Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০৩৩ – বিদেশী গুপ্তচর – ১

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদেশী গুপ্তচর – ১.৫

    পাঁচ

    এগারোটা বাজতে পাঁচ মিনিটে পৌঁছল রানা ফ্লোরিয়ানে। এত রাতেও লোকজনের কমতি নেই। জায়গা পাওয়া মুশকিল। তার ওপর ক্যাবারে দেখতে গেলে একেবারে ভিতরে ঢুকতে হয়, ওখান থেকে চত্বরের দিকে লক্ষ রাখা যাবে না।

    ঘুরে ফিরে দেখে কাফেতে একটা খালি টেবিল পেয়ে বসে পড়ল রানা। ক্যাবারের বাজনা ভেসে আসছে কানে, বিচিত্র সব ভাষায় নিজেদের মধ্যে কথা বলছে দেশ-বিদেশের ট্যুরিস্টরা, দূর থেকে স্টীমার আর লঞ্চের ভেঁপু ভেসে আসছে মাঝে মাঝে এইসব বিশৃক্মখল শব্দ ছাপিয়ে। সবটা মিলিয়ে এক মহা জগাখিচুড়ি। এক পেগ ব্র্যান্ডির অর্ডার দিয়ে টেবিলের নিচ দিয়ে লম্বা করল রানা পা দুটো। সিগারেট ধরাল একটা।

    মর্ডানো হোটেলে কিছুই জানা যায়নি। অনিলকে চিনতে পারল ম্যানেজার, কিন্তু কোন খোঁজ দিতে পারল না ওর। এ-ও বলল, ভেনিসে এলে ওর হোটেল ছাড়া কোথাও উঠবে না অনিল চ্যাটার্জী—যখন উঠেনি, তার মানে সে ভেনিসে আসেনি।

    অথচ রানা জানে ভেনিসেই আছে অনিল। কার্ড জাল হলে অবশ্য অন্য কথা, কিন্তু ওটা জাল নয় বলেই ওর ধারণা। তাই যদি হবে তাহলে সরাসরি অরুণা চ্যাটার্জীর ঠিকানায় পাঠানো হলো না কেন সেটা? কেন মামা বাড়ির ঠিকানায় পাঠানো হলো এস.ও.এস? কেন রানার সাহায্য চাওয়া হলো?

    যাই হোক, সবকিছু নির্ভর করছে এখন এই কাঁচ ফ্যাক্টরির মেয়েটার ওপর। মেয়েটা যদি আসে, এসে পৌঁছলেই অনেক কিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে। বাইরে পিয়াযার দিকে চেয়ে খুঁজল রানা মেয়েটাকে জনারণ্যে। বুঝতে পারল এই ভিড়ে মেয়েটাকে খুঁজে বের করা ওর পক্ষে অসম্ভব। ওকেই খুঁজে নিতে হবে মেয়েটার। ক্যাবারের কথা বলে এসেছে সে, সেখানে ঢোকার মুখে পাহারায় বসে আছে সে দারোয়ানের মত। এখন ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করা ছাড়া আর কিছুই করবার নেই ওর।

    পাশের টেবিল ছেড়ে উঠে গেল একজন গর্দান মোটা বেঁটে লোক বিল চুকিয়ে দিয়ে।

    সাদা স্যুট ও সাদা হ্যাট পরা একজন লম্বা লোক একটা থামের আড়াল থেকে বেরিয়ে এসে বসল খালি টেবিলটায়। এক পেগ হুইস্কি অর্ডার দিয়ে সান্ধ্য পত্রিকা মেলে ধরল সামনে অলস ভঙ্গিতে।

    ভুরু জোরা সামান্য কুঁচকে গেল রানার। মর্ডানো হোটেল থেকে বেরোবার সময় লোকটাকে দেখেছে না সে? হঠাৎ মনে পড়ল গিলটি মিঞাকে নিয়ে খাওয়া সেরে বাসায় ফিরবার সময়ও একটা ব্রিজের ওপর দেখেছে সে লোকটাকে এক নজর। এখানেও সেই একই লোক। ব্যাপার কি? অনুসরণ করছে? চেহারাটা একটু ভাল করে দেখে রাখা দরকার। সামান্য একটু কাত হয়ে বসল রানা যাতে অলক্ষ্যে লক্ষ্য করা যায় লোকটাকে।

    লম্বা একহারা চেহারা, কিন্তু এক নজরেই বুঝল রানা প্রয়োজনের সময় দুর্ধর্ষ হয়ে উঠতে পারে এই লোকটা। একেবারে পেটা শরীর। শক্ত চোয়াল, ধূর্ত চোখ। হাতের কব্জি দেখলেই বোঝা যায় অসুরের শক্তি আছে লোকটার গায়ে। সেই সঙ্গে রয়েছে চিতাবাঘের দ্রুততা।

    সতর্ক হয়ে গেল রানা। কড়া মাল। বেকায়দা অবস্থায় এর হাতে পড়লে দুঃখ আছে কপালে।

    পিয়াযার দিকে চোখ বুলাল রানা আবার। ঘড়ি দেখল। সোয়া এগারোটা। এতক্ষণে নিশ্চয়ই অর্ধেক পথ এসে গেছে মেয়েটা। পৌঁছে যাবে সাড়ে এগারোটার মধ্যেই। ফরমোজা গলি দিয়ে যদি শর্টকাট করে তাহলে পৌঁছবে পাঁচ মিনিট আগেই।

    সাদা হ্যাট পরা লোকটা একবারও চাইল না রানার দিকে। একেবারে ডুবে আছে খবরের কাগজে। সন্দেহটা অমূলক কিনা সে ব্যাপারে সন্দেহ আসতে শুরু করল রানার মধ্যে। মিছেমিছিই অতি সতর্ক হতে যাচ্ছে সে? হতে পারে আজ সন্ধ্যে থেকে বারতিনেক দেখেছে সে এই লোকটাকে অথবা এর মতই অন্য কোন লোককে। তাতে কি? একটা লোককে তিনবার দেখলেই ভয় পাওয়ার কি আছে? হয়তো ওই লোকটাও সন্দেহ করতে আরম্ভ করেছে ইতিমধ্যে রানাকে, তাই অত মনোযোগ দিয়ে পড়ছে খবরের কাগজ, ভাবছে, সন্ধ্যে থেকে তিন-তিন বার দেখা হলো কেন এই ব্যাটার সঙ্গে, গুণ্ডা বদমাশ নয়তো?

    যাই হোক, সাবধানের মার নেই। ঠিক এগারোটা পঁচিশ মিনিটে বিলের জন্যে ডাকল রানা বেয়ারাকে। বিল এবং টিপ্‌স্‌ দিয়ে সহজ ভঙ্গিতে উঠে দাঁড়াল।

    রানার এই উত্থানে বিন্দুমাত্র বিচলিত হলো না লোকটা। বেয়ারার দিকে চেয়ে খালি গ্লাসটা নাড়ল, আর এক পেগ হুইস্কির অর্ডার দিল।

    ঠাসাঠাসি করে রাখা টেবিল চেয়ারের গায়ে ধাক্কা না দিয়ে অতি সাবধানে বেরিয়ে এল রানা কাফে থেকে এঁকেবেঁকে। বাইরে বেরিয়ে একটা থামের আড়ালে এমন ভাবে দাঁড়াল যেন কাঁচের জানালা দিয়ে সাদা হ্যাট পরা লোকটার গতিবিধি লক্ষ্য করা যায়।

    ভ্রূক্ষেপও করল না লোকটা। একবার চেয়েও দেখল না কোন্ দিকে গেল রানা। এমন মন দিয়ে খবরের কাগজ পড়ছে যে মনে হয় এটাই তার একমাত্র নেশা ও পেশা, এরই ওপর নির্ভর করছে ওর জীবন-মরণ। সন্দেহ প্রশমিত হলো রানার।

    বেশ কিছুটা দূরে একটা থামের আড়ালে দাঁড়িয়ে রানার দিকে চেয়ে রয়েছে একজন কালো হ্যাট, কালো স্যুট পরা মোটাসোটা বেঁটে লোক।

    রানার দৃষ্টিটা ছুটে বেড়াচ্ছে পিয়াযার জনারণ্যের ওপর।

    হতাশ হয়ে পড়তে যাচ্ছিল রানা, এমনি সময় দেখতে পেল মেয়েটাকে। একটা আলোকিত দোকানের প্রবেশ পথে দাঁড়িয়ে আছে মেয়েটা রানার দিকে চেয়ে। সেই কালো ইউনিফর্মটাই পরে আছে, কিন্তু মাথায় একটা স্কার্ফ এমন ভাবে জড়িয়েছে যেন মুখের খানিকটা অংশ ঢাকা পড়ে। তবু চিনতে কষ্ট হলো না রানার, এ মেয়ে সেই মেয়েই। ফিগারটা দেখে মনে মনে অনিলের রুচির প্রশংসা না করে পারল না সে।

    ভিড় ঠেলে এগোতে শুরু করল রানা। বেশ কিছুদূর এগিয়ে একবার পেছন ফিরে তাকাল। যেন ওর গতিবিধির প্রতি কোন লক্ষই নেই লোকটার, তেমনি নিরুদ্বিগ্ন চিত্তে ডুবে আছে খবরের কাগজে। সন্দেহটা সম্পূর্ণ দূর হয়ে গেল ওর।

    বেঁটে লোকটাও দেখতে পেল মেয়েটাকে। একটু ঘুরে রওয়ানা হলো সে মেয়েটার দিকে। যেদিকটায় ভিড় কম সেদিকটা বেছে নিয়েছে সে, ফলে সে যে মেয়েটার দিকে এগোচ্ছে সেটা বোঝার উপায় নেই, তার ওপর ভিড় হালকা বলে রানার আগেই পৌঁছে যেতে পারবে সে মেয়েটার পেছনে।

    এক মিনিট ঠায় দাঁড়িয়ে রইল মেয়েটা। রানা ত্রিশ গজের মধ্যে এসে পড়তেই হঠাৎ ঘুরে দাঁড়িয়ে মার্সেরিয়ার দিকে হাঁটতে শুরু করল সে।

    রানা চলল পেছন পেছন

    বেঁটে মোটা লোকটা কমিয়ে দিল চলার গতি। রানার থেকে বেশ কিছুটা ডাইনে এবং কয়েক হাত পেছনে চলল সে।

    খবরের কাগজের আড়াল থেকে দেখল লম্বা লোকটা, চলে যাচ্ছে রানা। বিল চুকিয়ে দিয়ে উঠে দাঁড়াল সে। কাফে থেকে বেরিয়েই আঁচ করে নিল সে, কোনদিকে চলেছে রানা। পেছনে পেছনে অনুসরণ না করে সোজা বাঁ দিকে রওয়ানা হলো, যাতে ঠিক সময় মত ওদের কাছাকাছি পড়া যায় বড় রাস্তায়।

    পরিষ্কার দেখতে পাচ্ছে রানা মেয়েটাকে। একবারও পিছু ফিরে না চেয়ে হেঁটে চলেছে মেয়েটা। রানা ওকে ওভারটেক করবার চেষ্টা করল না। মেয়েটার সমান গতিতেই এগোচ্ছে সে। কারণ মেয়েটা ইচ্ছে করলেই থেমে দাঁড়িয়ে ওর সঙ্গে দেখা করতে পারে, তা যখন করছে না তখন নিশ্চয়ই সে চায় না, রানার সঙ্গে তার এই ব্যস্ত রাজপথে দেখা হোক। যেদিকে নিয়ে যাচ্ছে সেদিকে যাওয়াই ভাল।

    আলোকোজ্জ্বল দোকান-পাটগুলো ছাড়িয়ে কিছুদূর এগিয়েই ডানদিকে একটা প্রায়ান্ধকার গলিতে ঢুকে পড়ল মেয়েটা। ঢুকে পড়ল রানাও। বেশ কিছুদূর গিয়ে ঝট্ করে পেছনে ফিরল রানা একবার। কিন্তু তার আগেই সরে গেছে মোটা লোকটা একটা দেয়ালের আড়ালে। কান পেতে রানার পায়ের শব্দ শুনছে সে।

    রানা বাঁয়ে মোড় নিতেই সাদা হ্যাট পরা লোকটা এগিয়ে এল।

    ‘ওইদিক দিয়ে ঘুরে যাও তুমি,’ বলল মোটা লোকটা। ‘আমি যাচ্ছি পেছনে পেছনে।

    নিঃশব্দ পায়ে দৌড় দিল দু’জন দু’দিকে। সাদা হ্যাট পরা লোকটা রানা যে পথে চলেছে তার সমান্তরাল একটা গলিতে অদৃশ্য হয়ে গেল, ওদেরকে সামনে থেকে ধরার জন্যে।

    মোড় নিয়েই দেখল রানা, গলিটা জনশূন্য। কেউ অনুসরণ করলে দূর থেকেই দেখা যাবে তাকে। বেশ কিছুটা নিশ্চিন্ত হয়ে পদক্ষেপ দ্রুততর করল সে। ততক্ষণে আরেকটা মোড় ঘুরেছে মেয়েটা।

    এই মোড়টা ঘুরেই দেখতে পেল রানা, কয়েক পা এগিয়ে থেমে দাঁড়িয়েছে মেয়েটা ওর জন্যে।

    ‘কিছু মনে করবেন না, আপনার নামটা জানতে পারি?’ ফ্যাসফেঁসে গলায় জিজ্ঞেস করল মেয়েটা।

    ‘মাসুদ রানা। থেমে দাঁড়িয়ে উত্তর দিল রানা। আপনি কে? জুলি মাযিনি?’

    ‘হ্যাঁ।’ অবাক হলো মেয়েটা সম্পূর্ণ অপরিচিত একজনের মুখে নিজের নাম শুনে। এদিক ওদিক চাইল। ‘কেউ অনুসরণ করছে না তো আপনাকে, সিনর মাসুদ রানা?’

    সাদা হ্যাট পরা লোকটার কথা মনে পড়ল রানার। একটু ইতস্তত করে বলল, ‘মনে হয় না। অনিলের কি খবর? কোথায় আছে ও?’

    ‘ভয়ানক বিপদের মধ্যে আছে অনিল। পাগলের মত খুঁজছে ওরা ওকে। আপনাকেও খুব সাবধানে…’

    ‘কারা?’ প্রায় ফিসফিস করে জিজ্ঞেস করল রানা। ‘কারা খুঁজছে ওকে?’

    চট্ করে রানার হাত ধরল মেয়েটা। মড়ার মত ফ্যাকাসে হয়ে গেছে ওর মুখটা।

    ‘শুনতে পাচ্ছেন!’

    কান খাড়া করল রানা। দ্রুত হালকা পায়ের শব্দ। যে গলিটা ছেড়ে ওরা এই গলিতে ঢুকেছে সেই গলিপথ ধরে এদিকে আসছে কেউ।

    ‘আসছে!’ চাপা ফ্যাসফেঁসে গলায় বলল মেয়েটা। ‘কে যেন আসছে এদিকে!’

    ‘ভয় নেই,’ বলল রানা। ‘কেউ আপনার কোন ক্ষতি করতে পারবে না। অনিল কোথায়?’

    ‘মনডোলো লেনের ৩৭ নম্বর…’ আঁৎকে উঠে থেমে গেল জুলি। একজন কালো স্যুট পরা বেঁটেমত মোটা লোক এগিয়ে আসছে ওদের দিকে।

    রানার কব্জি খামচে ধরল মেয়েটা। বিবর্ণ মুখে একটা বাড়ির বারান্দার দিকে সরে গেল। রানাও সরল একটু লোকটাকে পথ করে দেয়ার জন্যে। গলিগুলো বড় বেশি সরু। ঢাকার তাঁতিবাজারকেও হার মানায়। রানা ভাবল, বহুদিনের পুরানো শহর বলেই হয়তো এ রকম।

    কাছাকাছি এসেই হঠাৎ থেমে দাঁড়াল লোকটা। রানা প্রস্তুত হয়ে যাচ্ছিল, এমন সময় সদ্য প্যাকেট থেকে বের করা একটা সিগারেট দেখাল লোকটা ওকে। ‘কিছু মনে করবেন না, সিনর। ম্যাচ আছে আপনার কাছে?’

    ‘আছে।’ লোকটাকে যত শীঘ্রি সম্ভব ভাগাবার জন্যে চট্‌ করে পকেটে হাত দিল রানা।

    বিদ্যুৎবেগে এক পা এগিয়ে এল লোকটা, রানার হাতটা বের করে আনার আগেই প্রচণ্ড জোরে ঘুসি মারল রানার পেটে।

    মুহূর্তের মধ্যে পেটের পেশীগুলো শক্ত করে না নিলে এই এক ঘুসিতেই লিভার ফেটে মারা যেতে পারত রানা। ব্যথায় কুঁচকে গেল রানার চোখ-মুখ, সামনের দিকে বাঁকা হয়ে গেল শরীরটা। কিন্তু এক হাত পকেটে ভরা অবস্থাতেই দ্বিতীয় ঘুসি থেকে বাঁচার জন্যে ঝট্ করে মাথাটা সরিয়ে নিল সে একপাশে। থুতনি স‍ই করে মারা ঘুসিটা চোয়ালে লেগে সাঁ করে বেরিয়ে গেল কানের পাশ দিয়ে।

    বাঁ হাতে ঘুসি মারল রানা একটা। ঘুসিটা লাগল লোকটার পাঁজরের নিচে ঠিক হৃৎপিণ্ড বরাবর। ঘোঁৎ করে একটা শব্দ বেরোল লোকটার মুখ দিয়ে। বেকায়দা অবস্থাতে চালানো রানার ঘুসির ওজন চমকে দিয়েছে ওকে। পিছিয়ে গেল এক পা। রানার ডান হাতটা বেরিয়ে আসছে কোটের পকেট থেকে, কাজেই আর কোন রকম সুযোগ না দেয়াই স্থির করল সে। দমাদম দুটো ঘুসি মারল রানার পাঁজরের উপর। এর কোন দরকার ছিল না, প্ৰথম ঘুসিতেই আসলে কাবু হয়ে গিয়েছিল রানা। টলটলায়মান অবস্থায় আরও দুটো ঘুসি খেয়ে হুমড়ি খেয়ে পড়ে গেল মাটিতে। হামাগুড়ি দিয়ে উঠে বসল রানা, তারপর উঠে দাঁড়াবার চেষ্টা করল। হাঁটুতে জোর নেই, ঠক-ঠক করে কাঁপছে পা দুটো। সেই অবস্থায় টের পেল পালিয়ে যাচ্ছে মেয়েটা, দৌড়াচ্ছে প্রাণপণে।

    দড়াম করে পড়ল শেষ ঘুসিটা চোয়ালের ওপর। মাত্র ছ’ইঞ্চি দূর থেকে মারা ঘুসিটা খেয়ে বন্ করে ঘুরে উঠল রানার মাথা। একরাশ সর্ষেফুল দেখা গেল। ছিটকে গিয়ে ওপাশের দেয়ালের গায়ে ধাক্কা খেলো রানা, তারপর ঝুপ করে পড়ে গেল মাটিতে। এবং জ্ঞান হারাল।

    .

    একটা সুরেলা নারী কণ্ঠ শুনে জ্ঞান ফিরল রানার।

    ‘মারা গেছে নাকি মানুষটা?’

    রানা অনুভব করল তার শরীরটা নেড়েচেড়ে দেখছে কেউ। একটা পুরুষ কণ্ঠ বলল, ‘না, জ্ঞান হারিয়েছে বলে মনে হচ্ছে।’

    হামাগুড়ি দিয়ে উঠে বসবার চেষ্টা করল রানা। মাথাটা এপাশ-ওপাশ নাড়ল বন্য জন্তুর মত। চোখ মেলল। দামী কাপড়-চোপড় পরা দুজন তরুণ-তরুণী। উদ্বিগ্ন দুজোড়া চোখ চেয়ে রয়েছে ওর মুখের দিকে। রানাকে চোখ মেলতে দেখে মনে হলো হাঁফ ছেড়ে বাঁচল।

    ‘দয়া করে নড়াচড়া করবেন না এখন। এক আধটা হাড়গোড় ভেঙে গিয়ে থাকতে পারে।’ নরম গলায় বলল লোকটা।

    ‘না। ঠিকই আছি।’ উঠে বসল রানা। চোয়ালটাতে হাত বুলাল। পাকস্থলীতে কেমন যেন একটা চাপা ব্যথা অনুভব করছে সে। কপালের একপাশ ফুলে আছে, টের পেল হাত দিয়ে ছুঁয়ে। ডান হাতটা ওপরে তুলল সে। ‘একটু সাহায্য করুন।’

    চট্ করে রানার হাত ধরল মেয়েটা। উঠে দাঁড়াতে সাহায্য করল রানাকে।

    উঠে দাঁড়িয়ে নিজেকে সামলে নিতে খানিক সময় লাগল রানার। সারা শরীর অবশ হয়ে গিয়েছিল, ধীরে ধীরে ফিরে আসছে আবার ওর শক্তি। গলিটার এপাশ থেকে ওপাশ চোখ বুলাল রানা একবার। তারপর বলল, ‘নাহ্, কিছু হয়নি। ঠিকই আছি।’ হাত-পা ঝাড়া দিল। ‘কাউকে দেখতে পেয়েছিলেন?’

    ‘না। পথ হারিয়ে ঘুরছি আমরা। আপনার ওপর আর একটু হলে হুমড়ি খেয়েই পড়ছিলাম। সত্যিই ঠিক আছেন তো?’

    ‘হ্যাঁ। কোন ভুল নেই তাতে। ধন্যবাদ। পকেটে হাত দিল রানা। কোটের পকেট থেকে মানিব্যাগটা গায়েব। নিজের ওপরই চটে গেল রানা। এতবড় ভুল করল সে কি করে? সেই মেয়েটার কপালে কি ঘটল কে জানে!

    ‘ছিনতাই হয়েছে?’ জিজ্ঞেস করল মেয়েটা।

    ‘সেই রকমই মনে হচ্ছে।

    রাগে ফেটে পড়ল মেয়েটার সঙ্গী। ‘আশ্চর্য এই ইটালিয়ানগুলো! সব গুণ্ডা বদমাইশ। এখান থেকে সরে পড়া দরকার। আমরা হোটেল গ্রিটিতে উঠেছি। ইনি আমার ছোট বোন, লুইসা পিয়েত্রো। আমার নাম সিলভিও পিয়েত্রো। আমাদের যদি হোটেলে পৌঁছে দেন তাহলে দু’পেগ ভালো ব্র্যান্ডি খাওয়াতে পারি।’

    ‘আহ্, সিলভিও, নিশ্চয়ই ভয়ানক কষ্ট হচ্ছে। আগে খানিকটা বিশ্রাম দরকার ওর।

    ‘না, ঠিক আছি।’ মেয়েটার দিকে ছোট্ট একটু বো করল রানা। ‘আমার জন্যে ভাববেন না। কোন অসুবিধে নেই এখন আর। আপনাদের রাস্তা চিনিয়ে দেব আমি, কিন্তু চেহারার যে হাল হয়েছে, এই অবস্থায় এখন হোটেলে না যাওয়াই ভাল। আমি বাসায় ফিরব। আমার নাম মাসুদ রানা।’

    ‘মাসুদ রানা!’ এক পা এগিয়ে এল মেয়েটা। রানার মুখটা পরখ করে দেখবার চেষ্টা করছে আবছা আলোয়। ‘আমি তো চিনি আপনাকে! কোথায় যেন পরিচয় হয়েছিল আপনার সঙ্গে? ওমা, আজই তো আপনার সঙ্গে একই ট্রেনে ফিরলাম লিডো এয়ারপোর্ট থেকে। বান্ধবীকে পৌঁছে দিতে গিয়েছিলাম। আপনার পাশের সীটেই বসেছিলাম আমি। চিনতে পারছেন?’

    রানার মনে পড়ল অপূর্ব সুন্দরী একটা মেয়ের পাশে বসে এসেছে সে লিডো থেকে ভেনিস। দু’এক টুকরো আলাপও হয়েছিল। কোন রকম ঘনিষ্ঠতার চেষ্টা করেনি সে কাজে আসছে বলে, কিন্তু স্পষ্ট অনুভব করেছিল আশ্চর্য এক আমোঘ আকর্ষণে টানছে মেয়েটা ওকে। তাজা, উষ্ণ একটা আকর্ষণ আছে মেয়েটার মধ্যে।

    ‘চিনেছি এবার,’ বলল রানা। ‘কিন্তু আপনারা কি ইটালিয়ান নন?’

    ‘বাবা ইটালিয়ান, কিন্তু মা ফরাসী। আমরা ফ্রান্সে মানুষ হয়েছি।’ হাসল মেয়েটা। ‘নব্বই ভাগ ফরাসী, দশ ভাগ ইটালিয়ান আমরা।’

    ‘চলুন, এগোনো যাক,’ বলল রানা। দুটোকে ভাগানো দরকার। ওর মাথায় একমাত্র চিন্তা এখন জুলি মাযিনি। কি হলো মেয়েটার? ধরা পড়ল শত্রুপক্ষের হাতে, নাকি কিছুক্ষণ আগের ব্যাপারটা সত্যিই একটা ছিনতাইয়ের ঘটনা? অনিলের সঙ্গে কোন যোগ নেই এর? কোনটা ঠিক জানতে হবে রানাকে। খুব শীঘ্রি। ‘আপনাদের বড় রাস্তায় তুলে দিয়ে যাই।’

    উজ্জ্বল আলোয় এসে রানা দেখল, ভাই-বোনের প্রায় একই চেহারা। বোনের ওপর ভাইয়ের প্রভাব, না ভাইয়ের ওপর বোনের প্রভাব বোঝা গেল না। দুজনেই দেখতে ভাল। বাইশ থেকে সাতাশের মধ্যে বয়স। চকচকে বুদ্ধিদীপ্ত চোখ, মুখে কোমল একটা অমায়িক ভাব, সাজপোশাক সর্বাধুনিক, দামী।

    হাত বাড়িয়ে দিল সিলভিও রানার দিকে। ‘অসংখ্য ধন্যবাদ। ব্যাপারটা কি ঘটেছিল জানার জন্যে দারুণ কৌতূহল হচ্ছে। জানি জিজ্ঞেস করাটা অভদ্রতা, তাছাড়া এখন আপনার বিশ্রাম দরকার। পরে কোন একদিন যদি আপনার মুখে ঘটনাটা শুনতে পেতাম…’

    ‘নিশ্চয়ই। আমি আছি আরও সাতদিন। এর মধ্যে একদিন আপনাদের হোটেলে গিয়ে শুনিয়ে আসব গল্পটা। ডেলা টলেটা বলে একটা প্যালাযোতে আছি আমি, স্যানসোভিনোর লাইবেরিয়া ভেচিয়ার কাছে। আপনারাও সময় পেলে একটা ফোন করে চলে আসতে পারেন যে কোন সময়। চলি এখন, কেমন?’

    ‘আপনি দুর্দান্ত লোক, সিনর মাসুদ রানা,’ বলল মেয়েটা। ‘চোয়ালে কপালে যে দাগ দেখছি তাতে আঘাতের পরিমাণ বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে না। এতবড় আঘাত হজম করাটা সোজা কথা নয়!’

    বিনীত হাসি হাসল রানা। ‘ও কিছু নয়। অভিনয় করছি আসলে। বাসায় পৌঁছেই কান্নায় ভেঙে পড়ব। চলি, গুড বাই।’

    দ্রুত পায়ে হেঁটে চলল রানা বাসার দিকে।

    কলিংবেল টিপতেই দরজা খুলে দিল গিলটি মিঞা। অবাক হয়ে দেখল রানার বিধ্বস্ত চেহারা। এরকম মাঝেমধ্যে দেখে অভ্যাস আছে ওর। কোন প্রশ্ন করল না।

    ঘরে ঢুকেই কাপড় ছাড়ল রানা প্রথমে। একটা নেভি ব্লু রঙের প্যান্ট, গাঢ় কালচে-সবুজ রঙের শার্ট, আর কালো চামড়ার জ্যাকেট পরল। জুতো জোড়া বদলে রবার সোলের একজোড়া মোকাসিন পায়ে দিল। সুটকেসের গোপন একটা কম্পার্টমেন্ট থেকে বেরোল একটা ফল্স্ ঘড়ি-ঘড়ির মত কাঁটা-ডায়াল সবই আছে কিন্তু ভিতরে কোন যন্ত্রপাতি নেই। ব্যান্ডটা খুললেই ভারী একটা ধারাল অস্ত্রে পরিণত হবে সেটা। একটা খাপে পোরা স্টিলেটো বেঁধে নিল রানা ডান ঊরুতে চামড়ার স্ট্র্যাপ দিয়ে। প্যান্টের পকেটের নিচ দিকটায় সেলাই নেই, হাত ঢুকিয়ে অনায়াসে বের করে আনা যায় ছুরিটা দরকারের সময়। তালা খোলার জন্যে বার্গলার্স কিট বের করে রাখল রানা হিপ পকেটে। বাঁ পকেটে রাখল একটা শক্তিশালী টর্চ, ইচ্ছে করলে এর রশ্মিকে ছোট করে দশ ফুট দূরে একটা সিকির সমান আলো ফেলা যায়। হাজার লিরার গোটা কয়েক নোট শার্টের বুক পকেটে রেখে খাটের ওপর বসল রানা। সিগারেট ধরাল।

    ধরে নিতে হবে, বেঁটে বক্সারটা অনিলের শত্রুপক্ষের কেউ। সাধারণ চোর বা গুণ্ডা হতে পারে, কিন্তু সতর্কতার খাতিরে ওকে বিরুদ্ধ-পক্ষের কেউ বলে ধরে নেয়া উচিত। তাহলে কি জুলি মাযিনির পরিচয় জেনে গেছে ওরা? ধরে ফেলেছে ওকে? অত্যাচারের মুখে যা জানে বলে দিতে বাধ্য হবে জুলি তাহলে? ধরা পড়ে যাবে আত্মগোপনকারী অনিল?

    নাহ্ বড় বোকামি হয়ে গেছে। আরও অনেক সতর্ক হওয়া উচিত ছিল ওর। কিন্তু অনুশোচনা করে কোন লাভ নেই। কিসের বিরুদ্ধে সতর্ক হবে সে? অচেনা শত্রুর কাছ থেকে সতর্ক থাকা যায় না। কাদের বিরুদ্ধে কি ধরনের ব্যাপারে নিজেকে জড়িয়েছে অনিল, কে মিত্র, কে শত্রু কিছুই জানে না রানা-এই অবস্থায় কিভাবে সাবধান হবে সে?

    তবে এবার আক্রমণ যেদিক থেকেই আসুক না কেন, অত সহজ হবে না ওকে কাবু করা। এখন একমাত্র ভয় পুলিসকে। এই সব যন্ত্রপাতি সহ পুলিসের হাতে ধরা পড়লে বারোটা বেজে যাবে ওর।

    মনডোলা লেনের ৩৭ নম্বর বাড়ি-এর বেশি আর কিছুই জানা যায়নি মেয়েটার কাছ থেকে।

    ওখানেই কি লুকিয়ে আছে অনিল? গলিটাই বা কোথায়? ভেনিসের অসংখ্য গলির কোন্‌টা মনডোলা লেন? কি করে খুঁজে পাবে রানা?

    একটা ঘন ছাই রঙের শার্ট ও প্যান্ট পরে এসে দাঁড়াল দরজার কাছে গিলটি মিঞা। প্রস্তুত। ‘কোতাউ চললেন, স্যার? আমাকে নেবেন?’

    রানা না নিলেও সে যে গোপনে অনুসরণ করবে ওকে তাতে কোন সন্দেহ নেই। মৃদু হেসে সায় দিল রানা। সুচইটার দিকে ইঙ্গিত করে বলল, ‘বাতিটা নিভিয়ে দাও দেখি?’

    ঘরটা অন্ধকার হয়ে যেতেই জানালার পাশে এসে দাঁড়াল রানা, পর্দাটা ফাঁক করল। পরিষ্কার দেখা যাচ্ছে রাস্তা।

    রাত এখন সোয়া একটার কম নয়। কিন্তু এখনও দলে দলে চলেছে ট্যুরিস্টরা সান মার্কোর দিকে। গতি অপেক্ষাকৃত শ্লথ, এই যা তফাৎ-লোকজন প্রচুর রাস্তায়।

    মিনিট দুয়েক চেয়ে রইল রানা রাস্তার দিকে। তারপর এক টুকরো কঠোর হাসি ফুটে উঠল ওর ঠোঁটে। নিঃশব্দ, নিষ্ঠুর হাসি।

    সান মার্কোর দিকে পিছন ফিরে একটা থামের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে তন্দ্রালু, অলস দৃষ্টিতে ট্যুরিস্টদের দিকে চেয়ে রয়েছে একজন লম্বা লোক। পরনে তার সাদা স্যুট, সাদা হ্যাট।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৩৪ – বিদেশী গুপ্তচর – ২
    Next Article মাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }