Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০৬৩-৬৪ – গ্রাস

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প358 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গ্রাস – ১৫

    পনেরো

    পৌছুতে রানার বিকেল গড়িয়ে গেল। কাইনোক্সি উপত্যকা থেকে ফোর্ট ফ্যারেলের বাস স্টেশন ঘুরে আসতে হয়েছে ওকে ডিপো থেকে ড্রিলিং যন্ত্রপাতি গাড়িতে তুলে নেয়ার জন্যে।

    পৌঁছেই দেখল ও, ফ্যাসাদে পড়ে গেছে পারকিনসন করপোরেশন তাদের জেনারেটরগুলো নিয়ে। এসকার্পমেন্টের তলা দিয়ে পাওয়ার হাউজটাকে ঘুরে এগোবার সময় প্রায় অট্টহাসিতে ফেটে পড়ার উপক্রম করল রানা। প্রকাণ্ড একটা বিশ টনী ট্রাক একটা আর্মেচার নিয়ে নাকানিচোবানি খাচ্ছে কাদায় আটকে গিয়ে।

    ট্রাকটাকে ঘিরে কর্দমাক্ত শ্রমিকদের একটা দল গলদঘর্ম হচ্ছে, চিৎকার-চেঁচামেচির প্রতিযোগিতা চলেছে যেন তাদের মধ্যে। আরেকটা দল নুড়ি পাথর বয়ে নিয়ে এসে ফেলছে, তৈরি করার চেষ্টা করছে একটা রাস্তা। হাঁটু, কারও কারও কোমর পর্যন্ত, ডুবে গেছে কাদায়। মাত্র দুশো গজ দূরে পাওয়ার হাউজটা। কিন্তু এই কাদার উপর দুশো গজ রাস্তা তৈরি করা অসম্ভব বলেই মনে হলো রানার।

    গাড়ি থামিয়ে মজাটা দেখতে লাগল ও। লোকগুলোকে অহেতুক কষ্ট করতে দেখে একটু খারাপও যে লাগছে না তাও নয়। কিন্তু জেনারেটরগুলোকে এভাবে পাওয়ার হাউজে নিয়ে যেতে না পারলেও দিনের মজুরী এরা সবাই পাবে, সুতরাং সহানুভূতি অপাত্রে ঢালতে সায় দিল না মন। সময় এবং টাকা লোকসান যা হচ্ছে সবই পারকিনসনদের। রানা ভাবল, শীলার জন্যে এটা সুবিধেই বয়ে আনবে। সুইস গেট খুলতে আরও সময় লাগবে, বোঝাই যাচ্ছে, তার মানে কাইনোক্সি উপত্যকার শীলার অংশ এক হপ্তার মধ্যে ডুবছে না।

    আকাশের দিকে তাকাল রানা। দক্ষিণ প্রান্ত থেকে মিছিল করে আসছে কালো মেঘ। যদি বৃষ্টি হয়, পাড় থেকে মাটি ধসে পড়ে কাদার পরিমাণ দশ গুণ বাড়িয়ে দেবে।

    রাস্তা থেকে বাঁক নিয়ে এগিয়ে এল একটা জীপ, কাদার উপর ব্রেক কষে দাঁড়াল। দরজা খোলার সাথেই ছিটকে বেরিয়ে এল বাইরে বিগ প্যাট। ‘এখানে তোমার কি কাজ, শুনি?’

    ট্রাকগুলোর দিকে ইঙ্গিত করে হাসল রানা। উত্তরটা দিতে ইচ্ছা করেই দেরি করল একটু। ‘কোনও কাজ নেই, মজাটা দেখছি।’

    কালো হয়ে গেল বিগ প্যাটের মুখ। ‘এদিকে তোমাকে আমরা দেখতেই চাই না,’ দু‘কোমরে হাত রাখল সে। ভালয় ভালয় কেটে পড়ো।’

    ‘কিন্তু গাফ পারকিনসন? তিনিও কি চান না? তোমার সাথে বুঝি দেখা হয়নি তাঁর? কিংবা, বয়েডের মাধ্যমে তাঁর নির্দেশ এখনও বুঝি পাওনি?’

    রাগে দাঁতে দাঁত ঘষল বিগ প্যাট নিঃশব্দে। রানাকে এক হাত দেখাবার জন্যে ছটফট করছে সে, কিন্তু গাফ পারকিনসনের কথা ভেবে নিজেকে দমন না, করে উপায় দেখছে না।

    শান্তভাবে বলল রানা, তেড়িবেড়ি কিছু করলেই কড়া একটা চড়ের মত গাফ পারকিনসনের গালে এসে পড়বে কোর্ট অর্ডার। এবং তুমি দায়ী বলে তিনি তোমাকে নিশ্চয়ই কোলে তুলে সকাল-বিকেল দুই গালে চুমু খাবেন না। তার চেয়ে নিজের চরকায় তেল দাও গিয়ে, কাদা থেকে ট্রাকগুলোকে কিভাবে তুলতে পারো তার চেষ্টা করো। আবার বৃষ্টি এলে লেজে গোবরে জড়িয়ে পড়তে হবে।’

    ‘আবার…কি বললে?’ ভুরু কুঁচকে মারমুখো হয়ে উঠল বিগ প্যাট। ‘বৃষ্টি হতে কখন দেখলে তুমি?’

    ‘হয়নি বলছ? তাহলে কাদা এল কোত্থেকে?’ মুচকি হাসল রানা।

    ‘কোত্থেকে এল তা আমি কি করে বলব? ওখানেই ছিল আগে থেকে,’ হঠাৎ ব্যাপারটা ধরতে পারল বিগ প্যাট। ‘ঠাট্টা করছ আমার সাথে, না? বড় বাড় বেড়েছ তুমি, রানা। কিন্তু মনে রেখো, মি. গাফও তোমার শেষ দেখে ছাড়বেন। তিনি যখন

    খেপবেন কেউ তাকে ঠেকাতে পারবে না।’

    ‘তুমি আসলে কুয়ার ব্যাঙ, বিগ প্যাট,’ বলল রানা। হাসছে। ‘কিছুই জানো না। তোমাদের গাফকে খেপাবার জন্যেই তো আমি ফোর্ট ফ্যারেলে এসেছি। কিন্তু ‘মুশকিল হলো, খোঁচা খেয়েও হজম করছেন তিনি, নড়াচড়া করছেন না। শোনো তাহলে, আমার ভবিষ্যৎ কর্মসূচীটা তোমাকে শুনিয়েই দিই। খোঁচায় কাজ হবে না, বুঝতে পেরেছি। তাই এবার মার লাগাব। এ-মার কিন্তু হাতের মার নয়। হাতের মার তোমাদের জন্যে তুলে রেখেছি।’

    ‘ঠিক আছে,’ চরকির মত আধপাক ঘুরে জীপের দিকে ছুটল বির্গ প্যাট, ‘গিয়ে সব বলছি মি. বয়েডকে! তোমার গায়ের ছাল তুলবেন তিনি, দেখে নিয়ো!’

    পিছন থেকে হাসল শুধু রানা।

    হেলেদুলে রাস্তায় গিয়ে উঠল জীপটা, তারপর রাস্তা ধরে তীরবেগে ছুটে অদৃশ্য হয়ে গেল একটা বাঁকে। সেদিক থেকে দৃষ্টি ফিরিয়ে নিয়ে কাদার দিকে তাকাল রানা। ভাবছে। বোতাম টিপে দিয়েছে ও। মাত্র একটা। এখন দেখা যাক, বৈদ্যুতিক ধাক্কা কি প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

    স্টার্ট দিয়ে গাড়ি ছেড়ে দিল রানা। পাওয়ার হাউজ ছাড়িয়ে রাস্তায় পড়ে পাহাড়ের দিকে উঠতে শুরু করল। মাঝামাঝি উঠে গাড়ি থামিয়ে নামবে, এমন সময় এঞ্জিনের শব্দে থমকে গিয়ে পিছন দিকে তাকাল।

    ঝকঝকে একটা মাইক্রোবাস থামল জীপের পাশে। গম্ভীর চেহারা নিয়ে সেটা থেকে নামল লংফেলো। সাথে একটা পাহাড়-জ্যাক লেমন।

    ‘এখানে তোমরা কি মনে করে?’ জীপ থেমে নেমে জানতে চাইল রানা। ‘কারও ঘাড়ে বোঝা হবার ইচ্ছে নিয়ে নয়, এসেছি নিজের দায়িত্ব নিজের কাঁধে নিয়ে,’ গম্ভীর ভাবে জানিয়ে দিল লংফেলো।

    ‘আর তুমি?’ প্রশ্ন করল রানা।

    ‘লক্ষ লক্ষ ডলারের লোভ নেই বলে এতদিন গায়ে মাখিনি,’ বলল লেমন, ‘পারকিনসনরা অন্যায় ভাবে আমার মিস্ত্রী, খদ্দেরদের ভাগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। শুধু তাই নয়, আমার মিস্ত্রীদেরকে দিয়ে তারা গ্যারেজ থেকে স্পেয়ার পার্টস চুরি করায়, যাতে ব্যবসায় আমি লাল বাতি জ্বালাই। মুখ বুজে সহ্য করেছি এতদিন। কিন্তু যেই শুনলাম ওদের বিরুদ্ধে অন্তত একজন লোক কিছু করতে যাচ্ছে, অমনি ছুটে এসেছি। আমারও করার মত কিছু আছে। আমি যে বয়েডকে ভয় করি না এটা প্রকাশ করার সময় হয়েছে এখন।’

    ‘কিন্তু ওদের সাথে গায়ের জোরে তুমি পারবে কেন!’

    ‘মানুষ অতিষ্ঠ হলে অন্যায়ের প্রতিকার করার জন্যে মরিয়া হয়ে ওঠে, পারা না পারার প্রশ্ন তখন অবান্তর—তাই নয় কি?’ হঠাৎ প্রসঙ্গ বদলে জ্যাক লেমন জানতে চাইল, ‘শুনলাম তুমি নাকি ক্লিফোর্ডদের হত্যাকাণ্ড রহস্যের মীমাংসা করতে ফোর্ট ফ্যারেলে এসেছ, মি. রানা?’

    ‘ঠিকই শুনেছ,’ বলল রানা। ‘কিন্তু তুমি কি মনে করো সেটা একটা হত্যাকাণ্ড ছিল?’

    ‘ঠিক কি মনে করি তা জানি না,’ বলল জ্যাক লেমন। ‘তবে, ঘটনাটা ছিল খুবই আশ্চর্য। গোটা পরিবার নিশ্চিহ্ন হয়ে গেল, ভাবতে কেমন যেন লাগে! কিন্তু তার চেয়ে আজব ব্যাপার, ক্লিফোর্ডরা মরতেই তাদের সমস্ত সম্পত্তি, বাড়িঘর, টাকা পয়সা—সব, সব, চলে গেল পারকিনসনদের পকেটে। তারপর, ফোর্ট ফ্যারেল থেকে ক্লিফোর্ডদের নামটাও মুছে ফেলা হলো। এসব দেখে কি সন্দেহ করা যেতে পারে তা তো বুঝতেই পারো।’

    ‘হুঁ,’ গাড়ির দিকে ফিরল রানা। তারপর বলল, ‘এসেই যখন পড়েছ, গতর খাটাও খানিক। ড্রিলিং রিগটা গাড়িতে তুলতে দম ফুরিয়ে এসেছিল আমার। ধরাধরি করে নামাও ওটা।’

    ‘ড্রিলিং রিগ? ও দিয়ে কি হবে?’ আকাশ থেকে পড়ল লংফেলো।

    এসকার্পমেন্টের কিনারাটার দিকে আঙুল তুলে দেখাল রানা। ‘প্রথম গর্তটা ঠিক ওটার মাঝখানে খুঁড়তে চাই আমি, ওই ওখানে।’

    ‘কি…কি বললে?’

    ‘এতেই এত ঘাবড়ে যাচ্ছ?’ মুচকি হাসল রানা।

    বাঁধের পাঁচিলের দিকে চেয়ে আছে জ্যাক লেমন। খাড়াভাবে কংক্রিট দিয়ে তৈরি করা হয়েছে সেটা। ‘এতবড় তা কিন্তু ভাবিনি!’ বিস্ময় প্রকাশ পেল তার কণ্ঠে। ‘কত হারামের পয়সা খরচ হয়েছে কে জানে!’ পাহাড়ের নিচের দিকে তাকাল সে। পিঁপড়ের মত দেখা যাচ্ছে অসংখ্য মানুষকে। ‘ওরা কি গোলমাল করতে আসতে পারে, মি. রানা?’

    ‘পারে,’ বলল রানা। ‘যদিও ওদেরকে গোলমাল না করার জন্যে সাবধান করে দেয়া হয়েছে।’

    ‘তবু আসতে পারে?’ জানতে চাইল লংফেলো।

    ‘আমি যদি বাড়াবাড়ি করি, না এসে ওদের উপায় কি?’

    ‘বাড়াবাড়ি…’

    ‘করছি বৈকি,’ বাধা দিয়ে বলল রানা। ‘আরও অনেক করব। ওরা একবার এলেই হয় শুধু এখন।’

    ড্রিলিং যন্ত্রপাতি নিয়ে বিপাকেই পড়ল ওরা। জ্যাক লেমন না থাকলে এঞ্জিনটাকে চালু করতে পারত কিনা সন্দেহ হলো রানার। পনেরো বার অস্বীকৃতি জানাবার পর সেটা হঠাৎ স্টার্ট নিয়ে কান ফাটানো আওয়াজ করতে শুরু করল। এত বেশি ধাক্কা মারছে পিস্টনটা, রানার মনে হলো কনেকটিং রড এঞ্জিনের দেয়াল ফুঁড়ে যে-কোন মুহূর্তে ছিটকে বেরিয়ে আসতে পারে। কিন্তু জ্যাক লেমনের যাদু স্পর্শে এঞ্জিনটা অটুট তো থাকলই, স্টার্টও বন্ধ হলো না।

    দেরি না করে কাজে নেমে পড়ল রানা। এবং ওর আশা অনুযায়ী, এঞ্জিনের শব্দে আকৃষ্ট হয়ে ছুটে এল পারকিনসনদের দল থেকে কেউ একজন। ঝড়ের বেগে জীপটাকে আসতে দেখে মুচকি একটু হেসে নিজের কাজে মন দিল রানা। ভাবছে, আসছেটা কে?

    রানার সামনে দু‘কোমরে হাত রেখে দাঁড়িয়ে আছে লংফেলো আর জ্যাক লেমন। রানা মাটিতে হাঁটু গেড়ে বসেছে। জীপের শব্দ ক্রমশ এগিয়ে আসছে শুনতে পাচ্ছে ও। মুখ তুলে সামনের দিকে তাকাল একবার। দেখল চিৎকার করার জন্যে মুখ খুলছে লংফেলো। চোখ কপালে উঠে গেছে লেমনের।

    পৈশীগুলো শক্ত হয়ে উঠল রানার। পিছন ফিরে তাকাতে যাবে, এমন সময় ব্রেক কষার আওয়াজ পেল ও। ঠিক ওর পিঠের কাছে এসে দাঁড়িয়ে পড়েছে জীপটা।

    ধীরে ধীরে ঘাড় ফিরিয়ে তাকাল রানা। জীপ থেকে মাথা কামানো দুই লোক নামছে, দেখল ও। দশাসই চেহারা আর মুখের গাম্ভীর্য দেখেই যা বোঝার বুঝে নিল রানা: এরা পারকিনসনদের পোষা গুণ্ডা।

    ‘এসব কি হচ্ছে এখানে?’

    কানের পিছনে একটা হাত রেখে চিৎকার করে উঠল রানা, ‘শুনতে পাচ্ছি না!’

    যে লোকটা কথা বলছে তার পরনে ট্রাউজার আর শার্ট, কোট নেই। ট্রাউজারের পকেটটা উঁচু হয়ে আছে তার। দ্বিতীয় লোকটার পরনে কমপ্লিট স্যুট। তার হাতে ছোট সাইজের একটা ওয়্যারলেস সেট দেখা যাচ্ছে। সেটটা অফ করা রয়েছে। সঙ্গীকে এক পা এগিয়ে যেতে দেখেও নিজের জায়গা ছেড়ে নড়ল না সে।

    এক পা এগিয়ে দ্বিতীয় লোকটা বলল, ‘এসব যন্ত্রপাতি নিয়ে কি করছ তুমি এখানে?’

    ‘একটা টেস্ট হোল তৈরি করছি।’

    এঞ্জিনের আওয়াজকে ম্লান করে দিয়ে চেঁচিয়ে উঠল লোকটা, ‘সুইচ অফ করো ওটার!’

    এদিক ওদিক মাথা নেড়ে অসম্মতি প্রকাশ করল রানা। তারপর হাত নেড়ে পাহাড়ের খানিকটা নিচের একটা জায়গা দেখিয়ে দিল লোকটাকে।

    উঠে দাঁড়াল রানা। নিচে নামতে শুরু করল ধীর ভঙ্গিতে। লোকটা ওকে অনুসরণ করে নামছে কিনা দেখার জন্যে একবারও পিছন ফিরল না ও।

    পঁচিশ গজের মত নেমে দাঁড়াল রানা। তারপর ঘুরে দাঁড়াতেই দেখল লোকটা ওর ঠিক তিন হাত সামনে দাঁড়িয়ে পড়েছে। ‘এসবের মানে কি জানতে চাই আমি। টেস্ট হোল তৈরি করছ বলতে ঠিক কি বোঝাতে চাও?’

    ‘আরও সহজ করে বলব? বেশ। মাটিতে গর্ত খুঁড়ে দেখতে চাই ভিতর থেকে কি উঠে আসে।’

    ‘এখানে এসব করা চলবে না।’

    ‘কেন করা চলবে না?’

    ‘কারণ…কারণ…’

    ‘কোন কারণ নেই,’ দৃঢ়কণ্ঠে বলল রানা। ‘ক্রাউন ল্যাণ্ডে গর্ত খুঁড়ছি আমি। এটা আমার আইনসঙ্গত অধিকার।’

    কি করবে ঠিক করতে পারল না লোকটা। ‘ঠিক আছে, জেনে আসি ব্যাপারটা,’ বলেই ঘুরে দাঁড়াল সে, জীপের দিকে উঠে গেল।

    জীপটাকে অদৃশ্য হয়ে যেতে দেখল রানা। তারপর ফিরে এসে আবার গর্ত খোঁড়ার কাজে হাত লাগাল।

    গোটা ব্যাপারটাই প্রহসন। রানা জানে, এই এলাকার মাটির নিচে মূল্যবান কোন খনিজ পদার্থ নেই। কিন্তু ব্যাপারটাকে গুরুত্বপূর্ণ করে তোলার জন্যে গর্তের ভিতর থেকে যে জঞ্জাল বেরুল সেগুলোকে কাগজের মোড়কে মুড়ে জীপে তুলে রাখতে শুরু করল ও। প্রথম গর্ত থেকে যা বের করার করে নিয়ে ইঞ্জিন অফ করেছে মাত্র, এমন সময় আসতে দেখা গেল বিগ প্যাটকে।

    ‘খেপতে বড় বেশি সময় নিচ্ছে পারকিনসনরা,’ মুচকি হেসে বলল রানা। ‘আরও বড় ডোজের ওষুধ লাগবে বলে মনে হচ্ছে।’

    লংফেলোর দৃষ্টি শুধু তীক্ষ্ণ হলো, কোন মন্তব্য করল না। রানাকে বুঝতে চেষ্টা করছে সে, কিন্তু বুঝতে পারছে না এখনও এই আয়োজনের মাধ্যমে ঠিক কি হাসিল করতে চাইছে রানা।

    জ্যাক লেমন বলল, ‘ঠ্যালা সামলাও এবার!’

    ‘মানে?’ জানতে চাইল লংফেলো।

    ‘দেখতে পাচ্ছ না কুকুরের লেজ আসছে?’ বিগ প্যাটের দিকে ইঙ্গিত করে বলল লেমন।

    হো-হো করে হেসে উঠল রানা। বলল, ‘ওর নাম যাতে তুমি বদলে রাখতে পারো তার ব্যবস্থা আমি করব, লেমন। কথা দিচ্ছি।’

    চেহারা দেখেই বোঝা গেল, পাওয়ার হাউজে জেনারেটর নিয়ে যাওয়ার সমস্যাটার সমাধান করতে না পেরে মেজাজ উত্তপ্ত হয়ে আছে বিগ প্যাটের। কাদার পুরু প্লাস্টার প্যান্টের হাঁটু পর্যন্ত। সারা গায়েও বড় বড় কাদার ছোপ। মুখের, চেহারাটা রুক্ষ। কাছাকাছি এসে দাঁড়াল সে। হাত নেড়ে বলল, ‘আর কোন কাজ নেই আমার, শুধু তোমার সাথেই লেগে থাকতে হবে?’

    ‘না চাইলে লাগবে কেন?’ বলল রানা, ‘তুমি হাজার বার এলেও আমার উদ্দেশ্য পূরণ হবে না। আমি বয়েডকে ছুটে আসতে দেখতে চাইছি।’

    ‘এঞ্জিনের শব্দ হচ্ছিল কিসের? কি করছিলে তোমরা?’

    ‘মাটিতে গর্ত খুঁড়ছিলাম। পারকিনসনদের মাটিতে বা তাদের মাথায় নয়, ক্রাউন ল্যাণ্ডে।’

    এ ব্যাপারেও কি অনুমতি নেয়া আছে তোমার মি. গাফের কাছ থেকে?’

    ‘অনুমতি! কিসের অনুমতি? কারও অনুমতি দরকার নেই আমার।’

    ‘ওহ, তার মানে মি. গাফ এ ব্যাপারে কিছুই জানেন না?’

    ‘তা কিভাবে বলব? কেউ যদি জানিয়ে না থাকে তাহলে জানার কথা নয় অবশ্যই।’

    ধীরে ধীরে দু‘কোমরে হাত রেখে মুখের চেহারা কঠিন করে তুলল বিগ প্যাট! ‘তুমি পারকিনসন বাঁধ আর পারকিনসন পাওয়ার হাউজের মাঝখানে গর্ত করছ অথচ অনুমতির দরকার আছে বলে স্বীকার করছ না। রানা, মি. গাফ তোমাকে পাগলাগারদে পাঠাবেন।’

    তাকে থামিয়ে দিয়ে বলল রানা, ‘যত কিছুই বলো, এটা পারকিনসনদের জায়গা নয়। এই জায়গার বিশেষ স্বত্ব যদি ভোগ করতে চায় তারা তাহলে সরকারের সাথে বিশেষ চুক্তি সম্পাদন করতে হবে তাদের। যদ্দিন না তা করছে, আমি জায়গাটা গর্ত করে মৌমাছির চাকের মত ঝাঁঝরা করে ফেললেও কারও কিছু বলবার নেই। ওয়্যারলেসে যোগাযোগ করে আমার এই কথাটা তাকে গিয়ে শোনাও, খোকা। মেসেজে ওদেরকে একথাও জানিয়ো বাঁধ নিয়ে তারা বিপদে পড়েছে।’

    কথাটার অর্থ বুঝল না বিগ প্যাট। রানার দিকে বোকার মত চেয়ে থাকল। ‘মানে?’ অস্বাভাবিক একটা চিৎকারের মত শোনাল তার কণ্ঠস্বর। ‘বাঁধ নিয়ে বিপদে পড়েছে মানে?’

    ‘মানে ওদের মুখেই শুনো,’ বলল রানা। ‘তুমি ওদের বেতনভুক চামচা, তোমাকে কেন সব কথা শোনাতে যাব? ওদেরকে পাঠাও, তখন বলব।’

    ‘ঠিক আছে, যাচ্ছি আমি,’ হাত নেড়ে বলল বিগ প্যাট। আর কোন গর্ত যাতে খুঁড়তে না পারো তার ব্যবস্থা আজই করা হবে, এটুকু জেনে রাখো।’ রানার পায়ের কাছে মাটিতে থুথু ফেলল সে, তারপর ঘুরে দাঁড়িয়ে লম্বা পা ফেলে হাঁটতে শুরু করল।

    ‘বিপদটা আসলে কি? নাকি ভুয়া একটা ব্যাপার মাত্র?’ আগ্রহে চকচক করছে চোখ দুটো, রানার দিকে ঝুঁকে পড়ে জানতে চাইল লংফেলো।

    ‘ধীরে, লংফেলো, ধীরে,’ কৃত্রিম গাম্ভীর্য ফুটিয়ে বলল রানা। ‘সময় হলে সবই জানতে পারবে। এখন চলো দেখি, একটু উপরে উঠি। আরও দুটো গর্ত খুঁড়তে হবে আমার।’

    পাহাড়ের ধারে বয়ে নিয়ে যাওয়া হলো ড্রিলিং যন্ত্রপাতি। চল্লিশ ফুট দীর্ঘ একটা গর্ত করল রানা। তারপর আবার রাস্তার ধারে ফিরে এসে, জীপটার কাছাকাছি তৃতীয় আর একটা গর্ত করল ও। মাটির নমুনা নিয়ে নিচের রাস্তায় ফেরার সময় পথরোধ করে দাঁড়াল একটা গাড়ি। ঝকঝকে টয়োটা ডিল্যাক্স থেকে ধীর ভঙ্গিতে রাস্তার উপর নামল ছোট পারকিনসন। সারা মুখে লেপটে আছে ঘাম, চকচক করছে রোদ লেগে। এমন লাল মুখ বড় একটা চোখে পড়েনি রানার। পিন দিয়ে ফুটো করলে ফিনকি দিয়ে রক্ত ছুটবে বলে মনে হলো। রানার দিকে স্থির শীতল দৃষ্টি রেখে এগিয়ে আসছে সে। হাঁটার মধ্যে আত্মবিশ্বাসের দৃঢ়তা নজর এড়াল না রানার।

    সামনে এসে দাঁড়াল বয়েড। হ্যাটটা বগলের নিচে চেপে ধরল।

    ‘রানা, আমার সহ্যের সীমা তুমি ছাড়িয়ে যাচ্ছ,’ কণ্ঠস্বরটা নিচু কিন্তু দৃঢ়। কাঁধ ঝাঁকাল রানা। ‘কারও সহ্যশক্তি কম থাকলে আমার কিছু করার নেই, বয়েড। ওটা তোমার ব্যক্তিগত ব্যাপার, আমি কোন মন্তব্য করতে চাই না। ঠিক কেন এসেছ তুমি এদিকে?’

    ‘বিগ প্যাট বলল তুমি নাকি গর্ত খুঁড়ছ এদিকে। আমি চাই, এদিকে আর যেন গর্ত খোঁড়া না হয়। কি বলার আছে তোমার এ ব্যাপারে?’

    ‘দরকার ছিল, খুঁড়েছি,’ বলল রানা। ‘আবার যদি দরকার হয়, খুঁড়ব বৈকি।’

    ‘আমার আদেশ অমান্য করেও?’

    ‘কে হে তুমি?’ ভুরু কুঁচকে জানতে চাইল রানা।

    দাঁতে দাঁত চাপল বয়েড। ‘এসব ব্যাপারে আপাতত আমি মাথা ঘামাচ্ছি না, কিন্তু শুনতে পাচ্ছি তুমি নাকি ক্লিফোর্ডদের মৃত্যুটাকে হত্যাকাণ্ড বলে উল্লেখ করছ আর লোককে বলে বেড়াচ্ছ যে হত্যারহস্য মীমাংসা করতেই এসেছ ফোর্ট ফ্যারেলে, সত্যি?’

    ‘লোকে এসব বলছে বুঝি?’

    ‘আমার প্রশ্নের উত্তর দাও।’

    ‘তুমি তো সবই জানো। নতুন আর কি শুনতে চাও?’

    ঘামে ভেজা বয়েডের মুখে নতুন ঘামের ফোঁটা দেখা যাচ্ছে। ‘সব জানি মানে? সব কি জানি আমি?’ ধীর স্থির রাখতে চাইছে বয়েউ তার কণ্ঠস্বর।

    ‘জানো, সেটা অ্যাক্সিডেন্ট ছিল না। জানো, আরোহীদের মধ্যে একজন কপালগুণে বেঁচে গেছে…’

    ‘কেনেথের কথা বলছ তুমি?’

    ‘কার কথা বলছি জানো না? আমার বিশ্বাস তাও তুমি জানো।’

    ‘তুমি পাগল,’ বলল বয়েড, নীল হয়ে গেছে তার মুখের চেহারা। ‘কিংবা, কথাটা ঘুরিয়ে বললে বলতে হয়, দিন ফুরিয়ে এসেছে তোমার। এই পৃথিবীর আলো-হাওয়া-বাতাস তোমার জন্যে নয়।’

    ‘খারাপ মানুষের এই এক ধরন,’ বলল রানা। ‘নিজের কপালে যা ঘটতে যাচ্ছে তাই সে অন্যের ব্যাপারে ভবিষ্যদ্বাণী করে।’

    ‘ওসব কথার মারপ্যাঁচ শোনার জন্যে আমি এখানে আসিনি,’ বয়েড বলল। ‘এই শেষ সুযোগ দিচ্ছি তোমাকে আমি, রানা। এরপর তোমাকে আমি আধখানা সুযোগও দেব না। আমি চাই, দুর্ঘটনাটাকে হত্যাকাণ্ড বলা বন্ধ হোক।’

    ‘মামার বাড়ির আবদার?’ বলল রানা। ‘নিজেদের মধ্যে লোকজন কি বলছে না বলছে সে ব্যাপারে আমি কোনু দুঃখে মাথা ঘামাতে যাব? যা খুশি বলুক তারা, আমার কোন ক্ষতি হচ্ছে না। তবে, মনে হচ্ছে, তুমি খুব ভয় পেয়েছ। ভয়ের কি আছে, বয়েড? যা সত্য তা যদি রটেই তাতে তোমার কি এসে যায়?’

    ‘সব ব্যাপার জানতে চেয়ো না, রানা। আমার শেষ কথা আমি বলে দিয়েছি—এরপর ভেবেচিন্তে পা ফেলো তুমি। বাবা তোমাকে সাবধান করে দিয়েছেন, তুমি শোনোনি। তাঁর কথামত তোমাকে আমি ‘একটা শেষ সুযোগ না দিয়ে পারলাম না। তোমার কোন ক্ষতি এতদিন আমি করতে চাইনি, ভেবেছিলাম নিজের ভালটা তুমি দু‘দিন দেরিতে হলেও বুঝবে। কিন্তু এখন দেখছি ভুল করেছি থাক, একই ভুল দ্বিতীয়বার করতে চাই না আমি। কবে যাচ্ছ জানতে পারলে খুশি এতাম, রানা।’

    ‘এক্ষুণি যেতে চাই,’ বলল রানা, তারপর আঙুল দিয়ে টয়োটাকে দেখাল। ‘ওটা না সরালে যাই কিভাবে?’

    ‘খুব বেশি স্মার্ট মনে করো নিজেকে,’ বলল বটে, কিন্তু দাঁড়িয়ে থাকল না। ফিরে গিয়ে গাড়িতে চড়ল, গাড়ি ব্যাক করে জায়গা করে দিল রানার জীপকে।

    টয়োটার পাশে থামাল রানা জীপটা। ‘বয়েড, বাঁধটা ভাঙছ কবে?’

    মুহূর্তে পাথর হয়ে গেল বয়েড। ‘কি!’

    ‘বাঁধটার কথা বলছি,’ গম্ভীর হলো, রানা। ‘ওটা বোধহয় তোমাদের ভেঙে ফেলতে হবে, বয়েড।’

    কথা বলছে না বয়েড। রানার দিকে তাকিয়ে আছে শুধু।

    ‘কারণটা জিজ্ঞেস করছ না কেন?’

    ‘কি কারণ?’

    ‘কাইনোক্সি উপত্যকার মাটির নিচে দামী খনিজ পদার্থ পাওয়া গেছে,’ বলল রানা। ‘গোপনীয়তার স্বার্থে এই মুহূর্তে সব কথা তোমাকে বলা, সম্ভব নয়। শুধু জেনে রাখো, বাঁধের কাজ যাতে বন্ধ করার হুকুম দেয়া হয় তার জন্যে সরকারের কাছে আবেদন করছি আমরা…’

    ‘করো না,’ রানাকে কথা শেষ না করতে দিয়েই নিষেধ করল বয়েড। ‘এবং চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে ফোর্ট ফ্যারেল ছেড়ে চলে যাও। অস্বাভাবিক শান্ত গলায় বলল সে, তোমার ভালর জন্যেই বলছি।’ গাড়ি ছেড়ে দিল সে। রাস্তা ছেড়ে পাশের কাদায় পড়তেই আটকে গেল গাড়ির চাকা। সামনে এগোচ্ছে না দেখে গাড়ি ব্যাঙ্ক করল বয়েড। সবেগে ছুটে গিয়ে পাহাড়ের গায়ের সাথে ধাক্কা খেল টয়োটা। তীব্র একটা ঝাঁকুনি খেল।

    তার উদ্দেশে সহাস্যে হাত নাড়ল রানা। হুস্ করে বেরিয়ে গেল জীপটা ফোর্ট ফ্যারেলের উদ্দেশে।

    একটা কথাও হলো না গাড়িতে। লংফেলো গম্ভীর, থমথম করছে মুখের চেহারা। ঘনঘন চশমা নামিয়ে কাঁচ মুছছে শুধু। জ্যাক লেমন পরিষ্কার কিছুই বুঝতে পারছে না। একবার রানার দিকে আরেকবার লংফেলোর দিকে তাকিয়ে পরিস্থিতির গুরুত্ব বোঝার ব্যর্থ চেষ্টা করছে শুধু।

    লংফেলোর কেবিনের সামনে থামল জীপ। ‘ওটা মিস. ক্লিফোর্ডের স্টেশন ওয়াগন না?’ জানতে চাইল জ্যাক লেমন

    নিচে নামতে নামতে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িটার দিকে চোখ রেখে লংফেলো বলল, ‘হ্যাঁ। ওই তো শীলা!’

    জীপের শব্দ পেয়ে বেরিয়ে এসেছে শীলা বাইরে। ওদের দেখে ছুটে কাছে চলে এল। ‘চিন্তায় চিন্তায় অস্থির হয়ে উঠেছিলাম,’ বলল, ‘এক্ষুণি ভাবছিলাম গিয়ে দেখেই আসি কিছু অঘটন ঘটল কিনা!’ হাঁপাচ্ছে শীলা। ‘তেমন কিছু ঘটেনি তো?’

    ‘তুমি এসে পড়েছ,’ মুচকি হেসে বলল রানা, ‘তার মানে, আজ থেকে আবার আমাকে জঙ্গলে রাত কাটাতে হবে।’

    ‘আমার ছেলের মা আবার দুশ্চিন্তা করবে আমাকে নিয়ে,’ লাজুক হাসি হেসে বলল জ্যাক লেমন, ‘এখন যাই, দরকার পড়লেই আবার আমাকে খবর দিয়ো, ফেলো কাকা।’

    ‘দরকার তো পড়বেই,’ বলল লংফেলো। ‘কোথাও যদি যাও বাড়িতে জানিয়ে যেয়ো।

    ‘হয় বাড়িতে, নয় গ্যারেজে থাকব,’ বলে বিদায় নিয়ে চলে গেল জ্যাক লেমন!

    শীলার সাথে বকবক করতে করতে কেবিনের দিকে এগোল লংফেলো। ওদেরকে অনুসরণ করল রানা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডেজার্ট গড – উইলবার স্মিথ
    Next Article মাসুদ রানা ০৩৪ – বিদেশী গুপ্তচর – ২

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }