Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা – ২১৭ ও ২১৮ – অন্ধ শিকারী (দুইখণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প333 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অন্ধ শিকারী – ২.১০

    দশ

    সীটিং রূমেই কাজ করবে ঠিক করল সেমিয়ানভ। মেঝেয় বসে অবশ্যই।

    তাকে সাহায্য করার জন্যে বসে আছে তাতায়েড। ‘প্রথমে গারবেজ ব্যাগ চাই একটা,’ বলল সেমিয়ানভ। সঙ্গে সঙ্গে পালিত হলো নির্দেশ।

    ‘এবার আমি যেটা যেটা চাইব, এগিয়ে দিন এক এক করে,’ বলল সে। ‘প্রথমে চুরুটের বাক্স।

    ওটা হাতে নিয়ে সীল খুলল অ্যাসেম্বলার। ঢাকনা তুলল। ভেতরে পঁচিশটা চুরুট। নিচের সারিতে বারোটা, ওপরে তেরোটা। প্রতিটি আলাদা আলাদা অ্যালুমিনিয়ামের মুখ-বন্ধ টিউবে মোড়া। টিউব কেটে বের করতে হয় ওগুলো। ‘নিচের সারির বাঁ দিক থেকে তৃতীয়টা,’ নিজের মনে বলল সে।

    ওটা বের করে ব্লেড দিয়ে কেসিঙটা কেটে ফেলল সেমিয়ানভ। তারপর আলতো এক পোচে চুরুটের এ মাথা ও মাথা কেটে তামাকের ভেতর থেকে বের করে আনল ইঞ্চি দুয়েক লম্বা, সরু কাঁচের শিশি। ওর এক মাথা কোঁচকানো। ভেতর থেকে দুটো প্যাঁচানো, শক্ত তার বেরিয়ে আছে। ‘ইলেক্ট্রিক ডেটোনেটর,’ তাতায়েভকে শুনিয়ে উচ্চারণ করল বিজ্ঞানী। ওটা বাদে আর সব গারবেজ ব্যাগে ভরল সে।

    ‘প্লাস্টার কাস্ট।’

    ওটা তৈরি দুই স্তর প্লাস্টার দিয়ে। প্রথম স্তর শক্ত হওয়ার পর ওপরে আরও এক স্তর জোড়া হয়েছে। দুটোর ভেতর রয়েছে ছাই রঙের পাটির মত নরম কিছু একটার আরেক স্তর। প্লাস্টারের আঁঠার হাত থেকে বাঁচাবার জন্যে পলিথিনে মুড়ে মাঝে স্থাপন করা হয়েছে জিনিসটা। প্লাস্টার অভ প্যারিসের দুটো স্তর আলাদা করল সেমিয়াভ। পলিথিন প্যাকেটটা বের করে ওটা থেকে খসিয়ে নিল নরম জিনিসটা। তারপর জিনিসটা দলা করে মুঠোয় পুরে চেপে চেপে বল বানাতে বানাতে বলল, ‘হাফ পাউণ্ড প্লাস্টিক এক্সপ্লোসিভ।’

    পুরো প্লাস্টার স্থান পেল গারবেজ ব্যাগে।

    ‘এবার জুতোজোড়া।’

    দুটোরই হিল বিচ্ছিন্ন করে ফেলল সেমিয়ানভ। একটায় পাওয়া গেল দুই ইঞ্চি ডায়া, এক ইঞ্চি পুরু একটা স্টীল ডিস্ক। ওটার রিম প্যাঁচ কাটা। সমতল পিঠের একদিকে এ মাথা ও মাথা গভীর খাঁজ। চওড়া মাথায় স্ক্রু- ড্রাইভার ধারণ করার জন্যে কাটা হয়েছে খাঁজটা। অন্যটার ভেতর আছে আরেক গ্রে-মেটাল ডিস্ক। এটাও দুই ইঞ্চি ডায়ার।

    ‘লিথিয়াম,’ পরেরটা দেখিয়ে ঘোষণা করল বিজ্ঞানী। ‘ইনিশিয়েটর। অ্যাটমিক পাওয়ারকে ফুল ফোর্সে বিস্ফোরিত হতে সহায়তা করবে।’ জুতো এবং হিলের অবশিষ্টাংশ ফেলে দিল সে ব্যাগে।

    ‘শেভার।’

    ওর ভেতর থেকে বেরোল বিকল্প পোলোনিয়াম ডিস্কটি। গ্লাসগোয় ডেকহ্যাণ্ড পাভলভ এরই পয়লা চালানটি খুইয়েছিল। এটার ব্যাপারে রানিং কমেন্ট্রি দিতে ভুলে গেল বিজ্ঞানী। এরপর হিট রেজিসট্যান্ট প্যাড খুলে ভেতর থেকে দেড় ফুট লম্বা, বিশ কেজি ওজনের স্টীল টিউবটা বের করার কাজে লেগে গেল।

    চার ইঞ্চি ডায়ামিটারের একটা টিউব ওটা। হার্ডেনড্ স্টীলের তৈরি, এক মাথা খোলা টিউব। ভেতরে দুই ইঞ্চি ফাঁকা, এক ইঞ্চি পুরু স্টীলের তৈরি জিনিসটা। টিউবের উন্মুক্ত মাথার ভেতরদিকটা প্যাঁচ কাটা। অন্য প্রান্তে স্টীলের সংযুক্ত ক্যাপ পরানো, ঠিক মাঝখানে ছোট একটা ফুটো আছে ক্যাপটার। কাজে গভীরভাবে মনোনিবেশ করার ফলে কথা বন্ধ হয়ে গেছে সেমিয়ানভের। নীরবে হাত চলছে তার। তাতায়েভ হাঁ করে দেখছে লোকটার কাজ।

    ফার্স্ট অফিসার ভলকভের পোর্টেবল থেকে বের হলো টাইমার ডিভাইস। আকার দুটো ফাইভ-ফাইভ সিগারেটের প্যাকেট লম্বালম্বিভাবে জুড়লে যতটা দীর্ঘ হয়, ততটা। পাশেও তেমনি। দুই সমতল মাথার একদিকে আছে দুটো সুইচ। একটা হলুদ, অন্যটা লাল। আরেক মাথা দিয়ে বেরিয়ে আছে দুটো রঙিন তার; নেগেটিভ, পজিটিভ। ওটার চার কোণে চারটে ফুটো। যে স্টীল কেবিনেটে রাখা হবে তৈরি বোমা, ওটার দরজার সঙ্গে স্ক্রু দিয়ে জুড়ে দেয়ার সুবিধের জন্যে।

    এবার ফায়ার এক্সটিংগুইশার। ওর তলাটা কাটা, প্যাঁচ কষেলাগানো। কাজটা এত নিখুঁতভাবে সারা হয়েছে যে চোখেই পড়েনি কাস্টমসের। ওটাই স্বাভাবিক, কারণ কাটা মুখ যাতে সহজে চোখে না পড়ে সে জন্যে নতুন করে পুরু রঙের প্রলেপ দেয়া হয়েছিল পুরো জিনিসটায়। ভেতরে হাত ঢুকিয়ে মোটা প্যাড বের করল সেমিয়ানভ। প্যাডের ভেতর রয়েছে সীসার মত দেখতে একটা ধাতব রড। পাঁচ ইঞ্চি লম্বা, দুই ইঞ্চি ডায়া। ওজন সাড়ে চার কেজি। ওটা স্পর্শ করার আগে হেভি ডিউটি ইণ্ডাস্ট্রিয়াল গ্লাভস পরে নিল বোমা বিশেষজ্ঞ। কারণ ওটা খাঁটি ইউরেনিয়াম টু থার্টি ফাইভ।

    ‘জিনিসটা রেডিওঅ্যাকটিভ, তাই না?’ প্রশ্ন করল মোহাচ্ছন্ন তাতায়েড।

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘ডেঞ্জারাস?’

    ‘ততটা নয়। সবাই ভাবে রেডিওঅ্যাকটিভ মানেই বুঝি বিপজ্জনক, আসলে তা নয়। লিউমিনাস হাতঘড়িও রেডিওঅ্যাকটিভ, কিন্তু আমরা তা হাতে পরি। ইউরেনিয়াম আসলে আলফা-এমিটার, লো-লেভেল। তেমন তেজস্ক্রিয় কিছু নয়। এটা বিপদজনক হয়ে উঠবে তখনই, যখন বোমাটা ফাটবে।’

    •

    এবার হেডল্যাম্প বাউল দুটো মুক্ত করল সে ইউনিট থেকে। দুটো অর্ধবৃত্ত, এক ইঞ্চি পুরু হার্ডেও স্টীলে তৈরি বাউল। দুটোরই প্রান্ত বাইরের দিকে সামান্য ভাঁজ করা, ষোলোটা করে ছিদ্র আছে তাতে পরস্পরের সঙ্গে নাট-বোল্ট দিয়ে যুক্ত করার জন্যে। দুটো এক হলে নিখুঁত একটা গ্লোব তৈরি হবে।

    একটা বাউলের পিছনদিকে, ঠিক মধ্যিখানে দুই ইঞ্চি ডায়ার ছিদ্র আছে, ভেতরটা প্যাচ কাটা। প্রথম জুতোর হিল থেকে বের হওয়া খাঁজ কাটা স্টীল ডিস্কটা সময়মত নিখুঁতভাবে ফিট্ হবে ওই ছিদ্রে। অন্য বাউলের একই জায়গায় দুই ইঞ্চি ডায়ার খাটো একটা রড ঠেলে বেরিয়ে আছে। ‘রডটা প্যাচ কাটা, যাতে হ্যানোমাগ জাগারনাটে করে বয়ে আনা দেড় ফুটি পাইপটার প্যাঁচ কাটা প্রান্তে জুড়ে দেয়া যায় ওটা পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে।

    সবশেষের আইটেমটি জার্মান ক্যাম্পার ভ্যান মালিকের ছেলেমেয়ের খেলার বল। ওপরের রঙচঙে রাবারের খোলটা কেটে ফেলল সেমিয়ানভ। ভেতর থেকে বেরিয়ে পড়ল আরেকটা ধাতব বল, ব্রিশ কেজি ওজনের। এটাও ইউরেনিয়াম টু থার্টি ফাইভ। আবার রানিং কমেন্ট্রি দেয়ার কথা খেয়াল হলো বিজ্ঞানীর। ‘এটা ইউরেনিয়ামের একটা বল, ওপরটা পাতলা সীসা দিয়ে মোড়া।’

    সবগুলো কমপোনেন্টের ওপর নজর বুলিয়ে সন্তুষ্ট হলো নিউক্লিয়ার সাইনটিস্ট। এবার স্টীলের ফাইলিং কেবিনেট নিয়ে পড়ল সে। ওটাকে মেঝের ওপর শুইয়ে দরজা হাট করে খুলে রাখল। তারপর খুদে কড়িকাঠ ও ব্যাটন দিয়ে ওটার ভেতরে একটা ইনার ফ্রেম তৈরি করল। ফ্রেমটা মুড়ে দিল সে পুরু শক্-অ্যাবজরবেন্ট ফোম রাবার দিয়ে।

    ‘দু’পাশে এবং ওপরেও ফোম জুড়বার ব্যবস্থা করতে হবে পরে, ‘ ব্যাখ্যা করল সেমিয়ানভ। বোমা ভেতরে সেট করার পর।’

    ব্যাটারি চারটে পাশাপাশি সাজিয়ে একটার সঙ্গে অন্যটার টার্মিনাল পেঁচিয়ে লাগাতে আরম্ভ করল এবার লোকটা। তারপর মাস্কিং টেপ দিয়ে সবগুলো ব্যাটারি গায়ে গায়ে লাগিয়ে শক্ত করে আটকে দিল যাতে একটা অন্যটা থেকে আলাদা হতে না পারে। ড্রিল মেশিন দিয়ে কেবিনেটের দরজায় চারটে ছিদ্র করল সে। তারপর দরজার ভেতরদিকে ব্যাটারি ব্লকটা ঠেকিয়ে ফুটোর মধ্যে দিয়ে তার কয়েকবার করে পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে জুড়ে দিল ওটা দরজার সঙ্গে। তখন মাঝ দুপুর।

    ‘নিউক্লিয়ার বোমা দেখেছেন কখনও?’ প্রশ্ন করল সেমিয়ানভ।

    ‘না,’ ফ্যাসফেঁসে শোনাল তাতায়েভের কণ্ঠ। আন-আর্মড কমব্যাটে সে একজন এক্সপার্ট। পিস্তল-ছুরি চালনাতেও ‘এ’ ক্লাস সার্টিফিকেট রয়েছে তার। কিন্তু এই মাঠে একেবারেই আনাড়ি। একটা ছোটখাট শহর উড়িয়ে দেয়ার ক্ষমতা রাখে যে জিনিসগুলো, তা নিয়ে সেমিয়ানভ ঠাণ্ডা মাথায় যে-সব কাণ্ড করছে, দেখে গলা শুকিয়ে এসেছে তার।

    ‘এক সময় ছিল, যখন এ কাজ ছিল খুবই কঠিন। খুব অল্প শক্তির নিউক্লিয়ার বোমাও আকারে বিশাল হত। ল্যাবরেটরির সাহায্য ছাড়া তৈরি করার কথা ভাবাও যেত না। কিন্তু সে দিন আর নেই। একটা বেসিক অ্যাটমিক বোমা আজকাল একটা ওয়ার্কবেঞ্চের ওপর বসেও তৈরি করা সম্ভব। প্রয়োজনীয় কমপোনেন্ট, একটু সতর্কতা, আর নোহাউ, এই তিনটে হলেই হলো।’

    ‘তাই তো দেখছি,’ ঢোক গিলল তাতায়েভ।

    ইউরেনিয়াম বলের ওপরকার পাতলা সীসার আবরণ কেটে ফেলল সেমিয়ানভ। আসল জিনিসের ওপর চোখ বোলাল। বলটা পাঁচ ইঞ্চি ডায়ার। ঠিক মধ্যিখানে দুই ইঞ্চি ডায়ার এক ফুটো, এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্ত পর্যন্ত। একদিকে চার-পাঁচটা হালকা গর্ত আছে বলটার গায়ে।

    ‘এর কি কাজ জানতে চান?

    ‘হ্যাঁ।’

    বোমার সুইচ অন করা হলে এটা ফিজ করতে আরম্ভ করে। কোল্ড ড্রিঙ্কস্ বা শ্যাম্পেন গ্লাসে ঢালার পর যেমন মৃদু হিস্ হিস্ আওয়াজ ওঠে, ব্যাপারটা ঠিক তেমনি। আপনাকে বোঝাবার জন্যে বলছি, শব্দ কিন্তু আসলে হয় না। ফিজ করে ঠিকই, তবে সেটা রেডিওঅ্যাকটিভ টার্মে। ওই ফিজ গিয়ে আঘাত করে ডেটোনেটরে,’ মেজরকে ঠোঁট চাটতে দেখে দ্রুত যোগ করল সেমিয়ানভ, ‘না, এখনই তেমন কিছু ঘটতে যাচ্ছে না। পুরোটা তৈরি না হওয়া পর্যন্ত ভয়ের কিছু নেই।

    ‘গ্রেট।’

    ‘এই যে এটা,’ ফায়ার এক্সটিংগুইশার থেকে বের করা পাঁচ ইঞ্চি লম্বা রডটা তুলে নিল বিজ্ঞানী। ‘বলের এই ফুটো দিয়ে যখন ঢুকিয়ে দেয়া হবে এই রড, তখন ক্রিটিক্যাল পর্যায়ে পৌঁছবে জিনিসটা। ওই যে দেড় ফুট লম্বা টিউব, বন্দুকের নলের মত, ওর ভেতর দিয়ে বুলেটের বেগে ছুটবে এই রডটা। যখন….

    ‘বুম!’ সমঝদারের মত মাথা দোলাল ভ্যালেরি তাতায়েভ।

    ঠোঁট মুড়ে হাসল সেমিয়ানভ। ‘নট কোয়াইট। বুম হবে, তবে যখন ইনিশিয়েটর সেট করা থাকবে তখন। ওই যে লিথিয়াম আ র পলোনিয়ামের দুই ডিস্ক, ও দুটোই হলো সেই জিনিস। দুটো আলাদা আলাদা যতক্ষণ আছে, চিন্তা নেই। কিন্তু এক হলেই বদ কম্মটি ঘটিয়ে বসবে। রিঅ্যাকশন ঘটতে শুরু করবে। ঝড়ের বেগে নিউট্রন ছড়াতে শুরু করবে ওরা। এবং এই ইউরেনিয়াম বল ও টিউব অবিশ্বাস্য শক্তিতে ছিন্নভিন্ন করে ফেলবে নিজেদের। অ্যাণ্ড দ্যাট উইল টেক ওয়ান হান্ড্রেড মিলিয়নথ্ অভ আ সেকেণ্ড।

    ‘বুঝলাম না। আরেকটু ভাল করে বুঝিয়ে দিন।’

    ‘বেশ।’ মুখ দেখে মনে হলো ওস্তাদি দেখাবার সুযোগ পেয়ে খুশিই হয়েছে নিউক্লিয়ার সাইনটিস্ট। ‘দেখতে থাকুন।’

    পলোনিয়াম ডিস্কটার এক পিঠে এক ফোঁটা সুপারগ্লু লাগাল বিজ্ঞানী, তারপর জুতোর হিল থেকে সংগৃহীত খাঁজ কাটা স্টীল ডিস্কের সঙ্গে জুড়ে দিল ওটা। পরস্পরের সঙ্গে জোড়া লেগে গেল ডিস্ক দুটো। এবার পলোনিয়াম চাকতিটা ভেতর দিকে রেখে দুই হেড ল্যাম্প বাউলের মধ্যে যেটার প্যাচ কাটা ফুটো আছে পিছনে, সেটার সঙ্গে স্ক্রু-ড্রাইভার দিয়ে টাইট করে লাগিয়ে দিল সে স্টীল ডিস্ক। এরপর বাউলটা চিত করে ইউরেনিয়াম বলটা রাখল তার পেটের ভেতর। পরস্পরের সঙ্গে লেগে থাকল পলোনিয়াম ও ইউরেনিয়াম।

    বাউলের ভেতরে চার-পাঁচটা খুদে ঢিপিমত আছে। বলের গর্তগুলোর মধ্যে ঢুকে গেল ঢিপিগুলো নিখুঁতভাবে। একচুলও নড়ছে না এখন বল। পেন্সিল টর্চ জ্বেলে বলের ছিদ্র দিয়ে তলার দিকটা দেখল বিজ্ঞানী। বলের দুই ইঞ্চি ডায়া ছিদ্রের সঙ্গে তলায় বসানো দুই ইঞ্চি ডায়ার পলোনিয়াম ডিস্কটা একদম মুখে মুখে সেট হয়েছে।

    এবার অন্য বাউলটা তার ওপর উপুড় করে বসাল সেমিয়ানভ। একটা গোলকের আকার পেয়েছে এখন বাউলজোড়া। ষোলোটা নাট-বোল্ট জুড়ে বাউল দুটো যুক্ত করল সে। অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে কাজটা সারতে হলো তাকে। সময় ব্যয় হলো পুরো এক ঘণ্টা।

    ‘এইবার বন্দুক,’ মন্তব্য করল বিজ্ঞানী।

    দেড় ফুটি টিউবটা তুলে নিল সে। দলা পাকানো আধ পাউণ্ড প্লাস্টিক এক্সপ্লোসিভ ঢুকিয়ে দিল ভেতরে খোলা মুখ দিয়ে। কিচেন থেকে লম্বা হাতলওয়ালা একটা ঝাড়ু আনাল সে তাতায়েভকে দিয়ে, ওটার হাতল দিয়ে তলার দিকে যতটা যায়, চেপে চেপে, ঠেসে ঢোকানো হলো বলটা। তারপর টর্চ জ্বেলে ভেতরটা দেখল আবার সেমিয়ানভ। মাথা দোলাল, সন্তুষ্ট হয়ে।

    এবার সুপারগ্লুর সাহায্যে পাঁচ ইঞ্চি ইউরেনিয়াম রডের এক মাথায় দ্বিতীয় জুতো থেকে পাওয়া লিথিয়াম ডিস্কটি সাঁটিয়ে দিল সে শক্ত করে। শক্ অ্যাবজরবিঙ টিস্যু দিয়ে খুব ভাল করে মুড়ে নিল ও দুটো, তারপর ডিস্ক নিচের দিকে রেখে রডটা সেঁধিয়ে দিল টিউবে, ঝাড়ুর হাতল দিয়ে ঠেসে তলায় বসানো প্লাস্টিকের সঙ্গে ঠেকিয়ে দিল লিথিয়াম ডিস্ক। টিস্যু দিয়ে মোড়া হলো যাতে ভাইব্রেশনের ফলে পিছলে সামনে চলে আসতে না পারে ওটা। সংযোগটা মজবুত করার জন্যে আরও খানিক চাপাচাপি করা হলো জিনিসটা হাতল দিয়ে। একসময় সন্তুষ্ট হলো বিজ্ঞানী, দৃঢ়ভাবে যুক্ত হয়েছে ও দুটো।

    এবার যে বাউলটির পিছনদিকটায় প্যাঁচ কাটা দুই ইঞ্চি রডমত আছে, টিউবের উন্মুক্ত প্রান্তের ভেতরের থ্রেডের সঙ্গে যতদূর সম্ভব শক্ত করে আটকে দেয়া হলো সেদিকটা পেঁচিয়ে পেঁচিয়ে। জিনিসটা দেখতে হলো একটা ব্যাটনের মাথায় সাত ইঞ্চি ব্যাসের একটা বল বসিয়ে প্রস্তুত অর্থহীন কিছু একটার মত। বা বড় আকারের স্টিক গ্রেনেডের মত।

    ‘হয়ে এসেছে প্রায়,’ বলল সেমিয়ানভ। ‘বাকিটুকু সেরে নিয়ে বলছি।’ সরু শিশির মত দেখতে কাঁচের ডেটোনেটরটা তুলে নিল সে এবার। এক মাথা দিয়ে বেরিয়ে থাকা রঙিন তার দুটো নিরাপত্তার খাতিরে টেনে সরিয়ে দিল দু’দিকে। ফাইভ এএমপি ফ্লেক্সের রোল থেকে এক ফুট আকারের দুটো খণ্ড বের করে কালার কোড অনুযায়ী ডেটোনেটরের দুই তারের সঙ্গে ওগুলোর এক প্রান্ত করে জুড়ে দিল সে। জোড়া দুটো মাস্কিং টেপ দিয়ে খুব যত্নের সঙ্গে মুড়ে ফেলল সেমিয়ানভ।

    বেখেয়ালে কাজের সময় যদি একটা অন্যটার ছোঁয়া পায়, প্রিম্যাচিওর ডেটোনেশন ঘটে যাওয়ার আশঙ্কা আছে। এবার টিউবের সীলড তলার মাঝখানে যে ছোট ছিদ্র, ওটা দিয়ে ডেটোনেটরের কোঁচকানো, সুচোল মাথাটা আলতো করে ঢুকিয়ে দিল বিজ্ঞানী। বুড়ো আঙুলের ডগা দিয়ে মৃদু মৃদু চাপ দিতে প্লাস্টিক এক্সপ্লোসিভের ভেতরে ঢুকে গেল ওর প্রান্ত। পরখ করে দেখল সেমিয়ানভ, ঠিকমতই বিঁধেছে। নড়াচড়া করছে না।

    আস্ত বোমাটা আলগোছে কেবিনেটের ভেতরে প্যাডের বিছানায় শুইয়ে দিল এবার লোকটা। আরও এক ফুট ফ্লেক্স কাটল সে কয়েল থেকে। ওটার এক মাথা ব্যাটারি ব্লকের পজিটিভ টার্মিন্যালের সঙ্গে আটকে টেপ পেঁচিয়ে দিল। অন্য মাথা পড়ে থাকল পাশে, পরে কাজে লাগবে। ডেটোনেটরের দুই তার দু’হাতে তুলে তাতায়েভের দিকে তাকাল নিউক্লিয়ার সাইনটিস্ট। দাড়ির ফাঁকে মধুর হাসি। ‘এখন,’ বলল সে, ‘যদি এই দুটি তার ওপরের আবরণ কেটে ফেলার পর কোনমতে এক হয়, দ্যাট উইল স্পেল ব্যাড নিউজ। এই যে ডেটোনেটর, এটা অ্যাকটিভেট হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ভেতরের প্লাস্টিক এক্সপ্লোসিভটুকু ভীষণ উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। এই উত্তাপ প্রথমে লিথিয়ামকে এবং লিথিয়াম ইউরেনিয়াম রডটিকে ওপরদিকে সজোরে ঠেলে দেবে। ফিজ শুরু হয়ে যাবে তার আগেই।

    ‘এই দুই শক্তি টিউবের গা ঘেঁষে বিদ্যুৎবেগে ছুটে এসে টিউবের মাথার ফুটো গলে ঢুকে পড়বে এই বলের ভেতর, এবং প্রচণ্ড শক্তিতে নিজেদের একসঙ্গে বিস্ফোরিত করবে ওরা সবাই। দ্যাট’স ইট।’

    টাইমার ডিভাইসে হাত লাগায়নি এখনও সেমিয়াভ। পাশেই সঙ্গীহীন পড়ে আছে ওটা। হাই-স্পীড ড্রিল মেশিনের সাহায্যে ফাইলিং কেবিনেটের দরজায় আরও পাঁচটা ফুটো করল সে। চার কোণে চারটে, মাঝখানে একটা। ডেটোনেটরের সঙ্গে লাগানো ফ্লেক্সের একটা ব্যাটারি ব্লকের নেগেটিভ টার্মিন্যালে জুড়ল এবার বিজ্ঞানী। তারপর পজিটিভ টার্মিন্যালে আগেই লাগানো ফ্লেক্সের এক মাথা এবং ডেটোনেটরের অন্য ফ্লেক্সটির মাথা মাঝখানের ফুটোটা গলিয়ে দরজার বাইরে নিয়ে এল।

    এরপর ঝাঁকি বা দুলুনিতে বোমা যাতে নড়াচড়া করতে না পারে, সেজন্যে ওটার চারদিকে আচ্ছা করে ফোম ইনসুলিশন চাপাল সেমিয়ানভ, একেবারে ভরে ফেলল খুদে কেবিনেট। টাইমার ডিভাইসটা চার ফুটোয় চারটে স্ক্রু বসিয়ে ফিট্ করল সে আস্তে ধীরে। ভাল করে কষে প্যাচ এঁটে দিল। টেনেটুনে দেখল বেশ মজবুত হয়েছে সংযোগটা। এবার কালার কোড মিলিয়ে টাইমারের সঙ্গে ফ্লেক্স দুটো জুড়ে দিল লোকটা। তাতায়েভের নিঃশ্বাস আটকে যাওয়ার শব্দে হেসে অভয় দিয়ে বলল সে, ‘ভয়ের কিচ্ছু নেই। এই টাইমার পাঠানোর আগে বহুবার চেক্ করে দেখা হয়েছে। কাটআউট বা সার্কিট-ব্রেকারে কোন খুঁত নেই এর।’

    টাইমার-ফ্লেক্সের সংযোগ প্রচুর টেপ খরচ করে জোড়া লাগাল বিজ্ঞানী। কেবিনেটের দরজা বন্ধ করে তালা লাগাল। এবং সবশেষে চাবিটা শূন্যে ছুঁড়ে দিল টোকা মেরে। ‘হিয়ার ইট ইজ, ক্যাচ!’

    ফোঁস করে চেপে রাখা দম ছাড়ল ভ্যালেরি তাতাঁয়েভ। লুফে নিল চাবিটা, চালান করে দিল ট্রাউজারের পকেটে।

    ‘সো, কমরেড ফ্ল্যানারি, আমার কর্তব্য শেষ। ট্রলিতে বসিয়ে কেবিনেটটা যেখানে খুশি নিয়ে যেতে পারেন, বোমার কোন ক্ষতি হবে না তাতে। চাইলে গাড়িতে উঠিয়ে লম্বা একটা ড্রাইভ দিয়েও আসতে পারেন, তাতেও কিছু আসবে যাবে না। আর এই যে,’ টাইমারের হলুদ সুইচটা দেখাল সেমিয়ানভ। ‘এটা পুশ করলে শুরু হয়ে যাবে কাজ। তবে ইলেকট্রিক সার্কিট পুরো হতে দু’ঘণ্টা লাগবে এটার ক্ষেত্রে। কারণ সে ভাবেই সেট করা হয়েছে ডিভাইস। আপনার জন্যে। এই সময়ের মধ্যে যাতে নিরাপদ দূরত্বে সরে যেতে পারেন আপনি, সেই জন্যে। ঠিক দু’ঘণ্টা পর ফাটরে বোমা।

    ‘আর লালটা ম্যানুয়াল ওভাররাইড। তাৎক্ষণিক বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্যে।’

    নিউক্লিয়ার সাইন্টিস্টের জানা নেই যে কথাটা আদৌ সত্যি নয়। তাকে যা বলা হয়েছে, তাই সে বলে গেছে। আসলে হলুদে আর লালে কোন তফাৎ নেই, দুটোই ম্যানুয়াল ওভাররাইড—সেট করা হয়েছে তাৎক্ষণিক বিস্ফোরণের জন্যে।

    আঁধার হয়ে গেছে বাইরে। আলো জ্বেলে দিল তাতায়েভ। অপ্রয়োজনীয় সবকিছু গারবেজ ব্যাগে ভরে ফেলেছে ততক্ষণে বিজ্ঞানী ‘এবার পেটে কিছু না দিলেই নয়, কমরেড,’ বলল সে। ‘সঙ্গে দু’চার পেগ হুইস্কি হলে ভাল হয়। তারপর লম্বা ঘুম দিয়ে সকালে ফিরতি পথ ধরতে চাই।’

    ‘নিশ্চই নিশ্চই।’

    পরদিন সকালে সেমিয়ানভকে নিয়ে হিথ্রো রওনা হলো ভ্যালেরি তাতায়েভ। কলচেস্টারের দক্ষিণ পশ্চিমের এক ঘন বন অতিক্রম করার সময় পথের পাশে সেলুন দাঁড় করাল মেজর। তলপেটের ভার মুক্ত না করে পারা যাচ্ছে না। বনের ভেতর ঢুকল সে কাজ সারতে। কয়েক মুহূর্ত পর তার চাপা কণ্ঠের আর্ত চিৎকারে চমকে উঠল সেমিয়ানভ, গাড়ি থেকে নেমেই তীরবেগে ছুটল আওয়াজ লক্ষ্য করে।

    মৃত্যুর আগ মুহূর্তে বুঝল বোকা বিজ্ঞানী, কি ভুল সে করেছে। ঘাড়ের ওপর কারাতের ভয়ঙ্কর এক কোপ খেয়ে হুড়মুড় করে আছড়ে পড়ল লোকটা। মৃত্যু হয়েছে তার দেহ মাটি স্পর্শ করার আগেই। মৃতদেহটা টেনে খানিকটা গভীরে নিয়ে গেল তাতায়েভ। খুলে ফেলল পরনের কাপড়- চোপড়। একটা গর্তে ফেলে ডালপালা দিয়ে লাশটা ঢেকে ফেলল সে।

    এমনিতে জানাজানির চান্স নেই। তবে পচে গন্ধ ছড়ালে খোঁজ পড়বে। তাতে চার-পাঁচদিন, এমনকি পুরো এক সপ্তাহও লেগে যেতে পারে। তারপর পুলিস এনকোয়ারি হবে নিশ্চয়ই, হয়তো স্থানীয় পত্র- পত্রিকায় সেমিয়ানভের ছবিও ছাপা হবে। ফোলা মুখের সে চেহারা মনে হয় না চিনতে পারবে তাতায়েভের প্রতিবেশি ডানকান রস।

    আর চিনতে পারলেই বা কি? সে তো তার অনেক আগেই হাওয়া হয়ে যাবে। ভাবতে ভাবতে আরও কয়েকটা ডাল ভেঙে এনে ফেলল সে স্তূপের ওপর। তারপর বিজ্ঞানীর শার্ট-ট্রাউজার ইত্যাদি জ্যাকেটের পকেট থেকে একটা প্লাস্টিক ব্যাগ বের করে তাতে ভরল মেজর। ওগুলোয় লোকটার পরিচয় লেখা নেই বটে, তবে ল্যাবে নিয়ে পরীক্ষা করলেই বোঝা যাবে ওসব রাশিয়ায় তৈরি।

    বেন্টওয়াটার্সের ধারেকাছে তাই এ জিনিস সে আবিষ্কৃত হতে দিতে পারে না। সেলুন ঘুরিয়ে ইপসউইচ ফিরে যেতে যেতে ভাবল তাতায়েভ, গারবেজ ব্যাগের সঙ্গে এগুলোরও একটা বিহিত করতে হবে তাকে আজ রাতেই। বিজ্ঞানীকে হত্যা করতে হয়েছে বলে মনে বিন্দুমাত্র আফসোস নেই ভ্যালেরি তাতায়েভের! লোকটার বিহিত করার ব্যাপারে মস্কোর নির্দেশই কেবল সে পালন করেছে, অন্য সব নির্দেশের মত। লোকটা কি করে ভাবল যে দেশে ফিরে যেতে পারবে সে, মাথায় এল না মেজরের।

    অন্য সমস্যা নিয়ে ভাবতে আরম্ভ করল তাতায়েভ। এর মধ্যে রেনডলেসহ্যাম ফরেস্ট ঘুরে এসেছে সে দু’-দু’বার। স্পট ঠিক করে রেখে এসেছে। জায়গাটা বিমান ঘাঁটির পেরিমিটার ফেন্সের মাত্র একশো গজ তফাতে। ভোর চারটেয় ট্রলি নিয়ে পৌঁছবে সে জায়গামত, টেরটিও পাবে না কেউ। তারপর হলুদ বোতামটা টিপে দিয়ে বিজ্ঞানীর মতই তার কর্মটিকেও ভালমত ডালপালা দিয়ে আড়াল করে রেখে প্রাণপণে গাড়ি হাঁকাবে লণ্ডনের উদ্দেশে।

    এ সব জানা আছে কেজিবির তুখোড় ইললিগ্যালস ভ্যালেরি তাতায়েভের। কেবল জানা নেই কোন দিন বোমা ফাটাতে হবে। ওটা তাকে জেনে নিতে হবে। সব প্রস্তুত, কাজেই আজই তাকে স্কোয়ার্ট মেসেজ ট্র্যান্সমিট করতে হবে। তারপর প্রতিরাতে রেডিও মস্কো থেকে প্রচারিত ইংরেজি ভাষার অনুষ্ঠান, বিশেষ করে রাত দশটার খবরের প্রথম নিউজ আইটেমটা শুনতে হবে তাকে। খবর-পাঠকই জানাবে তাকে কবে কাজটা করতে হবে। প্রথম আইটেম পাঠ করার শুরুতেই ইচ্ছেকৃত একটা ভুল করবে সে। ওটাই তার সঙ্কেত। ওই রাতেই ঝামেলা শেষ করে ভাগবে মেজর প্রাণ নিয়ে। আজই শেষ স্কোয়ার্ট পাঠাবে সে। আর প্রয়োজন পড়বে না। তারপর পপলার ট্র্যান্সমিটারের স্লীপার পাহারাদারের ব্যবস্থা। সে ব্যাপারে ও পরিষ্কার নির্দেশ আছে মস্কোর। ভবিষ্যতে ওদের আর প্রয়োজন পড়বে না কোনদিনও। সন্ধের একটু পর চেরিহে’জ ক্লোজ ত্যাগ করল তাতায়েভ। থেটফোর্ডে পৌঁছল রাত ন’টার দিকে।

    সেলুন গ্যারেজে রেখে পরনের কাপড়ের ওপরই লেদার জ্যাকেট- ট্রাউজার পরল সে। তারওপর চাপাল রেইনকোট। পায়ে দিল জ্যাকবুট। সবশেষে ভাইজরড্ হেলমেট। বিএমডব্লিউ নিয়ে বেরিয়ে পড়ল সে। রওনা হলো উত্তর-পশ্চিমে, ব্রিটিশ মিডল্যাণ্ডের দিকে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭১ : নরকের শহর
    Next Article মাসুদ রানা ৪৭০ – কালবেলা

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }