Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প242 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রক্তের রঙ ১.৫

    পাঁচ

    হ্যান্ডব্যাগে মেয়েলি টুকিটাকি জিনিস আর রানার দেয়া পঞ্চাশ টাকার নোটটা ছাড়া কিছুই নেই। মেয়েটি সম্পর্কে জানা গেল না কিছুই। গায়ে হাত দিয়ে টের পেল রানা, ঘণ্টাখানেক আগে মারা গেছে মেয়েটা, রিগর মর্টিস শুরু হতে দেরি আছে, কিন্তু শরীরটা ঠাণ্ডা হয়ে এসেছে।

    রানার স্যুটকেস, ডেস্কের ড্রয়ারে যত কাগজপত্র, বিছানার তলা, এবং মেঝেতে বিছানো কার্পেটের তলা তন্নতন্ন করে সার্চ করা হয়েছে। এ ব্যাপারে বিশেষ মাথা ঘামাল না সে। হাজার খুঁজেও কিছুই পাওয়া যাবে না, জানে রানা। কিন্তু আপত্তিকর কিছু রেখেও তো যেতে পারে রানাকে বিপদে ফেলার জন্যে?

    কেবিনের প্রত্যেকটা জিনিস পরীক্ষা করল রানা সুশৃঙ্খলভাবে। না। কিছুই প্ল্যান্ট করে রেখে যায়নি আততায়ী। একটা চুরুটের টুকরো পাওয়া গেল শুধু ঘরের কোণে।

    একটা সিগারেট ধরিয়ে বাতিটা নিবিয়ে দিয়ে বসে পড়ল রানা খাটের কিনারে।

    কেন হত্যা করা হলো এই অসহায় মেয়েটিকে? কারা করল কাজটা? প্রশ্ন করা হয়েছিল মেয়েটাকে। কি প্রশ্ন? আব্বাস মির্জার আসল পরিচয় কি? কোথায় গিয়েছে সে? সে যখন আব্বাস মির্জাকে ছদ্মবেশে ওর বোটে করে শহরে যেতে দিয়েছে, তখন কিছু জানি না বললে চলবে না, নিশ্চয়ই সব জানে সে। আগে থেকে প্ল্যান করা ছিল সবকিছু।

    বুদ্ধমূর্তির পায়ের কাছে যে মোটা লোকটাকে বসিয়ে রেখেছিল রানা, কাজটা তারও হতে পারে। জ্ঞান ফিরে পেয়ে হয়তো সোজা চলে এসেছে এই ইয়টে, রানাকে না পেয়ে প্রতিশোধ নিয়ে গেছে এই মেয়েটির উপর। রানাকে হারিয়ে ফেলেছে সে, এই অপরাধ ঢাকবার জন্যেও করতে পারে কাজটা।

    ছদ্মবেশ ধারণ করে ওদের ফাঁকি দিতে পারেনি রানা, তার মানে নিশ্চয়ই আশেপাশের কোন জাহাজ থেকে ইনফ্রা-রেড লেন্স লাগানো বিনকিউলার চোখে লাগিয়ে নজর রাখা হয়েছিল ওর উপর। রানাকে ইয়ট ছেড়ে যেতে দেখেছে ওরা, ফিরে আসতেও দেখেছে।

    আচ্ছা! ওকে পুলিসের ঝামেলায় ফেলবার কৌশল নয়তো এটা?

    কয়েক সেকেন্ড চিন্তা করল রানা কথাটা নিয়ে, তারপর বাদ দিয়ে দিল সম্ভাবনাটা। আর যাই হোক ওকে পুলিসী ঝামেলায় ফেলবে না উ-সেনের দল। এর মধ্যে আবার তৃতীয় কোন দল নেই তো? সোফিয়া মেয়েটা কে? যতদূর মনে হয় উ-সেনের দলের নয়, হলে সামান্য কথায় ওর চেহারা ফ্যাকাসে করে দেয়া সম্ভব হত না রানার পক্ষে। কাজটা কি মেয়েটার দলের লোকের? বোঝা যাচ্ছে না। তবে এমন কারও, রানার সত্যিকার পরিচয় জানা যাদের জন্যে অত্যন্ত জরুরী।

    যাক, আগের কাজ আগে।

    উঠে পড়ল রানা। দড়ি খুলে ছেড়ে দিল নৌকোটা। জোরে একটা ঠেলা দিল পা দিয়ে। অন্ধকারের বুকে মিলিয়ে গেল সেটা স্রোতের টানে।

    এইবার মেয়েটাকে বিদায় করতে হবে, তারপর প্রস্তুত থাকতে হবে আক্রমণ ঠেকাবার জন্যে। রানা জানে আক্রমণ আসবেই। ইয়ট ছেড়ে শহরে যাবার কারণ জানতেই হবে ওদের। অবলীলায় তুলে নিল রানা মেয়েটিকে পাঁজাকোলা করে। বিছানার চাদরে রক্তের ছোপ দেখতে পেল সে। লাল থকথকে রক্ত। হঠাৎ ভয়ঙ্কর একটা আক্রোশ ফুঁসে উঠল রানার বুকের ভেতর্! দপ দপ করছে মাথার মধ্যে শিরাগুলো। বুকের ভিতর প্রচণ্ড গর্জন করে উঠল যেন একসাথে চারটে ক্রুদ্ধ বাঘ। দাঁতে দাঁত চেপে চোয়াল ব্যথা হয়ে গেল ওর। নিজেকে ধরে রাখতে পারছে না নিজের মধ্যে। অনেক কষ্টে সামলে নিল রানা। প্রচণ্ড আক্রোশটা রূপ নিল শীতল এক ভয়ঙ্কর হিংস্রতায়। দৃঢ়পায়ে চলে এল রানা ইয়টের পিছন দিকটায়। লাইফবোটের পাশে মৃতদেহটা শুইয়ে দিয়ে ব্লাউজ আর সারং খুলে ফেলল। দ্রুতহাতে কাপড় পরাল সে মৃতদেহে। তারপর হাত ধরে নামিয়ে দিল নিচে, আওয়াজ না করে যতটা সম্ভব আস্তে ছেড়ে দিল হাত দুটো। ছোট্ট একটা ছপাৎ শব্দ করে তলিয়ে গেল শরীরটা খাড়াভাবে। কোথাও বেধে না গেলে খুব সম্ভব একুশ মাইল দূরে গাল্‌ফ্ অফ মার্তাবানে ভেসে উঠবে লাশটা আগামীকাল।

    লাশটা নামাতে গিয়ে ডেকের কিনারে শুয়ে পড়তে হয়েছিল রানাকে। কান পেতে শুয়ে রইল সে আরও এক মিনিট। ইয়টের গায়ে ছোট ছোট ঢেউয়ের মৃদু চাপড়ের শব্দ ছাড়া আর কোন শব্দ নেই। এবার চাদরের রক্ত ধুয়ে ফেললেই সমস্ত প্রমাণ নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে। উঠতে যাচ্ছিল রানা, হঠাৎ স্থির হয়ে গেল।

    আসছে। অস্পষ্ট একটা কুল কুল শব্দ কানে এসেছে রানার। সাঁতার কেটে আসছে কেউ। হাত দশেক দূরে আছে এখনও, কিন্তু শুনতে ভুল হয়নি রানার। এইদিকেই আসছে।

    ক্রূর এক টুকরো হাসি ফুটে উঠল রানার ঠোঁটে। নিঃশব্দে সরে গেল সে লাইফবোটের আড়ালে। আসুক। দুটো মৃতদেহ চলে যাবে একই জায়গায়। জুতোর গোড়ালি থেকে ছোট্ট ছুরিটা চলে এল রানার ডানহাতে।

    ফোঁস ফোঁস নিঃশ্বাসের শব্দ শুনতে পাচ্ছে রানা। দড়ি বেয়ে উঠে আসছে লোকটা। আবছামত দেখা যাচ্ছে মাথা আর কাঁধ। দুই হাতে ভর দিয়ে উঠে এল। দাঁতে চেপে ধরা ছুরিটা হাতে নিল, তারপর রেলিং টপকে চলে এল এপাশে। কয়েক পা সরে এল লোকটা ঘন অন্ধকারের দিকে, রানার হাতের নাগালের মধ্যে। ভারী নিঃশ্বাসের শব্দ। ডেকের উপর টুপটাপ পানি পড়ছে গা থেকে ঝরে, ছিটে আসছে রানার চোখেমুখে।

    লাফ দিল রানা।

    আঁতকে উঠল লোকটা। ঝট করে ফিরল রানার দিকে। ডান হাতটা উঠে গেল মাথার উপর। বামহাতে জুডো চপ মারল রানা লোকটার কবজি থেকে আট ইঞ্চি উপরে। ছিটকে পড়ে গেল ছুরিটা হাত থেকে খসে। ডেকের উপর খট খট শব্দ তুলে চলে গেল সেটা হাত দশেক দূরে।

    ঝট করে সেঁটে গেল রানা লোকটার গায়ের সাথে। বামহাতে পেঁচিয়ে ধরে টানল সামনে, ডানহাতে ধরা ছুরিটার দিকে। নিঃশব্দে সারতে হবে কাজটা। চার ইঞ্চি ব্লেডের ছোট্ট ছুরিটা ঢুকিয়ে দিচ্ছিল রানা লোকটার হৃৎপিণ্ড বরাবর, সেকেন্ডের দশ ভাগের একভাগ সময় লাগবে আর লোকটার ঢলে পড়তে, অন্তিম চিৎকারটা আটকে দেবে রানা ঠিক সময়মত মুখে হাত চেপে। কিন্তু থমকে গেল সে। চট করে সরিয়ে আনল ছুরি ধরা হাতটা।

    বুদ্ধি দিয়ে বুঝে ওঠার আগেই রানার শরীর টের পেয়ে গেছে, কিছু একটা গোলমাল আছে। ওর বামহাত চেপে বসেছে একটা নরম স্তনের উপর, দ্বিতীয় স্তন চ্যাপ্টা হয়ে গেছে ওর শক্ত পেশীবহুল বুকের চাপে, হালকা একটা শ্যাম্পুর পরিচিত গন্ধ এসেছে রানার নাকে।

    মেয়ে। নগ্ন একটা মেয়ে। শুধু জাঙ্গিয়া পরা।

    পরমুহূর্তে চিনতে পারল রানা- সোফিয়া। এঁকেবেঁকে ছটফট করছে, রানার বজ্র আলিঙ্গন থেকে বেরোবার চেষ্টা করছে। কামড় দিল রানার হাতে। একহাতে কিল মারছে রানার পিঠে।

    ছুরিটা আলগোছে ভাঁজ করে রেখে দিয়েছে রানা জুতোর গোড়ালিতে। ডানহাতে মুচড়ে ধরল সে মেয়েটার হাত। কানের কাছে মৃদু স্বরে জিজ্ঞেস করল, ‘কাকে খুন করতে এসেছিলে? আমাকে?’

    মুহূর্তে আড়ষ্ট হয়ে গেল মেয়েটা। বলল, ‘ওহ্ আপনি! আমি ভেবেছিলাম ওদের হাতে পড়েছি। ছেড়ে দিন, কথা আছে আপনার সাথে। জলদি। প্লীজ, বোকামি করবেন না, আমি শত্রু নই, ফ্রেন্ড।’ ধস্তাধস্তি বন্ধ হয়ে গেছে মেয়েটার।

    ‘সে তো বুঝতেই পারছি। একেবারে বুযম-ফ্রেন্ড। পিছু পিছু ধাওয়া করে বেড়াচ্ছ কি মতলবে?’ হাত ছেড়ে দিল রানা। ‘ছুরি হাতে নিঃশব্দে ইয়টে উঠেছ কোন্ কথা বলতে? মৃত্যুর?’

    ‘আপনি জানেন না, কিছুক্ষণ আগেই আমি আপনার প্রাণ বাঁচিয়েছি।’

    ‘তাই নাকি? কিভাবে?

    ‘নানকিং হোটেলের গেট থেকে আপনার পিছু পিছু লোক এসেছিল বটগাছ পর্যন্ত, রিভলভার বের করেছিল গুলি করবার জন্যে। ঠিক যখন নিশানা করছে, পিছন থেকে ছুরি মেরেছি আমি ওকে।’

    ‘আশ্চর্য!’ অবাক হলো রানা মেয়েটার নির্বিকার বক্তব্য শুনে। ‘কোথায় সে লোকটা?’

    ‘পড়ে আছে একটা কাঠের ভেলার ওপর।’

    ‘কেন করতে গেলে কাজটা?’

    ‘আপনাকে মেরে ফেললে আমাকে সাহায্য করবার আর কেউ থাকবে না।’

    কথাগুলো দুর্বোধ্য ঠেকল রানার কাছে। বুঝল, মেয়েটির কাছ থেকে সব কথা আদায় করতেই হবে। মনে হচ্ছে ওর সম্পর্কে অনেক কিছুই জানে মেয়েটা। কতটা কি জানে জানতেই হবে ওর। বলল, ‘চলো কেবিনে গিয়ে শুনব তোমার কথা।

    ভেকের উপর থেকে ছুরিটা তুলে নিতে যাচ্ছিল মেয়েটা, পা দিয়ে সরিয়ে দিল রানা ওটা, নিচু হয়ে ঝুঁকে তুলে নিল নিজে। কেবিনের দরজা বন্ধ করে বাতি জ্বেলে দিল সে।

    বিছানার দিকে চেয়ে একটা অস্ফুট ধ্বনি বেরোল মেয়েটার মুখ থেকে ভ্রূ কুঁচকে চেয়ে রয়েছে সে রক্তে ভেজা চাদরটার দিকে। বাথরূম থেকে একটা তোয়ালে দিল রানা মেয়েটাকে। রানাকে আড়াল করে গা মুছে ওড়নার মত করে তোয়ালেটা দিয়ে লজ্জা নিবারণ করল।

    ‘এটা কিসের রক্ত বলতে পারো?’

    ‘পারি। মানুষের। বেশ্যা মেয়েটাকে খুন করেছ তুমি।’ বিস্ফারিত চোখে চাইল সোফিয়া রানার দিকে। মনে হলো ভয় পেয়েছে।

    ‘তোমারও একই অবস্থা হবে সত্যি কথা না বললে। বসো ওই চেয়ারটায়।’ ভয়ে ভয়ে আদেশ পালন করল মেয়েটা। ‘এবার বলো, তুমি কি করে জানলে ওটা বেশ্যা মেয়ের রক্ত?’

    সোফিয়ার ছুরিটা পরীক্ষা করছে রানা গভীর মনোযোগ দিয়ে। এই ধরনের ছুরি আগে কোথাও দেখেছে রানা, কিন্তু মনে করতে পারল না। ব্যাল্যান্সটা চমৎকার, এটা দিয়ে ইচ্ছে করলে ত্রিশ ফুট দূর থেকেও একটা টিকটিকির মাথা গেঁথে ফেলতে পারবে রানা। ডগাটা বিশেষ এক ঢঙে বাঁকানো। হাতির দাঁতের হাতলের ভিতর যেখানটায় ছুরির ফলা এসে ঢুকেছে, সেইখানে তাজা রক্তের আভাস দেখতে পেল রানা। মেয়েটা সত্যি কথা বলছে কিনা জানা নেই রানার, কিন্তু কিছুক্ষণ আগেই যে এই ছুরি দিয়ে কাউকে আঘাত করা হয়েছে তাতে সন্দেহ নেই রানার। সোফিয়ার দিকে ফিরল সে, ‘কই, উত্তর দিচ্ছ না কেন?’

    ‘আমি দেখেছি মেয়েটাকে এই ইয়টে উঠতে।’

    ‘কি করে দেখলে?’

    খানিক ইতস্তত করে নিরুত্তর থাকাই স্থির করল সোফিয়া।

    ‘কি করে দেখলে? আর দেখলেই যদি, বিশ মিনিটের মধ্যে ণ্ড্য ড্যাগনে পৌছুলে কি করে? তোমার কথা পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে না, একটু স্পষ্ট করে বুঝিয়ে বলো।’

    ‘আমি অনুসরণ করেছিলাম আপনাদের।’

    তার মানে আমার পেছনে যে আরেকজন লোক লেগেছে সেটাও জানা ছিল তোমার? শ্য ড্যাগনের মারামারিটাও দেখেছ তাহলে তুমি?’

    মাথা ঝাঁকাল মেয়েটা।

    ‘কে তুমি? কি চাও আমার কাছে?’

    ‘সব কথা আপনাকে জানাতে আপত্তি নেই আমার, কিন্তু আপনি সঠিক লোক কিনা না জানলে একটি কথাও বলব না। ভুল করবার উপায় নেই, আমার। একটু ভুল হয়ে গেলেই সর্বনাশ ঘটে যাবে।’ সরাসরি চাইল সে রানার চোখের দিকে। ‘আপনি উ-সেনের বন্ধু?’

    সতর্ক হয়ে গেল রানা। ‘তোমার এ প্রশ্নের কারণ?

    ‘কয়েকটা কারণ আছে, কিন্তু একটি কারণও ব্যাখ্যা করে বলতে পারব না আপনার সত্যিকার পরিচয় না পেলে।’

    ‘তাহলে তো ভারি অসুবিধে,’ বলল রানা। ‘আমার সাথে অনেক কথা আছে বলছ, আবার বলছ আমার সত্যিকার পরিচয় না জানলে বলা যাবে না সে কথা-এ দুটোই পরস্পরবিরোধী কথা। আমার পরিচয় না জানলে আমার সাথে কথা থাকতে পারে না তোমার। তাছাড়া আমি উ-সেনের শত্রু কি বন্ধু তোমাকে বলতে যাব কোন্ ভরসায়? তোমার সত্যিকার পরিচয়ও তো জানি না আমি। কাজেই অবস্থাটা চালমাত হয়ে বসে আছে। তুমিও নিশ্চিত না হয়ে মুখ খুলবে না, আমিও না। অতএব, তুমি এবার আসতে পারো। অল্পক্ষণের মধ্যেই লোক এসে পড়বে আমার কাছে, তুমি যদি শত্রুপক্ষের মেয়ে হয়ে থাকো, তাহলে বিপদ হবে আমার।’

    মনে মনে পর্যালোচনা করে দেখল মেয়েটা রানার বক্তব্য। খানিক পর মাথা নাড়ল। ‘ঠিকই, শুধু শুধু সময় নষ্ট করছি। আপনাকে বিশ্বাস করতে পারলে বড় ভাল হত। বিশ্বাস করতে ইচ্ছেও করছে, কিন্তু আমার সামান্যতম ভুলে কতবড় ক্ষতি হয়ে যাবে আপনি কল্পনাও করতে পারবেন না।’

    ‘সেই ক্ষেত্রে একটা কাজ করা যায়। অনেকটা খেলার মত। আমরা দুজন প্রশ্ন করে যেতে পারি একের পর এক, উত্তর দেয়া বা না দেয়া আমাদের ইচ্ছের ওপর নির্ভর করবে, কেউ জোরাজুরি করতে পারবে না। একজন একবারে একটার বেশি প্রশ্ন করতে পারবে না।’

    ঠিক বুঝলাম না। একরাশ প্রশ্ন করে কি লাভ যদি আমরা কেউ উত্তর না দিই? তাছাড়া মিথ্যা বলছেন কিনা বুঝবার উপায় কি?’

    ‘সত্য মিথ্যা বোঝাটা যার যার বুদ্ধির ওপর নির্ভর করবে। ধরো, তুমি আমাকে একটা প্রশ্ন করলে। আমি যদি মনে করি এ প্রশ্নের উত্তর দেয়া আমার জন্য বিপজ্জনক, আমি উত্তর দেব না। কিন্তু যদি মনে করি এ প্রশ্নের উত্তর দিলে আমার কোন ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা নেই, সত্যি কথাটাই বলব। এটুকু সত্যতা আশা করব আমরা পরস্পরের কাছে। তাছাড়া প্রশ্নের চাতুরি দিয়ে সত্য মিথ্যা বুঝবার উপায় তো খোলা থাকল দুজনের জন্যেই।

    এবার ব্যাপারটা বুঝল মেয়েটা। মৃদু হাসল। বলল, ‘এইভাবে আলাপ করতে গিয়ে হয়তো যা জানতে চাই জেনে ফেলতে পারব পরোক্ষভাবে, তাই না? ঠিক আছে প্রশ্ন করুন।

    ‘লেডিস ফার্স্ট।’

    ‘ঠিক আছে। আমার প্রথম প্রশ্ন: এই মেয়েটাকে খুন করেছেন কেন?’

    ‘আমি খুন করিনি।’

    ‘তাহলে কে খুন করেছে?’

    উঁহুঁ। পর পর দুটো প্রশ্ন হয়ে যাচ্ছে। এবার আমার প্রশ্নের পালা। তবু তোমার প্রশ্নের উত্তরটা দিয়েই আমার প্রশ্ন শুরু করছি। উত্তর হচ্ছে: জানি না। এবার প্রশ্ন: বটগাছের নিচের মৃতদেহটা কি ভেলার ওপরই আছে, না পানিতে ফেলে দিয়েছ?’

    ‘ভেলার ওপরেই আছে। প্রশ্ন: আপনি কি উ-সেনের হয়ে কাজ করছেন?’

    ‘উত্তর দেব না। প্রশ্ন: ইয়েন ফ্যাঙ বলে কাউকে চেনো?’

    ‘উত্তর দেব না। প্রশ্ন: উ-সেনের লোক অনুসরণ করছে কেন আপনাকে?’

    ‘উত্তর দেব না। প্রশ্ন: প্যাপন মং লাই বলে কাউকে চেনো তুমি?’

    ‘উত্তর দেব না। প্রশ্ন: আপনি কি ভারতীয়?’

    ‘উত্তর: না। প্রশ্ন: তোমার মা এদেশী, না বাবা?’

    ‘উত্তর: বাবা। প্রশ্ন: উ-সেনের দলে যোগ দিতে এসেছেন?’

    ‘উত্তর দেব না। প্রশ্ন: ছুরিটা কি আরাকানী?’

    ‘উত্তর: হ্যাঁ। প্রশ্ন: আপনি কি বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের লোক?’

    ‘উত্তর দেব না। প্রশ্ন: উ-সেনকে তুমি পছন্দ করো?’

    ‘উত্তর: ঘৃণা করি। প্রশ্ন: মেয়েমানুষের পোশাক পরে উ-সেনের লোককে ধোঁকা দিতে চেষ্টা করেছিলেন কেন?’

    ‘উত্তর দেব না। প্রশ্ন: তাই দেখেই তুমি আমাকে মিত্র মনে করেছ?’

    ‘উত্তর: না! উ-সেনের লোককে মারতে দেখে। এবং আমার আহ্বান প্রত্যাখ্যান করতে দেখে। প্রশ্ন: নানকিং হোটেলের মিসেস গুপ্ত কি আপনার মিত্র?’

    ‘উত্তর: জানি না। প্রশ্ন: যাকে ছুরি মেরেছ সে কি উ-সেনের লোক?’ উত্তর: হ্যাঁ। প্রশ্ন: কতক্ষণের মধ্যে এই ইয়টে লোক আশা করছেন?’

    ‘উত্তর: আগামী পাঁচ মিনিটের মধ্যে। আউট-বোর্ড ইঞ্জিনের শব্দ পাচ্ছি। প্রশ্ন: তোমার বয়স কত?’

    ‘উত্তর: বাইশ বছর। প্রশ্ন: আমাকে চিনতে পেরেছেন মনে হচ্ছে?’

    ‘উত্তর: পেরেছি। তোমার নাম সোফিয়া মং লাই। কোন্ ইয়ারে পড়ছ?’

    ‘উত্তর: থার্ড ইয়ারে। প্রশ্ন: বুঝলাম, আমার কাছ থেকে আপনার আর কিছু জানার নেই। সাহায্য পাচ্ছি আপনার?’

    ‘উত্তর: জানি না। প্রশ্ন: তোমার বাবা এখন রেঙ্গুনে?’

    ‘উত্তর: জানি না। অনেক খুঁজেও কোন হদিস পাচ্ছি না। প্রশ্ন: আমি যাকে খুঁজছি, আপনি কি সেই লোক?’

    ‘উত্তর: খুব সম্ভব। প্রশ্ন: আমি বা আমরা আসব, জানলে কি করে?’

    ‘উত্তর: বাবার কাছে। ধরা পড়ার আগের দিন বলেছিলেন। সেই থেকে অপেক্ষা করছি আমি। আমি জানি আমার বাবাকে উদ্ধার করার জন্যে পাঠানো হয়নি আপনাকে। সেইজন্যেই জোঁকের মত লেগে আছি আপনার পিছনে। আপনার কাজ আপনি করুন, আপনি প্রয়োজন বোধ করলে সাহায্য করতেও প্রস্তুত আছি আমি, যা চাইবেন তাই দিতে রাজি আছি, শুধু কথা দিন, ওই পশুদের কবল থেকে উদ্ধার করে দেবেন আমার বাবাকে। একবার বের করে আনতে পারলে আর ওদের সাধ্য নেই ওঁকে বন্দী করার। একশো আরাকানী যুবক রয়েছে এখন রেঙ্গুনে আমার হুকুমের প্রতীক্ষায়, প্রয়োজন হলে পাঁচ হাজার লোক দিতে পারব। লোকবল আছে আমার, কিন্তু ঠিক কোথায় এ বল প্রয়োগ করতে হবে জানা নেই। আমাকে এটুকু সাহায্য করতেই হবে। বলুন, করবেন?’

    একেবারে কাছে এসে পড়েছে আউট-বোর্ড ইঞ্জিনের শব্দ। লাইট নিবিয়ে দিয়ে কেবিনের দরজা মেলে ধরল রানা। চাপাকণ্ঠে বলল, ‘কাল যাচ্ছি আমি উ-সেনের সাথে দেখা করতে। তোমার বাবার দেখা পাব কিনা জানি না, যদি পাই তাঁকে নিয়ে ফেরার চেষ্টা করব। দেখা না পেলেও সন্ধান বের করবার চেষ্টা করব, এটুকু কথা দিতে পারি। এর বেশি আর কিছুই করবার নেই আপাতত আমার।’ ছুরিটা ধরিয়ে দিল রানা সোফিয়ার হাতে। ‘যাও, এবার কেটে পড়ো। খুব সম্ভব প্রচুর মারধর করা হবে এখন আমাকে। তোমাকে যদি এই ইয়টে পায় তাহলে দুজনকেই খুন করে ফেলা হবে।’

    ‘কোনরকম সাহায্যে আসতে পারি আমি?’

    ‘তোমার একশো লোকের মধ্যে এমন কেউ আছে যে এই ইয়ট চালাতে পারে?’

    ‘অন্তত দশজন পাওয়া যাবে এরকম।’

    ‘গুড। কাল সন্ধের সময় আমি এই ইয়ট ছেড়ে চলে যাবার পর তোমার একশো লোককে চড়িয়ে দেবে এতে। এটাকে নিয়ে যেতে হবে আকিয়াবে। ওখানে নোঙর করে এই ইয়টের সমস্ত মালপত্র নিয়ে নিজেদের এলাকায় গিয়ে অপেক্ষা করতে বলবে ওদের।

    ‘কি আছে এই ইয়টে?’

    ‘অস্ত্র।’

    ‘সব লোককে পাঠিয়ে দেব, এখানে আমাদের লোক দরকার হবে না?’

    ‘না।’

    ‘আপনার নামটা জানতে পারি?’

    ‘আপাতত আমার নাম আব্বাস মির্জা। সত্যিকার পরিচয় এখন না জানলেও চলবে।’

    ‘ঠিক আছে, চললাম। অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে।

    অন্ধকারে মিশে গেল সোফিয়া মং লাই।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা
    Next Article মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }