Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ০৬৩-৬৪ – গ্রাস

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প358 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    গ্রাস – ৮

    আট

    একুশ দিনে কতটুকু বদলেছে ফোর্ট ফ্যারেল?—বাস টার্মিনাল থেকে কিংস্ট্রীটের দিকে হাঁটতে হাঁটতে ভাবছে রানা। পার্কের পাশ ঘেঁষে যাবার সময় থামল। হঠাৎ‍ মনে হয়েছে কথাটা। ক্যামেরাটা কাঁধ থেকে নামিয়ে চোখের সামনে তুলল। একটা ছবি তোলা যেতে পারে লেফটেন্যান্ট ফ্যারেলের। ক্যামেরার লেন্সে চোখ রেখে তাকাল রানা। অন্তত লেফটেন্যান্ট ফ্যারেলের কোন পরিবর্তন হয়নি। এক চুল নড়েনি তার একটি পেশীও।

    মূর্তিটার সাথে পার্কের গেটের একটা অংশও ক্যামেরায় বন্দী করল রানা। পার্কের নামটা যদি কোনদিন বদলেও ফেলা হয়, একটা ছবি অন্তত পুরানো নামের স্মৃতি বহন করবে।

    শেষ বিকেলের হলুদ রোদ মুড়ি দিয়ে শুয়ে আছে শহরটা। অসুখ-বিসুখ করে না থাকলে, ভাবল রানা; এসময় গ্ৰীক কফি হাউজে পাওয়া যাবে দাদুকে।

    ঢোকার মুখেই দেখতে পেল রানা বুড়োকে। কপালটা প্রায় ঠেকে গেছে টেবিলে। হালকা হয়ে আসা চুলের ফাঁক দিয়ে চিক চিক করছে ঘাম। হ্যাটটা পড়ে আছে টেবিলের একধারে। গভীর মনোযোগের সাথে তাকিয়ে আছে লংফেলো টেবিলের উপর।

    নিঃশব্দে কাছে গিয়ে দাঁড়াল রানা। টের পায়নি বুড়ো। রানা দেখল, ছোট ছোট আট দশটা কাগজের চার ভাঁজ করা টুকরো ছড়িয়ে রয়েছে টেবিলের উপর। এক চুল নড়ছে না লংফেলো। ভাঁজ করা কাগজগুলোর দিকেই তার নিবিষ্ট মনোযোগ।

    ‘ধাঁধাটা কি?’

    চমকে উঠল লংফেলো। মুখ তুলতে গিয়েও হঠাৎ কি ভেবে তুলল না সে। ‘কে তুমি? দাঁড়াও, পরিচয়টা এখুনি দিয়ো না,’ কথাটা বলে টেবিল থেকে দু‘আঙুলে একটা কাগজের টুকরো তুলে নিয়ে মুখ খুলল সে।

    একগাল হাসল। ‘আজ দু‘হপ্তা ধরে রোজ এই ভাগ্য গণনা পরীক্ষা করছি। কিন্তু…’

    একটা চেয়ার টেনে বসল রানা। ‘কি আছে কাগজগুলোয়?’ ক্যামেরা আর ব্যাগটা নামিয়ে রাখল ও টেবিলের পাশে।

    ‘দশ টুকরো কাগজের মধ্যে একটা ছাড়া নয়টাই ফাঁকা। আজ চোদ্দ দিনে চোদ্দবার যে-কোন একটা তুলে দেখতে চেয়েছি তোমার নাম লেখাটা ওঠে কিনা। ওঠেনি। যেদিন ওঠেনি সেদিন বুঝেছি তুমি আজ আসছ না। কিন্তু…আজ় দেখা যাক!’ হাতের কাগজটার ভাঁজ খুলতে শুরু করল বুড়ো।

    ‘বুড়ো হলে মানুষ শিশুর মত হয়ে যায়, কথাটা দেখেছি পুরোপুরি সত্যি!’

    কিন্তু এটা ছেলেমানুষি নয়। এই দেখো।’ আনন্দে চকচক করছে লংফেলোর মুখ। ভাঁজ খোলা কাগজট রানার সামনে মেলে ধরল সে।

    রানা দেখল, সুন্দর স্তাক্ষরে ওর পুরো নামটা লেখা রয়েছে কাগজটায়। ‘আর সব খবর কি, মি. লংফেলো? তোমার ওপর কোন রকম চাপ আসেনি তো?’

    ‘এখনও আসেনি,’ লংফেলো দুটো আঙুল তুলে দু‘কাপ কফি দিতে বলল ওয়েটারকে। ‘ভবিষ্যতে আসবে সে ব্যাপারে আমার কোন সন্দেহ নেই। কিন্তু তুমি এত দেরি করলে যে? যে কাজে গিয়েছিলে তা হয়েছে?’

    ‘খানিকটা, ‘প্রসঙ্গটা ওখানেই শেষ করতে চাইল রানা। তারপর বলল, ‘শীলা ক্লিফোর্ডের খবর কি?’

    ‘বয়েড তাকে কি বলেছে জানো?’ হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে উঠল লংফেলো। তুমি নাকি শীলার সাথে এক বিছানায় রাত কাটাবার রসাল একটা গল্প বলে গেছ তাকে। শীলা শুনে তো মহা চিল্লাচিল্লি শুরু করে দিয়েছিল। ফোর্ট ফ্যারেলের এমন কোন জায়গা নেই যেখানে তোমাকে ধরে নিয়ে যাবার জন্যে লোক পাঠায়নি সে। আমি ব্যাপারটা জানতে পেরে তাকে শান্ত করার চেষ্টা করি, কিন্তু ব্যাপারটা সে মেনে নেয়নি। রাগে, দুঃখে দু‘দিন পরই সে চলে গেছে ফোর্ট ফ্যারেল ছেড়ে।

    ‘সে কি। চলে গেছে। কবে আসবে কিছু বলে যায়নি?’

    ‘না।’

    ‘কিন্তু বয়েডের কথা শীলা বিশ্বাস করল?’ বিস্ময়ের সাথে জানতে চাইল রানা।,‘বিশ্বাস করবেই না বা কেন? বয়েডকে তুমি ছাড়া আর কেই বা বলতে পারে কথাটা?’

    ‘বিগ প্যাটের কথা মনে পড়েনি তার?’

    ‘বিগ প্যাট?’ হঠাৎ আঁৎকে উঠল লংফেলো, ‘আরে, তাই তো। বুঝেছি, তারই ষড়যন্ত্র এটা। তাই তো বলি, শীলার চাকরি ছেড়ে রাতারাতি বয়েডের বাঁ হাত হলো, সে কিভাবে।

    ‘বয়েড ওকে বাঁ হাত হিসেবে নিয়েছে বুঝি?’ ওয়েটার দু‘কাপ কফি দিয়ে গেল।

    ‘পুরোদমে শুরু হয়ে গেছে বাঁধ তৈরির কাজ। আলো জ্বেলে কাজ চলছে সারারাত। বিগ প্যাট এখন যে সে লোক নয়, সাড়ে তিনশো কুলি মজুরের সর্দার সে, পদের নাম সুপারভাইজার।’ সশব্দে চুমুক দিল সে কফির কাপে।

    ‘ভুল বুঝে এভাবে চলে গেল শীলা? বাঁধ তৈরি হলে কতটুকু ক্ষতি হবে তার এ কথাটা একবার ভেবে দেখল না?’

    ‘তুমি চলে যাবার পরদিনই এ ব্যাপারে শীলার সাথে বয়েডের যা আলোচনা হবার হয়ে গেছে।’

    ‘মেনে নিয়েছে শীলা?’

    ‘মেনে না নিয়ে উপায় আছে কিছু?’ লংফেলা ক্ষোভের সাথে বলল। বয়েড় তো বললই, শীলা নিজেও বুঝতে পেরেছিল, ফোর্ট ফ্যারেলের জনসাধারণ বাঁধের স্বপক্ষে। লোকদের আর দোষ কি! তাদেরকে যা বোঝানো হয়েছে তারা তাই বুঝেছে। বাঁধ হলে ফোর্ট ফ্যারেল রাতারাতি স্বয়ংসম্পূর্ণ একটা পৃথিবী হয়ে উঠবে, প্রতিটি লোক সরাসরি উপকৃত হবে—বয়েডের ম্যানেজাররা ক্লিফোর্ড পার্কের মধ্যে দাঁড়িয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে এইসব কথা বুঝিয়েছে সবাইকে। তারা শীলার আপত্তি শুনবে কেন?

    ‘কতদূর এগিয়েছে কাজে?’ হঠাৎ বিস্বাদ লাগল নানার মুখে কফি। কাপটা একপাশে নামিয়ে রাখল ও।

    ‘অনেক দূর, বলল লংফেলো। ‘ধরো, মাস দেড়েকের মধ্যে উপত্যকার দশ মাইল জুড়ে একটা লেক দেখতে পাবে। ইতিমধ্যেই ওরা গাছ কেটে সরাতে শুরু করেছে। অবশ্য, শীলার গাছে হাত দেয়নি। বয়েড়কে নাকি সে মুখের ওপর বলে গেছে তার গাছ ডুবে যায় যাক, কিন্তু পারকিনসনদের মণ্ড কারখানায় ওগুলো পাঠাবে না।’

    ‘আজ রাতে তোমার অ্যাপার্টমেন্টে আসছি আমি,’ সিগারেট ধরাল রানা। ‘কয়েকটা কথা বলার আছে তোমাকে।

    কৌতূহল উপচে পড়ল লংফেলোর ক্ষুরধার চোখে। ‘কি কথা? একটু আভাস পেতে পারি না?’

    ‘এখন না,’ বলল রানা। আবার দেখা হলে বলব।

    ‘শীলা স্কচ হুইস্কির একটা বোতল দিয়ে গেছে এই বুড়োকে,’ বলল লংফেলো। ‘ওটা সামনে নিয়ে বসে থাকব আমি তোমার অপেক্ষায়। বেশি দেরি করলে কিন্তু শেষ হয়ে যাবে সব।’

    উঠে দাঁড়াল রানা। ‘চললাম।’

    ‘মাই গড!’ মাথায় হাত দিল লংফেলো, ‘সত্যি-ভীমরতি ধরেছে আমার। রানা, তুমি উঠেছ কোথায়? ফোর্ট ফ্যারেলে একটা মাত্র হোটেল, সেখানে যে তোমার জায়গা হবে না…’

    ‘হোটেল ছাড়া জায়গা নেই নাকি ফোর্ট ফ্যারেলে?’

    ‘হোটেল ছাড়া জায়গা! কোথায়?’

    ‘সে-কথা তোমাকে ভাবতে হবে না, মিস্টার!’, বলল রানা। ব্যাগ আর ক্যামেরাটা তুলে নিল কাঁধে। কখনও কোথাও থাকার জায়গার অভাব হয় না আমার, সরকারী ফুটপাথ আছে, ক্লিফোর্ডদের তৈরি করা পার্ক আছে, একশো মাইল জুড়ে জঙ্গল আছে…।’

    ‘বুঝেছি, এখনও কোথাও ওঠোনি তুমি।’ লংফেলো এক মুহূর্ত কি যেন চিন্তা করল। ‘ঠিক আছে, তুমি আমার বাড়িতে উঠবে, রানা। আর শোনো, এ ব্যাপারে বৃথা জেদ করতে যেয়ো না। তোমার কোন আপত্তি আমি শুনছি না।’

    হেসে ফেলল রানা। ‘আচ্ছা, সে দেখা যাবে।’

    দৃঢ় পদক্ষেপে বেরিয়ে গেল সে গ্রীক কফি হাউজ থেকে।

    ***

    ‘হে-হে, হেহ্-হে,’ আনন্দে চকচক করছে লংফেলোর মুখটা। হাসি আর ধরে না! ‘ঠ্যালা সামলাও দিকি এবার ভায়া। চেক! রাজাকে সামলাতে হলে মন্ত্রী স্যাক্রিফাইস করতেই হচ্ছে তোমার।’ নিজের ঘোড়া দিয়ে চেক দেবার সময় দ্রুত রানার হাতিটাকে মুঠোর ভিতর পুরে নিল লংফেলো।

    কালো কিং আর সাদা নৌকার মাঝখান থেকে নিজের সাদা কিং সরিয়ে নিয়ে কালো ঘোড়ার নাগাল থেকে মুক্তি পেল রানা। ‘মন্ত্রী খাবার আগে একটা চেক তোমাকেও সামলাতে হচ্ছে, মিস্টার লংফেলো। দুঃখিত।’ চুরির ব্যাপারে কিছুই বলল না ও।

    ‘আরে সব্বোনাশ!’ কপালে হাত দিন বুড়ো। ‘নৌকাটাকে তো দেখিনি! মাই গড়, রানা, আমার রাজার যে নড়ার জায়গা নেই!’ ভুরু কুঁচকে উঠল তার। ‘মানে?’

    ‘বুঝে নাও!’

    মিনিটখানেক নিবিষ্ট মনে দাবার বোর্ডটা দেখল লংফেলো। মুখ তুলল বটে কিন্তু সযত্নে এড়িয়ে গেল রানার সাথে চোখাচোখি হবার সম্ভাবনাটাকে। বোতলটা তুলে নিয়ে নিজের গ্লাসে হুইস্কি ঢালল। তারপর নিঃশব্দে হ্যাটের ভিতর হাত ঢুকিয়ে দিয়ে সাদা হাতিটা বের করে রাখল বোর্ডের উপর। ‘যত দোষ এই হাতিটার। চুরি করার আনন্দে এত মশগুল ছিলাম যে বিপদটা চোখেই পড়েনি।’

    ‘আমার চোখে পড়েছিল, তাই বাধা দিইনি চুরির ব্যাপারে।’

    সিগারেট ধরাল রানা। আধ ঘন্টার উপর হলো লংফেলোর অ্যাপার্টমেন্টে পৌঁছেচে ও। প্রথম থেকেই বেশ একটু গম্ভীর দেখছে ওকে লংফেলো। সে বুঝতে পেরেছে, সামান্য হলেও উদ্বেগজনক কিছু একটা ঘটেছে। তাই সরাসরি কোন আলোচনায় না গিয়ে দাবার বোর্ড খুলে খেলতে বসায় রানাকে। খেলায় চুরি এবং পরে তা নাটকীয়ভাবে স্বীকার করার মধ্যেও রয়েছে রানার মনটাকে হালকা করার জন্যে তার আন্তরিক চেষ্টা।

    এবং এ সবই বুঝতে পারছে রানা।

    ‘কথাটা তাহলে বলেই ফেলি,’ হঠাৎ বলল রানা, ‘তোমার জন্যে একটু চিন্তা হচ্ছে, মিস্টার লংফেলো।’

    ‘আমার জন্যে? কেন কেন?’ হাসতে হাসতে রানার দিকে ঝুঁকে পড়ল লংফেলো ৷

    ‘এখানে ঢোকার মুখে একজন দেখে ফেলেছে আমাকে,’ বলল রানা। ‘অনেকক্ষণ থেকেই অনুসরণ করছিল, তবে খসিয়ে দিয়েছিলাম একসময়। কিন্তু ঢোকার সময় হঠাৎ আবার তাকে দেখেছি।’

    ‘এর জন্যে এত চিন্তা!’ মুখভাব দৃঢ় করল লংফেলো। ‘হুঁহ্! তুমি ভেবেছ ওদেরকে আমি ভয় পাই এখনও? সেদিন গত হয়েছে, রানা। এখন আমি সাহসে বুক বেঁধেছি, যা হবার হবে, আমি ওঁদের পিছনে লেগে থাকছি যতদিন রহস্যের সমাধান হয়।’

    ‘তোমার যদি কোন ক্ষতি হয়…’

    ‘হবে কেন, শুনি? আমি একজন অসহায় বুড়ো, তাকে তুমি রক্ষা করতে পারবে না? যদি না পারো, কিসের পুরুষ মানুষ তুমি, অ্যাঁ?’

    হেসে ফেলল রানা। ‘তোমাকে রক্ষা করাটাই তো আমার একমাত্র কাজ নয়। নিজের কথা বা শীলার ব্যাপারও ভাবছি না। কেন আমি এখানে এসেছি, লংফেলো? কেনেথের প্রতি যে অন্যায় করা হয়েছে তার প্রতিশোধ নিতে, ঠিক?’

    ‘ঠিক।’

    ‘খুন করা হয়েছে, তাকে, এটা পরিষ্কার জানি। কিন্তু তারও আগে আরও কয়েকটা অন্যায়ের শিকার হয়েছিল সে, আমার বিশ্বাস। সেই অন্যায়গুলো কারা করেছে, কিভাবে করেছে তা এখনও রহস্যময়। এই রহস্য ভেদ করতে হবে আমাকে।’

    ‘নিশ্চয়ই।’

    ‘কিন্তু রহস্যটা আরও জটিল হয়ে উঠছে, লংফেলো।

    ‘কি রকম?’ হাত উঠিয়ে কথা বলতে নিষেধ করল লংফেলো, ‘দাঁড়াও, তোমার গ্লাসটা আগে ভরে দিই, তারপর শুনব।’

    লংফেলো হুইস্কি ঢেলে বরফ দিয়ে টইটম্বুর করে দিল গ্লাসটাকে। তার হাত থেকে সেটা নিয়ে দুটো চুমুক দিল রানা। কৈনেথের কাছ থেকে কতটুকু কি জেনেছি আমি তা তোমাকে বলা হয়নি। নতুন কিছু শোনার আগে অ্যাক্সিডেন্টের পর কেনেথ কোথায় ছিল, কে তাকে সাহায্য করেছে, কিভাবে তার সময় কেটেছে এইসব তোমার জানা দরকার।’

    ‘আমি শুনছি।’

    ধীরে ধীরে, কিন্তু সংক্ষেপে সব বলল রানা।

    ‘নতুন জটগুলো কি ধরনের?’ ভুরু কুঁচকে উঠেছে লংফেলোর।

    ‘কেনেথকে প্রতি মাসে টাকা কে পাঠাত এটা একটা রহস্য; বলল রানা, ‘এর সাথে যোগ হয়েছে আরও একটা। কেনেথ হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়ে মন্ট্রিয়ল ত্যাগ করার পর একটা প্রাইভেট এনকোয়েরি এজেন্সি তার খোঁজ খবর সংগ্রহ করার চেষ্টা করে।’

    ‘কেনেথের খরর সংগ্রহের চেষ্টা করে? কেন? কে?’

    ‘সেটাই তো আশ্চর্য! ভ্যানকুভারে পুলিস কেনেথের খোঁজ নেবার চেষ্টা করবে, না, কারণ, ডা: মারকোভেলী তাদেরকে নিঃসন্দেহে বোঝাতে পেরেছিলেন দুর্ঘটনার পর স্মৃতিভ্রংশের দরুন কেনেথ সম্পূর্ণ নতুন একটা মানুষে পরিণত হয়েছে, তাঁর মধ্যে অপরাধ প্রবণতার কোন লক্ষণ অবশিষ্ট নেই আর। তাছাড়া, পুলিস ইচ্ছে করলে তার খোঁজ এমনিতেও জানতে পারত।’

    ‘সেক্ষেত্রে প্রাইভেট গোয়েন্দা লাগিয়ে কে তার ঋদর জানতে চাইতে পারে?’

    ‘প্রতিমাসে যে টাকা পাঠাত সে-ও নয়, কারণ, কেনেথ কোথায় আছে না আছে সবই তাকে খবরের কাগজে বিজ্ঞাপন মারফত জানানো হত। ডা. মারকো বহু চেষ্টা করেন কৌতূহলী লোকটির পরিচয় উদ্ধার করতে, কিন্তু তিনি সফল হননি। সে যাই হোক, আমাদের মনে রাখতে হবে দ্বিতীয় একটা পক্ষ কেনেথের ব্যাপারে আগ্রহী ছিল।’

    ‘কে হতে পারে!’ গভীরভাবে চিন্তা করার চেষ্টা করছে লংফেলো। হঠাৎ মুখ তুলল সে, ‘কিন্তু এসব ব্যাপার তুমি জানলে কিভাবে?

    ‘ডা. মারকোভেলীর ডায়রী থেকে। প্রথমে ভেবেছিলাম কেনেথের বন্ধুবান্ধব কেউ হতে পারে।’ মাথা নাড়ুল রানা, ‘কিন্তু খবর নিয়ে যতদূর জানতে পেরেছি, তার বন্ধুরা সবাই দাগী আসামী এবং কপর্দকশূন্য; একটা প্রাইভেট এজেন্সিকে ভাড়া করবার সামর্থ্য তাদের কারও নেই। গ্লাসে চুমুক দিল রানা। ‘সে যাক। একটা প্রশ্নের উত্তর পেতে চাই আমি, লংফেলো। দুর্ঘটনাটা ঘটার সময় বুড়ো গাফ পারকিনসন কোথায় ছিলেন?’

    হঠাৎ গম্ভীর হলো লংফেলো। ‘তোমার অনেক আগেই, দুর্ঘটনার পরপরই এ সন্দেহটা জেগেছিল আমার মনে, রানা। কিন্তু সন্দেহটার কোন ভিত্তি পাইনি। দুর্ঘটনার ধারে কাছেই ছিল না গাফ পারকিনসন। কে তার সাক্ষী জানো?’

    ‘কে?’

    ‘আমি, আবার কে! তিক্ত লাগল বুড়োর কণ্ঠস্বর রানার কানে। ‘উইকলি ফোর্ট ফ্যারেলের অফিসেই সেদিন ছিল সে দিনের বেশির ভাগ সময়।’

    ‘দিনের কোন সময়ে দুর্ঘটনাটা ঘটে?’

    ‘খামোকা মাথা ঘামাচ্ছ তুমি, রানা। দুর্ঘটনার সময় সেখানে গাফ ছিল এটা প্রমাণ করা অসম্ভব।’

    ‘একমাত্র তিনিই সবদিক থেকে লাভবান হয়েছেন,’ চিন্তিতভাবে বলল রানা, ‘আর সবাই ক্ষতিগ্রস্তূ হয়েছে। তাই আমার মনে হচ্ছে দুর্ঘটনার সাথে কোন না কোন যোগসূত্র ছিল তার।’

    ‘কিন্তু…কখনও শুনেছ নাকি একজন কোটিপতি আরেক জন কোটিপতিকে খুন করেছে?’ হঠাৎ কি মনে করে থমকে গেল লংফেলো, রানার চোখে স্থির দৃষ্টি রেখে চুপ করে থাকল কিছুক্ষণ, তারপর মৃদু কণ্ঠে বলল, ‘মানে, আমি বলতে চাইছি, নিজের হাতে?’

    ‘হ্যাঁ,’ বলল রানা, ‘ভাড়াটে কাউকে দিয়ে দুর্ঘটনাটা ঘটানোও একটা সম্ভাবনা।’

    ‘তা যদি গাফ করেও থাকে; আমরা তা এতবছর পর প্রমাণ করতে পারব না। খুনী সম্ভবত পারিশ্রমিকের মোটা টাকা খরচ করে দেউলিয়া হয়ে আত্মহত্যা করেছে অস্ট্রেলিয়া কিংবা লিবিয়ায়।’

    ‘সত্য প্রকাশ পারেই,’ বলল রানা। যৌথ মালিকানায় ওদের যে বিশাল ব্যবসা ছিল তার চুক্তিপত্রটা কখনও দেখেছ তুমি?’

    ‘না।’

    ‘চুক্তিপত্রে কি ছিল জানো?’

    ‘কিভাবে জানব? তবে, যা ছিল বলে গাফ রটিয়েছিল তা জানি।’

    ‘কি সেটা?’

    ‘চুক্তিপত্রের একটি ধারা নাকি ‘এইরকম ছিল যে যে-কোন এক পক্ষ যে-কোন কারণে যদি উত্তরাধিকারী না রেখে মারা যায় তাহলে ব্যবসায় তার অংশ লাভ করবে জীবিত পক্ষ বা তার উত্তরাধিকারীরা। শুনেছি, চুক্তিপত্রটা যখন সম্পন্ন হয় তখন দু‘পক্ষের কেউই বিয়ে করেনি। এ বিষয়ে গাফের বক্তব্য ছিল, বিয়ের পরও তারা চুক্তিপত্রের এই ধারাটি বাতিল করেনি বা বাতিল করার সময় পায়নি।’

    ‘চুক্তিপত্রটা সরকার দেখতে চায়নি?’

    ‘শুনেছি, দেখতে চাওয়ার আগেই গাফ সেটা পাঠিয়ে দিয়েছিল সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে।’

    ‘চুক্তিপত্র জাল করাও সম্ভব।’

    ‘সম্ভব,’ বলল লংফেলো, ‘কিন্তু একজন জীবিত সাক্ষীও সংগ্রহ করেছিল গাফ। যার সই ছিল চুক্তিতে। গাফ নিশ্চয়ই এ প্রসঙ্গটা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে জানাতে ভোলেনি, রানা, এ পথে বেশিদূর আমরা এগোতে পারব বলে মনে হয় না।’

    ‘অন্তত পারকিনসনদের একটা দুর্বলতা অত্যন্ত প্রকট,’ বলল রানা, ‘তারা ক্লিফোর্ডদের নাম ফোর্ট ফ্যারেল থেকে একেবারে মুছে ফেলতে চেয়েছে। এর পিছনে কোন কারণ না থেকেই পারে না। এই কারণটা কি তা আমাদের জানতে হবে, লংফেলো। শোনো, ক্লিফোর্ড নামটা ফোর্ট ফ্যারেলে আমি নতুন করে আমদানী করতে চাই। চেষ্টা করব, সবাই যেন ক্লিফোর্ডদের কথা স্মরণ করে, আলোচনা করে। এর একটা প্রতিক্রিয়া হতে বাধ্য।’

    ‘কিন্তু তারপর?’ ঠোঁটে গ্লাস ঠেকাতে গিয়ে থমকে গিয়ে জানতে চাইল লংফেলো ৷

    ‘তারপর অবস্থা বুঝে চাল দেব আমরা। দরকার হলে প্রচার করব, আজ থেকে আট বছর আগে যে দুর্ঘটনাটা ঘটেছিল সে-ব্যাপারে তদন্ত করতে এসেছি আমি। লোককে জানাব সেটা দুর্ঘটনার আড়ালে নির্মম হত্যাকাণ্ড ছিল, এবং অপরাধটা প্রকাশ হয়ে পড়তে পারে মনে করে কেনেথকেও খুন করা হয়েছে পরে। তুমি কি মনে করো, একটা আলোড়ন সৃষ্টি হবে না এসবের?’

    ‘তা হয়তো হবে,’ লংফেলোকে উদ্বিগ্ন দেখাল। কিন্তু পারকিনসনরা সত্য যদি অপরাধী হয় তাহলে তোমার ব্যাপারে ওরা কি পদক্ষেপ নেবে তা কি একবার ভেবে দেখেছ? চারটে খুন যারা করতে পারে, তাদের পক্ষে আরও একটা করা এমন কিছু কঠিন নয়।’

    ‘কঠিন। কারণ, ক্লিফোর্ডরা জানত না তারা খুন হতে যাচ্ছে। কিন্তু আমি জানি। তাছাড়া, যে ধরনের আক্রমণ আমার ওপর হবে বলে তুমি মনে করছ সে ধরনের আক্রমণ ফিরিয়ে দেবার ক্ষমতা আছে আমার।’

    ‘এ-প্রসঙ্গে আমার একটা কৌতূহল আছে।’

    ‘জানি সেটা কি,’ মুচকি হেসে বলল রানা, ‘তুমি আমার পরিচয় জানতে চাও, এই তো?’

    ‘হ্যাঁ,’ মৃদু কণ্ঠে বলল লংফেলো। ‘কিন্তু তা জানাতে তুমি রাজি নও, বুঝতে পারি। কিন্তু কেন?’

    ‘পরিচয়টা বড় কথা নয়,’ বলল রানা। উঠে দাঁড়াল ও। ‘আমার কাজটাই আমার সবচেয়ে বড় পরিচয়। চললাম, লংফেলো। কাল থেকে ঢেউ তুলব ফোর্ট ফ্যারেলে, ধাক্কাটা আমাদের গায়েও লাগতে পারে। একটু সাবধানে থেকো।’

    ‘চললাম মানে? বললাম না তখন, তুমি আমার বাড়িতে থাকবে?

    ‘এখানে! না, লংফেলো…।’

    ‘আরে, সব কথা শোনোই না আগে। এখানে কে থাকতে বলছে তোমাকে? ছোট্ট একটুকরো জমি আছে আমার ঠিক শহরের বাইরেই, সেখানে একটা কেবিনও তৈরি করেছি বুড়ো বয়সটা শুয়ে-বসে কাটাবার জন্যে। তুমি ওখানে থাকছ আজ থেকে।’

    ‘না, মিস্টার লংফেলো,’ বলল রানা, ‘তোমাকে আমি বিপদ থেকে যতটা সম্ভব দূরে রাখতে চাই। তুমি আমার সাথে জড়িয়ে পড়েছ জানলে পারকিনসনরা…’

    ‘গুলি মারো পারকিনসনদের!’ রেগেমেগে চেঁচিয়ে উঠল বুড়ো। চেয়ার ছেড়ে ছুটে এসে দাঁড়াল রানার সামনে। ‘খুব সাহসের ভাব দেখাচ্ছ, না? ভেবেছ, তোমার মত সাহসী লোক ফোর্ট ফ্যারেলে আর কেউ নেই? একটা কথা মনে রেখো, রানা, ’ নিজের বুকে আঙুল ঠুকে বলল লংফেলো, ‘এই বুড়ো বেঁচে থাকতে সবচেয়ে সাহসী হবার মর্যাদা কাউকে আমি পেতে দিচ্ছি না, বুঝেছ?’

    ‘ঠিক আছে, বাবা, ঠিক আছে!’ বলল রানা, ‘মর্যাদা সবটুকুই যাতে তুমি পাও তার ব্যবস্থা এখান থেকে যাবার আগে আমি করে যাব। হয়েছে তো? এবার পথ ছাড়ো।’

    ‘তুমি দান করবে মর্যাদা আর তাই নিয়ে আমি আনন্দে বগল বাজাব? এই তুমি চিনেছ আমাকে?’ লংফেলোর কণ্ঠে অভিমান।

    ‘না না, আমি ঠাট্টা করছিলাম,’ তাড়াতাড়ি বলল রানা, ‘বুঝতে পেরেছি, বুড়ো বয়সে সত্যি এক হাত না দেখিয়ে ছাড়বে না তুমি। ঠিক আছে দাঁড়াও তাহলে আমার সাথে। কিন্তু সাবধান মিস্টার লংফেলো, গাফ পারকিনসন প্রচণ্ড একটা ঝড় তুলবে এবার।’

    ‘তুলেই দেখুক না আমাকে সে কতটুকু নড়াতে পারে?’ হাসল লংফেলো। ‘মাটির নিচে আমার শিকড় দেখে ঠাণ্ডা হয়ে যাবে সে।’

    ‘মাটির নিচে তোমার শিকড়?’ চোখ কপালে তুলল রানা।

    ‘আমি নিরীহ এক বৃদ্ধ সাংবাদিক হতে পারি, কিন্তু আমারও শুভাকাঙ্ক্ষী আছে অনেক।’

    রানার হাত ধরে চেয়ারে নিয়ে গিয়ে বসাল বুড়ো। নিজেও বসল ওর মুখোমুখি। গ্লাস দুটো আবার ভর্তি করল বোতল থেকে হুইস্কি ঢেলে। নিজের গ্লাসটা হাতে নিয়ে উঠে পড়ল হঠাৎ। ফায়ার প্লেসের আগুনটা উসকে দিয়ে ফিরে এসে বসল আবার। ‘বিশ্বাস করো, তোমাকে পেয়ে নবযৌবন ফিরে পেয়েছি আমি. রানা। অবশ্য গাফকে আমি কোনদিনই ভয় করিনি, এবং তা সে ভাল করেই জানে। অবসর নেবার সময় হয়ে গেছে আমার, কিন্তু তার আগে আমি চাই উইকলি ফোর্ট ফ্যারেলে আমার একটা খবর ছাপা হোক, যে খবরটা আমি নিজে লিখব এবং ছাপার আগে তাতে কেউ কাঁচি চালাতে আসবে না। তোমার কাছ থেকে কি আশা করি জানো, রানা? খবরটা। আমি চাই, খবরটা তুমি আমাকে উপহার দেবে।’

    ‘সাধ্য মত চেষ্টা করব আমি,’ কথা দিল রানা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleডেজার্ট গড – উইলবার স্মিথ
    Next Article মাসুদ রানা ০৩৪ – বিদেশী গুপ্তচর – ২

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }