Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প242 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রক্তের রঙ ১.১১

    এগারো

    নিশ্চিন্তে কাগজ দেখছিল সরোজ গুপ্ত, টেরও পায়নি হয়তো ইয়েন ফ্যাঙের প্রবেশ। বোঝা যাচ্ছে, বেশি কথা খরচা করেনি ফ্যাঙ-ল্যুগারটা কপালের দিকে তাক করে টিপে দিয়েছে ট্রিগার।

    কেন?

    সরোজ গুপ্তকে হত্যা করার পর অপেক্ষা করছিল ও কার জন্যে? রানা? না মিসেস গুপ্ত? নাকি দুজনের জন্যেই? রানাকে হত্যা করতে চাওয়ার সহজ কারণ বোঝা যায়, কিন্তু গুপ্ত দম্পতির উপর চোখ পড়ল কেন ওদের? রানা যে মিসেস গুপ্তের সাথে ডিনার খেয়েছে গতকাল, এই কথাটাই হয়তো জানতে পেরেছে উ-সেনের লোক, কিন্তু এর মধ্যে এতখানি গুরুত্বপূর্ণ কি খুঁজে পেল ওরা যে মৃত্যুদূত পাঠিয়ে দিয়েছে একেবারে?

    ঘোলাটে ঠেকছে ব্যাপারটা রানার কাছে। ওরা কি জানে এদের ভূমিকা সম্পর্কে? জানে যে এরা ভারতীয় এজেন্ট, এবং গোপনে লোক পাচার করাই এদের মুখ্য কাজ? ধরে নেয়া যাক একথা জানা আছে উ-সেনের দলের; কিন্তু তবু তো এরকম আকস্মিক আক্রমণের যৌক্তিকতা খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

    এর সঠিক উত্তর দিতে পারবে মিসেস গুপ্ত।

    কাজেই অপেক্ষা করতে হবে ওকে।

    ঘর অন্ধকার করে দিয়ে সোফার উপর বসে পড়ল রানা। অনুভব করল, আজ সন্ধের তৎপরতা বেশ খানিকটা ক্লান্ত করে ফেলেছে ওকে। পা দুটো টান করে আড়মোড়া ভাঙল সে, তারপর আয়েশ করে হেলান দিয়ে সিগারেট ধরাল একটা।

    ঠিক পোনে এগারোটার সময় করিডরে পায়ের শব্দ পাওয়া গেল। পিস্তলটা হাতে নিয়ে প্রস্তুত হয়ে বসল রানা। দরজা খুলে যেতেই করিডরের ম্লান আলো দেখা গেল। চৌকাঠের উপর দাঁড়িয়ে আছে মিসেস গুপ্ত। গুন গুন করে গান গাইছিল, থেমে গেল গান।

    প্রথমেই হাত বাড়িয়ে বাতি জ্বেলে দিল মিসেস গুপ্ত, ইয়েন ফ্যাঙকে দেখে চমকে উঠল, ঝট করে ফিরল রানার দিকে।

    ‘আপনারা কি করছেন এই ঘরে? সরোজ কোথায়?’

    ‘পাশের ঘরে।’ নির্বিকারভাবে বলল রানা।

    রানার হাতের পিস্তলটার দিকে চাইল মিসেস গুপ্ত, দৃষ্টিটা সরে স্থির হলো চোখের ওপর, তারপর আবার চাইল ইয়েন ফ্যাঙের দিকে। চেহারায় বিন্দুমাত্র পরিবর্তন হলো না। মহিলার মানসিক শক্তি দেখে সত্যিই অবাক হলো রানা।

    ‘কি ব্যাপার?’ আবার প্রশ্ন করল মিসেস গুপ্ত। ‘ব্যাপারটা কি, সেটা আপনার কাছ থেকে জানার জন্যেই অপেক্ষা করছি আমি।’

    ‘সরোজ কোথায়?’

    ‘বললাম তো, পাশের ঘরে।’ উঠে দাঁড়াল রানা।

    পাশের ঘরের দরজায় গিয়ে দাঁড়াল মিসেস গুপ্ত। ওর পিঠের কাছে রানা।

    ‘আপনি খুন করেছেন ওকে!’ চাপা ফ্যাসফেঁসে স্বরে বলল মিসেস গুপ্ত। ‘আশ্চর্য!’ সত্যিই আশ্চর্য হলো রানা। ‘আপনার এ ধারণা হলো কেন? আমি ওকে খুন করতে পারি এটা যখন সম্ভাবনার মধ্যেই ধরেছেন আপনি, নিশ্চয়ই সম্ভাব্য কারণ সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা আছে আপনার? কারণটা ব্যাখ্যা করতে হবে আপনাকে। যত তাড়াতাড়ি পারেন কান্নাকাটি সেরে নিন, অনেক কথা আছে আপনার সাথে। হাতে সময় কম। ‘

    একটু অবাক হয়ে চাইল মিসেস গুপ্ত রানার দিকে। তারপর হাসল। ‘জীবনে কাঁদিনি আমি, আব্বাস মির্জা। জন্মের সময়ও না। কান্না আমার আসে না। তাছাড়া সরোজ আমার স্বামী ছিল কিছুক্ষণ আগে পর্যন্তও এখন ও একটা লাশ।’ প্রসঙ্গ পরিবর্তন করল মিসেস গুপ্ত, ‘আপনি বলতে চান, আপনি ওকে খুন করেননি?’

    ‘পিস্তলটা পাশের ঘরের বন্ধুটির কাছ থেকে ছিনিয়ে নিয়েছি আমি। আমি পৌছুবার আগে মারা গিয়েছেন আপনার স্বামী। ওই লোকটাকে চেনেন?

    মাথা নাড়ল মিসেস গুপ্ত। চেনে না।

    বেডরূমের দরজাটা ভিড়িয়ে দিল রানা। ‘তাহলে গোটা কতক কাজের কথা সেরে ফেলতে পারি আমরা?’

    ‘আপনি আমাকে জেরা করতে চান?’

    বিছানার পাশে বসে পড়ল রানা। বলল, ‘তার আগে কি সার্চ করার প্রয়োজন আছে বলে মনে করেন?’

    রানার সামনে এসে দাঁড়াল মিসেস গুপ্ত। দুই হাত তুলল মাথার ওপর বলল, ‘আমি অস্ত্র ব্যবহার করি না।’

    ‘আমার এক বান্ধবীও ঠিক এই কথাই বলে। কিন্তু আমি জানি ওর শরীরে কোথাও না কে যাও ছোট্ট একটা টু-ফাইভ ক্যালিবারের অ্যাসট্রা পিস্তল থাকে সবসময়।

    ‘অর্থাৎ…’ কথাটা শেষ না করেই শাড়ি খুলতে শুরু করল মিসেস গুপ্ত। এক এক করে সব কাপড়-চোপড় খুলে ছুঁড়ে ছুঁড়ে ফেলল সে কার্পেটের ওপর, তারপর মাথার ওপর হাত তুলে ধীরে ধীরে ঘুরল একপাক।

    সাংঘাতিক এক অস্ত্র আবিষ্কার করল রানা ওর শরীরে। যৌবন। এমন নিটের সুন্দর শরীর লাখে একটাও মেলে না। ঠিক যেন শিল্পীর সারা জীবনের সাধনা, স্বপ্ন আর কল্পনা মূর্ত হয়ে উঠেছে ওই রক্ত মাংস দিয়ে গড়া প্রতিমায়। শিল্পী না বলে সার্জন বলা উচিত। কারণ ক্ষীণ অস্পষ্ট হলেও প্লাস্টিক সার্জারীর চিহ্ন দেখতে পেয়েছে রানা।

    ‘কার হাতের কাজ?’ প্রশ্ন করল রানা। ‘কে অস্ত্রোপচার করেছিল? ডক্টর হুয়াং কি?’

    ভয়ানকভাবে চমকে উঠল মিসেস গুপ্ত প্রশ্নটা শুনে। কিন্তু আশ্চর্য ক্ষমতার বলে সামলে নিল মুহূর্তে। ‘কেন? একথা বলছেন কেন?’

    মুচকে হাসল রানা। বলল, ‘ঠিক আছে, জবাব না দিলেও চলবে। এবার বলুন, সরোজকে একা রেখে কোথায় গিয়েছিলেন আপনি?’

    ‘সিনেমায়।’

    ‘সে কথা পাশের ঘরের লোকটা জানল কি করে?’

    ‘পোর্টারকে দিয়ে ট্যাক্সি আনিয়েছিলাম, হয়তো তার কাছ থেকে শুনেছে।’

    ‘আপনি যখন এ ঘর ছেড়ে যান, সরোজ তখন জীবিত ছিল?’

    ‘নিশ্চয়ই। আপনি আবোল তাবোল প্রশ্ন করছেন, মিস্টার আব্বাস মির্জা। হত্যাকারীকে আপনি নিজ হাতেই আহত, নিরস্ত্র এবং বন্দী করেছেন। অন্তত আপনার বক্তব্য তাই। এখন আমার একটা প্রশ্নের জবাব দেবেন দয়া করে। আপনি এখানে কেন? আমি যতদূর জানি, আপনার ওপর আদেশ আছে, প্রাথমিক কন্ট্যাক্টের পর কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত আমার সাথে যোগাযোগ করবেন না…’

    আমার কাজ শেষ। আপনাদের সাহায্যে রেঙ্গুন থেকে পালাবার কথা ছিল, তাই এসেছি।’

    ‘কাজ শেষ? আজ সন্ধেবেলাতেও আপনাকে দেখে মনে হলো কাজ শুরুই করেননি, আর এখন এসে বলছেন কাজ শেষ। এক সন্ধ্যায় কি কাজ উদ্ধার করলেন আপনি?’

    ‘আমার কাজে বেশি সময় লাগে না।’ হাসল রানা। ‘আপনার পুরো নাম কি মিসেস ফ্যান সু গুপ্ত?’

    ‘আপনি জানলেন কি করে?’ তেরছা চোখে চাইল মিসেস গুপ্ত রানার চোখে।

    ‘আজ সন্ধ্যায় উ-সেনের ওখানে ডিনারের দাওয়াত ছিল আমার।

    ভুরু কুঁচকে গেল মিসেস গুপ্তের। বসে পড়ল ড্রেসিং টেবিলের সামনের টুলে পায়ের উপর পা তুলে। রানা বুঝল দ্রুত চিন্তা চলছে ওর মাথায়। অনেকটা আপন মনে বলল, ‘সেকথা বোঝা উচিত ছিল আমার আগেই। আজ সন্ধ্যায় স্যুই থির সাথে আপনাকে দেখে…’ মাথা ঝাঁকিয়ে একগুচ্ছ অবাধ্য চুল পেছনে সরিয়ে দিল মিসেস গুপ্ত, সরাসরি চাইল রানার দিকে। ‘আমার সম্পর্কে কতটা জানেন আপনি?’

    ‘ইচ্ছে করলেই কাপড় পরে নিতে পারেন,’ বলল রানা।

    ‘আমার প্রশ্নের জবাব দিন।’ গম্ভীর মিসেস গুপ্ত।

    ‘সত্যি কথা বলতে কি, তেমন কিছুই জানি না। আন্দাজে ঢিল ছুঁড়ছি। আপনার মুখেই শুনতে চাই আপনার সম্বন্ধে।’ একটা সিগারেট ধরাল রানা। ‘আমার কৌতূহল নিবৃত্ত হলেই আমি সন্তুষ্ট। প্রথমে বলুন উ-সেনের সাথে আপনার কি সম্পর্ক? ‘

    দাঁত দিয়ে নিচের ঠোঁট চেপে চুপচাপ কিছুক্ষণ ভাবল ফ্যান সু গুপ্ত। গভীর গোপন কোন সিদ্ধান্ত নিল। রানার আক্ষেপ হলো থট-রিডিং জানা নেই বলে। মধুর করে হাসল ফ্যান সু রানার চোখের দিকে চেয়ে। ‘যা বলব, বিশ্বাস করবেন?’

    ‘বিশ্বাসযোগ্য হলে নিশ্চয়ই বিশ্বাস করব।’

    ‘সব কথা জেনে কি করবেন?’

    ‘সিদ্ধান্ত নেব আপনার সাহায্য নেয়া যায় কিনা। যদি দেখি যায় না, নিঃশব্দে বেরিয়ে যাব আমি এ ঘর থেকে। আপনার গায়ে আঁচড়টি পর্যন্ত কাটবার ইচ্ছে আমার নেই। কথাটা বিশ্বাস করলে সুখী হব।’

    ‘আমি যদি বলি আমি একজন ডাবল এজেন্ট, তবুও শাস্তি না দিয়েই চলে যাবেন?’

    ‘আপনাকে শাস্তি দেয়ার অধিকার আমার নেই, মিসেস গুপ্ত। তাছাড়া আমি ভারতের স্পাই নই। বাংলাদেশ থেকে এসেছি আমি আমার দেশের শত্রুকে শায়েস্তা করতে, আমার কাজ শেষ, দেশে ফেরার পালা এখন। যতদূর বোঝা যাচ্ছে আপনার সাহায্য নেয়া যাবে না, আমার পথ আমার নিজেকেই করে নিতে হবে।’

    ‘আপনি বাংলাদেশের লোক? তাহলে আপনাকে সাহায্য করার আদেশ দেয়া হলো কেন আমাদের?’

    ‘আমার বর্তমান মিশনের সাথে ভারতের স্বার্থও সংশ্লিষ্ট। ব্যাপারটা এতই গুরুত্বপূর্ণ যে দুজন বিশ্বস্তু এজেন্টের পরিচয় প্রকাশ পেয়ে যাওয়াটা আপনাদের চীফ তেমন কোন ক্ষতি বলে মনে করেননি।’ সিগারেটে টান দিল রানা, ঘড়ি দেখল। ‘নিন, শুরু করুন।’

    ‘আমি উ-সেনের লোক।’

    ‘সে কথা আমি জানি। শুধু জানি না, উ-সেনের দলের লোক হয়েও আপনি আক্রান্ত হচ্ছেন কেন?’

    সেই কথাটাই ভাবছি আমি এতক্ষণ ধরে। সরোজকে মেরে ফেলা মানে আমার সাহায্যের আর কোন প্রয়োজন নেই ওদের। ওরা ভাল করেই জানে, আমার কাছ থেকে এর ফলে ভবিষ্যতে কোনরকম সহযোগিতা পাওয়া যাবে না। তবু যখন কাজটা করেছে, তখন বুঝতে হবে, আমার প্রয়োজন ফুরিয়েছে ওদের কাছে। সেক্ষেত্রে আমাকে বাঁচিয়ে রাখবারও কোন মানে হয় না। আমি জানি, শুধু সরোজকে হত্যা করতে পাঠানো হয়নি ওকে। আমাকেও, এবং খুব সম্ভব আপনাকেও হত্যা করতে পাঠানো হয়েছে।’ হঠাৎ কণ্ঠস্বর পরিবর্তন করে বলল, ‘আমি একটা ফোন করতে পারি?’

    এক সেকেন্ড ভেবে বলল রানা, ‘পারেন।’

    রিসেপশনিস্টের কাছে বাইরের লাইন চাইল মিসেস গুপ্ত। লাইন পেয়ে ডায়াল করল। মিনিটখানেক রিং হলো, কিন্তু ধরল না কেউ। এবার অন্য একটা নম্বরে ডায়াল করল সে। ওপাশে রিসিভার ওঠাবার শব্দ হলো।

    ‘হ্যালো? ইয়ান লাও ডিপার্টমেন্টাল স্টোর এক্সচেঞ্জ? দেখুন, আপনাদের পনেরোতলার মিস্টার উ-সেনের নাম্বারে রিং করছি গত দশ মিনিট ধরে, আপনি কি বলতে পারবেন ওর টেলিফোনটা খারাপ কি না?’ চুপচাপ শুনল মিসেস গুপ্ত বেশ কিছুক্ষণ, তারপর জিজ্ঞেস করল, ‘কখন? মানে, কয়টার সময়?’ আবার কিছুক্ষণ চুপচাপ শুনে নামিয়ে রাখল রিসিভার 1

    রানা ভুরু নাচাল। ‘কি বলল?’

    ‘ঘণ্টা খানেক আগে উ-সেনকে নিয়ে ডক্টর হুয়াং কি, স্যুই থি এবং আরও দুজন বিদেশী ভদ্রলোক চলে গেছে এয়ারপোর্টে। উ-সেনকে স্ট্রেচারে করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ভয়ানক অসুস্থ দেখাচ্ছিল তাকে।’ চোখজোড়া ছোট হয়ে এল মিসেস গুপ্তের, নিচের ঠোঁট কামড়ে ধরে চিন্তা করল এক সেকেন্ড। ‘উ-সেনের এই হঠাৎ অসুস্থতার সাথে আপনার কোন সম্পর্ক নেই তো, মিস্টার আব্বাস মির্জা? কিছু একটা আঁচ করতে পারছি যেন আমি। আপনাকে চিনি কিনা জানতে চাওয়া হলো আমার কাছে রাত আটটায়, আপনি ডিনার খেলেন উ-সেনের সাথে রাত নয়টায়, আর অসুস্থ উ-সেনকে নিয়ে চলে গেল ওরা এয়ারপোর্টে রাত দশটায়। ব্যাপারটা একটু বুঝিয়ে বলবেন?’

    ‘খুবই সাধারণ ব্যাপার। উ-সেনকে হত্যা করে ওর কাছ থেকে কিছু কাগজপত্র উদ্ধার করবার জন্যে পাঠানো হয়েছিল আমাকে। আমার কাজ শেষ।’

    হাঁ হয়ে গেল মিসেস গুপ্তের মুখ, চোখ দুটো বিস্ফারিত-যেন ঠিক বুঝতে পারছে না রানার কথাগুলো। জিভ দিয়ে ঠোঁট ভেজাল, ঢোক গিলল একটা। ‘অসম্ভব! মিথ্যো কথা! নিশ্চয়ই ঠাট্টা করছেন আপনি!’

    ‘মিথ্যে কেন বলব?’ গেঞ্জির নিচে থেকে ফাইলটা বের করে দেখাল রানা। ‘এটাও কি মিথ্যে? বাংলাদেশকে ছিন্ন ভিন্ন করে দেয়ার প্ল্যান রয়েছে এটার মধ্যে। নিশ্চয়ই চাওয়ামাত্র ভদ্রতা রক্ষার খাতিরে তুলে দেয়নি এটা উ-সেন আমার হাতে?’

    ‘মারা গেছে উ-সেন?

    ‘সন্দেহ নেই তাতে। কিন্তু আমি ভাবছি, এত রাতে কি প্লেন পাবে ওরা?’

    ‘প্লেন নয়, হেলিকপ্টার ব্যবহার করে ওরা। উ-সেনের নিজস্ব…’

    ‘কোথায় গেছে আন্দাজ করতে পারেন?’

    ‘অনুমান করার দরকার কি? আমি জানি কোথায় গেছে। মান্দালয়।’

    ‘আপনাকে হত্যা করবার আদেশটা কে দিল? ডক্টর হুয়াং, না স্যুই থি?’

    ‘ওরা দুজনই অপছন্দ করে আমাকে হয়তো দুজনেই দিয়েছে।

    ‘যাক, কারা আদেশ দিয়েছে বোঝা যাচ্ছে, এবার বলুন দেখি, কেন আদেশটা দেয়া হলো?’

    উঠে দাঁড়িয়ে কার্পেটের উপর থেকে শাড়িটা তুলে আলগোছে কোনমতে পেঁচিয়ে নিল সে শরীরে। আবার বসল টুলের উপর। বলল, ‘সিগারেট আছে?’

    সিগারেটের প্যাকেট এবং ম্যাচটা ফেলল রানা ওর কোলের উপর 1 স্থিরদৃষ্টিতে লক্ষ করল, সামলে নিয়েছে মিসেস গুপ্ত, একটুও কাঁপল না হাত সিগারেট ধরাতে গিয়ে।

    ‘ব্যাপারটা গোড়া থেকেই বলছি। ব্যাংককের এক মধ্যবিত্ত পরিবারে আমার জন্ম। আশ্চর্য এক মস্তিষ্ক নিয়ে জন্মেছিলাম আমি। পাঁচ বছর বয়সেই আমি মুখে মুখে বিরাট সব যোগ বিয়োগ গুণ ভাগ করতে পারতাম। আমার আই. কিউ. ছিল একশো তিরাশি-অর্থাৎ জিনিয়াসের ইন্টেলিজেন্স কোশিয়েন্ট। কিন্তু এক মোটর দুর্ঘটনায় বাবা-মা মারা যাওয়ায় ছয় বছর বয়সেই ভয়ানক অসুবিধায় পড়ে গেলাম। লেখাপড়া তো দূরের কথা, দুবেলা খাবার জোগাতেই আমার ছোট্ট মাথাটা প্রচুর পরিমাণে ঘামাতে হয়েছে। ভয়ানক কষ্ট করতে হয়েছে আমাকে বারোটা বছর। সেসব কষ্টের কথা ভাবতেও ভয় হয় এখন আমার। কোথাও কারও কাছে এতটুকু স্নেহ ভালবাসা পাইনি আমি। মানুষের দোষ দিয়ে লাভ নেই। ভয়ঙ্কর বীভৎস কুৎসিত ছিলাম আমি দেখতে। আমার মা পর্যন্ত ভয় পেয়েছিল জন্মের পর প্রথম আমার মুখ দেখে। আমার দিকে চাওয়ার সাথে সাথেই মুখ না ঘুরিয়ে নিয়ে উপায় ছিল না। সন্ধের পর কোনদিন ঘর থেকে বেরোতাম না আমি রাস্তার লোকজন ভয় পাবে বলে।’ পর পর দু’তিনটে টান দিল সে সিগারেটে। ‘সেই সময় পরিচয় হয় উ-সেনের সাথে। আমার এই রূপ, এই সুন্দর দেহ, সবই উ-সেনের দান। যদিও কোনদিন পছন্দ করতে পারিনি আমি লোকটাকে, পরিষ্কার জানি নিজের স্বার্থোদ্ধারই ওর এই সাহায্যের একমাত্র উদ্দেশ্য, আমাকে ব্যবহার করবার জন্যেই এত টাকা খরচ করেছে সে আমার পেছনে-কিন্তু কৃতজ্ঞতা বোধকে কিছুতেই সরাতে পারিনি মন থেকে। ওর কথামত ভালবাসার অভিনয় করে বিয়ে করি আমি সরোজকে। অভিনয় করতে গিয়ে কখন যে ওর প্রেমে পড়ে গিয়েছিলাম টের পাইনি, টের পেলাম বিয়ের ছয় মাস পর যখন সরোজের বিরুদ্ধে একটা কাজ করবার আদেশ দিল আমাকে উ-সেন। কিছুতেই করতে পারলাম না সেটা, কেঁদে পড়লাম উ-সেনের কাছে। সেবারের মত মাফ করে দিল উ-সেন আমাকে, কিন্তু বিশ্বস্ততার লিস্ট থেকে কেটে দিল সে আমার নাম।’

    গল্পটা লম্বা হয়ে যাচ্ছে। রানা বুঝল এভাবে ঢালাও সুযোগ দিলে রাত কাবার করে দেবে মিসেস গুপ্ত। কাজেই দ্রুত কাহিনী শেষ করতে সাহায্য করল সে।

    ‘উ-সেন আপনার সাহায্য গ্রহণ করা বন্ধ করে দিল?’

    ‘ঠিক তা নয়। কাজ আমি ঠিকই করতে থাকলাম, উ-সেন বুঝে নিল সরোজের কোন ব্যক্তিগত ক্ষতি আমাকে দিয়ে করানো যাবে না, কিন্তু অন্যান্য সব তথ্য পাবে সে আমার কাছে ঠিক ঠিকই। কাজেই আপনার সম্বন্ধে আমার দেয়া রিপোর্ট সে বিশ্বাস করেছিল অকপটে।’

    ‘ভুল রিপোর্ট দিতে গেলেন কেন?’

    ‘কথাটা বিশ্বাস করবেন কিনা জানি না, সরোজের প্রতি ভালবাসা আমার ক্রমে ভারতের প্রতি ভালবাসায় রূপ নিচ্ছিল অনেকদিন থেকেই। ভারতের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা আমার কাছে সরোজের প্রতি বিশ্বাসঘাতকতার সমান অপরাধ বলে মনে হচ্ছিল কিছুদিন থেকে। আপনাকে সত্যি কথাই বলব, আগে যদি জানতাম আপনার পরিচয়, কিছুতেই মিথ্যা বলতাম না উ-সেনের কাছে। আপনি যে ওর বিরুদ্ধে কোন মিশন নিয়ে এসেছেন সেকথা কল্পনাতেও আসেনি আমার। আমি এটাকে মনে করেছিলাম উ-সেনের রুটিন চেক-নতুন কেউ রেঙ্গুনে এলেই তার সম্পর্কে খোঁজ খবর করা উ-সেনের নিয়ম। আমি ভেবেছিলাম, অনর্থক একজন ভারতীয়কে ব্ল্যাকমেইলের শিকার না করে ছোট্ট একটা মিথ্যা বলে দিলে কারও কোন ক্ষতি হবে না। আমি জানতাম না, এই ছোট্ট মিথ্যা কথার ফলে আকাশ ভেঙে পড়বে আমার মাথার ওপর, সরোজকে হারাতে হবে, নিজের প্রাণের উপর হামলা আসবে, চিরশত্রু হয়ে যাব গোটা দলটার, উ-সেনের মৃত আত্মার কাছে চিরদিন অপরাধী থাকতে হবে, চিরদিন নিজেকে অকৃতজ্ঞ নরকের কীট ছাড়া কিছু ভাবতে পারব না আর। জানলে এ কাজ করতাম না.।’

    রানা বুঝল সত্যি সত্যিই কি ভয়ঙ্কর অবস্থায় পড়েছে মিসেস গুপ্ত সামান্য একটু ভুলের জন্যে। বেঁচে থাকাই মহা সমস্যা হয়ে যাবে ওর!

    আপনার মনের কথা পরিষ্কার জানিয়ে দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ। এখন কি করবেন স্থির করেছেন কিছু? যা ঘটবার সে-তো ঘটেই গেছে, এবার আপনার প্রোগ্রাম কি?’

    এক মুহূর্ত দেরি হলো না মিসেস গুপ্তের উত্তর দিতে। সিদ্ধান্ত নেয়া হয়ে গেছে অনেক আগেই।

    ‘সবকিছু এমন গোলমাল পাকিয়ে গেছে যে এখন পালানো ছাড়া আর কোন গত্যন্তর দেখছি না। অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে উঠেছে রেঙ্গুন এখন আমার জন্যে। আপনার জন্যেও!’

    আমার কথা আপনাকে ভাবতে হবে না। আপনার নিজের নিরাপত্তার কথা ভাবুন!

    ‘আমার কথা ভাবতে গিয়ে আপনার কথা এসে পড়ে স্বাভাবিক ভাবেই। কিছুই করতে পারব না আমি এখন আপনার সাহায্য ছাড়া।’

    ‘আমাকে সরোজ সাজিয়ে নিয়ে এখান থেকে পালাবার কথা ভাবছেন এখনও?’

    ‘এছাড়া আর কোন উপায় দেখতে পাচ্ছি না।’

    ‘উ-সেনের লোকের কাছে ধরা পড়বার সম্ভাবনা নেই?’

    ‘আমার মনে হয় না। আমার ধারণা, ইয়েন ফ্যাঙকে আমাদের মেরে ফেলার হুকুম দিয়েই চলে গেছে হুয়াং মান্দালয়ে। এই ধরনের আদেশ গোপনে দেয়াই স্বাভাবিক। খুব সম্ভব আর কেউ জানে না। হুয়াং-এর অনুপস্থিতিতে আমরা অনায়াসে চলে যেতে পারব ব্যাংকক।’

    ‘ইয়েন ফ্যাঙকে চেনেন না বলেছিলেন কেন?’

    ‘আপনি কতদূর কি জানেন জানা ছিল না বলে।’

    ‘ওকে কি করবেন ভাবছেন?’

    ‘মেরে ফেলব।’

    ‘তারপর লাশ দুটো?’

    ‘ও দুটো পাশের কোন খালি রূমে রেখে দেব আমরা দুজন মিলে টেনে নিয়ে গিয়ে। এই ফ্লোরে প্রায় প্রত্যেকটা ঘরই খালি। সরোজের দাড়ি কামিয়ে ফেলব, ফলে কেউ বুঝতে পারবে না পাশের ঘরের মৃত যুবক আসলে বৃদ্ধ সরোজ গুপ্ত। সকাল বেলা ফোন করে টিকেট বুক করব। রিসেপশনে জানিয়ে দেব হঠাৎ বেড়ে গেছে মিস্টার গুপ্তের অসুস্থতা, আজই চলে যাচ্ছি আমরা ব্যাংকক।

    দুই সমকামী বন্ধু, তাদের ঝগড়া, ফলে একজন অপরজনকে গুলি করে, তারপর শোকে উদ্ভ্রান্ত হয়ে হোক, পুলিসের ভয়ে হোক, আত্মহত্যা করা-মিসেস গুপ্তের চিন্তাধারাটা কোন খাতে বইছে টের পেয়ে হাসল রানা মনে মনে। তবে বুদ্ধিটা যে ভাল বের করেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই। পালিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে থাকলে আর দুএকটা প্রশ্ন করে এতেই হয়তো রাজি হয়ে যেত সে, কিন্তু পালানো সম্ভব নয় এখন ওর পক্ষে। সোফিয়ার কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ সে।

    ‘ব্যাংককে গিয়ে কি করবেন? ওখানেও তো উ-সেনের লোক আছে।’

    ‘ব্যাংককের ভারতীয় ইন্টেলিজেন্স চীফের কাছে রিপোর্ট করব প্রথমে, তারপর ব্যবসা গুটানোর ভার তার ওপর দিয়ে আমি চলে যাব কলকাতায়। ওখানে আমার নাগাল পাবে না উ-সেনের দল। আপনি চলে যাবেন আপনার কাজে।’

    ‘ব্যবসাটা কি সরোজের ব্যক্তিগত ছিল?’

    ‘হ্যাঁ। এর প্রতিটা পাই পয়সা ওর নিজের ইনভেস্টমেন্ট।’

    ‘গুড।’ উঠে দাঁড়াল রানা। মিসেস গুপ্তের কোলের ওপর থেকে তুলে নিল সিগারেটের প্যাকেট আর ম্যাচ। ‘আপনার প্ল্যানটা ভাল, কিন্তু এটার কিছুটা অদল বদল করতে হবে।’

    ‘কি রকম?’ সপ্রশ্ন দৃষ্টি তুলল মিসেস গুপ্ত রানার মুখে

    ‘আমি আপনার সাথে যাচ্ছি না।’

    ‘তাহলে?’ হতাশা ফুটে উঠল মিসেস গুপ্তের চোখেমুখে। ‘আমার কি হবে? আপনার সাহায্য না পেলে আমি পালাব কি করে? একজন সরোজ গুপ্ত ছাড়া যে একেবারে অচল হয়ে যাব আমি, মিস্টার আব্বাস মির্জা। প্লীজ! আমাকে সাহায্য করতেই হবে আপনার। নইলে চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে খুন হয়ে যাব আমি ওদের হাতে।’

    ‘ইয়েন ফ্যাঙকে নিয়ে যান সরোজ হিসেবে।’ আঙুল দিয়ে পাশের ঘরের দিকে ইঙ্গিত করল রানা। এই সহজ সমাধানটা কেন মিসেস গুপ্তের মনে আসেনি, ভেবে একটু বিস্মিত হলো সে মনে মনে

    ‘কি করে? ও কো-অপারেট করবে কেন!’ মিসেস গুপ্তের চোখ বিস্ফারিত।

    ‘ঘুমের ওষুধ খাওয়ালেই সহযোগিতা পাওয়া যাবে ওর। ঘুম পাড়িয়েই নিয়ে যেতে পারবেন ওকে ব্যাংকক পর্যন্ত। সরোজের হত্যাকারীকেও তুলে দিতে পারবেন চীফের হাতে।

    হঠাৎ উজ্জ্বল হয়ে উঠল মিসেস গুপ্তের চোখমুখ। ‘ঠিক বলেছেন। দারুণ বুদ্ধি আপনার মাথায়! ঘুমের ওষুধ লাগবে না, চমৎকার একটা ওষুধ আছে আমার কাছে।’ একটা তাকের উপর রাখা ফার্স্ট এইডের বাক্সের দিকে চাইল সে। ‘আমাকে একটু সাহায্য করতে হবে, মিস্টার মির্জা। জাস্ট এক মিনিটের ব্যাপার। একটু ধরতে হবে লোকটাকে।’

    ‘ঠিক আছে, আসুন আপনি…আমি দেখি জ্ঞান ফিরেছে কিনা লোকটার। দরজাটা খুলেই ধক করে উঠল রানার বুকটা। ইজিচেয়ারের উপর নেই ইয়েন ফ্যাঙ। পরমুহূর্তেই চোখ গেল ওর মেঝের দিকে। বাঁধন খুলতে পারেনি, কিন্তু ছেঁচড়ে নেমে গেছে ফ্যাঙ নিচে। গড়িয়ে গড়িয়ে দরজার দিকে যাওয়ার চেষ্টা করছে।

    দুই কাঁধ ধরে টেনে তুলে দিল রানা আবার ওকে ইজিচেয়ারের ওপর খানিক বাদেই একটা সিরিঞ্জ হাতে ঘরে ঢুকল মিসেস গুপ্ত। ব্যাপারটা বুঝতে পেরে প্রাণপণ শক্তিতে ছটফট শুরু করল ইয়েন ফ্যাঙ। হাত পা এমনভাবে নাড়াচ্ছে যেন কিছুতেই সুচ ঢোকানো সম্ভব না হয়।

    ঠেসে ধরল রানা। কিন্তু লোকটাকে সামলানো মুশকিল। দারুণ শক্তি ওর গায়ে। দুই হাতে ঠেসে ধরেও নড়াচড়া বন্ধ করা যাচ্ছে না। বাম হাঁটু তুলে দিল রানা ওর বুকের ওপর। চেপে ধরল।

    এগিয়ে এল মিসেস গুপ্ত। রানার পাশে এসে দাঁড়াল। ছটফট্ করছে ইয়েন ফ্যাঙ, কিন্তু ঠেসে ধরায় নড়তে পারছে না বেশি!

    হঠাৎ তীক্ষ্ণ একটা ব্যথা অনুভব করল রানা পিঠের কাছে, মেরুদণ্ডের উপর। চমকে পিছু ফিরল সে। দেখল সরে যাচ্ছে একটা সিরিঞ্জ ধরা হাত, একফোঁটা ওষুধও নেই আর ওতে।

    কয়েক পা সরে গেল মিসেস গুপ্ত। মধুর হাসি হাসল রানার দিকে চেয়ে।

    ‘মাফ করবেন। ইয়েন ফ্যাঙের চেয়ে আপনাকেই আমার বেশি পছন্দ। প্ল্যানটা খানিক বদলে নিয়েছি আমি ইতিমধ্যেই। ব্যাংকক যাচ্ছি না আমরা।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা
    Next Article মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }