Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা – ২১৭ ও ২১৮ – অন্ধ শিকারী (দুইখণ্ড একত্রে)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প333 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    অন্ধ শিকারী – ১.৬

    ছয়

    ডোরবেলের আওয়াজে রবার্ট ফিলবি নিজেই দরজা খুললেন। সামনে দাঁড়ানো প্রায় তাঁর সমান লম্বা নিষ্ঠুর চেহারার যুবকের দিকে চেয়ে থাকলেন বিমূঢ়ের মত। চেহারাটা খুবই পরিচিত মনে হলেও চিনতে পারছেন না। হাতে একটা ব্রিফকেস যুবকের।

    ‘গুড ইভনিং,’ বলল আগন্তুক।

    ‘ইভনিং?’ অনুসন্ধিৎসু দৃষ্টিতে চেয়েই আছেন রবার্ট ফিলবি।

    হিপ পকেট থেকে ওয়ালেট বের করল যুবক, তুলে ধরল চোখের সামনে। পরমুহূর্তে চেহারা বদলে গেল ফিলবির এবং একই সঙ্গে যুবককেও চিনে ফেললেন। মনের ভেতর বেজে উঠল বিপদের ডঙ্কা। এ লোক কি চায় আমার কাছে? ভাবলেন ফিলবি। ‘মিস্টার মাসুদ রানা?’

    ‘ভেতরে আসতে পারি?’ গমগমে কণ্ঠে প্রশ্ন করল রানা। প্রথমেই লোকটার মনে ভয় এবং দ্বিধা ঢুকিয়ে দিতে চায় ও। এতে বাকিটা সহজ হয়ে যাবে।

    ‘নিশ্চই। আসুন,’ দরজা ছেড়ে সরে দাঁড়ালেন রবার্ট ফিলবি। তাঁর চোখের তারায় আতঙ্ক ফুটে উঠতে দেখল মাসুদ রানা। দরজা বন্ধ করার আগে একবার করিডরে উঁকি দিলেন তিনি। সম্ভবত ওর সঙ্গে আর কেউ আছে কি না দেখে নিলেন। ঘুরে জোর করে ফোটানো হাসি মুখে রানাকে সীটিংরুম নির্দেশ করলেন।

    ‘লেডি ফেডোরা বাসায় নেই?’ বসতে বসতে জিজ্ঞেস করল রানা।

    ‘না। ও ওর ভাইয়ের কাছে বেড়াতে গেছে। শেফিল্ডে।’ ওর মুখোমুখি বসলেন ফিলবি। ‘বলুন, কি উপকারে লাগতে পারি আপনার?’ –

    সামনের দেয়ালে ঝোলানো আয়নাটার দিকে তাকাল মাসুদ রানা। তারপর পুরো ঘরের ওপর। ঠিকই বলেছিল জিম প্রেসটন। এ ঘরের ব্যাপারে তার দেয়া বর্ণনা হুবহু মিলে যাচ্ছে। দেয়ালটা নিশ্চয়ই রিপেয়ার করিয়েছে লোকটা, ভাবল ও।

    ‘মিস্টার রানা…!’

    সরাসরি ফিলবির চোখে চোখ রাখল মাসুদ রানা। এমনভাবে চেয়ে থাকল যেন ঘোরের মাঝে আছে। পায়ের কাছে রাখা ব্রিফকেসটা দু’হাঁটুর ওপর রেখে খুলল ও। ভেতর থেকে কয়েকটা কাগজ বের করে এগিয়ে দিল সামনে। ‘বলছি। তার আগে দয়া করে এগুলো দেখুন।’

    নিলেন ওগুলো রবার্ট ফিলবি। দ্রুত চোখ বোলালেন প্রথম শীটটার ওপর। তারপর দ্বিতীয় শীট। তৃতীয় শীট। এই শীটটার মাঝামাঝি এসে থমকে গেল তাঁর দৃষ্টি। ফ্যাকাসে হয়ে উঠল চেহারা। ‘এগুলো… এগুলো…।’

    ‘হ্যাঁ। গ্লেন ডায়মণ্ডের সঙ্গে এগুলোও চুরি গিয়েছিল আপনার,’ যেন কথার কথা, এমনভাবে বলল মাসুদ রানা। ‘কিন্তু চোর লোকটা বোঝা যায় ভালই। নষ্ট না করে দলিলগুলো পাঠিয়ে দিয়েছিল বিএসএসের ঠিকানায় তাকে ট্রেস করতে পেরেছি আমরা এবং তার কাছ থেকেই পেয়েছি আপনার নাম।’

    কয়েক মুহূর্তের জন্যে বোবা-কাল্ম বনে গেলেন রবার্ট ফিলবি। কাগজের মত সাদা হয়ে গেছে মুখ। বুকের ভেতর হাতুড়ি পিছে কেউ অনেকক্ষণ পর গলায় স্বর ফোটাতে সমর্থ হলেন ফিলবি। ‘এগুলো বিএসএসে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে? কিন্তু আপনি…?’

    ‘এ কেসের দায়িত্ব আমার ওপর পড়েছে, তাই।’

    আবার দীর্ঘক্ষণ নিশ্চুপ থাকলেন ফিলবি। বুঝতে অসুবিধে হয় না, ঝড়ের গতিতে কাজ করছে মাথা। ‘অস্বীকার বা কথা লুকোবার চেষ্টা করে কোন লাভ নেই, মিস্টার ফিলবি। ওর প্রতিটিতে আপনার অসংখ্য হাতের ছাপ পাওয়া গেছে। আপনার ফলস কম্পার্টমেন্টওয়ালা ব্রিফকেসটাও বর্তমানে আমার হেফাজতে। অতএব বুঝতেই পারছেন, সব বলে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে। সেক্ষেত্রে আমি হয়তো আপনার বাঁচার একটা উপায় বাতলে দিতে পারব।’ একগাদা মিথ্যে বলে গেল রানা।

    চিন্তিত মুখে ডান জুলফির গোড়া চুলকালেন রবার্ট ফিলবি। চোখ মাটির দিকে। আমি শেষ হয়ে গেছি, ভাবছেন তিনি। সব শেষ। অর্থ-যশ, সম্মান-চাকরি, সব গেল। কি সাজা হবে তাঁর? আজকের পর এ মুখ কি করে বাইরে দেখাবেন?

    ‘মিস্টার ফিলবি, একটা মহল উঠেপড়ে লেগেছে আপনাকে গ্রেফতার করার জন্যে। ইন্টারোগেট করতে চায় আপনাকে। তারপর কি জুটবে আপনার ভাগ্যে জানেন? স্রেফ দেশদ্রোহিতার অভিযোগ আনা হবে। ক্রাউন কাউন্সিল বিন্দুমাত্র কৃপা দেখাবে না। মিডল-ক্লাস কারাগার জুটবে কপালে। বিচার হবে মিডল ক্লাস কোর্টে। সারাদেশ জানবে, দুনিয়া জানবে একজন ব্রিটিশ দেশদ্রোহীর পরিচয়, সেটা কি ভাল হবে?’

    আরও একগাদা ডাঁহা মিথ্যে বলে গেল রানা গড়গড় করে। রবার্ট ফিলবিকে গ্রেফতার করলে অফিশিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্টের আওতায় মামলা দায়ের করতে হবে। ওখানে কোন সমস্যা হবে না, হবে তার পরপরই। কোর্টে টিকবে না মামলা প্রমাণের অভাবে। মাসুদ রানা জানে, ফিলবিই হোয়াইটহল থেকে চুরি করেছে ডকুমেন্টগুলো। কিন্তু জানা আর কোর্টে তা প্রমাণ করা এক নয়। তাছাড়া কোর্টে মামলা উঠলেই জেনে যাবে প্রেস।

    জানাজানি হয়ে যাবে সব। কিন্তু মাসুদ রানা তা হতে দিতে চায় না। ভয় দেখিয়ে গোপনে মুখ খোলাতে হবে রবার্ট ফিলবিকে। জানতে হবে কতদিন থেকে এ কাজ করছে সে। কাকে দিচ্ছে বা কোথায় পাঠিয়েছে চুরি করা ডকুমেন্ট, ন্যাটোর কতটা ক্ষতি এরইমধ্যে হয়ে গেছে। তারপর বিশেষ এক পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করতে হবে। এদিক-ওদিক হয়ে গেলেই হয়ে যাবে ওর সাজানো ছক্‌।

    ‘ওয়েল,’ মুখ খুললেন রবার্ট ফিলবি। ‘সবইতো জেনে গেছেন, আ…বলুন, আর কি জানতে চান।’

    গোপনে দীর্ঘশ্বাস ত্যাগ করল রানা। আসন নেয়ার পরপরই কোটের ডান পকেটে রাখা মিনিয়েচার টেপ রেকর্ডারটির বোতাম টিপে দিয়েছিল ও। লোকটার স্বীকারোক্তি পাওয়া যাবে কিনা ভেবে এতক্ষণ খুব টেনশনে ছিল। কেটে গেছে তা। ‘কতদিন ধরে এসব গোপনীয় দলিলপত্র চুরি করছেন আপনি হোয়াইটহল থেকে?’

    ‘এক বছরের কিছু বেশি হবে।’

    ‘কেন করছেন। আই মীন, কাদের সরবরাহ করছেন আপনি এসব তথ্য?’

    ‘সাউথ আফ্রিকানদের।’

    ‘সাউথ আফ্রিকা!’ আকাশ থেকে পড়ল মাসুদ রানা। ‘সাউথ আফ্রিকা? ওরা কি করবে এসব দিয়ে?’

    ‘ওদের বর্জন করে, একঘরে করে চরম বোকামি করেছে পশ্চিমা দেশগুলো। আহাম্মকের মত কাজ করেছে। চরম এক অনিশ্চয়তার মধ্যে, নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে ঠেলে দিয়েছে প্রিটোরিয়াকে। ন্যাটো আর ওয়ারশ জোটের মধ্যে যদি কোনদিন বেধে যায় লড়াই, ওদের ছেড়ে কথা কইবে না কেউ, আই মীন, স্ট্র্যাটেজিক্যালি সাউথ আফ্রিকার গুরুত্ব অপরিসীম। আপনি নিশ্চই দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের কথা ভুলে যাননি। সে যুদ্ধের মূল রণাঙ্গনই বলতে গেলে ছিল সাউথ আফ্রিকা এবং সাহারার দক্ষিণাংশ। কিন্তু আর যাতে সেরকম পরিস্থিতিতে পড়তে না হয়, সে জন্যে প্রিটোরিয়াও ন্যাটোর কন্টিঞ্জেন্সি প্ল্যানের অনুকরণে নিজেদের প্রতিরক্ষা পরিকল্পনা হাতে নিয়েছিল। ডকুমেন্টগুলো ওদের অনেক কাজে লাগবে বলে ওরা আমার সাহায্য চেয়েছিল।’

    ‘এবং ওদের সাহায্য করা আপনি প্রয়োজন মনে করেছেন,’ প্রশ্ন নয়,

    মন্তব্য করল মাসুদ রানা।

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘অফিশিয়াল সিক্রেটস্ অ্যাক্ট জেনেও?’

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘যে উদ্দেশে আপনি ওদের সাহায্য করেছেন, ঠিক সেইমত কাজ প্রিটোরিয়া করেছে বা করছে কিনা, সে ব্যাপারে জানেন কিছু?’

    ‘না।’

    ‘না কেন, খোঁজ নেননি?’

    ‘না।’

    তাজ্জব হয়ে ভদ্রলোকের দিকে চেয়ে থাকল মাসুদ রানা। একজন প্রথম শ্রেণীর সরকারি কর্মকর্তার মুখ থেকে এসব কথা বেরোচ্ছে, কানে শুনেও বিশ্বাস হচ্ছে না।

    ‘বেশ। এবার বলুন, কার মাধ্যমে ওদেশে ডকুমেন্টস্ পাঠিয়ে আসছেন আপনি।’

    ‘ডি অ্যাঙ্গাস। এখানকার সাউথ আফ্রিকান এমব্যাসির একজন ডিপ্লোম্যাট।’

    ‘তথ্য পাচারের অনুরোধ প্রথমে কার কাছ থেকে পান আপনি, সরাসরি ওদের কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের কাছ থেকে, নাকি অ্যাঙ্গাসের কাছ থেকে?’

    ‘অ্যাঙ্গাসের কাছ থেকে। সে আসলে এনআইএস রেসিডেন্ট।’

    ‘এর সঙ্গে আপনার পরিচয় কখন কিভাবে হয়? আপনি যখন প্রিটোরিয়ায় পোস্টেড ছিলেন, তখন?’

    মুখ তুললেন ফিলবি। ‘আপনি জানেন কিভাবে?’

    ‘আমাদের জানতে হয়। বলে যান, প্লীজ।’ এখানে আসার আগে রবার্ট ফিলবির সার্ভিস রেকর্ড ফাইল ঘেঁটে এসেছে রানা হোয়াইটহলের রেকর্ড সেকশন চীফের সাহায্যে। ও নিজে, স্যার মারভিন লংফেলো এবং সেকশন চীফ ছাড়া আর কেউ জানে না ব্যাপারটা। ওতেই পেয়েছে রানা, প্রিটোরিয়ার ব্রিটিশ দূতাবাসের সেকেণ্ড সেক্রেটারি হিসেবে বছর আড়াই ওদেশে ছিলেন ফিলবি।

    ‘হ্যাঁ।’

    ‘লোকটা সত্যিই এনআইএসের কি না, তাও নিশ্চই জানেন না আপনি, আই মীন, ফর শিওর?’

    দ্বিধাগ্রস্তের মত মাথা দোলালেন তিনি। ‘না, জানি না।’ চেহারা দেখে মনে হলো একটু যেন থতমতও খেয়ে গেছেন। হয়তো ভাবছেন, এ প্রশ্নটা মনে জাগেনি কেন তাঁর এতদিন?

    ‘ডি অ্যাঙ্গাসের সঙ্গে দেখা হয় প্রায়ই?’ চোখ বুজে প্রশ্ন করল মাসুদ রানা। মাথায় অন্য লাইনের চিন্তা ঢুকেছে।

    ‘কখনও কখনও। তবে খুব কম।’

    ‘এই ডকুমেন্টগুলো কবে হস্তান্তর করেছেন তার কাছে?’

    ‘মাস দুয়েক আগে।’

    ‘ঠিক আছে। এবার মন দিয়ে শুনুন। লোকটার সঙ্গে স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় রাখবেন আপনি আরও কিছুদিন।’

    চোখ বড় বড় হয়ে উঠল ফিলবির। ‘কি…?’

    ‘ঠিকই শুনেছেন। তবে সামনাসামনি হবেন না। কারণ আপনার মুখ দেখলেই সে অনুমান করে নেবে কিছু একটা গণ্ডগোল হয়ে গেছে। সাবধান! খুব সতর্ক থাকতে হবে আপনাকে এ ব্যাপারে। কোনমতেই যেন কিছু আঁচ করতে না পারে ডি অ্যাঙ্গাস। মুখোমুখি হওয়া এড়িয়ে অন্য আর যেভাবে পারেন, টেলিফোন বা আর কোন মাধ্যমে যোগাযোগ রক্ষা করে চলুন, আপাতত। নিয়মিত অফিসে যাবেন। এতদিন যা যা করেছেন, ঠিক তাই করে যাবেন। এরপর আরেকটা কাজ করতে হবে আপনাকে।’

    ‘কি কাজ?’ আগ্রহের আতিশয্যে আধ ফুট এগিয়ে এলেন ফিলবি।

    ‘সময় হলে জানবেন। মনে রাখবেন, যদি শেষ পর্যন্ত আমার কথামত চলেন, বেঁচে যাবেন আপনি। নইলে…।’ কথা শেষ না করেই থেমে গেল মাসুদ রানা। চট্ করে দাঁড়িয়ে পড়ল। কাগজগুলো আগেই ভরে রেখেছে ব্রিফকেসে। হাত বাড়িয়ে তুলে নিল ওটা। ‘চললাম।’

    উঠে দাঁড়িয়ে কিছু বলতে চাইলেন রবার্ট ফিলবি। কিন্তু সুযোগ দিল না ও। দেখেও না দেখার ভান করে বেরিয়ে এল দ্রুত পায়ে।

    উসভো। প্রেসিডেন্টের দাচায় সমবেত হয়েছেন অ্যালবিয়ন কমিটির চার সদস্য। চূড়ান্ত রিপোর্ট পেশ করতে যাচ্ছে কমিটি। দাচার অবিশ্বাস্য রকম বড় এবং চোখ ধাঁধানো বিলাসের ছড়াছড়িতে ভরা সীটিংরূমে প্রেসিডেন্টের মুখোমুখি বসেছেন সবাই। আজ আর বডিগার্ড নেই প্রেসিডেন্টের সঙ্গে। কেবল মেজর কিরলভকে নিয়ে অত্যন্ত গোপনে মস্কো ত্যাগ করেছেন তিনি প্রয়োজন নেই বলে। দাচার গার্ড সংখ্যা প্রেসিডেন্ট মস্কো ত্যাগ করার কয়েক ঘণ্টা আগেই চারগুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে। সঙ্গে ডজনখানেক ডগ হ্যাওলারও রয়েছে।

    চার মণ ওজনের বিশালবপু ড. জোসেফ পাভলভ উঠে দাঁড়ালেন। তাঁকেই কমিটির চেয়ারম্যান মনোনীত করেছেন অন্য তিন সদস্য। বলতে লাগলেন তিনি, ‘মাননীয় কমরেড জেনারেল সেক্রেটারি, আপনার নির্দেশ অনুযায়ী আমরা অত্যন্ত সুচতুর, নিশ্ছিদ্র এক নাশকতামূলক পরিকল্পনা প্রণয়নের কাজ সম্পন্ন করেছি। আপনাকে জানিয়ে রাখা প্রয়োজন যে আমাদের বন্ধু, কমরেড জেনারেল মার্চেঙ্কোর দেয়া তথ্য অনুযায়ী ব্রিটেনে জিআরইউ পরিচালিত সর্বশেষ জনমত জরীপে দেখা গেছে, কনজারভেটিভরা লেবারদের চেয়ে প্রায় পনেরো শতাংশ এগিয়ে রয়েছে। পনেরো শতাংশ, কমরেড জেনারেল সেক্রেটারি। এর তিন শতাংশ এদিক- ওদিক হবে ধরেই নিয়েছি আমরা। ফকল্যাণ্ড যুদ্ধে বিজয়ের পর প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের পড়ন্ত জনপ্রিয়তা হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে, ফলে ব্যবধান যেরকম হবে বলে আশা করা হয়েছিল, তেমনটি হয়নি।

    ‘সে যাই হোক, আমাদের এই পরিকল্পনা যদি সফল হয়, তাহলে নিশ্চয়তা দিয়ে বলা যায়, শতকরা আশিভাগ ভোট পড়বে লেবার পার্টির পক্ষে। তাতে বিন্দুমাত্র সন্দেহ নেই। এই পরিকল্পনার নাম দিয়েছি আমরা প্ল্যান অরোরা।’

    একে একে বাকি তিনজনের ওপর দিয়ে ঘুরে এল জেনারেল সেক্রেটারির নীল বাজপাখির দৃষ্টি। তারপর ড. পাভলভের দিকে তাকিয়ে মৃদু হাসির ভঙ্গি করলেন তিনি। ‘এবার তাহলে শোনা যাক আপনাদের প্ল্যান আরোরার বক্তব্য।’

    ‘নিশ্চয়ই। কমরেড জেনারেল সেক্রেটারি।’

    টাইপ করা প্ল্যান পড়তে শুরু করলেন ড. পাভলভ। এত খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে সমস্ত কিছু বিস্তারিতভাবে সাজানো হয়েছে ওতে যে ছোটখাট একটা বই ই হয়ে গেছে। ধীরে ধীরে পড়ে যাচ্ছেন গ্র্যাণ্ড মাস্টার। মাঝে মাঝে চোখ তুলছেন প্রেসিডেন্টের মধ্যে কোন প্রতিক্রিয়া হয় কি না দেখার জন্যে। কিন্তু তাঁর থেকে অনেক অনেক বড় খেলার গ্র্যাণ্ড মাস্টার প্রেসিডেন্ট। বিন্দুমাত্র প্রতিক্রিয়ার আভাসও বোঝা গেল না।

    প্রায় দেড় ঘণ্টা টানা বলে যাওয়ার পর থামলেন ড. পাভলভ। পড়া শেষ। অখণ্ড নীরবতা নেমে এল ঘরে। এক সময় মুখ খুললেন প্রেসিডেন্ট। ‘এতে প্রচুর ঝুঁকি আছে। কি নিশ্চয়তা আছে যে আগের…অন্যান্য পরিকল্পনার মত এটাও ব্যর্থ হবে না?’

    কোন পরিকল্পনার কথা বোঝাতে চাইছেন তিনি, প্রকাশ না করলেও অন্যরা বুঝে নিলেন। বছর তিনেক আগে সুইডেনে এক নাশকতামূলক প্রকল্পে হাত দিয়ে ফেঁসে গিয়েছিল কেজিবি। প্রচুর ভোগান্তি পোহাতে হয় সে সময় সোভিয়েত ইউনিয়নকে। প্রায় এক বছর লেগেছিল মস্কোর সে গেরো থেকে বেরতে। যদিও, এখনও মাঝেমধ্যে তা নিয়ে সুযোগ পেলেই খোঁচাতে ছাড়ে না পশ্চিমা মিডিয়া।

    ‘উইথ অল রেসপেক্ট, কমরেড জেনারেল সেক্রেটারি, পুরো নিশ্চয়তা দিয়ে বলা যায়, ওটার সঙ্গে প্ল্যান অরোরার কোন তুলনাই চলে না। এটা সম্পূর্ণ অন্য ধরনের, ব্যতিক্রমি। এর প্রতিটি বাঁকে বাঁকে, রন্ধ্রে রন্ধ্রে রয়েছে ফল ব্যাক, কাটআউট। যে এর নির্বাহী অপারেটর হবে, তাকে হতে হবে টপ্ প্রফেশনাল। দেশের স্বার্থে বিনা প্রশ্নে নিবেদিতপ্রাণ। কোথাও কোন গণ্ডগোল যদি এত সাবধানতার পরও ঘটেই যায়, ধরা পড়ার আগেই আত্মহত্যা করতে হবে তাকে। এবং মৃত্যুর পর তাকে কেউ যেন সোভিয়েত স্পাই বলে সনাক্ত করতে না পারে, সেদিক থেকেও তাকে উপযুক্ত হতে হবে। খুঁজলে এমন লোক সংগ্রহ করা কঠিন হবে বলে আমি মনে করি না, কমরেড জেনারেল সেক্রেটারি। যদিও,’ থেমে নাক চুলকালেন ড. পাভলভ। ‘প্ল্যান কার্যকর হওয়ার সাথে সাথে তারও মৃত্যু হবে, প্ল্যানেরই অংশ হিসেবে। অরোরায় কোন রকম লুজ এণ্ড রাখেনি অ্যালবিয়ন কমিটি।

    ‘এর পরপরই আমাদের সাব-প্ল্যানের কাজ শুরু হবে। বিশ্ববাসীকে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করানোর ব্যবস্থা করা হবে যে মস্কো নয়, এজন্যে দায়ী ওয়াশিংটন।’

    মাথা নিচু করে ভাবতে লাগলেন প্রেসিডেন্ট। দু মিনিট পর মুখ তুললেন। অন্য তিনজনের মতামত চাইলেন তিনি। ‘প্ল্যান অরোরা কার্যকর করা সম্ভব?’

    বিনা দ্বিধায় সম্মতি জানালেন সবাই। ‘সম্ভব।’

    ওঁদের সামনের গ্লাস টপ্ কফি টেবিলের ওপর স্তূপ হয়ে থাকা এক গাদা ফাইল, ফোল্ডার দেখলেন প্রেসিডেন্ট। প্ল্যান আরোরার খসড়া এবং মূল পরিকল্পনা। মুখ তুলে সেদিকে ইঙ্গিত করলেন তিনি। ‘প্ল্যানের সব খুঁটিনাটি এখানে আছে?’

    ‘হ্যাঁ, কমরেড জেনারেল সেক্রেটারি,’ বললেন জেনারেল সের্গেইভিচ মার্চেঙ্কো।

    ‘এর বাইরে আর কিছুই নেই, টেপ রেকর্ডার বা ফেলে দেয়া কাগজ যাতে এসবের আর কোন তথ্য বা টুকিটাকি লেখা আছে, বেখেয়ালে ফেলে দিয়েছেন কেউ?’

    ‘কিচ্ছু নেই,’ জোর দিয়ে বললেন চার কমিটি সদস্য।

    ‘সব রেখে যান আপনারা। ড. পাভলভ বাদে আর সবাই কাল থেকে যার যার স্বাভাবিক কাজে লেগে পড়ুন। ভুলে যান অ্যালবিয়ন কমিটি, প্ল্যান অরোরার কথা। গুড বাই, কমরেডস্।’

    আসন ছাড়লেন বাকি তিনজন। দরজার কাছের ক্লোক কাবার্ড থেকে যার যার গ্রেটকোট বের করে পরে নিলেন। মাথায় চাপালেন শাপকা। কেউ কারও চোখের দিকে তাকাচ্ছেন না। মিনিট তিনেক পর সামনের কোর্ট ইয়ার্ডে এক এক করে তিনটে চইকা লিমুজিন স্টার্ট নিল। নাক ঘুরিয়ে সার বেঁধে রওনা হলো বুলেভার্ডের দিকে। সামনের বার্চ আর পাইনের বন আলোকিত হয়ে উঠল তিন জোড়া শক্তিশালী হেডলাইটের আলোয়।

    ভেতরে তেমনি বসে আছেন জেনারেল সেক্রেটারি। উপস্থিত আরেকজনের অস্তিত্ব ভুলে গেছেন যেন। অনেক, অনেকক্ষণ পর চোখে পলক পড়ল তাঁর দীর্ঘ সময় নিয়ে। এমন বেপরোয়া বিপজ্জনক এক প্ল্যান তৈরি করবে অ্যালবিয়ন, স্বপ্নেও কল্পনা করেননি তিনি। ঝুঁকি আছে, তেমনি সফল হওয়ার সম্ভাবনাও ষোলো আনার ওপর আঠারো আনা। সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন তিনি, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব কাজে হাত দিতে হবে। নির্বাচনের আর এক মাসও বাকি নেই।

    ‘ড. পাভলভ, কাছে আসুন।’

    রাগে কাঁপছেন স্যার মারভিন লংফেলো। ‘এনআইএস?’ চোখ গরম করে মাসুদ রানার দিকে চেয়ে আছেন, যেন সব দোষ ওর। ‘এনআইএস ভর করেছে ফিলবির মত এক টপ্‌ ক্লাস অফিসারের কাঁধে?’ বাঘের দৃষ্টিতে সামনে রাখা টেপ রেকর্ডারটির দিকে তাকালেন এবার লংফেলো। পরক্ষণেই করুণ হয়ে উঠল চেহারা। বিকৃত কণ্ঠে বললেন, ‘ওহ্, মাই ল-অ-র্ড!’

    এনআইএসের সঙ্গে খুব একটা অন্তরঙ্গতা নেই বিএসএসের, জানে মাসুদ রানা। যেটুকু আছে কেবল আন্তর্জাতিক রাজনীতির স্বার্থেই। জোহান্সবার্গে বিএসএসের একজন হেড অভ স্টেশন আছে। প্রিটোরিয়ার অনুমতি আছে তাতে। তেমনি লণ্ডনেও এনআইএসের একজন হেড অভ স্টেশন আছে, জানে বিএসএস। কিন্তু সে ডি অ্যাঙ্গাস নয়।ওটাই বৃদ্ধের রাগের কারণ। সে যদি সত্যিই এনআইএসের হয়ে থাকে, তাহলে হবে দু’ নম্বর, বা তিন নম্বর, বা আল্লা মালুম কত নম্বর।

    তার মানে চুক্তি ভঙ্গ করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা। চুক্তিতে উভয় দেশের একজন করে হেড অভ স্টেশন বিনিময়ের কথা থাকলেও তার প্রতি বুড়ো আঙুল দেখিয়েছে প্রিটোরিয়া। ভদ্রলোককে ঘন ঘন বুড়ো আঙুলের নখ দাঁতে খুঁটতে দেখে বলল রানা, ‘শান্ত থাকার চেষ্টা করুন, স্যার। মাথা গরম করে লাভ হবে না।’

    ‘এতকিছুর পরও কি করে মাথা ঠাণ্ডা রাখি, বলো?’

    ‘ওদের চীফ, জেনারেল ডিয়েটার গেরহার্ডের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করুন। অ্যাঙ্গাস সত্যিই ওদের লোক কি না জানতে হবে আগে। তারপর অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা নেয়া যাবে।’

    কয়েক সেকেণ্ড ভাবলেন বৃদ্ধ। ‘একটা বুদ্ধি দাও।যে-পথে এগোলে দ্রুত কাজ উদ্ধার করা যাবে।

    লণ্ডনের নির্দেশে জোহান্সবার্গের বিএসএস প্রতিনিধি পরদিন প্রিটোরিয়া গিয়ে দেখা করল জেনারেল গেরহার্ডের সঙ্গে। এবং জেনারেলের সঙ্গে আলোচনার ফলাফল সেদিনই লণ্ডনে রিপোর্ট করল সে।

    ‘জেনারেল বাইবেলের শপথ করে বলেছেন, ডি অ্যাঙ্গাস সম্পর্কে কিছুই জানেন না তিনি,’ বললেন লংফেলো। ‘এ নামে কেউ নেই এনআইএসে। ছিলও না কোনকালে,’ বলেই দুম্ করে ঘুসি মেরে বসলেন টেবিলে। ‘আমি বিশ্বাস করি না! মিছে কথা বলছে লোকটা!’

    ‘মনে হয় না,’ শান্ত কণ্ঠে বলল মাসুদ রানা। লোকটা যদি সত্যিই তাঁর সংস্থার হত, তাহলে বিএসএসের হাতে ধরা পড়ার আগেই তাকে পালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্ক করতেন তিনি। অন্তত গতকাল বিএসএস প্রতিনিধি তাঁর সঙ্গে দেখা করার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাপারটা ঘটা উচিত ছিল। কিন্তু জেনারেল তা করেননি। এখনও বহাল তবিয়তে নিশ্চিন্তে ঘুরে বেড়াচ্ছে ডি অ্যাঙ্গাস।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৭১ : নরকের শহর
    Next Article মাসুদ রানা ৪৭০ – কালবেলা

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }