Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প242 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    রক্তের রঙ ১.৬

    ছয়

    দমাদম পেটাল কিছুক্ষণ ওরা ইয়টের গায়ে। কোন সাড়া নেই রানার। দুই মিনিট পর ধৈর্য হারিয়ে উঠে এল উপরে। কেবিনের দরজায় টোকা দিল জোরে জোরে।

    এক মিনিট পর দরজা খুলল রানা। সারা গায়ে সাবান মাখা, স্নান করছিল। তোয়ালে জড়ানো কোমরে। ইয়েন ফ্যাঙের উপর দৃষ্টি পড়তেই বলে উঠল, ‘কি ব্যাপার? কেউ গেল না যে? শুধু শুধুই অপেক্ষা করলাম শ্য ড্যাগন প্যাগোডায়। বিপদে পড়েছিলাম…’ হঠাৎ অন্যান্যদের উপস্থিতি সম্পর্কে সচেতন হয়ে উঠল রানা, থেমে গেল কথার মাঝখানেই। সপ্রতিভ গলায় বলল, ‘বসুন আপনারা। কেবিনে তো জায়গা হবে না, ব্রিজ থেকে কয়েকটা চেয়ার নিয়ে ডেকেই বসুন।’

    একটু যেন থমকে গেল ইয়েন ফ্যাঙ রানার পরম নিশ্চিন্ত ভাব দেখে। কিন্তু সে শুধু তিন সেকেন্ডের জন্যে। রানাকে ঠেলে সরিয়ে দিয়ে ঢুকে পড়ল সে কেবিনে। পিছন পিছন ঢুকল আরও চারজন। সবশেষে ঢুকল মোটা লোকটা। প্রত্যেকেই সশস্ত্র, শুধু একজন ছাড়া।

    মোটাকে দেখেই হাঁ হয়ে গেল রানার মুখ। যেন ভয়ানক অবাক হয়েছে। ‘আরে! এই লোক তোমাদের সঙ্গে কেন? এই লোকই তো অনুসরণ…’

    আর অভিনয়ের সুযোগ পাওয়া গেল না। এক ধমকে ঠাণ্ডা করে দিল ওকে ইয়েন ফ্যাঙ।

    ‘চোপরাও! হারামীর বাচ্চা কোথাকার!’ কটমট করে চাইল সে রানার চোখে। ‘ন্যাকামি হচ্ছে?’ প্রচণ্ড এক চড় তুলে দু’পা এগিয়ে এল সে, কিন্তু আঘাত করার ঠিক পূর্বমুহূর্তে তীক্ষ্ণকণ্ঠে আদেশ এল নিরস্ত্র লোকটার কাছ থেকে।

    ‘কাট ইট। মেরো না, ইয়েন। ওর বক্তব্য শুনতে হবে আগে।’ পকেট থেকে সিগারেট কেস বের করল।

    লোকটা ছোটখাট, পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন ছিমছাম পোশাক পরিচ্ছদ, চোখে পুরু লেন্সের রোল-গোল্ডের ফ্রেমের চশমা। ইউনিভার্সিটির প্রফেসারের মত সম্ভ্রান্ত, বিদ্বান একটা ভাব রয়েছে চেহারায়। এই গুণ্ডাদের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা। কিন্তু এর আদেশের কতটা দাম টের পেল রানা মুহূর্তের মধ্যে ইয়েন ফ্যাঙের সংযত হয়ে যাওয়া দেখে। এই লোকটাই কি উ-সেন? ভাবল রানা।

    ‘ঠিক আছে, আপাতত গায়ে হাত দেব না। কিন্তু ওর কথা শুনে কি হবে? ও তো একটা সত্যি কথাও বলবে না, ডক্টর হুয়াং!’

    মৃদু হাসল ডক্টর হুয়াং। সিগারেটের চেয়েও সরু পাঁচ ইঞ্চি লম্বা একটা চুরুট বের করল সে সোনালি সিগারেট কেস থেকে। ঠোঁটে লাগিয়ে বলল, ‘তোমাদের একজন দেখে এসো বাথরূমে কোন অস্ত্র আছে কিনা। প্রত্যেকটা জিনিস পরীক্ষা করবে, কমোডের সিস্টার্নও দেখবে।’ একজন চলে গেল বাথরূমে। রানার দিকে ফিরল ডক্টর হুয়াং। ‘আপনার বিরুদ্ধে কিছু অভিযোগ আছে এদের। সার্চ করা হয়ে গেলেই স্নান সেরে আসুন। আমরা বসছি।’

    কিছু পাওয়া গেল না বাথরূমে। বিনা বাক্যব্যয়ে বাথরূমে ঢুকে শাওয়ার ছেড়ে দিয়ে যতক্ষণ খুশি গোসল করল রানা। তারপর গা মুছে কাপড় পরে বেরিয়ে এল।

    কেবিনের একমাত্র চেয়ারটা দখল করেছে ডক্টর হুয়াং, ইয়েন ফ্যাঙ বসেছে খাটের কিনারে, বাকি সবাই দাঁড়িয়ে আছে। ডেস্কের উপর বসল রানা সবার চেয়ে উঁচুতে।

    ‘বলুন, আপনাদের কি অভিযোগ?’ ভদ্রভাবে বলল রানা। ভুরু কুঁচকে চাইল একবার ইয়েন ফ্যাঙের দিকে, তারপর মুচকি হাসল মোটাকে দেখে।

    ‘আজ সন্ধে থেকে আপনার চাল-চলন অত্যন্ত রহস্যময় ঠেকছে ইয়েন ফ্যাঙের কাছে। ব্যাপারটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই বিশেষ জরুরী মীটিং থেকে উঠে আসতে বাধ্য হয়েছি আমি। আমি আশা করব আপনার এই দুর্বোধ্য গতিবিধির সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিয়ে আপনি আমাদের কৌতূহল নিবৃত্ত করতে পারবেন।’ ইয়েন ফ্যাঙের দিকে ফিরল ডক্টর হুয়াং। ‘মাথা ঠাণ্ডা রেখে প্রশ্ন করো, ইয়েন।

    রানার দিকে ফিরল ইয়েন ফ্যাঙ। দুই চোখে গোক্ষুরের বিষ।

    ‘কোথায় গিয়েছিলে?’

    ‘শ্য ড্যাগন প্যাগোডায়।’ গম্ভীরভাবে উত্তর দিল রানা।

    ‘কেন?’

    ‘তোমার নির্দেশ অনুযায়ীই গিয়েছিলাম। ঠিক আটটা থেকে আটটা দশ পর্যন্ত অপেক্ষা…’

    ‘আমার নির্দেশ কি ছিল? আজকে যাবার কথা ছিল, না আগামীকাল?’

    ‘গতকাল তুমি বলেছিলে ‘টুমরো’, জাস্ট অ্যাট এইট পি-এম…’

    ‘আমি বলেছিলাম ‘ডে আফটার টুমরো’। বার বার করে বলেছিলাম…’

    ‘মিথ্যে কথা। হয় মিথ্যে বলছ, নয় ভুলে গেছ। অবশ্য বেহেড মাতাল ছিলে…’

    ‘খবরদার, আব্বাস মির্জা!’ একলাফে উঠে দাঁড়াল ইয়েন ফ্যাঙ। ‘মুখ সামলে কথা বলো, নইলে…’

    এক হাত তুলে ওকে শান্ত হবার ইঙ্গিত দিল ডক্টর হুয়াং। বলল, ‘বোঝা যাচ্ছে ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃতভাবে একটা ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে তোমাদের মধ্যে। মিস্টার আব্বাস মির্জা,’ রানার দিকে ফিরল সে, ‘আপনি বলছেন ইয়েন গতকাল মাতাল ছিল। কথাটা কতখানি সত্য?’

    ‘হানড্রেড পার্সেন্ট।’ আঙুল তুলে একজনের দিকে দেখাল রানা। ‘ওকেই জিজ্ঞেস করে দেখুন না, ও তো ছিল কাল।’

    নির্দিষ্ট ব্যক্তির দিকে ফিরল ডক্টর হুয়াং, প্রশ্নের ভঙ্গিতে মাথা ঝাঁকাল ভুরু নাচিয়ে। লোকটা ভয়ে ভয়ে চাইল একবার ইয়েন ফ্যাঙের দিকে, কাচুমাচু ভঙ্গিতে অস্বস্তি ভোগ করল কয়েক সেকেন্ড, তারপর সম্মতিসূচক মাথা ঝাঁকাল। এতক্ষণে ডক্টরের চোখে একটু রাগের আভাস দেখতে পেল রানা। সরাসরি চাইল ইয়েন ফ্যাঙের চোখের দিকে।

    ‘আবার তুমি আইন ভঙ্গ করেছ, ইয়েন। এবার উ-সেনের কানে তুলতে হবে কথাটা।’

    আর একটা চান্স দিন, ডক্টর, আর কোনদিন কাজের সময় ও জিনিস ছোঁব না। ওই হারামজাদা খাচ্ছিল মনের সুখে, আমি লোভ সামলাতে পারিনি, কয়েক ঢোক খেয়েছি ওর বোতল থেকে।’

    রানার দিকে ফিরল ডক্টর হুয়াং। ‘কয়েক ঢোক মদ খেলে কেউ বেহেড মাতাল হয়ে যায়. না। তাছাড়া আপনি নিজেও মাতাল ছিলেন গতকাল। কাজেই ভুলটা ইয়েন করেছে না আপনি করেছেন বুঝবার উপায় নেই। আপনার পক্ষে ইচ্ছে করেই ভুল করবার যথেষ্ট কারণ থাকতে পারে। অন্তত ওর তাই ধারণা। বহুদিনের অভিজ্ঞ, যোগ্য এবং বিশ্বস্ত লোক ও আমাদের। এসব ব্যাপারে সাধারণত ভুল হয় না ওর। তবু এ ব্যাপারটায় আপনি বেনিফিট অভ ডাউট পেতে পারেন। ধরে নিলাম, ইয়েন আপনাকে আগামীকালকের কথা বলেছিল, মাতাল অবস্থায় আপনি সেটা আজকের কথা মনে করে চলে গিয়েছিলেন ণ্ড ড্যাগন প্যাগোডায়। কিন্তু আরও কয়েকটা বিষয়ে আমাদের সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দরকার। নিন, আমি প্রশ্ন করছি, উত্তর দিন।

    এতক্ষণ পর সরু চুরুটটা ধরাল ডক্টর হুয়াং। নড়েচড়ে বসল রানা। সিগারেট ধরাল একটা। বুঝতে পেরেছে সে, এই লোক সহজ পাত্র নয়। প্রথম এবং প্রধান ফাঁড়াটা কেটে গেছে, কিন্তু ছোটখাট অনেকগুলো ব্যাপার আছে, এখন থেকে সাবধান না হলে ফেঁসে যাবে ও। মনে মনে গুছিয়ে নিয়ে প্রস্তুত হলো সে প্রশ্নবাণের জন্যে।

    ‘মেয়েমানুষের ছদ্মবেশ নিয়েছিলেন কেন?’

    ‘সেটা আপনারা জানলেন কি করে?’ অবাক হয়ে যাওয়ার ভান করল রানা।

    ‘আমার প্রশ্নের উত্তর দিন!’ হুয়াং গম্ভীর।

    ‘শত্রপক্ষকে ফাঁকি দেয়ার জন্যে।’

    ‘কারা শত্রুপক্ষ?’

    ‘জানি না। সম্ভাব্য শত্রুর কথা বলছি।’

    ‘সাবধানতা অবলম্বন করতে চেয়েছিলেন?’

    ‘ঠিক তাই।’

    ‘তারপর কি হলো?’

    ‘ট্যাক্সিতে উঠেই টের পেলাম, অনুসরণ করা হচ্ছে আমাকে। বেশ খানিকটা ঘাবড়ে গেলাম। পিছু পিছু ণ্ড্য ড্যাগন প্যাগোডা পর্যন্ত এল ট্যাক্সিটা, একটা মোটাসোটা লোককে নামতে দেখলাম। আমার একটু সন্দেহ ছিল, লোকটা আপনাদের দলেরও হতে পারে: হয়তো ওখান থেকে আমাকে নিয়ে যাবার জন্যেই পাঠানো হয়েছে ওকে।’ সিগারেটে লম্বা করে টান দিল রানা। ‘পনেরো মিনিট আগেই পৌঁছে গিয়েছিলাম আমি ওখানে। ঘোরাঘুরি করে সময় কাটালাম। ঠিক আটটার সময় দাঁড়িয়ে পড়লাম একটা অন্ধকারমত জায়গার কাছাকাছি পরিষ্কার আলোয়। অপেক্ষা করছি, কেউ আসে না। ওদিকে আড়চোখে লক্ষ করলাম, অন্ধকার ছায়ায় ছায়ায় পা টিপে টিপে এগিয়ে আসছে অনুসরণকারী। শত্রু না মিত্র বুঝতে পারিনি আমি তখনও। একটা অ্যাংলো মেয়ে আসছিল এদিকে, ভাবলাম আপনাদের দলের হতে পারে, কিন্তু পাশ কাটিয়ে চলে গেল। এমন সময় পিছনের লোকটা ডাকল আমাকে-এই যে, মিস্টার…। ঝট করে ঘুরেই ঝাঁপিয়ে পড়লাম আমি ওর ওপর।’ মোটা লোকটার দিকে ফিরল রানা, ‘সেজন্যে আমি দুঃখিত…’

    ‘থাক,’ বাধা দিল ডক্টর হুয়াং, ‘দুঃখ-দুর্দশা নিয়ে পরে আলাপ করা যাবে। এখন বলুন, লোকটা আমাদের দলের লোকও হতে পারে এই সন্দেহ থাকা সত্ত্বেও মারলেন কেন ওকে?’

    ‘সন্দেহ ছিল না আর। শত্রু জেনেই মেরেছি ওকে।’

    ‘কিভাবে জানলেন?’

    ‘পাস ওয়ার্ড ছিল ‘ট্যুরি’, কিন্তু লোকটা শুরু করেছিল ‘এই যে মিস্টার’ বলে।

    মাথা ঝাঁকাল ডক্টর হুয়াং, চুরুটে টান দিল, ধোঁয়া ছাড়ল একগাল, তারপর ধোঁয়ার দিকে চেয়ে বলল, ‘একজন সাধারণ সৈনিকের তুলনায় আপনার রিঅ্যাকশন অত্যন্ত দ্রুত। এতই দ্রুত যে রীতিমত অস্বাভাবিক ঠেকছে আমার কাছে। যাই হোক, আপনার পরবর্তী কাহিনী শোনা যাবে, তার আগে প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণ খানিকটা শুনে নেয়া যাক।’ মোটার দিকে ফিরল হুয়াং। বার্মিজ ভাষায় জিজ্ঞেস করল, ‘এই লোকটা কি পনেরো মিনিট আগে পৌঁছেছিল? ঠিক আটটার সময় দাঁড়িয়ে পড়েছিল? অপেক্ষা করার ভাব দেখা গিয়েছিল ওর মধ্যে? ‘এই যে মিস্টার’ বলেছিলে? অ্যাংলো মেয়ে আসছিল? চেনো মেয়েটাকে?’

    প্রতিটা প্রশ্নের উত্তরেই সম্মতিসূচক মাথা নাড়ল লোকটা, শেষেরটা ছাড়া। চিন্তিতভাবে মাথা ঝাঁকাল ডক্টর হুয়াং। ঝট করে চাইল রানার দিকে।

    ‘এরপর নানকিং হোটেলে গিয়েছিলেন আপনি?’

    ‘হ্যাঁ।’ নির্দ্বিধায় জবাব দিল রানা। একটু অবাক হওয়ার ভান করল এরা সব জানে দেখে।

    ‘কেন?’

    ‘প্রথমত, প্যাগোডা থেকে পালিয়ে লোকজনের ভিড়ে মিশে যেতে, দ্বিতীয়ত, ডিনারটা সেরে নিতে, তৃতীয়ত, ইয়টে ফিরবার আগে আর কেউ অনুসরণ করছে কিনা সে ব্যাপারে নিশ্চিত হতে।

    ‘কেউ অনুসরণ করেছিল?’

    ‘না। ডিনার সেরেই ফিরে এসেছি আমি ইয়টে।‘

    ‘পথে কাউকে ছুরি মারেননি কিংবা মারতে দেখেননি?’

    ‘না তো! ইয়টে ফিরে দেখলাম যার বোট নিয়ে…’

    ‘সেই মেয়েটাকে গুলি করে মারা হয়েছে। ওর দুর্ভাগ্য, ভুল বোঝাবুঝির শিকার হয়েছে ও। কিন্তু সে প্রসঙ্গে পরে আসছি, তার আগে ভাল করে স্মরণ করবার চেষ্টা করুন, বটগাছ তলায় কোনরকম ধস্তাধস্তির আওয়াজ পেয়েছিলেন কিনা?’

    সত্যিই কোন আওয়াজ পায়নি রানা। বলল, ‘না। কোন আওয়াজ পাইনি। কেন, ওখানে আবার কোন দুর্ভাগ্যজনক কিছু ঘটেছে নাকি?’

    ‘ঘটেছে। কিন্তু সে ব্যাপারে আপনাকে দায়ী করছি না, যদিও পরোক্ষভাবে এতে আপনার হাত থাকা অসম্ভব নয়। নানকিং হোটেল থেকে আপনাকে অনুসরণ করে এসেছিল লোকটা বটগাছের নিচ পর্যন্ত। আমাদেরই লোক। খানিক আগে পাওয়া গেছে ওর লাশ। পিঠে ছুরি মেরে খুন করা হয়েছে ওকে।’

    বিম্মিত মুখভঙ্গি করল রানা, তারপর সহজ কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল, ‘আমাকে প্রত্যক্ষ সন্দেহের আওতা থেকে মুক্ত রাখছেন কি কারণে?’

    ‘কারণ, লোকটা যেখানে দাঁড়িয়েছিল তার একহাত পিছনে একজোড়া হাইহিল জুতোর দাগ পাওয়া গেছে। সেই দাগ অনুসরণ করে কিছুদূরে জুতোজোড়া, একটা ব্লাউজ স্কার্ট আর একটা হ্যান্ডব্যাগ পাওয়া গেছে। সেখানে গোপন পাহারা বসিয়ে দিয়েছি, কিন্তু আমার ধারণা, ফিরে আসবে না মেয়েটা। খুব সম্ভব পায়ের চিহ্ন গোপন করবার জন্যে জলে নেমে সাঁতরে চলে গেছে সে তার গন্তব্যস্থানে। ‘

    রানার ধারণা অন্যরকম। ভিতরে ভিতরে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠল সে সোফিয়ার জন্যে, কিন্তু মুখের ভাবে প্রকাশ পেল না কিছুই। হঠাৎ বিচলিত হয়ে ওঠার ভাব দেখাল রানা। বলল, ‘হ্যান্ডব্যাগটা কি গুঁই সাপের চামড়ার?’

    চোখদুটো তীক্ষ্ণ হয়ে উঠল ডক্টর হুয়াং-এর। মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিল সে। বলল, ‘আপনি জানলেন কি করে?’

    ‘তাহলে নিশ্চয়ই সেই অ্যাংলো মেয়েটার কাজ। ওর হাতে গুঁই সাপের চামড়ার ব্যাগ ছিল।’

    ‘হ্যাঁ, আমিও দেখেছি,’ বলল মোটা লোকটা।

    ভুরু কুঁচকে ভাবল হুয়াং কিছুক্ষণ, তারপর বলল, ‘মেয়েটাকে চেনেন?’

    ‘আবার দেখলে চিনতে পারব।’

    ‘পরিচয় জানেন না?’

    ‘না।।’

    ‘তাহলে এটুকু জেনে বিশেষ লাভ হলো না। চেহারার বর্ণনা পাওয়া যাবে, এই যা লাভ। যাই হোক, আমরা আমাদের আগের প্রসঙ্গে ফিরে যেতে পারি। ইয়টে ফিরে এসে দেখলেন খুন হয়ে গেছে মেয়েটা। তারপর কি ভাবলেন এবং কি করলেন?

    ‘এই নিরীহ মেয়েটার মৃত্যুর কোন কারণই ভেবে বের করতে পারিনি। কারা কাজটা করল, কেন করল, কিছুই বুঝতে পারিনি। এখন মনে হচ্ছে আপনারা করেছেন, নিশ্চয়ই ওই গর্দভ ইয়েন ফ্যাঙের কাজ। আমাকে অনুসরণ করবার কোন দরকার ছিল না, এত কাণ্ডের কিছুই প্রয়োজন ছিল না-শুধু পিছু ডেকে বলে দিলেই হত, আজকে নয়, দেখা করবার কথা আগামীকাল। এটুকু জানতে পারলেই ফিরে আসতাম আমি। তা না করে বেশি চালাকি করতে গিয়েছিল, ফলে মিছিমিছিই প্রাণ গেল দুজন মানুষের। এখন বুঝতে পারছি, এই মেয়েটাকে টরচার করা হয়েছিল আমার সম্পর্কে তথ্য আদায় করার জন্যে। কিছুই বলতে পারেনি মেয়েটা, জানলে তো বলতে পারবে, কিন্তু বিশ্বাস করেনি ওই চামার, যাবার সময় গুলি করে মেরে রেখে গেছে।’ ক্রুদ্ধ চোখে চাইল রানা ইয়েন ফ্যাঙের দিকে।

    খলখল করে হাসল কিছুক্ষণ ডক্টর হুয়াং। ‘বুঝতে পারছি, আপনারা দুজন কেউ কাউকে পছন্দ করতে পারছেন না। আপনার কপাল খারাপ বলতে হবে। ওর সাথে সদ্ভাব না থাকলে যে কোন মানুষকে নানানভাবে অসুবিধায় পড়তে হয়। যাই হোক, আমার মতে সামান্য একটা দেহপসারিণীর জন্যে এতখানি বিচলিত হয়ে পড়াটা আপনার পক্ষে ঠিক শোভা পাচ্ছে না। শুনেছি, একটা পাখির জন্যেও নাকি কেঁদে উঠেছিল আপনার প্রাণ! এই যদি অবস্থা হয়, দেশ উদ্ধার করবেন কি করে?’

    ‘যে সৈনিক যুদ্ধক্ষেত্রে নির্দ্বিধায় মানুষ হত্যা করে, ঘরে ফিরে এসে সে-ই বুকে জড়িয়ে ধরে তার ছোট্ট তিন বছরের শিশুকে! দুর্বলের প্রতি মমতা দিয়ে বিচার করবেন না, শক্তিশালীর বিরুদ্ধে কতটা কঠোর হতে পারি, তাই দিয়ে বিচার হবে আমার। ‘

    শ্রাগ করল ডক্টর হুয়াং। ‘সবাই ফিলসফার। যাই হোক, আমাদের আগের প্রসঙ্গে ফিরে যাওয়া যাক। এখন আপনি কি ভাবছেন সেটা আমার প্রশ্ন ছিল না, আমি জানতে চেয়েছিলাম ইয়টে ফিরে যা দেখলেন তাতে কি চিন্তা এল আপনার মনে, কি ভাবলেন, কি করলেন?’

    রানা বুঝল, রামঘুঘু! বলল, ‘স্বভাবতই ভয় পেলাম আমি। কারা করল কাজটা বুঝতে না পেরে প্রথমে ডিঙিটা ভাসিয়ে দিলাম স্রোতে, মৃতদেহটা আস্তে করে ছেড়ে দিলাম পানিতে। বিছানার চাদর থেকে ধুয়ে ফেললাম রক্তের দাগ। তারপর স্নান করে প্রস্তুত হচ্ছিলাম সারা রাত্রি জাগরণের জন্যে। সতর্ক থাকা ছাড়া আর কোন গত্যন্তর দেখতে পাচ্ছিলাম না। কেন কি ঘটছে কিছুই পরিষ্কার হয়নি আমার কাছে কিছুক্ষণ আগে পর্যন্ত। কারা অনুসরণ করছে আমাকে, উ-সেনের দলই বা কেন চুপচাপ, কারা খুন করল মেয়েটাকে আমারই ইয়টে এসে আমারই কেবিনের ভেতর-সবকিছু ঘোলাটে ছিল আমার কাছে, ভেবে কোন কূল-কিনারা পাচ্ছিলাম না।’

    থামল রানা। দম ধরে বসে রইল হুয়াং মিনিট দুয়েক। রানা বুঝল অত্যন্ত দ্রুত চিন্তা চলেছে বুদ্ধিমান লোকটার মাথায়। সমস্ত তথ্য সাজিয়ে গুছিয়ে নিয়ে নিখুঁত অঙ্কের হিসেব বের করছে হুয়াং। রানা পাস করল না ফেল করল জানা যাবে একটু পরেই। যেন কিছুতেই কিছু এসে যায় না, এমনি ভাব করে সিগারেট ধরাল সে আর একটা।

    হঠাৎ সবাইকে চমকে দিয়ে উঠে দাঁড়াল ডক্টর হুয়াং। ফিরল ইয়েন ফ্যাঙের দিকে। বলল, ‘এই লোকটা সন্দেহজনক। যদিও আজকের একটি ঘটনাও ওর বিরুদ্ধে নিশ্চিত প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করা যাবে না, তবু কয়েকটা ব্যাপার অস্পষ্ট থেকে যাচ্ছে-এক: কেন স্ত্রীলোকের ছদ্মবেশ? দুই: পিছনে লোক লেগেছে টের পাওয়ার পরও পালিয়ে গেল না কেন? তিন: নানকিং হোটেলে গেল কেন, লুকোবার এত জায়গা থাকতে? চার: এত হুঁশিয়ার লোক টের পেল না কেন যে নানকিং হোটেল থেকে লোক লেগেছে পিছনে? পাঁচ: ইয়টে ফিরে লাশ দেখেই পালিয়ে গেল না কেন? – কাজেই সাবধান থাকতে হবে আমাদের। এই লোক হয় প্রত্যেকটা কথা সত্যি বলছে, নয়তো প্রত্যেকটা কথাই এর মিথ্যা। হি মে বি ভেরি ডেঞ্জারাস ফর আস্। এর ব্যাপারে কোন ঝুঁকি নেয়া ঠিক হবে না। আগামীকাল সন্ধে পর্যন্ত দুজন লোককে থাকতে হবে এখানে গার্ড হিসেবে। এক মুহূর্ত চোখের আড়াল করা চলবে না।’

    একটানা এতগুলো কথা বলার পর রানার দিকে ফিরল হুয়াং। ‘আগামীকাল সন্ধে পর্যন্ত নজরবন্দী থাকতে হবে আপনাকে। শ্য ড্যাগনে আর যাবার দরকার নেই। ঠিক আটটার সময় উপস্থিত থাকবেন নানকিং হোটেলের লাউঞ্জে। ওখান থেকে আপনাকে চিনে নেবে আমাদের লোক। নতুন পাস ওয়ার্ড—ওয়েটিং। হোটেলের দরজা পর্যন্ত আপনার পিছু পিছু যাবে ইয়টের দুজন প্রহরী, আগে থেকেই জানিয়ে রাখছি, দুর্ঘটনা বা ভুল বোঝাবুঝির অবকাশ যেন না থাকে।’

    রানার চোখের দিকে চেয়ে সামান্য একটা নড করে বেরিয়ে গেল ডক্টর হুয়াং।

    রানার দিকে ক্রুদ্ধ দৃষ্টি নিক্ষেপ করে বেরিয়ে গেল ইয়েন ফ্যাঙ।

    রানা বুঝল ঘুমাতে পারবে আজ রাতে।

    কিন্তু সোফিয়া? ধরা পড়ে গেল মেয়েটা? খবরটা জানা যায় কিভাবে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা
    Next Article মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }