Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০৩৪ – বিদেশী গুপ্তচর – ২

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প154 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    বিদেশী গুপ্তচর – ২.৩

    তিন

    পাঁচ মিনিট তন্ন তন্ন করে খোঁজার পর ওড্ডি ঘোষণা করল, ‘এঘরে নেই ওটা।’

    কাঁধ ঝাঁকাল সিলভিও।

    ‘থাকাটা অসম্ভব ছিল না। যাই হোক, খুঁজে দেখায় কোন ক্ষতি হয়নি আমাদের। এবার তাহলে আপনার সেই বন্ধুর কাছে দেয়ার কথাটা সত্য বলে ধরে নেয়া যায়, কি বলেন?’

    শুকিয়ে আসা ঠোঁট ভিজাল রানা জিভের ডগা দিয়ে। পরিষ্কার বুঝতে পারছে গ্যাড়াকলে ফেঁসে গেছে সে এবার। প্যাকেটটা ফিরিয়ে না দিলে যে বাতিস্তা আর স্টেফানো মন্টিনিকে গুলি করে মারা হবে তাতে কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু গেল কোথায় ওটা। কে নিল? ওড্ডি? শোবার ঘরে ঢোকার বেশ কিছুক্ষণ পরে এসে হাজির হয়েছিল ওড্ডি। হলরূমে ঢুকে প্যাকেটটা খুঁজে বের করে নেয়া সম্ভব ছিল ওর পক্ষে। ঘোড়া ডিঙিয়ে ঘাস খেতে চাইছে লোকটা? প্যাকেটটা গাপ করে দিয়ে নিজে কিছু টাকা হাতাবার তাল করেছে? তাই হবে। ও ছাড়া আর কে নিতে পারে প্যাকেটটা?

    ‘চলুন, রওনা হওয়া যাক, সিনর মাসুদ রানা,’ বলল সিলভিও। ‘আপনার সহকর্মীদের সাথে দেখা করার পর আপনার সেই বন্ধুর কাছ থেকে নিয়ে আসবেন প্যাকেটটা।’

    ‘দাঁড়ান,’ বলল রানা চট করে। বুঝতে পারছে সে ওড্ডি যদি প্যাকেটটা নিয়ে থাকে, আর একবার এই বাড়ির বাইরে কোথাও লুকিয়ে রাখবার সুযোগ পায়, তাহলে ও যে নিয়েছে তা প্রমাণ করবার উপায় থাকবে না আর। এখন একমাত্র উপায় হচ্ছে প্যাকেটসহ ওকে হাতে-নাতে ধরা। নইলে আশা-ভরসা সব যাবে।

    ‘কি ব্যাপার?’ অসহিষ্ণু কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল সিলভিও।

    ‘বন্ধুর কাছে দেয়ার গল্পটা বানানো,’ বলল রানা। ‘আপনি ঠিকই সন্দেহ করেছিলেন, এই ঘরেই লুকিয়ে রেখেছিলাম আমি প্যাকেটটা।’

    কথাটা বলতে বলতে ওড্ডির মুখের ভাব লক্ষ করল রানা। কিন্তু ওর কঠোর মুখে কিঞ্চিৎ বিস্ময়ের আভাস ছাড়া আর কিছুই লক্ষ করা গেল না।

    ‘আশ্চর্য!’ তাজ্জব চোখে চাইল সিলভিও রানার মুখের দিকে। ‘হঠাৎ এই অসময়ে কথাটা আমাকে বলে দিচ্ছেন কেন? স্বেচ্ছায় আপনার দর কষাকষির ক্ষমতা হারাচ্ছেন আপনি, সিনর মাসুদ রানা। এখুনি পেয়ে গেলে আপনার সঙ্গীদের ছেড়ে নাও দিতে পারি, এই সন্দেহ আসছে না আপনার মনে?’

    ‘আসছে। কিন্তু তাতে কিছুই যায় আসে না। প্যাকেটটা খুইয়ে ফেলেছি আমি। এই ঘরে ঢোকার সাথে সাথে ওই দরজার নিচে আলো দেখে প্যাকেটটা আমি এই তামার ফুলদানীতে রেখে দিয়েছিলাম।’

    ভুরু কুঁচকে ফুলদানীটার দিকে চাইল সিলভিও, তারপর চাইল ওড়ির দিকে। লম্বা পা ফেলে এগিয়ে গেল ওড্ডি। ফুলদানীটা আবার হাতে তুলে নিয়ে ভিতরটা দেখল, তারপর উপুড় করে ঝাঁকি দিল বার কয়েক।

    সবাই বুঝতে পেরেছে, তবু অনর্থক বলল ওড্ডি, ‘কিছুই নেই এর ভেতর।’

    ‘সময় নষ্ট করবার কৌশল খাটিয়ে যাচ্ছেন আপনি একটার পর একটা,’ অনুযোগের সুরে বলল সিলভিও। ‘এতে কি লাভ আশা করছেন আপনি আমার জানা নেই। আমি বিরক্ত হয়ে উঠছি ক্রমে। আপনি কি আশা করছেন যে আপনার বন্ধুরা এসে উদ্ধার করবে আপনাকে? কেন বিশ্বাস করছেন না আমার কথা? আমি তো বলছি ওরা আমার হাতে বন্দী, প্রমাণ দিতে নিয়ে চলেছি আপনাকে, তবু কেন…’

    ‘ওটা আমি এই ফুলদানীর ভেতর রেখেছিলাম,’ শান্ত কণ্ঠে বলল রানা। ‘আমরা যখন শোবার ঘরে কথা বলছিলাম তখন সরিয়েছে ওটা কেউ। আপনারা ওই ঘরের মধ্যেই ছিলেন, কাজেই আপনাদের পক্ষে ওটা হাতানো সম্ভব ছিল না। কিন্তু একজন আছে যে সবার পরে ঘরে ঢুকেছিল, এই হলঘরে একা থাকবার সুযোগ পেয়েছিল। সে হচ্ছে এই লোকটা।’ ওড্ডির দিকে ইঙ্গিত করল রানা মাথা ঝাঁকিয়ে।

    আড়ষ্ট হয়ে গেল ওড্ডি। ভয়ঙ্কর হিংস্র হয়ে উঠল ওর মুখটা। ঠোঁট দুটো সরে গেছে দাঁতের উপর থেকে। দুই চোখে গোক্ষুরের বিষ।

    শোবার ঘর থেকে বেরিয়ে এল লুইসা। বিস্মিত দৃষ্টিতে বোঝার চেষ্টা করল এতক্ষণ এই ঘরে কি করছে লোকগুলো। এগিয়ে এল কয়েক পা।

    ‘দেখুন, সিনর মাসুদ রানা,’ কটমট করে চাইল সিলভিও রানার চোখে, ‘বড় বিপজ্জনক খেলা খেলছেন আপনি। আমার দলের লোকের মধ্যে সন্দেহ ঢুকিয়ে গোলমাল পাকাবার চেষ্টা করে কোন লাভ হবে না। এসব অনেক পুরানো কৌশল। পচে গেছে। আপনার সঙ্গীদের কাছে যাচ্ছি আমরা এখন, ওখানে আপনার মুখ দিয়ে কি করে সত্যি কথাটা বের করতে হবে জানা আছে আমার। চলুন।’

    রানার মেরুদণ্ডের উপর রিভলভারের নল দিয়ে খোঁচা দিল গীয়ান।

    ‘হাঁটো।’

    নড়ল না রানা। শান্ত কণ্ঠে আবার বলল, ‘কেউ নিয়েছে প্যাকেটটা। ওরই নেয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি। রওনা হওয়ার আগে ওকে একবার সার্চ করলে আপনিই উপকৃত হবেন। আমি বাজি রাখতে পারি, এক্ষুণি ওকে সার্চ করলে পেয়ে যাবেন প্যাকেটটা।’

    বিদ্যুৎগতিতে এগিয়ে এল ওড্ডি দুই পা, ঠাশ করে প্রচণ্ড এক চড় মারল রানার গালে। মার খেয়ে এক পা পিছিয়ে গেল রানা। রিভলভারটা ওর শিরদাঁড়ার উপর ঠেসে ধরে স্মরণ করিয়ে দিল গীয়ান গোলমাল করলে কি ঘটবে।

    ‘শুয়োরের বাচ্চা!’ রাগে হাঁপাচ্ছে ওড্ডি। আবার একটা প্রচণ্ড চড় তুলল।

    ‘থামো, ওড্ডি!’ ধমকে উঠল সিলভিও। কঠোর হয়ে উঠেছে ওর মুখটা। দুই চোখে সন্দেহ। অনিচ্ছা সত্ত্বেও সরে গেল ওড্ডি। ‘আপনার অনুযোগের গুরুত্ব উপলব্ধি করতে পারছেন, সিনর? আপনার এ নালিশ মিথ্যে প্রমাণ হলে বড়ই দুঃখজনক ঘটনা ঘটবে আপনার কপালে। তখন আর ওকে বারণ করতে পারব না আমি, বারণ করবও না।’

    ‘অত বকর বকর না করে সার্চ করে দেখো ওকে,’ বলল রানা। ‘গাধামি কোরো না। ওকে বিশ্বাস করতে যাবে কেন তুমি? ও যদি মনে করে প্যাকেটটা গায়েব করে দিয়ে কিছু ফালতু টাকা রোজগার করা যাবে, আমি তো বুঝি না তাহলে কেন ওটা তোমার হাতে তুলে দেবে ও।’

    সতর্ক দৃষ্টিতে চাইল সিলভিও ওড্ডির দিকে। ওড্ডির তীব্র দৃষ্টিতে আক্রোশ- দাঁতে দাঁত চেপে কটমট করে চেয়ে রয়েছে রানার চোখের দিকে।

    ‘প্যাকেটটা কি তোমার কাছে, ওড্ডি?’ মোলায়েম কণ্ঠে প্রশ্ন করল সিলভিও।

    ‘না। মিথ্যে কথা বলছে শুয়োরের বাচ্চা! দেখুন না, নিজের চোখেই দেখুন।’

    ক্ষোভে দুঃখে একটার পর একটা পকেট উল্টে দেখাতে শুরু করল ওড্ডি। রাগে বিকৃত হয়ে গেছে ওর চেহারা। পকেট থেকে টুকিটাকি জিনিস বের করে ফেলতে শুরু করল মেঝের উপর।

    সব পকেট দেখা হয়ে গেলে রানার দিকে ফিরল সিলভিও।

    ‘এবার আর কিছু বলার আছে?’

    ‘বেল্টের নিচে, প্যান্টের ভাঁজে, কিংবা শরীরের আর কোথাও লুকানো থাকতে পারে।’ কথাটা বলল বটে, কিন্তু গলায় তেমন জোর পেল না রানা।

    ‘খুঁজে দেখো।’ পপিনিকে আদেশ করল সিলভিও।

    যথেষ্ট ভদ্রতা ও সংকোচের সাথে, যেন বাঘের গায়ে হাত দিচ্ছে এমনি ভঙ্গিতে ওড্ডির সারা শরীর সার্চ করল পাপিনি, তারপর সরে দাঁড়াল।

    ‘কিছুই নেই।’

    ‘এবার? আর কিছু?’ ক্রোধ দেখতে পেল রানা সিলভিওর চোখে।

    ‘আশেপাশে কোথাও লুকিয়ে রেখে থাকতে পারে,’ বলল রানা কণ্ঠস্বরটা স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে।

    ‘আপনার তাই মনে হচ্ছে, তাই না?’ হাসির চেষ্টা করল সিলভিও, কিন্তু সেটা মুখ ভেংচানোর মত দেখাল। ‘আমার কি মনে হচ্ছে জানেন? আমার মনে হচ্ছে তুমি একটা তৃতীয় শ্রেণীর গর্দভ। মিথ্যেবাদী কোথাকার?’ রাগে হাত দুটো কাঁপতে শুরু করেছে সিলভিওর। ‘আমার ভদ্রতাকে তুমি মনে করেছ দুর্বলতা। লুইসার অনুরোধে আমি চেয়েছিলাম ব্যাপারটা অপ্রীতিকর কোন ঘটনা ছাড়াই নিষ্পত্তি হোক। কিন্তু বীচিতে গুঁতো না দিলে বলদ সোজা হয় না। আমার আর কিছুই করবার নেই।’ ওড্ডির দিকে ফিরল সিলভিও। ‘ওড্ডি, যা ভাল বুঝবে তাই করবে তুমি, আমার আর কিছুই বলার নেই। হোটেলে চললাম আমরা। যেমনভাবে পারো, দুই ঘণ্টার মধ্যে পৌঁছে দেবে ওটা আমার কামরায়।

    ‘ঠিক আছে,’ বলল ওড্ডি দাঁতে দাঁত চেপে। ‘দু’ঘণ্টার মধ্যেই পাবেন ওটা।

    খপ করে লুইসার হাত ধরল সিলভিও, টান দিয়ে নিয়ে গেল দরজার কাছে। দরজাটা খুলে পিছন ফিরে চাইল রানার দিকে। রাগটা সামলে নিয়েছে অনেকটা।

    ‘আমার সাথে গোলমাল ভারত সরকারের- তুমি বিদেশী গুপ্তচর, মাঝখান দিয়ে এর মধ্যে নোংরা নাকটা না গলালেই পারতে। এখন তোমাকে নিয়ে যাওয়া হবে তোমার সঙ্গীদের কাছে। ওখানে প্যাকেটটা ফেরত দিতে বাধ্য করা হবে তোমাকে। তারপর…’ কথাটা শেষ না করেই মাথা ঝাঁকাল সিলভিও। ‘চলি। খুব সম্ভব আর কোনদিন দেখা হচ্ছে না আমাদের।’

    ‘দেখা না হওয়াটাই তোমার জন্যে মঙ্গল হবে,’ বলল রানা।

    কাঁধ ঝাঁকাল সিলভিও।

    ‘অমন বড়াই আগেও বহুবার শুনেছি আমি। কান পচে গেছে শুনতে শুনতে। গুডবাই।’

    চলে গেল সিলভিও লুইসাকে টেনে নিয়ে। দড়াম করে বন্ধ হয়ে গেল দরজা।

    .

    ঘেটো নুয়োভোর পিছনে একটা অন্ধকার বাড়ির সামনে এসে থামল গনডোলা। একটিও বাতি নেই। নিঝুমপুরী। দেখলেই বোঝা যায় বহু পুরানো আমলের বাড়ি। মনে হয় এখুনি হুড়মুড় করে ধসে পড়বে ঘাড়ের উপর।

    গনডোলা বেঁধে ফেলল পপিনি ঝটপট। শিরদাঁড়ার উপর রিভলভারের খোঁচা দিল গীয়ান।

    ‘নামো!’

    ওডিড নেমে পড়েছে আগেই। পারে উঠে এল রানা পপিনির পিছন পিছন। চট করে ডাইনে বাঁয়ে চাইল সে একবার। খালটা ঘুটঘুটে অন্ধকার, কিচ্ছু দেখা যাচ্ছে না, কিন্তু ওর তীক্ষ্ণ কান কাছাকাছিই কোথাও ছপাৎ করে দাঁড় ফেলার শ পেয়েছে। একটা গনডোলা আসছে এইদিকেই।

    শব্দটা ওড্ডির কানেও গেছে। কোন গোলমাল করবার আগেই খপ করে রানার হাত ধরে টেনে নিয়ে গেল সে বাড়ির ভিতর। ভ্যাপসা একটা দুর্গন্ধ এল রানার নাকে। অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছে না।

    ভিতরে ঢুকে দরজা বন্ধ করে দিল গীয়ান বা পপিনি। পাঁজরের উপর রিভলভারটার উপস্থিতি অনুভব করল রানা আবার।

    দেয়াল হাতড়ে একটা তাক থেকে মোমবাতি নিয়ে জ্বালল ওড্ডি। সরু একটা প্যাসেজ ধরে এগোল ওরা। কিছুদূর গিয়ে দরজা। দরজাটা খুলতেই সিঁড়ি দেখা গেল। নোংরা সিঁড়ি বেয়ে নামতে শুরু করেছে ওডি I

    পিছন থেকে ঠেলা খেয়ে নামতে বাধ্য হলো রানাও। বড়সড় একটা স্যাঁৎসেঁতে ঘর। তিনটে মোমবাতির আলোয় ম্লানভাবে আলোকিত।

    দেয়ালের গায়ে পিঠ দিয়ে মেঝের উপর বসে আছে বাতিস্তা আর ওস্তাদ স্টেফানো মন্টিনি। হাত-পা শক্ত করে বাঁধা।

    ওদের দিকে চেয়েই মনটা দমে গেল রানার। ও আশা করেছিল এদের ব্যাপারে মিথ্যে কথা বলেছে সিলভিও, কিন্তু নিজের চোখে দেখে স্পষ্ট বুঝতে পারল কি বিচ্ছিরি প্যাচে পড়ে গেছে সে। প্যাকেটটা ফেরত না দিলে ওর সামনেই হত্যা করা হবে এদের। অথচ…

    ‘এই যে, সিনর! কি নাম যেন তোমার, তোমাকেও ধরে এনেছে? ছি ছি ছি ছি. জখম কোথায়? বিনা জখমেই আস্ত লোকটাকে ধরে ফেলল! কোন্ ইয়ারে পাস করেছ?’

    ‘অনিলের খবর কি, ওস্তাদ?’

    রানা দেখল, লাল হয়ে আছে ওস্তাদের টাক, মাথার একপাশে গভীর ক্ষতচিহ্ন। গালে একটা লম্বা চেরা দাগ, টপ টপ রক্ত ঝরছে সেখান থেকে জ্যাকেটের উপর! বাম বাহুর কনুইয়ের কাছে চিরে ফাঁক হয়ে আছে ইঞ্চি তিনেক জায়গা, মেঝেতে জমে আছে রক্ত, আরও জমছে।

    বাতিস্তার অবস্থাও তেমন সুবিধের নয়। একটা চোখ বুজে গেছে মার খেয়ে, কালো হয়ে আছে জায়গাটা। কপালে কাটা চিহ্ন- খুব সম্ভব এই আঘাতেই জ্ঞান হারিয়েছিল ও। কাপড়টা ছিঁড়ে গেছে জায়গায় জায়গায়, গা দেখা যাচ্ছে, সেখানে আঁচড়ের দাগ।

    ছেলেটাকে বাঁচানো গেল না হে,’ বলল ওস্তাদ। ‘নৌকোটা উল্টে দিল ব্যাটারা, ডুবে গেল। চেষ্টা করলাম, কিন্তু তুলতে পারলাম না।

    ‘চোপ রাও!’ দ্রুত কয়েক পা এগিয়ে গেল ওড্ডি। দড়াম করে ওস্তাদের পাঁজরের উপর কষাল প্রচণ্ড এক লাথি। ব্যথায় কুঁকড়ে শুয়ে পড়ল ওস্তাদ একপাশে।

    ‘খুব জোরে মারে তো ছেলেটা!’ মুখ বিকৃত করে হাঁপাতে হাঁপাতে বলল ওস্তাদ, ‘কোন্ ইয়ারে পাস করেছ?’ আবার লাথি তুলেছিল ওড্ডি, থেমে গেল রানার অস্বাভাবিক চিৎকার শুনে।

    ‘খবরদার, ওড্ডি! বুড়ো মানুষটাকে মেরো না ওভাবে!’

    রানার তীক্ষ্ণ কণ্ঠস্বরে এমন কিছু ছিল যে থমকে গেল ওড্ডি। কিন্তু ওর অসহায় অবস্থা দেখে ফিরে এল সাহস।

    ‘মারলে কি করবে তুমি, শুনি?’

    ‘তোমাকে মেরে মরব। গুলি করেও ঠেকাতে পারবে না আমাকে।’

    একটা চেয়ার এনে ঘরের মাঝখানে রাখল পপিনি, হুকুম করল, ‘বসো এখানে।’

    রিভলভারের গুঁতো খেয়ে বসে পড়ল রানা। ওড্ডির ইঙ্গিতে রানার দুই হাত চেয়ারের পিছনে নিয়ে বেকায়দা ভঙ্গিতে চেপে ধরল পপিনি। দড়াম করে লাথি মারল ওড্ডি ওস্তাদের ভুঁড়ির উপর। তারপর রানার দিকে ফিরে হাসল।

    অসহায়ভাবে গড়াগড়ি খাচ্ছে মেঝেয় স্টেফানো মন্টিনি। গ্যাজলা বেরিয়ে এসেছে মুখ দিয়ে।

    পাগলের মত টানা-হেঁচড়া করল রানা, কিন্তু সাঁড়াশীর মত চেপে ধরে আছে পপিনি, ছাড়ানো গেল না ওর হাত। দাউ দাউ করে জ্বলল রানার চোখ। পরোয়া করল না ওড্ডি, এগিয়ে এসে দাঁড়াল রানার সামনে। চাপা উল্লাস ওর চোখেমুখে প্রতিহিংসার সুযোগ পেয়ে।

    ‘আমাকে ফাঁসাবার চেষ্টা হচ্ছিল, না?’ মোলায়েম কণ্ঠে বলল ওড্ডি। ‘আমিই চুরি করেছি প্যাকেটটা, তাই না? ওটা কোথায় আছে দেখাচ্ছি তোমাকে।’ হিপ পকেট থেকে একটা ময়লা গ্লাভ বের করে ডান হাতে পরল ওড্ডি। আঙুলগুলো বার কয়েক খুলল এবং বন্ধ করল। তারপর মুঠি পাকাল।

    নিরাসক্ত দৃষ্টিতে চেয়ে রইল রানা। যেন বুঝতে পারেনি কি ঘটতে চলেছে। কিন্তু ভিতর ভিতর তৈরি হয়ে গেছে সে। শরীর নড়াতে পারছে না ঠিকই, কিন্তু মাথাটা নড়াতে পারবে। ঘুসিটা কাটাবার জন্যে প্রস্তুত হয়ে অপেক্ষা করছে ও।

    ‘তোমাকে খানিক মেরামত করা হবে এখন,’ শান্ত কণ্ঠে বলল ওড্ডি। ‘এই রকম…’

    সাঁই করে ঘুসি চালাল ওড্ডি। বিদ্যুৎ বেগে সরে গেল রানা বাম পাশে, ইঞ্চি দেড়েক। কানের পাশ দিয়ে বেরিয়ে গেল ঘুসিটা। ভারসাম্য হারিয়ে সামনে ঝুঁকে এল ওড্ডি। এক পায়ের হাঁটু দিয়ে ওর তলপেটে গুঁতো মারল রানা, অপর পায়ে লাথি মারল ওর পায়ের গোড়ালিতে। ছিটকে বাতিস্তার পায়ের কাছে পড়ল ওড্ডি। প্রাণপণে জোড়া পায়ে লাথি চালাল বাতিস্তা। জায়গামত পড়লে ঘণ্টাখানেকের মধ্যে ঘুমিয়ে যেত ওড্ডি, কিন্তু শরীর বাঁকিয়ে মুখটা সরিয়ে নিল সে, লাথিটা পড়ল ওর বুকের উপর, মেঝের উপর গড়িয়ে চলে গেল সে চার-পাঁচ হাত। ওড্ডির সুবিধের জন্যে একটু দূরে সরে গিয়েছিল গীয়ান, এক লাফে চলে এল কাছে, রিভলভারের ব্যারেল দিয়ে মারল রানার চোয়ালের উপর। মুখটা সরিয়ে নেয়ার চেষ্টা করল রানা, তাতে আঘাতের পরিমাণ কমল কিছুটা, কিন্তু তবু যতটা লাগল তাতেই বোঁ করে ঘুরে উঠল ওর মাথা। আবছা ভাবে অনুভব করল উঠে দাঁড়াচ্ছে ওড্ডি। অনর্গল গালি বেরোচ্ছে ওর মুখ থেকে।

    বাঘের মতো ঝাঁপিয়ে পড়ল ওড্ডি রানার উপর। চুল ধরে মুখটা উঁচু করল, নাক-মুখ ভর্তা করে দেয়ার জন্যে প্রকাণ্ড এক ঘুসি তুলল। কিন্তু খপ্ করে ধরে ফেলল গীয়ান ওর হাতটা।

    ‘এখন না, পরে।’ বলল গীয়ান। ‘ওর বন্ধুর সাথে দেখা করতে হবে ওকে। এখনই জখম করা ঠিক হবে না, দোস্ত।

    এক ঝটকায় হাতটা ছাড়িয়ে নিল ওড্ডি। পিছিয়ে গেল এক পা। জ্বলছে চোখ দুটো, মুখটা খুলছে আর বন্ধ হচ্ছে। সামলে নেয়ার চেষ্টা করল কয়েক সেকেণ্ড, তারপর মনে হলো গীয়ানের বক্তব্যের অর্থ বুঝতে পারল সে, ঝট করে পিছন ফিরল নিজেকে নিবৃত্ত করবার জন্যে।

    ‘প্যাকেটটা ফেরত দিচ্ছ?’ কানের কাছে মোলায়েম কণ্ঠে বলল গীয়ান।

    মাথাটা ঘুরছে এখানো, কিন্তু তারই মধ্যে পরিষ্কার বুঝতে পারল রানা, ও যে জানে না প্যাকেটটা কোথায় একথা বিশ্বাস করবে না এরা। শোল্ডার হোলস্টার থেকে একটা রিভলভার বের করে ফেলেছে ওড্ডি। বাতিস্তার দিকে তাক করে ধরল সেটা। ওর চোখের দিকে চেয়ে পরিষ্কার বুঝতে পারল রানা, ওর একটি মুখের কথার উপর নির্ভর করছে বাতিস্তার বাঁচা আর মরা। ‘না’ বলার সাথে সাথেই গুলি করবে ওড্ডি।

    যে করে হোক সময় নিতে হবে এখন। আর কোন উপায় নেই।

    ‘ঠিক আছে,’ বলল রানা, ‘এনে দেব ওটা আমি।’

    কাছে এসে দাঁড়াল ওড্ডি। দাঁতে দাঁত চেপে বলল, ‘এই তো, লক্ষ্মী ছেলে। কোথায় আছে ওটা?’

    ‘সারাগাত হোটেলে উঠেছে আমার বন্ধু। ওখানেই আছে।’

    ‘কি নাম ওর?’

    ‘গামাল মুস্তাফা,’ বলল রানা অম্লান বদনে।

    পপিনির দিকে ফিরল ওড্ডি।

    ‘সারাগাত হোটেলে ফোন করে জেনে এসো এই নামে কোন লোক আছে কিনা।’

    সিঁড়ি বেয়ে উপরে উঠে গেল পপিনি। পায়চারি শুরু করল ওড্ডি। স্থির, নিষ্কম্প হাতে রিভলভার তাক করে ধরে দাঁড়িয়ে রইল গীয়ান পাথরের মূর্তির মত। পাঁচ মিনিটের মধ্যেই ফিরে এল পপিনি।

    ‘আছে। আজই সন্ধ্যায় উঠেছে ওই হোটেলে। ঘুমাচ্ছে নিজের ঘরে, তেমন জরুরী কিছু না হলে নাকি তাকে ডাকা যাবে না।’

    রানার দিকে ফিরল ওড্ডি।

    ‘প্যাকেটটা নিয়ে আসবে তুমি ওর কাছ থেকে। গীয়ান আর পপিনি যাবে তোমার সাথে। কোন রকম গোলমাল করলেই মারা যাবে এই দু’জন। আমি নিজ হাতে গুলি করব। বুঝতে পেরেছ?’

    ‘কঠিন কিছুই নেই এর মধ্যে। বুঝেছি।’

    ‘নিয়ে যাও একে,’ বলল ওড্ডি গীয়ানকে। ‘হোটেলের বাইরে অপেক্ষা করবে তোমরা। দশ মিনিটের মধ্যে ও যদি হোটেল থেকে না বেরোয় পপিনিকে পাঠিয়ে দেবে আমার কাছে। এদের খতম করে দিয়ে পরবর্তী প্ল্যানের কথা চিন্তা করা যাবে।’

    ‘চলো। উঠে পড়ো, চাঁদ।’ রিভলভার দিয়ে উঠে দাঁড়াবার ইঙ্গিত করল গীয়ান।

    উঠে দাঁড়াল রানা। টলে উঠল মাথাটা ঘুরে ওঠায়। সামলে নিয়ে ফিরল বাতিস্তা আর ওস্তাদের দিকে।

    ব্যাপারটা বুঝতে পেরেছে ওরা। অনিশ্চিত দৃষ্টিতে চেয়ে রয়েছে রানার মুখের দিকে। হঠাৎ হাসল ওস্তাদ। কাঁধ দিয়ে থুতনি চুলকে নিয়ে বলল, ‘আমাদের জন্যে ভেবো না, ক্যাপ্টেন। তোমার কাজ তুমি করে যাও।’

    ‘আমি ফিরে আসছি’ বলল রানা, কিন্তু গলায় তেমন জোর পেল না।

    দ্রুত চিন্তা করছে রানা সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠতে উঠতে। এখন একমাত্র ভরসা কোন সুযোগে এই দু’জনকে চমকে দিয়ে কাবু করে ফেলে ফিরে এসে ওড্ডিকে কাবু করা। কিন্তু কিভাবে? হোটেলে রেখে আসা পিস্তলটার কথা মনে এল রানার। কিন্তু যে জিনিস এই ট্যুরিস্ট ঠাসা শহরে ব্যবহার করতে পারবে না সে, সেটা থাকা না থাকা সমান কথা। সবচেয়ে বড় কথা, রানার ক্ষমতা সম্পর্কে মোটামুটি পরিষ্কার ধারণা হয়ে গেছে গীয়ানের, ওকে অবাক করে দেয়া, কিংবা অতর্কিতে কিছু করে পরাজিত করা এখন আর অত সহজ হবে না। সর্বক্ষণ সতর্ক রয়েছে সে। একবিন্দু আলগা করছে না শিরদাঁড়ার উপর রিভলভারের চাপ। ওটা যতক্ষণ ওই জায়গায় ঠেসে ধরা আছে ততক্ষণ আচমকা কিছু করে বসা ওর পক্ষে সম্ভব নয়।

    দরজার কাছে এসে পিছন থেকে রানার কলার চেপে ধরল গীয়ান, টেনে থামাল।

    ‘দাঁড়াও! পপিনি, দরজা ফাঁক করে আগে বাইরেটা দেখে নাও একবার।’

    এগিয়ে গেল পপিনি, আস্তে করে খুলল দরজা, বাইরেটা দেখে নিয়ে বলল, ‘ঠিক আছে। কেউ নেই।’

    ইতিমধ্যে একবার খেলে গেছে রানার মাথায় ঝট করে একপাশে সরে গিয়ে রিভলভারটা কেড়ে নেয়ার চেষ্টা করবে কিনা, কিন্তু কাজটা মান্ত্রক বিপজ্জনক হবে মনে করে আপাতত মুলতবী রেখেছে। কিন্তু স্থির করেছে রানা, গনডোলায় ওঠার সময় সুযোগ আসবে একটা। কোনভাবে নৌকোটা দুলে ওঠার সাথে সাথে যদি…

    তারাজ্বলা মুক্ত আকাশের নিচে চলে এসেছে ওরা, আর কয় পা গেলেই খালের পাড়, এমনি সময় চমকে উঠল রানা একটা পরিচিত কণ্ঠস্বর শুনে।

    ‘নড়েচ কি মরেচ! যে যেমন আচো ভেঁড়িয়ে থাকো! এটা আসল পেস্তল বাওয়া, খেলনা নয়।’

    পাঁই করে ঘুরল গীয়ান। সাথে সাথে ঠকাশ করে শব্দ হলো। চাপা একটা প্রায়-অস্ফুট আর্তনাদ বেরোল গীয়ানের মুখ থেকে। ছিটকে মাটিতে পড়ল রিভলভার। বাম হাত দিয়ে ডান হাতটা চেপে ধরেছে সে।

    দড়াম করে ওর সোলারপ্লেক্সাসে ঘুসি মারল রানা, কুঁজো হয়ে মাটিতে বসে পড়ল গীয়ান, তারপর এক লাথিতেই শুয়ে পড়ল সটান।

    পাথরের মূর্তির মত দাঁড়িয়ে আছে পপিনি। আর কিছু না বুঝুক, ‘পেস্তল’ কথাটার মানে সে ঠিকই বুঝেছে। দেয়ালের আড়াল থেকে বেরিয়ে এল গিলটি মিয়া।

    ‘এ শালার কপালে একটা আলু তুলে দোব, স্যার?’

    ‘না! দাঁড়াও!’ মাটি থেকে গীয়ানের রিভলভারটা তুলে নিতে নিতে বলল রানা।

    রানা জানে পপিনির কাছে রিভলভার আছে। এতক্ষণে বেরিয়ে পড়ত সেটা যদি না গিলটি মিয়ার খেলনা পিস্তলটাকে সে আসল পিস্তল বলে ভুল করত। টের পাওয়ার আগেই কাবু করতে হবে ওকে। সোজা হয়ে উঠে দাঁড়িয়ে ঘুরে দাঁড়াবার ইঙ্গিত করল রানা পপিনিকে। ভয়ে ভয়ে পিছন ফিরল পপিনি। ঠকাশ করে রিভলভারের বাঁট পড়ল ওর মাথার পিছনে। বিনা দ্বিধায় জ্ঞান হারাল সে। ধড়াশ করে মাটিতে পড়বার আগেই ওকে ধরে আস্তে করে শুইয়ে দিল রানা গীয়ানের পাশে। পকেট থেকে বের করে নিল রিভলভার।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০৬৩-৬৪ – গ্রাস
    Next Article মাসুদ রানা ০৩৩ – বিদেশী গুপ্তচর – ১

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }