Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প242 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রক্তের রঙ ২.৯

    নয়

    ক্লোরিন গ্যাসে মৃত্যু সম্পর্কে কোন ধারণা ছিল না রানার। দম বন্ধ করে পড়ে রইল সে ঝাড়া পনেরো সেকেন্ড। তারপর হঠাৎ প্রবল ভাবে কেঁপে উঠল ওর সর্বশরীর। বার দুয়েক কেঁপে উঠেই স্থির হয়ে গেল রানা। চোখ দুটো স্থির হয়ে চেয়ে রয়েছে ছাতের দিকে।

    এতক্ষণ বুকটা ওঠা নামা করছিল, থেমে গেছে সেটাও। বাপ-বেটির অবস্থাও তথৈবচ।

    আরও পনেরো সেকেন্ড পর নড়ে উঠল দর্শকরা। দুই একটা কথা বলল নিজেদের মধ্যে, তারপর রওনা হলো দরজার দিকে। একে একে বেরিয়ে গেল সব কজন। বন্ধ হয়ে গেল দরজা, ভারী বল্টু লেগে গেল বাইরে থেকে ঘটাং করে।

    তড়াক করে উঠে দাঁড়াল রানা। উঠে বসল প্যাপন মং লাই এবং সোফিয়াও—সবাই দম বন্ধ করে রেখেছে। দরজাটার এপাশে কোন হ্যান্ডেল নেই। ধাক্কা দিয়ে দেখল রানা, বাইরে থেকে বন্ধ। এক ইঞ্চি পুরু কাচ কি লাথি দিয়ে ভাঙা যাবে? তাই চেষ্টা করে দেখতে হবে। এছাড়া আর কোন পথ নেই এখান থেকে বেরোবার।

    দড়াম করে লাথি মারল রানা। খানিকটা বাতাস বেরিয়ে গেল মুখ থেকে। অভ্যাস বশে শ্বাস টানতে গিয়েও সামলে নিল সে। এখন এই ঘরে একবার শ্বাস নেয়া মানেই নিশ্চিত মৃত্যু। আবার লাথি মারল রানা দরজার গায়ে। একবিন্দুও চিড় ধরল না কাচের গীয়ে। অনেক চাপ সহ্য করবার উপযোগী করে তৈরি করা হয়েছে এই কাচ, সহজে ভাঙবে না।

    উঠে এল প্যাপন মং লাই। সোফিয়াও এল। তিনজন মিলে সর্বশক্তি প্রয়োগ করে কাঁধ দিয়ে ধাক্কা দিল একসাথে। এবার কেঁপে উঠল দরজাটা। দ্বিগুণ উৎসাহে আবার ধাক্কা দিল তিনজন একসাথে। আবার একটু কেঁপে উঠল দরজাটা। তার বেশি কিছুই নয়।

    এক মিনিট পার হয়ে গেছে। চোখ-মুখ লাল হয়ে উঠেছে সোফিয়ার। আর বেশিক্ষণ দম আটকে রাখা সম্ভব হবে না ওর পক্ষে। কপালে এক আধটা শিরা দেখা দিতে শুরু করেছে।

    দ্রুত চিন্তা চলছে রানার মাথায়। যে করে হোক বেরোতে হবে এখান থেকে আধ মিনিটের মধ্যে।

    ঝটপট জুতো খুলে ফেলল রানা। স্টীলের পাত বসানো জুতোর একটা ধরিয়ে দিল প্যাপন মং লাইয়ের হাতে, অপরটা দিয়ে হাতুড়ির মত খটাখট মারতে শুরু করল কাচের গায়ে—ঠিক যেখানটায় হ্যান্ডেল দেখা যাচ্ছে তার ছয় ইঞ্চি উপরে।

    ছোট ছোট কাচের চিলতে উঠতে শুরু করল এবার। কামারের দোকানে যেভাবে দু’জন মিলে হাতুড়ি চালায় ঠিক তেমনি একবার রানা, একবার প্যাপন মং লাই জুতো মেরে চলল কাচের গায়ে দ্রুত বেগে। পনেরো সেকেন্ডের মধ্যেই হাত গলাবার মত ফাঁক হয়ে গেল এক ইঞ্চি পুরু কাচ। হাত গলিয়ে দিয়েই হ্যান্ডেলে চাপ দিল রানা। খুলে গেল দরজা।

    ছুটল রানা সুইচ বোর্ডের দিকে। ইশারা করে নিষেধ করল যেন কেউ শ্বাস না নেয়। কাচ-ঘরের দরজা লাগিয়ে দিয়েছে ওরা বেরিয়েই, কিন্তু যথেষ্ট পরিমাণে গ্যাস নিশ্চয়ই বেরিয়ে এসেছে এই ঘরে।

    একটার পর একটা সুইচ টিপতে শুরু করল রানা। প্রথমটাতে ঝর ঝর করে পানি পড়তে শুরু করল, দুই নম্বরে নামতে শুরু করল পাইপটা নিচের দিকে হাতীর শুঁড়ের মত। তৃতীয়টাতে যথাস্থানে ফিরে গেল পাইপটা চতুর্থটাতে আবার পানি, পঞ্চমটাতে নেমে আসছে শুঁড়, ষষ্ঠতে আবার উঠে গেল সেটা। অনেকটা বুঝে ফেলেছে রানা। সপ্তম বোতাম টিপতেই ধোঁয়ার মত গ্যাস বেরোতে শুরু করল ঝাঁঝরি দিয়ে, তিন সেকেন্ড পর ওটা বন্ধ করে পাশেরটা টিপল রানা। অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে ধোঁয়াটা।

    এতক্ষণে ফিরল রানা বাপ-বেটির দিকে। দেখল, সোফিয়ার নাক-মুখ টিপে ধরে আছে প্যাপন মং লাই। ছটফট করছে সোফিয়া, চোখ দুটো বিস্ফারিত। গলায়, কপালে নীল শিরা দপ দপ করে লাফাচ্ছে। শ্বাস নেয়ার জন্যে রীতিমত কুস্তি করছে সে, প্রাণপণ শক্তিতে একহাতে চেপে ধরে আছে ওকে প্যাপন মং লাই, অন্য হাতে টিপে ধরে আছে নাক-মুখ, কিছুতেই শ্বাস নিতে দেবে না। প্যাপনের নিজের অবস্থাও কাহিল হয়ে এসেছে, টকটকে লাল হয়ে গেছে চোখ দুটো।

    একছুটে গিয়ে কাচ-ঘরের দরজাটা খুলে দিল রানা। আর দম আটকে রাখা যাচ্ছে না। কতক্ষণ লাগবে এই হারামী গ্যাসের বের হতে? আর তো থাকতে পারছে না।

    আরও পনেরো সেকেন্ড কাটল।

    ছটফটানি কমে আসছে সোফিয়ার। আর কিছুক্ষণ নাক-মুখ টিপে ধরে রাখলে শ্বাস নেয়ার প্রয়োজন ফুরিয়ে যাবে বেচারীর চিরতরে। ভুশ করে শ্বাস ছাড়ল রানা, সেই সাথে ইঙ্গিত করল প্যাপন মং লাইকে। তিনজনই ফুঁপিয়ে উঠল একসাথে। দুনিয়ার সব বাতাস একবারে টেনে নিতে চাইছে ওদের ফুসফুস। বার কয়েক শ্বাস নিয়েই ফুঁপিয়ে উঠল সোফিয়া। এত কষ্ট বোধহয় জীবনে পায়নি কখনও ও।

    বেঁচে থাকার আনন্দে পাগলের মত হাসতে শুরু করল প্যাপন মং লাই, দুই হাতে রানাকে জড়িয়ে ধরে পচাং পচাং চুমো খেয়ে ফেলল দশ বারোটা। ধেই ধেই করে নাচল কিছুক্ষণ, তারপর জড়িয়ে ধরে আদর শুরু করল সোফিয়াকে।

    প্রাণ ভরে শ্বাস নিল রানা। এক মিনিট পার হয়ে গেছে, তবু যখন মারা গেল না, তখন বুঝতে পারল বিষাক্ত গ্যাস বেরিয়ে গেছে, আর ভয়ের কিছু নেই। অন্তত গ্যাসের ভয় নেই আর। মিসেস গুপ্তের মৃতদেহের কাছে গিয়ে দাঁড়াল রানা। পিছু পিছু এল বাপ-বেটি। সংক্ষিপ্ত পরীক্ষা করে নিশ্চিত হলো রানা, মারা গেছে মিসেস গুপ্ত। অসহায় ভঙ্গিতে একরাশ রক্তের মধ্যে মুখ থুবড়ে পড়ে আছে। নিজেকে নিজের হাত থেকে উদ্ধার করা হলো না আর ওর। মনে মনে ক্ষমা করে দিল রানা ওকে।

    ঘটাং করে বল্টু খোলার শব্দে চমকে উঠল তিনজন একসাথে। খুলে যাচ্ছে দরজাটা। বোতাম টিপে গ্যাস বের করে দিয়ে লাশগুলোর সৎকারের ব্যবস্থা করতে এসেছে কেউ।

    দুই সেকেন্ডের মধ্যেই কয়েক লাফে পৌছে গেল রানা দরজার কাছে। আক্রমণের জন্যে মোটেই প্রস্তুত ছিল না লোকটা। মেশিন পিস্তল বের করবার সুযোগ পেল না, কি ঘটছে টের পাওয়ার আগেই জ্ঞান হারাল নাকের উপর একটা প্রচণ্ড ঘুষি এবং ঘাড়ের উপর একটা তীব্র জুডো চপ খেয়ে। ওকে ছেড়ে দিয়ে দ্বিতীয় জনের দিকে ফিরল রানা। পালোয়ানী চেহারা লোকটার।

    বিস্ফারিত দুই চোখে অবিশ্বাস নিয়ে চেয়ে ছিল দ্বিতীয় প্রহরী রানার দিকে। রানাকে ওর দিকে ফিরতে দেখে সংবিৎ ফিরে পেল। চট করে হাত চলে গেল কোমরে ঝুলানো মেশিন পিস্তলের বাঁটে।

    কলার ধরে এক হ্যাঁচকা টানে ঘরের ভিতর নিয়ে এল রানা ওকে। ততক্ষণে বিস্ময় কাটিয়ে উঠে সামলে নিয়েছে দ্বিতীয় প্রহরী। একহাতে রানার কব্জি চেপে ধরল লোকটা, টান দিয়ে কলার থেকে ছাড়াবার চেষ্টা করছে রানার হাত। অপর হাতে চলে এসেছে মেশিন পিস্তল। দড়াম করে থুতনি বরাবর ঘুষি মারল রানা। টলে উঠল ঠিকই, কিন্তু কাবু হলো না লোকটা, পিছন দিকে একটা ঝটকা দিয়েই লাফ দিল সামনের দিকে। কলার ছেড়ে, বাম হাতে জুডো চপ মারল রানা মেশিন পিস্তল ধরা হাতে, কব্জি থেকে আট ইঞ্চি উপরে নরম পেশীর ভিতরের নার্ভ সেন্টার লক্ষ করে। ছিটকে হাত থেকে পড়ে গেল মেশিন পিস্তলটা, কিন্তু হুড়মুড় করে পড়ে গেল রানাও। রানার বুকের উপর পড়ল লোকটা। পড়েই দমাদম ঘুষি মারল কয়েকটা।

    পা দুটো বাঁকিয়ে এনে লোকটার গলায় বাধিয়ে জোরে একটা চাপ দিল রানা। ডিগবাজি খেয়ে সরে গেল লোকটা রানার বুকের উপর থেকে। তড়াক করে উঠে দাঁড়াল দু’জনই। ঝাঁপিয়ে পড়ল পরস্পরের উপর। এক সেকেন্ডের মধ্যে দড়াম করে মেঝের উপর আছাড় মারল লোকটা রানাকে। রানা টের পেল, কেবল অত্যন্ত শক্তিশালীই নয়, জ্যুজুৎসুর এস্পার্ট লোকটা। রানার তুলনায় অনেক বেশি জ্ঞান রাখে সে আন্-আর্ল্ড কমব্যাট সম্পর্কে। মেশিন পিস্তলের দিকে এক পা বাড়াতেই লাথি চালাল রানা ওর পায়ে। পড়ে গেল সেও। উড়ে গিয়ে পড়ল রানা ওর উপর। আধ মিনিটের মধ্যে ক্ষত বিক্ষত হয়ে গেল দু’জনই, কিন্তু কেউ কাউকে কাবু করতে পারল না। খটাশ করে লাথি পড়ল লোকটার নাকের উপর। এতক্ষণে লক্ষ করল সে প্যাপন মং লাই এবং সোফিয়ার উপস্থিতি। নিশ্চিত পরাজয় টের পেয়ে লাফিয়ে উঠে দরজার দিকে ছুটল সে। দুই হাতে চুলের মুঠি ধরে ঝুলে পড়ল সোফিয়া। রানা উঠে দাঁড়াবার আগেই সোফিয়াকে ঝুলন্ত অবস্থাতেই ছেঁচড়ে টেনে নিয়ে চলে গেল সে সুইচ বোর্ডের কাছে। মেশিন পিস্তলের বাট দিয়ে মারল রানা লোকটার মাথার পিছনে। কিন্তু ততক্ষণে টিপে দিয়েছে সে অ্যালার্ম বেল। পরিষ্কার শুনতে পেল ওরা শব্দটা। ক্রিং ক্রিং বেজে চলেছে অ্যালার্ম। ঢলে পড়ে গেল দ্বিতীয় প্রহরীর জ্ঞানহীন দেহ।

    অ্যালার্ম সুইচটা অফ করে দিল রানা।

    ‘এইটা ধরো।’ মেশিন পিস্তলটা সোফিয়ার হাতে ধরিয়ে দিয়ে প্রথম প্রহরীর মেশিন পিস্তল বের করে নিল রানা ওর কোমর থেকে। এগিয়ে ধরল প্যাপন মং লাইয়ের দিকে। ‘আপনি ধরুন এইটা।’

    মাথা নাড়ল বৃদ্ধ হাসি মুখে। বাম হাতে ধরা গোটা পাঁচেক ছুরি দেখাল। মিসেস গুপ্তের শরীর থেকে খুলে নিয়েছে। ‘ওটা তুমি রাখো, ওসবের বিচ্ছিরি শব্দ আমার পছন্দ হয় না।’ হঠাৎ গম্ভীর হয়ে প্রশ্ন করল, ‘এবার? কিভাবে বেরোবে এখান থেকে? বিপদ টের পেয়ে গেছে সবাই।’

    ‘আসুন আমার সাথে।’ বলেই এগোল রানা। ‘ওরা এখনও জানে না কি ধরনের বিপদ উপস্থিত হয়েছে। সেটা বুঝে ওঠার আগেই আমাদের সারতে হবে সব কাজ।’ কয়েকটা করিডর পেরিয়ে একটা হলরুমে ঢুকল ওরা। ‘এত বিরাট দালানে লিফট ছাড়াও অন্তত তিন চারটে সিঁড়ি থাকার কথা। লিফট ব্যবহার করব না আমরা। এদের কতজন লোক আছে এখানে?’

    চলতে চলতেই উত্তর দিল প্যাপন মং লাই, ‘পনেরো বিশজনের বেশি না।’

    ‘আমরা যাকে সামনে পাব গুলি করব। কিন্তু কেউ নিচের তলার দিকে পালাবার চেষ্টা করলে পিছু ধাওয়া করব না। আমাদের চেষ্টা হবে যত দ্রুত সম্ভব ছাতে পৌছানো, উপর দিকে উঠবার চেষ্টা করব আমরা। বিচ্ছিন্ন ভাবে তিনজন একসাথে যেন ধরা না পড়ি সেদিকে লক্ষ রাখতে হবে। সোফিয়া, তুমি এইখানে দাঁড়াও। এই সিঁড়ি দিয়ে ওপরে উঠতে শুরু করবে তিন মিনিট পর।’

    ‘ওপরে কেন?’

    ‘আহ্-হা! প্রশ্ন কোরো না সোফিয়া,’ বকা দিল প্যাপন মং লাই। ‘আদেশ পালন করো। সময় নেই হাতে।’ রানার দিকে ফিরল, ‘আমি যাব কোন্ দিকে?’

    ‘চলুন এগোই।’

    একটা অপেক্ষাকৃত সরু সিঁড়ির কাছাকাছি অন্ধকার ছায়ায় প্যাপন মং লাইকে দাঁড় করিয়ে দিয়ে প্রকাণ্ড ড্রইংরুমে এসে ঢুকল রানা। ও জানে, মূল সিঁড়িটা এবং লিফটের দিকে নজর রাখতে পারবে সে এখান থেকে।

    একমিনিটের মধ্যেই পায়ের শব্দ শুনতে পেল রানা।

    ‘কি হলো, ডাক্তার, অ্যালার্ম বেল বাজাল কে?’ উ-সেনের কণ্ঠস্বর শোনা গেল উপর থেকে।

    ‘বেল টেপা হয়েছে টর্চার চেম্বার থেকে, হুয়াং-এর উত্তর শোনা গেল। ‘আমি দেখছি, তুমি থাকো।’

    ‘ঠিক আছে, আমি বরং নিচ তলার সবাইকে সাবধান করে দিই। কিন্তু…কি ঘটতে পারে টর্চার চেম্বারে…’ কণ্ঠস্বরটা মিলিয়ে গেল।

    সিঁড়ি বেয়ে নেমে আসছে হুয়াং, হাতে পিস্তল। প্রহরীদের নাম ধরে ডাকল হুয়াং, কেউ কোন জবাব দিল না। হঠাৎ একটা আর্তনাদ শোনা গেল প্যাপন মং লাইয়ের এলাকা থেকে। মাঝ সিঁড়িতে থমকে দাঁড়াল হুয়াং।

    পিছন দিকে জেনারেলের কণ্ঠস্বর শুনতে পেল রানা। ‘কিয়া বাত, শেখ? চিল্লাতা কওন?’ লিফটের ভিতর থেকে বেরিয়ে এল দু’জন। এইদিকেই আসছে। ঘরে ঢুকে পিস্তলধারী হুয়াংকে দেখে থমকে গেল।

    ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল রানা।

    মৃত রানাকে চোখের সামনে দেখেই চক্ষুস্থির হয়ে গেল ওদের আত্মারাম খাঁচা ছাড়া হয়ে গেল মেশিন পিস্তল দেখে। আতঙ্কে বিকৃত হয়ে গেছে চোখ মুখ।

    বুম করে পিস্তলের আওয়াজ হলো। থ্রী পয়েন্ট ফাইভ লেসের চশমার ভিতর দিয়ে রানাকে দেখতে পেয়েছে হুয়াং। বিস্ময় কাটিয়ে উঠতে তিন সেকেন্ডের বেশি সময় লাগেনি ওর। মাঝ সিঁড়িতে দাঁড়িয়েই গুলি করেছে সে। লোকটার চিন্তার দ্রুততা সত্যিই বিস্ময়কর, কিন্তু হাতের টিপ তেমনি খারাপ। রানার দিকে তাক করে ছোঁড়া ছয়টা গুলি ইতোমধ্যেই মিস করেছে সে রেঙ্গুনে, সপ্তমটাও মিস হয়ে গেল। লক্ষ্যভ্রষ্ট গুলিটা সোজা গিয়ে ঢুকল জেনারেল এহতেশামের হৃৎপিণ্ডে।

    ঝট্ করে ঘুরেই গুলি করল রানা। একটা তীক্ষ্ণ চিৎকার বেরোল ডক্টর হুয়াং-এর কণ্ঠ থেকে। কিন্তু আহত হলো না নিহত বুঝতে পারল না রানা। দপ করে নিভে গেল সমস্ত বাতি। খট খট করে কয়েক সিঁড়ি নামল হুয়াং-এর পিস্তলটা। ওটা থেমে যেতেই নিস্তব্ধ হয়ে গেল চারদিক। কর্নেল শেখের অবস্থান লক্ষ্য করে আবার একঝাঁক গুলি বর্ষণ করল রানা। কাচের দরজাটা চুর করে দিয়ে বেরিয়ে গেল গুলিগুলো। কর্নেল শেখ সরে গেছে। রানাও সরে গেল কয়েক পা।

    নিজের শ্বাস-প্রশ্বাসের শব্দ ছাড়া কিছুই শুনতে পাচ্ছে না রানা। আশপাশেই কোথাও রয়েছে কর্নেল শেখ, কিন্তু কোথায় আছে বোঝার উপায় নেই। আরও কয়েক পা সরে গিয়ে অন্ধকার হাতড়ে একটা চেয়ার পেল রানা। চেয়ারের পাশেই টেবিল, টেবিলের উপর অ্যাশট্রে। বাম হাতে তুলে নিল রানা অ্যাশট্রেটা।

    এমনি সময়ে কড়কড় শব্দে গর্জে উঠল মেশিন পিস্তল সোফিয়ার এলাকা থেকে। আর্ত চিৎকার শুনতে পেল রানা পুরুষ কণ্ঠে। আবার চুপ।

    অ্যাশট্রেটা ছুঁড়ে দিল রানা হাত দশেক দূরে। ‘বুম’ গুলি হলো রানার বাম পাশ থেকে। আগুনের হল্কা দেখেই গুলি করল রানা। ‘উফ্’ শুনতে পেল রানা, তারপরই দুড়দাড় পায়ের শব্দ। ভাগছে কর্নেল শেখ। পায়ের শব্দ লক্ষ্য করে ট্রিগারে চাপ দিল রানা। একটি গুলিও বেরোল না। গুলি শেষ। দেয়ালের গায়ে খড় খড় শব্দ হলো, তারপর উ-সেনের কণ্ঠস্বর ভেসে এল লাউড স্পীকারে।

    ‘মিস্টার মাসুদ রানা! গ্যাস চেম্বার থেকে কিভাবে বাঁচলেন বুঝতে পারছি না। কিন্তু এইবার প্রস্তুত হয়ে যান মৃত্যুর জন্যে। কিছুতেই নিস্তার নাই আপনার। নেমে আসছি আমি এখুনি। অন্ধকারে কিছুই দেখতে পাবেন না আপনি, কিন্তু আমি ঠিকই দেখতে পাব। আমার কাছে দিন আর রাতে, আলো আর অন্ধকারে কোন প্রভেদ নেই। নিন রক্ষা করুন নিজেকে।

    দপ করে একবার জ্বলে উঠেই নিভে গেল আবার সমস্ত বাতি। অন্ধকার আরও ঘন হয়ে এল উজ্জ্বল আলোয় চোখ ধাঁধিয়ে যাওয়ায়। আবার শোনা গেল উ-সেনের গলা। এবার আর লাউড স্পীকারে নয়, নিজস্ব গমগমে কণ্ঠস্বরে বলল, ‘আপনার বিশ হাত পিছনে আছি আমি, মিস্টার মাসুদ রানা। আমার হাতে রয়েছে দশটা থ্রোয়িং নাইফ। পালাবার উপায় নেই, বাঁচবার চেষ্টা বৃথা, তবু চেষ্টা করে দেখুন।

    কথাটা পুরোপুরি বিশ্বাস করল না রানা। কারণ হুয়াং যে সিঁড়ি দিয়ে নামছিল সেখানে আবছা একটা পায়ের শব্দ শুনতে পেয়েছে সে। আন্দাজের উপর নির্ভর করে মেশিন পিস্তলটা ছুঁড়ে মারল সে মাঝ সিঁড়ি বরাবর। ঠাশ করে লাগল ওটা গিয়ে কোন নরম বস্তুর গায়ে। লাথি খাওয়া কুকুরের মত কেঁউ করে উঠল স্যুই থি।

    ‘স্যুই, তুমি এ সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়েছিলে কেন?’ ধমকের সুরে বলল উ-সেন। ‘লোইকা মারা গেছে। কাজেই ছাতে গিয়ে লাভ নেই। পিছন দিকের লিফটে করে সোজা কার পার্কে নেমে যাও।’

    এক লাফে একটা সোফার আড়ালে গিয়ে বসে পড়ল রানা। বোঁ করে কানের এক ইঞ্চি দূর দিয়ে গিয়ে ঘ্যাঁচ করে সোফার গায়ে বিধল একটা ছুরি। চমকে উঠল রানা। হা হা করে হেসে উঠল উ-সেন রানার পিছন থেকে। ছুরিটা টান দিয়ে বের করে নিয়ে একলাফে সোফার ওপাশে চলে এল রানা।

    ‘আমি ভেন্ট্রিলোকুইজ্‌ম্ জানি, মিস্টার মাসুদ রানা। ব্যাপারটা আপনার জানা ছিল না বলে প্রথম সুযোগে মারলাম না। সেটা ছাগল জবাই করার মত সহজ কাজ হত।

    কণ্ঠস্বর লক্ষ্য করে সাঁই করে ছুঁড়ল রানা ছুরিটা। আবার হেসে উঠল উ-সেন।

    ‘সরে গেছি আমি ওখান থেকে। ঠিক যেখান থেকে আমার গলার আওয়াজ পাচ্ছেন, সেখানে আমি নেই। নিন, বাম হাতটা সামলান।

    অত্যন্ত দ্রুত সরিয়ে নিল রানা বাম হাতটা, তবু ঘ্যাঁচ করে খানিকটা চামড়া চিরে দিয়ে বেরিয়ে গেল ছুরিটা। ‘উফ্’ বলেই এক লাফে সরে গেল রানা পাঁচ হাত দূরে। একটা চেয়ারে পা বেধে পড়ে গেল মাটিতে। চেয়ার সহ উঠে দাঁড়াল সে চৈয়ারের সীট দিয়ে বুকটা আড়াল করে।

    ‘বাহ্!’ প্রশংসা করল উ-সেন। ‘আপনার রিফ্লেক্স তো দারুণ! এত দ্রুত রিঅ্যাক্ট করতে দেখিনি আমি আর কাউকে। নইলে ছুরিটা লক্ষ্যভ্রষ্ট হত না কিছুতেই। কিন্তু চেয়ার দিয়ে আড়াল করলে কি বাঁচতে পারবেন? ধরতে গেলে আমি আপনার চতুর্দিকেই আছি। এখন…’

    রানা বুঝল, কথা বলতে বলতে হয় ডান দিক নয় বাম দিক দিয়ে ওর পিছনে চলে যাচ্ছে উ-সেন পরিষ্কার টার্গেট পাওয়ার জন্যে। রীতিমত ভয় পেয়েছে রানা। অশরীরী আত্মার মত মনে হচ্ছে উ-সেনকে। কোন্ দিক থেকে ছুটে আসবে মৃত্যুবাণ বুঝবার উপায় নেই। পাগলের মত ছুটল সে বাম দিক লক্ষ্য করে। ঘরের আসবাব কোথায় কি ছিল সব গুলিয়ে গেছে মাথার মধ্যে। শেয়ালের তাড়া খাওয়া মুরগীর অবস্থা হয়েছে ওর। একটা চেয়ারে হোঁচট খেয়ে মুখ থুবড়ে পড়ল সে ডাইনিং টেবিলের উপর, টেবিল উল্টে হুড়মুড় করে মাটিতে। ঝনঝন করে কয়েকটা কাপ তস্তরী গ্লাস ছুরি কাঁটা চামচ পড়ল মাটিতে ।

    মেঝে হাতড়িয়ে একটা কাঁটা চামচ তুলে নিয়েই ছুঁড়ল রানা ডান দিকে, উ-সেনের সম্ভাব্য অবস্থান লক্ষ্য করে।

    ‘চেষ্টা করলে আপনিও ভাল নাইফ থ্রোয়ার হতে পারতেন, মিস্টার মাসুদ রানা,’ বলল উ-সেন। ‘কাঁটা চামচটা এসে ঠিক আমার বাম হাতে লেগেছে।

    কণ্ঠস্বর ভেসে এল রানা যেদিকে চামচ ছুঁড়েছিল ঠিক সেদিক থেকেই। রানা বুঝল ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করছে উ-সেন মিথ্যে বলে। কিন্তু কোনটাকে যে সত্য বলে ধরবে তাও ঠিক বুঝে উঠতে পারছে না সে। বুদ্ধির উপর নির্ভর না করে নিজের অবচেতন মনের নির্দেশ মেনে চলাই স্থির করল সে। এঁকে বেঁকে ছুটল সিঁড়ির দিকে।

    বাম বগলের নিচে দিয়ে কোট ফুটো করে ঢুকল একটা ছুরি। মরণ চিৎকার দিল রানা গলা ফাটিয়ে। হুমড়ি খেয়ে পড়ল সিঁড়ির উপর। পাগলের মত খুঁজছে ডক্টর হুয়াং-এর পিস্তলটা।

    পঞ্চম ধাপে পাওয়া গেল পিস্তলটা। কোন লক্ষ্যই নেই, কাজেই লক্ষ্যস্থির করার প্রশ্ন ওঠে না। চেয়ারটা সামনে বাগিয়ে ধরে যেদিক খুশি গুলি করল রানা পরপর পাঁচবার। শেষ গুলিটা বেরোবার সাথে সাথেই ডান দিক থেকে আওয়াজ এল, ‘আ-উফ্!’ সত্যিকার আর্তনাদ চিনতে ভুল হলো না রানার। একলাফে উঠে দাঁড়াল। প্রচণ্ড বেগে ছুঁড়ে মারল খালি পিস্তলটা শব্দের উৎস লক্ষ্য করে। ঠুস করে কাচ ভাঙার শব্দ পেয়েই আনন্দে লাফিয়ে উঠল রানার হৃদয়। একটানে বগল তলা থেকে ছুরিটা বের করে নিয়ে মারল একই দিকে। খটাশ করে দেয়ালে গিয়ে লাগল ছুরিটা। সরে গেছে উ-সেন।

    পাগলের মত অন্ধকারে খুঁজল রানা উ-সেনকে। কোথাও নেই। লিফটের কাছে কিসের শব্দ শুনে সেদিকে রওনা হতে যাচ্ছিল রানা, এমনি সময় দপ করে জ্বলে উঠল সব ক’টা বাতি একসাথে। প্রথম কয়েক সেকেন্ড কিচ্ছু দেখতে পেল না রানা ॥ আলোটা সহ্য হয়ে আসতেই দেখতে পেল লিফটের দরজায় দাঁড়িয়ে আছে উ-সেন। চশমা নেই চোখে। বুকের ডান দিকে লেগেছিল রানার পঞ্চম গুলিটা। লাল হয়ে গেছে সাদা শার্ট রক্তে ভিজে।

    স্থির দৃষ্টিতে চেয়ে রইল রানা উ-সেনের রক্তে ভেজা শার্টের দিকে। নিজের বাম হাতের দিকে চাইল একবার। টপ টপ করে রক্ত ঝরছে। অদ্ভুত একটা উপলব্ধি এল ওর মধ্যে। কোনও প্রভেদ নেই! বিউটি কুইনের রক্তের সাথে ওর নিজের রক্তের রঙে কোন প্রভেদ নেই। লাল। গায়ের রঙ, জাতি, ধর্ম, পেশা, ইত্যাদির প্রভেদ থাকতে পারে; কিন্তু বিউটি কুইনের হত্যাকারী ইয়েন ফ্যাঙ, ইয়েন ফ্যাঙের হত্যাকারী মিসেস গুপ্ত, মিসেস গুপ্তের হত্যাকারী উ-সেন, সবার রক্তের রঙ লাল। ওর নিজেরও। তবু এই ‘হানাহানি, ইচ্ছের লড়াই, স্বার্থের দ্বন্দ্ব, আর রক্তপাত! এ থেকে কি মুক্তি নেই মানুষের?

    ধীরে ধীরে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে লিফটের দরজা। একটা গমগমে কণ্ঠ শুনতে পেল রানা।

    ‘মাসুদ রানা। তুমি মস্ত ক্ষতি করলে আমার। পৃথিবীর যেখানেই থাকো, যত সাবধানেই থাকো, বাঁচতে পারবে না তুমি আমার হাত থেকে। প্ৰস্তুত থেকো, আজ হোক, কাল হোক, দশবছর পরে হোক—প্রতিশোধ নেব আমি।

    বন্ধ হয়ে গেল লিফটের দরজা।

    জেনারেল এহতেশাম এবং হুয়াং কির লাশ ডিঙিয়ে ছুটল রানা ছাতের দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা
    Next Article মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }