Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০৬৩-৬৪ – গ্রাস

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প358 Mins Read0
    ⤶

    গ্রাস – ২৩

    তেইশ

    কখন উঠে দাঁড়িয়েছে পুসি, লক্ষ করেনি রানা। হঠাৎ সে ছুটতে শুরু করতেই গাফ অসম্ভব জোরে চিৎকার করে উঠলেন। ‘পুসি!’

    দাঁড়িয়ে পড়ল পুসি পর্দার কাছে। পা দুটো কাঁপছে, দেখল রানা।

    ‘গুলি করতে দ্বিধা করবে না তুমি,’ রানাকে উদ্দেশ্য করে বললেন গাফ, ‘যদি এখান থেকে পালাবার চেষ্টা করে। শুনলে, পুসি? ঠিক এই কাজটাই নিজের হাতে করা উচিত ছিল আমার আট বছর আগে।’

    রানা বলল, ‘ওকে আমি আপনার লাইব্রেরীরূমে পেয়েছি, আপনার ড্রয়ার থেকে কাগজপত্র বের করে মেঝের ওপর ফেলছিল।’ হাতের লাল ফাইলটা দেখাল রানা। ‘এটা ছিল ওর হাতে।’

    ‘তোমার হাতে ওটা আমি আগেই দেখেছি, রানা,’ গাফ চোখ বুজে বললেন। ‘ওটার ভিতর যে কাগজপত্র আছে সেগুলো কোর্টে দেখিয়ে হাডসন ক্লিফোর্ডের যা কিছু ছিল সব কেড়ে নিতে পারবে শীলা ক্লিফোর্ড। ফাইলটা অনেক খুঁজেছি আমি, রানা। পাইনি। এখন বুঝতে পারছি, ওটা আমারই লাইব্রেরীতে লুকিয়ে রেখেছিল ওরা। ওই লাইব্রেরীটাতেই কখনও খোঁজ করিনি। করব না তা ওরা জানত বলেই রেখেছিল ওখানে।’

    ‘কি আছে ওটায়?’

    ‘হাডসন ক্লিফোর্ডের যাবতীয় দলিলপত্র। উইলটাও আছে ওতে।’

    ‘তার মানে, যে দলিল দেখিয়ে পারকিনসনরা ক্লিফোর্ডদের সব কিছু গ্রাস করেছিল সেটা জাল ছিল?’

    ‘না,’ বললেন গাফ। ‘ওটা ছিল পুরানো, প্রথম দলিল। আমরা, আমি আর হাডসন তখন যুবক, বিয়ে করিনি কেউ—ব্যবসা শুরু করেই একটা দলিল করেছিলাম। তাতে আমরা শর্ত রাখি দু’জনের মধ্যে কেউ যদি মারা যাই তাহলে অপরজন সবকিছুর মালিক হবে। বিয়ের পর এই দলিল বাতিল করা হয়। কিন্তু পুরানো দলিলটা থেকেই যায় আমার কাছে। ওটার সাহায্যেই বয়েড সব দখল করার ব্যবস্থা পাকা করে ফেলে।’

    ‘পরের অর্থাৎ শেষ দলিল এবং উইলে কি ছিল?’

    ‘হাডসন শীলা ক্লিফোর্ডকে তার ধর্ম-কন্যা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল উইলটায়, এবং শর্ত রেখেছিল টমাস ও শীলা সমান বখরা পাবে। দু’জনের যে-কোন একজনের অনুপস্থিতিতে অপরজন হবে সমস্ত সম্পত্তির মালিক।’ নার্সের দিকে তাকালেন গাফ। ‘টেলিফোনটা বিছানায় নিয়ে এসে দাও আমাকে তাড়াতাড়ি।’

    পর্দা সরিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেল নার্স। টেলিফোন নিয়ে ফিরল তখুনি।

    ‘কাগজ কলম আছে তোমার কাছে?’ জানতে চাইল রানা।

    রানার চোখে চোখ রাখল নার্স। ‘আছে।’

    ‘এখানে যা কিছু বলা হয় সব নোট করো তুমি,’ বলল রানা। ‘কোর্টে দাঁড়িয়ে সব হয়তো বলতে হতে পারে তোমাকে।’

    ডায়াল করতে গিয়ে ব্যর্থ হলেন গাফ। হাত কাঁপছে তাঁর। রানার দিকে তাকালেন। ‘দেখো তো সার্জেন্ট হ্যামিলটনকে পুলিস স্টেশনে পাওয়া যায় কিনা?’ নাম্বারটা জানালেন তিনি রানাকে। ডায়াল করল রানা। রিঙ হতে শুরু করল অপরপ্রান্তে, রিসিভার ধরিয়ে দিল ও গাফের হাতে।

    ‘হ্যামিলটন? আমি পারকিনসন বলছি…আমার শরীরের খবর জানার কোন দরকার নেই। কি বলছি, শোনো। এখুনি চলে এসো আমার বাড়িতে…একটা খুন হয়েছে,’ বালিশের উপর পড়ে গেল গাফের মাথা, হাত থেকে খসে পড়ল রিসিভার। রিসিভারটা ধরে ফেলে ক্রেডলে রেখে দিল রানা।

    শটগানটা পুসির পেটের দিকে তাক করে ধরে আছে রানা। বিছানার অপরপ্রান্তে, নার্সের পাশে দাঁড়িয়ে আছে সে। দু’পাশে মরা সাপের মত ঝুলছে তার হাত দুটো। মুখের রঙ ফ্যাকাসে হয়ে গেছে। ডান দিকের কপালে একটা শিরা থেকে থেকে কেঁপে উঠছে তার। ইতিমধ্যে অত্যন্ত নিচু গলায় কথা বলতে শুরু করেছেন গাফ পারকিনসন। দ্রুত নোট করছে নার্স তাঁর কথাগুলো।

    ‘বয়েড দেখতে পারত না টমাসকে,’ নরম, নিস্তেজ গলায় বলে চলেছেন গাফ। ‘টমাস ছিল অত্যন্ত ভদ্র আর অসম্ভব মেধাবী ছেলে। বুদ্ধি, শক্তি, জনপ্রিয়তা সবই ছিল তার—বয়েডের যা ছিল না। কলেজের পরীক্ষায় ভাল নম্বর পেয়ে পাস করত টমাস, বয়েড ফেল মারত। টাকা আর প্রভাবের জোরে ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয় বয়েড। টমাসের বান্ধবীর সংখ্যা ছিল অগণিত, কিন্তু বয়েড গায়ের জোরে মেয়েদের সাথে প্রেম করতে গিয়ে কেলেঙ্কারি ঘটাত। টমাসকে দেখে মনে হত হাডসনের উপযুক্ত উত্তরাধিকারী হতে পারবে সে, ব্যবসা দেখাশোনার ব্যাপারে বাপকেও ছাড়িয়ে যাবে। বয়েড জানত, আমাদের যৌথ ব্যবসার মাথা হিসেবে টমাসই একদিন স্বীকৃতি পাবে, নিজের কোন সুযোগই থাকবে না। হাডসন উপস্থিত থাকলেও ব্যবসা সংক্রান্ত ব্যাপারে জটিল কোন সমস্যায় পড়লে আমি টমাসকে ডেকে পাঠাতাম, তার কাছ থেকেও পরামর্শ চাইতাম। এসব দেখে খেপে গিয়েছিল বয়েড, কিন্তু তাকে আরও খেপিয়ে তুলল এই পুসি—কারণ, তার অবৈধ প্রেম-প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছিল টমাস। অপমানিত হয়েছিল সে টমাসের কাছে প্রেম নিবেদন করতে গিয়ে।’

    দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়ছেন গাফ। রীতিমত হাঁপাচ্ছেন তিনি। ‘…এই সব কারণে ওরা দু’জন টমাসকে খুন করার ষড়যন্ত্র করে। ষড়যন্ত্রটা শুধু টমাসকে খুন করার জন্যে ছিল না। ওরা ঠিক করে গোটা ক্লিফোর্ড পরিবারকেই নিশ্চিহ্ন করে দেবে দুনিয়ার বুক থেকে। একটা অ্যাক্সিডেন্ট ঘটাবার ব্যবস্থা হয়। আমার বুইকটা ধার করে নিয়ে যায় বয়েড। এডমনটন রোডে অনুসরণ করে ওরা ক্লিফোর্ডদের। পিছন থেকে ধাক্কা দিয়ে ক্লিফোর্ডদের গাড়িটাকে পাহাড়ী রাস্তা থেকে নিচের গভীর খাদে ফেলে দেয়া হয় খুন করার জন্যে, ঠাণ্ডা মাথায়। হাডসন অ্যাক্সিডেন্টের পূর্ব মুহূর্ত পর্যন্ত কোনরকম সন্দেহ করেনি বলে আমার ধারণা। কেননা আমার গাড়িটাকে চিনত সে, চিনত গাড়ির আরোহীদের।’

    ‘কে চালাচ্ছিল গাড়িটা?’

    ‘তা আমি জানতে পারিনি। কখনোই কথাটা প্রকাশ করেনি বয়েড বা পুসি। বুইকের সামনেটা তুবড়ে গিয়েছিল, সেটা আমার কাছ থেকে লুকিয়ে রাখতে পারেনি ওরা। ওটা দেখেই দুয়ে দুয়ে চার মিলিয়ে নিই আমি। বয়েডকে চেপে ধরতে সে বাধ্য হয়ে সব কথা স্বীকার করে আমার কাছে। ভিজে কাগজের ঠোঙার মত কুঁকড়ে গিয়েছিল সে।’

    দীর্ঘক্ষণ চুপ করে থাকলেন গাফ, তারপর বললেন, ‘কি করার ছিল আমার! বয়েড আমার সন্তান।’ একটা মিনতির সুর ফুটে উঠল বৃদ্ধের কণ্ঠস্বরে। ‘আমার সমস্যাটা বোঝার চেষ্টা করো, রানা। নিজের ছেলেকে খুনী হিসেবে পুলিসের হাতে কিভাবে তুলে দিই আমি? তারপর বয়েডের চেয়ে তখন বেশি চিন্তিত হলাম টমাসের জন্যে। ওর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দরকার। কিন্তু কিভাবে?…এডমনটন রোডে গিয়ে দেখলাম সবাই মারা গেছে, একজন অপরিচিত যুবকও রয়েছে তাদের মধ্যে—শুধু টমাস ছাড়া। টমাস বেঁচে ছিল, কিন্তু বেঁচে যাবে বলে মনে হচ্ছিল না। ভাবলাম, যদি বা বাঁচে, শেষ পর্যন্ত এদের হাত থেকে ওকে বাঁচাতে পারব না। যদি জানতে পারে টমাস বেঁচে আছে তাহলে আবার চেষ্টা করবে এরা খুন করতে। এবং দ্বিতীয়বার হয়তো ব্যর্থ হবে না। এখানেই ভুলটা হয়েছিল আমার। আমার উচিত ছিল টমাস বেঁচে আছে এই সত্য প্রকাশ করে দিয়ে বয়েডকে সামলানো। টমাসকে নিজের কাছে রেখে পাহারা দিতে পারতাম। বোধ হয় তারও দরকার হত না। সুস্থ হয়ে উঠলে টমাস নিজের বুদ্ধির জোরেই নিজেকে রক্ষা করতে পারত—বয়েড তার আর কোন ক্ষতি করার চেষ্টা করত না ভয়ে। কিন্তু এসব কথা তখন মাথায় আসেনি। মাথায় অন্য একটা বুদ্ধি এসে গেল। দেখলাম, টমাসকে অজ্ঞাত পরিচয় যুবক, ওরফে কেনেথ হিসেবে চালিয়ে দেয়া যায়। তা চালিয়ে দিলে দু’দিক থেকে লাভ হবে। টমাসও বাঁচে, বয়েডও বাঁচে। সকল সমস্যার সমাধান হয়।’

    নিঃস্ব, অবসন্ন দেখাচ্ছে গাফকে। মিনিট তিনেক কথা বলতে পারলেন না তিনি। তারপর আবার বললেন, ‘বয়েডকে বাঁচাবার জন্যে, ওর নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্যে ফোর্ট ফ্যারেল থেকে ক্লিফোর্ডদের নাম মুছে ফেলার চেষ্টা করি আমি। সম্পদ দিয়ে ওর চারধারে নিরাপত্তার পাঁচিল তুলতে চেষ্টা করি।’

    মৃদু স্বরে জানতে চাইল রানা, ‘আপনি কি টমাসকে টাকা পাঠাতেন, মি. গাফ?’

    ‘হ্যাঁ,’ গাফ বললেন। ‘টাকা পাঠানো ছাড়া আর কি করতে পারতাম আমি টমাসের জন্যে, বলো? তার অধিকার তাকে যদি ফিরিয়ে দিতে চাইতাম, কি ঘটত ভেবে দেখো। বয়েডকে তুলে দিতে হত পুলিসের হাতে। বয়েডের ভাগ্য ভাল ছিল, টমাস তার স্মৃতি হারিয়ে ফেলে। সে যদি স্মৃতি না হারাত, আমার সমাধানটা টিকত না, ভেঙে পড়ত কিছুদিন পরই। টমাস ফোর্ট ফ্যারেলে এসেই নতুন করে বিষয়টাকে জ্যান্ত করে ফেলেছিল। এই ঘটনার বেশ কিছুদিন আগে থেকে টমাসের কোন খবর আমি পাইনি। খবর পাবার জন্যে একটা প্রাইভেট গোয়েন্দা সংস্থাকে দায়িত্ব দিয়েছিলাম আমি। তারা কোন খোঁজ দিতে পারেনি। টমাস ফোর্ট ফ্যারেলে আসবে এ ভয় আমার ছিল। কিন্তু সাবধান হবার সুযোগই আমি পাইনি। সে এসেছিল তাও আমি জানতাম না। বয়েড তাকে টমাস বলে চিনতে পারেনি, চিনেছিল কেনেথ বলেই। সে জানত টমাস নয়, বেঁচে আছে কেনেথ, এবং কেনেথের স্মরণশক্তি হারিয়ে গেছে। কিন্তু যদি সে সব কথা স্মরণ করতে পারে? তাহলে কি হবে? বয়েড জানত, তাহলে মরতে হবে তাকে। তাই সে খুন করে কেনেথ ওরফে টমাসকে।’ নার্সের দিকে তাকালেন তিনি। মৃতপ্রায় দেখাচ্ছে তাকে। ‘সব লিখে নিয়েছ?’

    নার্সের দু’চোখে টলমল করছে পানি। মাথা ঝাঁকাল সে, ‘জ্বী।’

    রানার দিকে তাকালেন গাফ। ‘আট বছর আগেই বয়েডকে খুন করা উচিত ছিল আমার, রানা। পাঁচটা খুন করেছে সে এইটুকু বয়সে, আরও করবে। আমি অনুমতি দিচ্ছি, তাকে তুমি থামাও—যেভাবে পারো।’

    ‘বয়েডের ব্যাপারটা নিয়ে হ্যামিলটন মাথা ঘামাবে, তার ওপরই ব্যাপারটা ছেড়ে দিন,’ কলিং বেলের ক্ষীণ আওয়াজ ঢুকল রানার কানে। ‘ওই এসেছে সে।’ নার্সের দিকে তাকাল রানা। ‘যাও, সার্জেন্টকে নিয়ে এসো।’

    নার্স বেডরুম ছেড়ে বেরিয়ে যেতে পুসির দিকে শটগান নাড়ল রানা। ‘এবার চলো, পুসি,—কোথায় ওরা? শীলা আর লংফেলোকে কোথায় রেখেছ?’

    খুন করেছে বয়েড ওদের, শিউরে উঠে ভাবল রানা প্রশ্নটা করেই।

    ‘গুড খ্রীষ্ট! আরও খুন নাকি?’ গাফ আঁৎকে উঠলেন।

    গাফের দিকে খেয়াল দিল না রানা। ছুরিটা বের করল। ‘পুসি, কোথায় ওরা? যদি না বলো হ্যামিলটন পৌঁছবার আগেই চিরে ফালা ফালা করে দেব তোমার মুখটা।’

    বৃদ্ধ একটা কথাও বললেন না। শুধু গভীর একটা শ্বাস নিলেন। রানাকে পুসির দিকে এগোতে দেখে চোখ বুজলেন।

    ‘ঠিক আছে, বলছি! আন্ডারগ্রাউন্ড গোডাউনে বেঁধে রেখেছি বেশ্যা মাগীটাকে। তার সাথে বুড়ো দালালটাও আছে। এদের দু’জনকেও গলা টিপে মারতে চেয়েছিলাম, কিন্তু বয়েড, হদ্দ বোকাটা তা করতে দেয়নি আমাকে।’

    সার্জেন্ট হ্যামিলটন শুনল কথাটা। পুঁসির ঠিক পিছনে এসে দাঁড়িয়েছে সে। তার পিছনে দু’জন সশস্ত্র কনস্টেবল।

    ‘নার্সের মুখে শুনেছ সব?’ জানতে চাইল রানা।

    দীর্ঘ ছয় ফুট শরীরটা নিয়ে পুসির পাশ ঘেঁষে এগিয়ে এল হ্যামিলটন। রানার সামনে দাঁড়াল। তারপর তাকাল গাফের দিকে। ‘শুনেছি, কিন্তু বিশ্বাস করতে পারছি না।’

    ‘তোমার বিশ্বাস অবিশ্বাসে কিছু এসে যায় না,’ বৃদ্ধ বললেন বিছানা থেকে। ‘নার্স যা নোট করেছে সব সত্যি। কাগজটা দাও আমাকে, আমি সই করে দিচ্ছি,’ হাত পাতলেন তিনি।

    গাফের সই করা পর্যন্ত অপেক্ষা করল রানা। তারপর সার্জেন্টকে বলল, ‘পুসির বিরুদ্ধে তুমি কি অভিযোগ আনবে বুঝতে পারছ তো? ও এখন তোমার দায়িত্বে। আত্মহত্যা যদি ঠেকাতে চাও, এক্ষুণি ওর হাতে হাতকড়া লাগাও।’

    পরিস্থিতি বুঝতে খুব বেশি সময় নিল না হ্যামিলটন। দ্রুত হাতকড়া লাগাল সে পুসির হাতে।

    ‘নার্সের কাছ থেকে বাকিটা জেনে নাও,’ বলল রানা। ‘আমি শীলা আর লংফেলোর কাছে যাচ্ছি।’

    ***

    ‘ছয়জনের মত খাবার, কফি ভর্তি বড় একটা কেটলি আর তিন গ্যালন পানির ব্যবস্থা করো, ডিকসন।’ বলল শীলা। ‘জলদি!’

    ‘পানি, মিস ক্লিফোর্ড?’

    ‘হ্যাঁ-হ্যাঁ, পানি। আর ছয়জনের মত খাবার।’

    ‘কিন্তু আপনারা মানুষ তিনজন…’

    হেসে উঠল শীলা। হাসতে হাসতেই ডিকসনের কৌতুকের ছাপ-মাখা মুখের উপর দরজাটা বন্ধ করে দিয়ে ঘুরল, এগিয়ে এসে দাঁড়াল রানার সামনে, প্রায় বুকে বুক ঠেকিয়ে। দু’হাত তুলে জড়িয়ে ধরল রানার গলা। টানছে নিজের দিকে।

    খড়মড় করে আওয়াজ হলো ওয়্যারলেস সেটে। রিস্টওয়াচ দেখল রানা। হেলিকপ্টারে করে পারকিনসনদের বাড়ি থেকে ফেরার পর তিন ঘণ্টা পেরিয়েছে মাত্র। একটা ওয়্যারলেস সেট চেয়ে নিয়েছে সে হ্যামিলটনের সাথে যোগাযোগ রাখার জন্যে। কথা আছে, যখন যা হয় জানাবে হ্যামিলটন ওকে। হাত বাড়িয়ে রিসিভারটা তুলে নিল সে।

    ‘রানা।’

    ‘হ্যামিলটন। মি. রানা, অসংখ্য ধন্যবাদ আপনাকে। ম্যাপে আপনার দেখানো জায়গার কাছাকাছিই বয়েডকে ধরতে পেরেছি আমরা, তবে…’

    ‘তবে?’

    ‘একজন লোককে হারাতে হয়েছে আমাদের। বয়েড তার খুলি উড়িয়ে দিয়েছে।’

    ‘দুঃখিত।’

    ‘আপনার জবানবন্দী দরকার হবে। কখন আসব?’

    ‘এই, বিকেল চারটে নাগাদ?’

    ‘আচ্ছা, ঠিক আছে।’ কথা না বাড়িয়ে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিল হ্যামিলটন।

    রিসিভার নামিয়ে রাখল রানা।

    চোখে চোখে চেয়ে রইল দু’জন কয়েক সেকেন্ড। নিজের অজান্তেই এগিয়ে গেল পরস্পরের দিকে। চুম্বকের মত টানছে দু’জন দু’জনকে। রানার বুকে মাথা রাখল শীলা। গাল ঘষল। রানার দু’হাত জড়িয়ে ধরল শীলার ক্ষীণ কটি। ধীরে ধীরে মুখ তুলল শীলা। ঠোঁটে বিচিত্র এক টুকরো নরম হাসি।

    এক পা দু’পা করে বিছানার কাছে চলে এসেছে দু’জন। এমন সময় দরজায় ঘা পড়তে শুরু করল ঘন ঘন।

    ‘কই হে, দরজা বন্ধ কেন? কি করছ তোমরা?’

    ‘দুর ছাই! বুড়ো লংফেলো! জ্বালিয়ে মারল দেখছি!’ বলেই হেসে উঠল শীলা। আছড়ে পড়ল রানার বুকে! ‘খুলছি না। ভাঙুক দরজা, ভেঙে দেখুক কি করছি!’

    * * *

    ⤶
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডেজার্ট গড – উইলবার স্মিথ
    Next Article মাসুদ রানা ০৩৪ – বিদেশী গুপ্তচর – ২

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }