Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০৩৩ – বিদেশী গুপ্তচর – ১

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প137 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদেশী গুপ্তচর – ১.৮

    আট

    ক্রিং ক্রিং ক্রিং ক্রিং।

    রিসিভারটা তুলে নিয়ে কানে ধরল রানা।

    ‘আপনার প্যারিসের কল, সিনর। কথা বলুন।’

    ‘ধন্যবাদ। হ্যালো, আলফ্রেডো হোটেল?’ জিজ্ঞেস করল রানা।

    ‘ইয়েস, মশিয়ে। রিসেপশন ডেস্ক। পরিষ্কার ইংরেজীতে উত্তর এল।’

    ‘আপনাদের ওখানে কি চ্যাটার্জী বলে কেউ উঠেছেন? মি.অনিল চ্যাটার্জী?’

    ‘একটু ধরুন, দেখে বলছি।’

    আধ-খাওয়া সিগারেটটা ফেলে দিল রানা অ্যাশট্রেতে। চট্‌ করে টেনে নিল একটা ছোট্ট সাদা প্যাড, আর বলপেন। কয়েক সেকেন্ড পরই আবার শোনা গেল রিসেপশন ক্লার্কের কণ্ঠস্বর।

    ‘হ্যালো, মশিয়ে? হ্যাঁ, আমাদের এখানেই উঠেছেন মি. চ্যাটার্জী।’

    ভুশ করে আটকে রাখা দম ছাড়ল রানা। লুইসার কথা বিশ্বাস করেনি ও, আশা করেছিল জবাব আসবে না, মশিয়ে, মি. চ্যাটার্জী বলে কেউ ওঠেননি আমাদের হোটেলে। একটু যেন হকচকিয়ে গেল রানা, তারপর জিজ্ঞেস করল, ‘উনি আছেন?’

    ‘খুব সম্ভব আছেন। ওঁর রূমে কানেকশন দেব?’

    ‘দিন। বলুন মাসুদ রানা কথা বলতে চান ওঁর সঙ্গে।’

    ‘জাস্ট আ মোমেন্ট, প্লীজ।

    দশ সেকেন্ড চুপচাপ, তারপর ক্লিক করে রিসিভার তোলার শব্দ হলো। পরিষ্কার বাংলায় ভেসে এল, ‘হ্যালো? অনিল বলছি।’

    দেড় বছর আগে সাত দিনের পরিচয়। কথাবার্তা তেমন কিছুই হয়নি, দুজনই ব্যস্ত ছিল কাজে। গল্পের বন্ধুত্ব নয়, কাজের বন্ধুত্ব গড়ে উঠেছিল ওদের মধ্যে পারস্পরিক সম্মানের ভিত্তিতে। এত দূর থেকে ভেসে আসা কণ্ঠস্বরটা তাই চিনতে পারল না রানা। চিনবার কথাও নয়।

    ‘আমি রানা বলছি,’ বলল রানা। ‘চিনতে পারছ, অনিল?’

    খানিক চুপ, তারপর উত্তর এল, ‘পারছি।’

    ‘কেমন আছ, অনিল? বহুদিন পর, তাই না? কি বলো?’

    ‘হ্যাঁ। বেশ অনেক দিন। দিন যায়, দিন আসে-কি দাম সময়ের? তা কোথায় আছ তুমি? কোথা থেকে বলছ?’

    একটি শব্দও যেন শুনতে ভুল না হয় সেজন্যে ঠেসে ধরে আছে রানা রিসিভারটা কানের ওপর। কিন্তু উত্তরটা কেন যেন পছন্দ হলো না ওর। কেমন যেন ছাড়া ছাড়া, কাটা কাটা কথা। সজীব প্রাণবন্ত নয়, কেমন মরা মরা। অস্বাভাবিক।

    ‘ভেনিস থেকে,’ বলল রানা। ‘তোমার মায়ের একটা চিঠি আছে আমার কাছে। তোমাকে লেখা। উনি ভয়ানক উদ্বিগ্ন হয়ে রয়েছেন তোমার জন্যে।’

    ‘উদ্বিগ্ন? কেন?’

    ‘কেন উদ্বিগ্ন সে কথা আমাকে জিজ্ঞেস করছ তুমি?’ রেগে গেল রানা। যার জন্যে এত কিছু, তার নিশ্চিন্ত কণ্ঠ বিরক্ত করে তুলেছে ওকে। ‘সপ্তাহে দুটো করে চিঠি লেখার কথা, সে জায়গায় গত দেড় মাসে একটা চিঠি নেই…উদ্বিগ্ন হবে না মানুষ? এতই ব্যস্ত তুমি যে মাকে দুটো লাইন লেখার সময় হয় না?’

    কোন জবাব নেই। দশ সেকেন্ড পেরিয়ে গেল। প্যারিসের রাজপথে ব্যস্ত গাড়িঘোড়ার অস্পষ্ট আওয়াজ শুনতে পাচ্ছে রানা। মনে হলো দ্রুত শ্বাস নেয়ার শব্দ শুনতে পেল সে আবছাভাবে।

    ‘হ্যালো? লাইনে আছ তুমি, অনিল?’

    ‘হ্যাঁ।’ ভাবলেশহীন কণ্ঠস্বর। ‘কি যেন বলছিলে?’

    ‘দেড় মাস কোন চিঠি না পেয়ে তোমার মা খুবই দুশ্চিন্তায় আছেন।’ গলাটা একটু চড়িয়ে দিল রানা।

    ‘দেড় মাস? নাহ্, এতদিন হবে কি করে? লিখেছিলাম তো! আমার মনে হচ্ছে চিঠি লিখেছি আমি।’

    ‘পৌঁছে যেটা দিয়েছিলে সেটা ছাড়া আর একটা চিঠিও পাননি উনি তোমার। লেখোনি বলেই পাননি। কি নিয়ে এত ব্যস্ত তুমি, অনিল?’

    ‘দেড় মাস…’ কথাটা শেষ না করেই থেমে গেল কণ্ঠস্বর। আবার চুপ। প্যারিসের রাজপথে চলমান একটা ফোক্সওয়াগেন গাড়ির হর্নের আওয়াজ ভেসে এল। বিরক্ত হয়ে আবার কথা বলতে যাচ্ছিল রানা, এমনি সময় একটা আবছা শব্দ শুনে শির শির করে উঠল ওর বুকের ভিতরটা। মনে হলো ফোঁপাচ্ছে একটা পুরুষ কণ্ঠ। কাঁদছে অনিল!

    ‘অনিল!’ প্রায় চেঁচিয়ে উঠল রানা। ‘কি হয়েছে তোমার? তুমি অসুস্থ?’

    খানিকক্ষণ চুপচাপ, তারপর ভাঙা গলায় উত্তর এল, ‘জানি না। আমি…আমি বোধহয় পাগল হয়ে যাচ্ছি, রানা। এখানে কেন আছি আমি জানি না। কি করছি আমি জানি না। দোহাই লাগে তোমার, রানা, বাঁচাও…বাঁচাও আমাকে!’

    ‘দাঁড়াও অনিল, শোনো! আমি আসছি। যেখানে আছ সেখানেই থাকো তুমি। ঘাবড়িয়ো না, কোন চিন্তা নেই। অ্যালিটালিয়ার ফ্লাইট না থাকলে প্লেন চার্টার করব আমি লিডো এয়ারপোর্ট থেকে। পাঁচ ছয় ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে যাব আমি তোমার কাছে। যেখানে আছ সেখানেই থাকো, অন্য কোথাও যেয়ো না। আর যাই ঘটে থাকুক না কেন, সহজ ভাবে গ্রহণ করো সেটাকে। সব ঠিক হয়ে যাবে, কিচ্ছু ভেবো না। বুঝেছ?’

    ‘জলদি …জলদি এসো, রানা…আমি বোধহয় বাঁচব না, রানা!’ ককিয়ে উঠল অনিল।

    চট করে ভুরু জোড়া কুঁচকে গেল রানার। ওভার অ্যাকটিং! রানার সতর্ক কান এড়াল না সেটা।

    ‘এক্ষুণি আসছি আমি,’ বলল রানা। জানালা দিয়ে দেখতে পেল দ্রুত পায়ে এগিয়ে আসছে লুইসা পিয়েত্রো এই বাসার দিকে। অদ্ভুত সুন্দর ছন্দ মেয়েটার চলায়। নিষ্ঠুর এক টুকরো হাসি ফুটে উঠল রানার ঠোঁটে। ‘কিচ্ছু ভেবো না তুমি। সব ঠিক হয়ে যাবে। আসছি আমি, কেমন? রাখলাম।

    মাউথপিসটা বাঁ হাতের তালু দিয়ে চেপে ধরে ডান হাতের নখ দিয়ে জোরে খড়খড় করে আওয়াজ করল রানা রিসিভারের গায়ে। যেন বন্ধুর বিপদে ব্যস্ত হয়ে নামিয়ে রাখল সে রিসিভার একটা কিছু ব্যবস্থা করবার জন্যে।

    এয়ারপিস কানে চেপে ধরে পাথরের মূর্তির মত দাঁড়িয়ে রইল রানা।

    কাজ হলো কৌশলে। আবছা হাসির শব্দ শুনতে পেল রানা। একটা পুলকিত কণ্ঠস্বর ফরাসী ভাষায় বলল, ‘শুধু টোপ না, বড়শি, ফাত্না, এমন কি ছিপ পর্যন্ত গিলে ফেলেছে ব্যাটা!’

    আরেকটা ভারী কণ্ঠস্বর ভেসে এল। ‘শাট আপ! ইউ ব্লাডি সোয়াইন! রিসিভার নামাও!’ ক্লিক করে কেটে গেল লাইন।

    .

    রিসিভার নামিয়ে রেখে কপালের ঘাম মুছল রানা। আরাম করে সোফায় হেলান দিয়ে সিগারেট ধরাল।

    ‘আসতে পারি?’

    উঠে দাঁড়াল রানা, হাত বাড়িয়ে সামনে ঝুঁকে কেতাদুরস্ত আহ্বান জানাল।

    ‘এসো, লা সিনোরিনা। হাসল ওর মেয়ে ভুলানো হাসি। ‘তোমারই অপেক্ষায় আছি।’

    অবাক চোখে পা থেকে মাথা পর্যন্ত দেখল রানা লুইসাকে। ‘এইটুকু সময়ের মধ্যে কাপড় বদলে ফেলেছ? অপূর্ব লাগছে কিন্তু।’ এগিয়ে এসে চুম্বন করল রানা ওর ঠোঁটে, তারপর হাত ধরে নিয়ে এসে বসাল একটা সোফায়, নিজে বসল পাশে। ‘তোমার জন্যে খবর আছে।

    ‘কি খবর?’ অবাক আয়ত চোখ মেলে ধরল লুইসা রানার চোখে।

    ‘আলফ্রেডো হোটেলে ফোন করেছিলাম। এই একটু আগে। কথা হয়েছে অনিলের সঙ্গে।’

    ‘তাই নাকি?’

    ‘হ্যাঁ। ভয়ানক অসুস্থ মনে হলো ওকে। আজই দেখা করার জন্যে বায়না ধরেছে।

    ‘যাচ্ছ তুমি?’

    ‘ভাবছি যাওয়া উচিত। তোমার কাছে যা শুনলাম, আর ওর সঙ্গে কথা বলে যা বুঝলাম, মনে হচ্ছে যাওয়া উচিত আমার। আমার মনে হয় নার্ভাস ব্রেকডাউন হয়েছে ওর। শেষের দিকে রীতিমত ফোঁপাতে শুরু করেছিল।

    ‘আহ্-হা! বেচারা!’

    লুইসার কণ্ঠে সহানুভূতি ঝরে পড়ল। অভিনয়টা এতই আন্তরিক যে খুঁত ধরবার উপায় নেই। বহু কষ্টে হাসি চাপল রানা।

    ‘তুমি যাবে নাকি আমার সঙ্গে?’ লুইসার একটা হাত তুলে নিল রানা নিজের হাতে। ‘নারীর সহানুভূতি অনেক উপকারে আসত ওর এই বিপদের সময়। যাবে?’

    ‘কিন্তু আজ আর কাল যে সিলভিওর দুটো বিজনেস পার্টি আছে। আমি না থাকলেই যে নয়।

    ‘তাহলে অবশ্য জোর নেই। কিন্তু যেতে ইচ্ছে করছে না। ভেবেছিলাম ছুটির কটা দিনকে জীবনের স্মরণীয় দিন করে রাখব তোমাদের সাথে আনন্দে কাটিয়ে। বাধা পড়ে যাচ্ছে। যাব কিনা ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। তোমাকে ছেড়ে যাবার কথা ভাবতেও ইচ্ছে করছে না। স্বার্থপর হয়ে উঠতে ইচ্ছে করছে। কি করি বলো তো?’

    ‘আমার মনে হয় তোমার যাওয়াই উচিত। বেচারা এই বিদেশে একা কষ্ট করছে, দেখার কেউ নেই, একটু সহানুভূতি দেখাবারও কেউ নেই। এখন না যাওয়াটা অমানুষের কাজ হয়ে যাবে।’

    মনে মনে রানা বলল…ওরে ছুঁড়ি। এ দেখছি সোফিয়া লোরেনকেও হার মানাবে। মুখে বলল, ‘ঠিক আছে। তুমি যদি বলো, যাব আমি। কিন্তু চিরকাল দুঃখ থেকে যাবে আমার মনে। কোনদিন ভুলতে পারব না ওকে সাহায্য করতে গিয়ে তোমাকে হারিয়েছিলাম আমি।’

    ‘আমাকে হারাতে হবে কেন?’ একটু যেন অবাক হলো লুইসা।

    ‘বারে, হবে না? প্যারিস থেকে আর ভেনিসে ফিরে আসতে পারব মনে করেছ? অবস্থা ভাল দেখলে অবশ্য আমার এক সঙ্গীর সাথে ওকে কলকাতায় পাঠিয়ে দিয়ে ফিরে আসব আমি ভেনিসে। কিন্তু ওর অবস্থা যদি যা ভাবছি তাই হয়, তাহলে ওকে নিয়ে সোজা কলকাতায় পৌঁছে দিয়ে তারপর নিস্তার পাব। তার মানে খুব সম্ভব আজই তোমার সাথে আমার শেষ দেখা।’ কণ্ঠস্বরটা করুণ করে আনল রানা শেষের দিকে।

    কাছে সরে এসে রানার কাঁধে মাথা রাখল লুইসা। এক হাতে রানার চুলে আঙুল বোলাতে বোলাতে বলল, ‘এসো আজকের দিনটাকেই ইতিহাস করে রাখা যাক। এই হঠাৎ দেখা, হঠাৎ ভাল লাগা, আর হঠাৎ বিচ্ছেদকেই আমাদের জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা করে রাখি।’

    বানানো কথা, কিন্তু শুনতে মন্দ লাগল না রানার। দুনিয়াটা বড় বিচিত্র। কত মিথ্যা, কত প্রবঞ্চনা, কত ভুল, আর কত মায়া রঙিন করে রাখে জীবনটাকে। কোনটাই মূল্যহীন নয়।

    আর একটু সরে এল রানা, আর একটু কাছে টেনে নিল ওকে। আদরে আদরে বুজে এল লুইসার চোখ।

    রানার কানের লতিতে আস্তে একটা কামড় দিল লুইসা।

    ‘কখন যাচ্ছ?’

    ‘লিডো থেকে একটা এয়ার-ট্যাক্সি চার্টার করব। রওয়ানা হব ঠিক দুটোর সময়।’

    এই খবরটুকুর জন্যেই মেয়েটার এখানে আগমন, রানা জানে। ওকে ভেনিস থেকে সরিয়ে দিতে চাইছে এরা। রানা যে সত্যিই আজ প্যারিস রওয়ানা হওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এ খবরটা শুনে একটা স্বস্তির ভাব ফুটে উঠল লুইসার চোখে মুখে। নিশ্চিন্ত হয়ে এবার দিনটা স্মরণীয় করে তোলার চেষ্টায় মন দিল। বিচ্ছেদের কথা ভেবে উথলে উঠল ওর প্রেম।

    একসময় উঠে গিয়ে দ্রুতহাতে সবকটা জানালার কার্টেন টেনে দিল ওরা। আবছা আঁধার হয়ে গেল ঘরটা। পায়ে পায়ে চলে এল খাটের কাছে। ভুলে গেল স্থান, কাল, পাত্র।

    কখন যে নিঃশব্দ পায়ে ঘরে ঢুকেছিল গিলটি মিঞা, আধ হাত জিভ কেটে ‘না আউযুবিল্লা’ বলে ছুটে পালিয়ে গেছে, টেরও পেল না কেউ।

    ঠিক একটার সময় বাইরে থেকে লাঞ্চ খেয়ে আবার ফিরে এল ওরা আঁধার ঘরে।

    ‘তোমাকে কোনদিন ভুলতে পারব না আমি, রানা।’

    ‘আমিও না।’

    ‘মিথ্যে কথা বললে। কতজন এসেছে তোমার জীবনে, আরও কত আসবে, আমি হারিয়ে যাব তাদের ভিড়ে।’

    ‘তোমার জীবনে যারা আসবে, আমি হারাব তাদের ভিড়ে।’

    ‘না।’ কনুইয়ে ভর দিয়ে উঠে রানার ঠোঁটে আলতো করে চুমো খেলো লুইসা। ‘এই প্রথম জানলাম, সত্যিকার প্রেম কাকে বলে। বিশ্বাস করো, জানতাম না আমি। আরও কয়েকজন পুরুষ এসেছে আমার জীবনে, আজ বুঝতে পারছি, তারা সবাই স্বার্থপর। তোমাকে হারাতে হবে ভাবতে সত্যিই খারাপ লাগছে এখন।’

    জবাব দিল না রানা। কথাটা বিশ্বাস করবে কি অবিশ্বাস করবে তা নিয়ে ভাবল না একটিবারও। এ মেয়ে শত্রুপক্ষের মেয়ে। জুলি মাযিনির নির্মম হত্যার পিছনে হাত আছে এরও জেনে হোক, না জেনে হোক, একটি জীবনের নিষ্ঠুর পরিসমাপ্তির জন্যে দায়ী লুইসাও।

    রানার প্রশস্ত বুকে মাথা রাখল লুইসা। ‘না যদি পাও? যদি গিয়ে দেখো আলফ্রেডো হোটেল ছেড়ে অন্য কোথাও চলে গেছে অনিল, তাহলে? তাহলে আবার ফিরে আসবে আমার কাছে?’

    ‘আসতে পারলে সুখী হতাম লুইসা। কিন্তু সেটা সম্ভব নয়। সেক্ষেত্রে খুঁজে বের করতে হবে আমার ওকে। যেমন করে পারি। কিন্তু সে প্রশ্ন আসছে কেন? ওই হোটেলেই থাকতে বলেছি ওকে, ওখানেই পেয়ে যাব।

    ফোঁস করে দীর্ঘশ্বাস ফেলল লুইসা। ‘আমার সব কথাই তো শুনেছ, এবার তোমার কথা কিছু বলো। ঠিক কি ধরনের বিজনেস করো তুমি? প্রত্যেক বছরই বিদেশে আসতে হয়?

    ইনডেন্টিং ব্যবসার বানানো গল্প শোনাল রানা সবিস্তারে। বলল আগামীবার যখন ইউরোপে আসবে তখন যেমন ভাবে হোক খুঁজে বের করবে লুইসাকে। আবার মিলবে দুজন, আবার ভালবাসবে।

    ঘড়ি দেখল রানা। এতক্ষণ কি করছে গিলটি মিঞা? এই মেয়ের কাছ থেকে যতটা জানার জেনে নিয়েছে সে, এখন দূর হলেই বাঁচে। কিন্তু সাপের সম্মোহনে আটকা পড়া ব্যাঙের মত নড়তে পারছে না মেয়েটা। সোয়া একটা বাজতেই উঠে বসল রানা বিছানায়।

    ‘সময় নেই হাতে। প্যাক করে তৈরি হয়ে নিতে হবে আমাকে দুটোর মধ্যে।’

    ‘চলে যেতে বলছ?’ করুণ দৃষ্টিতে চাইল লুইসা রানার চোখে।

    ‘না, সিনোরিনা। আমাকে চলে যেতে হচ্ছে।’

    ‘আর পনেরোটা মিনিট দেবে না আমাকে?’ কাঙালের মত মাথা নাড়ল লুইসা। ‘প্লীজ, রানা।’

    রানা হাসতেই কৃতার্থ হয়ে গিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ল লুইসা রানার বুকে। চুমোয় চুমোয় ভরে দিল সারা গা।

    ‘জীবনে কারও জন্যে কাঙালেপনা করিনি আমি, রানা। বিশ্বাস করো। চলে যাবে মনে করলেই নিজেকে নিঃস্ব, সর্বস্বান্ত মনে হচ্ছে। উহ্, কি করে বোঝাব তোমাকে আমার মনের অবস্থাটা?’

    মিনিট দশেক চুপচাপ। তারপর ঝড়ের বেগে নিঃশ্বাস। তারপর ফুঁপিয়ে কেঁদে উঠল লুইসা। দুই হাতে চোখ ঢেকে কাঁদল ঝরঝরিয়ে। অবাক চোখে দেখল রানা মেয়েটাকে।

    দু’মিনিটেই সামলে নিয়ে উঠে বসল লুইসা খাটের ধারে। ব্যস্ত হাতে জামা ঠিক ঠাক করল। হাতের পৌঁছায় চোখ মুছল বার কয়েক। তারপর সোজা হয়ে দাঁড়াল রানার সামনে। রানার একটা হাত তুলে নিয়ে নিজের গালের ওপর চেপে ধরল।

    ‘ভায়া খণ্ডিওস্, মাই ডার্লিং, ভায়া খণ্ডিওস্।’

    দাঁত দিয়ে নিচের ঠোঁটটা কামড়ে ধরল লুইসা। রানার হাত ছেড়ে দিয়ে হ্যান্ড-ব্যাগটা তুলে নিল সাইড টেবিলের ওপর থেকে। দরজা পর্যন্ত গিয়ে ঘাড় ফিরিয়ে চাইল রানার দিকে।

    রানা দেখল, কোরবানির ছাগল জবাইয়ের আগের রাতে যেমন কাঁদে, তেমনি নিঃশব্দে কাঁদছে লুইসা পিয়েত্রো। দরদর করে জল ঝরছে চোখ থেকে। পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে অব্যক্ত ব্যথায় গোঙাচ্ছে ওর ভিতরটা।

    চলে গেল লুইসা পিয়েত্রো।

    .

    পাথরের মূর্তির মত দাঁড়িয়ে রইল রানা। এ কি করল সে? খেলা খেলা মজা করতে গিয়ে এ কী কাণ্ড বাধিয়ে বসল? খেলাতে গিয়ে নিজের জালে আটকে গেছে লুইসা পিয়েত্রো, অন্য কোন পরিস্থিতি হলে প্রাণ ভরে হাসত রানা, কিন্তু কেন যেন হাসি তো এলই না, কেমন একটা টনটনে ব্যথা অনুভব করল সে বুকের ভিতর।

    একেই বুঝি মোহ বলে? রানা জানে, প্রেম নয়-মোহে পড়েছে মেয়েটা। কিন্তু এরও দাম আছে, জীবনের চলার পথে এটাও তুচ্ছ করবার ব্যাপার নয়। কোনকিছুই ফেলনা নয়। এসব মানুষেরই মনের অভিব্যক্তি। এখন এটাই সত্য।

    হ্যাঁ। এ কান্নায় কোন ভেজাল নেই। অন্তর থেকেই আসছে এটা।

    মাথা ঝাড়া দিল রানা। কেটে যাবে। কেটে যাওয়ার জন্যেই আসে মোহ। কিন্তু যদি কোনদিন প্রয়োজন হয়, এ মেয়েটার বুকে ছুরি ঢোকাতে পারবে ও? লুইসা পারবে ওর কপাল লক্ষ্য করে পিস্তল ছুঁড়তে? মানুষের সব কিছুতেই কী আশ্চর্য জটিলতা! প্ল্যান- প্রোগ্রাম করে রানাকে বাঁদর নাচ নাচাতে এসেছিল মেয়েটা। দলের নেতা সিদ্ধান্ত নিয়েছে রানাকে ভেনিস থেকে তাড়াতে হবে, এখানে রানার উপস্থিতি বাঞ্ছনীয় নয়, তাই একে পাঠানো হয়েছে রানাকে ভুল পথে পরিচালনা করবার জন্যে। কর্তব্য সম্পাদন করেছে মেয়েটা, করতে গিয়ে আটকে গেছে মোহ জালে। এর কোনও ওষুধ নেই। জীবনের এ এক বিচিত্র খেলা। এ খেলার আদি অন্ত বুঝতে পারে না রানা।

    খোলা দরজায় এসে দাঁড়াল গিলটি মিঞা।

    ‘কোতাউ চললেন নাকি আবার?’

    ‘হ্যাঁ। এসো। খোঁজ বের করতে পারলে?’

    ‘নিচ্চয়। আমি হাত দিয়েচি, কিন্তুক হোইনি, কোন্ কাজটা আচে বলুন? একেবারে নাড়ী-নক্ষত্ত, সব বিত্তান্ত নিয়ে এসেচি। বাপের সাথে থাকত মেয়েটা। ল্যাংড়া বুড়ো। ছোট এক ভাই আচে।’

    ‘থাকে কোথায়?’

    ‘ফনডামেন্ট নোভে ওটিভিয়ানি রেস্তোরাঁর কাচেই ওদের একটা ছোট্ট বাসা আচে। দশ নম্বর বাড়ি।’

    ‘বাপটা জানে যে মেয়ে মারা গেছে?’

    ‘জানে। মাচির মত ভ্যান ভ্যান করছে পুলিস ওর চারপাশে। একেবারে পাথর হয়ে গেচে বুড়ো। মেয়ের আয়েই চলত সংসার। একোন্ আর উপার্জনের কেউ রইল না।

    ‘ওটিভিয়ানি রেস্তোরাঁটা ঠিক কোথায়?’

    ‘রিও ডি প্যানাডার কাচে। চলুন না, যকোন বলবেন নিয়ে গিয়ে হাজির করব।’

    ‘না। আমার একাই যেতে হবে। তুমি আজ প্যারিস চলে যাচ্ছ।’ গিলটি মিঞার চোখ বড় হয়ে যেতে দেখে হাসল রানা। ‘আমিও যাচ্ছি। পড়ুয়া পর্যন্ত। বসো, বলছি সব।’

    রানাকে জিনিসপত্র গোছগাছ করে সুটকেসে তুলতে দেখে এগিয়ে এল গিলটি মিঞা।

    ‘আমাকে দিন, স্যার। আমি গুচিয়ে দিচ্চি।’

    ‘তুমি বসো ওই সোফায়। যা বলি মন দিয়ে শোনো।’

    বসল না কিছুতেই গিলটি মিঞা। বলল, ‘ধরে নিন বসেই আচি। বলুন, শুনচি মন দিয়ে।

    আজকের ঘটনা আগাগোড়া সবটা বলল রানা। চুপচাপ শুনে গেল গিলটি মিঞা, একটি কথাও বলল না। রানার বক্তব্য শেষ হতে প্রথমে নাক চুলকাল, তারপর কান চুলকাল, তারপর মাথার পেছনটা।

    ‘এই যদি অবস্তা হয়, তাহালে আর বেহুদা যাচ্চি কেন?’

    ‘বলছি। আগে কি করতে হবে শুনে নাও। তুমি আলফ্রেডো হোটেলে গিয়ে খোঁজ করবে অনিলের। আমার যতদূর বিশ্বাস, কাউকে পাবে না ওখানে। কিন্তু যদি পাও’ পকেট থেকে অনিলের ছবি বের করে দিল রানা, ‘এই ছবির সঙ্গে মিলিয়ে দেখে নেবে। ছবিটা মিলে গেলে ওকে বলবে জরুরী তার পেয়ে আমি লন্ডনে চলে গিয়েছি, প্যারিসের চাথাম হোটেলে একটা স্যুইট ভাড়া করে থাকতে বলেছি তোমাদের দুজনকে, আমি আসছি আগামীকাল সন্ধ্যায়। যদি চেহারা না মেলে তাহলে ওদের বুঝতে দেবে না যে তুমি কিছু টের পেয়েছ, বলবে, জরুরী তার পেয়ে আমাকে লন্ডন চলে যেতে হয়েছে, দিন সাতেক পরে দেখা করব ওর সঙ্গে, তোমাকে পাঠিয়েছি ততদিন ওকে ওই হোটেলেই থাকবার অনুরোধ জানাবার জন্যে।

    ‘আর যদি কাউকে না পাই?’

    ‘তাহলে ছবিটা দেখাবে রিসেপশন ক্লার্ককে। অনিলকে চিনতে পারে কিনা দেখবে। আমার মনে হয় পারবে না। সঠিক খবরটা জানা দরকার আমার।’

    ‘আর ইতিমধ্যে এরা মনে করবে যে আপনি এ শহর ছেড়ে চলে গেচেন, অতচ নুকিয়ে নুকিয়ে এদের কাজকম্মো দেকবেন। এই তো?’

    ‘ঠিক বলেছ, ওদের কাজকর্মও দেখব, নিজের কাজকর্মও করব। লিডো থেকে এয়্যার-ট্যাক্সি ভাড়া করব আমরা। ওখানে এদের লোক নজর রাখতে পারে, কাজেই আমিও উঠব তোমার সঙ্গে প্লেনে। পড়ুয়ায় নেমে ফিরে আসব আমি এখানে ছদ্মবেশে। সারাগাত হোটেলে উঠব। ওখানেই আমার সঙ্গে যোগাযোগ করবে তুমি।’

    ‘আর এই বাড়িটা?’

    ‘সাতদিনের ভাড়া দেয়া আছে, আমরা ফিরে তো আসছিই, তাছাড়া মালপত্রও সব নিচ্ছি না। ক্ষতি কি, থাকুক এটা পাঁচদিন খালি পড়ে।’

    ‘আরাকটা কতা। টাকা আসচে কোত্থেকে? আপনার কাচে যা আচে সে তো পেলেন ভাড়া করতেই…’

    ‘ও নিয়ে তোমার ভাবতে হবে না, গিলটি মিঞা। সারাগাত ক্যাসিনোতে জুয়ো খেলব দরকার হলে।’

    যে কোন ধরনের জুয়া খেলায় রানার আশ্চর্য ভাগ্যের কথা জানা আছে গিলটি মিঞার। তাই বিনা দ্বিধায় মেনে নিল রানার বক্তব্য। টাকার চিন্তা দূর হলো।

    ‘এবার তোমার মালপত্র গুছিয়ে নাও। আমি ফোন করি এয়ারপোর্টে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৩৪ – বিদেশী গুপ্তচর – ২
    Next Article মাসুদ রানা ০১০ – রানা! সাবধান!!

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }