Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প242 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রক্তের রঙ ২.৭

    সাত

    সোফিয়ার কপালে, কনুইয়ে সার্জিকাল টেপ লাগিয়ে দিল হুয়াং অভ্যস্ত হাতে জায়গাগুলো ভাল করে ডেটল দিয়ে ধুয়ে নিয়ে। তারপর হাতকড়া পরিয়ে দেয়া হলো। মিসেস গুপ্তের হাতেও হাত কড়া। ভয়ে পাংশু হয়ে গেছে ওর মুখ, সপ্রতিভ ভাবটা সম্পূর্ণ মুছে গেছে ওর চেহারা থেকে। পরিষ্কার টের পেয়েছে সে আসন্ন অবধারিত মৃত্যু। ব্লটিং পেপার দিয়ে কেউ যেন শুষে নিয়েছে ওর শরীর থেকে সমস্ত রক্ত।

    গোটা কয়েক করিডর পেরিয়ে নিয়ে আসা হলো ওদের একটা বন্ধ ঘরের সামনে। দরজায় চাবি লাগাল একজন, বাকি তিনজন পিস্তল হাতে প্রস্তুত থাকল পিছনে। ধাক্কা দিয়ে ঘরের ভিতর ঢুকানো হলো রানাকে, ওর পিঠের উপর হুমড়ি খেয়ে পড়ল মিসেস গুপ্ত, তার উপর সোফিয়া।

    দড়াম করে বন্ধ হয়ে গেল দরজাটা আবার।

    ধড়মড় করে খাটের উপর উঠে বসল বার্মিজ পোশাক পরা একজন প্রৌঢ়। আধ হাত লম্বা দাড়ি, শতকরা দশ ভাগ তার পাকা। চোখ দুটো ঈষৎ বাঁকা। মংগোলিয়ান। কিন্তু দীর্ঘদেহী। বয়স পঁয়তাল্লিশ থেকে পঞ্চাশের মধ্যে। চোখে মুখে দৃঢ় আত্মবিশ্বাসের ছাপ। ছোট হলেও চোখ দুটো তীক্ষ্ণ, উজ্জ্বল, বুদ্ধিদীপ্ত। চেহারার মধ্যে দলপতি সুলভ আভিজাত্য লক্ষ্য করল রানা। এই লোক আদেশ করতেই অভ্যস্ত, আদেশ পালিত হচ্ছে কিনা দেখার প্রয়োজন বোধ করে না, কারণ ও জানে, অক্ষরে অক্ষরে পালিত হবে ওর আদেশ, অমান্য করা হবে না। তড়াক করে একলাফে খাট ছেড়ে উঠে দাঁড়াল সে সোফিয়াকে দেখা মাত্রই। দুই পা এগিয়েই থমকে দাঁড়াতে হলো ওকে, কারণ ঝাঁপিয়ে পড়েছে সোফিয়া ওর বুকের উপর।

    মিনিট দুয়েক দুজন দুজনকে জড়িয়ে ধরে হু হু করে কাঁদল, দুজনই এক সাথে অনর্গল কথা বলে চলল আরাকানী ভাষায়, কেউ কারও কথা শুনছে কিনা বোঝা যাচ্ছে না। একবর্ণও বুঝতে পারছে না রানা ওদের কথা, কিন্তু অনুস্বর প্রধান ভাষাটা নেহায়েত মন্দ লাগছে না ওর কানে। মাঝে মাঝে বাংলার মত এক-আধটা শব্দ উচ্চারিত হচ্ছে, কিন্তু সেটার মানে বুঝে ওঠার আগেই আরও অসংখ্য বিচিত্র শব্দের তোড়ে গুলিয়ে যাচ্ছে সব।

    সোফিয়ার মাথায় হাত বুলিয়ে দিচ্ছে, মাঝে মাঝে পচাৎ পচাৎ করে চুমো খাচ্ছে ওর অশ্রু ভেজা গালে, সেইসাথে অনর্গল কথা বলছে লোকটা। মিনিট তিনেক পরে দুজনেই শান্ত হলো কিছুটা, হঠাৎ খেয়াল হলো, আশে পাশে আরও লোকজন আছে। হাতকড়া পরা হাত দুটো বের করে আনল সোফিয়া বাপের মাথা গলিয়ে, ফাঁস মুক্ত হয়েই দুই হাতে রানা ও মিসেস গুপ্তের হাত ধরে টেনে এনে খাটের উপর বসিয়ে দিল প্যাপন মং লাই। যেন পরিচয় করিয়ে দিচ্ছে এমনি ভঙ্গিতে সোফিয়ার দিকে ইঙ্গিত করে বলল, ‘আমার মেয়ে।’ তোশকের নিচ থেকে দুটো ইয়া মোটা চুরুট বের করে ধরিয়ে দিল জোর করে দুজনের হাতে। ‘কিছু মনে কোরো না, ব্যাপারটা আগে শুনে নিই ওর কাছে।

    একটা চেয়ার টেনে নিয়ে বসল প্যাপন মং লাই। মেয়েকে ইঙ্গিত করল রানার পাশে বসতে। কথা শুরু করল সোফিয়া। এবার আর একটি কথাও বলছে না বৃদ্ধ, চুপচাপ শুনে যাচ্ছে, আর মাঝে মাঝে রানার দিকে অর্থপূর্ণ দৃষ্টিতে চেয়ে অনর্থক হাসছে। বার কয়েক নিজের নাম শুনতে পেল রানা সোফিয়ার মুখে, সেটুকু ছাড়া বাকি সবকিছুই দুর্বোধ্য। কথা শেষ হতেই উঠে এসে রানার কাঁধে হাত রাখল প্যাপন মং লাই।

    ‘আমাদের জন্যে আপনি যা করেছেন, সেজন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ।’ ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে বলল প্যাপন মং লাই। ‘ভুল ইংরেজির জন্যে কিছু মনে করবেন না। আমি অশিক্ষিত মানুষ, যেটুকু বলতে পারছি তা ওর মায়ের কল্যাণে। যাই হোক, গেল তো সব ফেঁসে। এখন? এখন কি ভাবছেন?’

    ‘দেখা যাক,’ বলল রানা। ‘যতক্ষণ শ্বাস, ততক্ষণ আশ।’

    ‘তা ঠিকই, কিন্তু খুব একটা আশা দেখতে পাচ্ছি না আমি। সবচেয়ে দুশ্চিন্তা হচ্ছে আমার লোকজনদের জন্যে। এতক্ষণে নিশ্চয়ই অস্ত্রশস্ত্র সহ আমাদের এলাকায় পৌঁছে গেছে ওই একশো ছেলে, হয়তো কিভাবে ওগুলো ব্যবহার করতে হয় গোপনে তারও ট্রেনিং দিতে শুরু করে দিয়েছে সবাইকে—কিন্তু অর্ডার দেবে কে? আমার বা সোফিয়ার আদেশ ছাড়া যুদ্ধ করবে না কেউ। আমরা দুজনই মারা যাচ্ছি এখানে। ফলটা দাঁড়াচ্ছে এই যে, ভয়ানক অত্যাচার হবে এবার আমার লোকের ওপর। মার খাবে কিন্তু প্রতি- আক্রমণ করবে না কেউ আমার আদেশ ছাড়া। অস্ত্র পাওয়া যাবে সবার কাছেই, কাজেই অত্যাচারের পরিমাণটা নিশ্চয়ই আঁচ করতে পারছেন?’ বিষণ্ণ মুখে চুপ করে থাকল সে কিছুক্ষণ। ‘এটা জানে বলেই আমাকে বন্দী করেছে উ-সেন। ওর জানা ছিল না যে সোফিয়া আমার একমাত্র মেয়ে, আমি মারা গেলে ও পাচ্ছে সর্দারি। ওর ধারণা ছিল আমাকে আটকে রাখলেই আদেশ দেয়ার লোকের অভাবে চুপ করে সমস্ত নির্যাতন সহ্য করবে আমার লোক। এখন যখন জেনে গেছে, আমার বা সোফিয়ার নিস্তার তো নেই-ই, ভয়ানক খারাবি আছে আমার বারো হাজার লোকের কপালে।

    ‘আপনি ওদের বিরুদ্ধে গেলেন কেন?’ প্রশ্ন করল রানা। ‘ওরা কি ক্ষতি করছিল আপনাদের?’

    ‘কি ক্ষতি করছিল মানে?’ খেপে উঠল প্যাপন সর্দার। আমার লোক ধরে নিয়ে যাচ্ছে ওরা, জোর জুলুম শুরু করেছে গেরিলা ট্রেনিং নেবার জন্যে, ধরে ধরে নিয়ে যাচ্ছে যুবতী মেয়েদের—আর আমি ওদের বিরুদ্ধে যাব না? আমার এলাকায় ট্রেনিং সেন্টার করেছে, বাংলাদেশ আর ভারতের এয়ার ফোর্স যখন বোম ফেলবে, কারা মারা যাবে? আমার লোক মারা যাবে না? শুধু শুধুই গিয়েছি আমি উ-সেনের মত হারামী লোকের পিছনে লাগতে? আমার লোককে যদি রক্ষা না করতে পারি, তাহলে কি দরকার আমার সর্দারি করার?’

    ‘কাজেই দেখা যাচ্ছে, আপনার মারা যাওয়া চলবে না। তাহলে ভীষণ ক্ষতি হয়ে যাবে আপনার লোকদের। এখান থেকে বাঁচবার কোন উপায় চিন্তা করেছেন?’

    ‘চিন্তা অনেক কিছুই করেছি, কিন্তু বাঁচবার চিন্তা করিনি, কারণ আমি জানি আমার ক্ষমতা নেই এদের হাত থেকে ছুটে বেরোবার। ভরসা ছিল, সোফিয়া হয়তো গোষ্ঠীকে রক্ষা করার কোন উপায় খুঁজে বের করতে পারবে, কিন্তু দেখছি, বাপকে উদ্ধার করার চিন্তাই ওর মধ্যে বেশি কাজ করেছে। ফলে লাভের মধ্যে শুধু একটাই হয়েছে, মরার আগে শেষ দেখা হয়ে গেল বাপ- বেটিতে।’ সোফিয়ার থুতনি ছুঁয়ে চুমো খেল প্যাপন আঙুলের মাথায়। রানার দিকে ফিরল। ‘তুমি কি ভাবছ? কোন পথ দেখতে পাচ্ছ বাঁচবার?’

    ‘এখনও কিছুই দেখতে পাইনি। তবে আমি জানি কোন না কোন পথ আছেই, কোন না কোন সুযোগ পাবই আমরা। যদি সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে পারি তাহলে নিজেদের মুক্ত করতে পারব।’

    ‘সুযোগ আসবেই?’

    ‘হ্যাঁ, আসবেই। আমরা তাকে চিনে নিতে পারব কিনা সেটা আলাদা কথা। কিন্তু অন্তত একটা দুটো সুযোগ যে আসবে তাতে আমার কোন সন্দেহ নেই।’

    তুমি আশাবাদী মানুষ। ভাল। আশাবাদী মানুষ আমি পছন্দ করি। ছাড়া পেয়েই প্রথম কি কাজ হবে আমাদের?’

    হাসল রানা। চুরুটটা ধরাল। কড়া ধোঁয়া বুকের মধ্যে টেনেই কাশল কিছুক্ষণ। সোফিয়ার মতই রানার প্রতিটি কথা বিশ্বাস করতে আরম্ভ করেছে প্যাপন মং লাই। ধরেই নিয়েছে যেন ছাড়া পেয়ে গেছে। রানার উত্তরের প্রতীক্ষায় অপেক্ষা করছে। রানা বলল, ‘অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা করব।

    ‘আমার দেশে যাবে? ওই শয়তানগুলোকে শায়েস্তা করবে না?’

    আমার একার কাজ নয় ওটা।’

    ‘তোমার যত লোক দরকার আমি দেব। অস্ত্র আছে, লোক আছে, চেষ্টা করে দেখবে না একবার?’

    ‘সেসব পরের কথা পরেই ভাবা যাবে। অবস্থার গতি-প্রকৃতি বুঝে চলতে হবে আমাদের। যেমন সুবিধা বুঝব তেমনি ব্যবস্থা নেব।’

    ‘ঠিক।’ মাথা নাড়ল বৃদ্ধ। বোঝা যাচ্ছে অতি-আশাবাদী নও তুমি। অর্থাৎ অসাবধান নও। এইটাই দরকার। যারা কেবল গাল-চালাকি করে তাদের আমি পছন্দ করি না। তোমার ওপর ভরসা আসছে আমার। কিন্তু এখন আর আলোচনা নয়, বাইরে পায়ের শব্দ শুনতে পাচ্ছি।’

    চাবি ঘোরানোর আওয়াজ পাওয়া গেল। ক্লিক করে খুলে গেল তালা। খাবার আনা হয়েছে ওদের জন্যে। মোটাসোটা এক খানসামার পিছনে চারজন পিস্তলধারী প্রহরী। মিসেস গুপ্তকে চিনতে পেরে সামান্য মাথা নেড়ে হাসল খানসামা। টেবিলে খাবার সাজিয়ে দিচ্ছে সে। প্রহরীদের আড়াল করে চাপা কণ্ঠে বলল মিসেস গুপ্ত, ‘আমাকে মেরে ফেলা হবে, জোসেফ।

    ‘শুনেছি।’ ফিসফিস করে জবাব দিল জোসেফ।

    ‘কোন সাহায্য পাব না তোমার কাছে, জোসেফ?’

    ‘সাহায্য করতে গিয়ে মরব নাকি?’

    ‘তোমার ভাইঝির জন্যে দুঃখ করেছিলে তুমি একদিন। ওকেও খুন করেছিল…’

    ‘আমাকে তো করেনি।’ কথাটা বলেই সরে গেল জোসেফ। আস্তে করে বলল, ‘দুঃখিত, ম্যাডাম।

    জোসেফ বেরিয়ে যেতেই আবার দরজা বন্ধ করে দিল প্রহরী। বন্ধ করবার আগে মুখটা বাড়িয়ে বলে গেল, ‘দশ মিনিটের মধ্যে যে যা পারো খেয়ে নাও। ডিনার সেরেই নামবেন উ-সেন।’

    মিসেস গুপ্ত খেল না কিছুই। একেবারে মুষড়ে পড়েছে মহিলা। রানা, সোফিয়া আর প্যাপন মং লাইয়ের আন্তরিক আলাপে অংশগ্রহণ করতে পারছে না, বাধো বাধো ঠেকছে রানা ও সোফিয়ার প্রতি ওর আচরণের কথা ভেবে। বার কয়েক চেষ্টা করল রানা ব্যাপারটা সহজ করবার, কিন্তু কিছুতেই সহজ হতে পারল না সে।

    নাড়ীভুঁড়ি জ্বলে যাচ্ছিল রানার খিদেয়। হাপুস হুপুস খেয়ে চলেছে ও, আর এরই মধ্যে যতটা সম্ভব হালকা কথাবার্তা দিয়ে সবাইকে খুশি রাখবার চেষ্টা করছে। যদি মারা যেতেই হয়, মুখ ভার করে মরতে চায় না ও। মনে মনে পরিষ্কার বুঝতে পারছে রানা, সব দিক থেকে সতর্ক হয়ে গেছে উ-সেন, এবার তার হাত থেকে নিস্তার পাওয়ার সম্ভাবনা প্রায় নেই বললেই চলে, তবু মৃত্যুর কথা ভুলে খুশি থাকতে চায় সে। যখন সব আশা নিভে যায়, যখন করবার কিছুই থাকে না ভাগ্যকে মেনে নেয়া ছাড়া, তখনও মুখ ভার করবার কোন মানে হয় না।

    ‘লাই ডিটেকটর ছাড়াই উ-সেন যে কথাটা বলল, সেটা কতদূর সত্যি?’ প্রশ্ন করল রানা।

    লজ্জা পেল সোফিয়া। মাথা নিচু করে হাসতে হাসতে বলল, ‘দূর। বাজে কথা।

    ‘তাহলে গুলি করলে না কেন? ওইটাই উ-সেনকে হত্যা করার শেষ সুযোগ ছিল।

    ‘তোমাকে, মানে, আপনাকে মেরে ফেলত তাহলে ওরা।’

    ‘এখন কি বাঁচিয়ে রাখবে মনে করছ?’

    ‘না, মানে, তবু তো কিছুটা সময় পাওয়া গেল হাতে। বলুন তো, গুলি করতে বলছিলেন কেন তখন?’

    ‘তোমার আঙুল দেখেই আমি বুঝতে পারতাম ঠিক কখন গুলিটা বেরোচ্ছে তোমার পিস্তল থেকে। আমি তৈরি ছিলাম লাফ দেয়ার জন্যে। ডিগবাজি খেয়ে পড়তাম প্রহরীর ঘাড়ে। তারপর কি হত বলা যায় না। হয়তো এতক্ষণে সব কয়জনকে খতম করে দিয়ে দেশে রওনা হওয়ার জন্যে মালপত্র গুছাতাম আমরা।’

    ‘তাহলে তো দেখছি গুলি না করাটা ভুলই হয়েছে!’

    ‘ভুল কি ঠিক বলা যায় না।’ হাসল রানা। ‘হয়তোর কথা বলছি আমি। হয়তো জখম হতাম, হয়তো মারাও পড়তে পারতাম। নিশ্চিত করে বলা যায় না। এখন যখন নিশ্চিত জানি কি হতে চলেছে, তখন তা জানতাম না। এইটুকুই লাভ হয়েছে।’

    ‘এখন নিশ্চিত জানো?’ প্রশ্ন করল মিসেস গুপ্ত।

    ‘জানি।’ উত্তর দিল রানা।

    ‘কি হতে চলেছে?’

    এখন আর তৃতীয় সম্ভাবনাটা নেই। জখম হব না। হয় মরব, নয় বাঁচব। বাঁচবার ইচ্ছেই বেশি, কাজেই ওদিকেই চেষ্টাটা রাখব বেশি। এখন যা করে আল্লায়।

    হো হো করে হেসে উঠল প্যাপন মং লাই। তুমি তো দারুণ ছেলে হে! সত্যিকার পুরুষ মানুষ তুমি। সোফিয়া বোধহয় চান্স দেবে না, দিলে আমিই তোমার প্রেমে পড়ে যেতাম।’

    ‘পড়ো না, মানা করছে কে তোমাকে?’ কপট কোপ দৃষ্টি হানল সোফিয়া পিতার প্রতি।

    ‘পড়বই তো। দেখিস। এখান থেকে বেরিয়ে নিই না আগে। তুই আর সুযোগ পাবি না তখন ‘

    ‘ওহ্-হো, ভুলে গিয়েছিলাম,’ বলল রানা, ‘গাড়িটা অ্যাকসিডেন্ট হয়ে যাওয়ার পর তোমার অজ্ঞান হওয়ার প্ল্যানটা মাথায় এসেছিল, তাই না সোফিয়া? নাকি ইচ্ছে করেই ঘটিয়েছিলে অ্যাক্সিডেন্ট?’

    ‘পাগল নাকি! ইচ্ছে করে অতবড় অ্যাক্সিডেন্ট করবার সাহস আছে বুঝি আমার? ভেবেছিলাম কোনমতে মার্সিডিসটা থামাতে পারলে তোমাকে উদ্ধার করে নিয়ে পালিয়ে যাব। হঠাৎ মোড় নিল বলে তাল সামলাতে না পেরে এমনিই অ্যাক্সিডেন্ট হয়ে গেছে। আর স্টার্ট করতে পারলাম না গাড়িটা। চোখের সামনে দিয়ে চলে গেল মার্সিডিস। তখনই প্ল্যানটা এল। আমি জানতাম, আমাকে ধরবার জন্যে প্রথমেই ওখানে লোক পাঠানো হবে। ঠিক পনেরো মিনিটের মধ্যেই দেখি গিয়ে হাজির হয়েছে। চুপচাপ মটকি মেরে পড়ে থাকলাম। কিছুই চিনি না আমি মান্দালয়ের, খুঁজে পেতাম না কিছুতেই এদের আড্ডা। কৌশলটা বেশ কাজে লেগে গেল।

    হঠাৎ কথা বলে উঠল মিসেস গুপ্ত বিরস বদনে

    ‘আপনারা বেশ হাসি খুশি আছেন কিন্তু।’ রানার দিকে ফিরল সে। ‘আমার সাংঘাতিক ভয় লাগছে, রানা। তোমার লাগছে না?’

    ‘লাগছে। মরতে কার ভাল লাগে বলো?’

    ‘কিন্তু নিজেকে এত ছোট লাগছে কেন? আমি জানি-তোমাদের তা লাগছে না। আমার লাগছে কেন?’

    ‘আত্মপ্রেমের জন্যে।‘

    ‘তার মানে?’

    ‘মানে খুবই সহজ।’ একবিন্দু টিটকারি প্রকাশ পেল না রানার কণ্ঠে। ‘তুমি আজ পর্যন্ত যা করেছ সব নিজের জন্যে। তোমার দোষ নেই। আসলে আত্মকে ত্যাগ করবার সুযোগ পাওনি তুমি কোনদিন। এই শিক্ষাটা পরিবেশ আর পারিপার্শ্বিকতা থেকে আসে। তোমার সুযোগ হয়নি এ শিক্ষা গ্রহণের। তুমি আত্মপ্রেমেই মগ্ন।

    ‘আর একটু পরিষ্কার করে বলবে?’ গম্ভীর মিসেস গুপ্ত। ‘তোমরা নিজেকে ভালবাস না?’

    ‘বাসি। কিন্তু আমরা হাসতে পারছি, তুমি পারছ না। আমাদের চারজনের এখানে আসবার উদ্দেশ্য খতিয়ে দেখলেই সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে তোমার কাছে। আমি কেন এসেছি? দেশের শত্রুকে ধ্বংস করতে। প্যাপন মং লাই কেন এসেছেন? ওঁর লোকেদের সর্বনাশের হাত থেকে রক্ষা করতে গিয়ে, নিজের ব্যক্তিগত লাভের জন্যে নয়। সোফিয়া কেন এসেছে? দেশের লোকদের জন্যে তো বটেই, ওর বাবাকে, এবং সেই সাথে মাসুদ রানা নামের এক বিদেশী প্রায় অপরিচিত লোককে উদ্ধার করতে। কিন্তু তুমি? তুমি এসেছ শুধু মাত্র নিজের জন্যে। তাই না?’

    ‘হ্যাঁ। কেবল তাই নয়, যাকে বাঁচাবার জন্যে প্রায় অপরিচিতা একটি মেয়ে নিজের জীবন বিপন্ন করতে দ্বিধা করছে না, তাকে আমি ধরে নিয়ে এসেছি আমার ব্যক্তিগত স্বার্থ উদ্ধারের জন্যে। বুঝতে পারছি এখন। ঠিকই বলেছ, আত্মপ্রেম। কিন্তু এর ঊর্ধ্বে উঠতে পারি না কেন?

    ‘এটা অভ্যাস। চেষ্টা করলে এই অভ্যাস ভাঙতে পারবে।’

    ‘এই জন্যেই কি মরতেও গ্লানি বোধ করছি?’

    ‘বোধহয়।’

    ‘তোমাদের মত সহজ সরল মনে মরতে পারলে সুখী হতাম।

    মিসেস গুপ্তের ছলছলে চোখের দিকে চেয়ে কেমন যেন বেদনা বোধ করল রানা। বলল, ‘আমরা মরবই এমন প্রতিজ্ঞা তো করিনি, ফ্যান সু।’

    ‘আমি অন্তর থেকে অনুভব করছি, আমার দিন ফুরিয়ে এসেছে।

    উ-সেনকে আমি ভাল করেই চিনি। নিস্তার নেই আমাদের। আমি জানি কতখানি ভয়ঙ্কর লোক ও।’

    আমরাও ভয়ঙ্কর লোক, ফ্যান সু। একটু সুযোগ দিয়ে দেখুক না উ-সেন, এক লাফে ডিঙিয়ে যাব ওকে।’

    হাসল মিসেস গুপ্ত। বলল, ‘মনটা হালকা লাগছে অনেকটা। অসংখ্য ধন্যবাদ, রানা। যদি বাঁচি, আমার প্রথম কাজ হবে নিজেকে নিজের হাত থেকে উদ্ধার করা। আমি বাঁচতে চাই, রানা।’

    এমনি সময় খুব কাছ থেকে হেলিকপ্টারের আওয়াজ শোনা গেল। সামান্য একটু কেঁপে উঠল যেন দালানটা। রানার চোখে প্রশ্ন দেখে বলল মিসেস গুপ্ত, ‘ও কিছু না। ফিরে এল উ-সেনের হেলিকপ্টার। ছাতের ওপর ওটার ল্যান্ডিং গ্রাউন্ড।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা
    Next Article মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }