মহিলার কাছে আত্মসমর্পণ করব, না, অবিবাহিতা মহিলার কাছে…

    হাসল সোফিয়া। বলল, ‘কোনটা বেশি লোভনীয় মনে হচ্ছে?’

    ‘শেষেরটা।’

    চট করে রানার দিকে চাইল সোফিয়া। ‘তার মানে সাহায্য পাচ্ছি আপনার?’ রানাকে মাথা ঝাঁকাতে দেখে বলল, ‘অনেক ধন্যবাদ। আপনি বাঁচালেন আমাকে। নানকিং হোটেলে যাচ্ছেন না তাহলে?’

    ‘যাচ্ছি, কিন্তু পাচার হচ্ছি না। এই ফাইলটা তুলে দেব শুধু ওদের হাতে।’

    আমার আকুল অনুরোধ ছাড়া আর কোন কারণ আছে এই মত পরিবর্তনের?

    ‘আছে। পাঁচটা কারণ আছে।’

    ‘কি সেগুলো?’

    ‘জানতে চাইছ কেন?’

    ‘একসাথে কাজ করতে হলে পরস্পরের ভাবনা-চিন্তা জানা দরকার।’

    ‘আমার একমাত্র ভাবনা এবং চিন্তা হচ্ছে কি করে তোমার সাথে ভাব করা যায়। তোমাকে ইয়টে দেখার পর থেকে মনটা বড় ব্যাকুল হয়ে রয়েছে।’

    ‘এড়িয়ে যাচ্ছেন আমার প্রশ্ন।’

    ‘ঠিক আছে, শোনো তাহলে। প্রথমত, আমাকে পাচার করবার যে পদ্ধতির কথা শুনলাম, সেটা আমার মোটেই পছন্দ হয়নি। দ্বিতীয়ত, ওরা জেনে গেছে যে আমি গতকাল নানকিং হোটেলে একা ডিনার খাইনি, কার সাথে খেয়েছি খুব সম্ভব তাও জেনে গেছে-কাজেই এখন ওদের সাহায্য নেয়াটা রিস্কি। তৃতীয়ত, আমি মনে করি, আমার কাজের মাত্র চারভাগের এক ভাগ সারা হয়েছে। বাকিটুকু সারতে হলে তোমার বাবার সাহায্য দরকার আমার। সাহায্য পেতে হলে প্রথমে তাকে মুক্ত করতে হবে। চতুর্থত, আজকের পৃথিবীতে সহজ সরল সুন্দর অথচ ভয়ঙ্কর মেয়ে দুর্লভ। মেয়েটাকে ভাল লেগে গেছে আমার। তার মুখে হাসি ফোটাতে পারলে ধন্য মনে করব নিজেকে।’

    রানাকে থামতে দেখে জিজ্ঞেস করল সোফিয়া, ‘আর পঞ্চম কারণ?’

    ‘আর কোন কারণ নেই। একটা বেশি হাতে রেখেছিলাম, যদি কাজে লেগে যায়।

    মৃদু হাসল সোফিয়া। আজকে কি কি ঘটল উ-সেনের ওখানে? সামান্য একটু অংশ দেখতে পেয়েছি আমি, সবটা জানতে ইচ্ছে করছে। বলতে আপত্তি আছে?’ একটা চেয়ার টেনে রানার মুখোমুখি বসল সে।

    ‘দাঁড়াও, টেলিফোনটা সেরে নিই আগে।’

    গাইড থেকে নম্বর বের করে রিং করল রানা নানকিং হোটেলে। রিসিভারের ওপর রুমাল চেপে ধরে বলল, ‘পাঁচশো আশি নম্বর স্যুইটের মিস্টার অথবা মিসেস সরোজ গুপ্তকে দিন।’

    রিং দিচ্ছে রিসেপশনিস্ট, শুনতে পাচ্ছে রানা। পুরানো আমলের টেলিফোন সিস্টেম। বার দশেক রিং হওয়ার পর রিসিভার তুলল কেউ

    রিসেপশনিস্ট বলছে, ‘মিসেস গুপ্ত বলছেন?’

    একটু ইতস্তত করার পর উত্তর এল, ‘উনি তো নেই এখানে, সিনেমায় গেছেন।’

    রিসেপশনিস্ট বলল, ‘মিস্টার গুপ্ত বলছেন তো?

    আবার সামান্য দ্বিধা, তারপর উত্তর: ‘হ্যাঁ।’

    কি যেন বলতে যাচ্ছিল সোফিয়া, ঠোটের ওপর আঙুল রেখে চুপ করতে নির্দেশ দিল ওকে রানা। চুপ হয়ে গেল সোফিয়া।

    রিসেপশনিস্ট বলল, ‘আপনার টেলিফোন। কথা বলুন।

    রানাই প্রথম কথা বলল। ইংরেজিতে। ‘মিস্টার গুপ্ত? আমি আব্বাস মির্জা বলছি। কেউ শুনছে না তো?’

    ‘না। কি ব্যাপার?’

    ‘বিপদে পড়েছি, সাহায্য দরকার আমার। আসব?’

    ‘চলে আসুন।

    ‘কখন এলে সুবিধা হয় আপনাদের?’

    ‘এক্ষুণি চলে আসুন। আমার মিসেস গেছে সিনেমায়। চলে আসুন, গল্প করা যাবে।

    ‘এক্ষুণি?’ চিন্তিত রানার চোখ মুখ। ঘড়ি দেখল। ‘এক্ষুণি তো আসতে পারছি না, ভাই। মাত্র খেতে বসেছি। এখন বাজে দশটা, আমি সোয়া এগারোটা নাগাদ পৌঁছুব, বড়জোর সাড়ে এগারোটা হবে।’

    সাড়ে এগারোটায় আমার মিসেসও ফিরবে। দুজন একসাথে এই ঘরে ঢোকা ঠিক হবে না। এগারোটার মধ্যেই চলে আসার চেষ্টা করুন। সেটাই ভাল হবে। দরজা খোলাই থাকবে, নক না করে সোজা ঢুকে পড়বেন। কেমন?’

    ‘ঠিক আছে, ঠিক এগারোটায় পৌছুব আমি। রাখলাম।’

    রিসিভারটা নামিয়ে রেখেই তড়াক করে উঠে দাঁড়াল রানা। পিস্তলটা বিছানার উপর রেখে দিয়ে রওনা হবার উপক্রম করল।

    অবাক হয়ে রানার দিকে চেয়ে প্রশ্ন করল সোফিয়া, ‘কোথায় যাচ্ছেন?’

    ‘নানকিং হোটেল।’

    পৌঁছুতে মাত্র পনেরো মিনিট লাগবে। এগারোটার তো এক ঘণ্টা বাকি আছে।’

    ‘ভাবছি, আগেই চলে যাই। শুভস্য শীঘ্রম।’

    রওনা দিচ্ছিল রানা, চট করে ওর একটা হাত ধরে ফেলল সোফিয়া। ‘কি হয়েছে? কোন বিপদ? আমার কাছে গোপন করছেন কেন?’

    ‘গোপন করছি কোথায়?’ হেসে কাটিয়ে দেয়ার চেষ্টা করল রানা। ‘ফিরে আসব আধ ঘণ্টার মধ্যেই।’ আবার এগোবার চেষ্টা করল।

    হ্যাঁচকা টান দিয়ে থামাল ওকে সোফিয়া। ‘আমি যাব সাথে?’

    ‘না।’

    ‘কি হয়েছে? এত গম্ভীর কেন? বলতেই হবে আমাকে। না বললে আমিও যাব সাথে।’ বাচ্চা মেয়ের মত গোঁ ধরল সোফিয়া। ‘আমি স্পষ্ট বুঝতে পারছি, ভয়ানক কিছু ঘটেছে।’

    মৃদু হাসল রানা। বুঝতে পারছি, মেয়েটা শুধু সহজ সরল সুন্দর ও ভয়ঙ্করই নয়, বুদ্ধিমতিও।’ হাল ছেড়ে দিল সে। ‘বলো, কি জানতে চাও?’

    টেলিফোনে মিথ্যে কথা বললেন কেন?’

    ‘কারণ, যে টেলিফোন ধরেছিল সে সরোজ গুপ্ত নয়। অন্য লোক।’

    সোফিয়ার দুই চোখে বিস্ময়। ‘সেই জন্যেই নির্ধারিত সময়ের আগেই আচমকা গিয়ে হাজির হতে চাইছেন?’ রানাকে মাথা নেড়ে সম্মতি জানাতে দেখে বলল, ‘মারামারি হবে মনে হচ্ছে। খুনোখুনিও হতে পারে। আমাকে সাথে নিলে সুবিধে হতে পারে আপনার।’

    ‘তুমি এখনও এক্সপোজ্ড হওনি ওদের কাছে। স্কার্ট ছেড়ে সারং ধরায় চট করে চিনতেও পারবে না। এটা একটা মস্তবড় অ্যাডভান্টেজ। তোমার আপাতত আড়ালে থাকাই ভাল।’

    কথাটার যৌক্তিকতা বুঝতে পারল সোফিয়া। বলল, ‘এই বিপদের মধ্যে না গেলেই কি নয়? আপনার কি ধারণা সত্যিই বিপদে পড়েছে গুপ্ত দম্পতি?’

    ‘হ্যাঁ। বেশি দেরি হয়ে গেলে বিপদের মাত্রা বাড়বে বই কমবে না। আমি এখানেই তোমার সাথে কন্ট্যাক্ট করব। চলি।’

    হঠাৎ দুই হাতে রানার গলা জড়িয়ে ধরে চুমো খেলো সোফিয়া রানার ঠোঁটে-প্রথমে অপটু আড়ষ্টভাবে, দ্বিতীয়বার হৃদয়ের আবেগ মিশিয়ে। মৃদু মধুর শ্যাম্পুর গন্ধটা পেল রানা আবার। রানার বুকের সাথে সেঁটে গালে গলায় বন্য জন্তুর মত গাল ঘষল, কপাল ঘষল সোফিয়া। তারপর যেমন অকস্মাৎ ঝাঁপিয়ে পড়েছিল, তেমনি হঠাৎই ছেড়ে দিল সে রানাকে।

    ধীর পায়ে বেরিয়ে গেল রানা। কানে বাজছে সোফিয়ার সাবধানবাণী-সাবধানে থেকো, প্লীজ। তোমাকে আমার দরকার।

    .

    নানকিং হোটেল। ছয়তলার লম্বা করিডর ধরে এগিয়ে যাচ্ছে রানা ৫৮০ নম্বর স্যুইটের দিকে। জনশূন্য করিডর।

    প্রথমে নিঃশব্দে চৈষ্টা করে দেখল রানা হ্যান্ডেলে চাপ দিয়ে। খুলল না দরজা। ভেতর থেকে বন্ধ। গুনে গুনে তিনটে টোকা দিল-রানা। পায়ের শব্দ পাওয়া গেল ভেতরে।

    ‘কে?’ গম্ভীর পুরুষ কণ্ঠ ।

    ‘বেয়ারা। আপনার হুইস্কির বোতল, স্যার।’ জবাব দিল রানা।

    চাবি ঘোরানোর শব্দ হলো। হ্যান্ডেলটা নিচু হতেই প্রচণ্ড জোরে ধাক্কা দিল রানা দরজার গায়ে। অস্ফুট একটা আর্তধ্বনি শুনতে পেল সে। ঘরে ঢুকেই দরজা লাগিয়ে দিল রানা।

    বামহাতটা ডানহাতে চেপে ধরে দাঁড়িয়ে আছে ইয়েন ফ্যাঙ। রানাকে দেখেই ভয়ানকভাবে আঁতকে উঠল। ডানহাতটা চলে গেল ওর জ্যাকেটের পকেটে।

    দুই পা এগিয়ে শরীরের সর্বশক্তি দিয়ে নক আউট পাঞ্চ কষাল রানা ফ্যাঙের নাকের ওপর। হুড়মুড় করে দেয়ালের গায়ে গিয়ে ধাক্কা খেলো সে। প্রায় উড়ে গিয়ে পড়ল রানা ওর ওপর। সেলাইমেশিনের স্পীডে দুই হাতে ঘুসি চালাল রানা ওর নাকে, মুখে, বুকে, পেটে। পকেট থেকে একটা সাইলেন্সার ফিট করা ল্যুগার বেরিয়ে এসেছিল ওর ডান হাতে, কিন্তু সেটা ব্যবহার করবার ক্ষমতা লোপ পেয়েছে ওর দশ সেকেন্ডের মধ্যেই। একটানা পনেরো সেকেন্ড মেশিন চালিয়ে থামল রানা।

    মাটিতে শুয়ে আছে ফ্যাঙ। মুখটা আর চিনবার উপায় নেই, দলিত মথিত রক্তাক্ত এক মাংসপিণ্ড মনে হচ্ছে। সামনের তিনটে দাঁত অদৃশ্য হয়ে গেছে ওর।

    একটানে একটা ইজিচেয়ারের উপর তুলে দিল রানা ফ্যাঙের জ্ঞানহীন দেহটা। ওরই বেল্ট, টাই আর রুমাল দিয়ে আচ্ছা করে বাঁধল ওর মুখ, হাত, পা। পিস্তলটা তুলে নিয়ে রাখল নিজের পকেটে।

    এতক্ষণ একটি শব্দ পাওয়া যায়নি পাশের বেডরূম থেকে। ব্যস্ততা সত্ত্বেও নিজের অজান্তেই কান পেতে শুনবার চেষ্টা করেছে রানা এতক্ষণ। এবার এসে দাঁড়াল বেডরূমের দরজায়। চিত হয়ে শুয়ে আছে সরোজ গুপ্ত। পাশে পড়ে আছে একটা ইংরেজি সাপ্তাহিক পত্রিকা।

    খোলা চোখ দুটোতে স্পষ্ট আতঙ্কের ছাপ রয়েছে এখনও। যদিও সব আতঙ্কের ঊর্ধ্বে চলে গেছে সে এখন।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা
    Next Article মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }