Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা – ২১৭ ও ২১৮ – অন্ধ শিকারী (দুইখণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প333 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অন্ধ শিকারী – ২.৪

    চার

    টেবিলের ওপাশে বসেছেন বিসিআই চীফ মেজর জেনারেল (অব.) রাহাত খান। তাঁর ডানদিকে বিএসএস চীফ লংফেলো। এপাশে মাসুদ রানা ও সোহেল আহমেদ। মাঝরাত পেরিয়ে গেছে ঘড়ির কাঁটা। মিনিট পাঁচেক হলো দশ নম্বর ডাউনিং স্ট্রীট থেকে ফিরেছেন দুই বৃদ্ধ।

    লংফেলোর মুখে রক্ত নেই এক বিন্দু। চেহারা মরার মত ফ্যাকাসে। মাত্র গতকাল সকালেই ভদ্রলোকের সঙ্গে শেষবার সাক্ষাৎ হয়েছে রানার। এই কয় ঘণ্টার ব্যবধানে কোন মানুষের চেহারা যে এমন অস্বাভাবিকভাবে বদলে যেতে পারে, বিশ্বাস করা কঠিন। দু’গাল চুপসে ঢুকে গেছে ভেতরে। ত্বকের স্বাভাবিক লাবণ্য গায়েব হয়ে গেছে, খসখসে হয়ে উঠেছে চেহারা চোখের দৃষ্টি উদভ্রান্ত।অন্তঃসারশূন্য। হঠাৎ দেখলে মনে হতে পারে ফাঁসীর হুকুম হয়েছে বুঝি লংফেলোর। ধরেরেঁধে ঝোলাতে নিয়ে যাওয়া হবে এখনই।

    রাহাত খানের অবস্থাও কম-বেশি একই রকম। কাঁচাপাকা ভুরুর নিচে চোখ দুটো লালচে। নিচে কালির প্রলেপ। কপালের দু’পাশের রগ ফুলে উঠেছে, লাফাচ্ছে তড়াক তড়াক। রানার মাথার ওপর দিয়ে পিছনের দেয়ালের দিকে চেয়ে আছেন বৃদ্ধ। খেয়াল নেই কোনওদিকে, অন্যমনস্ক গভীর দুশ্চিন্তার চিরাচরিত সেই লক্ষণটিও বিদ্যমান হাতে লাইটার থাকতেও আগুন না ধরিয়েই পাইপ টেনে চলেছেন।

    মুখে তালা মেরে বসে আছেন দুই বৃদ্ধ। কথা নেই কারও মুখে। কি ঘটেছে, কেন আচমকা রাহাত খানের লণ্ডন ছুটে আসার প্রয়োজন হলো, কেন সোভিয়েত জেনারেল ঢাকায় খোঁজ করেছেন ওকে, এমনকি অনুমান করতেও ব্যর্থ হয়েছে মাসুদ রানা। সোহেলকে বার বার জিজ্ঞেস করেও কোন সদুত্তর পায়নি। আসলে ঢাকার বাইরে ছিল বলে ও-ও রানার মতই অন্ধকারে আছে। জানে না ভেতরের খবর। নিশ্চয়ই অভাবনীয় একটা কিছু ঘটতে চলেছে, ভাবল রানা। নাকি ঘটেই গেছে?

    ‘রানা, কেজিবির এফসিডি চীফ তোমার খোঁজ করেছিলেন ঢাকায়। শুনেছ নিশ্চই?’ হঠাৎই মুখ খুললেন রাহাত খান।

    ‘জি, স্যার।’ আনুষ্ঠানিক পরিচয় নেই রানার ভদ্রলোকের সঙ্গে, তবে দু’জন দু’জনের খুব ভালই চেনা! অতীতে বহুবার কর্মক্ষেত্রে তাঁর মুখোমুখি হতে হয়েছে মাসুদ রানাকে। ব্যক্তি বরিসভের নয়, তাঁর পরিকল্পিত কেজিবির কয়েকটি মিশনের। তিনি যেমন জানেন মাসুদ রানা কী চীজ, তেমনি ক্ষুরধার বুদ্ধির জন্যে রানাও রীতিমত শ্রদ্ধা করে জেনারেলকে। ‘কিন্তু কেন, স্যার? আমাকে তাঁর কি প্রয়োজন!

    ‘বলছি,’ তর্জনী দিয়ে ডান চোখের পাতা চুলকালেন বৃদ্ধ। ‘তবে তার আগে খানিকটা ভূমিকা প্রয়োজন। পুরোটা অল্প কথায় বলে বোঝানো সম্ভব নয়। তবু, যতটা সংক্ষেপে পারা যায়, বলছি। ‘৬৮ সালের পয়লা জুলাই, তখনকার বিশ্বের প্রথম তিন পারমাণবিক শক্তি যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন ও সোভিয়েত ইউনিয়ন নিউক্লিয়ার নন-প্রলিফিকেশন ট্রিটি নামে এক চুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। পারমাণবিক অস্ত্র বিস্তার, তার প্রয়োগ ইত্যাদি সম্পর্কিত ওটাই ছিল সর্বপ্রথম অফিশিয়াল চুক্তি। পৃথিবীর সবাই জানে এ চুক্তির কথা।

    ‘পরে চার দফার আরও একটি চুক্তিতে স্বাক্ষর করে দেশ তিনটি, যার কথা ওরা ছাড়া আর কেউ জানে না। এটি অত্যন্ত গোপনে করা হয়। ওরা বুঝতে পেরেছিল যে যে হারে এগোচ্ছে নিত্য নতুন নিউক্লিয়ার মারণাস্ত্র উদ্ভাবনের পরীক্ষা-নিরীক্ষা, তাতে ভবিষ্যতে চরম অনিশ্চিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হবে নিজেদেরই! নিজেরাই সৃষ্টি করে বসতে পারে হাজারো সমস্যা। যে কারণে বাধ্য হয়েই ওই চার দফা প্রটোকলে স্বাক্ষর করতে হয় ওদের। ওর প্রথম তিনটি প্রটোকল ছিল কে কি ধরনের পারমাণবিক অস্ত্র বানাবে বা বানাতে পারবে এইসব সম্পর্কিত।

    ‘কিন্তু কিছুদিন পর দেখা গেল, শেষ প্রটোকলটি বাদে অন্যগুলো মেনে চলার ব্যাপারে কোন পক্ষেরই বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই। বরং প্রতিযোগিতায় মেতে উঠল তারা কে কত বেশি বেশি ভাঙতে পারে ওগুলো। যে সব অস্ত্র ওই চুক্তিতে তৈরি নিষেধ ছিল, সেগুলো তো বটেই, তা ছাড়াও আরও মারাত্মক সব অস্ত্র বানিয়ে মজুদের পাহাড় গড়ে ফেলল দেশ তিনটি। তাতে লাভই বলি, আর লোকসানই বলি, কাজ হয়েছে এই, কেউ একটা ভয়ানক কিছু তৈরি করে ফেলার সঙ্গে সঙ্গে অন্য দু’পক্ষ তার অ্যান্টিডোট আবিষ্কার করে তার হুমকি মোকাবেলার জন্যে প্রস্তুত হয়ে গেছে। এতে শেষ পর্যন্ত কেউ কারও জন্যে মারাত্মক হুমকি হয়ে দাঁড়াতে পারেনি।

    ‘তবে সর্বশেষ, অর্থাৎ প্রটোকলটির ব্যাপারে সবাই খুব সচেতন ছিল। ওটা অমান্য করার কথা কেউ কল্পনাও করেনি। ওটার আতঙ্ক তখনও যেমন ছিল, আজও তেমনি…কি বলব, একটা জান্তব দুঃস্বপ্নের মত বিরাজ করছে সবার ভেতর। কারণ কেউ যদি চতুর্থ প্রটোকল ভঙ্গ করে, তৎক্ষণাৎ শুরু হয়ে যাবে পৃথিবী ধ্বংসের প্রক্রিয়া।’ হঠাৎ করেই যেন পাইপের কথা মনে পড়ল বৃদ্ধের। চোখ কুঁচকে তাকালেন ওটার দিকে। তারপর তামাকে আগুন ধরিয়ে টানতে লাগলেন আনমনে।

    ‘ওই প্রটোকলের অঙ্গীকার কি ছিল, স্যার?’ প্রশ্নটা করল সোহেল।

    ঘুরে বিএসএস চীফের দিকে তাকালেন রাহাত খান। এর অর্থ বুঝতে দেরি হলো না স্যার লংফেলোর। ‘আমি বলছি,’ বললেন তিনি। ‘পঁয়তাল্লিশ সালে হিরোশিমা-নাগাসাকির ওপর প্রথম আণবিক বোমা বর্ষণের পর থেকেই এই তিন দেশের নিউক্লিয়ার ফিজিসিস্টরা বোমাগুলোর আকার কত ছোট করা সম্ভব তা নিয়ে মাথা ঘামাতে শুরু করেন। সে সময় ওগুলোর আকার হত অনেক বড়, বিশাল। স্থানান্তর, পরিবহন ইত্যাদিতে সমস্যা হত খুব। সে গবেষণার ফল ফলেছে আশির দশকে। একটা আস্ত পারমাণবিক বোমা এখন ব্রিফকেসে ভরে অনায়াসে যেখানে খুশি নিয়ে যাওয়া সম্ভব। শুধু তাই-ই নয়, নয়-দশটা প্রিফ্যাব্রিকেটেড অংশ যেখানে-সেখানে বসে বাচ্চাদের খেলনা কনস্ট্রাকশন কিটের মত জুড়ে বানানোও যাবে এ বোমা ইচ্ছে করলে। অদূর ভবিষ্যতে এমনটি যে ঘটবে, ষাটের দশকের শেষ দিকে বিজ্ঞানীরা তা আঁচ করতে পেরেছিলেন। যে কারণে শেষ প্রটোকলের সৃষ্টি। এর মূল বক্তব্য ছিল এই তিন দেশের কেউ কোন অবস্থাতেই সহজে বহনযোগ্য খুদে পারমাণবিক বোমা বা তার বিযুক্তকৃত প্রিফ্যাব্রিকেটেড অংশসমূহ অপর দু’পক্ষের কারও ভৌগলিক সীমানার অভ্যন্তরে নিয়ে যেতে পারবে না। বিজ্ঞানীদের অভিমত ছিল, এই চুক্তি কঠোরভাবে মেনে চলা না হলে পরস্পরের ভেতর স্যাবোটাজ আর কাউন্টার স্যাবোটাজে দেশ তিনটির ভবিষ্যৎ রকেট-মিজাইল মজুদ, ইলেক্ট্রোনিক কাউন্টারমেজারস্, আর্মস এবং ইণ্ডাস্ট্রিয়াল কমপ্লেক্সগুলো সব ধ্বংস হয়ে যাবে।

    ‘তার মানে…বলতে চাইছেন…।’ থেমে গেল মাসুদ রানা। ঢোক গিলল। অজান্তেই পিঠের পেশী শক্ত হয়ে গেছে। সোহেলেরও একই অবস্থা। দুই বন্ধুর হতভম্ব দৃষ্টি ঘন ঘন নেচে বেড়াচ্ছে ক্লান্ত, বিধ্বস্ত দুই বৃদ্ধের মুখের ওপর।

    ‘ঠিকই ধরেছ তুমি, রানা,’ বললেন রাহাত খান।

    ‘রাশিয়া?’

    ওপর-নিচে মাথা দোলালেন তিনি। ‘মাঠে নেমে পড়েছে ওরা এরই মধ্যে। টপ্‌ ক্লাস এক কেজিবি এজেন্ট ঢুকে পড়েছে ব্রিটেনে। কিন্তু জেনারেল বরিসভ ব্যাপারটা ঘটতে দিতে চান না। তিনি চান তাঁর এজেন্টটিকে বোমা অ্যাসেম্বলিঙের ব্যাপারে বাধা দেয়া হোক। তাই কাজে তোমার সাহায্য আশা করে ঢাকায় যোগাযোগ করেন জেনারেল। তোমার লণ্ডন অবস্থানের কথা জানেন তিনি। কিন্তু সরাসরি যোগাযোগ করতে সাহস পাননি। প্রচুর ঝুঁকি ছিল ওতে।’

    ‘কিন্তু, স্যার…’

    ‘জানি কি বলতে চাইছ। উত্তরটা হলো: এর সঙ্গে কেজিবির অফিশিয়ালি কোন সংশ্রব নেই। সোভিয়েত প্রেসিডেন্টের সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত অ্যাসাইনমেন্ট এটা। প্ল্যান অরোরা। অরোরার মূল পরিকল্পনা জিআরইউ চীফ মেজর জেনারেল সের্গেইভিচ মার্চেঙ্কোর। ব্রিটেনের আগামী সাধারণ নির্বাচনের ঠিক ছয় দিন আগে কোন এক ইঙ্গ-মার্কিন বিমানঘাঁটিতে দেড় কিলো টন ক্ষমতাসম্পন্ন একটি নিউক্লিয়ার বোমা ফাটাতে চলেছে রুশ এজেন্টটি। কিন্তু মুশকিল হলো লোকটি কে, কোথায় আছে, কোন্ বিমানঘাঁটিতে বোমা হামলা চালাতে যাচ্ছে, কিছুই জানা যায়নি। ইচ্ছে করেই জানাননি বরিসভ।’

    ‘যাহ্!’ মুখ ফসকে বেরিয়ে গেল সোহেলের।

    চোখ মুদলেন রাহাত খান। মনে হলো উপায় নেই দেখে মনে মনে চূড়ান্ত হার স্বীকার করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছেন। ঝাড়া দু’মিনিট পর মুখ খুললেন তিনি। ‘রুশরা কেন এ পরিকল্পনা নিয়েছে, সে কথায় পরে আসছি। কিন্তু এদিকে নির্বাচনের আর মাত্র একুশ দিন বাকি। যদি তার ছয়দিন আগে ফাটানো হয় বোমা, তাহলে হাতে থাকে মাত্র চোদ্দ দিন।’

    ‘কিন্তু জানালেনই যখন, পুরোটা কেন জানালেন না ভদ্রলোক, স্যার?’ ঝড়ের বেগে এলোমেলো সব ভাবনা ঘুরপাক খাচ্ছে রানার মাথায়।

    ‘কারণ আছে। এ কাজে যাকে ব্রিটেনে পাঠিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট, সে হাইলি ট্রেইনড্ এক কেজিবি স্পাই। ইললিগ্যালস্। লোকটি টপ ক্লাসদের মধ্যেও টপ ক্লাস।কেজিবির অমূল্য এক সম্পদ। তাই তাকে হারাবার ঝুঁকি নিতে চান না জেনারেল। সব জানিয়ে দিলে ধরা পড়ে যাবে লোকটা, সেই জন্যে। তাঁর সমস্যাটা একটু চিন্তা করলেই বুঝতে পারবে তুমি, রানা। জেনারেল চান না এমন দুনিয়া কাঁপানো কিছু ঘটুক, মৃত্যু হোক অসংখ্য নিরীহ নিরপরাধ বেসামরিক মানুষের। লক্ষ ওদের কোন বিমানঘাঁটি হলেও নিশ্চিতভাবে ধরে নেয়া যায় আশপাশের বিস্তৃত অঞ্চলও বিরান হয়ে যাবে বিস্ফোরণে। এর কোনটিই কাম্য নয় বরিসভের।’

    মোনাজাত করার মত দু’হাতে অনবরত মুখ ডলছেন রিচার্ড লংফেলো। নিজের মাঝে ডুবে গেছেন বৃদ্ধ। কোন দিকে, কারও দিকে খেয়াল নেই। মানুষটির বুকের ভেতর কি তুফান চলছে, ভেরে খুব খারাপ লাগল রানার।

    ‘এই বোমা হামলার পরিকল্পনা মস্কোর বাইরে উসভোয় করা হয়েছে। অত্যন্ত গোপনে। এতই গোপনে যে কেজিবিকেও জানানো হয়নি কিছু। জানেন কেবল এর মূল হোতা মার্চেঙ্কো, প্রেসিডেন্ট স্বয়ং আর তার অত্যন্ত বিশ্বস্ত তিন বন্ধু। কোনও আভাস-ইঙ্গিত পেয়ে সম্পূর্ণ নিজ উদ্যোগে ভেতরের খবর উদ্ধার করেছেন বরিসভ, পিছ পা হননি মারাত্মক ঝুঁকি আছে জেনেও। তিনি যেটুকু করেছেন, আমি মনে করি অনেক করেছেন।’

    ‘ঠিক,’ বলল মাসুদ রানা। ‘স্বীকার করতেই হবে।’ লোকটির প্রতি শ্রদ্ধা আরও কয়েক ডিগ্রি বেড়ে গেল ওর। তাঁর এ তদন্তের খবর ফাঁস হয়ে গেলে পরিণতি কি হবে ভাবতেও শিউরে উঠল রানা। সব জেনে-বুঝেও এ পথে পা রেখেছেন জেনারেল, রীতিমত অবিশ্বাস্য। একইসঙ্গে নতুন এক শিক্ষাও হলো মাসুদ রানার। যে কেজিবিকে এতদিন পাষণ্ড, কসাই, হৃদয়হীন ভাবত ও, তার ভেতরে এমন এক-আধজন মানবদরদী ও আছেন। কী আশ্চর্য!

    ‘তবে লাঠির ক্ষতি না করে সাপ মারার পথটিও ভদ্রলোক দেখিয়ে দিয়েছেন। ঠিকমত এগোতে পারলে তাতে কাজ হবে।’

    মেজর জেনারেলের মন্তব্যে নিকষ কালো আঁধারের মাঝে সামান্য এক চিলতে আলোর আভাস পেল রানা।

    ‘প্রায় খালি হাতেই এদেশে ঢুকেছে স্পাইটি। সঙ্গে আছে কেবল একটা ওয়ান টাইম প্যাড।’

    ‘আচ্ছা!’

    ‘লংফেলোর ধারণা ওটার সাহায্যে এরইমধ্যে মস্কোর সঙ্গে যোগাযোগ করেছে সে অজ্ঞাত এক ফ্লীপার ট্র্যান্সমিটারের মাধ্যমে।

    ঝট করে বিএসএস চীফের দিকে ফিরল রানা। ‘তাই?’

    করুণ হাসি ফুটলতার মুখে। ‘আমাদের চেলটেনহ্যাম জিসিএইচকিউর একটা রিপোর্ট পেয়েছি কাল দুপুরে। ওরা নাকি,’ চট করে হাতঘড়ির ওপর চোখ বুলিয়ে নিলেন বৃদ্ধ। ‘এখন থেকে আটচল্লিশ ঘণ্টার কিছু বেশি আগে একটা স্কোয়ার্ট মেসেজ ট্রেস করেছে।’

    ‘কোথায়?’ পলকহীন চোখে চেয়ে আছে রানা।

    ‘ডার্বিশায়ার পিক ডিস্ট্রিক্টের একটা রাস্তা থেকে ট্র্যান্সমিট করা হয় ওটা। কাজ সেরে সঙ্গে সঙ্গে জায়গা ছেড়ে সরে পড়েছে স্পাইটি। প্রথমে খুব একটা গুরুত্ব দেইনি। কিন্তু রাহাতের মুখে সব শুনে বুঝলাম এ সে না হয়েই যায় না।’

    স্কোয়ার্টের বক্তব্য উদ্ধার অসম্ভব, জানে মাসুদ রানা। তাই ও নিয়ে কিছু জিজ্ঞেস করল না। চিন্তিত মুখে ফিরল রাহাতু খানের দিকে। ‘যা বলছিলাম,’ বললেন তিনি। ‘বরিসভ জানিয়েছেন, বোমা তৈরির ছোট ছোট নয়টা উপাদান হাতে হাতে নয়দিক থেকে ঢুকবে ব্রিটেনে, এক এক করে পৌঁছবে তার হাতে। সবগুলো হাতে পেলে তবেই বোমা তৈরি সম্পূর্ণ করতে পারবে সে। নইলে নয়।’

    ‘তার মানে যে কোন দিক থেকে, যে কোন পথে ঢুকতে পারে ওগুলো, অন্যমনস্ক হয়ে পড়ল রানা। ‘সড়ক-আকাশ-সমুদ্র, নিশ্চই সব পথই ব্যবহার করবে ওরা?

    ‘নিশ্চয়ই!’ জোরে জোরে মাথা দুলিয়ে সায় জানালেন স্যার লংফেলো।

    ‘এখন,’ বললেন রাহাত খান, ‘যদি এর দু’তিনটে চালান কোনমতে ঠেকিয়ে দেয়া যায়, তাহলেই ব্যর্থ হতে বাধ্য ওদের মিশন।’

    ‘দু’তিনটে?’ আবার চোখে আঁধার দেখতে আরম্ভ করল রানা।

    ‘হ্যাঁ।’ পাইপ ধরালেন বৃদ্ধ। ঘন ঘন টান দিয়ে পুরু ধোঁয়ার একটা পর্দা দিয়ে আড়াল করে ফেললেন নিজেকে। ‘কারণ আমরা জানি না এক আধটা চালান খোয়া গেলে তার বিকল্প চালান পাঠাবার ব্যবস্থা ওরা রেখেছে কি না। আমার মনে হয় না রেখেছে। পুরো ব্যাপারটা সময় সাপেক্ষ, অথচ ওটারই বড় অভাব। এর মধ্যে নয়টা চালানই জায়গামত পৌঁছানো কঠিন। আর যদি রেখেও থাকে বিকল্প ব্যবস্থা, দু’তিনটের রিপ্লেসমেন্ট পাঠানোর সময় থাকবে না। সময়মত জিনিস না পৌঁছলে মস্কোকে জানাতে হবে, তারপর ওরা আবার তা পাঠাবে, সে তো আরও লম্বা সময়ের ব্যাপার। তবু, পুরোপুরি নিশ্চিত হওয়ার জন্যে যে করেই হোক অন্তত দু’তিনটে চালান আটক করতেই হবে। তা যদি সম্ভব হয়, নির্ধারিত তারিখে যদি কাজটা করতে ব্যর্থ হয় ওরা। তাহলে বাধ্য হয়েই মস্কোকে মিশন পরিত্যাগ করতে হবে। কারণ এর পিছনে ওদের যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে, তা হাসিলের উপায় না থাকলে শুধু শুধু এত বড় একটা কাণ্ড ঘটাবার ঝুঁকি মস্কো নেবে না।

    ‘প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এর প্রতিটি খুঁটিনাটি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে আমাদের। তোমার ওপর ভদ্রমহিলার প্রচুর আস্থা।কপাল চুলকালেন রাহাত খান। ঘন ঘন টান দিতে লাগলেন পাইপে। ‘ওদিকে জেনারেল বরিসভও তোমার ওপর নির্ভর করে আছেন। তুমি যদি…।’

    করণীয় ঠিক করে ফেলল মাসুদ রানা। ‘দায়িত্বটা আমি নিচ্ছি স্যার।’

    ‘ভাল করে ভেবে সিদ্ধান্ত নাও, রানা। সাঙ্ঘাতিক ঝুঁকি আছে এ কাজে। তাছাড়া কাজটা তুমিই করে দেবে এমন কোন প্রতিশ্রুতি আমি ওঁদের কাউকেই দেইনি। আমি এসেছি প্রধানমন্ত্রীকে ঘটনাটা বিস্তারিত জানাতে। কাজটা তুমি করবে কি না, তা সম্পূর্ণ তোমার নিজের ব্যাপার। ইচ্ছে হলে করতে পারো, ইচ্ছে না হলে ভদ্রভাবে পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে আসার সুযোগও রয়েছে।’ কপাল চুলকাতে ব্যস্ত হয়ে পড়লেন বৃদ্ধ।

    ‘ভেবেচিন্তেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি, স্যার,’ দৃঢ় আস্থার সুর ফুটল রানার স্বরে। ‘ঝুঁকির চ্যালেঞ্জটা গ্রহণ করতে চাই আমি।’

    ‘বেশ।’ উজ্জ্বল হয়ে উঠল রাহাত খানের চেহারা, চেষ্টা করেও মনের ভাব চেপে রাখতে পারলেন না। স্যার মারভিন লংফেলোর মুখের মেঘও পলকে কেটে গেল। এমন ভাবে দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি, দেখে মনে হলো এতক্ষণ যেন দম বন্ধ ছিল বুকের ওপর মস্ত কোন চাপের কারণে। হঠাৎ করেই চাপমুক্ত হয়েছেন।

    ‘তবে একটা কথা, স্যার।’

    ‘জানি।’ হাত তুলে থামিয়ে দিলেন ওকে বৃদ্ধ। ‘অপারেশন নিয়ন্ত্রণের সম্পূর্ণ ক্ষমতা তোমার হাতেই থাকবে। ওসব আমি দেখব।’ মন দিয়ে সার্জেন্ট হিউই ও ব্রায়ানের মৌখিক স্টেটমেন্ট শুনলেন প্রবীণ চীফ সুপারিনটেণ্ডেন্ট অভ পুলিস। মাঝে মধ্যে একটা দুটো প্রশ্ন করলেন। সব শেষে নিশ্চিত হলেন যে এরা মিথ্যে বলেনি। সত্যি কথাই বলেছে। কিন্তু মুশকিল হলো, এ পেশায় দীর্ঘদিন জড়িত বলে সুপারের অভিজ্ঞতার ঝোলাটিও বেশ বড়। ভালই জানেন তিনি, সত্য বলেও কখনও কখনও এ ধরনের গেরো থেকে বেরিয়ে আসা মুশকিল হয়ে পড়ে।

    এই ঘটনাটির কথাই ধরা যাক। রুশ নাবিকটি ছিল পুলিস কাস্টডিতে, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সার্জেন্ট হিউইর বক্তব্য অনুযায়ী ছাত থেকে লাফিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করেছে লোকটি। এর কোন সাক্ষী নেই। ছাতে ছিল তখন একমাত্র হিউই। তাছাড়া এমন কোন কিছু ঘটেওনি যে নাবিকটির আত্মহত্যা করা জরুরি হয়ে উঠেছিল। সবচেয়ে কঠিন হবে ‘প্রেসকে সামাল দেয়া। এমন একটা বাজার গরম করার সুযোগ ওরা ছাড়বে না কিছুতেই।

    পুলিসি নৃশংসতা, ভাবলেন সুপার, এ ব্যাপারে স্থানীয় পত্রিকাগুলোর হেডিং নিশ্চয়ই এই হবে। কাজেই নিরীহ দুই সার্জেন্টকে রক্ষা করার জন্যে নাবিকটি টেম্পোরারি হ্যালুসিনেশনে আক্রান্ত হয়ে এ কাজ করেছে বলে প্রমাণ করার ব্যবস্থা করতে হবে তাঁকে। এরপর সোভিয়েত কনসালের ধাক্কা তো রয়েইছে।

    কোন জাহাজের নাবিক ছিল লোকটা, জানতে হবে, ভাবতে লাগলেন সুপার। তার ক্যাপ্টেনের জবানবন্দী নিতে হবে, তাকে দিয়ে দেহটা আইডেন্টিফাই করাতে হবে। আরও আছে, পুলিসে ফোন করেছিল কে, তাকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চালাতে হবে। অ্যাম্বুলেন্সের দুই স্টাফ, ড্রাইভার আর মেল নার্স, ওদের জবানবন্দী নিতে হবে। ওয়ার্ড সিস্টার এবং পাকিস্তানি ডাক্তার ইকবালের জবানবন্দীও চাই। সব শেষে ফ্রন্ট- ডেস্ক পোর্টার। ভোর চারটে থেকে টানা সাড়ে সাতটা পর্যন্ত শেষের পাঁচজনের বক্তব্য রেকর্ড করলেন পুলিস সুপার। চারজনের বক্তব্যে বোঝা গেল সত্যিই প্ৰচণ্ড মার খেয়ে জখম হয়েছে নাবিকটি, অমানুষের মত পিটিয়েছে ওকে নেডরা। সবার শেষে, ফ্রন্ট-ডেস্ক পোর্টারের বক্তব্যে খানিকটা আশার আলো দেখা গেল। লোকটা জানাল, মৃত লোকটিকে দৌড়ে এসে লিফটে উঠতে দেখেছে সে। পরপরই সেখানে পৌঁছায় সার্জেন্ট হিউই। লিফটে উঠতে না পেরে সার্জেন্ট পিছনের স্টেয়ারওয়েলে গিয়ে ঢোকে। পরের ঘটনা তার জানা নেই।

    আটটায় হাই তুলতে তুলতে অফিসে রওনা হলেন সুপার। রাতের ঘুম তো গেছেই, দিনেও হয়তো বিশ্রাম জুটবে না কপালে। অফিসে এসেই পোর্ট ট্রাফিক অফিসারকে ফোন করলেন তিনি। তার কাছে জানা গেল, আকাডেমিক কোমারভ নামে একটিই রুশ জাহাজ আছে জেটিতে। গতকালই এসেছে। ওটার ক্যাপ্টেনকে নিয়ে আসার জন্যে গাড়ি পাঠালেন সুপার। তারপর টেলিফোন করলেন গ্লাসগোর সোভিয়েত কনসালকে।

    টেলিফোনের আওয়াজে গাল ভর্তি একরাশ শেভিং ফোম নিয়ে বাথরূম থেকে বেরিয়ে এল বিএসএসের গ্লাসগো স্টেশন চীফ, হ্যারি ফরবস। এক হাতে রেজর। অন্য হাতে রিসিভার তুলল সে। ‘হ্যালো!’

    ‘মিস্টার ফরবস? আমি ক্রেইগ।

    কপাল কুঁচকে উঠল স্টেশন চীফের। ক্রেইগ প্যাট্রিক পুলিস স্টেশনের একজন প্লেন ক্লথ ডিটেকটিভ ইন্সপেক্টর।

    ‘ইয়েস, ক্রেইগ। হোয়াট ইজ ইট?’ চুপ করে দু’মিনিট লোকটির কথা শুনল স্টেশন চীফ। তারপর যেন নিজেকে শোনাচ্ছে এমন ভাবে বলল, ‘রিয়েলি?’

    ‘হ্যাঁ। এর মধ্যে আরও গভীর কিছু আছে।’

    ‘ঠিক আছে, আসছি আমি।’

    লাইন কেটে দিয়ে খানিক চিন্তা করল হ্যারি ফরবস। তারপর জোর পায়ে বাথরূমে গিয়ে ঢুকল। সাড়ে আটটা বাজে। তাড়াহুড়ো করে শেভ সেরে পোশাক পরল সে। অত্যন্ত ব্যস্ততার সঙ্গে বেরিয়ে পড়ল গাড়ি নিয়ে। ছুটল সোজা পুলিস সুপারের অফিস। একই সময় সিটি’ মর্গে পৌঁছল আকাডেমিক কোমারভের ক্যাপ্টেন আর পলিটিক্যাল অফিসার। এক পলক আঁদ্রেই পাভলভের দেহের ধ্বংসাবশেষের দিকে তাকিয়ে মুখ ঘুরিয়ে নিল দু’জনেই।

    ‘ঠিকই আছে,’ বলল দ্বিতীয়জন। ‘এ আমার শিপের ডেকহ্যাণ্ড। আমরা আমাদের কনসালের সঙ্গে দেখা করতে চাই।’

    দুজনকেই বেশ বিচলিত দেখে মর্গের ডিউটি সার্জেন্ট ভাবল, একজন শিপমেট হারিয়ে বড্ড দুঃখ পেয়েছে নিশ্চয়ই। ‘চলুন,’ ওদের পথ দেখিয়ে বাইরে নিয়ে এল সে। ‘আমাদের সুপারিনটেণ্ডেন্টের অফিসে যাওয়া যাক। ন’টায় ওখানে আসবেন আপনাদের কনসাল।

    ওরা পৌঁছার আগেই এসে পড়েছেন সোভিয়েত কনসাল। পুলিস সুপারের মুখোমুখি বসে আছেন তিনি। পাশেই আরেকজন বসা, বিএসএস স্টেশন চীফ।

    ‘এ আমি বিশ্বাস করি না যে লোকটা আত্মহত্যা করেছে,’ ক্যাপ্টেন আর পলিটিক্যাল অফিসার ভেতরে পা রাখতেই ক্রুদ্ধ স্বরে বলে উঠলেন কনসাল। ‘অনতিবিলম্বে আমার এমব্যাসির সঙ্গে যোগাযোগ করতে চাই…’

    বাহু ধরে কনসালকে নিজের দিকে আকর্ষণ করল পলিটিক্যাল অফিসার। রূমের এক কোণে নিয়ে গিয়ে ফিস ফিস করে কী সব যেন বোঝাল তাঁকে। পলকে চেহারা বদলে গেল ক্রুদ্ধ কনসালের। তিন মিনিট পর সুপারের টেবিলে ফিরে এলেন তিনি।

    একেবারে শান্ত হয়ে গেছেন। জানালেন, এমব্যাসির সঙ্গে যোগাযোগ তিনি অবশ্যই করবেন। তবে পরে হলেও চলবে, তাড়াহুড়ো করার কিছু নেই।

    কনসাল আশা করেন, আঁদ্রেইকে যারা মারধর করেছে, পুলিস সেই নেন্ডদের খুঁজে বের করে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করবে। মাননীয় সুপারের পক্ষে কি সম্ভব হবে, আঁদ্রেই পাভলভের মৃতদেহ এবং তার সঙ্গে যা যা ছিল সে সব আকাডেমিক কোমারভে তুলে দেয়া? জাহাজটি আগামীকালই লেনিনগ্রাদ রওনা হবে।

    অত্যন্ত প্রশান্ত মেজাজে অথচ দৃঢ়তার সঙ্গে অনুরোধটা প্রত্যাখ্যান করলেন সুপার। যতক্ষণ না বখাটেগুলোকে পাকড়াও করা যায়, দেহটা সিটি মর্গেই থাকবে। আর তার জিনিসপত্র যত্ন করে রেখে দেয়া হবে প্যাট্রিক পুলিস স্টেশনে। মৃদু হাসির ভঙ্গি করে সিদ্ধান্তটা মেনে নিলেন সোভিয়েত কনসাল। নিয়ম কানুন ভালই জানেন তিনি। এরপর বিদেয় হওয়া ছাড়া গত্যন্তর নেই। বেরিয়ে পড়লেন তিনি কনসুলেটের উদ্দেশে।

    পিছন পিছন বেরিয়ে এল হ্যারি ফরবসও। মর্গের দিকে গাড়ি ছোটাল সে। পোস্টমর্টেম রূমের এক কোণে ড্রেনের ওপর বসানো বড় একটা স্ল্যাবে শোয়ানো আছে পাভলভের দেহটা। ব্যবচ্ছেদ শুরু করার জন্যে পুলিস প্যাথলজিস্ট প্রস্তুত।

    ‘দেহটা আমি একটু দেখতে পারি?’ লোকটিকে জিজ্ঞেস করল ফরবস।

    তার আইডি কার্ডে চোখ বুলিয়ে মাথা দোলাল সে। ‘শিওর।’

    খুব কাছ থেকে দশ মিনিট ধরে দেহটা পর্যবেক্ষণ করল ফরবস তীক্ষ্ণ দৃষ্টিতে। তারপর বেরিয়ে এসে নিজের অফিসে রওনা হলো।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭১ : নরকের শহর
    Next Article মাসুদ রানা ৪৭০ – কালবেলা

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }