Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০৩৩ – বিদেশী গুপ্তচর – ১

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদেশী গুপ্তচর – ১.৬

    ছয়

    ‘মনডোলা গলিটা কোনদিকে বলতে পারবে?’

    ‘নিচ্চয়।’ একগাল হাসল গিলটি মিঞা। ‘ক্যাম্পো সান পোলোর কাচে।’

    ‘সেটা কোথায়?’

    ‘রিয়াল্টো ব্রিজের কাচে, স্যার। খালের ওপার। ভাঙাচোরা বাড়িঘর, নোংরা। তা ওদিকটাতেই চলেচেন বুজি?’

    ‘হ্যাঁ। কিন্তু তার আগে একটা লোককে খসাতে হবে। সন্ধে থেকে পেছনে লেগে রয়েছে ব্যাটা।’

    ‘সে ভার আমার ওপর ছেড়ে দিন, স্যার। ঘোল খাইয়ে ছেড়ে দেব শালাকে।

    ‘না। ক্যালকেশিয়ান ঘোলে চলবে না, ও ঢাকাই ঘোল খেতে চায়। যা করার আমিই করব। তোমাকে জানানোর উদ্দেশ্য হলো ওর উপস্থিতি টের না পাওয়ার ভান করতে হবে। ঘুণাক্ষরেও টের পাবে না তুমি যে কেউ আমাদেরকে অনুসরণ করছে।’

    ‘ঠিক আচে। তাই হবে। চলুন তাহালে রওনা দিই?’ পন্টি ডেলা প্যাগলিয়ার দিকে হাঁটতে হাঁটতে আড়চোখে দেখল রানা, থামের গায়ে ঠেলা দিয়ে সোজা হয়ে গেল লম্বা লোকটা। আনমনে হাঁটছে ওদের পেছন পেছন।

    ‘খুব সরু একটা গলিতে নিয়ে চলো দেখি প্রথমে। ব্যাটাকে খসাতে হবে আগে।’

    বাঁ দিকের একটা গলিতে ঢুকে পড়ল গিলটি মিঞা। গোলক ধাঁধার মত গলিগুলো, একটা মিশেছে আরেকটায়, সেটা গিয়ে মিশেছে আরেকটায়, যেন শেষ নেই এর। রাস্তা নির্জন। একটা মোড় ঘুরেই পছন্দসই জায়গা পেয়ে গেল রানা। একটা বাড়ির তিন ফুট উঁচু বারান্দায় উঠে পড়ল সে। গিলটি মিঞাকে বলল, ‘দুজনের পায়ের শব্দ করতে করতে এগিয়ে যাও।’

    একগাল হেসে রওনা হলো গিলটি মিঞা। মিশে গেল সরু গলির প্রায়ান্ধকারে। পাথরের মূর্তির মত দাঁড়িয়ে রইল রানা। ঠিক এক মিনিট পরই সাদা টুপি দেখা গেল।

    সাবধানে মাথাটা সামনে বের করল অনুসরণকারী, কান পেতে শুনল পায়ের শব্দ, তারপর নিশ্চিন্ত মনে রওনা দিল গলিপথে।

    দড়াম করে প্রচণ্ড জোরে একটা লাথি পড়ল লোকটার চোয়ালের ওপর। ভয়ানক ভাবে ঠুকে গেল মাথাটা পাশের দেয়ালে। এত জোরে শব্দ হলো যে ভয় পেল রানা খুলি ফেটে গেছে মনে করে। চট করে ধরে ফেলল লোকটার জ্ঞানহীন দেহটা, আস্তে শুইয়ে দিল মাটিতে।

    নিঃশব্দ পায়ে ফিরে এল গিলটি মিঞা। মুখে আকর্ণবিস্তৃত হাসি। ‘বড় জবর মার মেরেচেন, স্যার। এক লাতেই কাত। পকেটে কিছু আচে কিনা দেকব?’

    ‘দেখো।’

    দ্রুত হাত চালিয়ে লোকটার সব পকেট সার্চ করল গিলটি মিঞা। কিছুই পাওয়া গেল না যা দিয়ে পরিচয় জানা যায়। বাঁ বগলের নিচে একটা খাপে পোরা থোইং নাইফ। রক্তের চিহ্ন টের পেল রানা ছুরির ব্লেডে।

    সোজা হয়ে উঠে দাঁড়াল রানা। যতদূর মনে হচ্ছে, এখন ঘণ্টা খানেক নিশ্চিন্তে ঘুমোবে লোকটা।

    ‘এবার চলো মনডেলোর দিকে। জলদি।’

    মিনিট দশেক এ গলি ও গলি ধরে হাঁটার পর বড় রাস্তায় উঠল গিলটি মিঞা রানাকে নিয়ে। রানা দেখল সামনেই দেখা যাচ্ছে রিয়াল্টো ব্রিজ। মনে মনে গিলটি মিঞার গুণের প্রশংসা না করে পারল না সে। কিন্তু বড় রাস্তায় উঠে মিনিট তিনেক হাঁটার পরই কেমন যেন উসখুস শুরু করল গিলটি মিঞা। খানিক বাদে বলেই ফেলল, ‘আরাকজন আচে বলে মনে হচ্চে, স্যার।’

    মৃদু হেসে মাথা ঝাঁকাল রানা। ‘জানি। অত ব্যস্ত হয়ো না, এটারও ব্যবস্থা হয়ে যাবে।’

    ব্রিজের মাঝামাঝি এসে একটা থামের আড়ালে দাঁড়িয়ে পড়ল রানা। জায়গাটায় বেশ ঘন ছায়া পড়ায় এটাই পছন্দ করল রানা।

    ‘ছায়ায় ছায়ায় এগিয়ে যাও ডবল পা ফেলে।’

    বেশ মজার খেলা পেয়েছে গিলটি মিঞা, একগাল হেসে এগোল সে সশব্দে দুজনের পা ফেলে ফেলে।

    চুপচাপ দাঁড়িয়ে রইল রানা। এক মিনিট পার হয়ে গেল। কারও দেখা নেই। দুজনেরই সন্দেহে ভুল হতে পারে? তার নিজের মনটা সন্দেহপ্রবণ হয়ে রয়েছে, সন্ধে থেকে বেশ কয়েকটা ঘটনা ঘটে গেছে বলে অতি সতর্ক হয়ে রয়েছে ইন্দ্রিয়গুলো, ভুল হওয়া অস্বাভাবিক নয়; কিন্তু গিলটি মিঞার ভুল হবে কেন? বত্রিশ বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে গিলটি মিঞার। ভয়ে ভয়ে, লুকিয়ে, পালিয়ে, সাবধানে কাটিয়েছে সে চোরের জীবন বত্রিশটা বছর। ওর সজাগ চোখ ভুল করতে পারে না। কাজেই অপেক্ষা করতে হবে। ধৈর্য ধরতে হবে। সামান্য ভুলে অনেক ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

    দূরে গিলটি মিঞার পায়ের শব্দ শোনা যাচ্ছে এখনও আবছা ভাবে। ব্রিজের শেষ মাথায় চলে গেছে সে, এখনি পৌঁছে যাবে ওপারে। ঠিক মনে হচ্ছে দুজন লোক হেঁটে চলে যাচ্ছে।

    আরও আধ মিনিট কাটল, তারপর হালকা পায়ের শব্দ শুনতে পেল রানা। বেশ কাছে। থামের গায়ে মিশে দাঁড়িয়ে রইল ও। গাঢ় রঙের কাপড় পরায় দেখা যাবে না ওকে সহজে, নিজের দিকে একবার চেয়ে নিশ্চিন্ত হলো রানা। খুব সাবধানে উঁকি দিল। কয়েক সেকেন্ড কিছুই দেখতে পেল না, তারপরই চোখ পড়ল ওর কালো স্যুট পরা একজন বেঁটে লোকের ওপর। কষ্ট হলো না চিনতে।

    তার মানে লোকটা আচমকা অসাবধান পথিকের সর্বস্ব অপহরণকারী নয়। সাদা আর কালো মিলেমিশে কাজ করছে। খুব সম্ভব ওর পেছনে লাগানো হয়েছে এই দুজনকে গিয়াকোমো পাসেল্লীর দোকান থেকে বেরোবার পরপরই।

    লোকটার পদক্ষেপে অতি সতর্কতার লক্ষণ টের পেল রানা। খুব সম্ভব সাদা সঙ্গীর রহস্যজনক অন্তর্ধানে যার পর নাই উদ্বিগ্ন হয়ে রয়েছে সে ভিতরে ভিতরে। কিছুদূর এগিয়ে দাঁড়িয়ে পড়ল লোকটা, চেয়ে রইল খালের দিকে। আসলে পায়ের শব্দ শোনার চেষ্টা করছে সে। পনেরো সেকেন্ড চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকে আবার চলতে শুরু করল। পিছু ফিরে চাইল একবার, আবার এগোল।

    রানা যে-থামের আড়ালে লুকিয়ে আছে সেটা পেরিয়ে গেল লোকটা প্রায় নিঃশব্দ পায়ে। খালের ওপারে গিলটি মিঞাকে দেখতে পেল সে এবার। বিচিত্র ভঙ্গিতে ওকে পা ফেলে এগোতে দেখে আঁৎকে উঠে থেমে দাঁড়াল। ঝট করে পিছন ফিরে চাইল একবার। তারপর সাঁৎ করে সরে গেল একটা থামের আড়ালে।

    ছায়ার মত নিঃশব্দে এগিয়ে এল রানা। মন্ত্রমুগ্ধ দৃষ্টিতে চেয়ে রয়েছে লোকটা গিলটি মিঞার দিকে। পেছন থেকে দুটো টোকা দিল রানা লোকটার ঘাড়ে। ‘কেঁউ’ করে একটা ভয়ার্ত শব্দ বেরোল লোকটার গলা দিয়ে। এক লাফে সরে গেল তিনহাত তফাতে, এবং ঘুরে দাঁড়াল।

    ‘কিছু মনে করবেন না, সিনর। ম্যাচ আছে আপনার কাছে?’

    বিস্ময়ের ঘোরটা কাটিয়ে উঠতে দুই সেকেন্ডের বেশি লাগল না লোকটার। চিতা বাঘের মত লাফ দিল রানার দিকে। ঝট করে বাঁ দিকে বাঁকা হয়ে পা চালাল রানা। এবার আর অসতর্ক নয় সে। লাথি খেয়ে চাপা একটা গোঙানি বেরোল লোকটার মুখ থেকে। মুখ থুবড়ে পড়ে গেল মাটিতে এবং প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই উঠে দাঁড়াল আবার। হাঁপাচ্ছে। শোলডার হোলস্টারে রাখা ছুরিটা বের করবার জন্যে চট্ করে চলে গেল ডান হাতটা কোটের ভিতর। ঠিক এই মুহূর্তটির সদ্ব্যবহার করল রানা। বিদ্যুৎবেগে এগিয়ে এল এক পা, প্রচণ্ড জোরে ঘুসি চালাল লোকটার চোয়াল লক্ষ্য করে। যন্ত্রণায় চোখ-মুখ বিকৃত হয়ে গেল লোকটার, কিন্তু অবাক হয়ে গেল রানা লোকটার সহ্যশক্তি দেখে, এই অবস্থাতেও বাঁ হাতটা চালাতে ভুল করল না। প্রচণ্ড একটা ঘুসি পড়ল রানার পাঁজরের ওপর। হেভিওয়েট বক্সার নাকি ব্যাটা? মনে হয় জীবনের বেশির ভাগ সময় কেটেছে লোকটার গ্লাভ্স পরা অবস্থায় রিং-এর ভিতর। বেকায়দা অবস্থায় ছোঁড়া ঘুসির ঠ্যালাতেই ফুস ফুস থেকে সব দম বেরিয়ে যাওয়ার উপক্রম হলো রানার। চট্‌ করে ধরে ফেলল হাতটা। মুচড়ে ধরে পিছন ফিরে নিজের বাঁ কাঁধের ওপর ফেলল সে হাতটা চিৎ করে, তারপর মারল হ্যাঁচকা টান নিচের দিকে। তীব্র বেদনায় ককিয়ে উঠল লোকটা, পরমুহূর্তে শূন্যে উঠে গেল। রানার মাথার ওপর দিয়ে উড়ে গিয়ে পড়ল চারহাত তফাতে, প্রথমে গুঁতো খেলো থামের গায়ে, তারপর বালির বস্তার মত ধপাস করে পড়ল মাটিতে উপুড় হয়ে। কোনরকম নড়াচড়ার লক্ষণ না দেখে একটু ঘাবড়ে গেল রানা। লোকটার পাল্স্ দেখে নিশ্চিন্ত হয়ে সার্চ করল ওর প্রত্যেকটা পকেট। হিপ পকেট থেকে বেরোল রানার মানিব্যাগ। আর কোথাও উল্লেখযোগ্য কিছুই পাওয়া গেল না। হোলস্টারে থ্রোইং নাইফটা নেই দেখে রানার চোখ গেল লোকটার ডান হাতের দিকে। অজ্ঞান অবস্থাতেও ধরা আছে ছুরিটা ছুঁড়ে মারার ভঙ্গিতে।

    মানিব্যাগটা নিজের পকেটে ফেলে আর একটু অন্ধকারে টেনে দিল রানা লোকটাকে। দ্রুত এগোল। খালের ওপারে একটা গলির মুখে গিলটি মিঞাকে দেখে এগিয়ে গেল সেইদিকে।

    ‘এবার কোন্ দিকে?’ জিজ্ঞেস করল রানা।

    ‘আসুন আমার পিছু পিছু।’

    গলিটা ধরে বেশ কিছুদূর গিয়ে একটা অপেক্ষাকৃত সরু গলিতে ঢুকল গিলটি মিঞা। বলল, ‘এইটেই।’

    এ গলির দুই ধারে শত শত বছরের পুরানো ঝুর ঝুরে ভাঙা সব বাড়ি। মনে হয় এখুনি হুড়মুড় করে ঘাড়ের ওপর পড়বে বুঝি। একটি বাতি নেই কোন বাড়ির জানালায়। পকেট থেকে টর্চটা বের করল রানা।

    ‘এসব বাসায় কোন লোক আচে বলে মনে হয় না, স্যার।’

    ‘তাই তো মনে হচ্ছে,’ বলল রানা নিচু গলায়। ‘খুব সম্ভব সব ভেঙে আবার নতুন করে বাড়ি তোলা হবে বলে লোকজন সরিয়ে দেয়া হয়েছে।’ একটা দেয়ালের গায়ে লেখা নম্বর দেখে এগোল রানা সামনে। ‘সাঁইত্রিশ নম্বরটা আরও আগে বলে মনে হচ্ছে।’

    তিনটে বাড়ি ছেড়েই পাওয়া গেল বাড়িটা। দোতলা বাড়ি। প্লাস্টার খসে যাওয়ায় দাঁত বের করে হাসছে লাল লাল ইঁট। ঠেলা দিতেই খুলে গেল দরজাটা নিঃশব্দে। এত নিঃশব্দে খুলল যে থমকে গেল রানা একটু। চট করে টর্চের আলোটা চলে গেল দরজার হিঞ্জে।

    ‘তেল দোয়া হয়েচে স্যার, বলল গিলটি মিঞা ফিসফিস করে। ‘মনে হচ্চে লোক আচে।

    ভিতরে আলো ফেলল রানা। একটা সরু প্যাসেজ দিয়ে কিছু দূর গিয়ে বাঁ পাশে দোতলায় উঠবার সিঁড়ি।

    ‘তুমি এখানেই অপেক্ষা করো, আমি ঢুকছি ভিতরে,’ বলল রানা। ‘চোখ কান খোলা রাখবে।’

    ‘নিশ্চয়।’

    দু’পা এগিয়েই বসে পড়ল রানা। কাঠের মেঝে, ধুলো জমে আছে পুরু হয়ে, তার ওপর অনেকগুলো পায়ের ছাপ। মেয়েমানুষের জুতোর ছাপ দেখতে পেল রানা একজোড়া। উঠে দাঁড়াল।

    সাবধান করল গিলটি মিঞা। ‘একটু সাবধানে পা ফেলবেন, স্যার। পচা কাটে পা পড়লে একেবারে ঝপাৎ করে পড়বেন পানিতে। নিচে পানি।’

    পেছন ফিরে ভ্রূকুটি করল রানা, কিন্তু সেটা দেখতে পেল না গিলটি মিঞা। তাই চাপা গলায় বলল, ‘চুপ করে থাকো, কথা বোলো না।’

    সিঁড়ির পাশেই একতলায় ঢোকার দরজা। আস্তে করে হ্যান্ডেলে চাপ দিয়ে ঠেলা দিল রানা দরজাটা। ক্যা…চ করে বিচ্ছিরি একটা শব্দ করে ফাঁক হয়ে গেল দরজা। চট করে ঘরের চারপাশে আলো বুলাল রানা। কেউ নেই ঘরে। অসংখ্য ঝুল, আর ধুলো। কেমন একটা ভ্যাপসা গন্ধ এল নাকে। প্রকাণ্ড একটা মাকড়সা সড়সড় করে সরে গিয়ে একটা ঘুণে খাওয়া পচা তক্তার নিচে আত্মগোপন করল। দরজাটা ভিড়িয়ে দিয়ে সিঁড়ির ধাপ পরীক্ষা করল রানা। ধুলো জমে আছে সিঁড়িতেও। পায়ের ছাপ দেখে পরিষ্কার বোঝা গেল দু’এক দিনের মধ্যেই একাধিক লোক ওঠানামা করেছে এ সিঁড়ি দিয়ে। এক আধটা হাই হিলের ছাপও দেখা যাচ্ছে আবছা ভাবে।

    সাবধানে কাঠের সিঁড়িতে কোন রকম আওয়াজ না করে উঠে এল রানা দোতলায়। দুটো দরজা দেখা যাচ্ছে।

    কান পাতল রানা। চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকল আধমিনিট। নাক ডাকা তো দূরের কথা কারও নিঃশ্বাস পতনেরও শব্দ নেই। নিঝুমপুরী। প্রথম দরজার হ্যান্ডেলে চাপ দিল সে। নিঃশব্দে খুলে গেল দরজা।

    দরজাটা দুই ইঞ্চি ফাঁক হতেই হঠাৎ একটা শব্দ হলো ঘরের ভিতর। আড়ষ্ট হয়ে গেল রানা। খচমচ করে কাগজ নাড়ার শব্দ হলো, তারপর মৃদু একটা ধুপ।

    টর্চটা নিভিয়েই চট করে সরে গেল রানা দরজার সামনে থেকে। ডান হাতে বেরিয়ে এসেছে স্টিলেটো। দ্বিগুণ হয়ে গেছে বুকের ভিতর ঢিবঢিব শব্দ। আবার খচমচ আওয়াজ। আবার একটা মৃদু ধুপ শব্দ। পরমুহূর্তে কিচমিচ করে ডেকে উঠল ছুঁচো।

    হাঁপ ছাড়ল রানা। ছুঁচোর কেত্তন।

    পা দিয়ে কপাটের গায়ে একটা ঠেলা দিয়েই আলো ফেলল সে ঘরের ভিতর।

    প্রকাণ্ড একটা ছুঁচো। থতমত খেয়ে গেল প্রথমটায়, তারপর ভয় পেয়ে ছুটে গেল দেয়ালের দিকে, লাফ দিয়ে ধাক্কা খেলো দেয়ালের গায়ে, ধুপ করে পড়ল মেঝেতে, তারপর বিদুৎবেগে অদৃশ্য হয়ে গেল ঘরের অন্ধকার কোণে।

    ঘরের মাঝখানে ঢিবির মত উঁচু হয়ে আছে কি যেন। রানার টর্চের উজ্জ্বল আলোটা এসে স্থির হলো সেখানে।

    পুরু ধুলোর ওপর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় চিৎ হয়ে শুয়ে আছে জুলি মাযিনি। উলঙ্গ। স্থির দৃষ্টিতে চেয়ে রয়েছে সে ছাতের দিকে। বাঁ স্তনের নিচে একটা গভীর ক্ষতচিহ্ন।

    .

    মস্ত বড় একটা কদাকার মাকড়সা খুব সম্ভব রক্ত চাটছিল, রানাকে এগোতে দেখে ভয় পেল। সড়সড় করে জুলির বুকের ওপর দিয়ে হেঁটে গিয়ে লুকোবার চেষ্টা করল ঘাড়ের পাশে চুলের অন্ধকারে, জায়গাটা পছন্দ হলো না, চিবুক বেয়ে উঠে ওর নাক, মুখ আর খোলা চোখের ভিতর লোমশ পা ফেলে কপালে উঠল, সেখান থেকে একলাফে মেঝেতে পড়ে সুড়ুৎ করে ঢুকে গেল দুই তক্তার ফাঁকে একটা গর্তে। যেমন ছিল তেমনি শুয়ে আছে জুলি। স্থির।

    চিকন ঘাম দেখা দিয়েছে রানার কপালে। সারাটা ঘর ঘুরে এসে আবার স্থির হলো টর্চের আলোটা জুলির ওপর। ছুঁচোটা দৌড়ে পালাল খোলা দরজা দিয়ে। হাঁটু ভাঁজ করে বসে পড়ল রানা মেঝেতে।

    শুধু ধর্ষণ নয়, সারা শরীরে জায়গায় জায়গায় সিগারেটের আগুন ঠেসে ধরার চিহ্ন দেখতে পেল রানা। যা জানার জেনে নিয়ে ছুরি মারা হয়েছে ওর হৃৎপিণ্ড বরাবর।

    প্রচণ্ড ক্রোধ দাউ দাউ করে জ্বলে উঠল রানার মাথার ভিতর। বহু কষ্টে দাঁতে দাঁত চেপে আত্মসংবরণ করল রানা। আঙুলের উল্টো দিক দিয়ে মেয়েটার গাল ছুঁয়ে দেখল, এখনও গরম। বড়জোর আধঘণ্টা আগে মারা গেছে।

    ওকে পিটিয়ে অজ্ঞান করে ফেলে রেখে নিশ্চয়ই পিছু ধাওয়া করে ধরেছিল জুলিকে ওরা দুজন। তারপর নির্যাতন করে জেনে নিয়েছে অনিলের ঠিকানা। এখানে নিয়ে এসে মেরে রেখে গেছে। অনিলকে এখানে পেয়েছিল ওরা? নিশ্চয়ই পাশের ঘরটায় ছিল অনিল? আছে?

    ঘর থেকে বেরিয়ে এল রানা। দরজাটা বন্ধ করে সাবধানে চাপ দিল পাশের দরজার হ্যান্ডেল। দরজাটা এক ইঞ্চি ফাঁক করে সেখানে কান পাতল। কোন শব্দ নেই। তাহলে কি অনিলকেও…

    আর এক ইঞ্চি ফাঁক করেই দরজার ফাঁকে টর্চ ধরল রানা। চট্ করে ঘুরিয়ে আনল আলোটা সারা ঘরে। এক নজরে বুঝতে পারল এটাই অনিলের ঘর।

    একটা ক্যাম্প খাটের ওপর দুটো কম্বল বিছানো, পাশেই একটা প্যাকিং বাক্সের ওপর কিছু ফলমূল, ক্যাড ফুডের টিন, অর্ধেক মোমবাতি।

    কেউ নেই ঘরে।

    ঘরের ভিতর চলে এল রানা। মোমবাতিটা জ্বালল। চাইল চারদিকে।

    ঘরের কোণে একটা এয়ার ব্যাগ। তার ভিতরের সমস্ত জিনিস ধুলো ভর্তি মেঝের ওপর ছড়ানো। খাটের নিচে একটা ব্রীফকেস। খোলা। ব্রীফকেসের গায়ে অনিলের নামের আদ্যাক্ষর লেখা। এ.সি.-অর্থাৎ অনিল চ্যাটার্জী। মেঝেতে পড়ে থাকা জিনিসগুলোর উপর চোখ বুলাল রানা। একটা বিস্কিটের টিন, রুমাল, গেঞ্জি, আন্ডারওয়্যার, জিলেট শেভিং কিট, পাসপোর্ট, টেক টুথব্রাশ, ফ্রহ্যান্স টুথপেস্ট, পামোলিভ সাবান। পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে ভালমত সার্চ করা হয়েছে অনিলের প্রতিটা জিনিস। তবু একবার ভাল করে খুঁজে দেখল রানা-কিছুই পাওয়া গেল না।

    আর একবার চোখ বুলাল সারা ঘরে। কেন লুকিয়ে ছিল অনিল এই ঘরে? কারা খুঁজছে ওকে? ভারতীয় গুপ্তচরেরা, নাকি ইটালিয়ানরা, নাকি অন্য কেউ? কেন প্রাণ দিতে হলো জুলি মাযিনিকে? কি এমন গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারে ফেঁসে গেল অনিল? কোথায় এখন ও? ধরা পড়ল? কাদের হাতে?

    হঠাৎ দেখতে পেল রানা রক্তমাখা ব্যান্ডেজ। দরজার কোণে দলা করে রাখা। আহত হয়েছে অনিল? তাই পালিয়ে যেতে পারছে না, এখানে ওখানে লুকিয়ে ফিরছে, সাহায্য চাইছে?

    মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিল রানা। এমন কিছু ফেলে যাওয়া চলবে না যাতে জুলির হত্যাকারী বলে ফেঁসে যেতে পারে অনিল। পুলিস যদি প্রমাণ করতে পারে যে এই ঘরের জিনিসগুলো অনিলের তাহলে চার্জশীট দাখিল করবে অনিলেরই বিরুদ্ধে।

    হঠাৎ মনের মধ্যে একটা প্রশ্ন উদয় হতেই চমকে উঠল রানা। অনিলই খুন করেনি তো জুলিকে? কি প্রমাণ আছে রানার কাছে যে ওই সাদা আর কালো স্যুট পরা লোক দুজনই খুন করেছে ওকে? এমনও তো হতে পারে, সাবধান করতে এসেছিল জুলি এখানে, সেই সময় অনিল….

    মাথা নেড়ে আজে বাজে চিন্তা দূর করে দিল রানা। এসব আবোল তাবোল ভাবনার শেষ নেই। খামোকা ভেবে লাভ হবে না। দ্রুত হাতে কিছু কিছু জিনিস তুলে ব্রীফকেসের ভিতর সাজিয়ে রাখতে শুরু করল রানা।

    ‘পুলিস আসচে, স্যার!’ ভীত সন্ত্রস্ত কণ্ঠস্বর।

    চমকে দরজার দিকে ফিরল রানা। নিঃশব্দ পায়ে দরজার সামনে এসে দাঁড়িয়েছে গিলটি মিঞা।

    ‘কোথায়? কতদূরে?’ প্রশ্নটা করেই হুইসেলের শব্দ শুনতে পেল রানা। বেশ কাছেই।

    ‘পুলের এ মাতায় এসে গেচে। আমার সন্দো হচ্চে এইদিকেই আসচে ওরা।’

    নিজের অবস্থাটা পরিষ্কার টের পেল রানা। পাশের ঘরে ধর্ষিতা মৃতদেহ। এত রাতে এখানে কি করছে সে, তার কোন সন্তোষজনক জবাব নেই। পকেটে বার্গলার্স কিট। ধরা পড়লে সবকিছু চাপবে এখন ওরই কাঁধে। এই কেলেঙ্কারির দায় থেকে ছুটে বেরোনো সহজ হবে না।

    মুহূর্তে সিদ্ধান্ত নিল রানা। ‘তুমি তোমার জায়গায় যাও, গিলটি মিঞা। ওরা এই বাড়িতে না-ও আসতে পারে।’ কথাটা বলার সঙ্গে সঙ্গে আবার বাজল হুইসেল। রানা বুঝতে পারল, এই গলিতেই ঢুকছে পুলিস। রানার মুখের দিকে চেয়ে রইল গিলটি মিঞা উদ্বিগ্ন দৃষ্টিতে। রানা বলল, ‘বাইরে থেকে দরজার বল্টু লাগিয়ে দিয়ে লুকিয়ে পড়ো কাছাকাছি কোন বাড়িতে। যদি দেখো এ বাড়িতেই ঢুকছে পুলিস, তাহলে তোমার প্যাঁচার ডাকটা একবার ডেকে বাসায় ফিরে যাবে। যাও।’

    একটু ইতস্তত করল গিলটি মিঞা রানার নিরাপত্তার কথা ভেবে, কিন্তু তর্ক করল না। দ্রুতপায়ে নেমে গেল সিঁড়ি বেয়ে। আধমিনিটের মধ্যেই ব্রীফকেস হাতে নামতে শুরু করল রানা সিঁড়ি বেয়ে।

    ঠিক মাঝামাঝি জায়গায় পৌঁছেই শুনতে পেল প্যাঁচার ডাক। বাকি কয়েক ধাপ প্রায় উড়ে নেমে এল সে। দড়াম করে খুলে গেল বাইরের দরজাটা। পাঁচ ছ’টা টর্চের উজ্জ্বল আলোয় দিনের মত আলোকিত হয়ে গেল সরু প্যাসেজটা।

    সাঁৎ করে সরে গেল রানা। ভারী বুটের শব্দ এগিয়ে আসছে। একটা কর্কশ কণ্ঠস্বর শুনতে পেল সে। ‘দুজন থাকো গেটের সামনে। তোমরা এসো আমার সঙ্গে।

    সিঁড়ির পাশের দরজার হ্যান্ডেলে চাপ দিল রানা। ক্যাচ শব্দ করে খুলল একটা কবাট। ঢুকে পড়ল ভিতরে। দরজাটা বন্ধ করবার সাহস হলো না আর। দেয়ালের গায়ে সেঁটে সরে গেল দু’পা।

    ঢিব ঢিব করছে বুকের ভিতর। টর্চের আলো এসে পড়ল ঘরে। একজন টর্চ হাতে ঢুকে আসছে।

    ‘ওদিকে না,’ বলল একজন। ‘ওপরে।

    তবু খালি ঘরে একবার টর্চ বুলাল লোকটা। দেয়ালের গায়ে সেঁটে দম বন্ধ করে রেখেছে রানা। সরে গেল লোকটা দরজার সামনে থেকে। ধুপ ধাপ আওয়াজ আসছে সিঁড়ি ভেঙে ওপরে ওঠার।

    আস্তে করে সরে এল রানা জানালার কাছে। পায়ের নিচে পচা কাঠ ভেঙে পড়বার উপক্রম হলো। চট্ করে জানালার হ্যান্ডেলটা ধরে প্রায় ঝুলে পড়ল রানা শরীরের ওজন কমাবার জন্যে। মাথার ওপর কয়েক জোড়া বুটের শব্দ। আস্তে ছিটকিনি খুলে জানালা টপকে ওপারে চলে গেল রানা। ভিড়িয়ে দিল জানালা। কয়েক ফুট নিচে টলটল করছে পানি। মৃদু একটা ঝুপ শব্দ করে নেমে গেল সে পানিতে।

    আন্দাজে ভর করে ব্যাক-স্ট্রোক দিয়ে পিছিয়ে যাচ্ছে রানা। দাঁতে কামড়ে ধরে রেখেছে ব্রীফকেসটা।

    চারদিকে নিকষ কালো অন্ধকার। আধঘণ্টা পর পৌঁছল ক্লান্ত রানা রিয়াল্টো ব্রিজের কাছাকাছি। মিনিট তিনেক বিশ্রাম নিয়ে উঠে পড়ল পারে। চিন্তা হলো, ফিরবে কি করে?

    ‘ভিজে তো একেবারে জবজবে হয়ে গেচেন, স্যার!’ গিলটি মিঞার মোলায়েম কণ্ঠস্বর।

    ‘তুমি যাওনি এখনও?’

    ‘না স্যার, ভাবলাম খেলাটা একটু দেকেই যাই। নুকিয়ে ছিলাম, লাশটা নিয়ে ওরা বিদেয় হতেই আবার গিয়ে ঢুকলাম ওই বাড়িটায়। আপনাকে কোতাউ খুঁজে না পেয়ে খাল ধরে ধরে এ পর্যন্ত এয়েচি। দেকি কুমীর দেকা যায়। তাই ভেঁড়িয়ে রইচি। মনে করলুম, নতুন মানুষ, এই শহরের গলিঘুঁচি চিনে বাসায় ফেরা কষ্ট হবে আপনার পক্ষে। এই ভেজা কাপড়ে কাউকে কিছু জিগেস করতে গেলেউ সন্দো করবে। তাছাড়া রাস্তায় লোক কোতায় যে জিজ্ঞেস…’

    রানার কান খালি পেয়ে পেটের মধ্যে যত কথা আছে সব ঝেড়ে নামাবার উপক্রম করল গিলটি মিঞা। বকবকানিতে কান না দিয়ে দ্রুত কাপড় ছাড়ছে রানা। অনিলের শার্ট এবং প্যান্ট পরে নিল ও। লন্ড্রির চিহ্ন রয়েছে বলে নিয়ে এসেছে সে এগুলো ব্রীফকেসের মধ্যে করে। আঙুল বুলিয়ে চুলগুলো মোটামুটি ঠিক করে নিয়ে পাড় বেয়ে উঠে এল সে রাস্তায়।

    দ্রুত পায়ে ফিরে যাচ্ছে ওরা বাসার দিকে। পথে আগাগোড়া সবটা ব্যাপার বলল রানা গিলটি মিঞাকে। সব শুনে গুম হয়ে গেল গিলটি মিঞা। বেশ কিছুক্ষণ চুপচাপ চিন্তা করবার পর বলল, ‘মস্ত গ্যাড়াকলে জড়িয়ে পড়েচেন, স্যার। এই বিদেশ বিভূঁইয়ে কারও সাহায্য পাওয়া যাবে না-না ইন্ডিয়া, না বাংলাদেশ। এদিকে কেসটার কোন সুরাহা হবার তো কোন হদিস দেকচি না। অনিল বাবুকে পেলে নাহায়…’

    ‘পেতেই হবে আমাদের।’

    ‘কোতায় খুঁজবেন? সূত্র যা ছিল সব তো ছিঁড়ে গেল। কোতায় পাবেন ওনাকে অন্দোকার হাতড়ে?’

    ‘ঠিকই বলেছ। এখন একমাত্র উপায় হচ্ছে ওই মেয়েটার আত্মীয়-স্বজনের কাউকে খুঁজে বের করা। তাদের কাছে নিশ্চয়ই কিছু না কিছু তথ্য পাওয়া যাবে। হয়তো কোন পথ পাওয়া যেতে পারে এগোবার।

    সান মার্কোর পেটা ঘড়িতে ঠিক যখন তিনটে ঘণ্টা পড়ল তখন পৌঁছল ওরা বাসায়।

    বিশ্রাম দরকার। গিলটি মিঞাকে তার ঘরে পাঠিয়ে দিয়ে নিজের ঘরে এসে ঢুকল রানা। প্রথমেই জামা-কাপড় ছেড়ে শাওয়ারের নিচে ভিজল সে মিনিট পাঁচেক, তারপর গা-হাত-পা মুছে পরে নিল ঘুমোবার পোশাক। খাটের কিনারে বসে একটা সিগারেট ধরাল। ভ্রূ কুঁচকে মেঝের দিকে চেয়ে রয়েছে সে।

    বাঁ হাতে চোয়ালটা ডলতে ডলতে সন্ধে থেকে এ পর্যন্ত সবগুলো ঘটনা আগাগোড়া পর্যালোচনা করল সে মনে মনে। অনেক ঘটনাই ঘটল, কিন্তু কতটা এগোতে পেরেছে ও? এটুকু নিশ্চিত ভাবে জানা গেছে যে ভেনিসেই ছিল অনিল এই কিছুক্ষণ আগে পর্যন্ত। ব্যস। ওকে উদ্ধার করবার ব্যাপারে যে তিমিরে ছিল সেই তিমিরেই রয়েছে ও এখনও। এগোতে পারেনি এক পা-ও।

    বেঁচে আছে অনিল? নাকি মেয়েটার মত তাকেও শেষ করে ফেলা হয়েছে? কারা কাজ করছে ওর বিরুদ্ধে?

    পুলিস খবর পেল কিভাবে? মহা ঝামেলা হয়ে যেত যদি ও ধরা পড়ত ওই বাড়িতে পুলিসের হাতে। ওকে ঝামেলায় ফেলার জন্যেই কি খবর দেয়া হয়েছিল পুলিসে? তৃতীয় কোন অনুসরণকারী ছিল, ওকে ওই বাড়িতে ঢুকতে দেখেই যে ফোন করেছে পুলিসে? নাকি পুলিসই জড়িত আছে এ ব্যাপারে?

    চলতে চলতে হঠাৎ যেন একটা প্রকাণ্ড উঁচু প্রাচীরের সামনে হাজির হয়েছে রানা। এগোবার তো নয়ই, ভাবনারও কোন পথ পাচ্ছে না। খামোকা দেয়ালের গায়ে মাথা ঠুকে লাভ নেই। তার চেয়ে একটা ঘুম দিয়ে চাঙ্গা করে নেয়া দরকার শরীরটা।

    শুয়ে পড়ল রানা। চোখ বুজতেই ভেসে উঠল ওর চোখের সামনে জুলি মাযিনির লাশটা।

    কেন প্রাণ দিতে হলো মেয়েটাকে?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৩৪ – বিদেশী গুপ্তচর – ২
    Next Article মাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }