Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০৬৩-৬৪ – গ্রাস

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প358 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গ্রাস – ৭

    সাত

    অন্ধকার থাকতে শীলার কাছ থেকে বিদায় নিয়ে বেরিয়ে পড়ল রানা। বেশ অবাক হয়েছে ও শীলাকে একটু গম্ভীর হয়ে থাকতে দেখে। তার মৌনতাও অস্বাভাবিক লেগেছে ওর। উপাদেয় এবং পরিমাণে প্রচুর রেকফাস্টের ব্যবস্থা অবশ্য করেছিল শীলা, কিন্তু সে তো যে-কোন সুগৃহিণী তার শত্রুর জন্যেও করে থাকে। রাত পোহাতেই ওর উপর বিরূপ হয়ে ওঠার কি কারণ ঘটল শীলার ভেবে পায়নি ও। পারকিনসনদের হয়ে ও কাজ করছে এ কথাটা বেশি করে মনে পড়েছে বলে, নাকি রাতের বেলা কোনরকম ইঙ্গিত ওর কাছ থেকে আসেনি বলে কে জানে। মেয়েদের মনের খবর টের পাওয়া সহজ নয়।

    বিদায় নেবার আগে কথাপ্রসঙ্গে শীলাকে জানাল ও, ‘পারকিনসনদের বাঁধ তৈরি হলে তোমার এই সুন্দর বাড়িটার কিনারা পর্যন্ত উঠে আসবে পানি।

    ‘তুমি বলতে চাইছ ওরা আমার এলাকাও ডুবিয়ে দেবে? তা আমি হতে দিচ্ছি না। ওদেরকে জানিয়ে দিতে পারো, আমি বাধা দেব।’

    ‘তা জানাতে পারব,’ রাইফেল তুলে নিয়ে বলল রানা। ‘চললাম। মুখের হাসিটা একবার দেখতে চাই, ক্লিফোর্ড।’

    কিন্তু নিঃশব্দে প্রত্যাখ্যান করল শীলা। হাসল না সে।

    তিন সেকেন্ড অপেক্ষা করার পর ঘুরে দাঁড়াল রানা। বেরিয়ে এল বাইরে। উপত্যকার আধাআধি নেমে একবার মাত্র পিছন ফিরে তাকাল ও। বাড়ির সামনে বা জানালার কোথাও দেখল না শীলাকে। শীলার বদলে আরেকজনকে দেখল রানা। হলিউড কাউবয়ের ভঙ্গিতে দু’পা ফাঁক করে উপত্যকার মাথায় দাঁড়িয়ে আছে বিগ প্যাট। রানা সত্যি দূর হচ্ছে কিনা নিশ্চিত হবার জন্যেই তাকিয়ে আছে বোধ হয়।

    পারকিনসনদের বাকি এলাকা সার্ভে করতে আর মাত্র দুটো দিন লাগল রানার। হাতে একদিন থাকতেই ওর মেইন ক্যাম্পে ফিরে এল ও। পরদিন নির্দিষ্ট সময়ে ল্যান্ড করল হেলিকপ্টার। একঘন্টা পর পৌঁছে গেল রানা ফোর্ট ফ্যারেলে।

    পারকিনসন হাউজ, হোটেল অ্যান্ড বার-এ নিজস্ব স্যুইটে ফিরল রানা। প্রচুর সময় নিয়ে বাথটাবে গড়াগড়ি করল, গলা ভেজাল এবং নানা প্রসঙ্গে চিন্তাভাবনা করল। টেলিফোন বাজছে। কিন্তু হাত বাড়িয়ে রিসিভার তুলল না। একসময় সেটা থেমেও গেল। বয়েডের সাথে দেখা ওকে করতে হবে, তারপর সংকেলোকে খুঁজে বের করা দরকার। আরও কিছু প্রশ্ন আছে এর।

    কাপড় পরা শেষ হতে তৃতীয়বার বাজতে শুরু করল টেলিফোন। হাত বাড়িয়ে এবার রিসিভার তুলল রানা। ‘হ্যালো।’

    ‘রানা?’

    ‘বলছি।’

    ‘খবর পেয়েছি অনেক আগেই ফিরেছ তুমি’, বয়েড পারকিনসনের অসহিষ্ণু কণ্ঠস্বর। ‘কি করছ এতক্ষণ ধরে। কোথায় ছিলে? এর আগেও দু‘বার ফোন করেছি আমি…’

    ‘গানটান গাইছিলাম,’ বলল রানা। পাঁচ সেকেন্ড চুপ করে থাকার পর কন্ঠস্বরে কাঠিন্য ফুটিয়ে আবার বলল, ‘আমি কারও হুকুমের চাকর নই, বয়েড। আমার সময় হলে তোমার সাথে দেখা করব।’

    কথাটা হজম করার জন্যে লম্বা একটা সময় নিল বয়েড। রানা জানে, কারও জন্যে অপেক্ষা করতে অভ্যস্ত নয় লোকটা, অস্বাভাবিক শান্ত লাগল ওর কানে বয়েডের কন্ঠস্বর, ‘ঠিক আছে, একটু তাড়াতাড়ি করো। বেড়ানোটা কেমন উপভোগ্য হয়েছে?’

    ‘মোটামুটি। লিখিত একটা রিপোর্ট তুমি পাবে আমার কাছ থেকে; কাইনোক্সি উপত্যকায় এমন কিছু নেই যার জন্য মাইনিং অপারেশনের ঝামেলা পোহাতে যেতে পারে। আমায় রিপোর্টে বিস্তারিত সবই বলব আমি।’

    ‘বুঝেছি, বুঝেছি! এইটুকুই জানতে চেয়েছিলাম!’ ফোনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিল সে।

    রিসিভার নামিয়ে রেখে সোফায় হেলান দিয়ে বসল রানা। পায়ের উপর পা তুলে দিয়ে গ্লাসের অবশিষ্ট হুইস্কিটুকু দু’ঢোকে নিঃশেষ করল। ক্রেডল থেকে রিসিভার তুলল আবার। ডায়াল করল উইকলি ফোর্ট ফ্যারেলের নাম্বারে।

    মেয়েলি একটা কণ্ঠস্বর জানাল,’ লংফেলো বাইরে কোথাও গেছেন। আধঘণ্টার মধ্যে ফেরার কথা।’

    ‘তাকে বলো আমি মাসুদ রানা, একঘণ্টা পর তার সাথে দেখা করতে চাই গ্রীক কফি হাউজে।’

    ***

    হোটেল থেকে বেক্সিয়ে বয়েডের অফিস বিল্ডিঙে পৌছাল রানা । এবার আরও দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষা করিয়ে রাখল বয়েড ওকে। পঞ্চাশ মিনিট পর রিসেপশনিস্ট মেয়েটা ভিতরে ঢোকার অনুমতি দিল ওকে।

    ‘গ্লাড টু সি ইউ’, এবারও বসতে বলল না বয়েড রানাকে। ‘কোন অসুবিধে হয়নি তো?’

    বসল রানা। পাল্টা প্রশ্ন করল, ‘তুমি জানতে অসুবিধে হতে পারে?’

    ‘না-না। তা নয়। আমি জানি অত্যন্ত উপযুক্ত একজন বিশেষজ্ঞকে দায়িত্ব দিয়েছি আমি।’

    ‘ধন্যবাদ’, শুকনো গলায় বলল রানা। ‘একটা ছোট্ট ঘটনার কথা তোমার জানা দরকার। লোকটা পুলিসের কাছে অভিযোগ করতেও পারে। বিগ প্যাট নামে কাউকে চেনো?’

    সিগার ধরাতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে বয়েড। ‘উত্তর প্রান্তে?’ রানার দিকে না তাকিয়েই জানতে চাইল।

    ‘হ্যাঁ, বাড়াবাড়ি করছিল, কষে একটা চড় দিয়েছি।’

    একটা সস্তুষ্টির ভাব ফুটে উঠল বয়েডের মুখে। ‘তার মানে গোটা এলাকাটাই সার্ভে করেছ তুমি।’

    ‘না, তা করিনি।’

    শিরদাড়া খাড়া করল বয়েড। ‘মানে? কি বলতে চাও? কেন করোনি?’

    ‘করিনি, কারণ, মেয়েদের সাথে হাতাহাতি করতে আমি অভ্যস্ত নই’, বলল রানা। ‘মিস ক্লিফোর্ড তার এলাকায় সার্ভে করতে দিতে রাজি হয়নি।’ বয়েডের দিকে একটু ঝুঁকল রানা। ‘নাথান মিলারের সাথে তোমার কথা হয়েছিল মিস ক্লিফোর্ডের সাথে এ ব্যাপাটা নিয়ে আলোচনা করবে তুমি। কিন্তু করোনি।’

    ‘ওর খোঁজ নেয়ার চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পাইনি’, দুই আঙুলে তবলার মত টেবিল বাজাচ্ছে বয়েড। ‘কিছু এসে যায় না। তারপর কি হলো?’ আগ্রহ উপচে পড়তে চাইছে চোখ মুখ থেকে, কিন্তু সেটা লুকাবার চেষ্টাও করছে সেই সাথে।

    ‘হবার আর কি আছে। বাকি এলাকায় খনিজ পদার্থ তেমন কিছু নেই।’

    ‘তেল বা গ্যাসের কোন লক্ষণই দেখতে পাওনি?’

    ‘না।’

    ‘রিপোর্টের কথা কি যেন বলছিলে ফোনে?’

    ‘আগামীকাল।’

    ‘তাড়াতাড়ি, কেমন?’ বয়েড ব্যস্ততার সাথে বসল।  ‘হিসেব করে তোমার মোট যা পাওনা হয় তাও কাল পেয়ে যাবে। কোথায় যাবে এখান থেকে?’

    ‘জানি না। এখনও কিছু ঠিক করিনি।’

    হঠাৎ সিগারের প্যাকেটটা বাড়িয়ে দিল বয়েড রানার দিকে।

    ‘চলবে নাকি?’

    ‘না।’

    ‘কি জানো, ফোর্ট ফ্যারেল ছোট্ট জায়গা, তোমার মত দুনিয়া ঘোরা লোকের পছন্দ না হবারই কথা। তাই অন্য কোন কাজ দিয়ে তোমাকে এখানে আট রাখতে চাই না। নিশ্চয়ই এ ক’দিনে বিরক্ত হয়ে উঠেছ ফোর্ট ফ্যারেলের ওপর? কোনরকম বৈচিত্র্য নেই –’

    ‘নেই বুঝি?’

    ‘কোথায়। পিচ্চি শহরে, থাকবেই বা কি বলো?’

    ‘তোমরা তাহলে বছরের পর বছর থাকছ কিভাবে? অন্যরকম মজা পেয়ে গেছ বুঝি?’

    থমকে গেল বয়েড। চেয়ে রইল রানার দিকে। তাড়াতাড়ি বলল, ‘অন্যরকম মজা বলতে নিশ্চয়ই তুমি ব্যবসার কথা বোঝাতে চাইছ। ব্যাপারটা ঠিকই ধরেছ তুমি, রানা প্রচণ্ড রেটেখুটে এতগুলো ব্যবসা দাঁড় করিয়েছি আমরা যে ইচ্ছে থাকলেও এর মায়াজাল কেটে বেরোতে পারব না –’

    ‘যদি কেউ টেনে হিচড়ে বের না করে দেয়; কি বলো?’

    ‘তুমি–ঠিক বুঝলাম না তোমার কথা, রানা?’

    ‘আমি কি বলতে চাইছি বুঝতে পারছ না? ধরো, কেউ যদি যেচে পড়ে একটা অন্যায়ের প্রতিবিধান করতে চায়?’

    পেপার-ওয়েটটা মুঠোয় চেপে ধরছে বয়েড। ‘কি বলছ এসব তুমি?’

    ‘ব্যবসার ঝামেলা তোমার মাথায় চেপে বসেছে, এটা একটা অন্যায় নয়। কে চাপাল, কেন চাপাল?—ধরো,’ দ্রুত কথা বলছে রানা, ‘কেউ যদি তোমাদেরকে এই ঝামেলা থেকে মুক্ত করতে চায়—সেটা উচিত কাজ হবে না?’

    বয়েডের কপালে এত তাড়াতাড়ি ঘাম ছুটে উঠতে দেখে মনে মনে হাসল রানা।

    ‘যা বলতে তা আরও পরিষ্কার করে বলো রানা।’ কঠিন, থমথমে কণ্ঠস্বর বয়েডের। নার্ভাসনেসটা লুকিয়ে রাখার প্রাণপণ চেষ্টা করছে, ধরতে পারল রানা।

    ‘আমি বলতে চাইছি বিবেকসম্পন্ন সাহসী কোন লোকের কথা। সে যদি তোমাদেরকে এই ঝামেলা থেকে মুক্তি দেয়? যদি তোমাদেরকে ফোর্ট ফ্যারেল থেকে অন্য কোথাও পাঠিয়ে দেয়?’

    ‘অন্য কোথাও! কোথায়?’ উঠে দাঁড়াতে গিয়ে নিজেকে কোনমতে সামলে নিল বয়েড।

    ‘যেখানে অনারকম মজা নেই, আমি বলতে চাইছি, ব্যবসার ঝামেলা নেই। ধরো, ব্রিটিশ কলম্বিয়ার রাজধানীর কোন জায়গায় যেখানে অনেক ব্যবসার জটিল জালে আটকে থাকতে হবে না।’ বিস্ফোরণের সময় ঘনিয়ে এসেছে বুঝতে পেরে সামাল দেবার প্রয়োজন বোধ করল রানা। ‘তুমি আসলে আমার বক্তব্য বুঝতে পারছ না বয়েড। সেজন্য দায়ী আমি নই, দায়ী তোমাদের অপরাধবোধ। সে থাক, শোনো তাহলে–আমার কথাই ধরো, যদি এমন ব্যবস্থা করি তোমাদের একঘেয়েমি কাটাবার জন্যে কোথাও বেড়াতে নিয়ে গেলাম কদিনের জন্যে ঘুরে-বেড়িয়ে, হাসি-তামাশা করে, সময়টাকে আনন্দ গানে উপভোগ করে এলে—কেমন হবে সেটা?’

    ‘জানি না,’ দাঁতে দাঁত চেপে বলল বয়েড। ‘দূর হও তুমি আমার সামনে থেকে।’

    ‘সে কি! তুমিই না দুঃখ করে বলছিলে যে ব্যবসার জালে আটকা পড়ে আছ?’

    ‘আমাকে ধৈর্য হারাতে বাধ্য কোরো না, রানা,’ উঠে দাড়াল বয়েড। ট্রাউজারের দু‘পকেটে হাত ভরল। ‘তোমার বাজে প্রলাপ শোনার সময় আমার নেই। কাল সকালে এসে রিপোর্ট দিয়ে টাকা নিয়ে যেয়ো। এখন তুমি বেরোও।’

    উঠল রানা। মুচকি হাসল। ‘বুঝলাম না!’

    রানার দিকে পিছন ফিরতে গিয়ে হঠাৎ থমকাল বয়েড। ‘কি বুঝলে না?’

    ‘তুমি এত ভয় পাচ্ছ কেন? কি এমন বলেছি আমি?’

    পকেট থেকে ডান হাতটা বের করল বয়েড। অস্বাভাবিক শান্ত দেখাচ্ছে হঠাৎ তাকে। মুখের কাছে পিস্তলটা তুলে গভীর মনোযোগের সাথে নলের ফুটোটা দেখছে। ‘এখনও দাঁড়িয়ে আছ?’ ঠাণ্ডা গলায় বলল সে।

    ‘গুলি করবে না তাহলে?’ বাঁকা হেসে বলল রানা। ‘ওটা বের করতে দেখে ভাবলাম আমাকে বোধহয় চলে যেতে দিতে চাইছ না। ঠিক আছে, বলছ যখন যাচ্ছি। আবার দেখা হবে।’

    পিছন ফিরল রানা। পা বাড়াল দরজার দিকে। গুলি করবে? দ্রুত ভাবছে রানা। ইচ্ছা হলো ঘাড় ফিরিয়ে দেখার, কি করছে বয়েড। কিন্তু দুর্বলতা প্রকাশ পাবে ভেবে দমন করল নিজেকে।

    দরজার কাছে থামল রানা। নব ধরে কবাট দুটো খুলল। পিছনে কোন শব্দ নেই।

    চৌকাঠ টপকে বেরিয়ে এল রানা বাইরে। তারপর দরজাটা বন্ধ করার জনো ঘুরে দাঁড়াল।

    দেখল, দ্রুত নামিয়ে নিল বয়েড হাতের পিস্তলটা। অন্যদিকে তাকাল। বুঝতে অসুবিধে হলো না রানার, এতক্ষণ ওর মাথার পিছনে তাক করে রেখেছিল পিস্তলটা।

    ***

    ক্লিফোর্ড পার্কের সামনে দিয়ে হাঁটছে রানা। চোখে পড়ল, সেই একই ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে লেফটেন্যান্ট ফ্যারেল কবুতরগুলোর খুঁটে খাওয়া দেখছে। গ্রীক কফি হাউজে চার পাঁচজন লোক গল্প-গুজব করছে। রানাকে ঢুকতে দেখে প্রত্যেকে মুখ তুলে তাকাল।

    ওদের কাছাকাছি একটা টেবিলে বসল রানা। লংফেলো আসেনি। যা ভেবেছিল ও, লোকগুলো
    ওকে দেখে মৌনতা অবলম্বন করেছে। কফির অর্ডার দিতে ওয়েটার ফিরে গেছে। লোকগুলো ভুলেও আর তাকাচ্ছে না। তার পৌছুবার আগেই পাঁচজন একসাথে উঠে পড়ল চেয়ার ছেড়ে। মিছিল করে বেরিয়ে গেল বাইরে।

    কফি দিয়ে গেল ওয়েটার। কাপে চামচ দিয়ে চিনি নাড়তে নাড়তে ভাবছে রানা শহরের লোকেরা এখন জানে, ফোর্ট ফ্যারেলে একজন লোক এসেছে যে বয়েড পারকিনসনকে সম্মান দেখিয়ে কথা বলতে রাজি নয়। জানে, গোরস্থানে গিয়ে ক্লিফোর্ড পরিবারের কবর খুঁজেছে সে। প্রসঙ্গটা বয়েড কেন তুলল না? এটা একটা রহস্য। হয়তো প্রশ্ন করলে প্রসঙ্গটার গুরুত্ব বেড়ে যাবে মনে করে মুখ খোলেনি সে।

    ‘এখনই এত চিন্তায় পড়ে গেছ, ভায়া?’

    সংবিৎ ফিরল রানার। ধপ করে সামনের চেয়ারটায় বসল লংফেলো।

    ‘দেখো, নাতি,’ বুড়ো মুচকি মুচকি হাসছে, ‘এত তাড়াতাড়ি মুষড়ে পড়লে কিন্তু চলবে না? কি হয়েছে কি? ’

    মৃদু হাসল রানা। হাত তুলে ওয়েটারকে আর এক কাপ কফি দেবার জন্যে ইঙ্গিত করল। ‘আচ্ছা, দাদু, শীলা ক্লিফোর্ড এখানেই রয়েছে তা আমাকে বলোনি তুমি!’

    ‘কেন, ঝগড়া বাধিয়ে এসেছ বুঝি?’ হাসল বুড়ো। ‘বড্ড দেমাক ছুঁড়ির, তা ঠিক। বলিনি, তার কারণ আমি চেয়েছিলাম তুমি নিজেই আবিষ্কার করো ওকে।’

    ‘বাঁধ তৈরি করতে বাধা দেবে সে,’ বলল রানা। ‘বিগ প্যাটকে চেনো?’

    ‘বখাটে এক ছোকরা। গুণ্ডামির সুযোগ পেলে ছাড়ে না। কেন?’

    ‘এমনি জানতে চাইছি। কিন্তু শীলা ক্লিফোর্ড ওকে পুষছে কেন?’

    ‘হয়তো ভেবেছে দুঃসাহসী একজন লোক থাকলে নিরাপত্তার দিকটা দেখবে সে।’

    ‘শেষ কবে দেখা হয়েছে তোমার সাথে?’

    ‘শীলার সাথে? মাসখানেক তো হবেই, কায়রো থেকে আসার পরপরই।’

    ‘সেই থেকে উপত্যকায় আছে ও?’

    ‘হ্যাঁ, যতদূর জানি। আর কোথাও থাকার জায়গা নেই তার।’

    কপ্টার নিয়ে ওখানে ইচ্ছে করলেই যেতে পারত বয়েড, ভাবল রানা। মাত্র পঞ্চাশ মাইলের দূরত্ব। গেলেই দেখা হত শীলার সাথে। কিন্তু যায়নি। কেন?

    ‘আচ্ছা, বয়েডের সাথে শীলার ব্যাপারটা কি?’

    খুক খুক করে কাশল বুড়ো। ‘বয়েড ওকে বিয়ে করার জন্যে পাগল। কিন্তু সে গুড়ে বালি। পিতা এবং পুত্র সম্পর্কে শীলা এমন সব কথা বলে, কানে আঙুল না দিয়ে উপায় থাকে না।’

    ‘বাঁধ দিলে শীলার এলাকাটা ডুববে। শীলা তা হতে দিতে চায় না। এ ব্যাপারে তোমাদের এখানকার আইন কি বলে?’

    ‘আইনের বক্তব্য একটু প্যাঁচ খেলানো।’

    ‘কি রকম?’

    ‘এমনিতে ব্যক্তিগত কোন উন্নয়ন সংক্রান্ত উদ্যোগের ফলে জনসাধারণের যদি ক্ষতি হবার আশঙ্কা থাকে তাহলে উদ্যোক্তাকে সরকার নিরাশ করে থাকে, কিন্তু উদ্যোক্তা যদি প্রমাণ করতে পারে যে তার উদ্যোগের ফলে দেশ এবং অধিকাংশ লোকের উপকার হবে তাহলে কে ক্ষতিগ্রস্ত হলো না হলো সে ব্যাপারে সরকার মাথা ঘামাতে রাজি নয়, বরং উদ্যোক্তাকেই সবরকম সাহায্য সহযোগিতা দিয়ে থাকে।’

    ‘হুঁ।’

    ‘উইকলি ফোর্ট ফ্যারেল ইতিমধ্যেই তার ভূমিকা পালন করতে শুরু করেছে।’

    মুখ তুলে তাকাল রানা। দৃষ্টিতে প্রশ্ন।

    ‘জে-আজ্ঞে-হুজুর, ওরফে আমাদের সম্পাদক কার্ল ডেট জার গত তিন মাস থেকে প্রবন্ধ লিখে ছাপছে। বুঝতেই পারছ, প্রবন্ধগুলোর মূল প্রতিপাদ্য বিষয় কি!’

    ‘বাঁধের যৌক্তিকতা ব্যাখ্যা। বাঁধ দিলে মানুষের এই উপকার হবে, সেই উপকার হবে।’

    ‘ঠিক তাই।’

    ওয়েটার এসে কফি দিয়ে গেল লংফেলোকে। তাড়াহুড়ো করে চুমুক দিতে গিয়ে জিভ পুড়িয়ে ফেলল সে। রানাকে হাসতে দেখে তেলেবেগুনে জ্বলে উঠল। ‘অনেকগুলো দিন তো গায়ে বাতাস লাগিয়ে কাটিয়ে দিলে। কি করবে ভেবেছ কিছু?’

    গম্ভীর হলো রানা। বলল, ‘আমার করার কিছু আছে বলে মনে করো তুমি, মিস্টার লংফেলো? আপাতত ওদেরকে খোঁচা দিয়ে দেখতে চেষ্টা করা শুধু, কি রকম প্রতিক্রিয়া হয়। যেখানে খোঁচা খেয়ে সবচেয়ে বেশি লাফ দেবে সেখানেই খুঁড়তে হবে আমাকে।’

    ‘খোঁচা দিতে দেরি করছ কেন তাহলে?’

    ‘দেরি করছি কে বলল তোমাকে?’ হাসতে শুরু করল রানা। অন্তত একটা জায়গায় খোঁচা মারা হয়ে গেছে আমার।’

    ‘তাই নাকি? প্রতিক্রিয়া?’

    চিন্তিত দেখল লংফেলো রানাকে। মৃদু কণ্ঠে বলতে শুনল, ‘প্রথম খোঁচাটাই সম্ভবত ঠিক জায়গায় দিতে পেরেছি, মি. লংফেলো। ব্যাপারটা ওদের কাছে অপ্রত্যাশিত, তাই প্রতিক্রিয়া দমন করার চেষ্টা করছে।’

    ‘তার মানে তুমি বলতে চাইছ শত্রুপক্ষ সাবধান হয়ে গেছে?’

    ‘না,’ বলল রানা, ‘তা নয়। আসলে এখনও ওরা বুঝতে পারছে না আমি ওদের জন্যে কতটা বিপজ্জনক। আরও কিছু ঘটনার জন্যে অপেক্ষা করছে। চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল রানা। ‘একটা রিপোর্ট তৈরি করতে হবে আমাকে, চললাম।’

    চাপা কণ্ঠে জানতে চাইল বৃদ্ধ, ‘কিন্তু আরও কিছু ঘটনার কথা বললে-তার কি হবে?’

    ‘আগামীকাল ঘটাব,’ বলে কফি হাউজ থেকে বেরিয়ে পড়ল রানা। ওর গমনপথের দিকে একদৃষ্টিতে চেয়ে থাকল লংফেলো। রানা অদৃশ্য হয়ে যেতে বিড় বিড় করে বলল, ‘মনে হচ্ছে যেমন বুনো ওল, তেমনি বাঘা তেঁতুল!’

    ***

    রানার বাড়ানো হাত থেকে টাইপ করা কাগজগুলো নিল বয়েড পারকিনসন। ভাঁজ না খুলে ছুঁড়ে মারল পাশের ওয়েস্ট-পেপার বাস্কেটে। ‘রানা, আমার প্রশ্নের সোজা উত্তর চাই আমি। গতকাল যা বলেছ তাছাড়া আর কি আলাপ হয়েছে তোমার সাথে শীলার?’

    ‘উত্তর দেয়া না দেয়া আমার ইচ্ছের ওপর নির্ভর করে, তাই নয় কি?’ বয়েডের রক্তচক্ষুর সামনে সাবলীল ভঙ্গিতে হাসছে রানা।

    ডেস্কে ঘুসিটা পড়তে পেপার-ওয়েটসহ কয়েকটা জিনিস লাফিয়ে উঠল। ‘উত্তর আমি চাই! দেবে কি দেবে না বলো!’

    ‘কেমন ঘুসি হলো ওটা?’ সকৌতুকে জানতে চাইল রানা। ‘এক ঘুসিতে ডেস্কটাই ভাঙতে পারো না, তবু গায়ের জোর দেখাতে যাও কোন্ মুখে? এই দেখো’, মুঠো করা হাতটা শূন্যে তুলে বিদ্যুৎ বেগে ডেস্কের উপর নামিয়ে আনল রানা।

    ডেস্কের মাঝখানটা চড়াৎ করে ফেটে গিয়ে একটা গর্ত সৃষ্টি হলো। সেটার ভিতর কব্জি পর্যন্ত ঢুকে গেছে রানার হাত। ঢোক গিলল বয়েড, দু‘চোখে অবিশ্বাস ভরা দৃষ্টি। পরমুহূর্তে হুঙ্কার ছাড়ল সে, ‘এটা আমার বাবার বন্ধুর উপহার দেয়া ডেস্ক, এর দাম আমি কেটে নেব…’

    ‘তোমার বাবার বন্ধু? হাডসন ক্লিফোর্ড?’ কণ্ঠে ব্যঙ্গ ঝরছে রানার। ‘বুক কাঁপে না তোমার তাঁর নাম উচ্চারণ করতে, বয়েড?’

    ‘বস্, আমাদেরকে প্রয়োজন আছে আপনার?’ পিছন থেকে আওয়াজটা এল। ঘাড় ফেরাল রানা। দরজা জুড়ে দাঁড়িয়ে আছে এক লোক। তার পিছনে আরও কয়েকজনের উপস্থিতি টের পাওয়া যাচ্ছে, কিন্তু সংখ্যায় ক’জন ঠিক বুঝতে পারল না রানা।

    ‘আশপাশেই থাকো,’ দ্রুত বলল বয়েড, ‘প্রয়োজন হলে ডাকব।’

    বয়েডের দিকে ফিরল রানা। শব্দ শুনে বুঝল, দরজাটা বন্ধ হয়ে গেল আবার। আবেদনের ভঙ্গি ফুটিয়ে তুলল রানা। ‘যদি অনুমতি দাও, একটা অট্টহাসি দিতে চাই, বয়েড!’ কিন্তু অনুমতির অপেক্ষায় না থেকে হো-হো করে হেসে উঠল ও। ‘তুমি থিয়েটারের ভাঁড় নাকি হে, বয়েড?’ কোনমতে হাসি থামিয়ে বলল রানা, ‘ওদের সাহায্য নিয়ে আমাকে শায়েস্তা করতে চাও? আচ্ছা, আমার অপরাধটা কি, জানতে পারি কি?’ একটা ব্যাপার রহস্যময় লাগছে ওর, খোঁচা খেলেও তা নিঃশব্দে হজম করছে বয়েড, কোন প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করছে না। গোরস্থানে যাবার প্রসঙ্গটা তোলেনি সে। এখন হার্ডসন ক্লিফোর্ডের প্রসঙ্গে যে-খোঁচাটা মারল সেটারও কোন প্রতিক্রিয়া নেই।

    সামলে নিয়েছে বয়েড নিজেকে। কঠিন কিন্তু শান্ত দেখাচ্ছে মুখের চেহারা। ‘শীলার বাড়িতে গিয়েছিলে তুমি?’

    ‘গিয়েছিলাম,’ বলল রানা। ‘সে তোমারই স্বার্থে। ভেবেছিলাম তাকে শান্ত করতে পারলে তার এলাকাটা সার্ভে করার অনুমিতি পাব।’

    ‘ওর সঙ্গে রাতটাও কি আমার স্বার্থেই কাটিয়েছ?’

    থমকে গেল রানা। বুঝতে পারল, ঈর্ষায় পুড়ছে বয়েড। কিন্তু এ খবর সে পেল কোত্থেকে? দ্রুত চিন্তা করছে ও। শীলার কাছ থেকে শোনেনি। তাহলে? উপত্যকার উপর বিগ প্যাটের দু‘পা ফাঁক করে দাঁড়িয়ে থাকার ছবিটা চোখের সামনে ভেসে উঠল। মার খেয়ে হজম করতে না পেরে প্রতিশোধ নিতে চেষ্টা করেছে সে বয়েডের কানে খবরটা পাচার করে দিয়ে। শীলার প্রতি বয়েডের দুর্বলতার কথা অজানা থাকার কথা নয় তার।

    ‘না,’ মধুর ভঙ্গিতে হাসল রানা, ‘রাতটা আমি নিজের স্বার্থেই কাটিয়েছি।’

    মুখের ধবল চামড়ার নিচে রক্ত জমে উঠল বয়েডের। সটান উঠে দাঁড়াল দু‘পায়ে ভর দিয়ে। ‘এর একটা বিহিত না করলেই নয়! তোমার এই অপরাধের ক্ষমা নেই, রানা। শীলা ক্লিফোর্ডের ব্যাপারে আমরা কতটুকু কনসার্ন্‌ড তা তোমাকে বুঝিয়ে দিতে চাই। তার সুনাম ক্ষুণ্ণ হবে এ আমরা কিছুতেই সহ্য করতে পারি না।’ ডেস্ক ঘুরে এগিয়ে আসতে শুরু করেছে সে। বুঝতে অসুবিধে হলো না রানার, ওকে এক হাত দেখাতে চাইছে বয়েড।

    ‘বয়েড,’ বলল রানা, এই ফাঁকে দ্রুত ভেবে নিচ্ছে পরিস্থিতিটা, ‘শীলা ক্লিফোর্ড শিশু নয়, নিজেকে এবং নিজের সুনাম কিভাবে রক্ষা করতে হয় তা তার ভালই জানা আছে।’ পারকিনসন বিল্ডিং থেকে বেরিয়ে যাবার সবগুলো পথ বন্ধ করে রেখেছে বয়েড; কোন সন্দেহ নেই। মারপিট করে পথ তৈরি করা সম্ভব, কিন্তু তার আগে জানতে হবে ওকে বাধা দেবার জন্যে কতটা কি করার কথা ভেবেছে ওরা। যদি স্থির করে থাকে আটকাবার জন্যে দরকার হলে খুলি ফুটো করবে, তাহলে বিপদের কথাই বটে। ‘যার সুনাম নিয়ে আলোচনা করছ সে তোমাকে কতটুকু পছন্দ করে সে খবর রাখো? আর শোনো, যদি ভেবে থাকো লোকজনের সাহায্য নিয়ে আমার গায়ে হাত তুলতে পারবে, ভুল করছ তুমি। ঠাট্টা করছি না, দু‘হাতে তুলে ওই জানালাটা দিয়ে নিচে ফেলে দেব তোমাকে। হাসপাতালে পৌঁছুবার আগেই নিশ্চল হয়ে যাবে হার্ট, সন্ধ্যানাগাদ ফোর্ট ফ্যারেলের লোকেরা ক্লিফোর্ডদের পাশে পুঁতে দিয়ে আসবে তোমাকে।’

    একটু থমকাল বয়েড। কিন্তু মাত্র আধ সেকেণ্ডের জন্যে। আবার এগিয়ে আসতে শুরু করল।

    ধীরে ধীরে চেয়ার ছাড়ল রানা। হাসছে। ‘মানুষ উদাহরণ দেখেও শিক্ষা পায় না,’ চোখের ইশারায় ডেস্কের মাঝখানটা দেখাল ও। ‘বুঝতে পারছি, ওই সাইজের একটা গর্ত চাইছ নিজের বুকে।’ মুঠো করা হাত দুটো মুখের সামনে তুলল রানা, বাতাসে বক্সিং চালাল কয়েকটা, সেই সাথে নাক দিয়ে হুহ্ হুঁহ্ করে শব্দ ছাড়ল। ‘বহুত আচ্ছা, দোস্ত, আগে বাড়ো!’

    থমকে দাঁড়িয়ে পড়ল বয়েড। আগুন ঝরছে দু‘চোখের দৃষ্টিতে।

    শরীরের পাশে নামিয়ে নিল রানা হাত দুটো। গাম্ভীর্যের সুর নকল করে বলল, ‘আমার পাওনা টাকা চাই আমি। এই মুহূর্তে।’

    হাতটা লম্বা করে দিল বয়েড। তর্জনী দিয়ে ডেস্কের উপর ফেলে রাখা একটা এনভেলাপ দেখাল। হিসহিস শব্দ বেরিয়ে এল দাঁতের ফাঁক দিয়ে, ‘ওটা নিয়ে দূর হয়ে যাও এখান থেকে। তিন ঘণ্টা সময় দিলাম, এরপর যেন ফোর্ট ফ্যারেলে তোমাকে দেখতে না পাই।’

    হাত বাড়িয়ে এনভেলাপটা নিল রানা। কোনা ছিঁড়ে মুখটা খুলল। উপুড় করে নাড়া দিতেই ডেস্কের উপর কাগজের টুকরো পড়ল একটা। সেটা তুলল ও। দেখল পারকিনসন ব্যাঙ্কের একটা চেক। প্রাপ্য টাকার অঙ্ক লেখা রয়েছে ঝরঝরে অক্ষরে!

    শার্টের বুক পকেটে সযত্নে ভরুল রানা চেকটা। তারপর মুখ তুলে তাকাল বয়েডের দিকে। ‘কি যেন বলছিলে তুমি?’

    ‘আগেই শুনেছ তুমি, দ্বিতীয়বার উচ্চারণ করার প্রয়োজন নেই,’ গোল করে কাটা মাথার চুলের নিচে কপালটায় কিছু বিন্দু ঘাম দেখতে পাচ্ছে রানা। ‘ফোর্ট ফ্যারেলে বয়েডের মুখের কথাই একমাত্র আইন,’ স্থির, নিষ্কম্প কণ্ঠস্বর বয়েডের, ‘আমার হুকুম যদি অমান্য করো, রানা… ক্লিফোর্ডদের ব্যাপারে বড় বেশি কৌতূহলী তুমি, ওদের পাশেই জ্যান্ত কবর দেব তোমাকে।’

    ‘তোমার শাস্তিটা এক ডিগ্রী বেশি ভয়ঙ্কর, স্বীকার করি,’ হাসছে রানা। ‘আমি তোমাকে জ্যান্ত কবর দেবার ভয় দেখাইনি। সে যাক, চললাম, বয়েড।’ ঘুরে দাঁড়াতে গিয়ে হঠাৎ থামল রানা। ‘ভাল কথা, উত্তরটা তুমি বোধ হয় জানতে চাও, তাই না?’

    চেয়ে আছে বয়েড। জবাব দেবার প্রয়োজন বোধ করছে না। বুঝতে পারছে, শুনতে না চাইলেও শুনিয়ে যাবে রানা।

    ‘ঝুঁকিটা আমি নেব,’ বলল রানা। ঘুরল। এগোল দরজার দিকে।

    ‘দাঁড়াও!’ কঠিন আদেশের সুরে পিছন থেকে বলল বয়েড।

    দরজার নব ছেড়ে দিয়ে ধীরে ধীরে ঘুরে দাঁড়াল রানা’। ‘আবার কি?’

    ‘ফোর্ট ফ্যারেলের গোরস্থানে কেন গিয়েছিলে তুমি?’

    ভুরু জোড়া একটু উপরে তুলল রানা, ‘প্রশ্নটা এত দেরিতে করলে যে? অনেকক্ষণ চেপে রেখেছিলে কষ্ট করে। কিন্তু এ প্রশ্নের উত্তর তোমার দরকার কেন?’

    ‘তোমার মালিককে গিয়ে বলো, সব আমি জানি—তোমার এ কথার অর্থ কি?’

    ‘একথা বলেছি তা তুমি জানলে কিভাবে? মালিকটা তুমিই তাহলে?’

    চুপ করে রইল বয়েড। তারপর বলল, ‘তুমি কি মনে করো প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বেরোতে পারবে এখান থেকে?’

    ‘মনে-টনে করতে অভ্যস্ত নই,’ বলল রানা, ‘আমি জানি, পারব।’

    ‘আমার একডাকে আড়াইশো লোক ছুটে আসবে। পারবে তুমি সবাইকে ঠেকাতে?’

    ‘ডাক দিয়ে জড় করেই দেখো!’ পিছন ফিরল রানা, হাত দিল দরজার নবে। তারপর টান দিল।

    হা-হা করে হেসে উঠল বয়েড।

    দরজায় তালা লাগিয়ে দিয়েছে কেউ বাইরে থেকে। নব ধরে টানতেও খুলল না।

    ‘তোমার সেই বিখ্যাত ঘুসি মারতে যেয়ো না আবার,’ পিছন থেকে বলল বয়েড। ‘ব্যথা পাওয়াই সার হবে, সিকি ইঞ্চিও দাবাতে পারবে না। ওটা স্টীলের পাত দিয়ে মোড়া। সাউণ্ড প্রুফও-অথাৎ গুলির আওয়াজ বাইরে যাবে না।’ হঠাৎ কঠিন এবং দ্রুত হলো রয়েডের গলার স্বর, ‘সাবধান! নোড়ো না! গুলি করছি—নড়লেই!’

    নড়ল না রানা। কার্পেটে জুতোর মচ মচ আওয়াজ শুনে বুঝল এগিয়ে আসছে বয়েড। আছে কি নেই জানা নেই ওর, কিন্তু কল্পনায় তার হাতে চকচকে নীলচে পিস্তলটা দেখতে পেল ও।

    শুনছে রানা। জুতোর শব্দ থামল ঠিক ওর পিছনে। শিরদাঁড়ায় শক্ত মত ঠেকল কিছু ৷

    ‘কে তুমি? কেন এসেছ ফোর্ট ফ্যারেলে?’ বয়েড উত্তেজিত! নিচু, গম্ভীর স্বরে প্রশ্ন করছে। ‘কি জানো তুমি ক্লিফোর্ডদের সম্পর্কে?’

    ঝন ঝন শব্দে বেজে উঠল ডেস্কের টেলিফোনটা।

    ‘জবাব দাও রানা,’ একঘেয়ে, চাপা কণ্ঠস্বর বয়েডের। ‘বিদেশী হয়ে ক্লিফোর্ডদের সম্পর্কে এত কৌতূহল কেন তোমার? কি চাও তুমি?’

    ‘আমি?’ বলল রানা, আবার টেলিফোন বাজছে বলে কয়েক মুহূর্ত চুপ করে থাকল ও, তারপর বলল, ‘চাওয়ার মত কি থাকতে পারে আমার? আমি একজন জিওলজিস্ট…’

    ‘বিশ্বাস করি না,’ বলল বয়েড, ‘হয়তো জিওলজিস্ট কিংবা নয়, ফোর্ট ফ্যারেলে অন্য কোন উদ্দেশ্য নিয়ে এসেছ তুমি।’

    ‘তুমিই বলো কি সেটা?’

    ‘রানা…’

    ঝপ করে বসে পড়ল রানা, কাঁধ দিয়ে বয়েডের হাঁটুতে ধাক্কা দিল একই সাথে। কিভাবে কি ঘটল বোঝার আগেই দেখল বয়েড কার্পেটের উপর চিৎ হয়ে শুয়ে আছে, সে। মাথা তুলতে যাবে, সশব্দে শূন্য থেকে পড়ল রানা তার বুকের উপর। ফস্কে গিয়ে ছুটে যাচ্ছে হাতের পিস্তলটা, সেটা শক্ত করে ধরে রাখতে চাইল, কিন্তু কনুইয়ের কাছে ছোট্ট একটা জুজুৎসুর চাপ পড়তেই কাৎরে উঠে আলগা করে দিল মুঠি।

    পিস্তলটা হাতে নিয়েই উঠে দাঁড়াল রানা। কলার ধরে টেনে দাঁড় করাল বয়েডকে। মৃদুকণ্ঠে বলল, ‘তুমি একটা ভীতুর ডিম। মিথ্যুক বিগ প্যাটের মতই। যাই হোক, প্রাণভরে আগা-পাশ-তলা ধোলাই করবার ইচ্ছে ছিল, কিন্তু ইচ্ছেটা আপাতত দমন করছি। কিন্তু মনে রেখো, আর বাড়াবাড়ি করলে সুদে-আসলে মিটিয়ে দেব পাওনা।’ বুড়ো আঙুল দিয়ে দরজার দিকে দেখাল, ‘খুলে দিতে বলো বেরিয়ে যাচ্ছি আমি। কেউ বাধা দিলে খুন হয়ে যাবে।’

    একপাশে সরে দাঁড়াল রানা। পাথরের মূর্তির মত দাঁড়িয়ে আছে বয়েড। নিজের অজান্তেই থর থর করে কাঁপছে গালের ডান পাশটা। চেনাই যাচ্ছে না তাকে। মুখটা সম্পূর্ণ নতুন লাগছে দেখতে। কয়েক সেকেণ্ডের চেষ্টায় কিছুটা সামলে নিল সে।

    ‘ঠিক আছে, মনে থাকবে আমার!’ দাঁতে দাঁত চেপে হিস হিস করে উঠল সে। এগিয়ে গিয়ে দরজার সামনে দাঁড়াল। আঙুল দিয়ে ঠক্‌ ঠক্‌ করে তিনবার টোকা দিল কবাটে।

    একসেকেণ্ড পরই খুলে গেল দরজা। তিন চারটে বড় বড় লালচে মুখ দেখল রানা। গলা বাড়িয়ে দিয়েছে দরজার ভিতর। বয়েডকে দেখে একযোগে টেনে নিল যে যার গলা। অবিশ্বাস ভরা চোখে চেয়ে থাকল।

    ঘেউ-ঘেউ-ঘেউ-ঘেউ করে চারটে শব্দ উচ্চারণ করল বয়েড, ‘সরে যা কুত্তার বাচ্চারা!’

    বাপের বাধ্য ছেলের মত এক নিমিষে সরে গিয়ে পথ করে দিল লোকগুলো।

    বয়েডের দিকে তাকাল না রানা। দৃঢ় পায়ে এগোল ও। হাতের পিস্তলটা ঘোরাতে ঘোরাতে বেরিয়ে এল করিডরে।

    করিডর ধরে হাঁটছে রানা। পিছন ফিরে তাকাচ্ছে না। থামল, শেষ মাথায়, এলিভেটরের সামনে। হাত বাড়িয়ে বোতাম টিপল। এক দুই করে দশ সেকেণ্ড কাটল। দরজা খুলে গেল এলিভেটরের। ভিতরে ঢুকল ও। তারপর ঘুরে দাঁড়াল দরজার দিকে মুখ করে।

    লম্বা করিডর। নির্জন, ফাঁকা। বয়েডের অফিসরুমের দরজাটা বন্ধ দেখল রানা। ভাবল, সম্ভবত রুদ্ধদ্বার কামরায় গোপন ট্রাইবুনালের অধিবেশনে বিচারপতির পদ ‘অলংকৃত করছে এই মুহূর্তে রয়েড পারকিনসন, ঘোষণা করছে আসামী মাসুদ রানার ‘মৃত্যুদণ্ড, রাগত কাঁপা গলায়।

    পারকিনসন বিল্ডিং থেকে বেরিয়ে এসে সোজা ব্যাঙ্কে গিয়ে ঢুকল রানা। চেকটা জমা দিয়ে টোকেন হাতে পেলেও সন্দেহটা দূর করতে পারল না মন থেকে; ইতিমধ্যেই ব্যাঙ্কে ফোন করে টাকা না দেবার নির্দেশ দেয়নি তো বয়েড?

    হয়তো ভুলে গেছে, কাউন্টার থেকে টাকা গুনে নিয়ে কোটের পকেটে ভরতে ভরতে ভাবল রানা। ব্যাঙ্ক থেকে বেরিয়ে সোজা বাস স্টেশনে পৌঁছুল। খবর নিয়ে জানল ফোর্ট ফ্যারেল থেকে পরবর্তী বাস ছাড়বে এক ঘণ্টা পর। টিকেট কিনে বেরিয়ে এল!

    হাতে মাত্র দুটো কাজ। ব্যাগ ব্যাগেজগুলো গোছগাছ করা, তারপর লংফেলোর সঙ্গে দেখা করে বিদায় নেয়া।

    হোটেলের রিসেপশনে ঢুকল রানা। রানাকে দেখে সম্ভবত দরজার আড়াল থেকেই ছিটকে বেরিয়ে এল ম্যানেজার।

    থমকে দাঁড়াল রানা।

    সামনে এসে থামল প্রৌঢ় ম্যানেজার। নেমে পড়া প্যান্টটা টেনে কোমরে তুলতে তুলতে ঢোক গিলল সে। তারপর আঙুল তুলে দেখাল দরজার পাশটা।

    সেদিকে তাকাল রানা। দেখল, ওর ব্যাগ ব্যাগেজগুলো নামিয়ে এনে ফেলে রাখা হয়েছে সেখানে।

    ‘আমাদের মালিক জানিয়েছেন আপনার মত সম্মানী ব্যক্তির স্থান এই নিচু স্তরের হোটেলে হওয়া উচিত নয়,’ হাত কচলাচ্ছে প্রৌঢ়। ‘দয়া করে অন্য কোন ভাল হোটেলে যদি ওঠেন…’

    মুচকি হাসল রানা। ‘ধন্যবাদ। ভাল হোটেল এখান থেকে কতদূর বলতে পারেন?’

    ‘এই শ-দেড়েক মাইল…’

    ‘ধন্যবাদ, ধন্যবাদ,’ হাসতে হাসতে বলল রানা। ব্যাগগুলো তুলে নিল কাঁধে। ‘আপনার মালিককে বলবেন, দেড়শো নয় দুশো মাইল দূরে চলে যাচ্ছি আমি। কিন্তু যাচ্ছি ফিরে আসার জন্যেই।’

    ‘জী, আচ্ছা, বলব,’ হঠাৎ চোখ কপালে উঠল লোকটার, ‘কি। কি বললেন?’

    রানা তখন বেরিয়ে যাচ্ছে রিসেপশন থেকে।

    ***

    রাগে উত্তেজনায় ঠক ঠক করে কাঁপছে বুড়ো লংফেলো। ‘কাপুরুষ। বেশ, দূর হও এবার আমার চোখের সামনে থেকে!’ কফি হাউজের দরজাটা দেখিয়ে দিল সে রানাকে। ‘বেরোও! সোজা বাসে চড়ে বিদায় হয়ে যাও ফোর্ট ফ্যারেল থেকে।’ নিজের কপালে বাঁ হাত দিয়ে চাটি মারল সে। ‘ইস্! এই ভীতুর ডিমটার ওপর আমি কিনা ভরসা করেছিলাম! ভাবতেও লজ্জা করছে আমার।’

    ‘আরে!’ অসহায়ভাবে কফি হাউজের চারদিকে তাকাল রানা। ভাবল, ভাগ্যিস ম্যানেজার ঘুমাচ্ছে আর ওয়েটারটাকে আগেই সিগারেট কিনতে পাঠিয়ে দিয়েছিল সে। ‘আগে সব কথা শোনোই না ছাই!’

    ‘সব কথা? কোন কথা শুনতে চাই না আমি আর। তুমি একটা কাপুরুষ, তোমার কথা আবার কি শুনব? ডেকে নিয়ে গিয়ে একটু ধমক দিয়েছে, অমনি কুঁকড়ে গেছ! পালাবার জন্যে…’

    কচু বুঝেছ তুমি!’ ধমকের সুরে বলল রানা, ‘ভীমরতি আর বলে কাকে! আরে, আমি কি বলেছি চলে গিয়ে আর ফিরব না? যাচ্ছি ফিরে আসার জন্যেই…’

    ‘কি? বোকা পেয়েছ আমাকে? ফিরে আসার জন্যে যাচ্ছ—বাহ্! কথার কি মার প্যাচ!’

    শান্তভাবে বলল রানা, ‘কোথায় যাচ্ছি তা যদি জানতে তাহলে বুঝতে ফিরে আসব কিনা।

    ফের সেই কথার প্যাচ,’ একটু প্রকৃতিস্থ হয়েছে লংফেলো। ‘কোথায় যাচ্ছ শুনি?’

    ‘ভ্যানকুভারে।’

    ভুরু কুঁচকে উঠল লংফেলোর। নামটার তাৎপর্য জানা আছে তার, কিন্তু এই মুহূর্তে স্মরণ করতে পারছে না।

    ওকে সাহায্য করল রানা। ‘কেনেথকে ভুলে গেছ এরই মধ্যে?’

    ‘ওহ্-হো! ভ্যানকুভার! ওখানেই পড়াশোনা করত কেনেথ।’ হঠাৎ রানার দিকে ঝুঁকে পড়ল বৃদ্ধ। ফিসফিস করে জানতে চাইল, ‘সত্যি? কিন্তু ওখানে কি পাওয়ার আশা করো তুমি, রানা?’

    ‘কি পাব তা জানি না,’ স্বীকার করল রানা, ‘গিয়ে খোঁজ খবর করা দরকার, তাই যাচ্ছি!’

    ‘কিন্তু কেনেথের যা বদনাম ওখানে, তার সাথে সম্পর্ক ছিল। একথা কেউ স্বীকারই করতে চাইবে না। ভেবেছ আমি যাইনি ওখানে?’

    হেসে ফেলল রানা। ‘তা ভাবিনি। কিন্তু তোমার যাওয়া আর আমার যাওয়ার মধ্যে বিরাট পার্থক্য আছে, মিস্টার লংফেলো।’

    ‘পার্থক্য?’

    ‘হ্যাঁ। তুমি যে ধ্যান-ধারণা নিয়ে গিয়েছিলে আমি ঠিক তার উল্টোটা নিয়ে যাচ্ছি!’

    ‘কিছুই বুঝলাম না। পরিষ্কার করে বলো।’

    ‘পরিষ্কার করে বলার সময় এখনও আসেনি;’ বলল রানা। ‘শুধু এইটুকু জেনে রাখো কেনেথের কয়েকটা ব্যাপার আমার কাছে অত্যন্ত রহস্যজনক মনে হয়েছে। নিশ্চিত হতে চাই আমি।’

    ‘তোমার একথার অর্থ?’

    হেসে উঠল রানা। ‘সব কথা প্রকাশ করার সময় এখনও আসেনি। শোনো, আজই চলে যাচ্ছি আমি। কবে নাগাদ ফিরতে পারব জানি না। ভ্যানকুভার থেকে আরও কয়েক জায়গায় যেতে হতে পারে। আমার অনুপস্থিতিতে তোমার কাজটা কি হবে বলো দেখি?’

    ‘চোখ কান খোলা রেখে সব ঘটনা নোট বুকে টুকে নেয়া।’

    ‘ঠিক,’ চোখ টিপল রানা। ‘তাহলে উঠতে পারি?’

    ‘প্রার্থনা করি ভালয় ভালয় ফিরে এসো।’

    ‘আর একটা কথা,’ বলল রানা, ‘একা কিছু করতে যেয়ো না ওদের বিরুদ্ধে, বুঝলে? ফিরে এসে যদি দেখি মারা পড়েছ, খুব খারাপ হয়ে যাবে বলে দিচ্ছি!’

    অপূর্ব একটুকরো হাসি ফুটে উঠল বৃদ্ধের মুখে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডেজার্ট গড – উইলবার স্মিথ
    Next Article মাসুদ রানা ০৩৪ – বিদেশী গুপ্তচর – ২

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }