Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই কুয়াশা ১.১০

    দশ

    কেবিন থেকে সবচেয়ে কাছের ফোন-বুদটা তিন মাইল দূরে। কাঁচা রাস্তা ধরে একেবারে হাইওয়ে পর্যন্ত যেতে হয়। সেলফোনের বদলে ওটাকেই যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করার সিদ্ধান্ত নিল রানা। এতে ওর অবস্থান ফাঁস হবার ঝুঁকি থাকে না। পুরনো টয়োটা সেডানটা চালিয়ে সকাল সাড়ে ন’টায় ওখানে গেল ও, রিং করল নুমা হেডকোয়ার্টারে, অ্যাডমিরাল হ্যামিলটনের প্রাইভেট নাম্বারে।

    কয়েকটা রিং হতেই সাড়া দিলেন অ্যাডমিরাল। রানার কণ্ঠ শুনে উত্তেজিত গলায় বললেন, ‘রানা! কোথায় তুমি?’

    ‘দুঃখিত, অ্যাডমিরাল। সেটা এ-মুহূর্তে জানাতে পারছি না।’

    হুম, বুঝতে পারছি। বড্ড ঝামেলার মধ্যে আছ তুমি, সিআইএ আর এফবিআই পাগলা কুকুর হয়ে গেছে তোমাকে বাগে পাবার জন্য।’

    ‘ওদেরকে উস্কানি দিচ্ছে কে, সেটা জানেন?

    ‘উঁহুঁ। পরিস্থিতি গরম হয়ে আছে, তোমার প্রতি আমার দুর্বলতার কথা সবার জানা। নাক গলাবার সুযোগ পাচ্ছি না। তবে চোখ-কান খোলা রেখেছি। কিছু জানতে পারলেই বলব তোমাকে। আসলে ঘটছেটা কী, রানা?’

    ‘বসের সঙ্গে কথা হয়নি আপনার?’

    ‘ভোরবেলা ফোন করেছিল, কিন্তু বিস্তারিত ভেঙে বলেনি। তোমার কাছ থেকে জেনে নিতে বলেছে সব।’

    ‘আপনার সঙ্গে আমার দেখা হওয়া প্রয়োজন, অ্যাডমিরাল 1 আজই। ফোনে সব কথা বলা যাবে না।’

    ‘নিশ্চয়ই। কীভাবে দেখা করতে চাও?’

    ‘সেটা পরে বলছি। তার আগে সামান্য খোঁজখবর নিতে হবে আপনাকে। ফেনিস নামে চল্লিশ দশকে একটা গুপ্তসংঘ ছিল, ওটার ব্যাপারে কিছু কি জানা আছে আপনার…

    .

    সিদ্ধান্ত নেয়া হলো, রাত ন’টায় দেখা করবেন অ্যাডমিরাল —রক ক্রিক পার্ক-এর পুবপাশে, মিসৌরি অ্যাভিনিউ-এর একজিট থেকে এক মাইল উত্তরে গাড়ি রাখার একটা জায়গা আছে ওখানে, আরোহীরা পায়ে হাঁটা পথ ধরে পার্কের ভিতরে ঢুকতে পারে জায়গাটা থেকে। অ্যাডমিরাল জানিয়ে দিলেন, আসার আগে ফেনিস সম্পর্কে যতদূর সম্ভব তথ্য জোগাড় করে আনবেন। প্রয়োজন ছিল না, তবু তাঁকে সতর্ক থাকার জন্য বলে দিল রানা।

    দিনের বাকি সময়টা নিস্তরঙ্গভাবে কেটে গেল। কেবিনের মধ্যেই রইল রানা আর কুয়াশা। কথাবার্তা খুব একটা হলো না ওদের মধ্যে। এখনও পুরোপুরিভাবে বিশ্বাস করতে পারছে না, কেউ কাউকে। এত অল্প সময়ে দুই জগতের দু’জন মানুষের মধ্যে সেটা আসারও কথা নয়। বন্ধুত্ব এবং বিশ্বাস অর্জনের জন্য এখনও অনেক পরীক্ষা দিতে হবে ওদের দুজনকে।

    সারাটা দিন বুকশেলফ থেকে নানা ধরনের বই নামিয়ে পড়ল কুয়াশা। রানা বসে রইল রেডিও-র সামনে—কাঁটা ঘুরিয়ে একের পর এক স্টেশনের খবর শুনল। এক্সেলসিয়র হোটেল নিয়ে কোনও সংবাদ প্রচার হয় কি না, সে-দিকে নজর। হলো ঠিকই, কিন্তু খুবই গুরুত্বহীনভাবে। সাধারণ হত্যাকাণ্ড হিসেবে বিবরণ দিল সংবাদপাঠকরা, পুলিশের ধারণা ড্রাগ-রিলেটেড ক্রাইম। তিক্ত একটা হাসি ফুটল রানার ঠোঁটে। ঘটনা ধামাচাপা দেয়ায় ফেনিসের জুড়ি নেই। তিন-তিনজন মানুষ খুন হয়েছে হোটেলে, তারপরেও কোনও রকম আলোড়ন সৃষ্টি হতে দেয়নি!

    বিকেল চারটের দিকে নদীর ধারে হাঁটতে বেরুল রানা। কুয়াশাকে ডাকল সঙ্গে যাবার জন্য, কিন্তু রাজি হলো না সে। অগত্যা একাই বেরুতে হলো ওকে। ফিরে এল ঘণ্টাখানেক পর।

    রানাকে কেবিনে ঢুকতে দেখে এগিয়ে এল কুয়াশা। বলল, ‘একটু আগেভাগেই রক ক্রিক পার্কে চলে গেলে কেমন হয়? জায়গাটা সার্ভে করে রাখা যাবে, আমাদের অজান্তে কেউ অ্যামবুশ পেতে বসে থাকতে পারবে না।’

    ‘অ্যাডমিরাল হ্যামিলটনকে অবিশ্বাস করবার প্রশ্নই ওঠে না,’ মাথা নাড়ল রানা।

    ‘আমি ওঁর কথা বলছি না। যাদের কাছ থেকে ভদ্রলোক ফেনিসের খোঁজখবর নিচ্ছেন, তাদের কথা বলছি। কীভাবে বুঝব, ওদের কেউ বিশ্বাসঘাতকতা করবে না?’

    ‘আমাদের সঙ্গে যে দেখা করতে আসবেন, সেটা, কাউকে বলবেন না অ্যাডমিরাল,’ আশ্বস্ত করল রানা। ‘তবে সতর্ক থাকলে ক্ষতি নেই। ঠিক আছে, পনেরো মিনিটের মধ্যেই রওনা হব আমরা। রাস্তায় একটা ডাইনার পড়বে, ওখানে ডিনার সেরে নেয়া যাবে।’

    কথামত বেরিয়ে পড়ল ওরা। লম্বা পথ পাড়ি দিয়ে সাড়ে সাতটা নাগাদ পৌঁছল রক ক্রিক পার্কের সীমানায়, পার্কিং এরিয়ায়। জায়গাটা শূন্য, আর কোনও যানবাহন নেই। গাড়ি থেকে নেমে পার্কের ভিতর ঢুকে পড়ল দু’জনে। দু’ভাগ হয়ে গিয়ে আশপাশের অনেকখানি এলাকা ভালমত তল্লাশি করল। তবে কোনও মানুষের দেখা পেল না। আজ সন্ধ্যায় বেশ ঠাণ্ডা পড়েছে, সম্ভবত এ-কারণেই পার্কের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসেনি কেউ।

    এক ঘণ্টা পর পূর্ব-নির্ধারিত একটা স্পটে আবার মিলিত হলো দু’জনে। রিপোর্ট দেবার ভঙ্গিতে কুয়াশা জানাল, ‘কিচ্ছু দেখিনি আমি। পুরো এলাকা একেবারে ফাঁকা।’

    ‘হুম, আমারও একই কথা, ঘড়ির লিউমিনাস ডায়ালে চোখ বোলাল রানা। ‘সাড়ে আটটা বেজে গেছে। আমি গাড়ির কাছে যাচ্ছি, আপনি এখানেই থাকুন। অ্যাডমিরাল এলে প্রথমে আমি কথা বলব। তারপর সঙ্কেত দেব আপনাকে।’

    ‘কীভাবে? পার্কিং লট এখান থেকে অন্তত দুইশ’ গজ দূরে।’

    ‘ম্যাচ জ্বালব একটা।’

    ‘গুড আইডিয়া।’

    পার্কিং এরিয়ার দিকে হাঁটতে শুরু করল রানা।

    ন’টা বাজার দু’মিনিট বাকি থাকতেই হাইওয়ে একজিট ধরে বেরিয়ে আসতে দেখা গেল অ্যাডমিরাল হ্যামিলটনের লিমাজিনকে। ধীর গতিতে পার্কিং এরিয়ায় ঢুকল বিশাল গাড়িটা, রানার গাড়ির বিশ ফুট তফাতে পৌঁছে থেমে গেল। ড্রাইভিং সিটে শোফার আছে দেখে একটু তটস্থ হয়ে গেল রানা—একজন সঙ্গী নিয়ে এসেছেন অ্যাডমিরাল; তবে মানুষটাকে চিনতে পেরে কেটে গেল ভয়। নাম চার্লি, প্রাক্তন মেরিন সার্জেন্ট–অ্যাডমিরাল হ্যামিলটনের সঙ্গে গত দশ বছর ধরে আছে। শুধু শোফার নয়, নুমা চিফের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীও সে। রানার সঙ্গে ভাল পরিচয় আছে। সৎ এবং বিশ্বস্ত বলেই তাকে জানে রানা।

    ছায়ার আড়াল থেকে বেরিয়ে এল রানা, এগিয়ে গেল লিমাজিনের দিকে। ড্রাইভিং সিট থেকে নেমে পিছনের দরজার কাছে গেল চার্লি। হাতে একটা ফ্ল্যাশলাইট রয়েছে তার, এক মুহূর্তের জন্য সেটা জ্বেলে আলো ফেলল এগোতে থাকা ছায়ামূর্তির মুখে। তারপর আবার নিভিয়ে ফেলল। ভাল করেই চেনে সে রানাকে।

    ‘হ্যালো, চার্লি!’ কাছে গিয়ে বলল রানা।

    ‘নাইস টু মিট ইউ, মি. রানা,’ মুখে সৌজন্যসূচক হাসি ফুটিয়ে বলল চার্লি। ‘অনেকদিন পর দেখছি আপনাকে।

    ‘হ্যাঁ। নাইস টু মিট ইউ।’

    ‘অ্যাডমিরাল আপনার জন্য অপেক্ষা করছেন।’ পিছনের দরজা খুলে ধরল চার্লি।

    ‘জানি। একটা কথা… কয়েক মিনিট পর গাড়ি থেকে নেমে আমি একটা ম্যাচ জ্বালব। ওটা আসলে সঙ্কেত… পার্কের ভিতর থেকে আরেকজন এসে যোগ দেবে আমাদের সঙ্গে।’

    ‘কোনও অসুবিধে নেই। অ্যাডমিরাল আমাকে জানিয়েছেন, আপনারা দু’জন থাকবেন এখানে।’

    ‘আমি আসলে তোমার সিগারেট খাওয়ার অভ্যাসের কথা বলছি, চার্লি। আমি বেরুনোর আগে সিগারেট ধরিয়ো না। ম্যাচ জ্বলতে দেখলে ভুল সঙ্কেত পাবে আমার সঙ্গী। অ্যাডমিরালের সঙ্গে একান্তে কিছুটা সময় চাই আমার।

    ‘আমি যে সিগারেট খাই, সেটা মনে আছে আপনার?’ একটু অবাক হয়ে বলল চার্লি। ‘স্মরণশক্তি বটে! সতর্ক করে দিয়ে ভাল করেছেন। আমি সত্যিই একটা ধরাবার কথা ভাবছিলাম।’

    ‘সরি, একটু অপেক্ষা করতে হবে।’ বলে লিমাজিনের পিছনের সিটে উঠে পড়ল রানা, হাত দিয়ে টেনে বন্ধ করে দিল দরজা।

    গম্ভীর মুখে বসে আছেন অ্যাডমিরাল হ্যামিলটন। হাতে জ্বলন্ত সিগার। ওকে দেখতে পেয়ে চোখদুটো একটু উজ্জ্বল হলো, হাত মেলালেন আন্তরিক ভঙ্গিতে

    আর ইউ ও.কে., মাই সান?’ রানার ঘাড়ের ব্যাণ্ডেজ দেখতে পেয়ে জিজ্ঞেস করলেন অ্যাডমিরাল।

    ‘সিরিয়াস কিছু না,’ জানাল রানা। তারপর বিব্রত কণ্ঠে যোগ করল, ‘সরি, অ্যাডমিরাল। আপনাকে আবার ঝামেলায় ফেলে দিয়েছি…’

    ‘কীসের ঝামেলা?’

    ‘ইয়ে… দু’দিন পর পর একেকটা বিপদে পড়ি, আর সাহায্য চাই আপনার… নিশ্চয়ই খুব বিরক্ত হন আপনি?’

    ‘কী যে বলো না! আমার জন্য, নুমার জন্য… এমনকী সারা দুনিয়ার জন্য তুমি অতীতে যতকিছু করেছ, তার তুলনায় তোমার জন্য কী-ই বা করতে পেরেছি আমি? থাক্, বাদ দাও ওসব। কাজের কথায় এসো। কুয়াশা কোথায়?’

    ‘পার্কের ভিতরে অপেক্ষা করছে, আমি সিগনাল দিলে আসবে। চারপাশে নজর রাখছে ও, খানিক আগে পুরো এলাকায় তল্লাশিও চালিয়েছি আমরা।’

    ‘ওসবের কোনও দরকার ছিল?’

    ‘আপনার ফোনে আড়ি পাতা হতে পারে। রিস্ক নিতে চাইনি আমরা।

    ‘আমার টেলিফোনে কেউ আড়ি পাততে পারে না, রানা। স্পেশ্যালি এনক্রিপ্টেড লাইন ওটা।’

    ‘তা-ও… সতর্ক থাকা ভাল না? এবার কাজের কথা। কিছু জানতে পেরেছেন আপনি?’

    ‘ফেনিস সম্পর্কে?’ সিটে হেলান দিয়ে সিগারে টান দিলেন অ্যাডমিরাল। ‘না… এবং হ্যাঁ। না বলছি এই অর্থে যে, গোটা আমেরিকার কোনও ইন্টেলিজেন্স নেটওয়ার্কের গত পঞ্চাশ বছরের ডেটাবেজে সংঘটার উল্লেখ নেই। প্রেসিডেন্ট আমাকে গ্যারান্টি দিয়েছেন এর, তাঁকে বিশ্বাস করি আমি। ফেনিসের কথা শুনে উনি বরং চমকে গেছেন, চাইছিলেন ব্যাপারটার তদন্ত করার জন্য এখুনি ব্যবস্থা নিতে। আমি বুঝিয়ে-শুনিয়ে নিরস্ত করেছি তাঁকে যদি প্রেসিডেন্টের ঘনিষ্ঠ কেউ সত্যিই ফেনিসের চর হয়ে থাকে, তা হলে তাঁর জীবনসংশয় দেখা দেবে। এ-মুহূর্তে ও-ধরনের ঝুঁকি নেয়া যায় না।’

    ‘আমার ব্যাপারে কিছু বলেছেন প্রেসিডেন্টকে?’

    ‘চেষ্টা করেছি বলার, কিন্তু সুবিধে করতে পারিনি। এফবিআই নাকি অকাট্য প্রমাণ পেয়েছে তোমার অপরাধের, প্রেসিডেন্ট তাই কোনও রকমের তদবির শুনতে রাজি নন।

    ‘হুম। ফেনিসের ব্যাপারে হ্যাঁ-ও তো বললেন, সেটা কী?’

    হার্ড এভিডেন্স নেই, কিন্তু ভাসা ভাসা কিছু আভাস পেয়েছি সংঘটার। ইন্টেলিজেন্স জগতের সবচেয়ে পুরনো পাঁচজন মানুষের সঙ্গে কথা বলেছি। ওদের মধ্যে তিনজন ফেনিস সম্পর্কে জানেন সংঘটা আঘার উদয় হয়েছে শুনে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ওরা, ওদেরকে প্রতিহত করার জন্য আগ বাড়িয়ে সাহায্য করতে চেয়েছে। কিন্তু বাকি দু’জনের

    দু’জনের প্রতিক্রিয়া একেবারে অন্যরকম—ফেনিসের নাম-ই নাকি শোনেনি ওরা। ব্যাপারটা একেবারে অবিশ্বাস্য-নিরেট তথ্যপ্রমাণ না থাকতে পারে, অন্তত নাম তো জানা থাকার কথা। একটু খোঁচাখুঁচি করতেই রীতিমত দুর্ব্যবহার করেছে ওরা আমার সঙ্গে। খুবই অদ্ভুত আচরণ। বন্ধু মনে করতাম ওদের দু’জনকে, অথচ ফেনিসের প্রসঙ্গ তোলায় আমার প্রতি অসৌজন্য দেখাতে বাধল না ওদের!’

    ‘এই দু’জনের নাম দিতে পারেন আমাকে?’

    ‘নিশ্চয়ই…’ বলতে বলতে ভুরু কুঁচকে উঠল অ্যাডমিরালের। তাঁর দৃষ্টি অনুসরণ করে লিমাজিনের জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল রানা—গাছপালার ফাঁক দিয়ে ক্ষণে ক্ষণে ঝিলিক দিয়ে উঠছে আলো। একের পর এক ম্যাচের কাঠি জ্বালছে কেউ।

    কপালে ভাঁজ পড়ল রানার ম্যাচ জ্বেলে সঙ্কেত দেবার কথা ওর, কুয়াশা জ্বালছে কেন? ভাল করে তাকাতেই একটা ছন্দ লক্ষ করল আলোর মধ্যে—মোর্স কোড! তাতে উল্লেখ করা হচ্ছে একটা মাত্র শব্দ— বিপদ!

    ঝট করে অ্যাডমিরাল হ্যামিলটনের দিকে ফিরল রানা।

    ‘কী হয়েছে?’ নুমা চিফের চোখে বিভ্রান্ত দৃষ্টি।

    আপনার ফোন লাইনটা আসলে কতখানি নিরাপদ, অ্যাডমিরাল?’ জিজ্ঞেস করল রানা।

    ‘হান্ড্রেড পার্সেন্ট।’ জোর কণ্ঠে জানালেন হ্যামিলটন। ‘কেউ আড়ি পাতার চেষ্টা করলেও সেটা জানতে পারি আমি।’

    সুইচ টিপে জানালার কাঁচ নামাল রানা। ডাকল শোফারকে, ‘চার্লি, এদিকে এসো।’ কাছে এলে জানতে চাইল, ‘তোমাদেরকে কেউ ফলো করেছে?’

    ‘না, মি. রানা,’ মাথা নাড়ল চার্লি। পিছনে সারাক্ষণ একটা চোখ রেখেছি আমি। অ্যাডমিরাল সতর্ক করে দিয়েছিলেন। গাছের ওখানের ম্যাচ জ্বালছে কে? আপনার বন্ধু নাকি?

    ‘হ্যাঁ। ওর ধারণা, আমরা ছাড়াও আরও লোক হাজির হয়েছে এখানে।

    ‘অসম্ভব!’ বলে উঠলেন হ্যামিলটন। ‘কেউ ফলো করেনি আমাদেরকে, এই মিটিঙের খবরও ফাঁস হবার উপায় ছিল না। যদি কেউ এখানে এসে থাকে, সেটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আফটার অল, এটা একটা পাবলিক পার্ক।

    ‘কিছু মনে করবেন না, স্যর, ব্যাপারটা অত সহজ নয়। কোনও হেডলাইট দেখিনি আমরা, গাড়িও দেখা যাচ্ছে না আশপাশে। যে-ই এসে থাকুক, নিজেকে লুকিয়ে রাখার চেষ্টা করছে। পার্কে বেড়াতে আসা সাধারণ মানুষের আচরণ নয় ওটা।

    ‘কিন্তু কীভাবে পৌঁছুল এখানে?’

    ‘ফলো করার অনেক টেকনিক আছে। আপনার গাড়িতে কোনও ধরনের হোমিং ডিভাইস ফিট করা হয়েছে কি না, রওনা হবার আগে সেটা চেক করে দেখেছেন?’

    ‘গুড গড!’ আঁতকে উঠলেন হ্যামিলটন। ‘এখন কী করা?’

    দরজা খুলে নেমে পড়ল রানা। চার্লিকে বলল, ‘গাড়িতে উঠে ইঞ্জিন চালু করো। আমি হোমিং ডিভাইস সরাবার ব্যবস্থা করছি। তারপর সবাই কেটে পড়ব এখান থেকে। পার্কিং লট থেকে বেরুনোর সময় উত্তরদিকের রাস্তার পাশে একটু থেমো।’

    ‘আপনার বন্ধুর কী হবে?’

    ‘ওর জন্যেই থামতে বলছি। দরজা খুলে ধরব আমি, ও যাতে দৌড়ে এসে উঠে পড়তে পারে গাড়িতে।’

    ‘এক মিনিট, মি. রানা,’ বাধা দিয়ে বলল চার্লি। ‘বিপদ যদি দেখা দেয়, কারও জন্য থামব না আমি। না আপনার জন্য… না আপনার কোনও বন্ধুর জন্য। একটাই দায়িত্ব আমার: অ্যাডমিরালকে রক্ষা করা। অন্য কারও জন্য ঝুঁকি নেয়া সাজে না আমার।’

    ‘তর্ক কোরো না, চার্লি!’ গরম গলায় বলল রানা। ‘যা করতে বলছি, ভেবে-চিন্তেই বলছি।’

    ‘ওর কথা শোনো, চার্লি!’ বলে উঠলেন হ্যামিলটন।

    ‘ইয়েস, স্যর। আপনি যা বলেন।‘

    তাড়াতাড়ি লিমাজিনের পিছনে গিয়ে শুয়ে পড়ল রানা, ঢুকে গেল গাড়ির তলায়। হোমিং ডিভাইস ফিট করার জন্য ট্রাঙ্কের তলার অংশটাই সবচেয়ে আদর্শ। চার্লির ফ্ল্যাশলাইটটা নিয়ে এসেছে, ওটা জ্বেলে খুঁজতে শুরু করল জিনিসটা। কয়েক সেকেণ্ড পরেই গর্জে উঠল ইঞ্জিন, ড্রাইভিং সিটে উঠে কথামত স্টার্ট দিয়েছে চার্লি। শব্দটা হবার সঙ্গে সঙ্গে নরক ভেঙে পড়ল চারপাশে।

    অন্ধকার ভেদ করে শক্তিশালী একটা আলোকরশ্মি আছড়ে পড়ল অ্যাডমিরাল হ্যামিলটনের বিশাল গাড়িটার উপর। পরমুহূর্তে আকাশ-বাতাস কাঁপিয়ে গর্জে উঠল মেশিনগান। রানা তখনও হোমিং ডিভাইসটা খুঁজে পায়নি; দু’পাশে গাড়ির পিছনের চাকার কর্কশ আওয়াজ শুনল, হুট করে লিখাজিনটা সরে গেল ওর শরীরের উপর থেকে। গুলির প্রথম ধারায় এরই মধ্যে ওটার ডানপাশের কাঁচ চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে গেছে। শরীরে সৃষ্টি হয়েছে বেশ ক’টা ফুটো।

    উন্মুক্ত পার্কিং লটের মাঝখানে চিৎ হওয়া অবস্থায় নিজেকে নাঙ্গা মনে হলো রানার। আত্মরক্ষার উপায় নেই, এই বুঝি বুলেটের মুষলধারা ওকে ছিন্নভিন্ন করে ফেলে! কিন্তু বাস্তবে তা ঘটল না। আততায়ী যে-ই হোক, লিমাজিনকে ঠেকানো তার প্রধান লক্ষ্য; ক্রমাগত গুলি ছুঁড়ছে গাড়িটাকে টার্গেট করে।

    নিয়ন্ত্রণ হারানোর ভঙ্গিতে লিমাজিনকে এদিক-ওদিক দোল খেতে দেখল রানা, মুখ ঘুরিয়ে পার্কিং লট থেকে বেরিয়ে যাবার জন্য চার্লি যুদ্ধ করছে স্টিয়ারিং হুইল নিয়ে। শেষ পর্যন্ত তীক্ষ্ণ একটা চক্কর খেয়ে ঘুরে গেল বটে, কিন্তু কর্কশ শব্দ তুলে বন্ধ হয়ে গেল ইঞ্জিন। হেডলাইটের আলোয় দু’জন মানুষকে গাড়ির দিকে ছুটে আসতে দেখল রানা, হাতে অটোমেটিক রাইফেল। দেরি করল না ও, গড়ান দিয়ে ফায়ারিং পজিশনে গেল, সিগ-সাওয়ার তাক করে নিমেষে গুলি ছুঁড়ল লোকদুটোকে লক্ষ্য করে।

    ভারী বুলেটের আঘাতে ছুটন্ত অবস্থায় হুমড়ি খেল দুই খুনি, মুখ থুবড়ে আছড়ে পড়ল কংক্রিটের উপর। অক্কা পেয়েছে সঙ্গে সঙ্গে।

    আরেকদফা গুলিবর্ষণ করল মেশিনগান—দাঁড়িয়ে থাকা লিমাজিনের বামপাশের কাঁচ এবার গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে ঝরে পড়ল। চেসিসটা মোরব্বার মত গর্ত হয়ে যেতে বসেছিল, কিন্তু পিস্তলের একটা সিঙ্গেল শটের শব্দ শোনা গেল, পরমুহূর্তে থেমে গেল মেশিনগানের গর্জন।

    ঘাড় ফিরিয়ে গুলির উৎসের দিকে তাকাল রানা। কুয়াশা ছুটে আসছে ওদিক থেকে। চেঁচিয়ে বলল, ‘ব্যাটাকে ঘায়েল করেছি আমি, রানা। তবে আরও লোক আছে ওদের। আমাদের গাড়িটা নিয়ে এসো! পালাতে হবে আমাদেরকে।

    ওর কথার সত্যতা প্রমাণের জন্যই যেন দূর থেকে ভেসে এল উত্তেজিত চেঁচামেচির আওয়াজ। একটা গাড়ির ইঞ্জিন জ্যান্ত হয়ে উঠল কোথাও।

    ফ্যাল ফ্যাল করে বিধ্বস্ত লিমাজিনের দিকে তাকাল রানা। অ্যাডমিরাল হ্যামিলটন… কী অবস্থা ওঁর?

    রানার মনের কথা পড়তে পারছে কুয়াশা। বলল, ‘আমি দেখছি অ্যাডমিরালকে। তুমি গাড়ি নিয়ে এসো।’

    দু’দিকে ছুটল দু’জনে–কুয়াশা লিমাজিনের দিকে, রানা ওদের গাড়ির দিকে। কপাল ভাল, ওটা এখনও অক্ষত আছে। ইঞ্জিন চালু করে সবেগে আগে বাড়ল, ব্রেক কষল লিমাজিনের পাশে এসে। খুলে দিল দরজা।

    লিমাজিন থেকে ধরাধরি করে অ্যাডমিরাল হ্যামিলটনকে বের করে আনল কুয়াশা আর চার্লি। জ্ঞান হারিয়েছেন নুমা চিফ, সারা শরীর রক্তাক্ত, গুলি লেগেছে নিঃসন্দেহে; আঘাত কতটা গুরুতর, তা বোঝা যাচ্ছে না। বিস্ময়ের ব্যাপার হলো চার্লি অনেকটাই অক্ষত, ভাঙা কাঁচের টুকরোয় শরীরের বিভিন্ন জায়গা কেটে যাওয়া ছাড়া আর কিছু হয়নি। মেশিনগানের সমস্ত গুলি লিমাজিনের প্যাসেঞ্জার সিট লক্ষ্য করে ছোঁড়া হয়েছে, শোফারকে নিয়ে মাথা ঘামায়নি আততায়ী।

    গাড়ির পিছনের সিটে অ্যাডমিরাল-সহ চার্লিকে উঠিয়ে দিল কুয়াশা। নিজে বসল রানার পাশে। নিচু গলায় বলল, ‘মুভ! ভদ্রলোককে যত দ্রুত সম্ভব হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে আমাদের।’

    ঘাড় ফেরাল রানা, আর ঠিক সেই সময় ঝোপ-ঝাড় ফুঁড়ে পার্কিং লটে বেরিয়ে এল দুটো মার্সিডিজ। এক সেকেণ্ডের বেশি দেখল না ও, হ্যাণ্ডব্রেক রিলিজ করে মেঝের সাথে চেপে ধরল অ্যাকসেলারেটর, ঝড়ের বেগে বেরিয়ে এল পার্কিং লট থেকে। ছুটতে শুরু করল হাইওয়ে ধরে

    বামদিকের রিয়ারভিউ মিররে তাকাল রানা। মার্সিডিজ দুটো পিছু নিয়েছে, মাত্র তিনশো মিটার দূরে ওগুলো। পরমুহূর্তে দৃশ্যটা চুরমার হয়ে গেল একঝাঁক বুলেট ছুটে এসে আয়নার কাঁচ গুঁড়িয়ে দেয়ায়।

    ‘মেঝের সাথে সেঁটে থাকো!’ চার্লির উদ্দেশে চিৎকার করল রানা।

    সিটের সামনে, মেঝের উপর অ্যাডমিরালকে নিয়ে কুণ্ডলী পাকাল চার্লি। আহত মানুষটাকে দু’হাতে জড়িয়ে ধরে রেখেছে।

    সামনের সিটে কুঁকড়ে যতটা সম্ভব ছোট হয়ে গেছে কুয়াশা। ‘এটার টপ স্পিড কত?’ জানতে চাইল ও।

    ‘পুরনো আমলের টয়োটা… আশি-নব্বুইয়ের উপরে যাওয়া যাবে বলে মনে হচ্ছে না।’ জবাব দিল রানা। ‘কেন, পিছনের ওগুলো কী?’

    ঝট করে ঘুরল কুয়াশা, দরজার উপর ঝুঁকে উঁকি দিল পিছনে। ‘সামনে থেকে দেখে ঠিক বোঝা যাচ্ছে না কোন্ মডেলের মার্সিডিজ, তবে সম্ভবত থ্রি হান্ড্রেড এস.ডি.এল.।’

    ‘ডিজেল?’

    টার্বো চার্জড ডিজেল, ঘণ্টায় দুশো বিশ কিলোমিটার ছুটতে পারে।’

    পায়ের চাপ দিয়ে মেঝের সাথে সেঁটে ধরল রানা ক্লাচ। গিয়ার বদলে পাঁচ নম্বরে দিল। ‘নাগালের বাইরে থাকার চেষ্টা করব। আপনি গুলি ছুঁড়ে ওদেরকে পিছাতে বাধ্য করুন।’

    মাথা ঝাঁকিয়ে জানালা দিয়ে শরীর বের করে দিল কুয়াশা এক ঝাঁক গুলি ছুঁড়ল একটা মার্সিডিজকে লক্ষ্য করে। মাজ থেকে মাত্র পাঁচটা বুলেট বেরুল, অ্যামুনিশন ক্লিপ খালি হয়ে গেছে। আরেকটা ক্লিপের সন্ধানে পকেট হাতড়াতে শুরু করল, কিন্তু পেল না। ছোটাছুটির সময় নিশ্চয়ই পড়ে গেছে পার্কে।

    ‘আমার অ্যামিউনিশন শেষ,’ জানাল ও।

    এক হাতে সিগ-সাওয়ারটা বাড়িয়ে ধরল রানা। ‘গুলিতে কাজ হচ্ছে?’

    ‘হ্যাঁ, কিন্তু ওরা পাল্টা গুলি করছে না কেন, বুঝতে পারছি না। বোধহয় অ্যামিউনিশন বাঁচাচ্ছে।’

    ‘উঁহুঁ, আমাদেরকে মাঝখানে রেখে স্যাণ্ডউইচ তৈরি করতে চাইছে,’ বলল রানা। ‘যাতে মিস না করে।’ রাস্তার দিকে চোখ, তবে মাথার ভিতর পালানোর পথ খোঁজার কাজ চলছে দ্রুত। বুঝেশুনে ফায়ার করুন। স্পেয়ার ক্লিপ নেই আমার কাছে। চার্লি, তোমার কাছে পিস্তল আছে?’

    ‘সরি, মি. রানা,’ জানাল অ্যাডমিরালের শোফার কাম দেহরক্ষী। ‘তাড়াহুড়োয় আমারটা লিমাজিনের গ্লাভ কম্পার্টমেন্টে ফেলে এসেছি।’

    ‘কী করা যায় তা হলে?’ জিজ্ঞেস করল কুয়াশা।

    আসার আগে এই এলাকার ম্যাপ স্টাডি করে এসেছে রানা। স্মরণ করল কী দেখেছে। বলল, ‘সামনে একটা স্কি-রিসোর্ট পড়বে। ট্রেইল পাবো ‘রাস্তার পাশে, স্কি রান-এর চূড়ায় উঠে গেছে। পিছনের ওদেরকে যদি কিছুটা সময় আটকে রাখা যায়, তা হলে জঙ্গলের ভিতর ঢুকে যেতে পারব। গাছপালার ভিতর দিয়ে বেশি জোরে ছুটতে পারবে না ওরা, হয়তো পালাতে পারব ওদেরকে ফাঁকি দিয়ে। হাইওয়েতে থাকলে বাঁচার কোনও আশা নেই।

    ‘সামনে কতদূর?’

    ‘পরের বাঁকের কাছাকাছি

    ‘কিন্তু হাইওয়ে ছাড়লে আমাদের স্পিডও কমবে,’ বলল কুয়াশা। ‘উল্টো বিপদ দেখা দেবে না তো?’

    ‘এরচেয়ে ভাল কোনও আইডিয়া থাকলে বলতে পারেন।

    পিছনদিকে তাকাল কুয়াশা। মাত্র পঁচাত্তর মিটার দূরে শত্রুরা, দূরত্ব প্রতি মুহূর্তে কমছে। বুঝতে পারল, আর কোনও বিকল্প নেই। কাঁধ ঝাঁকিয়ে বলল, ‘ঠিক আছে, রানা। তোমার প্ল্যানই ফলো করব আমরা। গাড়িকে একটা সরলরেখায় ধরে রাখো, আমি দেখছি ওদের কতটা ক্ষয়ক্ষতি করা যায়।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)
    Next Article মাসুদ রানা ১৫৯-১৬০ – আবার উ সেন (দুইখণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }