Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ১৫৯-১৬০ – আবার উ সেন (দুইখণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প374 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    আবার উ সেন – ১.৫

    পাঁচ

    নিউ ইয়র্কের সাথে রানার চিরপ্রেম। অনেকেই বলে বটে এখানকার পরিবেশ শুধু নোংরা নয়, বিপজ্জনকও হয়ে উঠেছে; কালোদের অত্যাচারে মানুষের জীবন অতিষ্ঠ। কিন্তু রানার কাছে নিউ ইয়র্ক আজও স্বপ্নের শহর, অত্যন্ত প্রিয়। এত জাতি গোত্র আর বর্ণের মানুষ পৃথিবীর আর কোথাও দেখা যায় না। নিউ ইয়র্ক রোমাঞ্চের খনি। নিউ ইয়র্ক বোহেমিয়ান, কবি আর ভবঘুরেদের শহরও বটে। তবে হ্যাঁ, নিউ ইয়র্ক আগের চেয়ে অনেক বদলেছে। নতুন নতুন বিল্ডিং উঠেছে, এবং অন্য সব শহরের মত এখানেও কিছু কিছু জায়গায় সন্ধ্যার পর যাওয়া উচিত নয়। কালোরা সত্যিই বেপরোয়া হয়ে উঠেছে, তাদের প্রতি ওর কোন রকম সহানুভূতি আছে তাও নয়, কিন্তু বোঝে তাদের এই বেপরোয়া ভাবটা যুগ যুগ ধরে নিষ্পেষণের প্রতিক্রিয়া মাত্র। সব পেয়েছির দেশে কালোরা আজও সম-অধিকার ভোগ করা থেকে বঞ্চিত, এ তো সবাই জানে।

    এবার অবশ্য মাসুদ রানা হিসেবে নিউ ইয়র্কে আসেনি ও। ওর পাসপোর্টে নাম রয়েছে প্রফেসর গ্রেগ লুগানিস। আর্ট ডিলারদের তালিকায় উজ্জ্বল একটা নাম। রিটা হ্যামিলটনও তার নাম বদলেছে, সে এখন মিসেস গ্রেগ লুগানিস। দম্পতিটি সংবাদমাধ্যমের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। কৃতিত্বটা অবশ্যই মি. কলিন ফর্নসের।

    রানার লন্ডন ফ্ল্যাট থেকে সরাসরি ওদেরকে কেনসিংটন মিউজ-এর একটা সেফ-হাউসে নিয়ে আসেন মি. কলিন ফর্বস। ওদের দেখাশোনার ভার চাপে একদল নার্সমেইডের ওপর। একটু পরই বাড়িটায় হাজির হন হাওয়ার্ড ম্যাকলিন, সি.আই.এ-র লন্ডন শাখার প্রধান। ওদের কাভার সম্পর্কে ব্রিফিং করেন তিনি।

    রিটা হ্যামিলটন এ-জগতে নতুন, কাজেই তার কোন ছদ্মবেশ দরকার নেই। দরকার শুধু রানার চেহারায় কিছু পরিবর্তন ঘটানো। হাওয়ার্ড ম্যাকলিন কিছু আইডিয়া দিলেন। কাজটা রানা নিজেই সারল।

    ছদ্মবেশ, রানা জানে, খুব ভাল আর নিখুঁত হতে পারে যদি পরিবর্তনের মাত্রা যতটা সম্ভব কম রাখা যায়-চুল একটু অন্য রকম করে আঁচড়াও, হাঁটার ভঙ্গি বদলাও, কন্ট্যাক্ট লেন্স ব্যবহার করো, রাবার প্যাড দিয়ে গাল ফোলাতে পারো (খাওয়াদাওয়া করতে অসুবিধে হয় বলে খুব কমই ব্যবহার করা হয়), চশমা পরো, কিংবা পোশাকের ধরন বদলাও। এ-ধরনের পরিবর্তন আনা সহজ, সময়- সাপেক্ষ নয়; খরচাও কম। সেফ হাউসে এসে প্রথম রাতেই রানা জানতে পারল, কাঁচা-পাকা গোঁফ ব্যবহার করতে হবে ওকে, মোটা ফ্রেমের চশমা থাকবে চোখে-ক্লিয়ার লেন্স, চক্ষুপীড়ার কারণ হয়ে উঠবে না-আর মাথায় চুল থাকবে একেবারে কম, তাও বেশিরভাগ পাকা। পরামর্শ দেয়া হলো জ্ঞানতাপসসুলভ সামনের দিকে ঝুঁকে ধীরে হাঁটা শিখতে হবে ওকে, কথা বলতে হবে থেমে থেমে।

    পরবর্তী ক’টা দিন সেফ হাউসে একই ঘরে রিটা হ্যামিলটনের সাথে থাকল রানা। শ্রদ্ধাভাজন জর্জ হ্যামিলটনের মেয়ে, তার কাছ থেকে আরেকটু ভাল ব্যবহার আশা করেছিল ও। লক্ষ করল, গর্ব আর অহঙ্কারে মাটিতে যেন পা পড়ে না মেয়েটার। একসাথে কাজ করতে হলে, কাভারের স্বার্থেই, সম্পর্কটা সহজ হওয়া দরকার। সে-কথা ভেবেই উপযাচক হয়ে খানিকটা ঘনিষ্ঠ হবার চেষ্টা করল ও। কিন্তু ফল হলো অপ্রত্যাশিত। এক সন্ধ্যায় রিটার হাত ধরে প্রস্তাব করল ও, ‘চলো, কোথাও থেকে বেড়িয়ে আসা যাক। কোন ভাল রেস্তোরাঁয় ডিনার খাব, তারপর একটা নাইটক্লাবে যাওয়া যাবে, সবশেষে…’

    ‘সবশেষে মদ খাওয়াবে আমাকে, তারপর ঘরে এনে বিছানায় তুলবে, তাই না?’ ঝাঁঝের সাথে কথাগুলো বলে এক ঝটকায় হাত ছাড়িয়ে নিয়ে দূরে সরে গেল রিটা হ্যামিলটন। ‘কি ভেবেছ আমাকে, সস্তা? ইচ্ছে হলেই চাটতে পারবে?’

    প্রায় হতভম্ব হয়ে পড়েছিল রানা। ওর সম্পর্কে মেয়েটার এত খারাপ ধারণা? এমন বিচ্ছিরি ভাষা ব্যবহার করল! এ নিয়ে অবশ্য কথা বাড়ায়নি ও। অপমানবোধ করলেও, হাবভাব আর আচরণে সেটা বুঝতে দেয়নি। তবে মনে মনে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    রোজ সকালে রিটাকে নিয়ে কাজ শুরু করে ও। মি. কলিন ফর্বস রোগা- পাতলা এক ভদ্রলোককে দিয়ে গেছেন, প্রিন্টস সম্পর্কে এক্সপার্ট, বিশেষ করে দুর্লভ ইংলিশ প্রিন্টস সম্পর্কে। ভুলেও কেউ তাঁর নাম উচ্চারণ করেনি। প্রতিদিন ঘণ্টার পর ঘণ্টা তাঁর ক্লাস করল ওরা দু’জন, তাতে অন্তত মানুষকে ধোঁকা দেয়ার মত জ্ঞান অর্জিত হলো। হপ্তা শেষ হবার আগেই ওরা শিখল, প্রথম দিকে অর্থাৎ ক্যাক্সটন-এর সাধারণ কিছু কাঠ খোদাইয়ের কাজের পর সতেরো শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত ইংলিশ প্রিন্টমেকারদের কোন রকম অস্তিত্বই ছিল না। সত্যিকার মেধার উন্মেষ ঘটে কন্টিনেন্টে, উঠে আসেন ডুরর, লুকাস ভ্যান লেইডেন এবং আরও অনেকে। হলবীন দি ইয়ংগার সম্পর্কে জানল ওরা। জন শ্যুট-এর তৈরি প্রথম ইংলিশ কপার প্লেট সম্পর্কে শিখল। হলার, হোগার্থ এবং তাঁদের সমসাময়িক প্রিন্টমেকারদের কাজ সম্পর্কে লেকচার শুনল। তথাকথিত রোমান্টিক ট্র্যাডিশন থেকে শুরু করে উনিশ শতকের উঁচুদরের এচিং এবং প্রিন্টমেকিং-এর ইতিহাসও মুখস্থ করতে হলো।

    তৃতীয় দিন কেনসিংটনে আবার এলেন মি. কলিন ফর্বস, ইনস্ট্রাকটরকে নির্দেশ দিলেন তিনি যেন ওদেরকে হোগার্থ সম্পর্কে বেশি করে জ্ঞান দান করেন। কারণটা সেদিন রাতেই জানা গেল, মি. কলিন ফর্বস আবার যখন উদয় হলেন। ‘মি. রানা,’ বললেন তিনি, ‘আপনার কথামত বেলাডোনা সম্পর্কে জেনেছি আমরা। মেয়েটা এতিম, বোর্ডিং স্কুলে থেকে পড়াশোনা করেছে। ফ্রান্সে তার এক আত্মীয় ছিল, বুড়ো মারা যাওয়ার সময় বিপুল সম্পত্তি তার নামে উইল করে দিয়ে যায়, বেলাডোনা তখন ইউনিভার্সিটির শেষ বর্ষের ছাত্রী। সহজ সরল, বুদ্ধিমতী মেয়ে, কোথাও তার নামে কোন অভিযোগ নেই। উইল সূত্রে পাওয়া ফ্রান্সের সম্পত্তিগুলো এখনও তার নামে আছে, তবে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পত্তিগুলো বিক্রি করে দিয়েছে। মেয়েটা যে ‘ক্লিন’ তাতে কোন সন্দেহ নেই। তাকে ভুলিয়ে-ভালিয়ে নিজের রাজ্যে নিয়ে গিয়ে আটকে রেখেছে মলিয়ের ঝান, ব্যাপারটাকে কিডন্যাপিংই বলা যেতে পারে।

    ‘এবার অন্য প্রসঙ্গ,’ বলে চলেছেন সি.আই.এ. চীফ। ‘আপনার সাথে, প্রফেসর লুগানিস, শিল্প জগতের কিছু লোকের সম্পর্ক অত্যন্ত তিক্ত। কাল সকালে দেখতে পাবেন প্রেস আপনার বিরুদ্ধে জেহাদ ঘোষণা করেছে। সত্যি কথা বলতে কি, এই মুহূর্তে তারা গরু খোঁজা করছে আপনাকে।’

    ‘আমি কি করেছি বলে তাদের ধারণা?’ সকৌতুকে জিজ্ঞেস করল রানা।

    ‘আপনার অপরাধ,’ মুখভাব গম্ভীর করে তুলে ভারী গলায় বললেন মি. কলিন ফর্বস, ‘এ-যাবৎ কাল অজ্ঞাত এক সেট হোগার্থ প্রিন্ট পেয়ে গেছেন আপনি, সই করা। ‘দি রেক’স প্রোগ্রেস’ বা ‘দি হারলট’স প্রোগ্রেস’-এর সমতুল্য নয়, তবে হোগার্থ তো বটে! সব মিলিয়ে মোট ছয়টা। বলাই বাহুল্য, প্রতিটি অপূর্ব শিল্পকর্ম, আলাদা আলাদা নামকরণও করা আছে। ‘দি লেডি’স প্রোগ্রেস’ বোদ্ধা মহলে ভীষণ আলোড়ন তুলবে, দেখবেন এই আমি বলে রাখলাম। ওগুলো যে আসল, সে-ব্যাপারে নিশ্চিত প্রমাণ সংগ্রহ করা হয়েছে। আপনি ব্যাপারটা গোপন রাখার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু হঠাৎ করে ঝোলা থেকে বেরিয়ে পড়েছে বিড়াল। গল্পের শেষ অংশটা এইরকম-আপনি এমনকি ইংল্যান্ডে ওগুলো বিক্রির জন্যে কোন চেষ্টাই করবেন না, সাথে করে নিয়ে যাচ্ছেন আমেরিকায়। ব্যাপারটা নিয়ে যে ‘হাউজে’ হৈ-চৈ হবে তাতে আর সন্দেহ কি!’

    সিগারেট ধরাল রানা। আর প্রিন্টগুলো?’

    ‘বিউটিফুল ফরজারি,’ চোখ মটকে বললেন সি.আই.এ. চীফ। ‘অন্য কিছু প্রমাণ করা ভারী কঠিন। ওগুলোর পিছনে কয়েক বস্তা টাকা খরচ হয়েছে এজেন্সির। কাল সকালে ওগুলো আনা হবে। আগামী হপ্তায় আপনারা নিউ ইয়র্কের উদ্দেশে রওনা হচ্ছেন, তার ঠিক আগে যাতে প্রেস খবরটা পেয়ে যায় সেদিকে লক্ষ রাখা হবে।’

    এক সেকেন্ড ইতস্তত করে রানা বলল, ‘আপনার সাথে একা একটু কথা বলতে চাই, মি. ফবস।

    রানাকে নিয়ে পাশের কামরায় চলে এলেন সি.আই.এ. চীফ। রানা কিছু বলার আগেই তিনি জানালেন, ‘না, মি. রানা- আপনাকে সাহায্য করার জন্যে কোন ব্যাক-আপ টীম থাকবে না। এর আগে বহুবার আপনি ব্যাক-আপ টীম ছাড়াও কাজ করেছেন।’

    ‘তা আমি চাইছিও না,’ বলল রানা। ‘আমি জানতে চাই আমার পার্সোনাল আর্মামেন্ট সম্পর্কে কি করেছেন আপনারা।’

    হাসলেন মি. কলিন ফর্বস। রানাকে জানালেন, ভি-পি-সেভেনটি, অ্যামুনিশন, আর রানার প্রিয় ছুরিগুলো একটা ব্রীফকেসে ভরে ডেলিভারি দেয়া হবে, ওদের নিউ ইয়র্ক হোটেলে-ব্রীফকেসের ভেতর নকল হোগার্থ প্রিন্টগুলোও থাকবে। ‘আমাদের ‘কিউ’ ব্রাঞ্চ কিছু টেকনিকাল ইনফরমেশন জানাতে চাইবে আপনাকে, যাবার আগে টেকনোলজি সেশনে বসতে হবে।’

    ‘আরেকটা কথা,’ বলল রানা। ‘আপনি তো সিলভার বীস্ট সম্পর্কে জানেন, তাই না?’

    জানেন কিনা বোঝা গেল না, বললেন, ‘সিলভার বীস্ট? মানে?’

    সিলভার বীস্ট হলো ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্টি-টেরোরিজম অর্গানাইজেশন থেকে দান হিসেবে পাওয়া একটা গাড়ি-স্যাব নাইন হানড্রেড টার্বো। এই একই গাড়ি আরও বহু লোকের আছে, কিন্তু রানারটার সাথে সেগুলোর তফাৎ অনেক। নিজের খরচে টেকনিকাল অনেক পরিবর্তন এনেছে ও, সাহায্য নিয়েছে নাম করা এক্সপার্টদের। রানা এজেন্সির অনেকেই বহুবার গাড়িটার বিভিন্ন রহস্য ভেদ করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়েছে, রানাও গোপনীয়তা ফাঁস করেনি। গোপন কমপার্টমেন্ট, টিয়ার গ্যাস ডাক্ট, স্পীড লিমিট, ফটোগ্রাফিক ফ্যাসিলিটি ইত্যাদি সম্পর্কে যা কিছু জানার তা একমাত্র রানাই জানে। সিলভার বীস্ট নামটা ওর বন্ধুদের দেয়া।

    ‘আমার গাড়ি, লন্ডনেই আছে,’ বলল রানা।

    ‘বেশ।’ রানা কি বলবে শোনার জন্যে অপেক্ষা করে আছেন সি.আই.এ. চীফ।

    ‘ওটা আমি নিউ ইয়র্কে নিয়ে যেতে চাই। পাবলিক ট্র্যান্সপোর্টের দয়ার ওপর…’

    ‘আপনি বললে আপনার জন্যে ভাড়া করা গাড়ির ব্যবস্থা করতে পারি-লেফট-হ্যান্ড ড্রাইভ…’

    ‘দুটো সম্পূর্ণ আলাদা ব্যাপার, মি. ফর্বস। আমি আমার গাড়িটা ব্যবহার করতে চাইছি।’

    মুচকি হেসে সি.আই.এ. চীফ বললেন, একমাত্র ঈশ্বরই জানেন কী না কি ওটার ভেতর লুকিয়ে রেখেছেন আপনি! কি জানেন…’

    ‘আমার দরকার, সেটা আপনাকে জানালাম,’ বলল রানা। ‘গাড়িটা, কাগজ- পত্র সহ। আপনারা ব্যবস্থা করতে না পারলে বলে দিন, আমি নিজেই দেখব…

    ‘লন্ডন থেকে নিউ ইয়র্কে একটা গাড়ি পৌঁছে দেয়া কোন সমস্যা নয়,’ মি. কলিন ফর্বস ভুরু কুচকে বললেন। সমস্যা হলো আপনার গাড়িটা সাধারণ নাগরিকদের জন্যে বিপজ্জনক কিনা-কাস্টমসের চোখে।’

    মৃদু হেসে রানা বলল, ‘গাড়িটায় যদি কিছু লুকানো থাকে, মি. ফৰ্বস, আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি ওরা কিছু টের পাবে না।’

    ‘ঠিক আছে, কাল জানাব,’ বলে বিদায় নিলেন সি.আই.এ. চীফ।

    পরদিন সন্ধের সময় আবার এলেন মি. কলিন ফর্বস। রানাকে জানালেন, হ্যাঁ, নিউ ইয়র্কে পৌছেই গাড়িটা পেয়ে যাবে ও, এয়ারপোর্টেই। পরের হপ্তায় রওনা হয়ে গেল ওরা।

    .

    প্রফেসর এবং মিসেস গ্রেগ লুগানিস বোয়িঙে চড়ে নিউ ইয়র্কের জে.এফ. কেনেডি এয়ারপোর্টে পৌঁছল। এয়ারপোর্ট ভবনের সামনে শুধু স্যাব নয়, সাংবাদিকরাও অপেক্ষা করছিল। চেহারায় রগচটা ভাব নিয়ে খনখনে নাকি সুরে প্রশ্নের উত্তর দিল রানা। সংবাদ মাধ্যমগুলোর ধারণা নতুন আবিষ্কৃত হোগার্থগুলো তিনি নাকি আমেরিকায় বিক্রি করতে চান। উঁহুঁ-উঁহু, এখুনি তিনি কিছু বলতে রাজি নন। না, বিশেষ বা নির্দিষ্ট কোন ক্রেতার কথা তিনি ভাবছেন না। সবার বোঝা উচিত, আমেরিকায় এটা তাঁর ব্যক্তিগত সফর। আরে না, প্রিন্টগুলো তাঁর সাথে নেই-তবে হ্যাঁ, এটুকু জানাতে আপত্তি নেই যে ইতিমধ্যে সেগুলো নিউ ইয়র্কে পৌচেছে।

    ব্যাপারটা রানা দারুণ উপভোগ করল, বিশেষ করে নিজের নতুন গলা শুনে। সে বহু বছর আগের কথা, রানা তখন ক্লাস টু কি থ্রীতে পড়ে, বিশালবপু এক গৃহশিক্ষক ছিলেন ওর। ডানপিটে রানা পড়ায় অমনোযোগী হলেই কাঠপেন্সিল দিয়ে ওর পেটে খোঁচা দিতেন তিনি। খোঁচা খাবার ভয়ে সিঁটিয়ে থাকত রানা। আজ এতদিন পরও ভদ্রলোকের কণ্ঠস্বর মনে আছে, এবং ব্যঙ্গ করার সুযোগটা ছাড়ছে না। একই সাথে লক্ষ রাখল, সংবাদমাধ্যমগুলোয় প্রফেসর লুগানিস যেন বিতর্কিত হয়ে ওঠেন। সব কাগজে খবরগুলো যেন বড় বড় হেড়িঙে ছাপা হয়, যাতে কারও চোখ এড়িয়ে না যায়। মহা বিরক্ত হয়ে সে বলল, সাংবাদিকরা আর্ট বোঝেও না, এ-ব্যাপারে তাদের কোন আগ্রহও নেই। সাংবাদিকরা পারে শুধু হৈ- চৈ বাধাতে। ভিড় ঠেলে স্যাবের দিকে এগোল রানা, মুখে খই ফুটছে, ‘আপনারা শুধু ডলার চেনেন। একটা শিল্প কর্ম কত দামে বিক্রি হলো শুধু সেটাই জানতে চান। দাম বোঝেন, কিন্তু আর্ট বোঝেন না।’

    সাংবাদিকদের একজন হাঁপাতে হাঁপাতে জিজ্ঞেস করল, ‘তারমানে কি আপনি এখানে এসেছেন ওগুলো বিক্রি করার জন্যে, প্রফেসর?

    ‘সেটা আমার ব্যাপার।‘

    ফিফটি-সিক্স এভিনিউয়ের এমব্যাসী হোটেলে আগেই পৌঁছে গেছে ওদের ব্রীফকেসটা, সাবধানে সেটা খুলল রানা, প্রিন্টস আর অস্ত্রশস্ত্র আলাদা করল। প্রিন্টগুলো চলে যাবে হোটেলের সেফে। অস্ত্রগুলোর মধ্যে ভি-পি-সেভেনটি থাকবে নিজের কাছে, ছুরি জোড়া নিজের ব্রীফকেসের গোপন কমপার্টমেন্টে। জিনিসগুলো আলাদা করার কাজে এতই মগ্ন ছিল ও যে লক্ষই করেনি কামরার ভেতর ঠাণ্ডা হিম একটা পরিবেশ তৈরি হচ্ছে রিটা হ্যামিলটনকে ঘিরে।

    কেনসিংটনের সেফ হাউসে একই ঘরে থেকেছে ওরা, তবে বিছানা ছিল দুটো। এমব্যাসী হোটেলে স্বামী-স্ত্রী হিসেবে উঠেছে ওরা, বেডরূম আর বিছানা একটাই। ইতিমধ্যে যদিও আগের চেয়ে খানিকটা সহজ হতে পেরেছে রিটা হ্যামিলটন, এখন রানাকে সে নাম ধরেই ডাকে, কথাবার্তায় আন্তরিকতারও খুব একটা অভাব নেই, কিন্তু দূরত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে এখনও সে আগের মতই সচেতন।

    প্রিন্টগুলো নিরাপদ জায়গায় রেখে ফিরে এল রানা, দেখল বেডরূমের মাঝখানে মূর্তির মত দাঁড়িয়ে রয়েছে রিটা, হাতজোড়া বুকের ওপর ভাঁজ করা। মনোলোভা ভঙ্গি, ইচ্ছাকৃত হোক বা না হোক।

    ‘কি ব্যাপার?’ কৌতূহল প্রকাশ করল রানা।

    ‘তুমিই বলো কি ব্যাপার?’ পাল্টা প্রশ্ন করল রিটা।

    কাঁধ ঝাঁকাল রানা। অনেক দিনের অভ্যেস, সুটকেস থেকে জিনিস-পত্র বের করার সময় তোয়ালে আর স্লিপিং গাউনটা ডাবল বেড়ের ওপর রেখেছে ও। আমি তো কোন ব্লু খুঁজে পাচ্ছি না।’

    ‘ওটা একটা ব্লু,’ বলে স্লিপিং গাউনটা দেখাল রিটা। ‘এখনও আমরা ঠিক করিনি কে বিছানায় কে কাউচে শোবে। আমি যতটুকু বুঝি, মি. মাসুদ রানা, আমরা যখন একা থাকব তখন বৈবাহিক সম্পর্কটার কোন অস্তিত্ব থাকবে না।’

    ‘ও, হ্যাঁ, তাইতো কাউচটা অবশ্যই আমি ব্যবহার করব।’ তারপর, বাথরূমের দিকে পা বাড়িয়ে কাঁধের ওপর দিয়ে বলল রানা, চিন্তার কিছু নেই, রিটা, একজন নান-এর মত নিরাপদ থাকবে তুমি আমার কাছে। নরম বিছানা তোমার জন্যে, কষ্ট করা অভ্যেস আছে আমার।

    বাথরূম থেকে বেরিয়ে এসে রানা দেখল, বিছানার পাশে অপ্রতিভ ভঙ্গিতে তখনও দাঁড়িয়ে আছে রিটা, চেহারায় একটু যেন অপরাধী অপরাধী ভাব। বলল, সত্যি আমি দুঃখিত, রানা-তোমার সম্পর্কে বাজে কথা ভেবেছি। আসলে আমার বাবা না…মানে তার মুখে তোমার কথা শুনে শুনে…

    ‘অ্যাডমিরাল আমার সম্পর্কে খারাপ কিছু বলেছেন?’ রানা বিস্মিত।

    ‘না-না, ঠিক উল্টোটা…মানে, বাবা তোমার সম্পর্কে এত প্রশংসা করেন যে মনে মনে তোমাকে আমি আমার প্রতিদ্বন্দ্বী ভেবে নিয়েছি…মানে, নিয়েছিলাম। এখন দেখছি তুমি সত্যি ভদ্রলোক, ইন দ্য রিয়েল সেন্স অভ দ্য ওয়ার্ড।’

    রানা ঠিক লালচে হয়ে উঠল না, যদিও মেয়েরা ওকে ঠিক এভাবে প্রকাশ্যে ভদ্রলোক বলে অভিহিত করে না কখনও।

    ‘বলছিলাম কি,’ ইতস্তত করতে করতে বলল রিটা। ‘চলো না, কোথাও থেকে বেড়িয়ে আসি। প্রস্তাবটা প্রত্যাখ্যান করলে আমি কিন্তু দুঃখ পাব, ভাবব…

    তাড়াতাড়ি রানা বলল, ‘বেশ তো, চলো-আমাদের কাভারের জন্যে সেটা বোধহয় দরকারও।

    ‘কাছাকাছি একটা ফ্রেঞ্চ রেস্তোরাঁ আছে, আমি চিনি, খুব ভাল…’

    হাঁটতে হাঁটতে ঈস্ট ফিফটি-টু-তে চলে এল ওরা, রেস্তোরাঁটা এখানেই। নির্জন এক কোণে বসল ওরা। সাধারণ ফ্রেঞ্চ ডিশের অর্ডার দিল রানা। প্রধান খাবার অ্যাসপ্যারাগাস আর ফিলিট। অ্যাসপ্যারাগাসের সাথে যোগ হয়েছে ক্রীম, লেমন আর অরেঞ্জের তৈরি সস। ফিলিটের সাথে দেয়া হয়েছে নাশপাতি, মুখে ফেলার সাথে সাথে মিলিয়ে যায়। সবশেষে কফি! কথাবার্তা খুব সামান্যই হলো, তবে অকৃত্রিম হাসি থাকল দু’জনের মুখেই। প্রফেসরের ভূমিকায় প্রতি মুহূর্ত নিখুঁত অভিনয় করে গেল রানা, যদিও রিটার মনে হলো ছদ্মবেশের আড়ালে আসল মানুষটাকে আগের চেয়ে যেন আরও ভাল ভাবে বুঝতে পারছে সে। বাবা এই যুবক সম্পর্কে যাই বলে থাকুন, বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করছে একটা কথাও বোধহয় বাড়িয়ে বলা হয়নি। অপরাধবোধটা আবার তাকে অপ্রতিভ করে তুলল, রানাকে অপমান করা তার উচিত হয়নি। নীরবে ব্যাপারটা হজম করেছে রানা, হয়তো সেজন্যেই ওর প্রতি একটা আকর্ষণ অনুভব করছে সে। এই আকর্ষণ, একে শুধু বোধহয় চুম্বকের সাথেই তুলনা করা চলে। সারাক্ষণ টানছে তাকে। একটা দীর্ঘশ্বাস চাপল রিটা হ্যামিলটন-কে জানে এর আগে কত মেয়ে তার মত এই একই টান অনুভব করেছে।

    ডিনার সেরে হেঁটে ফিরে এল ওরা এমব্যাসীতে। ডেস্ক ক্লার্কের কাছ থেকে চাবি নিয়ে এলিভেটরে চড়ল। উঠে এল চারতলায়।

    ওদের পিছনে এলিভেটরের দরজা বন্ধ হতেই তিনজন হোঁৎকা চেহারার লোক ঘিরে ধরল ওদেরকে। নিখুঁতভাবে কাটা সুট পরে আছে সবাই। পকেট থেকে রানা ভি-পি-সেভেনটি বের করার আগেই ওর কব্জি চেপে ধরল একজন, অপর একজন জ্যাকেটের ভেতর হাত গলিয়ে বের করে নিল পিস্তলটা।

    ‘আমরা চুপচাপ কামরার ভেতর ঢুকব, কেমন, প্রফেসর?’ ওদের একজন বলল। ‘না-না, কোন বিপদ নয়। আমরা আপনাকে এক ভদ্রলোকের আমন্ত্রণ জানাতে এসেছি। তিনি আপনার সাথে দেখা করতে চান। ঠিক আছে?’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)
    Next Article মাসুদ রানা ০৭২-৭৩ – সেই উ সেন (দুই খণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }