Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ১৫৯-১৬০ – আবার উ সেন (দুইখণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প374 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আবার উ সেন – ২.৪

    চার

    দিনের ভাপসা গরম রাত সাড়ে এগারোটাতেও তেমন একটা কমেনি।

    গাঢ় রঙের স্ন্যাকস, কালো টারটল-নেক আর জ্যাকেট পরেছে রানা, জ্যাকেটের নিচে ভি-পি-সেভেনটি; জঙ্গলের ভেতর নরম ঘাসে উপুড় হয়ে শুয়ে রয়েছে। চারপাশে ঝোপ-ঝাড় আর গাছপালা।

    রাত জাগা পাখি আর অন্যান্য প্রাণীরা শব্দ করছে, ঝিঁঝিগুলোর একটানা চিৎকারে কান ঝালাপালা, তবু কাছাকাছি এগিয়ে এলে মানুষের পায়ের বা গলার আওয়াজ় ঠিকই চিনতে পারবে ও।

    এক অর্থে, কার রেসের পর, তেমন নাটকীয় কিছুই ঘটেনি আজ। পিট থেকে কেবিনে ফিরে গিয়ে চট করে শাওয়ার সেরেছে ও, কাপড় পাল্টেছে, নিশ্চিত হয়েছে মুহূর্তের নোটিশে কেটে পড়ার জন্যে সব তৈরি আছে কিনা। ডিনারে পরার জন্যে কাপড় রেখে বাকিগুলো ভরেছে সুটকেসে, প্রয়োজনীয় অন্যান্য জিনিসগুলোও নিতে ভোলেনি। ব্রীফকেসটাও নতুন করে গুছিয়েছে ও।

    ব্রীফকেস নিজের জায়গাতেই আছে, স্যাবের ভেতর তালা দেয়া অবস্থায়। সুটকেসটাও।

    সাথে রানা শুধু পিক-লক আর টুলস সেটটা নিয়েছে, আর স্পেয়ার ম্যাগাজিন সহ হেকলার অ্যান্ড কচ। এই মুহূর্তে যা পরে রয়েছে কেবিন থেকে বেরুবার সময় তাই ছিল পরনে, শুধু টারটল-নেকটা বাদে-ওটার বদলে গায়ে একটা কালো শার্ট ছিল।

    লুকানোর ঠাঁইটাও তাড়াহুড়োর মধ্যে বেছে নিয়েছে ও-ফাঁকা জায়গাটার এক কোণে, গাছপালার ভেতর। রাস্তা কেবিন আর স্যাব, তিনটেকেই যাতে পরিষ্কার দেখতে পায়।

    ছ’টা পর্যন্ত ওখানে লুকিয়ে থাকল রানা। তারপর ডিনারের জন্যে তৈরি হয়ে গাড়ি নিয়ে রওনা হলো টারার উদ্দেশে।

    মলিয়ের ঝানকে হাসিখুশিই দেখতে পেল ও, বারান্দায় বসে পানীয় ধ্বংস করছে। গাঢ় নীল স্কার্ট আর ব্লাউজে শান্ত, ঠাণ্ডা লাগল রিটাকে। কিন্তু হীরকখণ্ডের মত উজ্জ্বল আলোর দ্যুতি ছড়াচ্ছে বান্না বেলাডোনা, মায়াভরা চোখে কিসের যেন ঝিলিক, মধুকণ্ঠ যেন দেহ-মনে পুলক জাগানো মিষ্টিমধুর হাসির নির্ঝর।

    ও পৌছুনোর প্রায় সাথে সাথেই বান্না বেলাডোনা জিজ্ঞেস করল পান করার জন্যে কি দেয়া হবে তাকে, দুজোড়া চোখকে মিলিত হওয়ার অনুমতি দিল, এবং সেই মিলনের মধ্যে সঙ্কেত থাকল সে ভোলেনি গোপনে ওদের দেখা হবার কথা আছে।

    রিটা আগাগোড়া ‘শান্তই থাকল, তবে সে-ও যেন সঙ্কেত দিল রানাকে-তার সাথে ওর কথা হওয়া দরকার।

    ইনস্ট্রুমেন্টগুলোর মধ্যে বেসুরো বাজছে একা শুধু পিয়েরে ল্যাচাসি। আরও হাড্ডিসার লাগছে তাকে, কোটরে ঢোকা চোখ প্রায় নড়লই না, প্রায় কারও সাথেই কথা বলল না। আ ব্যাড লুজার, ভাবল রানা। কিংবা গুরুত্বপূর্ণ নানা বিষয়ে চিন্তা- ভাবনায় মগ্ন। চিন্তা-ভাবনার মধ্যে ঝানেরও থাকার কথা, কিন্তু দেখে মনে হলো না-হাস্যরসের স্রোত বইয়ে দিচ্ছে সে, খই ফুটছে মুখে।

    একটা মাত্র ড্রিঙ্ক শেষ করার পর ঝান প্রস্তাব দিল, রানা যদি প্রিন্টগুলো নিয়ে এসে থাকে, ব্যবসায়িক ঝামেলাটা চুকিয়ে ফেলাই ভাল। ‘আমি কথা দিয়ে কথা রাখি, ‘মি. রানা,’ চোখ মটকাল সে। ‘অথচ তবু, আর সব লোকের মতই, টাকা হাতছাড়া করতে পছন্দ করি না।

    বারান্দা থেকে সিঁড়ি বেয়ে স্যাবের কাছে নেমে গেল রানা, প্রিন্ট নিয়ে ফিরে এল আবার, ঝানকে অনুসরণ করে ঢুকল বাড়ির ভেতর। সরাসরি প্রিন্ট রূমে চলে এল ওরা। কোন কথা হলো না, দু’জনের কারও মধ্যেই ইতস্তত কোন ভাব নেই, ঝানের হাত থেকে খোলা একটা ব্রীফকেস নিয়ে তার হাতে প্রিন্টগুলো ধরিয়ে দিল রানা।

    ‘যদি ইচ্ছে করেন গুনে নিতে পারেন;’ আনন্দে ডগমগ করছে ঝান। ‘তবে গুনতে শুরু করলে ডিনারটা হারাবেন, এই আর কি। পুরো টাকাটাই ওখানে আছে। এক মিলিয়ন ডলার প্রফেসর লুগানিসের জন্যে, আরেক মিলিয়ন আপনার।

    ‘বিশ্বাস করলাম, ব্রীফকেস বন্ধ করল রানা। আপনার সাথে ব্যবসা করা সত্যি আনন্দময় অভিজ্ঞতা, ঝান। আমার আর যদি কিছু থেকে থাকে…

    ‘আমার ধারণা, আবার আপনি আমার কাজে আসবেন, মি. রানা।’ দ্রুত, প্রায় সন্দিহান চোখে রানার দিকে একবার তাকাল ঝান। সত্যি কথা বলতে কি, এ- ব্যাপারে আমি নিশ্চিত। এবার, যদি কিছু মনে না করেন, দয়া করে ওদের কাছে ফিরে যান-জিনিসগুলো সরিয়ে রাখব আমি। আমার সত্যিকার দুর্লভ সম্পদগুলো কোথায় রাখছি কেউ জেনে ফেলতে পারে, এই আতঙ্ক আমি কাটিয়ে উঠতে পারি না।

    ব্রীফকেসে একটা টোকা দিল রানা। ‘এটাকেও তালার ভেতর, নিরাপদে রাখা দরকার। ধন্যবাদ, ঝান।’

    পোর্টিকোয় ফিরে এসে রিটা বাদে আর কাউকে দেখল না ও।

    ‘তোমার বান্না বেলাডোনা কিচেন তদারক করতে গেছে, আর মড়ার খুলিটা কে জানে কোথায় গেল,’ ফিসফিস করে, দ্রুত জানাল রিটা।

    রানা ইতিমধ্যে সিঁড়ির অর্ধেকটা নেমে গেছে, শান্তভাবে ডাকল সে, ‘এসো, আমাকে একটু সাহায্য করবে।’

    গাড়ির পিছনে রানার সাথে মিলিত হলো রিটা, তার শরীর থেকে বেরিয়ে আসা ভয়ের কাঁপন সাথে সাথে অনুভব করতে পারল রানা।

    ‘আসলেও ওরা মারাত্মক কিছু করতে যাচ্ছে, রানা। ক্রীস্ট, রেসের সময় কি ভয় যে পাইয়ে দিয়েছিলে!’

    ‘আমি নিজেও খুব একটা স্বস্তিতে ছিলাম না, রিটা। শোনো। সংক্ষেপে ব্যাখ্যা করল রানা, ডিনারের পর ওদেরকে যদি একা ছেড়ে দেয়া হয়, কেবিনে ফিরে যাবে ও। ‘ঠিক যা প্ল্যান করা হয়েছিল তাই করব, তবে কাল সকালে বিদায় করে দেবার কথা জানিয়েছে ঝান। সন্দেহ করছি বেরিয়ে যাবার সুযোগ দিয়ে বাইরে কোথাও ফাঁদে ফেলবে, তবে আমার ভুলও হতে পারে। হয়তো এখানেই আজ রাতে আসবে আক্রমণ। অস্ত্রটা এখনও তোমার কাছে তো?

    ছোট করে মাথা ঝাঁকাল রিটা, নিচু গলায় জানাল তার ঊরুর ভেতর দিকে স্ট্র্যাপ দিয়ে আটকানো আছে জিনিসটা, খুব অস্বস্তিবোধ করছে।

    ‘রাইট।’ বুটে ব্রীফকেস রেখে বন্ধ করল রানা, চাবি ঘোরাল। ‘ডিনারের পর যত তাড়াতাড়ি পারো। যেভাবে হোক বেরিয়ে আসবে তুমি। ঢাল বা কেবিনের কাছাকাছি যাবে না, যে জায়গার কথা বলেছি সেখানে যাবে। স্যাবটা ওখানেই রাখব। যদি পারো গাড়ি চুরি কোরো, নাহয় হেঁটে, কিন্তু পৌঁছুতেই হবে। স্যাবের খুব কাছাকাছি যাবে না, আশপাশে লুকিয়ে থেকো, চোখ খোলা। দেখা হবার সময় যেমন ঠিক করা আছে আগে।’

    ‘ঠিক আছে। শোনো, আমারও কিছু কথা…’

    ‘তাড়াতাড়ি।’

    ‘আমরা কি বা কেন, সব ওরা জানে,’ শুরু করল রিটা। ‘আর কাল রাতে হেনরি ডুপ্রে এখানে পৌঁচেছে।

    তার সাথে গুণ্ডা তিনটে?’

    ‘জানি না, তবে ল্যাচাসি শুধু মারতে বাকি রেখেছে ডুপ্রেকে, নিজের লোকদের সামলাতে পারেনি বলে। বোঝা গেল নির্দেশ ছাড়াই কাজ করছিল ওরা ওয়াশিংটনে। তোমার কোন ক্ষতি করা চলবে না, রানা। আমার ব্যাপারটা ঠিক পরিষ্কার নয়-ওরা কথা বলার সময় পুরো নামটা উচ্চারণ করছিল, রিটা হ্যামিলটন-তবে তোমাকে ওরা জ্যান্ত চায়।

    ‘কার রেস…?’

    ‘ওটার আয়োজন করা হয় তোমাকে নার্ভাস করার জন্যে। হার্ভেস্টার পিঁপড়ে-ওগুলো আনা হয় একই উদ্দেশ্যে, তুমি যাতে ঘাবড়ে যাও। ওরা জানত ওই কেবিনে তুমি থাকছ না। পিঁপড়েগুলো আমার ক্ষতি করবে, এটাই চেয়েছিল ওরা। ল্যাচাসি কি রকম রোগছিল তা যদি দেখতে তুমি! সব সত্যি, রানা, ভান বা অভিনয় নয়। ওদের সব কথা আড়াল থেকে শুনেছি আমি। হুকুম দেয়া হয়েছে তোমাকে ব্যতিব্যস্ত রাখতে হবে, কিন্তু খুন করা যাবে না।’

    ‘বেশ…’

    ‘আরও আছে। অয়্যারহাউসে, বুঝলে, কিছু একটা ঘটেছে…’

    প্রশ্নবোধক আওয়াজ করল রানা, ‘উঁ?’

    হঠাৎ আমার চোখে পড়ে গেছে। জঙ্গলের

    পড়ে গেছে। জঙ্গলের ভেতর থেকে একটা রেফ্রিজারেটেড ট্রাক বেরিয়ে এল, আজ বিকেলে। অয়্যারহাউসের পিছন থেকে। ওখানে আরও অন্তত দুটো ট্রাক ছিল। প্রথম ট্রাকটা চলে গেল এয়ারফিল্ডের দিকে। আইসক্রীম, রানা-সব ওরা সরিয়ে নিচ্ছে।’

    ভুরুর মাঝখানে রেখা এঁকে বিড়বিড় করে বলল রানা, ‘আরও কিছু জানতে পারলে ভাল হত। কাল রাতের মধ্যে হয়তো সম্ভব হবে। খুব সাবধানে থাকবে, রিটা, খুব সাবধানে-সত্যি যদি ওরা ক্রিমিনাল বা টেরোরিস্ট অ্যাকটিভিটি শুরু করে থাকে, আর আমরা যদি গায়েব হয়ে যাই, আমাদের খোঁজে দরকার হলে গোটা র‍্যাঞ্চ খুঁড়বে ওরা। আমি…,’ হঠাৎ থামল ও. পোর্টিকোয় কারও উপস্থিতি টের পেয়েছে।

    এক সেকেন্ড পর বাননা বেলাডোনার গলা ভেসে এল, ‘রানা? মিসেস লুগানিস? কেউ তোমাদের ডাকেনি? শুনছ, ডিনার সার্ভ করা হয়েছে।’

    সিঁড়ি বেয়ে পোর্টিকোয় উঠে এল ওরা, বাড়ির ভেতর একা আগে ঢুকল রিটা, পিছনে রানাকে রেখে এল বেলাডোনার সাথে আস্তে-ধীরে আসার জন্যে। রিটাকে বেশ খানিকটা এগিয়ে যেতে দিল বেলাডোনা, তারপর মুখ ফেরাল রানার দিকে, নরম গলায় বলল, ‘রানা। ডিনারের পর যত তাড়াতাড়ি পারি তোমার সাথে দেখা করব। প্লীজ সাবধানে থেকো। দোহাই লাগে তোমার। ভীষণ ভয় পাচ্ছি আমি। ভারি বিপজ্জনক…তোমার সাথে জরুরী কথা আছে।’

    সামান্য মাথা নত করে জানিয়ে দিল রানা, বুঝেছে সে। বেলাডোনার মায়া মায়া চোখ আবেদনে ভরা, সফিসটিকেটেড এবং অত্যন্ত সুন্দরী ফরাসী যুবতীর চরিত্রের সাথে ঠিক যেন মানায় না, বিশেষ করে কেতাদুরস্ত ভঙ্গিতে ডাইনিং রূমের দিকে হেঁটে যাবার এই মুহূর্তটিতে।

    কাজেই ডিনারের পর এই জঙ্গলের ভেতর লুকিয়ে অপেক্ষা করছে রানা। বাননা বেলাডোনার জন্যে? প্রায় নিঃসন্দেহে তাই, ভাবল ও। যদিও বাস্তবে অন্য কিছু, আরও অনেক কিছু ঘটতে পারে। ডিনারের সময় পরিবেশে বেশ খানিকটা উত্তেজনার সৃষ্ট হয়েছিল, অন্তত দু’বার চরিত্রের সাথে বেমানান আচরণ করেছে মলিয়ের ঝান-একবার চাকরদের সাথে কথা বলার সময়, দ্বিতীয়বার বেলাডোনার সাথে। মাত্রা ছাড়ানো টেনশনই হয়তো দায়ী। রানা আর রিটা যা দেখেছে তাঁ থেকে দু’জনেই ধরে নিয়েছে, কিছু একটা ঘটতে চলেছে। মলিয়ের ঝান যদি সত্যি সও মং হয়ে থাকে তার মুখোশ খসে পড়তে আর বেশি দেরি নেই।

    ঘাসের ওপর শুয়ে শুয়ে ভাবল রানা, পিয়েরে ল্যাচাসি ওদের সাথে ডিনার খায়নি. ব্যাপারটা কি তাৎপর্যপূর্ণ? ঝান কি সত্যি কথা বলেছে-কালকের জন্যে বক্তৃতা তৈরি করতে ব্যস্ত ছিল হাড্ডিসার লোকটা?

    ল্যাচাসি, নাকি ঝান? মাঝে মধ্যেই প্রশ্নটা মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে রানার মনে। অন্ধকার সয়ে গেছে, সামান্যতম নড়াচড়াও ধরা পড়বে সতর্ক চোখে।

    হাতঘড়ির ওপর চোখ বুলাল। পরিষ্কার জ্বলজ্বল করছে ডায়াল। এগারোটা পঁয়ত্রিশ। ঠিক তখুনি দূর থেকে ভেসে এল শব্দটা

    এঞ্জিনের আওয়াজ। মাথা ঘোরাল রানা, কোন দিক থেকে আসছে বোঝার চেষ্টা। মনে হলো নিচে থেকে উঠে আসছে। ছোট একটা কার, আন্দাজ করল। গিয়ারের সাথে এঞ্জিনের আওয়াজও বদলে গেল, গাছপালা ঢাকা দীর্ঘ পথ বেয়ে উঠে আসছে!

    মিনিট পাঁচেক পর হেডলাইটের আলো পড়ল ফাঁকা জায়গাটায়, পিছু পিছু এল ছোট গাড়িটা-কালো স্পোর্টস মডেল, দেখার সাথে সাথে চিনতে পারল রানা।

    সরাসরি স্যাবের পিছনে থামল গাড়ি। বোঝাই যায়, স্যাবের নড়াচড়ায় একটা বাধা হয়ে দাঁড়াল। হুট করে যদি কেটে পড়ার দরকার হয়, সামনের অল্প জায়গায় বাঁক নিতে হবে রানাকে।

    এঞ্জিন আর আলো অফ করল ড্রাইভার। রাতের স্থির বাতাসে সিল্ক-এর আওয়াজ পেল রানা। বানা বেলাডোনার কাঠামোটা অস্পষ্টভাবে দেখতে পেল গাড়ির পাশে, দাঁড়িয়ে রয়েছে স্থিরভাবে। তারপর তার গলা ভেসে এল, রানা? আছ তো, রানা?

    সাবধানে, ধীরে ধীরে খাড়া হলো রানা। ফাঁকা জায়গাটা পেরোচ্ছে, একটা হাত হোলস্টারে ভরা ভি-পি-সেভেনটির কাছে তৈরি। একেবারে পিছনে না আসা পর্যন্ত বেলাডোনা ওর অস্তিত্ব টেরই পেল না।

    ‘ওহ্ গড!’ আঁতকে উঠল বেলাডোনা। ধ্যেত, রানা, এরকম করে না!’ কাঁপছে সে, রানাকে ধরে ঝুলে পড়ল।

    ‘তুমিই তো বলে দিয়েছ সাবধানে থাকতে।’ বেলাডোনার মুখটা দু’হাতে ধরে উঁচু করল রানা, হাসছে।

    ডিনারের পোশাকটা বদলায়নি বেলাডোনা, সাদা কালো রেখা ও বৃত্তবহুল সিল্ক। সাধারণ একটা পোশাক, কিন্তু তার নিজস্ব স্টাইল আর ব্যক্তিত্ব পরিস্ফুট হবার সুযোগ পেয়েছে। হয়তো সাধারণ, মসৃণ আর উত্তেজক সিল্ক, হাত দিয়ে স্পর্শ করে ভাবল রানা, কিন্তু সন্দেহ নেই বানাতে খরচ পড়েছে তার মত লোকের কয়েক মাসের বেতন।

    ‘প্লীজ, রানা-আমরা ভেতরে যেতে পারি?’ বেলাডোনার ঠোঁটের বাতাস রানার ঠোঁটে লাগল। প্রথম বারের মতই, তার গায়ের বিশেষ গন্ধটি প্রাণভরে উপভোগ করল রানা। রেশমী কোমল চুলের সাথে এবার অসম্ভব দামী কি যেন একটা মেশানো হয়েছে। মুহূর্তের জন্যে নিজের আরও কাছে টানল রানা তাকে।

    ‘প্লীজ, রানা, প্লীজ!’ কোমল সুরে তাগাদা দিল বেলাডোনা। ‘ভেতরে, প্লীজ!’ এক পা সামনে বাড়ল রানা, কেবিনে আগে ঢুকতে দিল লোডোনাকে। তারপর বোতাম টিপে আলো জ্বালল ও। কেবিনের দরজা বন্ধ হবার সাথে সাথে রানার বাহুর ভেতর চলে এল বেলাডোনা, মৃদু কাঁপছে, তারপর নিজেকে ছাড়িয়ে নিল। ‘এসে ভুল করে ফেলেছি।’ রুদ্ধশ্বাসে কথা বলার এই ভঙ্গিটি ভোলার নয়, প্রথমবার বেলাডোনাকে স্যাবে বসে চুমো খাবার সময় শুনেছিল।

    ‘তাহলে এলে কেন?’ দু’হাত দিয়ে বেলাডোনাকে আলিঙ্গন করল রানা, ঘুরে ওর দিকে ফিরল বেলাডোনা, শরীরে তার হাত আর পায়ের জোরাল স্পর্শ অনুভব করল রানা।

    ‘কেন বুঝতে পারো না?’ মুখ তুলে রানার ঠোঁটে চুমো খেলো বেলাডোনা, আবার পিছিয়ে গেল তাড়াতাড়ি। ‘না। এখুনি নয়। কি যে ঘটতে যাচ্ছে কিছুই বুঝছি না, রানা। তোমাকে শুধু এটুকু বলতে পারি যে ঝান আর ল্যাচাসি দু’জনেই মানুষ মারার প্ল্যান করেছে। ওদের প্ল্যান···মোটকথা এরচেয়ে বিপজ্জনক আর কিছু হতে পারে না, রানা। আমি শুধু এটুকুই জানি, শুধু এটুকুই তোমাকে বলতে পারি। দু’জনেই ওরা আমার কাছ থেকে সব লুকিয়ে রাখে। কালরাতে লোকজন এসেছে-পুব থেকে, নিউ ইয়র্ক থেকে। ওদের কিছু কিছু কথা কানে এসেছে আমার। ল্যাচাসিকে বলতে শুনলাম, আজ যদি সে রেসে না জেতে…’

    কিন্তু রেসের আগে তোমাকে তো বেশ স্বাভাবিকই লাগছিল…’

    ‘তোমাকে সাবধান করার কোন উপায়ই ছিল না, রানা। কেন দেখোনি, ঝানের লোকেরা আমাকে ঘিরে রেখেছিল? দ্রুত, ঘন ঘন মাথা নাড়ল বেলাডোনা,। ‘কোন কথা শুনব না, তোমাকে পালাতে হবে, রানা।’

    ‘ঝান কাল সকালে বিদায় নিতে বলেছে…’

    ‘হ্যাঁ, হ্যাঁ, আমি জানি…কিন্তু …’ কাছে এসে রানার বুকের সাথে সেঁটে গেল বেলাডোনা, ‘…ওরা অপেক্ষা করবে, জানি আমি। নতুন অনেক লোককে দেখা গেছে, সাথে কুকুর নিয়ে ঘেরাও করে রাখবে গোটা র‍্যাঞ্চ… কাকে যেন বলতে শুনলাম হাফ-ট্রাক ব্যবহার করা হবে…হাফ-ট্রাক, তাই না?’

    ‘মরুভূমিতে হাফ-ট্রাক কাজের জিনিস, হ্যাঁ।’ ওর-ও যে তাই ধারণা সে-কথা বলল না রানা। কোন সন্দেহ নেই ঘুমের ভান করে পড়ে থাকবে ঝান নামের কুকুরটা, নিরাপদে বেরিয়ে যেতে দেবে ওদেরকে র‍্যাঞ্চের বাইরে, বেরিয়ে গিয়ে সরাসরি পেশাদার খুনীদের হাতে পড়বে ওরা।

    শিউরে উঠে রানার বুকে মুখ গুঁজল বেলাডোনা।

    ‘শোনো, বাননা।’ দু’হাত তার কাঁধে রেখে মৃদু চাপ দিল রানা, দুটো মুখ সামনাসামনি হলো। মন দিয়ে শোনো। রিটা চলে যাচ্ছে। আমি চলে যাচ্ছি। দু’জনেই আমরা গায়েব হয়ে যাব। কাল নয়, ঝান যেমন চাইছে, আজ রাতেই-কিংবা খুব ভোরের দিকে। আমিও জানি কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে, তাই ঠিক করেছি গা ঢাকা দেব, র‍্যাঞ্চের ভেতরই…’

    ‘কিন্তু. রানা… র‍্যাঞ্চের ভেতর তো…

    ‘জানি। গা ঢাকা দেব, আর চেষ্টা করব অন্তত একজন যাতে বেরিয়ে যেতে পারি…

    ‘ঠিক আছে, বুঝলাম…কিন্তু কিভাবে? ভেবেছ ওরা তোমাদের পালাবার খোলা রেখেছে? অসম্ভব! টাকাগুলো, তাই না, রানা? ঠিক বুঝতে পারছি না।’

    ক্ষণস্থায়ী নিস্তব্ধতা শেষ হবার আগেই শোনা গেল ভারী একটা প্লেনের আওয়াজ। বেশ নিচে দিয়ে র‍্যাঞ্চের আকাশ পাড়ি দিচ্ছে।

    কেবিনের বন্ধ জানালার দিকে তাকাল বাননা বেলাডোনা। ‘ওই আসতে শুরু করেছে ডেলিগেটরা! আজ রাতে দুটো আলাদা আলাদা ফ্লাইট। তা নয়তো ঝানের ফ্রেইটার…’

    ‘ফ্রেইটার?’

    বেলাডোনার গলায় সংক্ষিপ্ত, নার্ভাস হাসি। ‘বুঝলে না, লোকটার আইসক্রীম! জানি ক্রিমিন্যাল একটা কিছুর মধ্যে ব্যস্ত সে, কিন্তু আইসক্রীমের কথা ভোলেনি। নতুন আরেকটা ফ্লেভার আবিষ্কার করেছে,

    করেছে, কে জানে কোথাকার এক ডিসট্রিবিউটরকে বিক্রিও করে দিয়েছে। টন টন আইসক্রীম, রানা। আজ রাতেই তো ডেলিভারি দেয়ার কথা।

    ডিসট্রিবিউটরের কাছে আইসক্রীম পাঠানো হচ্ছে, তাৎপর্যটা কি? সাদামাঠা, নির্দোষ আইসক্রীম? নাকি ঝান আর ল্যাচাসির উদ্ভাবিত ওষুধ মেশানো আইসক্রীম? ওষুধের প্রতিক্রিয়া চাক্ষুষ করেছে রানা, নিজের অজান্তেই মানুষ শয়তানে পরিণত হয়, নিজের প্রিয়জনকেও খুন করতে পারে হাসিমুখে।

    ‘কোথায়, রানা? কোথায় তুমি লুকাবে? বেলাডোনা জিজ্ঞেস করল।

    ‘না!’ তীক্ষ্ণ, প্রতিবাদের সুর রানার কণ্ঠে। ‘সে-কথা তোমার না জানাই ভাল। কিছুই যদি না জানো, ওরা তোমার ওপর টরচার করার সুযোগ পাবে না। স্রেফ গায়েব হয়ে যাব আমরা, কোথায় এই মুহূর্তে আমি নিজেও তা জানি না। তুমি অপেক্ষা করবে, বান্‌না। কোন রকম ঝুঁকি নেবে না, শুধু অপেক্ষা করবে। কেউ না কেউ আসবে, কথা দিলাম তোমাকে। তারপর সব ঠিক হয়ে যাবে।’

    ‘তোমার সাথে আমার আর দেখা হবে না?’

    ‘কেন হবে না!’ বেলাডেনাকে কাছে টানল রানা, চুমো খেলো ঠোঁটে। ‘বেঁচে থাকলে অবশ্যই হবে।’

    রানা অনুভব করল তার একটা হাত ওর ঊরুতে আঙুল বুলাচ্ছে। ‘সময় ফুরিয়ে আসছে, রানা! জায়গা নেই আর, কিন্তু তবু আরও সরে আসার চেষ্টা করছে বেলাডোনা, যেন সেঁধিয়ে যেতে চায় রানার ভেতর, ফিসফিস করছে রানার কানে, ‘রানা, তোমার যদি কিছু ঘটে…আমাদের কি হবে? আমি কি নিয়ে…? নরম ঠোঁট দিয়ে রানার গলা ছুঁলো সে, মৃদু কামড় দিল চিবুকে। … বলে দাও! আমার স্বপ্ন কি তাহলে পূরণ হবার নয়? তোমাকে চেয়েছি…যদি কিছু ঘটে…’ একটু যেন ফোঁপাচ্ছে বেলাডোনা, রানার গালের সাথে গাল ঘষছে।

    বেলাডোনাকে জড়িয়ে ধরে, ধীর পায়ে বেডরূমের দিকে এগোল রানা। বিছানায় ওঠার আগে নাইট-টেবিল ল্যাম্পটা জ্বেলে দিল ও।

    ‘না, ননা!’ কোমল সুরে আবদার জানাল বেলাডোনা। ‘প্লীজ রানা, আমি আলো চাই না…অন্ধকার।

    ‘একটু সেকেলে হয়ে যায় না…?’

    ‘প্লীজ, রানা,’ সুর করে বলল বেলাডোনা, অনুরোধ।

    ছোট্ট করে মাথা ঝাঁকাল রানা, বোতাম টিপে নিভিয়ে দিল আলো, মেঝেতে খসে পড়া কাপড়চোপড় ছেড়ে উঠে এল, বেলাডোনার মাথা গলে বেরুতে থাকা সিল্কের খসখস শুনতে পাচ্ছে।

    বিছানায় শুয়ে, নাগালের মধ্যে অটোমেটিকটা রাখতে গিয়ে হঠাৎ রানার ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় সতর্ক হয়ে উঠল, স্যাৎ করে হাতটা লম্বা করে আবার আলো জ্বালল ও।

    ‘কি হলো!’ লজ্জায় কুঁকড়ে গেল বেলাডোনা, চোখ বন্ধ করে ফেলেছে। দুঃখিত, বাননা খানিকটা আলো না থাকলে আমার চলবে না।’

    এক গড়ান দিয়ে রানার ওপর উঠে এল বেলাডোনা। ‘ওরে পাজি! ওরে নির্লজ্জ!’ প্রতিবার নতুন নতুন নামে ডাকছে সে রানাকে, আর পাগলের মত চুমো খেয়ে অস্থির করে তুলছে।

    .

    ভোর চারটের দিকে চলে গেল বাননা বেলাডোনা। যাবার আগে একশো একবার, পইপই করে সাবধান করে দিল, রানা যেন সতর্ক থাকে। ‘আবার আমাদের দেখা হবে, রানা? বলো আবার দেখা হবে আমাদের।’

    আলতো একটা চুমো খেয়ে কথা দিল রানা, অবশ্যই আবার মিলিত হবে ওরা।

    ‘যদি,’ সবশেষে রানাকে বলল সে, ওরা যখন গাড়ির কাছে পৌঁছুল, ‘যদি খারাপ কিছু ঘটে, রানা, আমার ওপর ভরসা রেখো। তোমাকে সাহায্য করব আমি। সাধ্যের বাইরে চেষ্টা করব। তোমাকে ভাল…

    শেষ চুমো দিয়ে তাকে থামিয়ে দিল রানা। ‘বলাটা খুব সহজ।’ অন্ধকারে হাসল ও। ‘তারচেয়ে কি উপভোগ করলাম আমরা সেটার কথা ভাবো, আশা করো, আরও পাব।।‘

    স্যাবের পাশে, অন্ধকারে দাঁড়িয়ে, গাছপালার ভেতর ছোট গাড়িটার আলো হারিয়ে যেতে দেখল ও। প্রেমময় সংস্পর্শে পরিচ্ছন্ন এবং সতেজ হয়ে ওঠা মাসুদ রানা এরপর নিজের জিনিসপত্র গুছিয়ে নিয়ে স্যাবে উঠে বসল, একটা দীর্ঘশ্বাস ফেলল যার অর্থ নিজের কাছেও তেমন পরিষ্কার নয়, ছেড়ে দিল গাড়ি, শুধু পার্কিং লাইটগুলো ব্যবহার করছে। ঢালু পথ বেয়ে নেমে এল ও, তারপর ঢাল ঘিরে থাকা রাস্তা ধরল। সেই আগের জায়গায় ফিরে এল রানা, যেখানে বসে বাননা বেলাডোনার সাথে কথা হয়েছিল ওর, শুনেছিল কিভাবে তার সব টাকা-পয়সা হজম করে ফেলেছে মলিয়ের ঝান।

    গাছপালার ভেতর গাড়িটা যতটা সম্ভব লুকাল রানা, বাকি সামান্য পথটুকু হেঁটে এল। বেলাডোনার প্রতি কৃতজ্ঞ বোধ করা উচিত ওর, সে-ই তো কনফারেন্স সেন্টারে ঢোকার পথটা দেখিয়েছে ওকে।

    সকাল হতে খুব বেশি দেরি নেই, বড়জোর দু’ঘণ্টা, কাজেই জগিঙের ভঙ্গিতে নিঃশব্দে দৌড়ানোর কৌশলটা কাজে লাগাল রানা, দ্রুত হাঁটার বিকল্প, কমান্ডো ট্রেনিং-এর সময় শিখেছিল। পরনে এখনও ওর হালকা পোশাক, সাথে শুধু হেকলার অ্যান্ড কচ, স্পেয়ার অ্যামুনিশন, পিক-লক আর টুলস্ সহ রিঙটা রয়েছে।

    যতটা ধারণা করেছিল তারচেয়ে লম্বা পথ, জঙ্গলের কিনারায় ম্যানহোলের কাছে যখন পৌছুল আকাশের ঘন কালো রঙ একটু যেন হালকা লাগল চোখে। ধাতব ঢাকনি সহজেই উঠে এল, ভেতরের বড়সড় হাতলটা ধরল রানা!

    প্রবেশপথের মুখ খুলে গেল। মেটাল কভার জায়গামত রেখে গর্তের ভেতর নামল ও, সন্ধানী চোখে চারদিকে তাকাল-বেলাডোনার কথামত ভেতর থেকে পাথরটা প্রবেশপথের মুখে ফিরিয়ে আনার জন্যে একটা মেকানিজম আছে। রাস্তা থেকে প্রায় বারো ফুট নিচে নেমে এসেছে ও, টানেলে ঢোকার মুখটা দেখতে পাচ্ছে পরিষ্কার, দূরে ছোট একটা নীল বালব জ্বলছে।

    শেষ ধাতব আঙটার কাছাকাছি দেখা গেল মেকানিজম। লিভার ধরে টান দিতেই একবারে কাছ থেকে শোনা গেল হাইড্রলিক গুঞ্জন, মাথার ওপর প্রবেশপথের মুখে ভারী পাথরটা ফিরে আসতে শুরু করায় থরথর করে কাঁপতে লাগল চারপাশটা।

    চেম্বার থেকে খিলান আকৃতির প্রবেশপথ পেরিয়ে টানেলে ঢুকল রানা। সিলিংটা প্রায় আট ফুট উঁচু, দু’হাত দু’দিকে লম্বা করে দিয়ে দু’পাশের দেয়ালের স্পর্শ পেল রানা আঙুলের ডগায়। খুব বেশিদূর এগোয়নি, লক্ষ করল টানেলের মেঝে নিচের দিকে সামান্য ঢালু হতে শুরু করেছে। কোথাও কোন শব্দ নেই, নড়াচড়া নেই, তবু ঘন ঘন থেমে কান পাতল রানা। কনফারেন্স সেন্টারটা ব্যবহার করা শুরু হয়েছে, তারমানে ঝানের লোকেরা এ-পথে আসা-যাওয়া করছে। র‍্যাঞ্চ থেকে সেন্টারে ঢোকার এই একটাই তো পথ।

    কারও সাথে দেখা হলো না, প্রায় এক মাইল হেঁটে এসেছে ও। নিচের দিকে নেমে যাবার পর মেঝেটা মাঝখানে সমতল হয়েছিল, তারপর শেষ দিকে উঁচু হয়ে উঠে গেছে। আগেও বেশ খানিকটা হাঁটা হয়েছে রানার, অনুভব করল কিছুটা আড়ষ্ট লাগছে ঊরুর পেশী।

    আগের চেয়ে আরও সাবধান রানা, হাঁটার গতি কমিয়ে দিয়েছে। ধরে নিতে হবে সামনে লোকজন আছে। এদিকে আরও খাড়াভাবে উঠে গেছে মেঝে, ধীরে ধীরে এক দিকে-বেঁকে গেছে টানেল। তারপর, কোন আভাস ছাড়াই, হঠাৎ করে গোটা টানেল চওড়া হয়ে গেল, শেষ মাথা পর্যন্ত পরিষ্কার। খিলান আকৃতির আরেকটা প্রবেশপথ, ভেতরে চেম্বার। পথের প্রথম মাথাটার চেয়ে আকারে বড় এটা।

    রানার সামনে মসৃণ দেয়াল, সাদা মার্বেল পাথরের তৈরি। গোটা চেম্বারটা পরীক্ষা করল রানা, মনে আছে বেলাডোনা বলেছিল এদিকের মাথাতেও একটা মেকানিজম থাকবে, যার সাহায্যে দারোয়ানের ক্লজিটে যাওয়া যায়। কিন্তু ডিভাইসটা সম্পর্কে বিশদ কিছু বলেনি সে। রানা শুধু সাদা পাথরের মসৃণ দেয়ালে নীল আলো দেখতে পাচ্ছে-কোথাও কোন বাক্স, ধাতব ঢাকনি বা সুইচ নৈই।

    সাধারণ বুদ্ধিতে বলে চেম্বারে ঢোকার সময় নাক বরাবর সামনে যে দেয়াল পড়ে, ওটাতেই বেরিয়ে যাবার পথ করা আছে। আরও বলে, দরজাটা যদি ক্লজিটের পিছন দিকে হয়, ডান হাতের বরাবর থাকবে হ্যান্ডেল।

    দেয়ালের মাঝখান থেকে শুরু করল রানা, চৌকো মার্বেল পাথর পরীক্ষা করল একটা একটা করে। তিন সারি পাথর পরীক্ষা করলেই হবে, তার নিচ আর ওপরেরগুলো বাদ। প্রতিটি পাথর চাপ দিল, খোঁচা দিল জয়েন্টগুলোয়। পনেরো মিনিট পর ঠিক জায়গায় চাপ পড়তেই খানিকটা পিছিয়ে একপাশে সরে গেল পাথরটা, ভেতরে সাধারণ একটা দরজার নব।

    আস্তে করে নবটা ঘোরাবার চেষ্টা করল রানা। এবার একসাথে অনেকগুলো মার্বেল সরে গেল, দেখা গেল গোটা একটা কাঠের দরজা, গায়ে আরেকটা নব। নব ঘুরিয়ে কবাট খুলল ও, দূর প্রান্তে প্লাস্টার করা দেয়াল, দেয়ালের গায়ে শেলফ, ধনুকের মত বাঁ দিকে বাঁকা হয়ে আছে।

    চৌকাঠ পেরিয়ে ভেতরে ঢুকল রানা, শেলফের ভেতর আড়াল করা নবটা খুঁজে বের করল।

    ক্লজিটের ভেতর জায়গা খুব কম, দরজার পিছনে কোন রকমে একজন লোক লুকিয়ে থাকতে পারে।

    রানার সামনে শেলফ, শেলফের পাশে প্লাস্টার করা দেয়ালে আরেকটা দরজা। গোপন দরজাটা বন্ধ করার পর কিছুক্ষণ অপেক্ষা করল ও, অন্ধকার সয়ে নেয়ার জন্যে সময় দিল চোখ দুটোকে।

    নব ধরে ধীরে ধীরে ঘোরাল রানা, সেই সাথে চাপ বাড়াল সামনের দিকে । টানেলের নীল আলো আর নিস্তব্ধতার পর আওয়াজ শুনে প্রায় চমকে উঠল ও। লোকজনের গলা ভেসে আসছে-নারী-পুরুষকণ্ঠ। ক্লজিটের খোলা দরজার সামনে প্যাসেজ, আলোয় উদ্ভাসিত। প্রায় সংলগ্ন খোলা একটা জানালা জানিয়ে দিল ভোর হয়ে গেছে, উজ্জ্বল রোদ ঢুকছে ভেতরে।

    হাতঘড়ি দেখল রানা। ঢাল থেকে এখানে পৌঁছুতে এতটা সময় লাগবে ভাবতে পারেনি ও। সাড়ে সাতটা বাজে। তবে লাভ হয়েছে এই যে অপেক্ষার সময়টা কমল। কিন্তু কোথায় অপেক্ষা করবে সে? কারও চোখে না পড়ে কিভাবে সে কনফারেন্সে হাজির থাকবে?

    ক্লজিটের দরজাটা খোলা রাখল রানা, যদি তাড়াহুড়োর মধ্যে পালানোর দরকার হয়। প্যাসেজ ধরে এগোল কয়েক পা। খুব কাছাকাছি কোথাও থেকে আসছে শব্দগুলো, হয়তো বিশ ফুট সামনের বাঁক ঘুরলেই লোকজন দেখে ফেলবে ওকে। মনোযোগ দিয়ে শব্দগুলো শুনল ও হাসল আপনমনে। চিনতে পারছে-প্লেট, কাপ-পিরিচের আওয়াজ। ডাইনিং রূমের কাছাকাছি কোথাও রয়েছে সে।

    জানালা দিয়ে বাইরে উঁকি দিল রানা। চওড়া একটা লন, মাঝখানে ইংরেজী অক্ষর এইচ-এর আকৃতি নিয়ে সাদা পাথুরে একটা কাঠামো। দূরে উঁচু তারের বেড়া। তারপর একটা দেয়াল, ওপাশে সবুজ বনভূমি পরিষ্কার দেখা গেল। সরাসরি একটা হেলিপ্যাডের দিকে তাকিয়ে রয়েছে রানা।

    ঘুরে ক্লজিটের দিকে ফিরল ও, একজোড়া দরজা দেখতে পেল। প্রতিটি দরজার ওপরের অর্ধেকে মোটা স্বচ্ছ কাঁচের প্যানেল রয়েছে। গোটা গোটা সোনালি হরফের লেখাগুলো পড়ে জানা গেল এই পথেই কনফারেন্স সেন্টারে যাওয়া যায়। প্যানেলে চোখ রাখার জন্যে প্যাসেজ ধরে ফিরে এল রানা।

    উঁকি দিয়ে সরে এল রানা একপাশে, প্যাসেজ আর দরজার আড়ালে। দুই কি তিন সেকেন্ডের মধ্যে যা দেখার সব দেখে নিয়েছে ও। দরজার ভেতর বিশাল একটা হল, আধুনিক থিয়েটারের মত। প্রকাণ্ড অর্ধচন্দ্র আকৃতিতে

    সাজানো হয়েছে গদিমোড়া আসন, মধ্যবর্তী প্যাসেজগুলোয় চোখ ধাঁধানো রোদের মত উজ্জ্বল আলো। আসনগুলোর সামনের অংশে চওড়া স্টেজ, এরইমধ্যে লম্বা টেবিল আর ডজনখানেক চেয়ার ফেলে সাজানো হয়েছে সেটা। টেবিলের সামনে মাইক্রোফোন, বুক সমান উঁচু ডেস্কটাকে যেন পাহারা দিচ্ছে। স্টেজের পিছন দিকে, পর্দার মত দেখাল ঝুলে থাকা সিনেমা স্ক্রীনটাকে।

    কনফারেন্স হল খালি নয়। কম করেও ঝান সিকিউরিটির দশ-বারো জন লোক চারদিকে ঘুর ঘুর করছে, তাদের দু’জনের সাথে একটা করে কুকুর, কারও হাতে এক্সপ্লোসিভ ডিটেকশন ডিভাইস বা অ্যান্টি-বাগিং স্নিফার্স। সন্দেহ নেই ব্যবহারের আগে ছেঁকে পরিষ্কার করে নিচ্ছে হলটাকে। অটোমোটিভ এঞ্জিনিয়ারদের সামনে কাগজ পড়বে পিয়েরে ল্যাচাসি, সে জন্যে? নাকি খোদ মলিয়ের ঝানই বক্তৃতা দেবে মীটিঙে?

    এক সেকেন্ডের জন্যে আবার একবার উঁকি দিল রানা, দরজার কাছাকাছি ঝান সিকিউরিটির কয়েকজনকে দেখে তাড়াতাড়ি ক্লজিটের ভেতর ঢুকল ও, হাতে বেরিয়ে এসেছে হেকলার অ্যান্ড কচ, সেফটি ক্যাচ অফ। সিকিউরিটির লোকেরা এই পথেই যেতে পারে, ঝানের অন্যান্য সহকারীরাও ব্যবহার করতে পারে এই প্যাসেজ।

    ক্লজিটে ঢুকছে রানা পাঁচ সেকেন্ডও হয়নি, এখনও পুরোপুরি বন্ধ নয় দরজা, আওয়াজ শুনে বোঝা গেল প্যাসেজে বেরিয়ে আসছে সিকিউরিটির লোকগুলো। গলার আওয়াজ পরিষ্কার শোনা গেল, মাত্র কয়েক ফুট দূরে থেকে।

    ‘ও.কে.?’ জিজ্ঞেস করল একজন।

    ‘ওরা বলছে সব পরিষ্কার, টড,’ দ্বিতীয় কণ্ঠস্বর থেকে জবাব এল।

    আরেকটা নতুন কণ্ঠস্বর, ‘স্টেজের তলাটা, জনি? খুঁটিয়ে সব দেখা হয়েছে তো?’

    হ্যাঁ, হয়েছে-তলা-ওপর কিছুই বাদ দেয়া হয়নি। বাঁ দিকে অ্যাকসেস ফ্ল্যাপ-এর ভেতরটা পর্যন্ত দেখা হয়েছে। টর্চ নিয়ে আমি নিজে ঢুকেছিলাম। মোড়ক খোলা সাবানের মত পরিষ্কার দেখে এসেছি-ধুলো আর মাকড়সার জালগুলো যদি বাদ দাও।’

    কয়েকজনের মিলিত হাসি শোনা গেল, সেই সাথে ধারণা করল রানা অনুসন্ধানের কাজ শেষ হয়েছে।

    ‘ওঁরা আসছেন কখন?’ কেউ একজন জানতে চাইল।

    ‘মহিলা আর পুরুষ শ্রোতারা আসন গ্রহণ করবেন আটটা পঁয়তাল্লিশে, তারপর যতক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়। কড়া নির্দেশ-আটটা পঁয়তাল্লিশের পর কাউকে আর ঢুকতে দেয়া হবে না।’

    ‘তাহলে আর চিন্তা কি, হাতে প্রচুর সময়। চলো কিছু খেয়ে নিই।’

    ‘সও মং কি আসছেন?’ প্রশ্নটা করল জনি, এবং রানা অনুভব করল জোরাল প্রত্যাশায় ওর ঘাড়ের চুল দাঁড়িয়ে গেল।

    ‘আন্দাজ করা হচ্ছে। যদিও কথা বলবেন না। কখনোই বলেন না।’

    ‘না। আফসোস। ঠিক আছে, বন্ধুরা, কার কি কাজ মনে থাকে যেন, কোন রকম বেয়াদপি বা গাফলতি নয়-কাকে কোথায় বসাতে হবে জানোই তো। আর যখন…’

    দূরে সরে যেতে যেতে মিলিয়ে গেল ওদের গলা, এক সময় বুটের আওয়াজও আর শোনা গেল না।

    পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে চিন্তা করার প্রয়োজন পড়ল না, হাতে অটোমেটিক নিয়ে ক্লজিট থেকে বেরিয়ে এল রানা। প্যাসেজটা ভাল করে দেখে নিল একবার, ফাঁকা। কয়েক সেকেন্ড পর, কনফারেন্স হলের ভেতরে রয়েছে রানা, মধ্যবর্তী একটা প্যাসেজ ধরে হন হন করে এগোচ্ছে। মনে মনে জনিকে ধন্যবাদ দিল ও, স্টেজের বাঁ দিককার অ্যাকসেস্ ফ্ল্যাপ-এর কথা সেই জানিয়েছে।

    পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে জিনিসটা খুঁজে নিল রানা। সাধারণ একটা পর্দা, দু’পাশে খানিক পর পর রিঙ আটকানো আছে, রিঙের ভেতর রশি, টানলে সরে যাবে গোটা পর্দা। খানিকটা অংশ উঁচু করে হামাগুড়ি দিয়ে স্টেজের তলায় ঢুকে পড়ল রানা, ক্লজিট থেকে বেরুবার পর সময় পেরিয়েছে মাত্র ষাট সেকেন্ড।

    এখন থেকে শুধু অপেক্ষার পালা। পৌনে ন’টা বা কিছু আগে ডেলিগেটরা আসবে। তার খানিক পর আসবে সও মং। সও মং ওরফে উ সেন নয়, এ লোক নতুন সও মং। নামটা এখন ফাঁস হয়ে গেছে, অচিরেই রানা তাকে চাক্ষুষ দেখে চিনে নিতে পারবে- সন্দেহভাজন দু’জনের একজন।

    দু’জনের মধ্যে কে? ঝান, নাকি ল্যাচাসি?

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)
    Next Article মাসুদ রানা ০৭২-৭৩ – সেই উ সেন (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }