Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা – ২১৭ ও ২১৮ – অন্ধ শিকারী (দুইখণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প333 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অন্ধ শিকারী – ২.১১

    এগারো

    রাত দশটা। খোলা জানালার সামনে বসে আছে মাসুদ রানা। তীর্থের কাকের মত তাকিয়ে রয়েছে সামনের অন্ধকার বাড়িটির দিকে। অন্য দুই জানালায় রয়েছে আরও চারজন। এ বেলা ব্রায়ান স্মিথ, গিলটি মিয়া ও পুলিসের দুই ওয়াচার নজর রাখছে দুই গ্রীকের ওপর। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে রানার দুশ্চিন্তা। চেক স্পাইটিকে ছেড়ে দিয়ে ভুল করেছে কি না, সবে ভাবতে শুরু করেছে রানা, এই সময় কমিউনিকেটরে গিলটি মিয়ার কণ্ঠ শোনা গেল।

    ‘স্যার, হারামী দুটোর ন্যাজ নড়তে শুরু করেচে বোদহায়।’

    বিদ্যুৎস্পৃষ্টের মত সিধে হলো মাসুদ রানা। অন্য সবাই একযোগে ঘাড় ঘুরিয়ে তাকাল এদিকে। ‘যমজ দু’ভাইয়ের কথা বলছ?’

    ‘ওই হলো,’ উত্তর দিল গিলটি মিয়া। ‘একই কতা।’

    ‘কি হয়েছে?’

    ‘আজব এক কাণ্ড, স্যার। একটু আগে ওদের টেলিফোনে দু’বার রিঙ বেজে থেমে গেচে। এক মিনিট পর ফের দু’বার বেজে ঠাণ্ডা মেরে গেচে। এইমাত্র আবারও ঘটেচে ব্যাপারটা। পর পর তিনবার।

    ‘ওরা কেউ ধরেছে টেলিফোন?’ উত্তেজনায় মৃদু কাঁপুনি উঠে রানার।

    ‘না, স্যার। সে চেষ্টাই করেনি কেউ…স্যার!’

    ‘কি হয়েছে, গিলটি মিয়া?’

    ‘স্যার, ওদের একটা বেরিয়ে আসচে পেচন দরজা দিয়ে। গাড়িতে গিয়ে উটেচে।’

    ‘তুমি ওখানেই থাকো,’ চাপা গলায় দ্রুত নির্দেশ দিল মাসুদ রানা। ‘স্মিথকে বলো অন্যদের নিয়ে ওকে ফলো করতে। লোকটা শহর করছে হয়তো।’

    কিন্তু না। পাঁচ মিনিট পরই সামনের রাস্তায় গাড়ির শব্দ শুনতে পেল মাসুদ রানা। অ্যানড্রিয়াস স্টেফানিডেস ফিরে এসেছে বাসায় অসময়ে। গাড়ি গ্যারেজে রেখে ঘরে ঢুকল সে। বন্ধ করে দিল দরজা। ভারি পর্দার ওপাশে আলোর আভাস টের পাওয়া গেল একটু পরই। তারপর সব চুপচাপ, কোন তৎপরতা নেই। কোথাও টেলিফোনও করছে না লোকটা।

    এগারোটা বিশে রেস্টুরেন্ট বন্ধ করে দিল স্পিরিডন। অস্বাভাবিক! মন্তব্য করল পুলিসের এক ওয়াচার। বারোটার আগে কোনদিন এমন হতে দেখেনি সে গত তিন বছরে। ওদেরকে ছড়িয়ে পড়ার নির্দেশ দিল মাসুদ রানা। পুলিসের দুটো আনমার্কড ভ্যানে আছে ওরা। ধীর গতিতে ওদেরকে এ রাস্তা ও রাস্তা ঘোরাঘুরি চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিল রানা।

    এগারোটা পঁয়তাল্লিশে পায়ে হেঁটে বাসায় ফিরে এল স্পিরিডন। তারপর আবার নীরবতা। আলো জ্বলছে এখনও ভেতরে।

    বারোটা বাজতে এক মিনিট বাকি থাকতে ঘড়মড় আওয়াজ উঠল মাসুদ রানার সেটে। ‘এক লোককে দেখতে পাচ্ছি, চীফ,’ বলল স্মিথ কণ্ঠে।

    ‘কোথায়?’

    ‘ক্রস স্ট্রীট আর কম্পটন স্ট্রীট জাংশনে।’

    ‘কি করছে?’

    ‘কিচুই না,’ উত্তর দিল গিলটি মিয়া। ‘অন্ধকারে স্রেফ ভেঁড়িয়ে আচে।’

    ‘নজর রাখো। এদিকেই আসবে ও।’

    ঘরের ভেতর কালিগোলা অন্ধকার। কার্টেন সরান। জানালার কিনারা থেকে সামান্য পিছিয়ে বসেছে ওরা সবাই। সুপার স্যাম রসটনের দেয়া ক্যামেরাটা গলায় ঝোলাল মাসুদ রানা। ইনফ্রা রেড লেন্সে চোখ রেখে বাইরে তাকাল। বিশ গজ দূরের একটা লাইট পোস্ট স্পষ্ট করে তুলল ফোকাসিং নব্ ঘুরিয়ে। যদি আসে লোকটা এদিকে, যদি নয়, আসবেই সে। এবং ওর নিচে দিয়েই আসবে। তখন ছবি তুলবে ও লোকটার।

    ‘পা বাড়িয়েছে! আপনার দিকেই যাচ্ছে, চীফ।’

    দম বন্ধ করে অপেক্ষা করছে মাসুদ রানা। ক্যামেরা দু’হাতে বুকের কাছে ধরা। গরম রক্তের নাচন শুরু হয়ে গেছে শিরায় শিরায়। নাক কান দিয়ে গরম ভাপ্ বেরচ্ছে।

    ‘লম্বা ছয় ফুটের ওপরে,’ বলল ব্রায়ান। ‘গাঢ় রেইনকোট পরা।

    এক মিনিট পর হঠাৎ করেই লাইট পোস্টের নিচে উদয় হল দীর্ঘ কাঠামোটা। মেশিনের মত পর পর পাঁচবার শাটার টিপল মাসুদ রানা। ফ্ল্যাশহীন ক্যামেরা নিঃশব্দে কাজ সারল তার। দৃঢ়, আত্মবিশ্বাসী পদক্ষেপে ঊনষাট নম্বর বাড়ির বন্ধ দরজার সামনে গিয়ে দাঁড়াল লোকটা।

    মৃদু নকের আওয়াজ উঠল। সঙ্গে সঙ্গে খুলে গেল দরজা। হলরুমটা অন্ধকার। দেখা গেল না কিছু। এক মুহূর্ত পরই আবার বন্ধ হয়ে গেল দরজা। ক্যামেরার ব্যাক কাভার খুলে দ্রুত ফিল্মটা বের করে আনল মাসুদ রানা। কি যেন একটা মনে পড়ব পড়ব করছে ওর, অথচ পড়ছে না। লোকটার কোথায় যেন কি এক অসামঞ্জস্য চোখে পড়েছে রানার। কি সেটা?

    বিএসএসের হ্যারি নিগেলের হাতে রোলটা তুলে দিল ও নীরবে। কিছু বলার প্রয়োজন হলো না। লোকটা জানে কি করতে হবে। ওটা নিয়ে স্থানীয় পুলিস ল্যাবে যাবে নিগেল। ছবি ডেভলপ করিয়ে ফিরে আসবে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব। পিছন দরজা দিয়ে বেরিয়ে গেল নিগেল দুই মিনিটের ভেতর।

    হঠাৎ করেই খেয়াল পড়ল রানার ব্যাপারটা। রেইনকোট! রেইনকোট কেন পরে ছিল সে? বৃষ্টির দেখা নেই, অথচ রেইনকোট! কেন? সঙ্গে নিয়ে আসা কিছু লুকিয়ে রাখার জন্যে? ‘লোকটার পরনে কি ছিল, স্মিথ?’

    ‘রেইনকোট, চীফ।’

    ‘আর?’

    ‘জ্যাকবুট।’

    চরকির মত ঘুরে দাঁড়াল মাসুদ রানা। বাকি চার জনের উদ্দেশে চাপা কণ্ঠে হুঙ্কার ছাড়ল, ‘বেরোও সবাই! লোকটা মোটর সাইকেল নিয়ে এসেছে। ধারেকাছেই কোথাও রেখে এসেছে ওটা। খুঁজে বের করো গিয়ে। গাড়ি নিয়ে নয়, পায়ে হেঁটে খোঁজো। ফাস্ট, ফাস্ট!’

    দুদ্দাড় করে ছুটল সবাই। কমিউনিকেটরের সাহায্যে একই নির্দেশ দিল রানা বাইরের সবাইকে। ‘পাওয়া গেলে ওটার রিয়ার মাডগার্ডে ডিএফ রীপার প্ল্যান্ট করতে হবে,’ স্মিথকে বলল ও। ‘মুভ! সব রাস্তা খুঁজে দেখো।’

    কতক্ষণ থাকবে লোকটা ও বাড়িতে? ভাবতে লাগল মাসুদ রানা, দশ মিনিট, বিশ মিনিট, এক ঘণ্টা? নাকি এখনই বেরিয়ে আসবে? ইয়াল্লা! আর অন্তত কিছুক্ষণ যেন থাকে লোকটা। হাতের কাছে নিচু একটা টেবিলে রাখা টেলিফোনের রিসিভার তুলে নিল মাসুদ রানা। এ বাড়ির প্রায় প্রতিটি রূমেই টেলিফোন প্লাগ আছে। বলতে হয়নি, প্রয়োজন হতে পারে ভেবে ব্যারি ব্যাংকস্ নিজেই একটা সেট জুড়ে দিয়ে গেছেন ওদের সুবিধের জন্যে।

    ঘুম ভাঙাল রানা পুলিস সুপারের। ঝড়ের বেগে কথা বলে গেল পাঁচ মিনিট। ‘ডোন্ট উত্তরি,’ ওর বক্তব্য শেষ হতে বললেন স্যাম রসটন। ‘আমি এখনই বেরচ্ছি।’

    বিশ মিনিট পর একজনের সাড়া পাওয়া গেল। লোকটা স্থানীয় পুলিসের ওয়াচার। ‘মোটর সাইকেলটা পাওয়া গেছে, স্যার। বড় একটা বিএমডব্লিউ। কুইন স্ট্রীটের শেষ মাথায়। এঞ্জিন, এগজস্ট পাইপ এখনও গরম।’

    ‘রেজিস্ট্রেশন নাম্বার?

    লিখে নিল রানা নম্বরটা। পুলিস স্টেশনে ফোন করে আবার সুপারকে ধরল ও। অনুরোধ করল যেন যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ওটার ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে রানাকে জানানো হয়। পনেরো মিনিট পর খবর এল, ওটা ডরচেস্টারের জনৈক কম্পিউটর এঞ্জিনিয়ার মিস্টার মার্টিন ফ্যানারির নামে রেজিস্টার্ড।

    আমার সন্দেহ ওটা হয় চুরি করা, নয়তো ফলস্ প্লেট। অথবা ব্লাইও অ্যাড্রেসও হতে পারে,’ বলল মাসুদ রানা। ‘আপনি ডরচেস্টার পুলিসের সঙ্গে কথা বলে ব্যাপারটা কনফার্ম করে আমাকে জানান, প্লীজ।’

    ফোন রেখে কমিউনিকেটর তুলে নিল মাসুদ রানা। বাইকটায় ব্লীপার প্ল্যান্ট করে পুলিসের ওয়াচার দু’জনকে ফিরে আসার নির্দেশ দিল। ওদের বাড়িটার ওপর নজর রাখার কাজে লাগিয়ে নিজে মাঠে নামতে চায়। ব্যারি ব্যাংকস্ দম্পতিকে কষ্ট স্বীকার করার জন্যে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বেরিয়ে পড়ল মাসুদ রানা।

    দশ মিনিটের মধ্যে প্রস্তুত হয়ে নিল ও। গিলটি মিয়া, ব্রায়ান স্মিথ ও হ্যারি নিগেলকে সঙ্গে নিয়েছে ও, অন্যরা আপাতত এখানেই থাকছে। পরে অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়া হবে। প্রথম গাড়িতে রানা ও গিলটি মিয়া, অন্যটায় বাকি দু’জন। কোথায় কোন্ জাহান্নামে যায় লোকটা, কে জানে! দুটো গাড়ি সঙ্গে রাখাই ভাল।

    সেন্ট মার্গারেট’স ড্রাইভে বসে আছে ওরা। অনেক দূরে, আবছাভাবে দেখা যাচ্ছে মার্টিন ফ্ল্যানারির মোটর সাইকেলটা। পাঁচ মিনিট, দশ মিনিট করে সময় পেরিয়ে যাচ্ছে, কোন খবর আসছে না পুলিস ওয়াচারদের তরফ থেকে। করে কি লোকটা বসে বসে? ভাবনাটা শেষ হয়নি রানার, এই সময় কথা বলে উঠল কমিউনিকেটর।

    ‘হি ইজ মুভিঙ!’

    ‘অল রাইট,’ বলল রানা। ‘স্টেশনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। সুপারকে ঠিক এক ঘণ্টা পর ইন করতে বলবেন ফিফটি নাইনে।’ ড্যাশবোর্ডের ওপর যন্ত্রটা রাখল ও। আরও পাঁচ মিনিট অপেক্ষার পর রেইনকোট পরা দীর্ঘ ছায়াটা উদয় হলো বিএমডব্লিউর পাশে। স্টার্ট নিল দৈত্যাকার বাইক। চলতে শুরু করবে এখনই।

    কোন ব্যস্ততা নেই রানার। সামনের প্যানেলে ফিট করা রীপার কনসোলের ওপর সেঁটে আছে দৃষ্টি। জিনিসটা খুদে রাডার স্ক্রীনের মত দেখতে। উজ্জ্বল একটা বিন্দু খানিক পর পর পর্দার এক মাথায় উদয় হচ্ছে, তারপর সোজা গিয়ে ও মাথা দিয়ে মিলিয়ে যাচ্ছে। প্ল্যান্টেড ব্লীপার মুভ করলেই ওটার আসা-যাওয়া বন্ধ হয়ে যাবে, পথ দেখাতে আরম্ভ করবে সে।

    আচমকা জার্ক করল বিন্দুটা, চলতে শুরু করেছে বিএমডব্লিউ। ‘এক মাইল এগিয়ে থাকার সুযোগ দিচ্ছি ওকে,’ দ্বিতীয় গাড়ির আরোহীদের জানাল মাসুদ রানা। ‘তারপর।’

    শহরের মধ্যে দিয়ে দক্ষিণ-পুব দিকে এগোচ্ছে বিন্দুটা। সময় মত গিয়ার দিল রানা, রওনা হয়ে গেল। শহর ছেড়ে এ-সিক্স সেভেনটিনে পড়ল মোটর সাইকেল, ম্যাসফিল্ড-নিউআর্কের দিকে চলেছে। ওটা যদি কার হত, খুশি হত মাসুদ রানা। দু’পেয়ে যান অনুসরণ করা মুশকিল। বিশেষ করে দিনের বেলা। প্রয়োজনে উড়ে চলে ওগুলো। তবে লোকটার বুদ্ধি আছে, এ কাজে ঠিক জিনিসটিই বেছে নিয়েছে। ওর জায়গায় রানা হলেও তাই করত।

    প্রয়োজনে ইচ্ছেমত মাঠ-ঘাট পেরিয়ে হাওয়া হয়ে যাওয়া সম্ভব। যেখানে কার চলতে পারবে না, সে-সব জায়গায় ওগুলো চলবে তুফানের মত। ঠিক কাজই করেছে মার্টিন ফ্ল্যানারি, ওরফে যেই হোক, ভাবল রানা।

    একই গতিতে ড্রাইভ করছে লোকটা, স্পীড লিমিট ব্রেক করছে না। বরং কখনও কখনও স্বাভাবিক গতির চেয়ে কম গতিতে চালাচ্ছে। বাঁক নেয়ার সময় ঘটছে’ ব্যাপারটা। ঘুমন্ত ম্যানসফিল্ড পেরিয়ে নিউআর্কের দিকে চলল এবার সে। শহরে নাক ঢোকাবার আগে গতি কমে এল তার। কারের সঙ্গে মোটর সাইকেলের ব্যবধান কমে আসতে লাগল খুব দ্রুত।

    হেডলাইট নিভে গেল পিছনের দুই কারের। থেমে দাঁড়াল সাইড করে। সরু একটা গলিতে মোটর সাইকেল রেখে বড় রাস্তায় ফিরে এল তাতায়েভ। ঝাড়া দশ মিনিট পিছনে তাকিয়ে দাঁড়িয়ে থাকল সে। পিছনে ওরাও বসে থাকল চুপ করে একটা বড় ট্রাক বাতাসে ঝড় তুলে নিউআর্কের দিকে ছুটে গেল কেবল। তারপর আর কিছু নেই। ফিরে এসে গাড়িতে উঠল ভ্যালেরি তাতায়েভ। রওনা হয়ে গেল আবার। পিছু নিল জোড়া সেডান। মাঝে এক মাইল দূরত্ব রেখে এগোতে লাগল। ট্রেন্ট নদী পর্যন্ত চলন একনাগাড় ধাওয়া। ডানে বিশাল এক সুগার রিফাইনারি রেখে যখন শহরে পৌঁছল ওরা, তখন তিনটে বাজে। শহর ছাড়িয়ে এ-সেভেনটিন ধরল মোটর সাইকেল—স্লিফোর্ড চলেছে।

    চেস্টারফিল্ড। সুপারিনটেনডেন্ট স্যাম রসটনের নেতৃত্বে বারোজন পুলিসের একটি দল কম্পটন স্ট্রীটের ঊনষাট নম্বর বাড়ির ওপর চড়াও হলো দুটো পঞ্চান্ন মিনিটে। সঙ্গে সাদা পোশাকের আরও দু’জন রয়েছে স্পেশাল ব্রাঞ্চের। আর পাঁচ মিনিট আগে এলে দুটোকে খুব সহজেই পাকড়াও করা যেত। ব্যাপারটাকে দুর্ভাগ্য বলে মেনে নিলেন সুপার।

    দলটা যখন বাড়ির মাত্র দশ ফুট দূরে, এই সময় আচমকা দরজা খুলে গেল। স্লীপার ট্র্যান্সমিটারটা নিয়ে বেরিয়ে আসছিল দুই ভাই। ওর মধ্যে তাতায়েভের রেকর্ড করা কোডেড স্কোয়ার্ট মেসেজটা রয়েছে, ওটা ট্র্যান্সমিট করতে যাচ্ছে তারা। অ্যানড্রিয়াস স্টেফানিডেস ছিল সামনে, পিছনে ট্র্যান্সমিটার হাতে স্পিরিডন স্টেফানিডেস। জমে গেল প্ৰথমজন।

    সামনেই ইউনিফর্ম পরা পুলিস বাহিনী দেখে আঁতকে উঠল সে। ‘পুলিস!’ তীক্ষ্ণ কণ্ঠে চেঁচিয়ে সতর্ক করল ভাইকে, পরমুহূর্তে দু’পা পিছিয়ে ভেতরে ঢুকে গেল সে, দড়াম করে লাগিয়ে দিল দরজা। সঙ্গে সঙ্গে বিশালদেহী দুই পুলিসও ঝাঁপ দিল, কাঁধ দিয়ে পড়ল তারা দরজার ওপর।

    কয়েক সেকেণ্ড পর দরজা এবং তার পিছনে দাঁড়ানো অ্যানড্রিয়াসকে নিয়ে ভেতরের সরু হলরূমে আছড়ে পড়ল তারা। কোনমতে ভারমুক্ত হয়েই দুই পুলিসের সঙ্গে ক্ষিপ্ত জানোয়ারের মত লড়াই শুরু করে দিল অ্যানড্রিয়াস। নাকেমুখে রাইফেলের কুঁদো দিয়ে ভয়ঙ্কর এক আঘাত বসিয়ে দিতেই ঠাণ্ডা মেরে গেল লোকটা।

    এবার হুড়মুড় করে ভেতরে ঢুকে পড়ল অন্যরা। স্পিরিডনকে দেখা গেল না কোথাও। নিচতলার রুমগুলো সার্চ করে দোতলায় ছুটল সবাই। সবার আগে স্পেশাল ব্রাঞ্চের দু’জন। লোকটাকে পাওয়া গেল বাথরূমে। ট্র্যান্সমিটারটা তার পায়ের কাছে, ফ্লোরে রাখা। ওটার প্লাগ ওয়াল সকেটে ঢোকানো। কনসোলে টকটকে লাল আলো জ্বলছে। বার্তাটা যাই হোক, পাঠাতে পেরেছে স্পিরিডন।

    বিনা বাধায় ধরা দিল সে।

    মেনউইথ হিল জিসিএইচকিউ লিনিঙ পোস্ট একটা সিগন্যাল স্কোয়ার্ট ইন্টারসেপ্ট করল দুটো সাতান্ন মিনিটে। ওটা ট্র্যান্সমিট করা হয়েছে চেস্টারফিল্ডের পশ্চিম প্রান্তে ফুটবল গ্রাউণ্ডের কাছাকাছি থেকে, ব্যাপারটা জানা যেতেই সুপার স্যাম রসটনের সঙ্গে যোগাযোগ করল ওরা।

    ‘আমি জানি, হাসিমুখে উত্তর দিলেন সুপার। ‘ধরে নিয়ে এসেছি ব্যাটাদের।’

    মস্কো। ওয়ারেন্ট অফিসার রেডিও অপারেটর হেডফোন নামিয়ে পাশের টেলিপ্রিন্টার মেশিনটির দিকে তাকাল। মাথা দুলিয়ে বলল, ‘দুর্বল সিগন্যাল। তবে বোঝা গেছে পরিষ্কার।’

    স্বয়ংক্রিয়ভাবে চালু হয়ে গেল মেশিনটা, টপাটপ টাইপ হয়ে চলেছে অর্থহীন একের পর এক শব্দ। ওটা থেমে পড়তে টাইপ হওয়া কাগজটা ছিঁড়ে নিয়ে বসল ওয়ারেন্ট অফিসার, ফিড করল ডিকোডার মেশিনে। ওর সঙ্গের কম্পিউটর চালু হলো এবার, প্রিন্ট হয়ে বেরিয়ে এল মূল বার্তাটা।

    পড়ল তা রেডিও অপারেটর। হাসি ফুটল মুখে। টেলিফোন তুলে একটা নাম্বার ঘোরাল সে। ও প্রান্তের সাড়া পেয়ে নিজের পরিচয় জানাল প্রথমে, তারপর যে ধরেছে ফোন তার পরিচয় সম্পর্কে নিশ্চিত হলো। সবশেষে ঘোষণা করল ওয়ারেন্ট অফিসার, ‘অরোরা ইজ ‘গো’।

    •

    স্লিফোর্ড ছেড়ে লিঙ্কনশায়ারের দিকে চলেছে এখন বিএমডব্লিউ। একসময় ওটাও অতিক্রম করল। তীরের মত সোজা হাইওয়ে ধরে ফেন কাউন্টির দিকে এগোতে লাগল। তারপর ওয়াশ এবং কাউন্টি অভ নরফোক। আরও দু’বার থেমেছিল তাতায়েভ পিছনের দিগন্তে চোখ বোলাবার জন্যে। দাঁড়িয়ে ছিল পাঁচ মিনিট করে। কিন্তু দেখা পায়নি কারও।

    সাটারটন গ্রামে ঢোকার মুখে খানিকটা দ্বিধায় পড়ে গেল মাসুদ রানা। যে পথে এসেছে ওরা এতক্ষণ, সাটারটনের মাঝামাঝি জায়গায় ওয়াই-এর মত ভাগ হয়ে গেছে সেটা। ওটা থেকে দ্বিতীয় হাইওয়ে; এ-সিক্সটিন, বেরিয়ে চলে গেছে সোজা দক্ষিণে, স্পালডিঙে। আর এ-সেভেনটিন গেছে দক্ষিণ-পুবে, লঙ সাটন, তারপর নরফোক কাউন্টি বর্ডার কিংস লিন।

    পুরো দু’মিনিট পর কনসোলের ব্লিপ নিশ্চিত করল এ-সেভেনটিনেই রয়েছে এখনও বিএমডব্লিউ। ততক্ষণে প্রায় তিন মাইল পিছনে পড়ে গেছে ওরা। এক্সিলারেটর দাবিয়ে ধরল রানা ফুটবোর্ডের সঙ্গে। দুই মিনিটে স্পীডোমিটারের কাঁটা উঠে গেল নব্বইয়ে। ওই গতি বজায় রাখল রানা যতক্ষণ না আগের মত এক মাইলে নেমে এল ব্যবধান।

    কিংস লিনের দক্ষিণে প্রশস্ত আওজ নদী অতিক্রম করল ওরা। ব্রিজ থেকে নেমে মাইলখানেক এগিয়েই ডানের বাই-পাস রোড ধরল মোটর সাইকেল। ডাউনহ্যাম মার্কেট হয়ে থেটফোর্ড গেছে ওটা।

    ‘জ্বালিয়ে মারলে তো হারামজাদা,’ আর সহ্য করতে না পেরে বিড়বিড় করে বলল গিলটি মিয়া’।

    ‘আর বেশি দেরি নেই,’ বলল রানা। ‘আশেপাশেই কোথাও ঘাঁটি ওর যতদূর মনে হয়। আলো ফোটার আগেই সেখানে পৌঁছতে চাইবে লোকটা।’

    কিন্তু রানার ধারণায় ভুল ছিল। আলো ফুটতে শুরু করেছে। এখনও চলছে তো চলছেই মোটর সাইকেল, থামার লক্ষণ নেই। হেডলাইট অফ করে দিল ও দশ মিনিট পর। কেবল সাইড লাইট জ্বলছে দু’পাশে।

    ওরাও সাইড লাইট জ্বেলে এগোচ্ছে। অত্যন্ত ধীরগতিতে। দৈত্যাকার যাত্রীবাহী কোচের সুবিশাল এক কলাম। সাফোকের বারি সেন্ট এডমাণ্ডস অতিক্রম করছে ওরা এ মুহূর্তে। কেবল কোচই হবে দু’শোর বেশি। তার ওপর সামনের কার, মোটর সাইকেল, বাই-সাইকেল এবং পদযাত্রীদের সংখ্যার তো কোন সীমা পরিসীমাই নেই। গজেন্দ্রচালে এগোচ্ছে লেবার পার্টির অ্যান্টি নিউক্লিয়ার মিছিল।

    ব্যানার আর প্ল্যাকার্ডে ছেয়ে আছে তার আগামাথা। শহর ছেড়ে এ ওয়ান ফর্টি থ্রী ধরে ইক্সওয়ার্থ জাংশনের দিকে এগোল মিছিল। ওখানে খানিক বিশ্রাম নিয়ে ফের চলা শুরু হবে।

    ডাউনহ্যাম মার্কেট ছাড়িয়ে পাঁচ মাইল দক্ষিণে এগোবার পর পুবদিকে ঘুরে গেল সামনের ওটা। ম্যাপের ওপর চোখ বোলাল মাসুদ রানা। এ ওয়ান থার্টি ফোর ধরেছে লোকটা। তার মানে থেটফোর্ড চলেছে। সূর্য উঠতে বেশি দেরি নেই। সামনে চমৎকার একটি উজ্জ্বল দিনের আভাস। আধ ঘণ্টা পর কয়েক মাইল দীর্ঘ বিশাল বীচ, ওক আর পাইন বনে ঢুকল ওরা। দু’পাশে আকাশছোঁয়া সবুজ গাছ, মাঝখান দিয়ে এঁকেবেঁকে গেছে বন পেরিয়ে গ্যালোম হিল। তারপরই থেটফোর্ড। শহরে ঢোকার আগে ফের থামতে হলো মাসুদ রানাকে। কারণ আবার থেমে দাঁড়িয়েছে মোটর সাইকেল।

    ‘আবার ডেঁড়িয়ে পড়েচে?’ তেড়ে উঠল গিলটি মিয়া। রেগে উঠেছে।

    রেঞ্জ ইণ্ডিকেটর পরীক্ষা করে বুঝল রানা, থেটফোর্ডের ঠিক মাঝখানে রয়েছে এখন লোকটা। কি করছে ওখানে সে? কোন রেস্টুরেন্টে ঢুকেছে? হতে পারে। এত দীর্ঘ পথ ড্রাইভ দিয়ে এসে খিদে ওর নিজেরও লেগেছে। দশ মিনিট অপেক্ষা করার সিদ্ধান্ত নিল মাসুদ রানা।

    এক চুলও নড়ল না ব্লিপ পনেরো মিনিট পেরিয়ে যাওয়ার পরও। কেমন সন্দেহ হলো রানার। ব্যাপার কি? লোকটা কি ওর গাড়িতে ব্লীপার প্ল্যান্ট করার ব্যাপার টের পেয়ে গেছে? জিনিসটা খুলে ফেলে দিয়ে কেটে পড়েছে? নাকি ওখানেই ওর ঘাঁটি? যাই হোক, চেক করে দেখার হয়েছে এখন। আবার রওনা হলো রানা।

    জেগে উঠেছে থেটফোর্ড। রীপারের নির্দেশমত ম্যাগডালেন স্ট্রীটের একসার বন্ধ গ্যারাজের সামনে এসে থামল ওরা। গাড়ির নাক বার কয়েক ডানে বাঁয়ে ঘুরিয়ে ওর একটার সামনে স্থির করল মাসুদ রানা। টানা ‘টু- উঁ-উঁ’ আওয়াজ করছে ব্লীপার। এক জায়গায় স্থির হয়ে আছে পর্দার বিন্দুটা।

    ‘ওটার ভেতর আছে লোকটা,’ বলল মাসুদ রানা।

    নেমে পড়ল সবাই গাড়ি থেকে। উত্তেজিত হয়ে উঠেছে। যার যার অস্ত্র বের করে হাতে নিল প্রত্যেকে। তারপর পায়ে পায়ে এগোল। গ্যারেজের দরজায় তালা মারা নেই। ভেড়ানো আছে কেবল। বাঁ হাতে একটা পাল্লা ধরল মাসুদ রানা, লম্বা করে দম নিল। তারপর এক ঝটকায় খুলে ফেলল দরজা। ডান হাতে উদ্যত ওয়ালথার পিপিকে। মুহূর্তে মুখটা কালো হয়ে উঠল ওর হতাশায়।

    গ্যারাজের মাঝখানে স্ট্যাণ্ডে দাঁড়িয়ে আছে প্রকাণ্ড মোটর সাইকেলটা। ঘাড় কাৎ করে এক চোখে ড্যাবড্যাব করে চেয়ে আছে ওদের দিকে। যেন নীরবে প্রশ্ন করছে, কারা তোমরা? কি চাও এখানে?

    দেয়ালের পেরেকে ঝুলছে রাইডারের লেদার জ্যাকেট, জিপ্ সাইডেড ট্রাউজার ও রেইনকোট। মেঝেতে পড়ে আছে জ্যাকবুট। মাটিতে আরও একজোড়া চাকার দাগ দেখে ঝুঁকে বসল মাসুদ রানা। ছোট আকারের কোন কারের হবে। বুঝে ফেলল রানা ব্যাপারটা। মোটর সাইকেল রেখে অনেক আগেই গাড়ি নিয়ে কেটে পড়েছে রুশ স্পাইটি। শেষ মুহূর্তে মস্ত এক ঠক্ দের দিয়ে গেছে ওদের লোকটা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭১ : নরকের শহর
    Next Article মাসুদ রানা ৪৭০ – কালবেলা

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }