Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ১৫৯-১৬০ – আবার উ সেন (দুইখণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প374 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আবার উ সেন – ১.৩

    তিন

    দূষিত, পচা বিশাল বিলের মাঝখানে বাড়িটাই একমাত্র উঁচু জায়গা। বিলটা কোথাও বেশি গভীর, কোথাও কম, জলজ গাছ এত বেশি যে গোটা জলাভূমি

    ঢাকা পড়ে আছে।

    সবচেয়ে কাছের শহরটা ছয় মাইল দূরে। মিসিসিপি নদীর ধারে, জলমগ্ন জলাভূমির কিনারায় ওখানে খুব কম লোকই বসবাস করে। তারা শুধু যে বিলটাকে ভয় পায় তাই নয়, বাড়িটাও তাদের মনে আতঙ্কের একটা উৎস। জলা আর বাড়ি, দুটোকেই এড়িয়ে চলার চেষ্টা করে তারা।

    খুব যারা বুড়ো তাদের মুখ থেকে শোনা যায় কোথাকার কোন এক ইংরেজ নাকি বাড়িটা তৈরি করেছিল, সেই আঠারোশো বিশ কি বাইশ সালের দিকে। লোকটার নাকি খুব ইচ্ছে ছিল জলাটাকে পোষ মানাবে, বাসযোগ্য আর সুগম্য করে তুলবে মানুষের জন্যে। কিন্তু বেশিদূর এগোতে পারেনি। এক মেয়েলোককে নিয়ে অশান্তি দেখা দেয়-কারও কারও গল্পে একাধিক মেয়ের কথা বলা হয়-তারপর দেখা দেয় মৃত্যু। বাড়িটা যে ভূতুড়ে এ-ব্যাপারে কারও মনে কোন সন্দেহ নেই। ব্যাখ্যাহীন শব্দ অনেকেই শুনেছে। অশুভ বাড়িটাকে পাহারাও দেয় অশুভ শক্তি-একদল সাপ। একেকটা সাপ নাকি ত্রিশ থেকে চল্লিশ ফুট লম্বা, জলাভূমির অন্য কোন অংশে ওগুলোকে দেখা যায় না, শুধু বাড়িটার চারপাশেই ওগুলোর আড্ডা। সবচেয়ে কাছের মুদি দোকানদার ব্যাট জনসন। তার ধারণা, ‘সাপগুলো ডেলাভাইলকে মোটেও বিরক্ত করে না।’

    ডেলাভাইল বোবা আর কালা। ছেলেপিলেরা তাকে দেখলে ছুটে পালায়, বড়রাও কেউ তাকে পছন্দ করে না। তার সাথে যোগাযোগ একমাত্র ব্যাট জনসনেরই আছে, তবে সাপগুলো যেহেতু ডেলাভাইলকে বিরক্ত করে না, কাজেই ব্যাট জনসনও ডেলাভাইলকে বিরক্ত করে না।

    সাত কি আট দিন পর একবার করে মারশ্ হপার নিয়ে বিল পেরোয় বোবাটা, তারপর পাঁচ মাইল জলা পায়ে হেঁটে ব্যাটা জনসনের দোকানে পৌছায়, হাতে থাকে জিনিস-পত্রের একটা তালিকা। জিনিসগুলো নিয়ে আবার পাঁচ মাইল হাঁটে সে, মারশ্ হপারে উঠে বিলের মধ্যে অদৃশ্য হয়ে যায়।

    বাড়িটায় একটা মেয়েলোকও থাকে। অনেক লোকই মাঝে মধ্যে দেখেছে তাকে, কোন সন্দেহ নেই জিনিস-পত্রের নাম লেখা তালিকাটা সে-ই বোবার হাত দিয়ে ব্যাট জনসনের দোকানে পাঠায়। মেয়েলোকটা যে এক ধরনের ডাইনী তাতে আর সন্দেহ কি, তা না হলে কি অমন ভূতুড়ে একটা বাড়িতে এতদিন ধরে বাস করতে পারে?

    বিশেষ করে ভিড় আর গ্যাঞ্জামের সময়টায় বাড়িটার কাছ থেকে দূরে থাকার চেষ্টা করে লোকজন। গ্যাঞ্জামটা কখন শুরু হবে সবাই তারা জানতে পারে। ব্যাট জনসনই তাদেরকে জানায়। সে জানতে পারে জিনিস-পত্রের তালিকা দেখে। গ্যাঞ্জামের দিনটায় দু’বার আসা-যাওয়া করতে হয় ডেলাভাইলকে, কারণ বাড়িতে সেদিন অতিরিক্ত অনেক জিনিস দরকার হয়। তারপর, সন্ধ্যার দিকে, সত্যি সবার দূরে সরে থাকা উচিত। চেনা অচেনা কত রকম শব্দ হবে, গাড়ি আসা যাওয়া করবে, অতিরিক্ত মাশ্ হপার দেখা যাবে, আর বাড়িটা হঠাৎ করে ঝলমলে হয়ে উঠবে উজ্জ্বল আলোয়। কখনও কখনও সঙ্গীতও শুনতে পাওয়া যায়। ক্ষীণ আর্তচিৎকারও নাকি কেউ কেউ শুনেছে বলে দাবি করে। একদিনের ঘটনা, তা প্রায় বছরখানেক হয়ে এল, প্রাণ চঞ্চল জন লিবি-যে ভয় কাকে বলে জানত না-তার নিজের মারশ্ হপার নিয়ে দু’মাইল উজানে গিয়ে পৌঁছায়; ইচ্ছে, গোপনে কিছু ছবি তুলবে।

    তারপর আর জন লিবিকে কেউ কখনও দেখেনি। তবে তার মারশ্ হপারটা পাওয়া গিয়েছিল, ভাঙাচোরা টুকরো অবস্থায়, যেন কোন বিরাট জানোয়ার-বা সাপ-ওটার ওপর মনের ঝাল মিটিয়েছে।

    এই হপ্তায় আবার বাড়িটায় ভিড় আর গ্যাঞ্জাম হবে।

    বাড়িটার দরজা-জানালা আর বেশিরভাগ দেয়াল জাল দিয়ে ঘেরা থাকে, সে লোহার জালেও মরচে ধরেছে। কিন্তু খুব কম লোকই জানে যে বাড়িটা পাথরের তৈরি। প্রাচীন বাড়িটার ভেতরের অংশ ভেঙে নতুন করে পাথর আর ইস্পাত দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

    প্রতি মাসেই এ-ধরনের ভিড় হয় বাড়িটায়। এ মাসে লোক এসেছে এগারোজন! দু’জন লন্ডন থেকে, তিনজন নিউ ইয়র্ক থেকে, একজন জার্মান, একজন ফরাসী, একজন সুইডিস, একজন ল্যাটিন আমেরিকান, বিশাল বপু যে লোকটা প্রতি মাসেই আসে সে বাস করে তেল আবিবে, আর এসেছে ওদের লীডার। লীডারের নাম সও মং, যদিও বাইরের দুনিয়ায় সম্পূর্ণ অন্য এক নামে পরিচিত সে।

    সময় নিয়ে এবং আয়েশ করে ডিনার সারল তারা। মদ আর কফি পানের পর সবাই গিয়ে বসল কনফারেন্স রূমে, সেটা বাড়ির পিছন দিকে।

    লম্বা কামরাটা সাদা রঙ করা, ফ্রেঞ্চ উইন্ডোগুলোয় একই রঙের ভারী পর্দা ঝুলছে, ওগুলোর সামনে দাঁড়ালে বিল আর জলার দূর প্রান্ত পর্যন্ত দেখা যায়। কামরার চার দেয়ালে চারটে পেইন্টিং, প্রতিটির নিচে পিতলের শেডের ভেতর আলো জ্বলছে। পেইন্টিংগুলোর মধ্যে দুটো পোলস্‌, একটা মিরো, অপরটা ক্লাইন। ক্লাইনের শিল্পকর্মটি সম্প্রতি হাইজ্যাক করা আরও অনেক মূল্যবান জিনিস-পত্রের সাথে পাওয়া গেছে। পেইন্টিংটি সও মঙের এতই ভাল লেগে গেছে যে আর সব জিনিসের সাথে ওটা বিক্রি করা হয়নি।

    পালিশ করা একটা ওক টেবিল কামরার মাঝামাঝি জায়গা প্রায় সবটুকু দখল করে রেখেছে। এগারোজন মানুষের জন্যে এগারোটা চেয়ার, প্রত্যেকটা চেয়ারের সাথে ঝুলছে নাম লেখা কার্ড। টেবিলে সবার সামনে রয়েছে ব্লটার, পানীয়, কাগজ, অ্যাশট্রে আর এজেন্ডা।

    টেবিলের মাথার চেয়ারটা দখল করল’ সও মং, তাকে বসতে দেখে তারপর সবাই বসল।

    ‘চলতি মাসে এজেন্ডায় মাত্র তিনটে বিষয় রয়েছে,’ শুরু করল সও মং। ‘বাজেট, ফ্লাইট বি টুয়েলভ ব্যর্থতা, আর অপারেশন বুলডগ সম্পর্কে আলোচনা। বেশ, তাহলে কাজ শুরু করা যাক। মি. আকিভা নোভিক, বাজেট প্রসঙ্গে, প্লীজ।’

    তেল আবিবের অধিবাসী ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াল। দীর্ঘদেহী পুরুষ, গায়ের রঙ তামাটে, খাড়া নাক। সুদর্শন ইহুদি লোকটার চেহারাই শুধু নয়, তার কণ্ঠস্বরও বহু যুবতীর হৃদয়ে আলোড়ন তোলে। ‘এ-কথা বলতে পেরে আমি আনন্দিত যে,’ শুরু করল সে, ‘ফ্লাইট বি টুয়েলভ থেকে যা আশা করা হয়েছিল তা না পেলেও, আমাদের সুইটজারল্যান্ড, লন্ডন আর নিউ ইয়র্কের অ্যাকাউন্টে মোটা অঙ্কের টাকা জমা আছে—মোটা অঙ্ক বলতে, যথাক্রমে, চারশো মিলিয়ন ফ্রাঙ্ক, পঞ্চাশ মিলিয়ন পাউন্ড স্টার্লিং, আর একশো পঞ্চাশ মিলিয়ন ডলার। সব মিলিয়ে এই টাকায় আমাদের বর্তমান উদ্দেশ্য পূরণ করা সম্ভব। তাছাড়া, আমাদের পরবর্তী অপারেশনগুলো যদি সফল হয়, মহামান্য লীডারের সাথে একমত হয়ে আমি ও বলতে পারি সফল না হবার কোন কারণ নেই, তাহলে আমাদের মোট সঞ্চয়ের পরিমাণ এক বছরে দ্বিগুণ হয়ে যাবে।’ পরিচিত মন-ভোলান হাসি দেখা গেল তার মুখে, উপস্থিত শ্রোতারা সবাই হেলান দিল যে যার চেয়ারে, ঢিল পড়ল সবার পেশীতে

    টেবিলের ওপর শক্ত একটা ঘুসি মারল সও মং। ‘ভেরি গুড।’ তার কণ্ঠস্বরে কাঠিন্য। ‘কিন্তু ফ্লাইট বি টুয়েলভে আমাদের ব্যর্থতা ক্ষমার অযোগ্য। বিশেষ করে এই অপারেশনটার জন্যে আপনার এতদিন ধরে প্রস্তুতি নেয়ার পর, হের এফেন।’ চেহারায় আক্রোশ ফুটে উঠল, হিংসদৃষ্টিতে জার্মান প্রতিনিধি ফন এফেনের দিকে তাকাল সে। ‘আর সবার মত আপনিও জানেন, হের এফেন, এ-ধরনের পরিস্থিতিতে হার্মিসের একজিকিউটিভ কমিটির অন্যান্য সদস্যদের চরম মূল্য দিয়ে ব্যর্থতার প্রায়শ্চিত্ত করতে হয়েছে।

    ফন এফেন মোটাসোটা, চামড়া ছাড়ানো লালচে মাংসের মত মুখের রঙ, পশ্চিম জার্মানীর আন্ডারওয়ার্ল্ডে তার রয়েছে দোর্দণ্ড প্রতাপ। সও মঙের কথা শুনে তার লালচে মুখ ফ্যকাসে হয়ে গেল।

    ‘তবে, এখানে একটা ব্যতিক্রম ঘটেছে,’ আবার বলল সও মং। আপনি যাদের কাজ দিয়েছিলেন, তাদের একজন দায়িত্বে অবহেলা করেছে। হের এফেন, অবশেষে আমরা আপনার আর্থার মার্টিনসনকে খুঁজে পেয়েছি।’

    ‘অ্যা, তাই নাকি?’ ফন এফেন হাত কচলাতে শুরু করে জানাল, সে-ও আর্থার মার্টিনসনকে খুঁজছিল। তার সেরা লোকদের দিয়ে খোঁজ করিয়েও লোকটাকে পায়নি সে।

    ‘হ্যাঁ, তাকে আমরা পেয়েছি, গম্ভীর সুরে বলল সও মং, তারপর পর পর দু’বার হাততালি দিল, হাততালি নয় যেন পিস্তলের আওয়াজ। ‘পাওয়া যখন গেছে, দেরি না করে তাকে তার বন্ধুদের কাছে পাঠিয়ে দেয়াই উত্তম বলে মনে করি আমি। যাকে যেখানে পাঠানোর কথা তাকে সেখানে পাঠাতে দ্বিধা করা আমাদের সাজে না। আইন-শৃংখলা আর নীতিমালা মেনে চলার ওপরই নির্ভর করছে হার্মিস-এর সাফল্য।’ বড়সড় একটা জানালার পর্দা নিঃশব্দে সরে গেল এক পাশে, সেই সাথে ধীরে ধীরে নিষ্প্রভ হয়ে এল কামরার ভেতরে আলোগুলো। জানালার বাইরে, কাছাকাছি চারদিকের পরিবেশ দিনের মত উজ্জ্বল দেখাল। ইনফ্রা-রেড ডিভাইস,’ ব্যাখ্যা করল সও মং। ‘সাধারণ আলোয় এ-বাড়ির প্রহরীরা যাতে ভয় না পায়। ওই যে, ‘আপনার মি. মার্টিনসন আসছে।

    টেকো, ভীত-সন্ত্রস্ত এক লোক, পরনে নোংরা সুট, ভাঁজ নষ্ট হয়ে গেছে। জানালার ঠিক সামনে ছোট্ট সমতল মাটিতে পথ দেখিয়ে আনা হলো তাকে। হাত দুটো পিছমোড়া করে বাঁধা, পায়ে লোহার শিকল জড়ানো, কাজেই তাকে টেনে নিয়ে আসতে কোন অসুবিধেই হলো না ডেলাভাইলের। লোকটার বিস্ফারিত চোখ জোড়া দিশেহারা ভঙ্গিতে এদিক ওদিক ঘুরছে, যেন গাঢ় অন্ধকারের ভেতর অচেনা কি যেন একটা বিপদ থেকে পালাবার পথ খুঁজছে সে।

    ডেলাভাইল তাকে সমতল, পরিষ্কার জায়গার মাঝখানে এনে দাঁড় করাল, ওখানে একটা ধাতব পোল রয়েছে খাড়াভাবে, জানালার কাঁচ থেকে মাত্র কয়েক ফুট দূরে। কামরার ভেতর থেকে দর্শকরা এখন দেখতে পাচ্ছে মার্টিনসনের বাঁধা হাত থেকে রশির একটা লম্বা প্রান্ত দু’ফুটের মত নিচের দিকে ঝুলে রয়েছে। পোলটার সাথে রশিটা বাঁধল ডেলাভাইল, ঘুরল, জানালার দিকে ফিরে হাসল একটু, তারপর পায়ের শিকল খুলে দিয়ে বেরিয়ে গেল দৃষ্টিসীমা থেকে।

    ডেলাভাইল সরে যাবার সাথে সাথে মার্টিনসনের মাথার ওপর থেকে ঝপ্ করে কি যেন একটা পড়ল। পরমুহূর্তে চেনা গেল জিনিসটা লোহার একটা খাঁচা খাঁচার ফ্রেমটা ভারী মজবুত ইস্পাতের রড দিয়ে তৈরি। গ্রিলগুলো এত শক্ত যে কোন মানুষের সাধ্য নেই খালি হাতে ভাঙে। গ্রিল শুধু খাঁচার তিন দিকে, বাকি একটা দিক খোলা। খাঁচার ছাদ লোহার রড দিয়ে তৈরি। খোলা মুখটা শেষ হয়েছে পানির একেবারে কিনারার কাছে, জানালা থেকে পানির কিনারা নয় ফুটের মত দূরে। খাঁচার ভেতর ছটফট করছে মার্টিনসন, পোল থেকে হাতের বাঁধন খোলার ব্যর্থ চেষ্টা করছে সে।

    ‘কি করেছে সে?’ আমেরিকানদের একজন জিজ্ঞেস করল। তার নাম জেফরি অ্যাডামস্, লস অ্যাঞ্জেলসের ইউনিয়ন কর্স প্রধান। তার সব চুল সাদা, কিন্তু গোঁফ জোড়া লালচে।

    ‘বি.এ. টুয়েলভের ব্যাক-আপ টীমের লীডার ছিল সে,’ জবাব দিল ফন এফেন। ‘কিন্তু কমরেডদের সাহায্যের জন্যে এগিয়ে আসেনি।’

    ‘মি. অ্যাডামস্,’ হাত তুলে বলল সও মং, ‘ঠিক কি ঘটেছিল, সব আমাদেরকে বলেছে মার্টিনসন। আর সবাই কিভাবে মারা গেল, কে মারল ইত্যাদি। ওই যে, প্রহরীদের একজন মি. মার্টিনসনকে দেখতে পেয়েছে। আমার অনেক দিনের শখ, বড়-একটা পাইথন জ্যান্ত একটা মানুষকে গিলে খেয়ে ফেলছে নিজের চোখে দেখব।’

    ফ্রেঞ্চ উইন্ডোর ঠিক সামনে দাঁড়িয়ে হার্মিসের একজিকিউটিভ কমিটি চেহারায় আতঙ্ক আর স্তম্ভিত বিস্ময় নিয়ে দৃশ্যটার দিকে তাকিয়ে থাকল। ইনফ্রা-রের কল্যাণে জলাভূমির কিনারা পর্যন্ত দিনের আলোর মত উজ্জ্বল দেখছে তারা। দুর্ভাগ্যের শিকার অসহায় লোকটার চিৎকারও তারা শুনতে পাচ্ছে পরিষ্কার। ঝোপ-ঝাড় আর বুনো ঘাসের ভেতর দিয়ে বিরাটাকার সরীসৃপটাকে এগিয়ে আসতে দেখতে পাচ্ছে সে। পানির কিনারায় ঘাস আর ঝোপ মাথা নোয়াচ্ছে।

    পাইথনটা বিশাল। কম করেও ত্রিশ ফুট লম্বা। মোটা, নিরেট শরীর। চওড়া তেকোনা মাথা। আর্থার মার্টিনসন, থরথর করে কাঁপছে, ঠকঠক করে বাড়ি খাচ্ছে দাঁত, পোলটার সাথে ধস্তাধস্তি শুরু করল, খাঁচার দূর প্রান্তে সরে যেতে চাইছে, যেন ওখানে যেতে পারলে রক্ষা পাবে।

    পাইথনটা হঠাৎ করে দ্রুত সামনে বাড়ল। প্রাচীন শিকড়ের মত মার্টিনসনকে পেঁচিয়ে ফেলল ওটা। মাত্র কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে শিকার আর শিকারীর মুখ একই লেভেলে পৌঁছুল-মানুষ এবং সাপ পরস্পরের সাথে জড়িয়ে আছে, এদিক ওদিক দুলছে, যেন অশ্লীল মৃত্যু-নাচে বিভোর। সাপের চওড়া ফণা চোখের সামনে দেখতে পেয়ে একটানা চিৎকার করছে মার্টিনসন, হিংস্র আক্রোশে সাপটার খোলা চোয়াল বিস্তৃত হচ্ছে ঘন ঘন। বিস্ফারিত দু’জোড়া চোখের দৃষ্টি কয়েক সেকেন্ড এক হয়ে থাকল, দর্শকরা পরিষ্কার দেখতে পেল লোকটার শরীরে আরও এঁটে বস, সাপের প্যাচ। মনে হলো মার্টিনসনের হাড়গুলো মট মট করে ভেঙে যাবে সব।

    তারপর অসাড় হয়ে গেল মার্টিনসন, জ্ঞান হারিয়ে ফেলেছে। সাপ এবং মানুষ মাটিতে লম্বা হলো। দর্শকদের একজন, জানালার পিছনে সম্পূর্ণ নিরাপদ, গুঙিয়ে উঠল। তিনটে ক্ষিপ্র ঝাঁকির সাথে মার্টিনসনের দেহ থেকে নিজেকে ছাড়িয়ে নিল পাইথন, এখন গভীর আগ্রহের সাথে ভোজ্যবস্তুটা পরীক্ষা করছে। ছোবল দিয়ে প্রথমে রশির বাঁধন ছিঁড়ল পাইথন, চোয়াল দিয়ে ধরে সরিয়ে দিল দূরে, তারপর মাথা ঘুরিয়ে এগোল মার্টিনসনের পায়ের দিকে।

    আরে, আরে! এ যে একেবারেই অবিশ্বাস্য ব্যাপার!’ সও মং জানালার কাঁচে নাক ঠেকিয়ে দাঁড়িয়ে আছে। ‘চোখে না দেখলে বিশ্বাস করতাম না। ওহ্, গড়, সাপটা মার্টিনসনের জুতো খুলছে!’

    দেহটা পিছিয়ে এনে মোচড় খেলো সাপ, মার্টিনসনের পায়ের সাথে একই সরলরেখায় চলে এল ওটার মাথা। পা দুটোকে ঠেলে এক করল। তারপর হাঁ করল মুখ। অবিশ্বাস্য চওড়া চোয়ালের ভেতর ঢুকে গেল মার্টিনসনের গোড়ালি।

    গোটা ব্যাপারটা শেষ হতে প্রায় এক ঘণ্টা লাগল, তবু কামরার ভেতর ভিড়টা একবারও নড়ল না, সবাই যেন সম্মোহিত হয়ে পড়েছে। কয়েকবার করে ঢোক গিলল পাইথন, প্রতিবার ঢোক গেলার সময় ঝাঁকি খেলো তার শরীর, তারপর কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিল। বিশ্রামের সময়টায় এক চুল নড়ল না। যতক্ষণ না মার্টিনসন সম্পূর্ণ উদরস্থ হলো ততক্ষণ চলল এই রোমহর্ষক কাণ্ড। সাপটা তারপর চুপচাপ শুয়ে থাকল, ভূরিভোজনের পর ক্লান্ত। ওটার লম্বা শরীর বেঢপ আকৃতি নিয়ে ফুলে আছে, পুরোটা দৈর্ঘ্যের মাঝামাঝি জায়গায়। ফোলার আকৃতি দেখে দর্শকদের বুঝতে অসুবিধে হলো না চাপ খেয়ে ছোট হয়ে যাওয়া ওটা একটা মনুষ্য দেহ।

    ‘আমাদের সবার জন্যে একটা ইন্টারেস্টিং শিক্ষা।’ আবার হাত দিয়ে পিস্তলের মত আওয়াজ করল সও মং। পর্দায় ঢাকা পড়ে গেল জানালা, আলোকিত হয়ে উঠল কামরা। কেউ কারও দিকে না তাকিয়ে, কোন শব্দ না করে টেবিলের সামনে ফিরে এল সবাই-অনেকেই কাঁপছে।

    জার্মান প্রতিনিধি ফন এফেন, ব্যক্তিগতভাবে জীবিত আর্থার মার্টিনসনকে যে চিনত, কাঁপা কাঁপা গলায় সে-ই প্রথম নিস্তব্ধতা ভাঙল, ‘আপনি বললেন,’ আবার শুরু করার আগে দু’বার ঢোক গিলতে হলো তাকে, একবার ঘাম মুছতে হলো কপালের, ‘আপনি বললেন, মার্টিনসন সব কথা বলেছে…

    ‘হ্যাঁ,’ মাথা ঝাঁকাল সও মং। ‘কথা বলেছে। বলা চলে প্রাণ খুলে গান গেয়ে গেছে। তার মুখ থেকেই তো জানতে পারলাম, বি.এ. ফ্লাইট টুয়েলভে আমাদের অপেক্ষায় কমান্ডো ছিল। কেউ বেঈমানী করেছে কিনা সেটা জানার চেষ্টা চলছে। তবে এমনও হতে পারে যে দুর্লভ বা খুব বেশি মূল্যবান কার্গো পাহারা দিয়ে নিয়ে যাবার ব্যবস্থা করা হয়েছে, কমান্ডোরা ছিল সেই ব্যবস্থারই অংশবিশেষ।

    ‘প্রথম থেকেই শুরু করি। অপারেশনটা শুরু হয় প্ল্যান অনুসারেই, ঘড়ির কাঁটা ধরে। প্রশংসা করি মেয়েটার, ওই বিশেষ ফ্লাইটে নিজের থাকার ব্যবস্থা করে সে, শরীরে লুকিয়ে স্মোক ক্যান আর অস্ত্রগুলো প্লেনে তোলে। কোন সন্দেহ নেই হামলাটা শুরুও করা হয়েছিল যথাসময়ে, একেবারে নির্দিষ্ট সেকেন্ডে। কিন্তু আর্থার মার্টিনসন অংশ গ্রহণ করেনি। তার অজুহাত ছিল, প্লেনের পিছনে আটকা পড়ে সে। যতদূর জানা গেছে, বি. এ. টুয়েলভে পাঁচজন কমান্ডো ছিল। মার্টিনসনের বিবরণ অনুসারে, তারা সবাই ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্টিটেরোরিজম অর্গানাইজেশনের সদস্য। এবং তাদের কমান্ডার বা লীডার ছিল…,’ থামল সও মং, সবার দিকে পালা করে তাকাল একবার, ‘…আমাদের, আই মীন, হার্মিসের পরম শত্রু।

    টেবিল ঘিরে বসা লোকগুলো অপেক্ষায় থাকল, কি না কি শুনতে হবে এই আশঙ্কায় টান টান হয়ে উঠল সবার পেশী।

    দুনিয়াটা ভাল জায়গা নয়, এতদিন এই মিথ্যে বুলি-বচন শুনে এসেছি আমরা। প্রচলিত সিস্টেমের অধীনে সত্যি দুনিয়াটা ভাল জায়গা হয়ে উঠতে পারেনি। কাজেই দোষ দুনিয়ার নয়, দোষ তাদের যারা দুনিয়াটা চালাচ্ছে। অনেক ধৈর্য ধরা হয়েছে, অনেক অত্যাচার আর নিষ্পেষণ সহ্য করা হয়েছে, কিন্তু আর নয়। এবার আমাদের ঘুম ভেঙেছে। আমরা জেগেছি। বহু বছরের সাধনায় ইউনিয়ন কর্স-এর গর্ভে জন্ম নিয়েছে একটা আদর্শ বা নীতি। আমরা যারা সেই নীতি বা আদর্শের অনুসারী তাদেরকে অবশ্যই সুন্দর আর অসুন্দরের পার্থক্য নির্ণয় করতে শিখতে হবে। একটা আধুনিক অট্টালিকার সামনে যদি বেঢপভাবে বেড়ে ওঠা ঝোপ-ঝাড় থাকে, সেটা অসুন্দর দেখায়-উচিত হবে ঝোপ-ঝাড় অর্থাৎ অসুন্দরকে কেটে সাফ করে ফেলা। মানব সমাজেও সুন্দর আর অসুন্দর সহাবস্থান করছে। এটা মেনে নেয়া যায় না। সুশ্রী, রুচিসম্পন্ন, ক্ষমতাধর, মেধাবী আর বুদ্ধিমান যারা তারাই সুন্দর। আর যারা নিজেদেরকে অসহায় মনে করে, যারা কুশ্রী, দুর্বল আর ভোঁতা, তাদের এ-দুনিয়ায় বেঁচে থাকার কোন অধিকার নেই। দুনিয়াকে বাসযোগ্য করতে হলে অবশ্যই লোকসংখ্যা কমিয়ে আনতে হবে। এ-সবই আমাদের আদর্শ বা নীতির অন্তর্ভুক্ত।

    ‘কিন্তু প্রথমে আমাদেরকে ক্ষমতা দখল করতে হবে। তারপর নীতির বাস্তবায়ন। আর ক্ষমতা দখল করতে হলে অনেক বাধা পেরোতে হবে আমাদেরকে। আপনারা জানেন, সও মং নামটা উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া। সও মং ছিলেন আমাদের নমস্য গুরু। ইউনিয়ন কর্সের ছদ্মনাম হার্মিস ও তাঁর কাছ থেকে উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছি আমরা। সও মং আজ আমাদের মধ্যে নেই, কিন্তু তাঁর আদর্শ তিনি আমাদের মধ্যে রেখে গেছেন, রেখে গেছেন হার্মিসের মত অক্ষয় একটা প্রতিষ্ঠান।

    ‘আপনারা জানেন, হার্মিসের গঠনতন্ত্র খানিকটা রদবদল করা হয়েছে। হার্মিসকে নতুন করে পুনরুজ্জীবিত করার সময় একটা ব্যাপারে আমরা সবাই একমত হয়েছিলাম। এর আগে বহুবার দেখা গেছে, কোন প্রতিষ্ঠান যদি বৈপ্লবিক কোন আদর্শ নিয়ে কাজ শুরু করতে চায়, প্রথম আঘাতটা আসে তার নেতার ওপর। নেতা না থাকলে কোন সংগঠন টিকে থাকতে পারে না। তাই আমরা একমত হয়ে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমাদের নেতাকে আমরা সও মং বলে সম্বোধন করব না, তাকে এমনকি একজন বাদে আমরাও কেউ চিনব না। সেই একজন হলাম আমি। সও মং নই, তাঁর প্রতিনিধি মাত্র। যদি কোন আক্রমণ আসে, নেতা মনে করে আমার ওপরই আসবে। আপনারা সবাই আমার নির্দেশে চলবেন, কারণ আমার কাছ থেকে নির্দেশগুলো আসলে আপনারা আমাদের নেতার কাছ থেকেই পাচ্ছেন। এখানে মোট আমরা এগারোজন রয়েছি, একজন বাদে কেউ আমরা তাঁকে চিনি না, কিন্তু তিনি আমাদের সবাইকে চেনেন, এবং কে জানে এই মুহূর্তে তিনি হয়তো আমাদের মাঝে উপস্থিতও রয়েছেন।’

    প্রতিনিধিরা সবাই পরস্পরের মুখ চাওয়াচাওয়ি করল।

    সও মং তাড়াতাড়ি শুরু করল আবার, ‘আমাদের নমস্য গুরু, আদি সও মঙের একজন পরম শত্রু ছিল, আজও বেঁচে আছে সে। মার্টিনসন তাকে পরিষ্কার চিনতে পেরেছে বি.এ. ফ্লাইট টুয়েলভে। আমাদের আদর্শ বাস্তবায়নের পথে এই শক্তিশালী শত্রু একটা বড় বাধা। আপনারা তাকে চেনেন, নাম বললেই চিনতে পারবেন। তার নাম মেজর মাসুদ রানা। বি.এ. ফ্লাইট টুয়েলভে ছিল সে, আমাদের বেশিরভাগ ক্ষতি তার হাতেই হয়েছে।’

    প্রতিনিধিদের চেহারা কঠোর হয়ে উঠল, সবাই তাকিয়ে আছে সও মঙের দিকে।

    প্রথম কথা বলল জেফরি অ্যাডামস্, ‘আপনি চান, রানাকে আমি খতম করার ব্যবস্থা করি?’

    সও মঙের প্রতিনিধি তাকে থামিয়ে দিল, ‘তাকে খতম করার চেষ্টা এর আগেও হয়েছে। কোন লাভ হয়নি। না, প্রচলিত উপায়ে কিছু করা যাবে না। তার পিছনে লোক লাগিয়ে আমরা কোন সুবিধে করতে পারব না। আমাদের নেতা তার সাথে বিশেষ একটা হিসাব মেটাতে চান। আমি বিশেষ একটা ব্যবস্থা করেছি, সেটাকে আপনারা টোপ বলতে পারেন। টোপটা যদি গেলে, না গেলার কোন সম্ভাবনা আমি তো অন্তত দেখি না, মাসুদ রানাকে অচিরেই আপনারা আটলান্টিকের এদিকে আমাদের সঙ্গ উপভোগ করতে দেখতে পাবেন। আমাদের নেতা চান, আজ যেভাবে মার্টিনসনের সাথে হিসাব মেটানো হলো, মাসুদ রানার সাথেও ওই একই কায়দায় হিসাব মেটানো হবে।’

    এক এক করে আবার সবার দিকে তাকাল সও মং, দেখে নিল আলোচ্য বিষয়ে সবার সবটুকু মনোযোগ আছে কিনা। শিগগিরই,’ বলে চলল সে, ‘আমরা আমাদের ক্ষমতা দখল প্রক্রিয়া শুরু করতে যাচ্ছি। সিকিউরিটির কারণে আপাতত অপারেশনটার নাম রাখা হয়েছে-বুলডগ। আমেরিকার তরফ থেকে বিরাট একটা হুমকি হলো ফ্লাইং ড্রাগন। পৃথিবীর কক্ষপথে চক্কর দিয়ে বেড়াচ্ছে ওগুলো। ওই ফ্লাইং ড্রাগনগুলোই আমাদের টার্গেট। অসুন্দরের ধ্বংসসাধনে ওগুলোই হবে আমাদের মোক্ষম হাতিয়ার। কিন্তু তার আগে হার্মিসের মুঠোয় ধরা পড়তে হবে মাসুদ রানাকে। কারণ আমাদের ডিটেলড্ প্ল্যানে তার একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা আছে।’

    কামরার ভেতর গম্ভীর গুঞ্জন শোনা গেল। মাথা ঝাঁকিয়ে একমত হলো সবাই। সোনার চেইন লাগানো হাতঘড়ির দিকে তাকাল সও মং, বলল, ‘আন্দাজ করি, সম্ভবত এরই মধ্যে আমার টোপ গিলে ফেলা হয়েছে। আশা করি খুব তাড়াতাড়ি আমরা মাসুদ রানাকে মুখোমুখি দেখতে পাব। কিন্তু মজার ব্যাপারটা হচ্ছে, সে জানবে না কার সাথে তার দেখা হলো বা কি লেখা আছে তার কপালে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)
    Next Article মাসুদ রানা ০৭২-৭৩ – সেই উ সেন (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }