Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা – ২১৭ ও ২১৮ – অন্ধ শিকারী (দুইখণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প333 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অন্ধ শিকারী – ২.৯

    নয়

    ভোর চারটা। কম্পটন রোডের আটষট্টি নম্বর বাড়ির কিচেনে দাঁড়িয়ে আছেন পুলিস সুপার স্যাম রসটন। পিছন দরজা দিয়ে ঢুকেছেন ভদ্রলোক। ‘কি বললে?’ চোখ বড় করে সুপারের দিকে চেয়ে আছেন বাড়ির মালিক ব্যারি ব্যাংকস্। ‘ডাকাত?’

    ‘হ্যাঁ,’ মাথা দোলালেন রসটন।

    ‘মাই গড!’ পাশে দাঁড়ানো হতভম্ব স্ত্রীর দিকে তাকালেন একবার ভদ্রলোক। ‘তা এখন কি করতে চাইছ?’

    ‘খানিক কষ্ট দেব তোমাদের। ওপরতলার রাস্তার দিকের একটা রুম ছেড়ে দাও। আমার লোক ওখান থেকে নজর রাখবে বাড়িটার ওপর।

    ‘তা না হয় দিলাম,’ চিন্তিত ব্যাংকস্। ‘কিন্তু এখনই কেন অ্যারেস্ট করছ না ওদের?’

    ‘ধারণা করছি দলে আরও লোক আছে ওদের। টাকার বখ্া নিতে আসতে পারে। তখন একসঙ্গে ধরতে চাই সব ক’টাকে।’

    ‘তাহলে দেরি করে কাজ নেই। যাও, ডেকে নিয়ে এসো সবাইকে। রূম একটা খালিই আছে ওপরে।’

    ওদিকে পুলিস স্টেশনে এক ডেস্ক সার্জেন্টের সামনে বসে আছে মাসুদ রানা। ইচ্ছে করেই সুপারের সঙ্গে যায়নি ও। উনষাট কম্পটন স্ট্রীটে কে বা কারা থাকে, জানার জন্যে রয়ে গেছে। রেকর্ড রূম থেকে একটা ফাইল নিয়ে এসে ভেতরে নজর বোলাচ্ছে সার্জেন্ট।

    ‘দু’জন থাকে ও বাড়িতে। ওরা গ্রীক সাইপ্রিয়ট, স্যার,’ বলল সার্জেন্ট। ‘দুই ভাই, যমজ। দুজনেই অবিবাহিত। অ্যানড্রিয়াস এবং স্পিরিডন স্টেফানিডেস। চার বছর ধরে আছে এখানে। হলিওয়েল ডোনার কাবাবের ব্যবসা আছে।

    স্লীপার ট্র্যান্সমিটার, ভাবতে লাগল মাসুদ রানা, এবং লো-লেভেল দুই স্লীপার—ডীপ কভার এজেন্ট! ওই ঘরেই কি আছে সেই ট্র্যান্সমিটারটি, যেখান থেকে স্কোয়ার্ট দুটো ট্র্যান্সমিট করা হয়েছে? ডার্বিশায়ার পিক ডিস্ট্রিক্ট এবং শেফিল্ডের উত্তরের পাহাড়ি এলাকা, দুটোই খুব কাছাকাছি এখান থেকে। ট্র্যান্সমীটিং সেরে চট্ করে এখানে এসে গা ঢাকা দেয়া খুব সম্ভব। বোমার অংশগুলোও কি এখানে এনে জড়ো করা হয়েছে? উত্তেজিত হয়ে উঠতে লাগল মাসুদ রানা।

    টেলিফোন তুলল ও। ঘুম ভাঙাল স্যার লংফেলোর। ‘কি ব্যাপার, রানা? খবর ভাল?’

    ‘মোটামুটি, স্যার। জরুরী একটা প্রয়োজনে ডিসটার্ব করছি আপনাকে।’

    ‘দ্যাট’স অল রাইট, সান। বলো।’

    ‘যাকে ফলো করছি, সে হয়তো আজ কোনও এক সময় ইংল্যাণ্ড ত্যাগ করবে। যদি করে, আমি চাই কেউ যেন বাধা না দেয় তাকে। আমার সন্দেহ তাকে ভিয়েনায় আশা করবে কেউ নির্ধারিত সময়ে। ও পৌঁছতে ব্যর্থ হলে অন্যরকম হয়ে যেতে পারে পরিস্থিতি।’

    ‘বুঝেছি। সকালে তোমার হয়ে অর্ডারটা ইস্যু করে দেব আমি।’

    ‘ওর পাসপোর্ট নাম্বার হিথ্রোর সঙ্গে যোগাযোগ করলে জানতে পারবেন আপনি।’

    ‘ওকে।’

    একটু পর ফিরে এলেন পুলিস সুপার রসটন। একান্তে আধ ঘণ্টা আলাপ করল রানা তাঁর সঙ্গে।

    সকাল সাড়ে ন’টায় ফিফটি নাইন, কম্পটন রোড ত্যাগ করল ফ্রানজ ওসনিয়াক। হ্যারি নিগেল এবং আরেকজন অ্যাশগেট রোড থেকে পিছু নিল তার। ট্যাক্সি নিয়ে স্টেশনে গেল লোকটা, উঠে পড়ল লণ্ডনগামী ট্রেনে। সেন্ট প্যানক্রাসে অন্য একদল ওয়াচারের ওপর লোকটার ভার ছেড়ে দিয়ে চেস্টারফিল্ডে ফিরে এল প্রথম দু’জন।

    বোর্ডিং হাউসে আর গেল না ফ্রানজ ওসনিয়াক। যদি কিছু রেখে এসে থাকে সে ওখানে, এক সেট পায়জামা-শার্টসহ হ্যাণ্ড গ্রিপ ট্রেনে ফেলে যাওয়ার মতই একেবারে ফেলে এসেছে। সোজা হিথ্রো এল সে। দুটোর ফ্লাইটে রওনা হয়ে গেল ভিয়েনা। সোভিয়েত এমব্যাসির দু’জন রিসিভ করল তাকে ওখানে।

    ঠিক এগারোটায় বাসা থেকে বেরোল দুই গ্রীক সাইপ্রিয়ট। এরাও পায় মধ্যবয়সী। পুলিস সুপারের সরবরাহ করা শক্তিশালী লেন্সওয়ালা ক্যামেরার সাহায্যে বেশ কিছু ছবি তোলা হলো ওদের। ছবি নিয়ে ব্রায়ান স্মিথ রওনা হয়ে গেল লণ্ডন। ম্যানচেস্টার থেকে একদল এক্সপার্ট এসে গ্রীকদের বাসা এবং ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের টেলিফোন ট্যাপ করার ব্যবস্থা করল। একটা ডিরেকশন ফাইণ্ডার ব্লীপারও জুড়ে দেয়া হলো ওদের গাড়িতে।

    ·

    শেষ বিকেলে উত্তর এল লণ্ডনের। জানা গেল, ওরা সাইপ্রিয়ট, কথাটা ঠিক নয়। এক সময় গ্রীক মেইনল্যাণ্ডের অধিবাসী ছিল। গোড়া কমিউনিস্ট। হেলাস ‘মুভমেন্টের সঙ্গে জড়িত ছিল দুই ভাই। প্রায় বিশ বছর আগে সাইপ্রাসের উদ্দেশে গ্রীস ত্যাগ করে ওরা পুলিসের তাড়া খেয়ে। লণ্ডনের প্রশ্নের উত্তরে এথেন্স জানিয়েছে, ওদের আসল নাম কোস্টাপোপোলাস। নিকোশিয়ার মতে আট বছর আগে ওখান থেকে উধাও হয়ে গেছে দু’জনে।

    এদিকে ক্রয়ডন ইমিগ্রেশন রেকর্ড অনুযায়ী সাইপ্রিয়ট নাগরিক পরিচয়ে লণ্ডন আসে ওরা দুই ভাই। ব্রিটেন সরকার তাদের আবেদনের প্রেক্ষিতে এদেশে থাকার অনুমতি দেন স্টেফানিডেস ভ্রাতৃদ্বয়কে। সবশেষে চেস্টারফিল্ড রেকর্ড। এদের মতে সাড়ে তিন বছর আগে লণ্ডন থেকে এখানে আসে তারা। বাসা ভাড়া নেয় ফিফটি নাইন কম্পটন রোডে। হলিওয়েল ক্রসে একটি ঘর ভাড়া নিয়ে কাবাব-ব্যবসা আরম্ভ করে। অত্যন্ত শান্ত প্রকৃতির অমায়িক মানুষ দুই ভাই। আইন মেনে চলে কঠোরভাবে।

    হুঁম!’ রিপোর্টগুলো রেখে দিল মাসুদ রানা। বাইরে ঘনিয়ে এসেছে রাত।

    একটি ছাড়া আজকাল আর কোন ইউরোপিয়ান গাড়ি নির্মাতা অতীতের মত বড়, গোল হেড লাইট তৈরি করে না। এখন বেশিরভাগই চৌকো হয়ে গেছে। একমাত্র অস্টিন এখনও তৈরি করে। অস্টিন মিনির জন্যে কেবল। মাসুদ রানা যখন গ্রীক যমজদের ব্যাপারে লণ্ডনের রিপোর্ট পড়ছে, ঠিক সেই সময় সাউদাম্পটনের চেরবার্গ জেটিতে এই ধরনের একটি মিনি অস্টিন অবতরণ করল ফেরি থেকে। ওটা এসেছে অস্ট্রিয়ার সালজবার্গ থেকে।

    অস্টিন এবং তার চালক-কাম-মালিক, কারও কাগজপত্রে কোন খুঁত নেই। অকৃত্রিম অস্ট্রিয়ান কাগজপত্র। আসলে লোকটি চেক এসটিবির এজেন্ট, ফ্রানজ ওসনিয়াকের মত।গাড়িটা সার্চ করল কাস্টমস। কিন্তু সন্দেহজনক কিছু চোখে পড়ল না। ছেড়ে দিল তারা ওটা। লণ্ডনের পথে রওনা হয়ে গেল মিনি অস্টিন। এক নাগাড়ে দুই ঘণ্টা চলার পর সাউদাম্পটনের উত্তর প্রান্তে পৌঁছল গাড়িটা।হেড লাইট নিভিয়ে পথের পাশের প্রকাণ্ড এক ঝোপের আড়ালে এসে গাড়ি দাঁড় করাল চালক। হাইওয়ে থেকে সম্পূর্ণ আড়ালে চলে এসেছে সে। কেউ দেখতে পাবে না। একটা স্ক্রু ড্রাইভার নিয়ে নেমে এল লোকটা, অন্ধকারেই শুরু করে দিল কাজ। প্রথমে বডি এবং হেডলাইট ইউনিটের মাঝের ফাঁক আড়াল করে রাখা চকচকে ক্রোম রিঙটা খুলে ফেলল সে।

    এবার বড়ির ভেতরের উইঙের সঙ্গে জোড়া পুরো হেডলাইট ইউনিট খুলে বের করে আনল সকেট থেকে। ওর পিছনে, এঞ্জিন কম্পার্টমেন্ট থেকে বেরিয়ে এসে যুক্ত হওয়া তারগুলোও খুলে ফেলল সে। এরপর বালবের পিছনের অর্ধ গোলক আকৃতির রিফ্লেকটিং বাউল দুটো আলাদা করে একটা হেসিয়ান ব্যাগে পুরল লোকটা। অস্বাভাবিক ওজন ও দুটোর।

    এক ঘণ্টারও বেশি ব্যয় হলো কাজটা সারতে। একটা সিগারেট ধরিয়ে টানতে লাগল চেক। চোখের জায়গায় দুটো কালো গর্ত নিয়ে অন্ধের মত চেয়ে আছে মিনি অস্টিন। কাল কোন এক সময়, ভাবল লোকটা, ওরকম আরেক সেট হেডল্যাম্প কিনে আনবে সে সাউদাম্পটন থেকে। ওগুলো ফিট করে কাল রাতেই ফিরে যাবে সালজবার্গ।

    সে তো পরের কথা, আগের কাজ আগে। সিগারেটটা মাড়িয়ে দিল চেক। ব্যাগ ঝোলাতে ঝোলাতে বড় রাস্তায় উঠে হেঁটে এগোতে লাগল ফেলে আসা বন্দরনগরীর দিকে। পাঁচশো গজমত এগোতে বাস স্টপটা আবার দেখতে পেল লোকটা। এটার সামনে দিয়েই গেছে সে তখন। ঘড়ি দেখল। বেশ সময় আছে হাতে এখনও। প্রায় পনেরো মিনিট।

    আর কোন যাত্রী নেই বাস স্টপে। সে একাই। অপেক্ষা করতে করতে অস্থির হয়ে উঠল লোকটা। আরও পাঁচ মিনিট বাকি সময় হতে। হঠাৎ মোটর সাইকেলের ভারি আওয়াজে ঘাড় ফেরাল লোকটা। আগাগোড়া কালো পোশাক পরে রয়েছে বাইক চালক। থেমে দাঁড়িয়েছে বাইকটা তার চার হাতের মধ্যে।

    ‘রাতের শেষ বাসে বাড়ি ফেরা খুব বিরক্তিকর,’ বলে উঠল লোকটা। ফোঁস করে দম ছাড়ল চেক। ‘তাও ভাল, যত দেরিই হোক, অন্তত পৌঁছানো যায়।’

    ব্যাগটা আগন্তুকের হাতে তুলে দিল চেক। পিছনের ফাইবার গ্লাস বক্সে সঙ্গে সঙ্গে চালান হয়ে গেল তা। এই সময় স্টপেজে এসে থামল সাউদাম্পটনের শেষ বাস। উঠে পড়ল লোকটা। ছেড়ে দিল বাস। কিছুক্ষণ সেদিকে চেয়ে থাকল তাতায়েভ। তারপর বিএমডব্লিউ ঘুরিয়ে রওনা হলো লণ্ডনের দিকে।

    পরদিন সূর্যোদয়ের একটু আগে ইপসউইচ পৌঁছল সে থেটফোর্ড হয়ে। মনটা দারুণ খুশি। নবম চালান পৌঁছে গেছে হাতে। চালান।

    পরদিন সকালে ইপসউইচ শহরের এ-দোকান ও দোকানে কেনাকাটা করতে দেখা গেল মেজর ভ্যালেরি তাতায়েভকে। হার্ডওয়্যারের দোকান থেকে প্রথমেই কিনল সে একটা হালকা, খাটো হাতলওয়ালা দুই চাকার পুশ ট্রলি। সাধারণত ভারি কোন বোঝা, বস্তা, ডাস্টবিন বা স্যুটকেস স্থানান্তরে ব্যবহার করা হয় এগুলো। নির্মাণ সামগ্রী বিক্রি করে এমন একটি দোকান থেকে কিনল দুটো দশ ফুটি তক্তা।

    এরপর অফিস ইকুইপমেন্টের বড় এক দোকানে দেখা গেল তাতায়েভকে। এখান থেকে ছোট একটা স্টীলের ফাইলিং কেবিনেট কিনল সে। ত্রিশ ইঞ্চি লম্বা, আঠারো ইঞ্চি পাশে, বারো ইঞ্চি গভীর। একটা টিম্বার স্টোর থেকে সংগ্রহ করল কয়েকটি কাঠের হুড়কো, গোল ব্যাটন এবং কড়িকাঠ জাতীয় এক খণ্ড কাঠ। ওখান থেকে বেরিয়ে একটা ডু-ইট- ইওর-সেলফ দোকানে ঢুকল তাতায়েভ। .কিন্ল কমপ্লিট এক সেট টুল বক্স। নানান মাপের বিটসহ একটি হাই-স্পীড ড্রিল মেশিন। পেরেক, নাট-বল্টু, স্ক্রু এবং এক জোড়া হেভি ডিউটি ইণ্ডাস্ট্রিয়াল গ্লাভস্।

    এখানকার কাজ সেরে এক প্যাকেজিঙ ওয়্যারহাউসে ঢুকল মেজর ভ্যালেরি। কিনল কিছু ফোম ইনসুলেশন। সবশেষে ইলেক্ট্রিক এমপোরিয়াম থেকে চারটা নয় ভোল্টের ব্যাটারি এবং কয়েক গজ মাল্টিকালারড সিঙ্গল ফ্লেক্স তার কিনল সে।

    এত জিনিস সেলুনে করে চেরিহে’জ ক্লোজে নিয়ে আসতে দুটো ট্রিপ দিতে হলো ভ্যালেরিকে। সমস্ত কিছু গ্যারেজেই ফেলে রাখল সে। আবার রাত নামতেই ওর বেশিরভাগ স্থান পেল কিচেনে।

    সে রাতেই তাতায়েভের জন্যে নির্ধারিত মস্কো রেডিওর কমার্শিয়াল ব্যাণ্ড জানাল তার ‘অ্যাসেম্বলার’ আসার সংবাদ। দু’দিন পর লণ্ডন সে।

    রুমটা বেশ বড়। রাস্তার দিকে তিনটে জানালা। মাঝেরটার সামনে বসে আছে মাসুদ রানা। আরও একটা রাত কেটে গেছে উল্লেখযোগ্য কোন ঘটনা ছাড়াই। কোন অস্বাভাবিক তৎপরতা দেখা যায়নি গ্রীক যমজের। আজও ঠিক সময়ই কাজে বেরিয়েছে তারা। ফিরেও এসেছে যথানিয়মে। বেতাল কিছু করার চেষ্টাও করেনি। এমন কি বাসা বা দোকানের টেলিফোনও তোলেনি ওরা নিজে থেকে। যে ক’টা ফোন এসেছে, দোকানের নাম্বারে এসেছে। সবগুলোই কাবাবের অর্ডার বা টেবিল রিজার্ভেশন সম্পর্কিত।

    একবার ভেবেছে রানা ওদের অনুপস্থিতিতে বাসার ভেতরে ঢোকার একটা চান্স নেবে কি না স্লীপার ট্র্যান্সমিটারের খোঁজে। কিন্তু পরে বাতিল করে দিয়েছে সে ইচ্ছে। মারাত্মক ঝুঁকি আছে তাতে। ও বাড়িটা নিঃসন্দেহে সিকিউরিটি অ্যালার্মের কারখানা। হেজিপেজি নয় ওরা দু’ভাই, টপ ক্লাস সীপার এজেন্ট। নিজেদের নিরাপত্তার ব্যাপার ভালই বোঝে। তিল পরিমাণ এদিক-ওদিক হয়ে গেলেই বরবাদ হয়ে যাবে সমস্ত কিছু।

    ঘড়ি দেখল মাসুদ রানা। এগারোটা। চোখ তুলতেই গ্রীক যমজের ওপর চোখ পড়ল। বেরিয়ে আসছে বাসা থেকে। কাজে যাওয়ার সময় হয়েছে। কি কারণে কে জানে, হাসছে খুব দু’ভাই। গাড়ি বের করে রওনা হয়ে গেল অ্যানড্রিয়াস ও স্পিরিডন স্টেফানিডেস ওরফে কোস্টাপোপোলাস যমজ। বলতে হলো না, অপেক্ষমাণ পুলিসের দুই ওয়াচার এবং বিএসএসের হ্যারি নিগেল বেরিয়ে গেল ঘর ছেড়ে।

    সবার ডিউটি ভাগ-ভাগ করে দিয়েছে মাসুদ রানা। কাউকে যদি দেখে ফেলে ওরা দেখুক, ক্ষতি নেই। কিন্তু একবারের বেশি দু’বার যাতে চোখে না পড়ে সে, ফেউ বলে তাকে সন্দেহ করতে না পারে ওরা দু’ভাই, সে ব্যাপারে অত্যন্ত সতর্ক থাকার নির্দেশ রয়েছে সবার ওপরে।

    পরদিন ফিনএয়ারের একটি জেট অবতরণ করল হিথ্রো। সরাসরি হেলসিঙ্কি থেকে এসেছে। যাত্রীরা সব ইমিগ্রেশন ও কাস্টমস্ পেরিয়ে এল। কারও কাগজপত্রে কোনরকম গণ্ডগোল নেই। ওর মধ্যে একজন; লম্বা, গাল ভর্তি চাপ দাড়ি, মাঝবয়সী লোক রয়েছে। ফিনিশ পাসপোর্টের অধিকারী। পাসপোর্ট অনুযায়ী উরহো নুটিলা তার নাম।

    ফিন ভাষায় অনর্গল কথা বলতে পারে লোকটা, বাধে না একটুও। কারণ তার মা ক্যারেলিয়ান। বাৰা ৰুশ। জন্মগতভাবে লোকটা রুশ। সেমিয়ানভ নাম। পেশাঃ সোভিয়েত অর্ডন্যান্স ডিরেক্টরেটের আর্মি আর্টিলারি কোরের কর্ণেল। আসলে লোকটা যতটা না সৈনিক, তার চেয়ে বেশি বিজ্ঞানী নিউক্লিয়ার এঞ্জিনিয়ার। ফিনদের মত চলনসই ইংরেজি বলতে পারে লোকটা।

    কাস্টমসের ঝামেলা চুকিয়ে এয়ারপোর্টের কার্টসি কোচে এসে উঠল সেমিয়ানভ অন্য যাত্রীদের সঙ্গে। হিথ্রোর পেন্টা হোটেলে এসে থামল বার্স। ভেতরে ঢুকল সে। কিন্তু রিসেপশন ডেস্কে গেল না। সামনে দিয়ে ‘কাট্টি’ মেরে সোজা রিয়ার এক্সিটে চলে এল। দরজা দিয়ে বেরোলেই সামনে হোটেলের কার পার্ক। মিনিট পাঁচেক অপেক্ষা করতে হলো সেমিয়াভকে। কেউ নেই ধারে কাছে।

    ধীরগতিতে কাছে এসে দাঁড়াল একটা ফ্যামিলি সেলুন। জানালার কাঁচ নামিয়ে প্রশ্ন করল ওটার চালক, ‘এয়ারপোর্টের বাস কি এখানেই যাত্রী নামায়?’

    ‘না। সামনেই নামিয়েছে,’ বলল কর্ণেল।

    কোত্থেকে এসেছেন আপনি?’

    ‘ফিনল্যাণ্ড।’

    ‘আই সী! ওখানে নিশ্চয়ই খুব ঠাণ্ডা এখন?’

    ‘নাহ্! খুব গরম। ওটা আসলে সমস্যা নয়, সমস্যা হচ্ছে মশা।’

    মাথা ঝাঁকাল তাতায়েভ। সামনে দিয়ে ঘুরে ওপাশের প্যাসেঞ্জার সীটে উঠে বসল এঞ্জিনিয়ার। গাড়ি ছাড়ল মেজর। বিনা বাক্য ব্যয়ে বড় রাস্তায় উঠে এল। মাইলখানেক এগিয়ে প্রশ্ন করল তাতায়েভ, ‘আপনার নাম?’

    ‘সেমিয়ানভ।’

    ‘ওতেই চলবে, আর কিছু দরকার নেই। আমি ফ্ল্যানারি। মার্টিন ফ্ল্যানারি।’

    ‘বেশি দূরে যেতে হবে আমাদের?’

    ‘দুই ঘণ্টার পথ।’

    বাকি পথ দু’জনের কোন কথা হলো না। তিন জায়গায় তিনটে বেসিক ট্রিক খাটাল তাতায়েভ পিছনে কেউ লেগেছে কি না বোঝার জন্যে। কিন্তু না, লাগেনি। চেরিহে’জ ক্লোজে যখন পৌঁছল ওরা, দিনের আলো তখন সামান্যই বাকি। সামনের বাসার ভাড়াটে ডানকান রস তার বাগানের পরিচর্যা করছিল, ফ্ল্যানারির সঙ্গে নতুন একজনকে দেখে এগিয়ে এল সে।

    ‘হেড অফিস,’ তার উদ্দেশে চোখ টিপল তাতায়েভ। ‘মনে হচ্ছে প্রমোশনের ব্যাপার-স্যাপার।’

    হেসে শুভেচ্ছা জানাবার ভঙ্গিতে হাত নাড়ল সে।

    বাতি জ্বালার আগে ঘরের কার্টেন ভাল করে টেনে দিল ভ্যালেরি তাতায়েভ। কার্টেন না টেনে কখনোই বাতি জ্বালে না সে।

    ‘আগে কাজের কথা হোক,’ বলল কর্ণেল।

    মাথা দোলাল মেজর, ‘হোক।’

    ‘চালান সবগুলো হাতে পেয়েছেন আপনি?’

    ‘পেয়েছি।’

    ‘নয়টা?’

    ‘নয়টা।’

    ‘লেট’স কনফার্ম। বাচ্চাদের খেলার বল একটা। ওজন কিলোগ্রাম।’

    ‘চেক।’

    ‘এক জোড়া জুতো, এক বাক্স চুরুট, একটা প্লাস্টার কাস্ট।’

    ‘চেক্‌।’

    ‘একটা পোর্টেবল্ ট্র্যানজিস্টর সেট, একটা ইলেক্ট্রিক শেভার। ‘চেক।’

    ‘একটা দেড় ফুট লম্বা স্টীল টিউব, একটা ছোট ফায়ার এক্সটিঙগুইশার। দুটোই অস্বাভাবিক ভারি।’

    ‘চেক।’

    ‘এক জোড়া হেড ল্যাম্প বাউল, খুব ভারি।’

    ‘চেক্‌।’

    ‘ঠিকই আছে তাহলে। অন্য সব টুকটাক কেনাকাটা যদি সারা হয়ে থাকে, তাহলে কাল সকালে হাত দেব কাজে।’

    ‘এখনই নয় কেন?’

    ‘ইয়ংম্যান, কাঠ কাটা, ড্রিল করা, এসবে শব্দ হয়। আরও এখন রাত। তাছাড়া আমি ক্লান্ত। যে কাজ করতে যাচ্ছি তাতে সামান্যতম ভুল হলেই সর্বনাশ। তাই এখন নয়। কাল সন্ধে নাগাদ সেরে ফেলতে পারব কাজটা, আশা করি।’

    মাথা দোলাল মেজর।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭১ : নরকের শহর
    Next Article মাসুদ রানা ৪৭০ – কালবেলা

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }