Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০৩৪ – বিদেশী গুপ্তচর – ২

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদেশী গুপ্তচর – ২.২

    দুই

    দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে ঘুরে দাঁড়াল সিলভিও পিয়েত্রো।

    ‘এই নাটকীয়তার জন্যে আমাদের দয়া করে ক্ষমা করে দেবেন, সিনর মাসুদ রানা,’ বলল সিলভিও, ‘কিন্তু এর প্রয়োজন ছিল। গত কয়েক ঘণ্টায় আপনি প্রমাণ করেছেন যে আপনি একজন অত্যন্ত দুর্ধর্ষ লোক। আপনার সম্পর্কে রিপোর্টও পৌঁছে গেছে আমার হাতে। কাজেই একটু বেশি সাবধানতা অবলম্বন করতে হলো আমাদের। একটা কথা প্রথমেই পরিষ্কার ভাবে আপনাকে জানিয়ে দেয়া দরকার, প্রয়োজন হলে গুলি করবে গীয়ান আর পপিনি। কাজেই কোন রকম গোলমালের চেষ্টা করবেন না অনর্থক। বসুন, কয়েকটা কথা আছে আপনার সাথে।’

    সোজা চাইল রানা লুইসার চোখে। কিছু বোঝা গেল না সে- চোখ দেখে। ওর পাশে গিয়ে বসবার জন্যে ইঙ্গিত করল সে রানাকে। এগিয়ে গেল রানা। বসে পড়ল লুইসার পাশে। পিছনে গীয়ান এসে দাঁড়াল রিভলভারটা রানার পিঠে ঠেকিয়ে।

    ‘এসব ব্যাপারে তুমি কেন আবার?’ প্রশ্ন করল রানা।

    উত্তর দিল সিলভিও। ‘আমি ওকে বারণ করেছিলাম। কিন্তু ওর ধারণা আমি যদি ব্যর্থ হই, ও আপনাকে রাজি করাতে পারবে। ওর অনুরোধ উপেক্ষা করতে পারলাম না। লুইসার সামনে আপনাকে এইভাবে রিভলভারের মুখে ছোট করা হচ্ছে বলে আমি খুবই অনুতপ্ত। কিন্তু বিশ্বাস করুন, এছাড়া আমার আর কোন উপায় ছিল না। শুধু লুইসার নয়, আপনাকে আমারও ভাল লেগেছে। আপনার কোন ক্ষতি হোক সেটা আমি চাই না

    ‘সে তো খুব ভাল কথা!’ মৃদু হেসে পকেট থেকে সিগারেট কেস বের করল রানা। একটা ঠোঁটে লাগিয়ে কেসটা এগিয়ে ধরল সিলভিওর দিকে। ‘চলবে? অভ্যাস আছে?’

    ‘না। ধন্যবাদ।’ রানার মুখোমুখি একটা সোফায় বসল সিলভিও।

    সিগারেট ধরিয়ে লম্বা করে টান দিল রানা, ভুশ করে ধোঁয়া ছাড়ল ছাতের দিকে, পায়ের উপর পা তুলে আরাম করে বসল সোফায় হেলান দিয়ে, তারপর চাইল সিলভিওর চোখে।

    ‘বেশ বলুন এবার, কি ব্যাপারে কথা বলতে চান?’

    ‘অনিল চ্যাটার্জীর ব্যাপারে।’ সোফার দুই হাতায় দুই কনুই রেখে বাম হাতের আঙুলের ফাঁকে ডান হাতের আঙুলগুলো ভরে মুঠি পাকাল সিলভিও, সেই মুঠির উপর আলতো করে থুতনি রেখে শুরু করল আবার, ‘চ্যাটার্জী একজন ভারতীয়, আপনি বাংলাদেশের লোক। এক ভয়ঙ্কর ব্যাপারে জড়িয়েছে ও নিজেকে। যেমন গোপনীয়, তেমনি বিরাট ব্যাপার। আপনার দেশের সাথে এর সম্পর্ক নেই। কাজেই এক্ষেত্রে বুদ্ধিমানের মত ব্যবহার আশা করব আমি আপনার কাছে। আপনি নিরপেক্ষ থাকুন। ওকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়েছে। এই দণ্ড এড়িয়ে যাবার উপায় নেই ওর। কারো সাধ্য নেই ওকে রক্ষা করে। আপনি মাঝখান থেকে নাক গলিয়ে নাকটা খোয়াবেন, সেটা আমি চাই না। আমার অনুরোধ, যেহেতু ব্যাপারটা আপনার দেশের সাথে কোন দিক থেকে কোন ভাবে যুক্ত নয়, আপনি এ থেকে দূরে থাকুন।’

    ‘এ তো অতি উত্তম প্রস্তাব। আমি এক কথায় রাজি।’

    সতর্ক দৃষ্টিতে চাইল সিলভিও রানার মুখের দিকে। বার কয়েক চোখ মিট মিট করে ভাবল কিছুক্ষণ। তারপর হাত বাড়াল সামনে। ‘তাহলে দিয়ে দিন।’

    অবাক হলো রানা। ‘কি দিয়ে দেব?’

    ‘একটা নীল প্লাস্টিক মোড়া লাল খাতা। আপনার কাছেই আছে ওটা এখন।’

    তিন সেকেণ্ড সিগারেটের মাথার আগুনটা পরীক্ষা করল রানা, তারপর ভুরু জোড়া কপালে তুলল।

    ‘নীল প্লাস্টিক মোড়া লাল খাতা? ওটা আমার কাছে আছে এ ধারণা হলো কি করে আপনার?’

    ভুরু কুঁচকে গেল সিলভিওর। তির্যক দৃষ্টিতে চাইল রানার চোখের দিকে। আশ্চর্য ধূর্ত এবং নিষ্ঠুর একটা ভাব খেলে গেল ওর চোখে। এক সেকেণ্ড, তারপর আবার স্বাভাবিক হয়ে গেল।

    ‘দয়া করে আমাদের সময় নষ্ট করবেন না, সিনর মাসুদ রানা। এই একটু আগে আপনি স্বীকার করেছেন নিরপেক্ষ থাকবেন আপনি। খাতাটা…’

    ‘এক সেকেণ্ড,’ বাধা দিল রানা কথার মধ্যে। ‘নিরপেক্ষ থাকতে রাজি হয়েছি ঠিকই, কিন্তু আপনাকে সাহায্য করবার কোন আশ্বাস আমি দিইনি। দুটো সম্পূর্ণ আলাদা জিনিস। যাই হোক, খাতাটার কথা শোনা যাক। ওটা আপনার?’

    ‘আমার অর্গানাইজেশনের। আমার অফিস থেকে চুরি করেছিল ওটা অনিল চ্যাটার্জী।’

    ‘কেন চুরি করতে গেল? কি আছে ওর মধ্যে?’

    ‘অত্যন্ত মূল্যবান কিছু গোপনীয় তথ্য আছে। ওটা খোয়া গেলে ভয়ঙ্কর বিপর্যয় ঘটে যাবে আমাদের ভাগ্যে। পথের ধুলায় মিশে যাব আমরা। আমার ওপর হুকুম হয়েছে, যে ভাবে হোক উদ্ধার করতে হবে ওটা। আমার কাছ থেকে খোয়া গিয়েছিল, আমাকেই উদ্ধার করতে হবে।

    ‘এত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অনিলের হাতে যখন পড়েছে, আপনাদের সতর্কতার বিশেষ প্রশংসা করা যায় না।

    ‘তা ঠিক।’ মাথা ঝাঁকাল সিলভিও। ‘কিন্তু ভয়ানক ধূর্ত এই লোকটা। বিন্দুমাত্র সন্দেহ করতে পারিনি আগে। তার ওপর দারুণ লোকটার সহ্য ক্ষমতা। এতদিন পর্যন্ত যে টিকে আছে…ভাল কথা, ওকে যে ক্ষিপ্রতা আর বুদ্ধিমত্তার সাথে উদ্ধার করেছিলেন তার জন্যে আপনাকে কংগ্রাচুলেশন জানানো হয়নি এখনও। কংগ্রাচুলেশনস্। দারুণ যোগ্যতার সাথে করেছিলেন কাজটা।’

    লজ্জা পাওয়ার ভান করল রানা। ‘না, না। কি যে বলেন। আমার যোগ্যতা নয়, ওটা আপনার লোকেদের অযোগ্যতা। যাদের নিয়ে কাজ করছেন…’

    ‘তা ঠিক,’ বাঁকা করে হাসল সিলভিও। ‘কিন্তু অন্যদিকে তাদের যোগ্যতার অভাব নেই। এরা জানে কি করে মানুষের মুখ থেকে কথা বের করতে হয়।’

    ‘তাই নাকি? কিন্তু মনে হচ্ছে অনিলকে দিয়ে কথা বলাতে পারেনি ওরা, নইলে এখানে আপনার মূল্যবান সময় অপব্যয় করতে হত না।’

    ‘কথা অনিলকে বলতেই হত। আজ হোক কাল হোক স্বীকার না করে উপায় ছিল না। হয়তো সময় লাগত একটু বেশি। অসুস্থ ছিল বলে সাবধানে এগোতে হয়েছে গীয়ানকে। সুস্থ অবস্থায় থাকলে আরও চাপ দিতে পারত ও, মুমূর্ষু লোককে বেশি চাপ দেয়া যায় না, ফট করে মরে যায়।’

    ‘তাই জ্বলন্ত সিগারেট ঠেসে ধরে মৃদু নির্যাতনের ব্যবস্থা হয়েছিল?’

    ‘ঠিক বলেছেন। আধমরা লোক বা স্ত্রীলোকের ওপর প্রয়োগ করলে এতে বেশ কাজ পাওয়া যায়।’

    ‘জুলি মাযিনিকেও নিশ্চয়ই মরতে হয়েছে গীয়ানের হাতেই?’

    ‘না। ওড্ডি। কথা বের করেছে গীয়ান, কিন্তু শেষ কাজটা সেরেছে ওড্ডি। ডিভিশন অব লেবার। কিন্তু সিনর, আমরা আমাদের বক্তব্য থেকে সরে গেছি অনেক দূরে। দিয়ে দিন প্যাকেটটা।’

    মাথার মধ্যে আগুন ধরে গিয়েছিল রানার। এক লাফে খুদে শয়তানটার ঘাড়ে পড়ে কণ্ঠনালীটা টেনে ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে করল ওর। দাঁতে দাঁত চেপে সামলে নিল সে। সময় আসুক। এখন কিছু করতে গেলে অবধারিত মৃত্যু। সিগারেটে টান দিতে গিয়ে লক্ষ্য করল কাঁপছে ওর হাতটা।

    ‘উত্তেজিত হবেন না, সিনর মাসুদ রানা। আপনি বাংলাদেশের একজন দুর্ধর্ষ স্পাই হতে পারেন, কিন্তু কিছুতেই আমার কাছে পৌঁছতে পারবেন না। প্যাকেটটা দিয়ে দিলেই সসম্মানে বিদায় নেব আমরা, কেউ আপনার গায়ে হাত তুলবে না।’

    ‘আগে অনিলের সাথে কথা বলতে হবে আমাকে,’ বলল রানা মোলায়েম ভাবে। সিগারেটটা ফেলে দিল অ্যাশট্রেতে। ‘আগামীকাল বিকেল নাগাদ একবার আসুন আপনারা। ততক্ষণে অনিলের বক্তব্য শুনে একটা কিছু সিদ্ধান্তে পৌঁছতে পারব আশা করছি।’ হাই তুলল রানা। ‘ঘুম পাচ্ছে বড়ো। যদি কিছু মনে না করেন, আমি এখন বিশ্রাম নিতে চাই।’ লুইসার দিকে ফিরল রানা। ‘তুমি থাকবে, না এদের সাথে চলে যাবে, লুইসা?’

    খপ করে রানার হাত ধরল লুইসা। ‘প্লী…জ, রানা! দিয়ে দাও ওটা। তুমি বুঝতে পারছ না কেন…’

    ‘বুঝতে আমি ঠিকই পারছি, সিনোরিনা। কিন্তু নিরপেক্ষতার খাতিরে অনিলের ভার্শান শোনা দরকার আমার। নইলে অবিচার করা হবে।’

    উঠে দাঁড়াল রানা। সাথে সাথে কাঁধের উপর দড়াম করে আঘাত পড়ল। সামনের দিকে এক পা হোঁচট খেল রানা। ঘাড় ফিরিয়ে দেখল গীয়ানের ভয়ঙ্কর মুখ। রিভলভারটা ধরা আছে রানার দুই চোখের ঠিক মাঝখানে। ট্রিগারের উপর চেপে বসে আছে তর্জনীটা।

    ‘বসো!’ গম্ভীর গলায় আদেশ করল গীয়ান।

    তড়াক করে উঠে দাঁড়াল লুইসা। ঝট করে ফিরল সিলভিওর দিকে।

    ‘এটা কি হচ্ছে, সিলভিও? তুমি কথা দিয়েছিলে, ওর গায়ে হাত তোলা হবে না।’

    ‘কি করব বলো? উনি যে এমন অবুঝের মত ব্যবহার করবেন সেটা আমার জানা ছিল না।’ রানার চোখের দিকে চাইল সিলভিও। ‘বসে পড়ন, সিনর মাসুদ রানা। বল প্রয়োগের জন্যে আমি খুবই দুঃখিত, কিন্তু আপনি আপনার অবস্থাটা উপলব্ধি করতে পারছেন না এখনও। আপনি আমার বন্দী।’

    ‘তাই নাকি?’ বাম হাতে কাঁধটা ডলতে ডলতে বসে পড়ল রানা আবার। ‘তাহলে আর নিরপেক্ষতার প্রশ্ন তুলতে গিয়েছিলেন কেন? আপনি নিজেই ঠেলে দিচ্ছেন আমাকে আপনার প্রতিপক্ষ শিবিরে।’

    ‘আপনি ভুল বুঝছেন আমাকে,’ চিকন হাসি খেলে গেল সিলভিওর ঠোঁটে। ‘আমাদের হাতে সময় কম, অপেক্ষা করার উপায় নেই। আপনি এইমাত্র বললেন, অনিলের সাথে কথা বলে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমি দুঃখিত, সেটা সম্ভব নয়। মারা গেছে অনিল চ্যাটার্জী।’

    ঠাণ্ডা, স্থির দৃষ্টিতে চাইল রানা সিলভিওর চোখের দিকে। তারপর মুচকে হাসল।

    ‘এত সস্তাদরের ব্লাফে কাজ হবে না, সিনর। বেঁচে আছে অনিল চ্যাটার্জী।’

    ‘হাসপাতালে রওনা হবার পাঁচ মিনিটের মধ্যে মারা গেছে ও। ভিসকন্টির ফোন পেয়ে আমার লোকজন তৈরি ছিল আপনাদের গনডোলার জন্যে।’

    একটা মোটরবোট ছিল গনডোলার অপেক্ষায়। মোটরবোটের ধাক্কায় ডুবে গেছে গনডোলা, ডুবে মরেছে অনিল। আপনার লোক দু’জন অবশ্য অনেক চেষ্টা করেছিল ওকে বাঁচাবার, কিন্তু লাভ হয়নি কোন, বালির বস্তার মত তলিয়ে গেছে সে পানির নিচে।

    মুচকে হাসল সিলভিও রানার বিস্মিত, হতবাক মুখের দিকে চেয়ে। বলেই চলল, ‘আমাদের শক্তি, সামর্থ্য আর ক্ষমতা সম্পর্কে কোন ধারণাই নেই আপনার, সিনর মাসুদ রানা, তাই অবাক হচ্ছেন এত সামান্যতেই। সারা ইউরোপে আমাদের অসাধ্য কিছুই নেই। যা খুশি তাই করতে পারি আমরা। যাক, যা বলছিলাম, অনিলকে নিয়ে আপনার দুই সঙ্গীকে গনডোলায় উঠতে দেখেই বুঝতে পারলাম প্যাকেটটা কোথায় লুকোনো আছে জানতে পেরেছেন অনিলের কাছ থেকে এবং সেটা সংগ্রহ করতেই গিয়েছেন আপনি। নইলে আপনিও যেতেন যেতেন ওর সঙ্গে হাসপাতালে। ব্যস, বাকিটুকু খুবই সহজ কাজ। খুবই সাবধানে অনুসরণ করা হলো আপনাকে। সাপও মরল, লাঠিও ভাঙল না।’ নিজের বিজয়ে আপন মনে হাসল সিলভিও। ‘ভাল কথা, আপনার সঙ্গীদের কি হলো সে কথা ভেবে হয়তো উদ্বিগ্ন হচ্ছেন আপনি। উদ্বেগের কিছুই নেই। নিরাপদে তীরে পৌঁছেচে ওরা, আমার লোকজন রীতিমত সাহায্য করেছে ওদের পারে উঠতে। বর্তমানে বহাল তবিয়তে আছে ওরা একটা বাড়িতে মাটির নিচের এক ঘরে। কিন্তু আপনি যদি অসহযোগিতা করেন, খুব বেশিক্ষণ ভাল থাকবে না ওরা। বুঝতে পেরেছেন? তুরুপের সব তাস এখন আমার হাতে, সিনর মাসুদ রানা। দয়া করে প্যাকেটটা বের করে দেবেন কি?’

    .

    কয়েক সেকেণ্ড সিলভিওর মুখের দিকে চেয়ে রইল রানা। দ্রুত চিন্তা চলেছে ওর মাথার মধ্যে। চেয়ে রয়েছে, কিন্তু দেখছে না রানা সিলভিওকে।

    বোঝা গেল ভারত সরকার অনিলকে যাই মনে করুক, কিছু গোপন তথ্য সংগ্রহ করেছে অনিল একটা শক্তিশালী আন্তর্জাতিক দলের কাছ থেকে, এবং এই তথ্য নিয়ে সে ভারতে পৌঁছতে চাইছে। এদের জন্যে সেটা পুনরুদ্ধার করা এতই জরুরী যে তা করতে গিয়ে দু’পাঁচটা খুন হয়ে গেলেও পরোয়া নেই- অর্থাৎ, এই তথ্য ভারতে পৌঁছলে ভয়ানক ক্ষতি হয়ে যাবে এদের। তাই সর্বশক্তি নিয়োগ করেছে এরা এ ব্যাপারে। এমন হতে পারে যে ভারতের প্রতি আনুগত্যের এটাই একমাত্র প্রমাণ অনিলের হাতে। এটা খোয়া গেলেই সব যাবে ওর। কোন অবস্থায় যেন প্যাকেটটা এদের হাতে না পড়ে তার ব্যবস্থা করা দরকার।

    নীল প্লাস্টিকে মোড়া প্যাকেটটা ভেসে উঠল রানার মানসচক্ষে। তামার ফুলদানীতে রয়েছে ওটা। মোটেই নিরাপদ নয়। একটু মাথা খাটালেই বের করে ফেলবে সিলভিও। প্রথমে ওকে সার্চ করা হবে, কিন্তু যখন পাওয়া যাবে না তখন খুব সহজেই বুঝে নেবে সিলভিও যে এ বাড়িতে ঢোকার কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যে কোথাও লুকিয়েছে রানা ওটা। কয়েক সেকেণ্ড একা ছিল রানা হলরূমে, নিশ্চয়ই ওখানেই কোথাও লুকোনো আছে ওটা।

    হাতের তালু দুটো ভিজে এল রানার। অন্ধের মত এই ফাঁদে ধরা পড়ার জন্যে নিজের উপরই খেপে গেল সে। ওড্ডি আর সেই লোকটাকে এত সহজে হাল ছেড়ে দিতে দেখে আগেই সন্দেহ করা উচিত ছিল ওর। যাই হোক, পরিষ্কার বুঝে নিয়েছে সে, প্যাকেটটা এদের হাত থেকে রক্ষা করবার কোন উপায় নেই। তবু এদের মনোযোগ অন্যদিকে ফেরাবার চেষ্টা করতে হবে যতটা পারা যায়।

    ‘সিনর মাসুদ রানা,’ তীক্ষ্ণকণ্ঠে বলল সিলভিও, ‘দিয়ে দিন প্যাকেটটা।’

    ‘আমার কাছে যদি থাকত তাহলে কিছুতেই আপনাকে দিতাম না ওটা, কিন্তু যেহেতু নেই, দেয়া না-দেয়ার প্রশ্নই উঠতে পারে না। কি বলেন?’

    ঝট করে উঠে দাঁড়াল সিলভিও।

    ‘প্রচুর সময় নষ্ট করেছি আমি ভদ্রতা রক্ষা করতে গিয়ে। আর নয়। হাত বাড়াল। ‘দিন প্যাকেট!’

    ‘প্লীজ, রানা! তোমার তো কিছু না, দিয়ে দাও না ওটা, ঝামেলা চুকে যাক।’ আবার রানার হাত চেপে ধরল লুইসা।

    মৃদু হাসল রানা সিলভিওর চোখের দিকে চেয়ে।

    ‘খামোকা মেজাজ গরম করে লাভ নেই, খোকা। আমার কাছে নেই ওটা।’

    পপিনির দিকে চাইল সিলভিও। মাথা ঝাঁকিয়ে ইঙ্গিত করল। ‘সার্চ করো একে।’

    ঘাড়ের পেছনে রিভলভারটা ঠেসে ধরে গুঁতো দিল গীয়ান জোরে। ‘উঠে দাঁড়াও।’

    ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল রানা।

    প্রত্যেকটা পকেট সার্চ করল পপিনি দ্রুত হাতে, মাথা নাড়ল, নেই। তারপর মৃদু চাপড় দিয়ে পরীক্ষা করল রানার সর্বাঙ্গ। রানার প্যান্টের পকেটে হাত ঢুকিয়ে স্টিলেটোটা বের করে আনল। তারপর সরে দাঁড়াল।

    ঠিক এমনি সময়ে ঘরে ঢুকল ওড্ডি। রানার দিকে চেয়ে মিষ্টি করে হাসবার চেষ্টা করল। চোখ দুটো জ্বলছে প্রতিহিংসায়। একটা চোখ ফুলে আছে বাতিস্তার ঘুসি খেয়ে।

    ‘সর্বক্ষণ চোখে চোখে রেখেছিলে একে?’ প্রশ্ন করল সিলভিও।

    ‘হ্যাঁ, সিনর। ডি ফ্যাবোরির দেয়াল-মন্দিরটায় গিয়েছিল ও। ‘শিকের ফাঁক দিয়ে হাত ঢুকিয়ে কি যেন নিল। আমাদের দেখতে পেয়েই দৌড়াতে শুরু করল।’

    ‘চ্যাটার্জী কি কোনদিন এই মন্দিরের কাছাকাছি গিয়েছিল?’ জিজ্ঞেস করল সিলভিও।

    উত্তর দিল গীয়ান। ‘না, সিনর। কিন্তু ওই মেয়েলোকটা, জুলি মাযিনি, গিয়েছিল।’

    ‘হ্যাঁ!’ বলল ওড্ডি। ‘কয়েকদিন আগে এই মন্দিরের সামনে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেছি আমি ওকে। আমি মনে করেছিলাম প্রার্থনা করছে বুঝি।’

    ‘দৌড়াতে শুরু করার পর সিনর মাসুদ রানা কি ওটা কোথাও লুকোবার সুযোগ পেয়েছিল?’

    ‘না। আমি আর রিক্‌কি পেছনেই ছিলাম, চোখের আড়াল হতে দিইনি।’

    রানার দিকে ফিরল এবার সিলভিও। ‘দিন প্যাকেট!’

    ‘দেব না।’ শান্ত কণ্ঠে বলল রানা।

    রাগে লাল হয়ে উঠল সিলভিওর ফর্সা চেহারা। দাঁত দিয়ে নিচের ঠোঁটটা কামড়াল কিছুক্ষণ। ফুলে উঠেছে নাকের পাতা। বহু কষ্টে সামলে নিয়ে বলল, ‘প্রয়োজন পড়লে আমি কতটা কঠোর হতে পারি সে সম্পর্কে আপনার কোন ধারণাই নেই। শোনেন, মাসুদ রানা। নিজের অবস্থাটা আপনি মোটেই উপলব্ধি করতে পারছেন না। প্যাকেটটা পেতেই হবে আমার। কেউ আটকাতে পারবে না আমাকে।’ ঘরময় বার দুই পায়চারি করে এসে থামল আবার রানার সামনে। ‘আপনার কাছে আপনার সঙ্গীদের জীবনের মূল্য ঠিক কতখানি জানা নেই আমার। ওদের প্রাণের বিনিময়ে প্যাকেটটা ফেরত দিতে রাজি আছেন কিনা ভেবে দেখুন দুই মিনিট। প্যাকেটটা আমার হাতে তুলে দিলে ছেড়ে দেব আমি ওদের। যদি না দেন, এক্ষুণি হুকুম দেব আমি ওদের গুলি করে মেরে ফেলার জন্যে। বিশ্বাস করুন, ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা করছি না আমি। যা বলছি ঠিক তাই করব আমি দুই মিনিট পর।’

    এই অপ্রত্যাশিত প্রস্তাবে মনে মনে চমকে গেল রানা। ও আশা করেছিল ওর উপর নির্যাতন চালানো হবে, কিন্তু হঠাৎ মোড় ঘুরিয়ে যে বাতিস্তা আর ওস্তাদের উপর আক্রমণ করে বসবে সিলভিও, এটা কল্পনাও করতে পারেনি। যত গুরুত্বপূর্ণ তথ্যই হোক, তার জন্যে দু’জন নির্দোষ লোকের প্রাণ নিতে দেবে না রানা এদের। কিন্তু আগে জানা দরকার ধোঁকা দিচ্ছে কিনা।

    ‘আপনার কথায় বিশ্বাস কি?’ প্রশ্ন তুলল রানা। ‘আমি কি করে জানব যে ওই দু’জন সত্যিই আপনার হাতে বন্দী হয়েছে? কি করে জানব যে সত্যি মারা গেছে অনিল চ্যাটার্জী? আমার সঙ্গীদের সাথে দেখা করবার আগে তো আমি কোন অবস্থাতেই দিতে পারি না ওটা আপনার হাতে। তাছাড়া দিলেই যে আপনি ওদের ছেড়ে দেবেন, তার কি নিশ্চয়তা?’

    এতক্ষণে হাসি ফুটল সিলভিওর মুখে।

    ‘নিশ্চয়তার ব্যবস্থা করা যাবে। ওদের সাথে আপনার দেখা হওয়ারও ব্যবস্থা করছি। কিন্তু মনে রাখবেন, সিনর মাসুদ রানা, প্যাকেটটা না দিলে ওদের মরা মুখ দেখতে হবে আপনার। চলুন আমার সাথে। পথে কোন রকম গোলমাল করে লাভ নেই, পালাতে পারবেন না। যদি আমাদের হাত থেকে ছুটে বেরিয়ে যাওয়া আপনার পক্ষে সম্ভব হয়ও, জেনে রাখবেন সঙ্গে সঙ্গেই মৃত্যু ঘটবে আপনার দুই সঙ্গীর।’

    ‘পালাব না আমি,’ বলল রানা। ‘কোথায় আছে ওরা?’

    ‘কাছেই।’ লুইসার দিকে ফিরল সিলভিও। ‘তোমার আসার দরকার নেই, লুইসা। আমার কথা আমি রেখেছি। জীবনে কোনদিন এতখানি ধৈর্য ধরতে দেখোনি নিশ্চয়ই তুমি আমাকে? কিন্তু এর পরেও যদি সিনর মাসুদ রানা কোন রকম গোলমাল করবার চেষ্টা করে তাহলে দাঁত বেরিয়ে পড়বে আমার, আসল রূপ বেরিয়ে আসবে। সেটা তোমার দেখার দরকার নেই। যতটা সহ্য করেছি তার বেশি সহ্য করা আমার পক্ষে সম্ভব নয়, তুমি জানো। কাজেই আমরা বেরিয়ে যাওয়ার সাথে সাথেই হোটেলে ফিরে যাবে তুমি।’ রানার দিকে ফিরল, ‘চলুন সিনর। আমি সত্যি বলছি, না মিথ্যে বলছি দেখুন এসে নিজ চোখে।’

    দরজা দিয়ে বেরিয়ে গেল সিলভিও। পিছন পিছন চলল রানা। তার পিছনে রিভলভার হাতে ওড্ডি, গীয়ান আর পপিনি।

    হলরূমের মাঝামাঝি এসে থমকে দাঁড়াল সিলভিও। তড়াক করে লাফ দিল রানার বুকের ভিতর কলজেটা। একটা দুটো হার্টবিট মিস হয়ে গেল। সন্দিগ্ধ দৃষ্টিতে ঘরের চারপাশে চোখ বুলাল সিলভিও।

    ‘দাঁড়াও এক মিনিট!’ ধূর্ত হাসি ফুটে উঠল সিলভিওর ঠোঁটে। ‘এত সবের কোন দরকার না-ও পড়তে পারে। মন্দির থেকে এই বাড়ি পর্যন্ত ওড্ডির চোখে চোখে ছিলেন আপনি, প্যাকেটটা কোথাও লুকোবার সুযোগ ছিল না আপনার। কিন্তু এই হলরুমে কয়েক সেকেণ্ড আপনি একা ছিলেন। সেই কয়েক সেকেণ্ডের মধ্যে ওটা এই ঘরেই কোথাও লুকিয়ে রাখা অসম্ভব নয়। আপনার কাছে যখন নেই, ওটা এ ঘরেই কোথাও লুকিয়ে রেখেছেন ধরে নেয়াটা খুব একটা অযৌক্তিক কিছু হবে না। কি বলেন?’

    বুকের ভিতর ধড়াশ ধড়াশ শুরু হয়ে গিয়েছে রানার। টের পেল ফ্যাকাসে হয়ে যাচ্ছে মুখটা রক্ত সরে গিয়ে। কিন্তু অসাধারণ মানসিক শক্তি বলে মুখের চেহারাটা ঠিক রাখল সে।

    ‘খামোকা খোঁজাখুঁজি করে লাভ নেই, সিনর,’ বলল রানা, ‘সত্যি কথা বলতে কি, ভিড়ের মধ্যে আমার এক বন্ধুর পকেটে পুরে দিয়েছি আমি ওটা। আপনার স্যাঙাত্রা কেউ দেখতে পায়নি। আমার সঙ্গী দু’জনকে মুক্তি না দিলে ওটা পাওয়ার কোন সম্ভাবনাই নেই আপনার। দেরি না করে চলুন সেখানে যাওয়া যাক।’

    ঝট করে ফিরল সিলভিও ওড্ডির দিকে।

    ‘তোমাদের অলক্ষে ওটা পাচার করা সম্ভব ছিল এর পক্ষে?’ একটু ইতস্তত করে মাথা ঝাঁকিয়ে সায় দিল ওড্ডি। ‘ছিল। ভিড়টা খুব ঘন ছিল। চোখের আড়াল করিনি ঠিকই, কিন্তু আমরা শুধু এর কাঁধ পর্যন্ত দেখতে পাচ্ছিলাম। হাত দেখতে পাইনি। নিচ দিয়ে কারো হাতে ওটা দিয়ে দেয়া এর পক্ষে অসম্ভব ছিল না।’

    ‘খুবই ধূর্ততার সাথে কাজটা করেছেন, সিনর মাসুদ রানা, কাষ্ঠ হাসি হেসে বলল সিলভিও। ‘কিন্তু তাতে অবস্থাটা এমন কিছুই পরিবর্তিত হচ্ছে না। প্যাকেটটা আপনার বন্ধুর কাছ থেকে সংগ্রহ করে আমার হাতে তুলে দেবেন আপনি।’

    হাঁফ ছাড়ল রানা। ‘তা দেব, কিন্তু তার আগে আপনার কথার সত্যতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে আমাকে।’

    ‘তা ঠিক, ওদের দেখা পাবেন আপনি অল্পক্ষণের মধ্যেই। আবার একবার ঘরের চারদিকে চোখ বুলাল সিলভিও। মৃদু হেসে চাইল রানার চোখে। ‘তবে এই ভিড়ের মধ্যে বন্ধুর পকেটে পুরে দেয়ার কাহিনীটা আপনার উর্বর মস্তিষ্কের ফসলও হতে পারে। তাছাড়া আর কি কারণ থাকতে পারে হঠাৎ এ গল্প শোনাবার? আমার মনোযোগ অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেয়ার প্রয়াস হিসেবেও ধরতে পারি আমি ব্যাপারটা। কাজেই আমার মনে হয় রওনা হবার আগে আমাদের একবার এই ঘরটা পরীক্ষা করে দেখা দরকার।’ গীয়ানের দিকে ফিরল। ‘এক পা এদিক ওদিক নড়লে গুলি করবে।’ এবার ওড্ডি আর পপিনিকে আদেশ করল, ‘দেখো খুঁজে পাওয়া যায় কি না। বেশি সময় পায়নি ও। চট করে লুকিয়ে রাখা যায় এমনি কোন জায়গায় পেয়ে যাবে ওটা খুব সম্ভব। সাধারণ কোন জায়গায়। নাও, শুরু করো।’

    হাল ছেড়ে দিল রানা। ভাগ্য অপ্রসন্ন। চেষ্টার ত্রুটি করেনি সে।

    এক্ষুণি খুঁজে পাবে ওরা ওটা। বাতিস্তা আর ওস্তাদের কি হবে তা হলে? ওর নিজের ভাগ্যেই বা কি আছে? এই তিনজনের মুখ চিরতরে বন্ধ করে দেয়ার ব্যবস্থা হবে? নাকি মাল পেয়ে ছেড়ে দেবে ওদের? কি করবে?

    আশ্চর্য দক্ষতার সাথে হলঘরের দু’পাশ থেকে খুঁজতে খুঁজতে মাঝখানে আসছে ওড্ডি আর পপিনি। তামার ফুলদানীটার খুব কাছে চলে এসেছে ওড্ডি। প্রতিযোগীর ঘোড়ার মুখে ভুল করে মন্ত্রী চেলে দাবা খেলোয়াড় যেমন বোর্ডের অন্যদিকে চেয়ে আল্লাকে ডাকে, নিছক ইচ্ছাশক্তির বলে প্রতিযোগীর মনোযোগ অন্যদিকে ফেরাবার চেষ্টা করে, রানার অবস্থা অনেকটা সেই রকম হলো। অন্যদিকে চেয়ে থাকার চেষ্টা করল সে, কিন্তু আড়চোখে ওড্ডির কার্যকলাপ লক্ষ না করেও পারছে না।

    হঠাৎ ফুলদানীটা হাতে তুলে নিল ওড্ডি। ধড়াশ করে উঠল রানার বুক। মন্ত্রমুগ্ধের মত চেয়ে দেখল সে, ভিতরে হাত ঢুকাল ওড্ডি, তারপর মুখটা উল্টো করে ঝাঁকি দিল। কিছুই বেরোল না ওটার মধ্যে থেকে।

    তাজ্জব হয়ে গেছে রানা, দুই চোখে ওর অবিশ্বাস।

    সত্যিই, কিচ্ছু নেই তামার ফুলদানীর ভিতর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৬৩-৬৪ – গ্রাস
    Next Article মাসুদ রানা ০৩৩ – বিদেশী গুপ্তচর – ১

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }