Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ১৫৯-১৬০ – আবার উ সেন (দুইখণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প374 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আবার উ সেন – ১.২

    দুই

    খানিক আগের ঘটনা।

    ফ্লাইট বি টুয়েলভের স্টারবোর্ড সাইড, প্যাসেজের ধারে একটা সীট, একজিকিউটিভ ক্লাস। খানিকটা সামনের দিকে ঝুঁকে, একদিকে একটু কাত হয়ে বসে আছে মাসুদ রানা, দেখে মনে হবে উদ্বেগ বা উত্তেজনার লেশমাত্র নেই ওর মধ্যে। আধবোজা চোখ আর শিথিল পেশীর আড়ালে টপ গিয়ারে রয়েছে ওর মাথা, শরীর নিয়ে রয়েছে বিপজ্জনক একটা ভঙ্গি, পেঁচানো স্প্রিঙের মত, ঝাঁপিয়ে পড়ার জন্যে তৈরি।

    কাছ থেকে খুঁটিয়ে দেখলে মায়াভরা কালো চোখেও ধরা পড়বে উদ্বেগ। সিঙ্গাপুর থেকে প্লেনে ওঠার পরপরই বিপদের গন্ধ পেয়েছে রানা, তারপর বাহরাইন থেকে প্লেন ‘টেক-অফ করার পর সন্দেহ প্রবল হয়েছে। সতর্কতা বিফলে যায়নি, আজ কিছু একটা ঘটতে যাচ্ছে।

    বাহরাইন থেকেই বিপুল পরিমাণে সোনা তোলা হয়েছে প্লেনে।

    বোয়িঙে রানার সাথে ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্টি-টেরোরিজম অর্গানাইজেশনের চারজন আন্ডারকাভার এজেন্টও রয়েছে। শার্ক আর কোবরা কমাত থেকে বাছাই করা এজেন্ট ওরা, সাধারণ আরোহীদের সাথে ফার্স্ট, একজিকিউটিভ আর ট্যুরিস্ট ক্লাসে বসে আছে।

    রানার ক্লান্তি আর উত্তেজনা শুধু এই বিমান যাত্রার ফল নয়, সিঙ্গাপুর থেকে লন্ডনের দীর্ঘ যাত্রায় এবার নিয়ে পরপর তিনবার থাকছে ও। সন্ত্রাসবিরোধী সতর্কতার অংশ হিসেবে কয়েক হপ্তা হলো এই ভূমিকায় দায়িত্ব পালন করছে। শুধু সিঙ্গাপুর টু লন্ডন রুটে নয়, সারা পৃথিবী জুড়ে এরকম আরও অনেক রুটে সন্ত্রাস আর হাইজ্যাক বিরোধী সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। সম্প্রতি প্ৰায় পনেরোটা দেশে বিমান হাইজ্যাক হওয়ায় জাতিসংঘের বিশেষ অনুরোধে ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্টি-টেরোরিজম অর্গানাইজেশন এই সতর্ক প্রহরার আয়োজন করেছে।

    অথচ আশ্চর্য, আজ পর্যন্ত কোন টেরোরিস্ট গ্রুপ এই সব হাইজ্যাকিং ঘটনার দায়িত্ব স্বীকার করেনি। এদিকে মাঝারি আর বড় মাপের এয়ারলাইন্স কোম্পানীগুলো ব্যাপক হারে প্যাসেঞ্জার হারাতে শুরু করেছে। প্রচার মাধ্যম আর সরকারগুলো যতই অভয়বাণী শোনাক, সাধারণ বিমান আরোহীদের মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে আতঙ্ক।

    অতি সম্প্রতি ঘটে যাওয়া প্রতিটি ক্ষেত্রেই দেখা গেছে হাইজ্যাকাররা ছিল চরম নিষ্ঠুর। আরোহী আর ক্রুরা পাইকারীহারে মারা গেছে। হাইজ্যাক করা কোন কোন প্লেনকে বিপজ্জনক আর দুর্গম পাহাড়ী এলাকার কোন গোপন এয়ারফিল্ডে নিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সর্বশেষ ঘটনাটাই ধরা যাক—ওটা ছিল সেভেন-ফোর-সেভেন জাম্বো, ক্যাপটেনকে হাইজ্যাকাররা সুইস আল্পস-এ নিয়ে যেতে বলে জাহাজ। সমুদ্রপিঠ থেকে কয়েক হাজার ফুট উঁচুতে সমতল একটা জায়গা তৈরি করা হয়েছিল আগেই, কিন্তু জায়গাটা দুই উপত্যকার মাঝখানে ঢাকা ছিল। ল্যান্ড করতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেন ক্যাপটেন, বিধ্বস্ত হয় প্লেনটা। আরোহী বা হাইজ্যাকার, কারও লাশই চেনার উপায় ছিল না।

    কোন কোন ক্ষেত্রে নিরাপদেই নেমেছে প্লেন। লুঠ করা সোনা, টাকা, অলঙ্কার ইত্যাদি নিয়ে ছোট একটা প্লেনে উঠে গেছে হাইজ্যাকাররা, যাবার সময় হাইজ্যাক করা প্লেনটা বোমা মেরে উড়িয়ে দিয়ে গেছে। প্রতিটি ক্ষেত্রে মুহূর্তের দ্বিধা বা হস্তক্ষেপ বয়ে নিয়ে এসেছে অকস্মাৎ মৃত্যু-ক্রুদের, আরোহীদের, এমনকি শিশুদেরও।

    এগুলোর মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ ছিল বাংলাদেশ বিমানের বোয়িং হাইজ্যাক হওয়ার ঘটনাটা। বোয়িঙে পাঁচ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের অলঙ্কার আর অ্যান্টিকস তোলা হয় আবুধাবী থেকে, সবই সহজে বহনযোগ্য। হাইজ্যাকাররা সে-সব হাতিয়ে নিয়ে প্লেনটাকে নিচে নামাতে বলে, তারপর প্যারাসুট নিয়ে বেরিয়ে যায় প্লেন থেকে। এ-যাত্রায় প্রাণ বেঁচে যাওয়ায় আরোহীরা যখন স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে, রিমোট কন্ট্রোলের সাহায্যে বোমা ফাটিয়ে আকাশ থেকে গায়েব করে দেয়া হয় বোয়িংটাকে।

    ছয় হপ্তা হলো হাইজ্যাকিং বিরোধী সতর্কতা অবলম্বন করা হয়েছে। গত দুটো ফ্লাইটে রানার অংশগ্রহণ ছিল ঘটনাবিহীন। কিন্তু এবার ওর ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বলছে, কিছু একটা ঘটবেই ঘটবে।

    সিঙ্গাপুর থেকে প্লেনে ওঠার পর আরোহীদের মধ্যে চারজন লোককে দেখে সন্দেহ হয় ওর। চারজনই শক্ত-সমর্থ, কারও বয়সই ত্রিশের বেশি নয়। প্রত্যেকে দামী সুট পরে আছে, সাথে একটা করে ব্রীফকেস, যেন ব্যবসায়ী। চারজনই তারা একজিকিউটিভ ক্লাসে বসেছে, দু’জন সেন্ট্রাল সেকশনের পোর্ট সাইডে, রানার বাঁ দিকে। বাকি দু’জন সামনের দিকে, রানার কাছ থেকে পাঁচ সারি দূরে। চেহারায় ট্রেনিং পাওয়া সৈনিকের ভাব থাকলেও চারজনই তারা চুপচাপ এবং শান্ত।

    তারপর, বাহরাইনে যাত্রাবিরতির সময় প্লেনে উঠে এল মূর্তিমান বিপদ। প্ৰায় দুই বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের সোনা, কারেন্সি আর ডায়মণ্ড তোলা হলো প্লেনে, ওগুলোর পিছু পিছু আরও উঠল তিনজন যুবক আর একটা মেয়ে। মেয়েটা সুন্দরী, চুল কালো, কিন্তু চেহারা এমন থমথমে, যেন শক্ত পাথর। তার পুরুষ সঙ্গীরা মেদহীন, স্মার্ট, হাবভাব দেখে মনে হয় ট্রেনিং পাওয়া গেরিলা।

    উদ্দেশ্যহীন ঘুরে বেড়াবার ছলে সীট ছেড়ে একবার উঠেছিল রানা, নবাগত আরোহীরা কে কোথায় বসেছে দেখে এসেছে। সন্দেহজনক ব্যবসায়ীদের মত এই চারজনও জোড়ায় জোড়ায় বসেছে, তবে সবাই রানার পিছনে, ট্যুরিস্ট ক্লাসে।

    শার্ক আর কোবরা কমান্ডোদের মত রানাও সশস্ত্র। ওর সাথে নতুন একজোড়া থ্রোয়িং নাইফ রয়েছে। একটা ওর প্রিয় পজিশনে, বাম বাহুর ভেতর দিকে স্ট্র্যাপ দিয়ে আটকানো। আরেকটা পিঠে, শিরদাঁড়ার পাশে। আন্তর্জাতিকভাবে সুখ্যাত এবং নির্ভরযোগ্য একটা রিভলভারও রয়েছে ওর সাথে, যেটা উড়ন্ত অবস্থায় প্লেনের ভেতর ব্যবহার করা যাবে নির্ভয়ে।

    রিভলভারটা ছোট, পয়েন্ট থ্রী-এইট বোর, কার্ট্রিজে চার্জের পরিমাণ খুবই সামান্য। ফ্র্যাগমেনটেশন বুলেট-মারাত্মক শুধুমাত্র কয়েক ফুট দূর থেকে, কারণ ওটার গতি দ্রুত কমে যায়, আর বুলেট ফেটে যাওয়ায় এয়ারফ্রেম বা প্লেনের ধাতব আবরণ ভেদ করতে পারে না।

    কমান্ডোরাও সবাই রানার মত সশস্ত্র, তাদের ট্রেনিঙেও কোন খুঁত নেই, তবু প্লেনে রিভলভার থাকায় খুশি নয় রানা, যতই না কেন বলা হোক নিরাপদ। প্লেনের গা বা জানালার খুব কাছাকাছি থেকে গুলি করা হলে, বুলেটটা যদি সরাসরি ঢোকে, মারাত্মক ডিপ্রেশারাইজেশন সমস্যা দেখা দেবে। নিজেকে নিয়ে ওর তেমন কোন ভাবনা নেই, যাই ঘটুক ছুরি দিয়েই সামলাতে পারবে। তবে টার্গেট কাছাকাছি চলে এলে আলাদা কথা, তখন অবশ্যই রিভলভারটা ব্যবহার করবে ও। কাছাকাছি বলতে এক্ষেত্রে ওর হিসেবে দু’ফুট।

    দৈত্যাকার সেভেন-ফোর-সেভেন মৃদু ঝাঁকি খেলো, সেই সাথে এঞ্জিনের আওয়াজে ক্ষীণ পরিবর্তন লক্ষ করল রানা, ওরা নিচে নামতে শুরু করেছে এ তারই লক্ষণ। সম্ভবত এই মাত্র বেলজিয়ান উপকূল ছাড়িয়ে এসেছে বোয়িং, আন্দাজ করল ও, চোখ জোড়া কেবিনের চারদিকে ঘুরছে, সতর্কতার সাথে আপেক্ষায় আছে।

    নিরেট দর্শন স্বর্ণকেশী স্টুয়ার্ডেস রানার কয়েক সারি সামনে ব্যবসায়ী দু’জনকে সফট্-ড্রিঙ্কের ক্যান দিল। মেয়েটাকে প্যাসেজ ধরে আসা-যাওয়া করতে বেশ অনেকবার দেখেছে রানা। তার মুখের দিকে চোখ পড়তেই পলকের মধ্যে বুঝে নিল রানা কোথাও কোন ঘাপলা আছে। মুখে ধরে রাখা স্থির হাসি অদৃশ্য হয়েছে, আরোহী দু’জনের দিকে খুব বেশি ঝুঁকে রয়েছে সে, ফিসফিস করে কি যেন বলছে তাদেরকে।

    চট করে একবার বাঁ দিকে তাকাল রানা, সুটেডবুটেড ব্যবসায়ীদের দ্বিতীয় জোড়া যেখানে বসে আছে। কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে স্টুয়ার্ডেসের দিকে তাকিয়েছিল ও সেই ফাঁকে অদৃশ্য হয়েছে লোক দু’জন।

    মাথা ঘুরিয়ে তাদের একজনকে দেখতে পেল রানা। হাতের জিনিসটাকে মনে হলো বিয়ানের ক্যান, ওর পিছনের প্যাসেজে ছোট গ্যালির কাছে, একজিকিউটিভ ক্লাসের পিছনের দিকে দাঁড়িয়ে রয়েছে সে। ইতিমধ্যে সামনের গ্যালিতে অদৃশ্য হয়ে গেছে স্টুয়ার্ডেস।

    রানা নড়তে যাবে, চোখের পলকে সব কিছু একসাথে ঘটতে শুরু করল।

    ওর পিছনের লোকটা বিয়ার ক্যানের রিঙ ধরে টান দিল, তারপর প্যাসেজের ওপর গড়িয়ে দিল ক্যানটা। ঘন ধোঁয়া বেরিয়ে এল ওটা থেকে, মুহূর্তের মধ্যে ভরে উঠল কেবিন।

    ইতিমধ্যে সামনের লোক দুজনও সীট ছেড়েছে, দেখা গেল স্টুয়ার্ডেসও আবার ফিরে এসেছে প্যাসেজে। এবার কি যেন একটা রয়েছে মেয়েটার হাতে। আরও দূর প্রান্তে চার নম্বর ব্যবসায়ীকে দেখা গেল, সামনের দিকে ছুটতে শুরু করে সে-ও একটা স্মোক ক্যান ছুঁড়ে দিল প্যাসেজে।

    দাঁড়িয়ে ঘুরতে যাচ্ছে রানা। সবচেয়ে কাছের লোকটা, ওর পিছনের প্যাসেজে, এক সেকেন্ডের জন্যে ইতস্তত করল। ভোজবাজীর মত রানার হাতে বেরিয়ে এল ছুরিটা। ছুরি ধরা হাতটা কাঁধের কাছে কখন উঠল, কখন ছুঁড়ে দিল, কি আঘাত করল, এ-সব কিছুই টের পেল না লোকটা। ছুরিটা তার হার্টের ঠিক নিচে ঢোকার সময় অকস্মাৎ ব্যথা আর বিস্ময়ের ধাক্কা অনুভব করল শুধু।

    গোটা কেবিনে ধোঁয়া আর আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। চিৎকার করে আরোহীদের শান্ত থাকতে বলল রানা, কেউ যেন সীট ছেড়ে না ওঠে। ট্যুরিস্ট ক্লাস আর সামনের পেন্ট হাউস স্যুইট থেকে কমান্ডোদেরও গলা পেল রানা। হঠাৎ শোনা গেল পরপর দুটো বিস্ফোরণের আওয়াজ, এয়ারগার্ড রিভলভারের বলে চেনা গেল ওগুলোকে। পরমুহূর্তে আরও জোরাল বিস্ফোরণ ঘটল, ভারী কোন আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করা হচ্ছে!

    দম আটকে রেখে ধোঁয়ার ভেতর দিয়ে একজিকিউটিভ ক্লাস গ্যালির দিকে ছুটল রানা। ওখান থেকে পোর্ট সাইডে যাওয়া যাবে, তারপর ঘোরানো সিঁড়ি বেয়ে ওঠা যাবে পেন্ট হাউস আর ফ্লাইট ডেকে। এখনও অন্তত তিনজন হাইজ্যাকার বেঁচে আছে, চারজনও হতে পারে।

    গ্যালিতে ঢুকেই বুঝল, আর মাত্র তিনজন। ইনগ্রাম সাবমেশিনগানটা এখনও আঁকড়ে ধরে আছে স্টুয়ার্ডেস, ধোঁয়ার ভেতর চিৎ হয়ে পড়ে রয়েছে সে, কাছ থেকে ছোঁড়া এয়ারগার্ড রিভলভারের গুলিতে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে তার বুক, বিস্ফারিত নীল চোখে বিস্ময় আর আতঙ্ক।

    ছুরি ধরা হাতটা শরীরের পাশে, এখনও দম আটকে রেখেছে রানা, আতঙ্কিত আরোহীদের চেঁচামেচি আর কাশির আওয়াজ কানে তুলে লাশটা টপকাল। এত হৈচৈ সত্ত্বেও কমান্ডোদের একজনের গর্জন পরিষ্কার ভেসে এল নিচে, ‘রেড ওয়ান। রেড ওয়ান!’ এটা একটা সঙ্কেত, মানে হলো মূল আক্রমণটা করা হয়েছে ফ্লাইট ডেকে বা তার আশপাশে।

    ঘোরানো সিঁড়ির গোড়ায় আরেকজনকে টপকাল রানা। কমান্ডোদের একজন, জ্ঞান নেই, এদিকের কাঁধ অর্ধেক উড়ে গেছে।

    ছোট সিঁড়ি. বাঁক ঘুরতেই আরেক ব্যবসায়ীকে দেখতে পেল রানা, কয়েক ধাপ সামনে ওর দিকে পিছন ফিরে হাঁটু মুড়ে বসে রয়েছে, হাতের ইনগ্রামটা তুলছে সে। ঝাঁকি খেলো রানার শরীর, বাতাসে শিস কেটে ছুটে গেল ছুরিটা। ফলাটা এতই ধারাল, লোকটার ঘাড়ে প্রায় সবটুকু গেঁথে গেল, ঠিক যেন মস্ত একটা হাইপডারমিক সিরিঞ্জ। কাটা ক্যারটিড শিরা থেকে ঝর্নার একটা ধারার মত সবেগে বেরিয়ে এল তাজা রক্ত। লোকটা এমনকি চিৎকার পর্যন্ত করল না। বিড়ালের মত নিঃশব্দে সামনের ধাপ ক’টা টপকে তার ঠিক পিছনে চলে এল রানা, লোকটার পতন শুরু হবার আগেই ধরে ফেলল তাকে, নিজেকে আড়ালে রেখে উঁকি দিয়ে তাকাল প্লেনের ওপরের অংশে।

    ফ্লাইট ডেকের দরজা খোলা। দোরগোড়ার কাছে ব্যবসায়ীদের আরেকজনকে দেখা গেল, হাতে সাবমেশিনগান, নির্দেশ দিচ্ছে ক্রুদের। দরজার বাইরে, তার দিকে পিছন ফিরে রয়েছে সঙ্গীটি, এর হাতেও একটা ইনগ্রাম। সে যে তৈরি হয়ে আছে বোঝাবার জন্যে অস্ত্রটা একদিক থেকে আরেক দিকে অর্ধবৃত্ত আকারে ঘোরাচ্ছে ঘন ঘন। ইনগ্রাম সাবমেশিন গান সম্পর্কে জানা আছে রানার, মিনিটে বারোশো বুলেট ছোঁড়ে।

    কমান্ডোদের একজনকে দেখতে পেল রানা, পরস্পরের সাথে সঙ্কেত বিনিময় করল ওরা। দু’জনেই জানে এরপর কি করতে হবে। সুযোগ না থাকায় এতক্ষণ নিজের সীটে গোবেচারার ভঙ্গিতে বসে ছিল কমান্ডো যুবক, কমান্ডারের নির্দেশ পেয়ে তৈরি হলো সে।

    লাশটাকে ধাপের একপাশে সরিয়ে দিল রানা, লাশের ঘাড় থেকে এরই মধ্যে ছুরিটা ফিরে এসেছে ডান হাতে। বড় করে শ্বাস টেনে মাথা ঝাঁকাল ও। লাফ দিয়ে সীট ছাড়ল কমান্ডো, এয়ারগার্ড রিভলভার আগেই গর্জে উঠেছে তার হাতে।

    হাইজ্যাকারদের গার্ড রানার নড়াচড়া টের পেয়ে সিঁড়ির দিকে ইনগ্রাম ঘোরাল। কিন্তু ট্রিগার টানার সুযোগ পেল না, তার আগেই এয়ারগার্ড রিভলভারের দুটো বুলেট খেলো সে গ্লায়। ডেক থেকে পা উঠল না তার, শরীরটা ঘুরলও না, দাঁড়ানো অবস্থা থেকে সটান সামনের দিকে আছাড় খেলো। ডেকে পড়ার আগেই মারা গেছে।

    ফ্লাইট ডেকের দোরগোড়ায় দাঁড়ানো হইজ্যাকার দ্রুত ঘুরল। এক ঝলক আলোর মত ছুটে গেল ছুরিটা, ঘ্যাঁচ করে বিঁধল তার বুকে। হাত থেকে পড়ে গেল ইনগ্রাম। তার পাশে রানা আর কমান্ডো একসাথে পৌছুল। লোকটার হাঁটু ভাঁজ হয়ে গেল, পড়ে যাচ্ছে, কিন্তু তাকে পড়তে না দিয়ে ধরে রাখা হলো-পকেটগুলো দ্রুত সার্চ করছে রানা, গ্রেনেড বা অন্য কোন অস্ত্র থাকতে পারে।

    লোকটাকে ছেড়ে দিতেই ডেকের ওপর হুমড়ি খেয়ে পড়ল সে, বুকে গাঁথা ছুরির হাতলটা দু’হাতে ধরে বাতাসের অভাবে হাঁসফাঁস করছে। বিস্ফারিত চোখের ভেতর ঘুরপাক খাচ্ছে মণি জোড়া, রক্তাক্ত ঠোঁট থেকে বেরিয়ে আসছে ঘড় ঘড় আওয়াজ।

    ‘অল ওভার!’ চিৎকার করে বলল রানা, ক্যাপটেন সহ সবাই যাতে শুনতে পায়। যদিও পুরোপুরি সন্দেহমুক্ত নয় ও। বিপদ কি সত্যিই কেটে গেছে?

    ‘নিচেটা চেক করে দেখি,’ কমান্ডোকে বলল ও, আহত হাইজ্যাকারের ওপর ঝুঁকে রয়েছে সে।

    নিচের কেবিনে ধোঁয়া এখন আর নেই বললেই চলে, সামনে একজন কালো চুল স্টুয়ার্ডেসকে দেখতে পেয়ে হাসল রানা। ‘তুমি ওদেরকে শান্ত করো, ‘ তাকে বলল ও। বিপদ কেটে গেছে।’ মেয়েটার বাহু চাপড়ে দিল ও, তারপর তাকে একজিকিউটিভ ক্লাসের সামনের গ্যালিতে যেতে নিষেধ করল।

    ওখানে নিজে গেল রানা। আরোহীদের অনেকেই সীট ছেড়ে বেরিয়ে এসেছে প্যাসেজে, ভিড় ঠেলে এগোতে হলো। এক বুড়ি রানাকে ধরে ঝুলে পড়ল, ফুঁপিয়ে কাঁদছে। আরেকজন জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। কাউকে অভয় দিয়ে কাজ হলো, আবার কেউ ধমক খেয়ে চুপ করল। স্টুয়ার্ডেসের লাশে একটা কোট চাপা দিল ও। যে-কোন লাশ, তা সে যারই হোক, চোখে বড় অসুন্দর লাগে।

    বাকি দু’জন কমান্ডো, যুক্তিসঙ্গতভাবেই, প্লেনের পিছন দিকে রয়েছে। হাইজ্যাকারদের যদি ব্যাক-আপ টীম থাকে, তাদের সামলাবার জন্যে সম্পূর্ণ তৈরি ওরা। হাঁটতে হাঁটতে আপনমনে হাসল রানা। নিষ্ঠুর চেহারার তিনজন যুবক আর তাদের সঙ্গিনী মেয়েটা, যারা বাহরাইন থেকে প্লেনে ওঠার সময় ওর মনে সন্দেহ জাগিয়ে তুলেছিল, এই মুহূর্তে অন্যান্য সাধারণ আরোহীদের চেয়েও বেশি ফ্যাকাসে হয়ে গেছে।

    দ্বিতীয়বার যখন ঘোরানো সিঁড়ি বেয়ে উঠছে রানা, ইন্টারফোন সিস্টেম থেকে পার্সারের শান্ত কণ্ঠস্বর ভেসে এল, আরোহীদের জানাল খানিক পরই লন্ডনের হিথরো বিমানবন্দরে নামতে যাচ্ছে প্লেন। তারপর অনির্ধারিত অপ্রীতিকর ঘটনার’ জন্যে ক্ষমা প্রার্থনা করল সে।

    পেন্টহাউস স্যুইটে রানা ঢুকতেই কমান্ডো যুবক ম্লান মুখে মাথা নাড়ল। হাইজ্যাকার লোকটা, রানার দ্বিতীয় ছুরির শিকার, দুটো খালি সীটের ওপর পড়ে আছে, শরীরটা প্লাস্টিক দিয়ে ঢাকা। ‘কোন লাভ হলো না,’ রানাকে বলল কমান্ডো; ‘মাত্র কয়েক মিনিট বেঁচে ছিল।

    রানা জানতে চাইল লোকটার জ্ঞান ফিরেছিল কিনা। ‘একেবারে শেষ মুহূর্তে। কথা বলার চেষ্টা করছিল।’

    ‘আচ্ছা!’

    ‘মাথামুণ্ডু কিছুই অবশ্য আমি বুঝতে পারিনি।’

    কথাগুলো কি ছিল মনে করার জন্যে তাগাদা দিল রানা।

    ‘বলল…মানে, কিছু একটা বলার চেষ্টা করছিল আর কি। দু’একটা শব্দ… কিন্তু ভারী অস্পষ্ট, কমান্ডার। মনে হলো যেন…সৎ মং। দম বন্ধ হবার আগে থরথর করে কাঁপছিল লোকটা, কাশির সাথে গল গল করে রক্ত বেরিয়ে আসছিল, কিন্তু শেষ শব্দ দুটো, কোন সন্দেহ নেই, ওরকমই শোনাল –সও মং।

    চুপ হয়ে গেছে রানা। ল্যান্ড করতে যাচ্ছে প্লেন, কাছাকাছি একটা সীটে বসে পড়ল ও।

    আরও খানিক পর প্লেনের চাকা রানওয়ে স্পর্শ করল, তখনও রানা মাথা নিচু করে হাইজ্যাকারের শেষ শব্দ দুটো নিয়ে ভাবছে। না, তা কি করে হয়! এত বছর পর সও মং কোত্থেকে আসবে!

    উ সেন! ছদ্মনাম সও মং। রানার পরম শত্রু ছিল লোকটা। প্যারিসে রানা যাকে নিজের হাতে খুন করেছে।

    এক মুহূর্তের মধ্যে চোখ বুজল রানা। দীর্ঘ যাত্রা আর খণ্ডযুদ্ধ ক্লান্ত করে তুলেছে ওকে। কোন সন্দেহ নেই উ সেন মারা গেছে। কাজেই সও মঙের আবির্ভাবও আর সম্ভব নয়। কিন্তু কে বলতে পারে? সও মং তো উ সেনের আসল নাম ছিল না, ছদ্মনামটা কেউ যদি ধার করে উ সেনের উত্তরাধিকারী হিসেবে উদয় হয়ে থাকে আশ্চর্য হবার কি আছে! কিন্তু কে হতে পারে? উ সেনের কোন শিষ্য? তার কোন ছেলে? কিন্তু না, ওর জানামতে উ সেন কখনও বিয়ে করেনি। কিংবা হয়তো করেছিল, কাউকে জানতে দেয়নি। ছেলে না-ও হতে পারে, ইউনিয়ন কর্সের কোন নেতা হবার সম্ভাবনাই বেশি। ইউনিয়ন কর্সের ইতিহাসে উ সেনের মত দুর্ধর্ষ নেতা দ্বিতীয়টি নেই। ইউরোপ, এশিয়া আর আফ্রিকা জুড়ে সন্ত্রাস আর আতঙ্ক ছড়ানোর ব্যাপারে তার মত সাফল্যও আর কেউ অর্জন করেনি-তবে কি তারই ছদ্মনাম গ্রহণ করে খোদ ইউনিয়ন কর্স-ই নতুন কোন কূট-পরিকল্পনা করেছে?

    সও মং, নতুন আরেক অপদেবতা?

    সেভেন-ফোর-সেভেনের এঞ্জিন থামল। বেল বাজিয়ে আরোহীদের জানিয়ে দেয়া হলো, এখন তারা নেমে যেতে পারে।

    হ্যাঁ, মনে মনে স্বীকার করল রানা, সম্ভাবনাটা উড়িয়ে দেয়া যায় না।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)
    Next Article মাসুদ রানা ০৭২-৭৩ – সেই উ সেন (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }