Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০৩৪ – বিদেশী গুপ্তচর – ২

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদেশী গুপ্তচর – ২.১০

    দশ

    ইণ্ডিয়ান কনসুলেটের প্রকাণ্ড একটা গাড়িতে এয়ারপোর্টের দিকে চলেছে রানা ও গিলটি মিয়া। ড্রাইভারের পাশে বসে আছে একজন আর্মড় গার্ড। পিছনে দুটো মোটর সাইকেলে করে চলেছে দু’জন স্টেন-গানধারী সিপাই। সতর্ক। প্রস্তুত।

    কনসাল ভীমসেন নায়ার খুবই দ্রুত কাজ করেছেন বলতে হবে। আসলে কনসুলেটের উপর এই সশস্ত্র হামলায় খেপে একেবারে আগুন হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। এখানে ওখানে ফোন করে ঠাণ্ডা জুরিখ শহর গরম করে তুলেছিলেন। রানার বক্তব্য শুনে, এবং নীল প্যাকেটটার মধ্যে ভারতের জন্যে কতখানি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য রয়েছে আঁচ করতে পেরে উত্তেজিত হয়ে উঠেছিলেন আরও বেশি। কথা দিলেন, রানার এত কষ্ট স্বীকার করে এত দূর থেকে বয়ে আনা প্যাকেটটা তিনি যথেষ্ট সাবধানতার সাথে ডিপ্লোম্যাটিক ব্যাগে করে কলকাতায় পৌঁছবার ব্যবস্থা করবেন। এতসব উত্তেজনার মধ্যেও গোপনে একবার কলকাতার সাথে যোগাযোগ করতেও ভুললেন না ভীমসেন।

    রঞ্জন চৌধুরীর সাথে তাঁর কি কথা হয়েছিল রানা জানে না, কিন্তু পনেরো মিনিট পর যখন ভীমসেন নায়ার আবার এসে ঢুকলেন ওয়েটিং রূমে, স্পষ্ট অনুভব করতে পারল রানা, বিন্দুমাত্র সন্দেহের চিহ্নও নেই তখন আর তাঁর মনে। রানার নিরাপত্তার কথা ভেবে গাড়ি আর গার্ডের ব্যবস্থা করে ফেললেন দশ মিনিটের মধ্যে। টেলিফোনে বুক করে ফেললেন টিকেট। এখন বাকি শুধু প্লেনে উঠে বসা। সাধ্যমত সবই করেছেন ভদ্রলোক।

    ‘এ যাত্রা বোধায় বেঁচে গেলুম, স্যার। দূর থেকে এয়ারপোর্টের বাতি দেখে একগাল হাসল গিলটি মিয়া। ‘উফ্, কম ধকলটা যায়নি এ ক’টা দিন! কিন্তুক মজাও লেগেচে দারুণ। কি বলেন? পেলেনে উটে এমন এক ঘুম দোব না…’

    রিসেপশন অফিসের কাছে থেমে দাঁড়াল গাড়িটা।

    ‘আপনারা একটু অপেক্ষা করুন, আমি জেনে আসি কত নম্বর রানওয়েতে রয়েছে প্লেন।’

    গার্ডটা গাড়ি থেকে নেমে যেতেই গাড়ির দুই পাশে এসে দাঁড়াল মোটর সাইকেল আরোহী দু’জন। সতর্ক। প্রস্তুত। তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে চাইছে চারদিকে।

    তিন মিনিটের মধ্যেই ফিরে এল গার্ডটা রিসেপশন অফিস থেকে।

    ‘এই যে আপনাদের টিকেট।’ অ্যালিটালিয়ার মার্কা মারা দুটো টিকেট এগিয়ে দিল গার্ড। ‘দশ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে আপনাদের। বে ফাইভে আছে প্লেনটা। আপনারা উঠবার আগে ওটা সার্চ করে দেখার অর্ডার আছে আমার ওপর। অবশ্য সার্চ করতে বেশিক্ষণ লাগবে না।’

    ‘লাগুক, লাগুক!’ সোৎসাহে বলল গিলটি মিয়া। ‘ভাল করে খোঁজো বাওয়া, বোম-টোম থাকলেই গেচি।’

    গাড়িতে উঠে বসল গার্ড। টারমাকের উপর দিয়ে বে- ফাইভের দিকে চলল গাড়ি দ্রুত বেগে। ওখানে একটা রিসেপশন রূমের সামনে জনা পাঁচেক লোক দাঁড়ানো।

    পিছন দিক দিয়ে ঘুরে ভি. আই. পি. লেখা একটা দরজা সামনে দাঁড়িয়ে পড়ল গাড়িটা।

    ‘ভেতরে ঢুকে পড়ুন, স্যার,’ বলল গার্ডটা। ‘বাইরে একজন পাহারা দেবে, আর আমরা বাকি দু’জন যাব প্লেনটা সার্চ করতে। অল ক্লিয়ার দেখলে আমি ডাকব আপনাদের।’

    ‘ঠিক আছে,’ বলল রানা।

    দ্রুত পায়ে চলে এল রানা ও গিলটি মিয়া কামরার মধ্যে। ঘরের ভিতরটা একবার তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে পরীক্ষা করে নিয়ে বাইরে বেরিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল গার্ড, কি যেন আদেশ দিল কাউকে, তিন সেকেণ্ড পর চলে গেল মোটর সাইকেল দুটো।

    ফোমের সোফায় বসে এক কান থেকে আর এক কান পর্যন্ত হাসল গিলটি মিয়া।

    ‘খাতিরটা দেকেচেন, স্যার? আরও অনেক আগেই কোনও কনসুলেটে যাওয়া উচিত ছিল আমাদের। তাই না?’

    জানালার ধারে গিয়ে দাঁড়াল রানা। তীক্ষ্ণ দৃষ্টি বুলাল বাম থেকে ডাইনে। এত সহজে ছেড়ে দেবে ওদের সিলভিও? শেষ চেষ্টা করবে না একবার?

    ‘সরে আসুন, স্যার।’ বলল গিলটি মিয়া। ‘জানালার কাচে না দাঁড়ানোই ভাল। বলা তো যায় না…’ আঁৎকে উঠে থেমে গেল গিলটি মিয়া। ওরা যে দরজা দিয়ে ঢুকেছিল তার উল্টো দিকের দরজাটা ফাঁক হয়ে গেছে। সেই ফাঁকে দেখা যাচ্ছে একটা পয়েন্ট ফোর ফাইভ কোল্ট অটোমেটিক। পিস্তলধারী এক পা এগিয়ে আসতেই চিনতে পারল সে সিলভিওকে। মুখ দিয়ে বেরিয়ে গেল, ‘এই সেরেচে! এ-লোক থাকে পাতায় পাতায়।

    ‘এক পা নড়লে মারা যাবে, মাসুদ রানা,’ বলল সিলভিও চাপা গলায়। গিলটি মিয়াকে বলল, ‘তুমিও বসে থাকো চুপচাপ!’

    পাঁই করে ঘুরল রানা। লাফ দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করল কলজেটা বুকের ভিতর থেকে, পারল না। ধুপধাপ ধুপধাপ হাতুড়ি পিটে চলেছে হৃৎপিণ্ড।

    সিলভিওর পিছু পিছু ঘরে ঢুকল লুইসা পিয়েত্রো।

    ‘এই যে রানা, কেমন আছ?’ হাসল লুইসা। ‘বিদায় না নিয়েই চুপি চুপি পালিয়ে যাচ্ছিলে যে?’

    গোলাপী সিল্কের ব্লাউজ আর কালো একটা স্কার্টের উপর চমৎকার একখানা থ্রী-কোয়ার্টার মিংক কোট পরেছে লুইসা। স্বর্গের অী মনে হচ্ছে ওকে দেখে। এগিয়ে এসে একটা সোফায় বসল লুইসা, রানার দিকে চেয়ে হাসল মিষ্টি করে।

    ‘এই যে, কি খবর!’ অনেক কষ্টে মুখের ভাব অপরিবর্তিত রেখে বলল রানা। জ্যাকেটের পকেটে রাখা লাল নোট বইটা স্পষ্ট ভেসে উঠল ওর চোখের সামনে। ‘কিন্তু তোমাদের এবারের আবির্ভাবটা একটু অতিরিক্ত বিপজ্জনক হয়ে গেল না? দরজার বাইরেই দাঁড়িয়ে রয়েছে একজন গার্ড, আরও দু’জন রয়েছে খুব কাছেই।’

    ‘ও নিয়ে তোমার ভাবতে হবে না,’ বলল সিলভিও। ‘বাইরের গার্ড আমার লোক। নোট বইটা এবার দিয়ে দাও লক্ষ্মী ছেলের মত। ওটা পেলে তোমাদের যাত্রায় আর কোন বিঘ্ন ঘটাব না আমি। না দিলে মারা পড়বে এক মিনিটের মধ্যে।’

    ‘আমাদের মেরে এয়ারপোর্ট থেকে পালাতে পারবে না তুমি, সিলভিও। খামোকা ভয় দেখিয়ো না। সারা এয়ারপোর্টে যত গার্ড আছে সব তোমার লোক, এ কথা আমি বিশ্বাস করি না।

    ‘কথা বাড়িয়ো না, মাসুদ রানা। ধৈর্যের শেষ সীমায় পৌঁছেচি আমি। কেউ ঠেকাতে পারবে না আমাকে। দিয়ে দাও বইটা!’ আশ্চর্য রকম জ্বলজ্বল করছে সিলভিওর চোখ দুটো।

    ‘প্লীজ, রানা!’ কথা বলে উঠল লুইসা। ওর চোখে মিনতি আর উদ্বেগ। ‘দিয়ে দাও ওটা। ও যা বলছে ঠিক তাই করবে। কি লাভ অনর্থক প্রাণ দিয়ে? নোট বইটা দিয়ে দিলে সত্যিই ছেড়ে দেবে ও তোমাকে। কথা দিয়েছে ও।’

    বেশ খানিকটা সামলে নিয়েছে রানা। মিষ্টি করে হাসল লুইসার দিকে চেয়ে।

    ‘অপূর্ব সুন্দর লাগছে তোমাকে, লুইসা। মনে হচ্ছে তোমার অনুরোধ রক্ষা করে ফেলতাম যদি আমার পক্ষে সম্ভব হত। আসলে সত্যিই নোট বইটা আমার কাছে নেই।

    ‘কোন রকম ধোকাবাজি আর খাটবে না, মাসুদ রানা।’ তীক্ষ্ণ কণ্ঠে বলল সিলভিও। ‘দশ সেকেণ্ড সময় দেব তোমাকে, তারপর গুলি করব!’

    ওর চোখের দিকে চেয়ে বুঝতে পারল রানা, সত্যিই গুলি করবে সিলভিও।

    ‘ওটা কনসালকে দিয়ে দিয়েছি আমি। এতক্ষণে ডিপ্লোম্যাটিক ব্যাগে পোরা হয়ে গেছে। নিরাপদে পৌঁছে যাবে ওটা কাল কলকাতায়।’

    ‘মিথ্যে কথা!’ গর্জে উঠল সিলভিও।

    নিরুপায় ভঙ্গিতে কাঁধ ঝাঁকাল রানা। সহজ ভঙ্গিতে এসে বসল লুইসার পাশে।

    ‘বিশ্বাস না করলে আমার কি করার আছে, বলো? সার্চ করে দেখতে পারো,’ মৃদু হেসে বলল রানা।

    ‘ঠিক আছে, তাই করছি।’ রানার উপর থেকে চোখ না সরিয়ে এক-পা পিছিয়ে গেল সিলভিও, দরজাটা একপাট খুলে ডাকল, ‘গীয়ান! ভেতরে এসো!’

    লুইসার একটা হাত তুলে নিল রানা নিজের হাতে। হাত বুলাল নরম মিংক কোটের হাতায়।

    ‘সুন্দর কোটটা। মিংক পরলে অসুন্দরীকেও সুন্দর লাগে দেখতে, আর সুন্দরীকে লাগে অপূর্ব। তোমাকে আমার কেমন লাগছে বলতে পারবে?’

    ‘সুন্দরী…’ কথাটা বলেই টের পেল লুইসা এই ধরনের আলাপের উপযুক্ত সময় এটা নয়। রানার চোখে স্থির হলো ওর উদ্বিগ্ন দৃষ্টি। সরাসরি কাজের কথায় এল সে। ‘সত্যিই নেই ওটা তোমার কাছে?’

    ‘আল্লার কসম!’ হাসল রানা। ‘তোমার ভাই আমাকে এ বোকা মনে করে কেন? আমি তো জানতাম এয়ারপোর্টে শেষ চেষ্টা করবে ও বইটা আমার কাছ থেকে ছিনিয়ে নিতে। ওটা আমার কাছে রাখার চেয়ে কনসুলেটের ডিপ্লোম্যাটিক ব্যাগে পাঠানো হাজার গুণ নিরাপদ।

    গীয়ান এসে ঢুকল ঘরে। কটমট করে চাইল রানার চোখের দিকে। রানা টের পেল নিশপিশ করছে ওর হাত, ছটফট করছে ভিতর ভিতর প্রতিশোধ নেয়ার জন্যে।

    ‘এই দু’জনকে সার্চ করো, গীয়ান!’ বলল সিলভিও। ‘কি খুঁজছি তা তো তোমার জানাই আছে। জলদি!’

    মাথার উপর হাত তুলে উঠে দাঁড়াল রানা। গিলটি মিয়ার দিকে চেয়ে বলল, ‘কোন গোলমাল কোরো না, গিলটি মিয়া। যা বলে, করো। এ ছাড়া আর কোন উপায় নেই এখন।’

    সার্চ শুরু করল গীয়ান।

    বিস্ফারিত চোখে চেয়ে রয়েছে গিলটি মিয়া।

    রানার সারা শরীর সার্চ করে সরে দাঁড়াল গীয়ান। সিলভিওর দিকে ফিরল।

    ‘নেই।’

    ‘এবার ওই লোকটা,’ বলল সিলভিও।

    পিস্তলের ইঙ্গিতে মাথার উপর হাত তুলে দাঁড়াল গিলটি মিয়া। দক্ষ হাতে ওকেও সার্চ করল গীয়ান, তারপর সরে দাঁড়িয়ে মাথা নাড়ল। নেই।

    ‘এবার সন্তুষ্ট হয়েছ?’ বসে পড়ল রানা। পারলে না, সিলভিও। হেরে গেলে শেষ পর্যন্ত। ওটার কলকাতায় পৌঁছানো আর ঠেকানো গেল না। কালই রওনা হয়ে যাবে ওটা সশস্ত্র প্রহরায়।

    ‘ডিপ্লোম্যাটিক ব্যাগের কথাটা আমাকে না বললেই ভাল করতে মাসুদ রানা।’ চতুর একটুকরো হাসি খেলে গেল সিলভিওর ঠোঁটে। ‘দাঁড়াও, এখনই তার প্রমাণ দিচ্ছি।’ গীয়ানকে ইঙ্গিত করতেই রিভলভার বের করে তাক করে ধরল সে রানার বুকের দিকে। কোণের টেবিলের উপর রাখা টেলিফোনের দিকে এগিয়ে গেল সিলভিও।

    ‘ইণ্ডিয়ান কনসুলেট দিন দয়া করে,’ বলল সিলভিও মাউথপিসে। পনেরো সেকেণ্ড চুপচাপ থেকে বলল, ‘ সুকান্ত পালিতকে দিন দয়া করে।’ আবার খানিক চুপ। ‘পালিত? এই কিছুক্ষণ আগে একটা জিনিস দিয়েছে মাসুদ রানা তোমাদের বসের হাতে।’ তিন সেকেণ্ড বিরতি। ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, ঠিক বলেছ! নীল প্লাষ্টিক মোড়া। দেখেছ ওটা তুমি?’ বিরতি। ‘আমি জানি, কলকাতায় যাচ্ছে।’ আবার বিরতি। ‘কি বললে? তোমারই ওপর ভার পড়েছে? ভেরি গুড! শোনো। ওটা আমার দরকার। বুঝতে পেরেছ? আধঘণ্টার মধ্যে আমার হাতে পৌঁছে দিতে হবে ওটা।’ কয়েক সেকেণ্ড বিরতি। হেসে উঠল সিলভিও। ‘অবশ্যই। এ চাকরি তোমার আজই শেষ। কাল থেকে আর যেতে হবে না কনসুলেটে। ঠিক আছে, রাখলাম। আধঘণ্টা পর আমার ওখানে আসছ তুমি।’ রিসিভার নামিয়ে বিজয়ীর ভঙ্গিতে ফিরল সিলভিও রানার দিকে। ‘শেষ পর্যন্ত কে হারল, মাসুদ রানা? পালিতের হাতেই ভার দেয়া হয়েছে ওটা ডিপ্লোম্যাটিক ব্যাগে ভরে কলকাতা পাঠাবার।’ হাসল তৃপ্তির হাসি। ‘কি লাভ হলো? এত ছোটাছুটি, এত দৌড়ঝাঁপ, এত লোকক্ষয়- কে জিতল শেষ পর্যন্ত?’

    রেগে উঠে কিছু একটা বলতে যাচ্ছিল রানা, ওর ঠোঁটের ওপর একটা আঙুল রাখল লুইসা।

    ‘প্লীজ, রানা! হারজিত তো সব কিছুতেই আছে। সব সময় জিতলে চলে না, মাঝে মাঝে হারতেও হয়। চেষ্টার তো তুমি কোন ত্রুটি করোনি। মেনে নাও। ও ভয়ানক চতুর আর হারামী লোক। তাছাড়া তুমি তো একা, আর ওর হয়ে কাজ করছে হাজারটা লোক। ভয়ঙ্কর সব লোক। তুমি পারবে কেন?’

    হাসল সিলভিও। ‘ঠিকই বলেছে লুইসা। মনের মধ্যে রাগ পুষে রাখবেন না, সিনর মাসুদ রানা। একটা ভয়ঙ্কর দুর্ধর্ষ সংস্থার সাথে একা লড়ে আপনি আপনার পাঞ্জার যে জোর দেখিয়েছেন, আমি আজীবন শ্রদ্ধার সঙ্গে মনে রাখব সে কথা। চলুন, আপনাকে প্লেনে তুলে দিই এবার।’ অস্ত্র পকেটে পুরল সিলভিও, কিন্তু হাতটা রয়ে গেল পকেটেই। গীয়ানও তাই করল। ‘চলুন। দয়া করে বিদায়ের আগে আর কোন রকম গোলমাল পাকাবার চেষ্টা করবেন না। খেয়াল রাখবেন দুটো পিস্তল আপনাদের দু’জনের হৃৎপিণ্ড লক্ষ্য করে প্রস্তুত আছে সর্বক্ষণ।

    ‘তুমি আসবে না আমাকে সী অফ করতে?’ জিজ্ঞেস করল রানা লুইসাকে।

    ‘নিশ্চয়ই!’

    দ্রুত পায়ে এগোচ্ছে ওরা টারমাকের উপর দিয়ে প্লেনের উদ্দেশে। রানার কনুই জড়িয়ে ধরেছে লুইসার কনুই। আবার কবে কোথায় দেখা হবে সে ব্যাপারে নিচু গলায় কথা হচ্ছে ওদের মধ্যে।

    ছুটে এল একজন সুন্দরী এয়ার হোস্টেস।

    ‘আপনি সিনর মাসুদ রানা?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘আপনার জন্যেই অপেক্ষা করছি আমরা। উঠে পড়ুন।’

    ‘যাচ্ছি। উঠে পড়ো, গিলটি মিয়া, আমি আসছি এক্ষুণি।’

    তর তর করে সিঁড়ি বেয়ে উঠে গেল গিলটি মিয়া, সিঁড়ির মাথায় গিয়ে বিভ্রান্ত দৃষ্টিতে চাইল রানার দিকে। গেল কোথায় নোট বইটা!

    লুইসার দিকে ফিরল রানা। একটা হাত চলে গেল ওর ক্ষীণ কটিতে। কাছে সরে এল লুইসা। আলতো করে ছোট্ট একটা চুমো খেলো রানা ওর ঠোঁটে। বলল, ‘আবার দেখা হবে।’

    চোখ দুটো টলটল করে উঠল লুইসার। বলল, ‘ভায়া খণ্ডিওস্, মাই ডার্লিং।’

    সান্ত্বনা দেয়ার ভঙ্গিতে বার দুই হাত বুলাল রানা লুইসার বাহুতে, তারপর হঠাৎ ঘুরে তরতর করে উঠে গেল সিঁড়ি বেয়ে। শেষ ধাপে উঠে টা-টা করল সবাইকে। ঢুকে গেল ভিতরে।

    বন্ধ হয়ে গেল দরজা। সিঁড়ি সরে চলে গেল।

    গিলটি মিয়ার দিকে এগোতে গিয়েও থমকে গেল রানা। হাসিমুখে ডাকল ওকে অনিল। তরতাজা হয়ে উঠেছে বিশ্রাম পেয়ে।

    ‘পাশের সীটটা খালি আছে, রানা। বসে পড়ো।’

    একসাথে গর্জে উঠল চারটে এঞ্জিন। রওনা হবে এখুনি। বসে পড়ল রানা।

    ‘ওরা জানে মারা গেছ তুমি,’ বলল রানা। ‘এসো যাবার আগে ওদের ভূত দেখানো চমকে দেয়া যাক।’

    দু’জন চাইল জানালা দিয়ে বাইরে।

    আর্ক লাইটের নিচে দাঁড়িয়ে আছে লুইসা, সিলভিও আর গীয়ান। হাত নাড়ল রানা।

    রানার পাশের মুখটা দেখেই আঁৎকে উঠল ওরা তিনজন। হাঁ হয়ে গেছে ওদের মুখ, বিস্ফারিত তিন জোড়া চোখ। ধীরে ধীরে নড়তে শুরু করল প্লেনটা। শেষ চমক দিয়ে দিল রানা ওদের। পকেট থেকে ছোট্ট একটা লাল নোটবই বেরিয়ে এল, সেটা নেড়ে টা-টা করল ওদের।

    মুহূর্তে বুঝতে পারল ওরা, মস্ত ধোঁকা দিয়েছে রানা, কনসুলেটে জমা দেয়নি, নোটবইটা সাথে নিয়েই চলে যাচ্ছে সে। ঠেকাবার কোন রাস্তা নেই আর।

    হতাশা, বিক্ষোভ, ক্রোধ, প্রতিহিংসা, এবং পরাজয়- সবগুলো ভাবের খেলা দেখতে পেল রানা সিলভিওর মুখে। নিজের অজান্তেই কয়েক পা দৌড়ে এল সিলভিও প্লেনের সাথে সাথে, তারপর দুই হাতে মুখ ঢেকে বসে পড়ল টারমাকের উপর।

    রানওয়ের দিকে ছুটল প্লেনটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৬৩-৬৪ – গ্রাস
    Next Article মাসুদ রানা ০৩৩ – বিদেশী গুপ্তচর – ১

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }