Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০৬৩-৬৪ – গ্রাস

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প358 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গ্রাস – ১৭

    সতেরো

    ডাক শুনে বেন্টলির কাছ থেকে ছুটে এল শোফার। লংফেলো আস্তিন ধরে আবার সরিয়ে নিয়ে এল রানাকে। ‘বাপকে নিয়ে ছোকরা এখন ব্যস্ত থাকবে,’ বলল সে ফিসফিস করে। ‘কিন্তু একটু সময় পেলেই তোমার দিকে নজর পড়বে ওর। ভেব না তোমাকে সে ছেড়ে দেবে। কয়েক ডজন ডালকুত্তা ফেরার পথ বন্ধ করে দেবে তোমার। চলো, সময় থাকতে কেটে পড়া যাক।’

    ইতস্তত করল একটু রানা। বুড়ো গাফের অবস্থা শোচনীয়, ও চাইছে গায়, সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে। কিন্তু লংফেলোর যুক্তিটাও অগ্রাহ্য করার মত নয়, অনুধাবন করল ও। পরিস্থিতি এখন যা দাঁড়িয়েছে এখানে থাকলে কোন অনুকূল ফল ছাড়াই ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা। ‘ঠিক আছে, তাই হোক।’

    জীপের কাছে যেতে কাঁপা গলায় জানতে চাইল জ্যাক লেমন, ‘ঘটল কি? তুমি বুড়োকে মেরেছ, রানা?’

    ‘পাগল হলে নাকি তুমি!’ প্রায় চেঁচিয়ে উঠল লংফেলো। ‘গাফ হার্ট অ্যাটাকের রোগী, জানো না? কুইক, জীপে ওঠো সবাই।’

    ‘ড্রিলিং যন্ত্রপাতিগুলোর কি হবে?’ প্রশ্ন করল লেমন।

    ‘থাক ওগুলো,’ বলল রানা। ওগুলোর কাজ শেষ হয়েছে,’ পাহাড়ের নিচে ছোট্ট ভিড়টার দিকে তাকাল রানা। ‘সম্ভবত অনেক বেশি খুঁড়ে ফেলে প্রায় সত্য আবিষ্কার করে ফেলেছি আমরা।’

    বিপদের জন্যে মনে মনে তৈরি হয়ে নিচের দিকে জীপ চালাতে শুরু করল রানা। কিন্তু পাওয়ার হাউজের পাশ ঘেঁষে এগোবার সময় ঘটল না কিছুই। রাস্তায় উঠে স্বস্তি বোধ করল রানা। ঢিলে হয়ে গেল পেশীগুলো।

    ‘এই ব্যাপারটাই তাহলে এতদিন আমাদের কাছে গোপন করে রেখেছিলে তুমি!’ বলল লংফেলো, ‘হাসপাতালে যে খুন হয়েছে সে কেনেথ নয়, টমাস — প্রথম থেকেই তুমি জানতে? কিন্তু একটা ব্যাপার আমার মাথায় ঢুকছে না, রানা।’

    ‘কি?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘তুমি বলেছিলে অ্যাক্সিডেন্টের পর যে বেঁচে গেল সে সব ভুলে গেলেও জিওলজি সম্পর্কে কিছুই ভোলেনি। জিওলজির ছাত্র ছিল কেনেথ, তাই না? এখন, যে বেঁচে গেল সে যদি টমাস হয় তাহলে জিওলজি সম্পর্কে জ্ঞান পেল সে কোথা…?’

    ‘জিওলজির ছাত্র ছিল টমাসও, জানো না বুঝি?’

    মাথায় হাত দিল লংফেলো। ‘বলো কি! তা তো জানতাম না!

    ‘গাফ পারকিনসনের ব্যাপারে নতুন ভাবে চিন্তা করছি আমি,’ বলল রানা। ‘তাকে আমার মোটেও খারাপ মানুষ বলে মনে হয় না।’

    ‘সে কথা তো তোমাকে আমি আগেও বলেছি,’ বলল লংফেলো। ‘ভয়ঙ্কর হতে পারে, কিন্তু সৎ মানুষ।’

    ‘কিন্তু ক্লিফোর্ডদের সনাক্ত করার ব্যাপারে তিনি কি ইচ্ছা করেই ভুল করেছিলেন? তা যদি না হয় তাহলে কেনেথ কেনেথ নয় টমাস একথা শুনে তিনি হার্ট অ্যাটাকে আক্রান্ত হবেন কেন?’

    ‘তাই তো!’ লংফেলো সমর্থন করল রানাকে। দারুণ রহস্য দেখছি!’

    লংফেলোর কেবিনের সামনে একটা পাথরের উপর গালে হাত দিয়ে বসে আছে শীলা, দূর থেকেই দেখতে পেল রানা। জীপ থামতে নামল সবাই। জ্যাক লেমন বিদায় নিয়ে নিজের গাড়িতে গিয়ে উঠল। ফোর্ট ফ্যারেলে ফিরে গেল সে। শীলার হাত ধরে তাকে দাঁড় করাল লংফেলো। ওদের পিছু পিছু কেবিনে ঢুকল রানা। দু‘জনের চেহারা এবং হাবভাব দেখে যা বোঝার বুঝে নিয়ে চঞ্চল হয়ে উঠল শীলা। দ্রুত কেবিনেট থেকে হুইস্কির বোতল আর গ্লাস নামাল সে।

    সব কথা বলল রানা শীলাকে। স্নান, রক্তশূন্য হয়ে গেল শীলার চেহারা। ‘গাফ কাকা বলে বরাবর ডাকতাম ওঁকে আমি,’ বলল সে। মাথা তুলল। সত্যি বলতে কি, গাফ কাকাকে কখনও খারাপ লোক বলে মনে হয়নি আমার। নাথান চাকরি নিয়ে আসতেই পারকিনসন করপোরেশন বেয়াড়া হয়ে উঠল।

    ‘কিন্তু নাথানের দোষ দিয়ে লাভ নেই, সে তো স্রেফ বেতনভুক কর্মচারী। ক্লিফোর্ডদের যাবতীয় সব কিছু মেরে দিয়ে গাফই লাভের টাকা পকেটে ভরেছে।’

    ‘কিন্তু এটা ঠিক চিটিং কিনা সে ব্যাপারে আমাদের সকলেরই সন্দেহ আছে, তাই না? দলিল এবং চুক্তি অনুযায়ীই সব দখল করেছে পারকিনসনরা।’

    ‘কিন্তু নীতিগতভাবে আপত্তিকর!’ মন্তব্য করল লংফেলো।

    ‘এবং দলিল এবং চুক্তিগুলো জাল কিনা তাও কেউ পরীক্ষা করে দেখেনি।’ খানিকক্ষণ কথা বলল না কেউ।

    ‘এখন আমাদের করণীয় কি, লংফেলো?’

    ‘শেষ চালটাও চেলে ফেলেছ তুমি,’ বলল লংফেলো। ‘আর কিছু করার নেই। এখন শুধু অপেক্ষা। আমার ধারণা, তোমার পিছু পিছু আসবে বয়েড।

    .‘ভুল বুঝেছ তুমি,’ বলল রানা। ‘শেষ চাল হাতেই রেখে দিয়েছি আমি এখনও।’

    ‘সেক্ষেত্রে আমি বলব,’ চিন্তিত দেখাচ্ছে লংফেলোকে, ‘শেষ চাল দেবার অবকাশ কখনোই হয়তো হবে না তোমার। কি জানি, একমাত্র ভবিষ্যৎই বলতে পারে গাফ মারা গেলে কি ভয়ঙ্কর ঘটনা ঘটবে! রানা?’

    ‘বলো।’

    ‘আমার শেষ কথাটা রাখবে তুমি?’

    ‘কি?’

    ‘ফোর্ট ফ্যারেল ছেড়ে তোমাকে আমি পালাতে বলছি না, কেননা সে অনুরোধ তুমি রাখবে না জানি। কিন্তু আত্মগোপন করো, প্লীজ! অন্তত রাত পর্যন্ত কোথাও লুকিয়ে থাকো। ফোর্ট ফ্যারেলে এখন যেয়ো না।’

    কেন? আমি ফেরারী নাকি? তাছাড়া, কার ভয়ে লুকাব, লংফেলো? ফোর্ট ফ্যারেলে যাব এই জন্যে যে…’

    ‘বয়েড আর তার সাঙ্গপাঙ্গদের তুমি যদি চিনতে….’

    ‘বোঝা যাচ্ছে,’ বলল রানা, ‘ভয়ে মরে যাচ্ছ তুমি। ‘আমাকেও চিনতে ভুল করেছ।’

    ভুল করা তো দূরের কথা,’ বলল লংফেলো, ‘তোমাকে কি আমরা আদৌ চিনি, রানা? কে তুমি? কি তোমার পরিচয়? স্কট বা ইংরেজ নও তুমি। ইউরোপীয়ান বলেও মনে হয় না। কোথা থেকে এসেছ, রানা? কেন এসেছ? টমাস ক্লিফোর্ডের প্রতাত্মা নও তো? কিংবা, কেনেথের? আমার কেন যেন সন্দেহ হয় একমাত্র ওদের কারও প্রেতাত্মার পক্ষেই ফোর্ট ফ্যারেলে এসে এরকম অসম্ভবকে সম্ভব করা সম্ভব।’

    রানাকে হাসতে দেখে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠল লংফেলো। ‘আমার কথা, হলো, আত্মগোপন করো। আমি তোমাকে পরাজয় মেনে নিতে বলছি তা ভেব না। এতকিছুর পর তুমি যদি পিছিয়ে যাও, তোমার দিকে থুথু ছুঁড়র আমি। আমি বলতে চাইছি, গাফের অবস্থা কি হয় না জেনে তুমি বয়েডের সামনে চেহারা দেখিয়ো না। রয়েডের পিঠের ওপর গাফ নেই এখন তার লাগাম টেনে ধরার জন্যে এ কাজটা নাথানের পক্ষেও সম্ভব নয়। বিগ প্যাট আর পোষা গুণ্ডাদেরকে নিয়ে বয়ে হয়তো ইতিমধ্যেই তোমার খোঁজে রওনা হয়ে গেছে। তোমাকে পেলে কি অবস্থা করবে… ঝট করে বুড়ো শীলার দিকে ফিরল, বছর কয়েক আগে নিক ব্রাউনের কি অবস্থা করেছিল বয়েড, তোমার স্মরণ আছে, শীলা? ভাঙা একটা পা, ভাঙা একটা হাত, ফাটা পাজর আর চেহারা বদলানো মুখ নিয়ে ফোর্ট ফ্যারেল থেকে পালাতে দিশা পায়নি সে। বয়েডের গুণ্ডাদের হাতে পড়ে খুন হওয়া তবু ভাল, রানা। কিন্তু ওরা যদি ঠিক করে থাকে তোমার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালাবে—বিশ্বাস করো, সেটা হবে তোমার জন্যে মর্মান্তিক, দুর্ভাগ্যজনক। আবার বলছি, ফোর্ট ফ্যারেলে যাবার কোন ইচ্ছা যদি তোমার থাকে, এই মুহূর্তে তা বাতিল করে দাও।’

    উঠে দাঁড়াল শীলা। ‘ফোর্ট ফ্যারেলে যাবার ব্যাপারে আমাকে অন্তত কেউ বাধা দিতে পারছে না। আমি চললাম।’

    শীলার পথ রোধ করে দাঁড়াল লংফেলো। ‘কিন্তু কেন?’

    ‘পুলিস সার্জেন্ট হ্যামিলটনের সাথে দেখা করতে,’ বলল শীলা। যথেষ্ট দেরি করা হয়েছে, পুলিসকে সব জানানোর ব্যাপারে আর দেরি করার মানে হয় না।’

    শীলার পথ ছেড়ে দিয়ে কাঁধ ঝাঁকাল লংফেলো। ‘যেতে চাও যাও, কিন্তু প্রশ্ন হলো এক্ষেত্রে হ্যামিলটনের করার কি আছে? কার বিরুদ্ধে ঠিক কি অভিযোগ তুলতে চাও তুমি, শীলা?’

    ‘সে সব পরে ভাবব,’ বলল শীলা। ‘তার সাথে দেখা করতে চাই আমি।’ দ্রুত, প্রায় ছুটে বেরিয়ে গেল সে। খানিকপরই তার গাড়ির স্টার্ট নেবার শব্দ পেল রানা।

    ‘নিক ব্রাউন—কে সে?’ জানতে চাইল রানা।

    ‘বয়েডের বিরুদ্ধে যাবার সাধ হয়েছিল এমন একজন লোক ছিল সে,’ বলল লংফেলো ‘কেন মারধোর করে তার হাড়গোড় ভাঙা হয়েছিল তা সবাই জানত, কিন্তু অন্যাটার প্রতিবাদ করার সাহস একজনেরও হয়নি। সেই যে পালাল নিক, ফোর্ট ফ্যারেলে জীবনে কখনও ফেরেনি, ফিরবেও না কখনও। নিক শুধু একা নয়, এই রকম আরও অনেকে জীবনে কখনও ফোর্ট ফ্যারেলে ভুলেও পা দেবে না। তুমি বয়েডের বিরুদ্ধে যা করেছ এরা কেউ তার সিকি ভাগও করেনি, রানা। খানিক আগে ওকে যে রকম রাগতে দেখেছি আমি, আর কখনও দেখিনি।’ হঠাৎ কপালের পাশটা চেপে ধরল সে। ‘বড্ড ধরেছে মাথাটা, দাঁড়াও চা তৈরি করি,’ বলে বেরিয়ে গেল সে বাইরে।

    এক মিনিট পর খালি হাতে ফিরল লংফেলো। ‘স্টোভটা নষ্ট হয়ে পড়ে আছে, আর কাঠও নেই। আমি না ফেরা পর্যন্ত এখান থেকে নোড়ো না তুমি।’

    ‘কোথায় যাচ্ছ?’

    ‘চা না খেলেই নয়,’ বলল লংফেলো। ‘কাঠ আনতে যাচ্ছি। রান্নাবান্নার জন্যেও তো লাগবে।’ বেরিয়ে গেল সে আবার।

    একই জায়গায় বসে পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে ভাবতে লাগল রানা। মুশকিল হলো, ক্লিফোর্ড হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে খুব বেশি দূর এগোয়নি সে, ভাবছে রানা। এবং যে লোক রহস্য উন্মোচন করতে পারেন তিনি সম্ভবত এখন হাসপাতালে মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করছেন। ফোর্ট ফ্যারেলে গিয়ে বয়েডের মুখোমুখি হবার একটা ইচ্ছা জেগে রয়েছে ওর মধ্যে—কিন্তু তাতে কিছু লাভ হবে না তাও বুঝতে অসুবিধে হচ্ছে না ওর।

    দরজার কবাট দুটো খুলে দু‘পাশে বাড়ি খেতেই রানা দেখল, ফোর্ট ফ্যারেলে যাবার আর দরকার নেই ওর। সামনেই দাঁড়িয়ে আছে বয়েড পারকিনসন। হাতে রাইফেল। রাইফেলটা তুলে ধরল বয়েড। রানার মনে হলো, এই মুহূর্তে গুলি করতে যাচ্ছে সে। মাজলের গোল গর্তটা তলহীন গহ্বরের মত দেখাচ্ছে। ‘এবার, কুত্তার বাচ্চা?’ বলল বয়েড়। উত্তেজনায় হাঁপিয়ে উঠেছে সে। ‘কেনেথ কেনেথ নয়, টমাস ক্লিফোর্ড—এসবের মানে কি, বলো!’

    দু‘পা এগোল বয়েড, কিন্তু তার হাতের রাইফেল একচুল দিক বদল করল না। তার পিছন থেকে পাশ কাটিয়ে কেবিনের ভিতর ঢুকল পুসি। রানার দিকে চেয়ে খিলখিল করে হাসল সে। চেয়ার ছেড়ে উঠতে গেল রানা, কিন্তু বাধা দিল বয়েড। ‘বসে থাকো, বেজন্মা কুত্তা; আর কোথাও যাবার জায়গা নেই তোর। এখান থেকে আমিই তোকে শেষবারের মত সোজা নরকে পাঠিয়ে দেব।’

    চেয়ারে হেলান দিয়ে বসে পড়ল রানা। ‘টমাস ক্লিফোর্ডের ব্যাপারে তোমার এত আগ্রহ কেন?’ প্রশ্ন করল রানা অদ্ভুত শান্ত গলায়। ‘সে, তার বাবা এবং তার মা ‘আজ অনেক দিন হলো মারা গেছে।’ কণ্ঠস্বরটা শান্ত রাখতে কষ্ট হচ্ছে রানার। রাইফেলের মুখোমুখি বসে ঘণ্ঠনালীকে বশে রাখা কঠিন বলে মনে হলো ওর।

    ‘ভয় লাগছে, রানা?’ জানতে চেয়ে আবার খিল খিল করে হাসল পুসি। ‘এত ঠাণ্ডা যে? কোথায় গেল তোমার তেজ আর…’

    ‘চুপ করো,’ বলল বয়েড। আস্তিন দিয়ে কপালের ঘাম মুছে জিভ বের করে নিচের ঠোঁটটা ভিজিয়ে নিল সে। ধীরে ধীরে সামনে বাড়তে শুরু করল। স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে রানার চোখের দিকে। ‘কেনেথের বা টমাসের খুনীকে তুমি চেনো-কে সে, রানা?’ নিচু গলায় জানতে চাইছে বয়েড।

    হেসে উঠল রানা। তৈরি করা কষ্টসাধ্য হাসি-কিন্তু নির্ভেজাল ঝরঝরে লাগল ওর নিজের কানেই।

    ‘এই শালা হারামীর বাচ্চা, উত্তর দে!’ চিৎকার করে উঠল বয়েড, ভেঙে গেল লাটা শেষ দিকে। আরও এক পা সামনে বাড়ল সে। মুখটা প্রতি মুহূর্তে বদলে যাচ্ছে বিচিত্র সব ভাঁজ পড়ে। একটা উদ্বিগ্ন চোখ তার ডান হাতের দিকে রেখেছে রানা, আশা করছে, রাইফেলের ট্রিগারটা খুব বেশি স্পর্শকাতর নয়।

    আরও এক পা সামনে বাড়লে হাতের ধাক্কায় রাইফেলের নলটা সরিয়ে দিতে পারবে ও, ভাবছে রানা। কিন্তু হঠাৎ দাঁড়িয়ে পড়ল বয়েড। ‘আমার প্রশ্নের উত্তর দে, শালা!’ গলা কাঁপছে তার। ‘সত্য কথাটা জানতে চাই আমি। মন্ট্রিয়ল হাসপাতালে যে খুন হয়েছে সে কে ছিল? কেনেথ, না টমাস?’

    ‘কি এসে যায় তাতে?’ বলল রানা। ‘কেনেথই হোক, আর টমাসই হোক, গাড়িতে সে ছিল।’

    ‘তা ছিল,’ বলল বয়েড। ‘হ্যাঁ, তা ছিল। কিছু এসে যায় না তাতে, ঠিক। কিন্তু কি বলে গেছে সে তাকে? কি সে দেখেছিল গাড়িতে? এই কথাটা জানতে চাই আমি। এখুনি। কি সে দেখেছিল গাড়িতে?’

    ‘তুমি বলো কি সে দেখেছিল, তারপর আমি বলব তুমি ঠিক বলছ কিনা।’ সময় নেয়ার চেষ্টা করছে রানা।

    মুখটা কঠিন হয়ে উঠল বয়েডের। নড়ল একটু, একটু সামনে বাড়ল। কিন্তু রানার নাগালের বাইরে থাকার ব্যাপারে পুরো সচেতন সে।

    শার্টের ভিতর ঘামছে রানা। দ্রুত কিছু একটা করার অবস্থা নয় এটা।

    ‘অনেক সময় দিয়েছি, আর নয়,’ হঠাৎ অধৈর্য হয়ে চেঁচিয়ে বলল বয়েড। ‘মুখ খোল, শালা! নইলে জন্মের মত বন্ধ করে দিচ্ছি মুখটা এখনই।’

    দরজার কাছ থেকে একটা কণ্ঠস্বর ভেসে এল। ‘রাইফেলটা নামিয়ে রাখো, বয়েড, তা নাহলে খুলি উড়িয়ে দেব আমি তোমার।’

    চোখ তুলতেই ডাবল-ব্যারেল শটগান হাতে দোরগোড়ায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখল রানা লংফেলোকে। মুহূর্তে স্থির হয়ে গেল বয়েড। তারপর ধীরে ধীরে ঘাড় ফেরাতে শুরু করল।

    ‘না! আগে রাইফেলটা ফেলো!’ দ্রুত বলল লংফেলো, ‘নড়লেই গুলি করছি।’ ঘাড়টা শক্ত হয়ে গেল বয়েড়ের।

    ‘সাবধান, বয়েড?’ পুসির কণ্ঠস্বর। ‘মিথ্যে বলছে না ও, শটগান রয়েছে ওর হাতে।’

    রাইফেলটা ছেড়ে দিল বয়েড। খটাশ করে ওটা কাঠের মেঝেতে পড়তেই চেয়ার ছেড়ে এগিয়ে গিয়ে তুলে নিল রানা। পিছিয়ে গিয়ে মুখ তুলল ও। গম্ভীর ভাবে হাসল লংফেলো। ‘আজ সকালে শটগানটা জীপে রেখেছিলাম আমি দরকার লাগতে পারে মনে করে—ভাগ্যিস রেখেছিলাম! ঠিক আছে, বয়েড, লক্ষ্মী ছেলের মত নাক বরাবর দেয়াল পর্যন্ত হেঁটে যাও। তুমিও, পুসি মা।’

    বয়েডের রাইফেলটা, পরীক্ষা করছে রানা। সেফটি ক্যাচ অফ করাই ছিল। বোল্ট টান দিতেই গ্ৰীচ থেকে একটা রাউণ্ড বেরিয়ে মেঝেতে পড়ল। মৃত্যু খুব বেশি দূরে ছিল না ওর কাছ থেকে, বুঝতে পারল পরিষ্কার।

    ‘ধন্যবাদ, লংফেলো,’ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ পেল ওর কণ্ঠে।

    ‘ভদ্রতা প্রদর্শনের সময় নয় এটা,’ দ্রুত বলল লংফেলো। ‘বয়েড, দেয়ালের দিকে মুখ করে মেঝেতে বসো, বাছা। এবং তুমি, পুসি আম্মু,’ পুসি বসতে গিয়েও ইতস্তত করছে দেখে লংফেলো বলল, ‘বসো, বসো, এতে লজ্জার কিছু নেই। এর চেয়ে আরও অনেক বেশি লজ্জার কাজ করেছ তুমি জীবনে।’

    ঘৃণায় কুঁচকে আছে বয়েডের মুখ। ‘যাই করো, নিষ্কৃতি পাবার কোন উপায় তোমার নেই, রানা। আমার লোকেরা তোমার হাড় মাংস আলাদা না করা পর্যন্ত ক্ষান্ত হবে না।’

    বয়েডের কথা গ্রাহ্য না করে লংফেলোর দিকে তাকাল রানা। চোখে প্ৰশ্নবোধক দৃষ্টি।

    ‘শীলাকে অনুসরণ করো তুমি,’ লংফেলো বলল। ‘দু‘জন একসাথে ফিরে এসো, সার্জেন্ট হ্যামিলটনকে মাঝখানে নিয়ে। বয়েড ভাতিজাকে আমরা পুলিসের হাতে তুলে দিতে পারলে ওর কিছুটা উপকার হবে। হত্যার চেষ্টা করতে গিয়ে সশস্ত্র অবস্থায় ধরা পড়েছে—এই হলো আমাদের অভিযোগ। তুমি যাও, ভাই-বোনকে আমি সামলাচ্ছি।’

    দ্বিধাগ্রস্ত দেখাচ্ছে রানাকে। ‘দেখো, কোনরকম ভুল করে আবার গোটা ব্যাপারটা উল্টে যেতে দিয়ো না যেন। পারবে একা সামলাতে?’

    ‘আরে, না। আমার সাথে চালাকি করতে আসবে সে সাহস ওর আছে নাকি? দেখছ না ভিজে ইঁদুরের মত কাঁপছে কেমন? চিন্তা কোরো না, রানা, শটগানে এল জি বুলেট আছে, এত কাছ থেকে মিস হবে না আমার। কথাটা শুনলে তো, বয়েড?’ চোখ গরম করে তাকিয়ে থাকল বয়েড, কথা বলার কোন চেষ্টাই করল না।

    ‘ঠিক আছে,’ বলল রানা। ‘আধঘণ্টার মধ্যে ফিরছি আমি।’ বয়েডের রাইফেল থেকে বুলেটগুলো বের করে কেবিনের এক কোপায় ছুঁড়ে দিল ও। বাইরে বেরিয়ে রাইফেলটাও ছুঁড়ে ফেলে দিল একটা ঝোপের ভিতর। তারপর ছুটে গিয়ে উঠে বসল জীপে। স্টার্ট দিয়েই ছেড়ে দিল সেটা।

    লংফেলোকে একা রেখে আসায় খুঁত খুঁত করছে মনটা। মাইল দুয়েক এগিয়ে এসেছে ও। সামনে একটা বাঁক। এতটা পথ এসে এখন আর ফিরে যাওয়া যায় না। স্টিয়ারিঙ হুইল ঘোরাচ্ছে রানা, হঠাৎ দেখল ঠিক সামনেই হুড়মুড় করে রাস্তার উপর. আড়াআড়ি ভাবে পড়ল একটা মস্ত গাছ। ব্রেক কষার সময় পেল না রানা। দাঁতে দাঁত চেপে ধরল। শক্ত হয়ে উঠল শরীরের প্রতিটি পেশী। নাক বরাবর ধাক্কা খেল জীপ গাছটার সাথে। প্রচণ্ড একটা ঝাঁকুনি, মনে হলো উইণ্ডস্ক্রীন ভেদ করে বাইরে বেরিয়ে গেছে মাথাটা। কোথায় আঘাত লাগল টেরই পেল না রানা। চোখে অন্ধকার দেখছে। বাঁক নেবার জন্যে স্পীড কমিয়ে আনলেও সংঘর্ষটা চ্যাপ্টা করে দিয়েছে জীপের সামনেটা। ঝাঁকুনির পর প্রথম যা টের পেল রানা, কেউ ওর বুকের কাছে শার্ট ধরে উপর দিকে টানছে। নিজের প্রায় অজান্তেই মাথাটা নিচু করে লোকটার কড়ে আঙুল কামড়ে ধরল রানা। আর্তনাদ করে ছেড়ে দিল লোকটা রানাকে। বামপাশের দরজাটা খুলে গেছে আগেই। লাফ দিয়ে বাইরে পড়ার পূর্ব মুহূর্তে ও দেখল ঝোপের ওপাশ থেকে ক্যাঙ্গারুর মত লাফ দিয়ে দুজন লোক ছুটে আসছে!

    ‘ধর, ধর! ধর শালাকে!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডেজার্ট গড – উইলবার স্মিথ
    Next Article মাসুদ রানা ০৩৪ – বিদেশী গুপ্তচর – ২

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }