Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০৩৩ – বিদেশী গুপ্তচর – ১

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদেশী গুপ্তচর – ১.৩

    তিন

    রঞ্জন চৌধুরী। নামটা শুনলে মনে হয় কোন ছেলে ছোকরা হবে হয়তো। আসলে বয়স আটান্ন বছর। বেঁটে খাটো, ধুতি-শার্ট এবং তার ওপর পুরানো ছাঁটের কোট পরা সাদাসিধে লোকটিকে দেখলে যে কেউ মনে করবে কোন সরকারী অফিসের হেড ক্লার্ক, বড়জোর সেকশন অফিসার। আসলে ভদ্রলোক ভারতীয় সিক্রেট সার্ভিসের চীফ। এমন তীক্ষ্ণ বুদ্ধি, ডাকসেঁটে চীফ আর আসেনি এই ডিপার্টমেন্টে।

    অফিসার্স ক্যান্টিন থেকে খাওয়া সেরে লাউঞ্জের নির্জন কোণে পার্কের দিকে খোলা একটা জানালার ধারে বসলেন তিনি। বেয়ারা কফি দিয়ে গেল এক কাপ। সেদিকে ভ্রূক্ষেপ না করে জানালা দিয়ে বাইরে চেয়ে বসে রইলেন চুপচাপ। গভীর কোন চিন্তায় মগ্ন।

    কফির কাপে চুমুক না দেয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করল রানা, তারপর উঠে গিয়ে দাঁড়াল রঞ্জন চৌধুরীর টেবিলের পাশে।

    ‘এই যে! কেমন আছেন? বসতে পারি?’

    ঝট করে রানার মুখের দিকে চাইলেন চীফ। রানাকে দেখে একটু অবাক হলো দৃষ্টিটা। মুহূর্তে সামলে নিয়ে বললেন, ‘নিশ্চয়ই। কেমন আছেন? আমি জানতাম আপনি এতক্ষণে রওয়ানা হয়ে গিয়েছেন ভিয়েনার পথে।’

    ‘কাল যাচ্ছি।’ বসল রানা চীফের মুখোমুখি।

    ‘ওখান থেকে সোজা ফিরে আসবেন, না আরও কোথাও যাওয়ার ইচ্ছে আছে?’

    ‘ভাবছি একটু ভেনিস ঘুরে আসব।’

    ‘দ্যাটস্ গুড। ফেস্টিভ্যালটা দেখার জন্যে তো? আমি শুনেছি, দারুণ নাকি ওদের লা সেনেরেন্টোলা।

    ফেস্টিভ্যাল সম্পর্কে আলোচনায় রানার তেমন উৎসাহ নেই লক্ষ করে সরাসরি রানার চোখের দিকে চাইলেন রঞ্জন চৌধুরী। ভুরু নাচালেন। ‘কি খবর?’

    ‘একটা ব্যাপারে আপনার সাহায্য দরকার।’

    ভুরু জোড়া সামান্য একটু কুঁচকে উঠেই আবার সোজা হয়ে গেল। ‘নিশ্চয়ই, নিশ্চয়ই। কি ব্যাপারে?’

    ‘অনিল চ্যাটার্জীর ব্যাপারে আমি আগ্রহী।’

    স্থির দৃষ্টিতে রঞ্জন চৌধুরীর মুখের দিকে চেয়ে কথাটা উচ্চারণ করল রানা, আশা করেছিল এ প্রশ্ন শুনে চীফের কি প্রতিক্রিয়া হয় সেটা লক্ষ করলে কিছুটা আঁচ করতে পারবে সে ব্যাপারটা। কিন্তু কোনরকম কোন প্রতিক্রিয়া টের পাওয়া গেল না তার মধ্যে। কোটের পকেট থেকে একটা চারমিনারের প্যাকেট বের করে খুলে এগিয়ে ধরলেন তিনি রানার দিকে, রানা একটা বের করে নিতেই নিজেও ঠোঁটে লাগালেন একটা, রানার গ্যাস লাইটারের আগুনে ধরিয়ে নিলেন সিগারেট। লম্বা করে গোটা কয়েক টান দিয়ে ঠোঁট থেকে আঙুলের ফাঁকে নিয়ে এলেন সিগারেটটা। রানার চোখের ওপর স্থির হলো তাঁর দৃষ্টি।

    ‘অনিল, না? অনিল চ্যাটার্জী। হুম। তা, আপনি তার ব্যাপারে উৎসাহী কেন?’

    ‘নর্দার্ন আয়ারল্যান্ডে আমরা এক সঙ্গে কাজ করেছিলাম কিছুদিন। ওর সততা আর দেশপ্রেম আমাকে মুগ্ধ করেছিল। ভাল লেগেছিল ছেলেটাকে। ওর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না শুনলাম।

    ‘আমিও তাই শুনেছি,’ বললেন রঞ্জন চৌধুরী। কফির কাপে চুমুক দিলেন আরেকটা। ‘আজকাল সবকিছুতেই ভেজাল। কফির সে স্বাদ আর নেই। সেই ছাত্রজীবন থেকে খাওয়ার পর এক কাপ করে কফি খাওয়ার অভ্যাস…’

    ‘কি হয়েছে ওর?’

    চোখ মিটমিট করলেন রঞ্জন চৌধুরী।

    ‘কার কি হয়েছে?’

    মৃদু হাসল রানা। ‘এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন আপনি, মিস্টার চৌধুরী। অনিল নিখোঁজ। আমি জানতে চাই কি হয়েছে ওর।

    ‘আমি জানি না। সত্যিই জানি না।’ কফির কাপে শেষ চুমুক দিয়ে উঠবার উপক্রম করলেন রঞ্জন চৌধুরী। ‘এবার আমাকে উঠতে হয়। অনেক কাজ পড়ে রয়েছে। সন্ধের সময় আবার একটা থিয়েটার দেখার নেমন্তন্ন রয়েছে-সস্ত্রীক। অফিসের কাজে দেরি করে ফেললে একেবারে কুরুক্ষেত্র বেধে যাবে। কি যে মজা পায় ওরা এসবে এসবে বুঝি না। থিয়েটার-ফিয়েটারে আমার কোনদিনই…’

    ‘বিপদে পড়েছে অনিল?’

    দীর্ঘশ্বাস ছাড়লেন রঞ্জন চৌধুরী।

    ‘বড় নাছোড়বান্দা লোক আপনি, মশায়।’ সিগারেটে একটা টান দিয়ে বললেন, ‘সেটা সম্ভব। আমি ঠিক জানি না, এবং সত্যি বলতে কি খুব একটা কেয়ারও করি না। উঠি এবার।

    একটু সামনে ঝুঁকে এল রানা। ‘এক মিনিট। অনিলকে আমি সৎ ছেলে হিসেবে জানি। ওর মা আজ এসেছিলেন আমার কাছে। আপনি যদি এভাবে এড়িয়ে যান তাহলে অন্যত্র খবর সংগ্রহ করতে হবে আমার।’

    একটু যেন থমকে গেলেন রঞ্জন চৌধুরী। দৃষ্টিটা একটু কাত করে ভাবলেন তিন সেকেন্ড, তারপর অমায়িক ভঙ্গিতে ফিরলেন রানার দিকে। ‘ছোট্ট একটা উপদেশ দেব আপনাকে। নিজের চরকায় তেল দিন। এ ব্যাপারে আপনার কিছুই করবার নেই। ভেনিস যাচ্ছেন যান, ফূর্তি করে ফিরে যান নিজের দেশে।

    কঠোর হয়ে গেল রানার মুখটা। বলল, ‘ধন্যবাদ! অনিলকে খুঁজে বের করতে চাই আমি। আপনার সাহায্য না পেলে অন্য রাস্তা দেখতে হবে আমাকে।’

    রানার কথাগুলো মন দিয়ে শুনলেন রঞ্জন চৌধুরী, রানার চোখে মুখে দেখলেন অনমনীয় দৃঢ়-সংকল্প। মুচকে হাসলেন তিনি।

    ‘আপনাকে কোন সাহায্য করতে পারছি না বলে দুঃখিত। শুধু এটুকু বলতে পারি, নিজের পায়ে নিজেই কুড়োল মেরেছে অনিল চ্যাটার্জী, এখন আর কারও কিছু করবার নেই। ওকে নিয়ে কারও মাথা ঘামানোও উচিত বলে মনে করি না আমি। আপনাকে এতটা খোলাখুলি ব্যাপারটা বললাম এই জন্যে যে আমি চাই না আপনি এর মধ্যে নিজেকে জড়িয়ে জলটাকে আরও খানিকটা ঘোলাটে করে তুলুন। ইস্‌ আ ম্যাটার অফ স্টেট-এর বেশি আর কিছু বলা আমার পক্ষে সম্ভব নয়। এর ভেতর নাক গলাবেন না। আরও সহজ করে বলতে হবে?’

    চৌধুরীর চোখে চোখ রাখল রানা। বলল, ‘না। কিন্তু সন্তুষ্ট হতে পারলাম না আমি। গতকাল যে ছিল আপনাদের বিশ্বস্ত কর্মচারী হঠাৎ আর তার ভালমন্দে কিছুই এসে যায় না আপনাদের, চোখ উল্টে নিচ্ছেন বেমালুম; এটা কেমন উদ্ভট ঠেকছে আমার কাছে। কিন্তু সেটা আপনাদের ব্যাপার, আপনারা বুঝবেন। তবে বলতে বাধ্য হচ্ছি, অনিলের মায়ের সঙ্গে আপনারা যে ব্যবহার করেছেন, যেভাবে হেস্তনেস্ত করেছেন সন্তানের সংবাদ জানার জন্যে ব্যাকুল এক বৃদ্ধা মাকে

    অবাক চোখে রানার মুখের দিকে চেয়ে ছিলেন রঞ্জন চৌধুরী, হঠাৎ হেসে উঠলেন।

    ‘এই সব ভাবালুতা ত্যাগ করবার ট্রেনিং দেয়া হয় না আপনাদের? এরকম সস্তা আবেগ আপনাকে কত বড় বিপদের মধ্যে ফেলতে পারে সে শিক্ষা দেননি আপনাদের চীফ?’

    ‘তিনি আমাদের শিখিয়েছেন, সব কিছুর গোড়ার কথা মনুষ্যত্ব। এখানে কিছুর সাথে কোন আপোষ নেই। সবার ওপরে স্থান দিতে হবে একে। শিখিয়েছেন, মনুষ্যত্বকে রক্ষা করতে গিয়ে প্রয়োজন হলে নিজের প্রাণটা বিসর্জন দিতে দ্বিধা কোরো না। কারণ, এটা নষ্ট হয়ে গেলে ওই প্রাণের আর কোন দাম থাকে না।’

    বাঁকা করে হাসলেন রঞ্জন চৌধুরী।

    ‘ইটস্ আ ডেঞ্জারাস গেম, মাই ডিয়ার ইয়াং ম্যান। হয় মারো, নয় মরো। ওইসব ভাবালুতা হয়তো বই পুস্তকে বেশ মানানসই মনে হতে পারে, বাট নট ইন প্র্যাকটিকাল মেটিরিয়ালিস্টিক ওঅলড। এনি ওয়ে, আপনি বা আপনার চীফ যদি ভাব জগতে বিচরণ করে আনন্দ লাভ করেন, আমার আপত্তির কিছুই নেই। আপনাদের ভাবের বোঝা আমাদের ঘাড়ে না চাপালেই আমরা খুশি হব। যাই হোক, আপনার শেষ প্রশ্নটার উত্তর দিয়েই আমি উঠব। অনিলের মা-র সঙ্গে যে ব্যবহার করতে আমরা বাধ্য হয়েছি, সেটা আমাদের দোষ মনে করলে আপনি মস্ত ভুল করবেন। অনিল যা করেছে সেটা করার আগে তার একবার মায়ের কথা ভাবা উচিত ছিল। চলি। দেখা হবে।’

    চলে গেলেন রঞ্জন চৌধুরী। এক দুর্ভেদ্য দুর্গ। স্নেহ মায়া মমতা ঢুকতে পারবে না ওখানে, এমনই কড়া পাহারা। অ্যাশট্রেতে টিপে মারল রানা চারমিনারটা। অনিল সম্পর্কে কিছুই বলেননি চৌধুরী, তবু কয়েকটা টুকরো কথার তাৎপর্য মনে মনে বিচার না করে পারল না সে। বোঝা যাচ্ছে, অনিলের নিখোঁজ হওয়া সম্পর্কে এরা পরিষ্কার ভাবে ওয়াকিফহাল। এটা ভারতের রাষ্ট্রীয় ব্যাপার-স্বীকার করেছেন চৌধুরী। নিজের পায়ে কুড়োল মেরেছে অনিল, এখন আর কারও কিছু করবার নেই। ভাবনার কথা। মনে মনে স্থির করল রানা, এদের হয়তো করবার কিছুই নেই, কিন্তু আমার করবার কিছু থাকতেও পারে। আশাবাদী হওয়াই ভাল।

    মিনিস্ট্রি অফ ফরেন অ্যাফেয়ার্সের কল্যাণ দাশগুপ্তের কাছে গিয়েও ঠিক একই রকম ধাক্কা খেলো রানা। একটি কথাও বের করা গেল না। অনিলের ব্যাপারে কিছুই জানে না তারা। ঠেসে ধরায় বলল খোঁজ খবর নিয়ে সপ্তাহ খানেক পরে জানাবার চেষ্টা করবে। উঠে আসবার আগে উপদেশ দিল-’আমার মনে হয় তোমার এ ব্যাপারে নাক না গলানোই ভাল। এ থেকে দূরে থাকাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। অনিল সম্পর্কে কিছুই যদি না জানবে তাহলে এই উপদেশ কি করে দিচ্ছে জিজ্ঞেস করায় লজ্জিত হাসি হেসে বলেছে-তোমার যা খুশি ভাবতে পারো, আমি এর বেশি আর কোন সাহায্য করতে পারছি না, রানা।’

    ইন্টেলিজেন্সের ডি.আই. জি. সত্যেন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছ থেকে তার অজান্তে দু’একটা তথ্যের ভাঙা অংশ উদ্ধার করা গেল মাত্র, আর বিশেষ কিছুই উপকার হলো না।

    সবারই ইঙ্গিত যেদিকে, সেটা মেনে নিতে কেমন যেন দ্বিধা হচ্ছে রানার। অনিলকে বিশ্বাসঘাতক, রাষ্ট্রদ্রোহী ভাবতে পারছে না কিছুতেই। সত্যেন বাবু স্বীকার করেছেন যে অনিলের মা-র পিছনে গোয়েন্দা লাগানো হয়েছে। কিন্তু কেন? পাসপোর্ট যখন আটকে দেয়া গেছে তখন মিসেস অরুণা চ্যাটার্জী যে দেশের বাইরে যেতে পারছেন না সেটা নিশ্চিত। তাহলে কি ওরা সবাই আশা করছে গোপনে অনিল দেখা করবে ওঁর সঙ্গে? কি হয়েছে অনিলের? ধরা পড়েছে কারও হাতে, নাকি আনুগত্য পরিবর্তন করেছে? কার্ডটার কথা ভাবল রানা-আটকে গেছি, ছুটতে পারছি না। শরীরটাও খারাপ। এর মানে কি? হয় বন্দী হয়েছে, নয় লুকিয়ে আছে কোথাও ভেনিসের কাছাকাছি। খুব সম্ভব আহত অবস্থায়। অথচ ভারতীয় এমব্যাসীতে গিয়ে উঠতে পারছে না সাহায্যের জন্যে। রানার কাছে সাহায্য চাওয়া যায়, কিন্তু তার নিজের দেশের সরকারের কাছে সাহায্য চাওয়া যায় না। কেন?

    নানান কথা ভাবতে ভাবতে ফিরে এল রানা হোটেলে। ঘরে ঢুকেই থমকে গেল রানা। একটা সোফায় বসে পায়ের উপর পা তুলে আরাম করে বসে সিগারেট ফুঁকছে বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্স-এর চীফ অ্যাডমিনিস্ট্রেটার শ্রীমান হাত-কাটা সোহেল। রানা থমকে দাঁড়াতেই এক চোখ বন্ধ করে সিগারেটটা ধরল সে রানার বুক লক্ষ্য করে।

    ‘হ্যান্ডস্ আপ। এক চুল নড়লেই তোমার মাথার খুলি…’ রানাকে তেড়ে আসতে দেখে এক লাফে সোফাটা ডিঙিয়ে ওপারে গিয়ে দাঁড়াল। চোখমুখ পাকিয়ে সিগারেটটা ধরে রেখেছে সে এখনও রানার বুকের দিকে। ‘কোথায় ছিলি এতক্ষণ?’

    ‘তোর তাতে কি রে, শালা? তুই চোরের মত ঢুকেছিস কেন আমার ঘরে?

    ‘চোপরাও, ইতর কাঁহিকে। এটা তোর ঘর? জানিস তুই তোর সমস্ত হোটেলের বিল কাকে পে করতে হয়? এই বান্দাকে। এ ঘর আমার।’

    ‘সে তো খুব ভাল কথা, তবে আর সোফার আড়ালে কেন? সামনে এসো না চাঁদ।’

    ‘মারবি না তো?’

    ‘ঠিক আছে, মাপ করে দিলাম। যা বলবার সংক্ষেপে বলে দূর হয়ে যা। কাজ আছে মেলা।’

    আশ্বাস পেয়ে আবার সোফা টপকে এপারে চলে এল সোহেল। বসল দুজন। ইন্ডিয়া কিং-এর প্যাকেট বাড়িয়ে ধরল সোহেল রানার দিকে। পুরো প্যাকেটটাই মেরে দেবার ইচ্ছে ছিল রানার, কিন্তু খুলে দেখল মাত্র একটা সিগারেট রয়েছে ওর মধ্যে। রানাকে নিরাশ হতে দেখে হাসল সোহেল, আঙুল দিয়ে দেখাল নিজের ফুলে থাকা বুক পকেট। আগেই সব সিগারেট বের করে পকেটে রেখেছে সে। রানা সিগারেট ধরিয়ে নিতেই কাজের কথায় এল সোহেল।

    ‘আমাকে পাঠানো হয়েছে তোর বস্ হিসেবে তোকে একটু ধমক-ধামক দেয়ার জন্যে। আজকের ফ্লাইট ক্যান্সেল করলি কেন? নিজের কাজ ফেলে কি গোলমাল পাকাতে শুরু করেছিস তুই এখানে বল তো?’

    ‘কি করেছি?’

    ‘এমন একটা ব্যাপারে অনর্থক নিজেকে জড়াতে যাচ্ছিস যার সঙ্গে তোর বা বাংলাদেশের কোন সম্পর্ক নেই। তোকে সাবধান করে দেয়ার হুকুম হয়েছে আমার ওপর।’

    ‘তাই নাকি?’ ধীরে সুস্থে ধরাল রানা সিগারেটটা। ‘তা কে পাঠাল তোকে?’

    ‘বুড়ো’

    বিস্মিত হলো রানা। ‘কি বললি?’

    ‘বুড়ো।’ একই সুরে পুনরাবৃত্তি করল সোহেল। ‘বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের চীফ মেজর জেনারেল রাহাত খান। এইবার ব্যাপারটা হৃদয়ঙ্গম করা গেছে?’ একটু থেমে আর একটু ব্যাখ্যা করল সোহেল। ‘আমি এসব কিছুই জানি না, সন্ধ্যার ফ্লাইটে দিল্লী যাওয়ার কথা, হঠাৎ আধঘণ্টা আগে বড় সাহেবের মেসেজ এল। খুব সম্ভব রঞ্জন চৌধুরী যোগাযোগ করেছিল ঢাকায় বড় সাহেবের সঙ্গে। ওদের ধারণা তুই অনর্থক তোর নোংরা নাক গলাচ্ছিস ওদের ঘরোয়া ব্যাপারে। বিরক্তিকর মাছির মত ভনভন করছিস ওদের চারপাশে। ওরা চায় তুই যেন তোর দামী মাথাটা অন্যখানে গিয়ে ঘামাস।

    হাসির ভঙ্গি করল রানা। ‘ঠাট্টা করছিস?’

    ‘তোর ভগ্নিপতি হিসেবে সে রাইট আমার আছে, কিন্তু ঠাট্টা নয় দোস্ত, প্রয়োজন হলে গাঁট্টা চালাবে এরা। অত্যন্ত সিরিয়াস ব্যাপার।’ কথাগুলো বলতে বলতেই টের পেল সোহেল ক্রমে কঠোর হয়ে যাচ্ছে রানার চোখ-মুখ। বিপদসংকেত টের পেয়ে চট করে যোগ করল, ‘দ্যাখ, রানা, তুই ভাল করেই জানিস, তোকে বিরত করবার উপায় নেই। কিন্তু দুই দেশের সম্পর্কের কথাটাও তো ভাবতে হবে। আমার যা মনে হচ্ছে ব্যাপারটার মধ্যে প্যাঁচ আছে, খুবই উঁচু লেভেলের ব্যাপার। এ ব্যাপারে তোর আগ্রহ দেখে এরা ভয়ানক ভাবে চঞ্চল হয়ে উঠেছে-ঠিক ভীমরুলের চাকে ঢিল পড়ার মত অবস্থা।

    ‘কোন্ ব্যাপারে আমার এত আগ্রহ দেখতে পাচ্ছে এরা?’ যেন রীতিমত অবাক হয়ে গেছে এমনি ভাব করল রানা। বুঝতে পেরেছে সে, এখন ভান না করলে কথা আদায় করা যাবে না সোহেলের কাছ থেকে।

    বার কয়েক চোখ মিটমিট করল সোহেল।

    ‘তুই জানিস না কোন্ ব্যাপারে কথা হচ্ছে?’

    ‘অনিল বলে একটা ছেলেকে চিনি। তার মা এসেছিলেন আজ। ওকে পাওয়া যাচ্ছে না। কথা দিয়েছি সম্ভব হলে খোঁজ করে বের করবার চেষ্টা করব ওকে। ব্যস, এই। কেন যে এতে রঞ্জন চৌধুরী বা মেজর জেনারেলের এত হাঁসফাঁসানি শুরু হয়ে গেছে বুঝতে পারছি না।

    ‘তোর জানা নেই যে অনিল চ্যাটার্জী সিক্রেট সার্ভিসের লোক?’

    ‘তাতে কি এসে গেল? সিক্রেট সার্ভিসের লোক বিপদে পড়ে না? টোকিয়ো থেকে তোকে ছাড়িয়ে নিয়ে আসিনি একবার?’

    ‘আমি দেশদ্রোহী ছিলাম না।’ স্থির দৃষ্টিতে চেয়ে রয়েছে সোহেল রানার চোখের দিকে।

    ‘অনিল চ্যাটার্জী দেশদ্রোহী?’

    ‘তা আমি জানি না। সব কথা আমাকে ভেঙে বলার প্রয়োজন বোধ করেননি মেজর জেনারেল। তবে যেটুকু আঁচ করছি, চৌধুরী তাঁকে তাই বুঝিয়েছে। খুব সম্ভব ধরা পড়েছে সে কোন ইন্টারেস্টেড পার্টির হাতে। অথবা যোগ দিয়েছে ওদের সঙ্গে স্বেচ্ছায়। চৌধুরীর কাছে দুটোই সমান। অনেক গোপন তথ্য বেরিয়ে পড়বে অনিল মুখ খুললে। আমার বিশ্বাস মুখ খুলেছে অনিল।’

    খানিক চুপচাপ সিগারেট টানল রানা, তারপর জিজ্ঞেস করল, ‘অতএব?’

    ‘অতএব বুঝতেই পারছ। তোমার উবগারের উৎসাহ একটু দমন করতে হবে। এটা অফিশিয়াল অর্ডার। যদি ভায়োলেট করো, নিজ দায়িত্বে করবে। আর বিদেশে যদি কোন বিপদে পড়ো, দৌড়ে গিয়ে যে এমব্যাসীতে উঠবে, সেটা চলবে না। ইটালির কোথাও বাংলাদেশ বা ভারতীয় এমব্যাসীতে আশ্রয় মিলবে না তোমার।

    উঠে দাঁড়াল সোহেল। হাত বাড়িয়ে দিল রানার দিকে।

    ‘কি জানাব বুড়ো মিঞাকে? কবুল?’

    ‘জানিয়ে দিস, ভেবে দেখব আমি। এটাও বলিস, এক অসহায় মা সাহায্য চেয়েছিল রানার কাছে তার সন্তানের মহা বিপদের সময়।’

    মুখোমুখি দাঁড়িয়ে দুই বন্ধু চেয়ে রইল পরস্পরের চোখের দিকে। ইস্পাতের মত দৃঢ় দুই পুরুষ। মেজর জেনারেল রাহাত খানের নিজ হাতের গড়া বাংলাদেশের দুই সোনার টুকরো। সোহেলের ডান চোখটা সামান্য একটু ছোট হয়েই আবার সমান হয়ে গেল। হাত ছেড়ে দিয়ে দরজার দিকে এগোল সোহেল লম্বা পা ফেলে। কোটের একটা হাত দুলছে কেবল, আরেকটা হাত ঝুলে আছে স্থির হয়ে।

    ছোট্ট একটা ভাড়াটে বাড়ি, পশুপতি বসু লেনের শেষ মাথায়। সন্ধের একটু আগে পৌঁছল রানা। ট্যাক্সি বিদায় করে দিয়ে কড়া নাড়ল।

    দরজা খুলেই রানাকে দেখে মধুর হাসি ফুটে উঠল মায়ের মুখে।

    ‘এসো বাবা, এসো, ভেতরে এসো।’

    সাদামাঠা একটা ড্রইং-রূমে রানাকে বসিয়ে এক্ষুণি কাজটা সেরে আসছি বলে চলে গেলেন ঠাকুর ঘরের দিকে। রানা খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখল ঘরটা, দেয়ালে ঝোলানো অনিলের বাবার ছবি, বুকশেল্‌ফ্ফ্‌ ভর্তি বিপ্লবাত্মক বই, খটখটে টেবিল-চেয়ার, সবকিছুতেই মধ্যবিত্ত পরিবারের ছাপ। রাজনৈতিক চেতনা এবং আদর্শবাদের ছাপও টের পেল রানা।

    বৃদ্ধা এসে বসলেন। মনে মনে গুছিয়ে নিল রানা।

    ‘তেমন কোন সংবাদ সংগ্রহ করতে পারিনি, কিন্তু কয়েকটা তথ্য জানতে পেরেছি। ঠিক কতটা আপনাকে বলা উচিত বুঝতে পারছি না।’

    ‘আমি সহ্য করতে পারব, বাবা। যা জেনেছ বিনা দ্বিধায় বলতে পারো।’

    রানা বুঝল মনটা শক্ত করে নিয়ে বসলেন বৃদ্ধা ঋজু ভঙ্গিতে। ভরসা পেল। শুরু করল, ‘কয়েকজন লোকের সঙ্গে দেখা করে জানতে পারলাম, ও গুপ্তচর বিভাগের কর্মচারী হিসেবেই গিয়েছিল রোমে। এবং একটা কিছু অঘটন ঘটেছে।

    চোখ বুজে এক সেকেন্ড টিপে রেখে আবার খুললেন বৃদ্ধা। ‘সত্যিই তাহলে বিপদের মধ্যে আছে অনিল। ধরা পড়েছে, তাই না?’

    একটু ইতস্তত করে রানা বলল, ‘সেটা কেউ বলতে রাজি নয়। তবে আমার মনে হয় ধরা পড়েনি ও। ধরা পড়লে কার্ডটা পাঠাতে পারত না। কিন্তু কার্ডটা নকলও হতে পারে, কিংবা ওকে দিয়ে জোর করে লেখানো হয়ে থাকতে পারে আমাদের দৃষ্টি অন্যদিকে ফেরাবার জন্যে। যদি কার্ডটা নকল না হয়, কিংবা গায়ের জোরে লেখানো না হয়ে থাকে তাহলে আমার বিশ্বাস এখনও মুক্ত আছে ও, খুব সম্ভব লুকিয়ে আছে কোথাও।’

    ‘এরা কোনরকম সাহায্য করবে না অনিলকে?’ নিজের হাতের দিকে চেয়ে বললেন বৃদ্ধা।

    ‘মনে হয় না। আমিও যেন কোনরকম সাহায্য করতে না পরি, সেজন্যে অনিলের ব্যাপারে খোঁজ খবর করতে দেখেই এরা ঢাকায় আমার হেড অফিসের সাথে যোগাযোগ করেছে। আমার ওপর হুকুম হয়েছে যেন নিজের কাজ সেরে ফিরে আসি। যেন অনিলের ব্যাপারে নাক না গলাই।’

    ‘এ রকম ব্যবহারের নিশ্চয়ই কোন কারণ আছে? আমার পিছনেও পুলিস লাগানো হয়েছে। তোমার কি মনে হয় অনিল এদের সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে?’

    ‘আমি আপনার কাছে এসেছি আজ বিশেষ করে এই কথাটাই জানাবার জন্যে।’ সরাসরি চাইল রানা বৃদ্ধার মুখের দিকে। ‘অনিলকে আমার চেয়ে অনেক ভাল করে চেনেন আপনি। আপনার কি মনে হয় ওর দ্বারা একাজ করা সম্ভব?’

    থমকে গেলেন বৃদ্ধা কয়েক সেকেন্ড।

    ‘বড় কঠিন প্রশ্ন করলে, বাবা। কোন মাকে তার নিজের ছেলের সম্পর্কে এ প্রশ্ন করতে নেই। তবু তুমি যখন জানতে চাইছ, আমি সততার সাথে তোমার এ প্রশ্নের জবাব দেয়ার চেষ্টা করব।’ খানিকক্ষণ চুপ করে কি যেন ভাবলেন বৃদ্ধা মাথা নিচু করে, তারপর চাইলেন রানার চোখে। ‘না। একাজ অনিলের পক্ষে অসম্ভব। ও যে পরিবারের ছেলে, যে আদর্শের ছত্রছায়ায় মানুষ হয়েছে, কখনোই ও একাজ করতে পারে না।

    মস্ত বড় একটা দীর্ঘশ্বাস ছাড়ল রানা। ‘আপনি বাঁচালেন আমাকে। কথা যখন দিয়েছিলাম, আমার সাধ্যমত করতে আমাকে হতই। কিন্তু এখন জানলাম, আমি অন্যায় কিছু করছি না, সত্যের জন্যেই কাজ করছি। দ্বিধা রইল না আর।

    ‘আমার কথা বিশ্বাস করলে তুমি?’

    ‘নিশ্চয়ই।

    ‘এরা বাধা দেবে তোমাকে, সাহায্য করতে চাইলে। তাছাড়া তোমার হেড আপিসের হুকুম…’

    ‘অমান্য করব।’ হাসল রানা। ‘আমাকে আমার অফিস সে লাইসেন্স দিয়েছে। ওদিক থেকে কোন অসুবিধে হবে না।’

    ‘এদিক থেকে?’

    ‘হতে পারে। আবার না-ও হতে পারে। আগে থেকে কিছুই বলা যাচ্ছে না। যা হয় হবে।’

    ‘ভারতের হয়ে অনিল যে কাজ করত, তুমি কি বাংলাদেশের হয়ে সেই কাজই করো, বাবা?’

    একটু থমকে গেল রানা। তারপর হাসল।

    ‘অনেকটা। হঠাৎ একথা জিজ্ঞেস করছেন কেন?’

    ‘সেজন্যেই তোমার সাহায্য চেয়েছিল অনিল। বুঝতে পারছি। কাজটা যে অত্যন্ত বিপজ্জনক, তাও বুঝতে পারছি। হঠাৎ মনে হচ্ছে, স্বার্থপরের মত কাজ করছি না তো আমি? নিজের ছেলেকে সাহায্য করার জন্যে আরেকজনের ছেলেকে অনুরোধ করছি বিপদের মধ্যে ঝাঁপিয়ে পড়তে, সেটা কি উচিত হচ্ছে? আমার কাছে অনিল যতটা মূল্যবান, তোমার মায়ের কাছে তুমি তার চেয়ে কোন অংশে কম মূল্যবান নও, বাবা।’

    হেসে ফেলল রানা। ‘ও, এই কথা? এ নিয়ে কিচ্ছু ভাববেন না আপনি। আমার মা-ই নেই, তার আবার মূল্য! কোন মূল্য নেই আমার।’

    রানার হাসি মুখের দিকে চেয়ে হাসি হাসি হয়ে উঠেছিল বৃদ্ধার মুখটাও, কথা শুনে মিলিয়ে গেল হাসিটা। অদ্ভুত একদৃষ্টিতে চেয়ে রইলেন বেপরোয়া ছেলেটার দিকে। কথা বলেই চলল রানা।

    ‘অনিলের বিরুদ্ধে কি প্রমাণ রয়েছে এদের হাতে জানা নেই আমার। কেউ কোন কথা বলছে না। সব জায়গাতেই ঢাক ঢাক গুড় গুড়। এখন একমাত্র উপায় দেখছি ভেনিসে গিয়ে খোঁজ খবর করা। কাল রওনা হচ্ছি আমি ভিয়েনার উদ্দেশ্যে। ঠিক তিনদিন পর পৌঁছব ভেনিসে। ওখানে পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে খোঁজ খবর শুরু করব আমি। ওখানে ওর পরিচিতদের দু’একজনের নাম বলতে পারবেন?’

    খানিক চিন্তা করে বললেন বৃদ্ধা, ‘ঠিক মনে তো পড়ছে না, বাবা। একটু বসো, আমি অনিলের কয়েকটা চিঠি নিয়ে আসি। জুলি মাযিনি বলে একটা মেয়ের কথা প্রায় চিঠিতেই লিখত। আসছি।’

    চিঠিগুলি ঘেঁটে জানা গেল সান মার্কোর কাছে একটা গ্লাসফ্যাক্টরিতে কাজ করে মেয়েটা। মালিকের নাম গিয়াকোমো পাসেল্লী। ওখানে যাতায়াত ছিল অনিলের। আঁচ করা গেল মেয়েটার ব্যাপারে কিছুটা দুর্বলতাও হয়তো ছিল। আরও জানা গেল ভেনিসে গেলে মডার্নো হোটেলে উঠত সে। রিয়াল্টো ব্রিজের কাছাকাছি কোথাও হোটেলটা। এছাড়া আর বিশেষ কিছুই নেই চিঠিতে।

    ‘আচ্ছা, বছর খানেকের মধ্যে তোলা অনিলের একটা ছবি দিতে পারবেন?’

    ‘আছে।’

    উঠতে যাচ্ছিলেন বৃদ্ধা, রানা বলল, ‘আর একটা কথা, ইচ্ছে করলে ছেলেকে একটা চিঠি দিতে পারেন। ওকে যদি খুঁজে পাই, আপনার লেখা একটা চিঠি পেলে খুবই ভাল লাগবে ওর।’

    টলমল করে উঠল বৃদ্ধার চোখ দুটো, কিন্তু উঠে দাঁড়ালেন সামলে নিয়ে। মৃদু কণ্ঠে বললেন, ‘বড় ভাল ছেলে তুমি, বাবা। সমুদ্রের মত বিরাট তোমার মনটা। ধন্য তোমার স্বর্গবাসিনী মা!’

    দশ মিনিট পর চিঠি আর ফটোগ্রাফ পকেটে পুরে উঠে দাঁড়াল রানা। মৃদু হেসে বিদায় নিল। কিছুটা হেঁটে বাগবাজার স্ট্রীটে উঠে ট্যাক্সি নিল। ড্রাইভারকে বলল, ‘সোজা চলো কন্টিনেন্টাল হোটেলে।’

    রঞ্জন চৌধুরীর কথাগুলো মনে এল রানার। নিজের পায়ে কুড়োল মেরেছে অনিল। এখন আর কারও কিছুই করবার নেই। অনিল যা করেছে সেটা করার আগে তার একবার মায়ের কথা ভাবা উচিত ছিল।

    কি করেছে অনিল?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৩৪ – বিদেশী গুপ্তচর – ২
    Next Article মাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }