Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প242 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রক্তের রঙ ২.৫

    পাঁচ

    চমকে উঠল মাসুদ রানা।

    বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মত আড়ষ্ট হয়ে গেল মিসেস গুপ্ত। কিন্তু সে শুধু তিন সেকেন্ডের জন্যে। তারপর ঝট করে ফিরল সে উ-সেনের দিকে।

    রানার মনে হলো বারবার ইঞ্জেকশন দেয়ার ফলে মাথার মধ্যে কোন গোলমাল হয়ে গেছে ওর। স্পষ্ট অনুভব করতে পারছে সে, ওষুধের গুণ অত্যন্ত দ্রুত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে—মাথা ঘোরাটা একেবারেই নেই, দুই হাত, কাঁধ, এমন কি পিঠে পর্যন্ত বোধশক্তি ফিরে এসেছে; ইচ্ছে করলেই পা নড়াতে পারে সে এখন। কিন্তু মাথাটায় কিছু হলো নাকি? মৃত উ-সেন আবার বেঁচে ওঠে কি করে? ব্যাপারটা কেবল অবিশ্বাস্যই নয়, ভীতিপ্রদও। শিরশির করে মেরুদণ্ড বেয়ে একটা শীতল স্রোত উঠে এল ঘাড়ের কাছে, শিউরে উঠল রানা।

    উ-সেনের লাশ দেখেছে সে মেঝেতে শুয়ে আছে, অপলক প্রাণহীন দুই চোখ চেয়ে রয়েছে ছাতের দিকে, অভিব্যক্তিহীন। সেই লোকটাই এসে দাঁড়াল ঘরের মধ্যে। একটা ডিভান ঘুরে এগিয়ে এল রানার দিকে। তেমনি আড়ষ্ট হাঁটার ভঙ্গি। পিঠ, কাঁধ আড়ষ্ট, সোজা। যখন ঘুরছে, ঘাড় না ফিরিয়ে সারাটা শরীর ঘোরাচ্ছে। আরেকবার শিউরে উঠল রানার শরীর।

    ‘মিস্টার সরোজ গুপ্ত, এতদিন আপনার নামই শুনেছি কেবল, আজ আপনার সাথে পরিচিত হবার সুযোগ পেয়ে সত্যিই আনন্দ বোধ করছি।’ কাছাকাছি এসে দাঁড়াল উ-সেন। ওর হাত ধরে হুইল চেয়ারের কাছে এসে দাঁড়াল স্যুই থি। রানার গাল, দাড়ি, গোঁফ, নাক, কপাল ছুঁয়ে দেখল উ-সেন। দম আটকে পড়ে রইল রানা। ওদিকে মিসেস গুপ্তের অবস্থাও তথৈবচ। ফ্যাকাসে মুখে চেয়ে রয়েছে সে এদিকে। কথা বলেই চলেছে উ-সেন। ‘অবশ্য আপনি আমার অপরিচিত নন। আপনার কথা এতই শুনেছি ফ্যান সুর কাছে যে সাক্ষাৎ পরিচয় না থাকলেও আপনার নিত্যনৈমিত্তিক অনেক অভ্যাস, এমন কি মুদ্রাদোষ পর্যন্ত জানা হয়ে গেছে আমার। আপনার প্রতি ফ্যান সুর অকৃত্রিম ভালবাসার কথা জেনে এক সময় রীতিমত ঈর্ষা বোধ করেছিলাম আমি, কিন্তু আজ আপনার জন্যে দুঃখই বোধ করছি। কি ভয়ঙ্কর নাগিনীর পাল্লায় আপনি পড়েছেন ভাবতেও গা শিউরে উঠছে।’ সোজা হয়ে উঠে দাঁড়াল উ-সেন। হুয়াং, তোমার একখানা চুরুট ছাড়ো তো ভায়া।’ সোফার দিকে এগোল উ-সেন। রানা লক্ষ করল, দরজায় দাঁড়ানো প্রহরী দুজন কখন যেন আলগোছে এসে দাঁড়িয়েছে হুইল চেয়ারের চার হাতের মধ্যে। তুমি কোনজন? ফ্যান সু?’ বলল উ-সেন।

    সিগারেটের চেয়েও সরু একটা সিগার বের করে দিল ডক্টর হুয়াং উ-সেনের হাতে, ঠোঁটে লাগাতেই আগুন ধরিয়ে দিল সেটায়। বলল, তিন নম্বর সোফায়।

    মিসেস গুপ্তের সামনে এসে দাঁড়াল উ-সেন। ছুঁয়ে দেখল মুখটা। বলল, ‘বাহ, কি সুন্দর! কে বিশ্বাস করবে এই সৌন্দর্যের অন্তরালে লুকিয়ে আছে ভয়ঙ্কর এক উদ্যতফণা গোক্ষুর—পিছন ফিরলেই এক মুহূর্ত দ্বিধা করবে না যে ছোবল দিতে?’

    ‘ও আমাকে বলেছিল মারা গেছ তুমি,’ ফ্যাসফেঁসে কণ্ঠে বলল মিসেস গুপ্ত। ‘মাসুদ রানা বলেছিল খুন করেছে তোমাকে।’

    মিসেস গুপ্তের পাশের সোফায় বসে পড়ল উ-সেন। ‘আর তুমি তা বিশ্বাস করেছিলে। বোকার মত।’ হাসল উ-সেন। হুয়াং-এর দিকে ফিরে বলল, ‘ডাক্তার, সরোজ গুপ্তকে সুস্থ মনে হচ্ছে না কেন?’

    ‘ফ্যান সু বলছে ওকে ঘুমের ওষুধ খাইয়েছে।‘

    ‘ও। স্যুই থি, চুরুটটা নিভে গেছে—ধরিয়ে দাও তো, লক্ষ্মী।’ কর্নেল শেখের দিকে ফিরল উ-সেন। ‘দেখলেন? আমি বলেছিলাম না, রেঙ্গুন থেকে এতদূর আমাদের পিছু পিছু ধাওয়া করে আসার পিছনে ফ্যান সুর বিশেষ কোন মতলব আছে? প্রমাণ হলো?’ হাসল সে। ‘আসলে বেশ কিছুদিন যাবৎ আমার মৃত্যু কামনা করে আসছে ও মনে মনে, তাই মাসুদ রানার কথায় খুব সহজেই বিশ্বাস করে বসেছে। তাই না, ফ্যান সু? ওকে নিশ্চয়ই জিজ্ঞেস করবার প্রয়োজনও রোধ করোনি, কিভাবে হত্যা করেছে আমাকে? মাথার খুলির ঠিক নিচে ঘাড়ের ওপর প্রচণ্ড জোরে আঘাত করেছিল সে আমাকে। যে কোন সাধারণ লোক ওই আঘাতে অক্কা পেতে এক সেকেন্ডের বেশি দেরি করবে না।’

    ‘হায় হায়!’ প্রায় ফিস ফিস করে বলল মিসেস গুপ্ত। নিজের অজান্তেই রানার দিকে চাইল সে। রক্তশূন্য ফ্যাকাসে হয়ে গেছে ওর মুখটা। রানা বুঝল, সাবধান না হলে ধরা পড়ে যাবে সবার কাছে মিসেস গুপ্ত।

    ‘এখন আর হায় হায় করে কি লাভ, ফ্যান সু? খুন করতে পাঠাবার সময় ওকে বলে দেয়া উচিত ছিল তোমার। ওই বেচারার দোষ নেই। দোষ তোমার। ও জানবে কি করে যে আমার ঘাড় আগে থেকেই মটকানো ছিল?’ রানার দিকে ফিরল উ-সেন। ‘এই আধ-পাগলা সার্জন মেরামত করেছিল আমাকে প্লেন ক্র্যাশের পর, মিস্টার সরোজ গুপ্ত। কিছু কিছু জিনিস সে ফিরিয়ে দিতে পারেনি আমাকে। যেমন দৃষ্টি শক্তি। কিন্তু বাদ বাকি সবই করেছে সে সাধ্য মত।’ মাথার পিছন দিকটায় টোকা দিল সে দুটো। ‘অডন্টয়েড প্রসেসকে প্রোটেকশন দেয়ার জন্যে এই চামড়ার নিচে আছে একটা স্টীল প্লেট। যদিও মাসুদ রানার প্রচণ্ড আঘাতটা চুল পরিমাণে এদিক ওদিক হয়নি, একেবারে ডেড সেন্টারে ঠিক জায়গা মত পড়েছে, বেচারার দুর্ভাগ্য, স্টীলের পাত ভেদ করবার ক্ষমতা দেয়নি ভগবান তাকে।’ কয়েকটা টান দিল সে সরু চুরুটে। এখনও মাথাটা ধরে আছে, এছাড়া আর কোন ক্ষতি হয়নি আমার। আমার কপাল ভাল, আমার আর সব সহযোগীরা ফ্যান সুর মত যখন তখন রঙ বদলায় না, আমার প্রতি ভালবাসায় বা বিশ্বস্ততায় কোন খাদ নেই ওদের।

    ‘তুমি আমাকে ভুল বুঝছ, উ-সেন,’ কসমেটিক কেস থেকে সিগারেট বের করে ধরাল মিসেস গুপ্ত। রানা লক্ষ করল হাতটা কাঁপছে ওর। ‘তোমার প্রতি বিশ্বাসঘাতকতা করিনি আমি। আমি জানতাম না মাসুদ রানা তোমাকে হত্যা করতে এসেছে রেঙ্গুনে। যখন আমার সামান্য ভুলে ঘটে গেল ঘটনাটা, এবং পরমুহূর্তে এসে হাজির হলো আমাদের মৃত্যুদূত, তখন এছাড়া আর কি করবার ছিল আমার, বলো?’ উ-সেনকে চুপ করে থাকতে দেখে কর্নেল শেখের দিকে ফিরল মিসেস গুপ্ত। ‘আমি বুঝতে পারছি, এদের সাথে আর কোন ভাবেই আপস হবে না আমার। এরা আমার দিকটা ভাবতে মোটেই প্রস্তুত নয়। কাজেই আবার একবার আমার প্রস্তাবটার কথা ভেবে দেখবার অনুরোধ করছি আপনাদের, কর্নেল। মাসুদ রানা এবং তার ছিনিয়ে নেয়া ফাইলটা এখন আমার হাতে, পেতে হলে আমার সাথে চুক্তি করতে হবে।

    ‘ধরো যদি আমি বলি মাসুদ রানাকে কব্জায় পাওয়ার জন্যে জেনারেল যতটা উৎসুক, আমিও ঠিক ততটাই—তাহলে?’ বলল উ-সেন। ‘হাজার হোক আমার ঘাড়টাই ভাঙার চেষ্টা করেছিল সে, কর্নেল বা জেনারেলের নয়। সেক্ষেত্রে তোমার বক্তব্য কি?’

    বক্তব্য একই। আমার দরকার মার্কিন পাসপোর্ট, প্লেনের টিকেট, কিছু টাকা এবং নিরাপত্তা।’

    ‘সরোজ গুপ্তের প্রতি প্রেম?’

    ‘প্রেম মিছে মায়া।

    ‘বা বা বা! কেমন বোধ করছেন, মিস্টার সরোজ গুপ্ত? একেই ভালবেসেছিলেন, বিশ্বাস করেছিলেন আপনি। কেমন লাগছে এখন?’ কর্নেল শেখকে উসখুস করতে দেখে আশ্বস্ত করার ভঙ্গিতে একটা হাত তুলল উ-সেন। ‘আমি জানি, মাসুদ রানাকে হাতে পাওয়ার ব্যাপারে আপনি কি পরিমাণ উদ্‌গ্রীব। আপনার অনুভূতি আমি স্পষ্ট উপলব্ধি করতে পারছি, কর্নেল শেখ। আপনি চাইছেন, যদি সত্যিই ওর হাতে মাসুদ রানা বন্দী হয়ে থাকে তাহলে গোলমাল না করে ও যা চাইছে দিয়ে তাকে হস্তগত করা দরকার। কিন্তু আমার কিছু কথা আছে। আমি বিশ্বাস করি, কোন না কোন কৌশলে আটকে ফেলেছে ও মাসুদ রানাকে। কিন্তু তাই বলে ওর অন্যান্য কথা বিশ্বাস করবার কোন যুক্তিসঙ্গত কারণ আমি দেখতে পাই না। অন্য কোন মতলব আছে ওর। আরও কোন ক্ষতি করবার প্ল্যান এঁটেছে ওরা। মাসুদ রানাকে আপনাদের হাতে তুলে দেয়ার আর কোন কারণই দেখতে পাই না আমি একটি ছাড়া—সেটি হচ্ছে, উ-সেনকে হত্যা করে তৃপ্তি হয়নি ওদের, ওরা আপনাকে এবং জেনারেল এহতেশামকেও হত্যা করতে চায়।’

    ‘যদি তাই হয়,’ বলল কর্নেল শেখ, ‘তাহলে ওকে বন্দী করা আমাদের জন্যে আরও জরুরী প্রয়োজন হয়ে দাঁড়াচ্ছে। যে করে হোক ওকে আনতে হবে আমাদের হাতের মুঠোয়। তার জন্যে প্রয়োজন হলে মিসেস গুপ্তকে…’

    ‘কিছুই দিতে হবে না।’ মুচকি হাসল উ-সেন। ‘মাসুদ রানা এখন আমাদের হাতের মুঠোতেই আছে। আপনার তিন হাতের মধ্যে বসে আছে সে, কর্নেল শেখ।’ আঁতকে উঠে এদিক ওদিক চাইল কর্নেল শেখ। রানার দিকে না চেয়েই গম্ভীর কণ্ঠে বলল উ-সেন, ‘আপনার শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে আমার পরিষ্কার কোন ধারণা নেই, মিস্টার মাসুদ রানা, সত্যিই ঘুমের ওষুধ দেয়া হয়েছে কিনা পরীক্ষা করবে ডাক্তার এক্ষুণি। ইতিমধ্যে যদি একচুল নড়াচড়া করেন তাহলে খুলি ফুটো হয়ে যাবে আপনার। দুটো স্মিথ অ্যান্ড ওয়েসন ম্যাগনাম তাক করে ধরা আছে আপনার মাথার দিকে।

    .

    তড়াক করে উঠে দাঁড়াল কর্নেল শেখ। বলেন কি?’ আতঙ্কিত দৃষ্টিতে চেয়ে রয়েছে সে রানার দিকে। এপাশ ওপাশ চাইল সে রানা যদি হঠাৎ আক্রমণ করে বসে তাহলে কিভাবে আত্মরক্ষা করবে বুঝে নেয়ার জন্যে। কর্নেলের ভয় সঞ্চারিত হয়েছে জেনারেলের মধ্যেও। উঠে দাঁড়িয়েছে সেও।

    দ্রুত পায়ে এগিয়ে এল স্যুই থি। হ্যাঁচকা টান দিল রানার দাড়ি ধরে চড়চড় করে ছিঁড়ে উঠে গেল কয়েকগুচ্ছ দাড়ি, জ্বালা করে উঠল রানার গাল ঠাশ ঠাশ দুটো চড় কষাল সে রানার গালে। দাঁতে দাঁত চেপে উচ্চারণ করল, ‘শুয়োরের বাচ্চা!’

    উ-সেনের প্রতি মাত্রাধিক আসক্তির পরিচয় পেয়েছে রানা তার প্রতিটা সহযোগীর ব্যবহারে। চুম্বকের মত আশ্চর্য এক আকর্ষণ আছে লোকটার মধ্যে রানা লক্ষ্য করেছে, সে নিজেও বেশ খানিকটা দুর্বলতা বোধ করেছে এই আশ্চর্য লোকটার জন্যে। অন্ধ লোকটাকে হত্যা করে খুশি হতে পারেনি সে। যদিও সে জানে উ-সেনের প্রতি দুর্বলতা একটা অন্ধ বাঘের খাঁচায় ঢুকে তার জন্যে মমতা বোধ করবারই সমতুল্য-তবু লোকটার বিরুদ্ধে ক্রোধ বা ঘৃণার উদ্রেক করতে পারেনি সে নিজের মধ্যে। এখন মিসেস গুপ্তের কোন কথাই বিশ্বাসযোগ্য হবে না উ-সেনের কাছে, কিন্তু রানা জানে উ-সেন জীবিত আছে জানলে কিছুতেই দলের বিরুদ্ধে যেত না মিসেস গুপ্ত। এই আকর্ষণের উৎসটা কোথায় জানবার বড় ইচ্ছে হলো ওর। কেন এমন মন প্রাণ দিয়ে ভালবাসে ওকে ওর লোকজন?

    ‘মিস্টার মাসুদ রানা জানেন একটু নড়াচড়া করলেই মারা পড়বেন উনি, বলল উ-সেন। কিন্তু তবু একটু যেন বেশি স্থির মনে হচ্ছে ওঁকে। ফ্যান সু ওঁকে জানিয়ে দাও, তোমাদের খেলা শেষ হয়েছে।’

    ‘ভুল বুঝেছ, উ-সেন। মাসুদ রানা নড়াচড়া করছে না সত্যি সত্যিই নড়বার ক্ষমতা নেই বলে। লাইটিক ককটেল দিয়েছি আমি ওকে। নানান কথায় ওর বিশ্বাস উৎপাদন করেছিলাম, তাই কাবু করতে অসুবিধা হয়নি।’

    ‘ওকে বিশ্বাস করা কত বিপজ্জনক, দেখলেন তো, মিস্টার মাসুদ রানা? যাই হোক, ডাক্তার, দেখো দেখি একটু পরীক্ষা করে, ফ্যান সুর এই কথাটায় বিশ্বাস করা যায় কিনা?’

    এগিয়ে এসে রানার একটা চোখ ফাঁক করুন হুয়াং দুই আঙুলে, সামান্য ঝুঁকে পরীক্ষা করল।

    ‘যায়। কিন্তু লাইটিকের প্রভাব নষ্ট হয়ে যাচ্ছে দ্রুত।’

    মাথা ঝাঁকাল উ-সেন আপন মনে। ‘ব্যাপারটা বেশ ঘোরাল হয়ে উঠছে। কি বলেন, জেনারেল?’

    ‘পিস্তল যখন আছে, ওকে গুলি করলেই তো সবকিছু সহজ হয়ে যায়?’ বলল জেনারেল। ‘ঘুমন্ত অবস্থাতেও ভয়ঙ্কর এই লোক। এর সম্পর্কে সব শুনেছি আমি শেখের কাছে। আমার মনে হয়, এক্ষুণি গুলি করা উচিত।

    হাঃ হাঃ করে হাসল উ-সেন। ‘আপনি দেখছি ভয়ে একেবারে কুঁকড়ে গেছেন। কেন বাঙালীদের হাতে আপনারা তুলোধুনো হয়েছেন বোঝা যাচ্ছে কিছুটা। আপনার মুখে এই কথা আশা করিনি আমি, জেনারেল। যাই হোক, ফ্যান সু, আমরা কিছুক্ষণের মধ্যেই জানতে পারব তোমার এখানে আসার আসল উদ্দেশ্য; তার আগে সত্যি করে বলো দেখি ঠিক কয়টার সময় শেষ ইঞ্জেকশনটা দিয়েছ?’

    ‘ঘণ্টা দুয়েক আগে হাফ ডোজ দিয়েছি। এদের সাথে কথা-বার্তায় পড়তা না পড়লে এখান থেকে বেরোতে ওর সাহায্য দরকার পড়তে পারে মনে করেছিলাম।’ একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল মিসেস গুপ্ত। ‘তোমার জন্যে আমি দুঃখিত, মাসুদ রানা। তোমার সত্যিকার পরিচয় জানলে হয়তো এখানে এভাবে নিয়ে আসতাম না তোমাকে। এখন বুঝতে পারছি, তোমাকে বুদ্ধি দিয়ে পরাজিত করতে পারিনি আমি আসলে; তোমার মহত্ত্বের সুযোগ নিয়েছি মাত্র।’ কোলের উপর রাখা কসমেটিক কেসের ভিতর লাইটারটা রেখে দিয়ে ছোট বাক্সটা বের করে আনল সে নিতান্ত অবলীলাক্রমে। উ-সেনের দিকে ফিরে বলল, ‘আবার একবার নতি স্বীকার করছি আমি তোমার বুদ্ধির কাছে, উ-সেন। আমি বুঝতে পারছি, আমার প্ল্যান ভেস্তে গেছে, মাসুদ রানা এখন তোমাদের হাতের মুঠোয়, ফাইলটাও কোথায় আছে জেনে যাবে তোমরা ওর ওপর নির্যাতন চালালেই। তোমাদের কাছে আমার প্রয়োজন ফুরিয়েছে। কাজেই এখন বিদায় নিতে চাই আমি। অনুমতি দিলেই উঠতে পারি।

    ‘কী চমৎকার মহিলা, তাই না, কর্নেল?’ সব কটা দাঁত বেরিয়ে গেল উ-সেনের। ‘এর অস্বাভাবিক বুদ্ধির কথা বলেছি আপনাকে, অতুলনীয় সৌন্দর্য তো দেখতেই পাচ্ছেন চোখের সামনে; সেই সাথে অপূর্ব রস বোধের পরিচয় ও পাওয়া যাচ্ছে, তাই না?

    ‘রসিকতা আমি করছি না, উ-সেন।’ গম্ভীর মিসেস গুপ্তের চোখ মুখ। ‘স্যুই থি, উ-সেনকে বলো আমার হাতে কি দেখতে পাচ্ছ। কেউ আমার দিকে এক পা এগোলেই ফেলে দেব আমি এটা মাটিতে।’

    হঠাৎ আড়ষ্ট হয়ে গেল উ-সেন। প্রায় ফিস ফিস করে বলল, ‘কি আছে ওর হাতে? ওর কসমেটিক কেসটা কেড়ে নেয়া হয়নি?’

    ভীত চকিত দৃষ্টিতে এদিক ওদিক চাইল স্যুই থি। বলল, ‘না। ওর হাতে একটা পাতলা কাচের বল দেখা যাচ্ছে, আর কিছুই নেই।’

    ‘এই ছোট্ট বলের ভিতর এই ঘরের প্রত্যেককে খুন করার পক্ষে যথেষ্ট পরিমাণে ক্লোরিন গ্যাস আছে,’ বলল মিসেস গুপ্ত দৃপ্ত ভঙ্গিতে। ‘তুমিই দিয়েছিলে এটা আমাকে, উ-সেন।’ উঠে দাঁড়াল সে। ‘কেউ যদি বাধা দেয়ার চেষ্টা করে, এই ঘরের কেউ যদি একটু নড়াচড়াও করে, হাত থেকে ফেলে দেব আমি বলটা। এর ফলে আমিও মারা যাব ঠিকই, তোমরাও কেউ বাঁচবে না।’

    চোখের পাতা পর্যন্ত সাবধানে ফেলছে এখন ঘরের প্রতিটা লোক।

    ধীর পায়ে দরজার দিকে এগোল মিসেস গুপ্ত।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা
    Next Article মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }