Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই কুয়াশা ১.১৩

    তেরো

    বোটের গানেল টপকে অগভীর পানিতে নেমে পড়ল রানা, কোমর পর্যন্ত ডুবে গেল তাতে। পানি ভেঙে তীরের দিকে এগোল ও, দু’হাতে হ্যাভারস্যাক আর ডাফল ব্যাগ উঁচু করে ধরেছে। সৈকত বলতে কিছু নেই খালের পারে, ছোট-বড় নানা আকারের পাথর দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে দু’ধার—ভাঙন ঠেকানোর জন্য। ওখানে পৌঁছে দ্রুত খোলা জায়গা পেরুল রানা, ঢুকে পড়ল গাছপালার ভিতরে। বোটের ক্যাপ্টেন সতর্ক করে দিয়েছে—তীরের কাছটায় টহল দেয় পুলিশ। কাউকে সন্দেহ হলেই আটক করে। ঘুষ দিলে মুক্তি মিলবে, এমন গ্যারান্টি নেই।

    মাটিতে হাতের বোঝা নামিয়ে রাখল রানা, ডাফল ব্যাগের ভিতর থেকে বের করল কর্ডের ট্রাউজার, এক জোড়া অ্যাঙ্কেল বুট, গাঢ় রঙের সোয়েটার, আর একটা উলের জ্যাকেট। সবই সেকেণ্ড হ্যাণ্ড, প্যারিস থেকে কিনেছে। এ-পোশাকে ওকে স্থানীয় অধিবাসীর মত দেখাবে। কাপড় বদলে নিল ও, ভেজা পোশাক একটা পলিথিন ব্যাগে পুরে ঢুকিয়ে রাখল ব্যাগের ভিতর। হাঁটতে শুরু করল ঢালু পথ ধরে, দ্বীপের মূল সড়কের দিকে। বিভিন্ন কাজে কর্সিকায় অতীতে কয়েকবারই এসেছে রানা, রাস্তাঘাট মোটামুটি চেনা আছে। দূর থেকে ভিলা বারেমির ধ্বংসস্তূপ দেখেছে একবার। তখন অবশ্য জানত না, কতবড় রহস্য জড়িয়ে আছে ওটার সঙ্গে।

    রাস্তায় পৌছে টুপিটা কপালের উপর একটু টেনে দিল রানা। হাঁটতে হাঁটতে ভাবল কুয়াশার কথা। কোথায় লোকটা? কর্সিকায় নিরাপদে পৌঁছুতে পেরেছে তো? এখন কি পোর্তো ভেচিয়োর পাহাড়ি এলাকায় অপেক্ষা করছে ওর জন্য? খুব শীঘ্রি জানা যাবে জবাব। স্থানীয় লোকজনের মাঝে ওর মত বিদেশি একজন আগন্তুককে খুঁজে পেতে কষ্ট হবে না।

    ঘড়ি দেখল রানা। বেলা সাড়ে এগারোটা বাজে। জ্যাকেটের ভিতর থেকে একটা ম্যাপ বের করে নিজের লোকেশন আন্দাজ করার চেষ্টা চালাল। সেইণ্ট লুসি থেকে সম্ভবত আড়াই মাইল দক্ষিণে আছে ও। সোজা পশ্চিমে গেলে কাউণ্ট বারেমির এলাকা। তবে ওখানে যাবার আগে একটা বেস অভ অপারেশন দরকার; এমন একটা জায়গা, যেখানে নিজের বাড়তি জিনিসপত্র লুকিয়ে রেখে যেতে পারবে। হোটেল বা সরাইখানা হলে চলবে না, ওসব জায়গায়, ওর মত অচেনা মানুষকে দেখে মনে রাখবে সবাই।  জায়গাটা হতে হবে নির্জন; বনের ভিতরে হলেই ভাল হয়। কাছাকাছি পানির উৎস আর ছোটখাট দু’একটা দোকান থাকা দরকার, যা-তে সহজে খাবার জোগাড় করা যায়। কতদিন পোর্তো ভেচিয়োয় থাকতে হবে, বলা যায় না। সবই নির্ভর করছে ও আর কুয়াশা কতদিনে ফেনিস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করতে পারে, তার ওপর।

    কিছুদূর এগোবার পর একটা পায়ে হাঁটা পথ দেখতে পেল ও, দ্বীপের মূল সড়কের পাশ থেকে শুরু হয়ে পশ্চিমদিকে চলে গেছে। সম্ভবত পশুচারণের জন্য রাখালেরা ব্যবহার করে ওটা, একেবারে সরু, গাড়ি যেতে পারবে না। হ্যাভারস্যাকের স্ট্র্যাপ ভাল করে এঁটে নিল, ডান হাত থেকে বাম হাতে নিল ডাফল ব্যাগ, তারপর ওই পথে নেমে পড়ল রানা।

    দুপুর পৌনে একটা নাগাদ দ্বীপের ছ’মাইল ভিতরে ঢুকে পড়ল ও। আঁকাবাঁকা পথে এগিয়েছে, খোলা জায়গায় বেশিক্ষণ থাকেনি। অবশেষে যা খুঁজছিল, তা পেয়ে গেল। পাহাড়ির ঝর্ণার কিনারে বনের একটা অংশ আচমকা উঁচু হয়ে উঠেছে, বড় বড় কর্সিকান পাইন আর ঝোপ-জঙ্গল মিলে সবুজ এক প্রাচীর সৃষ্টি হয়েছে ওখানে। মানুষ এবং জিনিসপত্র… দুটোই লুকানোর জন্য আদর্শ। দক্ষিণ-পশ্চিমে, মাইলখানেক দূর দিয়ে গেছে আরেকটা পথ—উঠে গেছে পাহাড়ি ঢাল বেয়ে। ম্যাপ মিলিয়ে নিল রানা; নিশ্চিত হলো, ওই পথ ধরে পৌছুনো যাবে কাউন্ট বারেমির এলাকায়। খুব বেশি সময়ও লাগবে না।

    ঝর্ণা পেরিয়ে পাইন গাছের তলায় চলে গেল ও। ডাফল ব্যাগ থেকে ছোট একটা শাবল বের করে মাটি খুঁড়তে শুরু করল। গর্তের ভিতর লুকিয়ে ফেলল ব্যাগ আর হ্যাভারস্যাক। তার আগে বদলে নিল কাঁধ ও পায়ের ব্যাণ্ডেজ। ধুয়ে নিল হাত-মুখ। সঙ্গে আনা বিস্কিট দিয়ে লাঞ্চ সারল। তারপর হাত-পা ছড়িয়ে শুয়ে পড়ল গাছের ছায়ায়। বিশ্রাম না নিলে শরীর আর চলতে চাইছে না।

    ঘুম এল না সহজে, নানা রকম চিন্তায় আচ্ছন্ন হয়ে রইল মন। শেষ পর্যন্ত যখন চোখ মুদল, দুঃস্বপ্ন দেখল ঘুমের মাঝে!

    হঠাৎ জেগে উঠল রানা। নড়ল না সঙ্গে সঙ্গে, নিঃসাড়ে পড়ে থেকে বোঝার চেষ্টা করল ঘুম ভাঙার কারণ। খেয়াল করল, বেলা পড়ে এসেছে। ঘড়িতে বিকেল চারটে বাজে। গাছের পাতার ফাঁক দিয়ে ঢুকে পড়া রোদের তেজ কমে গেছে অনেক। আকাশে আতঙ্কিত ভঙ্গিতে ডানা ঝাপটাচ্ছে অনেকগুলো পাখি, ওগুলোর আওয়াজেই আসলে নিদ্রাভঙ্গ হয়েছে ওর। কিন্তু পাখিগুলো এমন

    করছে কেন?

    ধীরে ধীরে উঠে বসল রানা, পরমুহূর্তে শুনতে পেল নতুন আওয়াজ। বনের ভিতরে ছোটাছুটি করছে মানুষ, আবছাভাবে তাদের উত্তেজিত কণ্ঠস্বর ভাসছে বাতাসে। কপালে ভাঁজ পড়ল। ওর। কেউ ওকে দেখে ফেলেছে? তা কী করে হয়? উবু হয়ে ঝোপের পাশে গেল ও, পাতা সরিয়ে উঁকি দিল সন্তর্পণে।

    একশো গজ দূরে, ঝর্ণার অন্য পাড়ে স্থানীয় দু’জন যুবককে দেখতে পেল রানা—মাচেটি চালাতে চালাতে বেরিয়ে এসেছে জঙ্গল ভেদ করে। দু’জনেরই কোমরে ঝুলছে পিস্তল। পানির ধারে পৌঁছে থেমে গেল ওরা, ব্যস্তভাবে নজর বোলাল চারপাশে, হাবভাবে মনে হলো, কিংকর্তব্য ঠিক করতে পারছে না। শিকারী নাকি? বুনো হরিণ শিকারে বেরিয়েছে?

    রানার ধারণাকে ভ্রান্ত প্রমাণ করে শোনা গেল চিৎকার। দুই। যুবকের কণ্ঠ থেকে ভেসে আসেনি সেটা, এসেছে বনের ধারের ফাঁকা মাঠ থেকে।

    ‘ইল্ উয়োমো। একোলো! ইল্ ক্যাম্পো!!’

    বুনো পশু না, মানুষ শিকারে বেরিয়েছে ওরা! চিৎকার শুনেই পিস্তল হাতে নিয়ে দুই যুবক যেভাবে ছুটে চলে গেল, তাতে বোঝা গেল, শিকারকে দেখামাত্র খুন করে ফেলবে। কিন্তু কাকে খুঁজছে ওরা? কুয়াশাকে?

    কেন যেন বাঙালি বিজ্ঞানীর নামটাই মাথায় এল রানার। অদ্ভুত একটা অনুভূতি হলো সঙ্গে সঙ্গে, ষষ্ঠ ইন্দ্রিয় বলে উঠল—অনুমানটা ভুল নয়। কিন্তু কেন? কুয়াশা কি এরই মধ্যে কিছু জেনে ফেলেছে?

    পাইন গাছের আড়ালে এসে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে ভাবল রানা। রাস্তা ধরে পোর্তো ভেচিয়োতে চলে যেতে পারে, কুয়াশার জন্য অপেক্ষা করতে পারে ওখানে। লুকিয়ে থাকার জন্য ঝর্ণার ধারের এ-জায়গাটা আদর্শ, অনায়াসেই সূর্যাস্ত পর্যন্ত কাটিয়ে দিতে পারবে এখানে, এরপর অন্ধকারের আড়াল ব্যবহার করে পোর্তো ভেচিয়োয় পৌঁছুতে কষ্ট হবে না। সমস্যা হলো, অনেকটা সময় বসে থাকতে হবে এতে; অথচ কী ঘটেছে, তা জানার জন্য ছটফট করছে মন। একটাই বিকল্প আছে সামনে—শিকারীদেরকে অনুসরণ করা, কম সময়ে কুয়াশাকে নাগালে পাবার এটাই সহজ উপায়। ওটাই করবে বলে সিদ্ধান্ত নিল রানা।

    বিকেল সাড়ে পাঁচটায় প্রথমবারের মত কুয়াশার দেখা পেল ওপাহাড়ি এক ঢাল ধরে ঊর্ধ্বশ্বাসে ছুটছে। অস্তায়মান সূর্যের আলোয় আবছাভাবে আলোকিত দীর্ঘ দেহটা লক্ষ্য করে কয়েকটা গুলি ছুঁড়ল উত্তেজিত জনতা, কিন্তু লাগাতে পারল না। একটু পরেই মুচকি হাসি ফুটল রানার ঠোঁটে—কুয়াশার কৌশল বুঝতে পেরে। পালাবার চেষ্টা করছে না লোকটা, বরং শত্রুদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়িয়ে দিয়ে একজনকে কবজা করতে চাইছে। মন্দ নয় বুদ্ধিটা, দুঃসাহসিকও বটে—শত্রুর এলাকায় শত্রুকেই আটক করা! কেউ আশা করবে না ব্যাপারটা

    লম্বা লম্বা ঘাসে ঢাকা সমভূমির মাঝখানে ঘাপটি মেরে আশপাশের এলাকা জরিপ করল রানা। সন্ধ্যার বাতাসে বার বার * নুয়ে পড়ছে ঘাসের ডগা, উন্মুক্ত হয়ে যাচ্ছে দৃষ্টিসীমা-সুবিধেই হলো এতে। কুয়াশার পরবর্তী পদক্ষেপ, সেইসঙ্গে কোথায় ওকে ইন্টারসেপ্ট করা যায়—বোঝার চেষ্টা করল। উত্তরদিকে যাচ্ছে লোকটা, মাইলখানেক গেলে পর্বতসারির গোড়ায় পৌছুবে। থামবে ওখানেই, কারণ পাহাড়ের উপরে উঠে কোনও লাভ হবে না। তারমানে আবার ফিরে আসবে সে, দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে এগোবে, যাতে ধাওয়াকারীদের সামনে পড়ে না যায়। ওদিকেই কোথাও ডাইভারশন সৃষ্টি করবে, বিশৃঙ্খলার মাঝে পাতবে ফাঁদ, আটক করবে কাউকে।

    ওই সময়টাতেই কুয়াশাকে ইন্টারসেপ্ট করতে হবে। আগে করা গেলে ভাল হতো, কারণ ফাঁদ নিয়ে যখন সে ব্যস্ত থাকবে, তখন যে-কোনও ধরনের অ্যাপ্রোচ ঝুঁকিপূর্ণ। ওকে শত্রু ভেবে বসতে পারে কুয়াশা। কিন্তু আর কোনও উপায়ও নেই। ডাইভারশন এবং কনফিউশন ছড়াবার জন্য ছোটাছুটি করছে কুয়াশা, তার মাঝে ওর ধারেকাছে পৌঁছনো সম্ভব নয়। তাই হামাগুড়ি দিয়ে দক্ষিণ-পশ্চিমদিকে এগোতে শুরু করল রানা।

    ধীরে ধীরে দূর পাহাড়ের আড়ালে মুখ লুকাল সূর্য। গোটা এলাকার ছায়াগুলো দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর… গাঢ় থেকে গাঢ়তর হলো। পাহাড়ি এলাকা ঢেকে যেতে শুরু করল নিকষ অন্ধকারে। কিন্তু কুয়াশার কোনও চিহ্ন দেখতে পেল না রানা। যেখানে তাকে আশা করছে ও, সেখানকার পেরিমিটারের ভিতর ঘোরাফেরা করতে থাকল। সন্ধ্যার আবছায়া পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে নিচ্ছে  চোখ, কান খাড়া করে রেখেছে অস্বাভাবিক শব্দ শোনার জন্য। কিন্তু না, নেই কুয়াশা।

    চলাচলের সুবিধার্থে কাঁচা রাস্তার দিকে গেছে নাকি লোকটা? অমন কাজ করে থাকলে মস্ত বোকামি করেছে। পুরো এলাকা এখন জ্যান্ত হয়ে আছে সার্চ-পার্টির হট্টগোলে। ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে সবাই চিরুনি-তল্লাশি চালাচ্ছে—একেক দলে দুই থেকে ছ’জন মানুষ, প্রত্যেকে সশস্ত্র— ছুরি, বন্দুক বা মাচেটি… কিছু না কিছু আছে সবার কাছে। আর আছে ফ্ল্যাশলাইট আলোকরশ্মিগুলো ডানে-বামে ঘুরছে, ক্ষণে ক্ষণে ভেদ করছে পরস্পরকে, যেন অত্যাধুনিক সিকিউরিটি সিস্টেমের ইন্টারসেক্টিং লেজার। ঢাল ধরে আরও উঁচুতে উঠে যেতে শুরু করল রানা। ফ্ল্যাশলাইটের আলোকরশ্মিগুলোই এখন বাঁচাচ্ছে ওকে উন্মত্ত, খুনে কর্সিকানদের হাত থেকে। ওগুলো দেখেই ও বুঝতে পারছে, কখন এগোতে হবে, কখনই বা থেমে যেতে হবে।

    দুটো আলোকরশ্মির মাঝখান দিয়ে পথ করে ছুটছিল রানা, আচমকা থেমে গেল গরগর করতে থাকা একটা পশুকে দেখতে পেয়ে—চোখ বড় করে ওটা তাকিয়ে আছে ওর দিকে। ছুরি বের করে ফেলেছিল রানা, থেমে গেল প্রাণীটার পরিচয় টের পেয়ে। সাধারণ এক পোষা কুকুর-পশুচারণের সময় গরু-ছাগল আর ভেড়ার পালকে একাটা রাখার জন্য ব্যবহার করে রাখালরা। মোটেই হিংস্র নয়। কাছে গিয়ে সতর্কভাবে কুকুরটার গায়ে হাত বোলাল ও, বাধা পেল না। গরগরানি থেমে গেল, গুটিসুটি মেরে মাটিতে বসে পড়ল প্রাণীটা। ফ্ল্যাশলাইটের আলো এগিয়ে আসছে দেখে তাড়াতাড়ি ওখান থেকে সরে গেল রানা।

    মাটিতে অর্ধেক দেবে থাকা একটা বড় বোল্ডারের পিছনে পৌঁছে থামল ও। দম ফিরে পাবার জন্য অপেক্ষা করল একটু, তারপর বোল্ডারের পাশ দিয়ে উঁকি দিল নীচে। পাহাড়ি ঢাল আর প্রান্তরে পাগলের মত নেচে বেড়াচ্ছে শত শত আলোকরশ্মি, সার্চ-পার্টির অবস্থান বোঝা যাচ্ছে পরিষ্কার। ওর কাছাকাছি নেই একটাও। আবছাভাবে একটা সরাইখানার কাঠামো দেখতে পেল দূরে, ওটার সামনে দিয়ে গেছে পায়ে হাঁটা পথ। সরাইখানার একশো গজ দক্ষিণে চওড়া রাস্তা—পোর্তো ভেচিয়োতে যেতে হয় ওটা দিয়ে। মশাল আর ফ্ল্যাশলাইটের ভিড় দেখে বোঝা গেল, রাস্তাটা অবরোধ করে রেখেছে কর্সিকানরা

    নরক-গুলজার চলছে পুরো এলাকা জুড়ে। রানার কানে ভেসে আসছে মানুষের উত্তেজিত চিৎকার, কুকুরের ডাক আর ঝোপঝাড়ের মাঝে মাচেটি চালানোর আওয়াজ। অদ্ভুত, ভীতিকর এক দৃশ্য—একটা দেহও দেখা যাচ্ছে না, অন্ধকারের মাঝে শুধু নেচে বেড়াচ্ছে আলোর রেখা, অদৃশ্য সুতোয় বেঁধে ওগুলো নিয়ে যেন খেলা ক্রছে কেউ

    কিছুক্ষণ পর হঠাৎ নতুন এক আলো দেখা গেল বনভূমির মাঝে। সাদাটে নয়, হলুদ-কমলা। আগুন জ্বলে উঠেছে পোর্তো ভেচিয়োর রাস্তার একপাশে। ডাইভারশনের সূচনা করেছে কুয়াশা। চমৎকার ফলও মিলল। হৈ-হৈ করে কর্সিকানরা ছুটতে শুরু করল আগুনের দিকে।

    নিজের জায়গা ছেড়ে নড়ল না রানা। বোঝার চেষ্টা করল, এই ডাইভারশনকে কীভাবে ব্যবহারের চেষ্টা করছে কুয়াশা। এরপর কী করবে সে? কীভাবে ফাঁদ পাতবে? তিন মিনিট পরেই পেয়ে গেল জবাব। বনের আরেক অংশে লাফ দিয়ে উঠল আগুনের শিখা—পোর্তো ভেচিয়োর রাস্তা থেকে সিকি মাইল বাঁয়ে। একটার জায়গায় দুটো ডাইভারশন সৃষ্টি হয়েছে এবার, বিভক্ত করে দিয়েছে কর্সিকানদেরকে। তল্লাশিতে ব্যাঘাত ঘটেছে—আগুন নেভানোর দিকে এখন সবার মনোযোগ; পাহাড়ি অরণ্যে দাবানল শুরু হলে মহা বিপদ!

    আগুনের আভায় কর্সিকানদের দেখতে পাচ্ছে রানা, পাগলের মত ছোটাছুটি করছে তারা। আরেকটা আগুন লাফিয়ে উঠল- এবারেরটা আরও বড়, প্রথম দুটোর প্রায় চারশ’ গজ দূরে। কুয়াশার তৃতীয় ডাইভারশন। আগুনের লেলিহান শিখার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে ছড়িয়ে পড়ল বিশৃঙ্খলা। কুয়াশা কোনও ঝুঁকি নিচ্ছে না। কাউকে যদি ফাঁদে ফেলতে না-ও পারে, গোলমালের সুযোগ নিয়ে সহজেই পালিয়ে যেতে পারবে।

    বোল্ডারের আড়াল থেকে বেরিয়ে এল রানা, হামাগুড়ি দিয়ে নামতে শুরু করল ঢাল বেয়ে। মাটির সঙ্গে প্রায় মিশিয়ে রেখেছে শরীর, এগোচ্ছে সরীসৃপের মত। তীক্ষ্ণ করে রেখেছে নজর। হঠাৎ রাস্তা থেকে একশো গজ পশ্চিমে এক টুকরো আলো জ্বলে উঠল, দেশলাই জ্বেলেছে কেউ। এক সেকেণ্ড জ্বলল ওটা, তারপর নিভে গেল। রানা একা না, কর্সিকানদের মধ্যেও কয়েকজন দেখতে পেয়েছে ওটা। পর পর তিনটে ফ্ল্যাশলাইটের আলো ঘুরে গেল ওদিকে। আলোর রশ্মির নাচানাচি দেখে বোঝা গেল, তিনজনেই ছুটতে শুরু করেছে ওদিকে। জানে না, কুয়াশার ফেলা টোপে সাড়া দিচ্ছে। ওদের একজনকে খুব শীঘ্রি আটক করবে দুর্ধর্ষ লোকটা

    জ্যাকেটে তলায় হোলস্টার থেকে নিজের সিগ-সাওয়ার বের করল রানা, উঠে দাঁড়িয়ে ছুটতে শুরু করল। আড়াআড়ি একটা পথ ধরে পাহাড়ি ঢাল বেয়ে নামছে কুয়াশার আনুমানিক অবস্থান লক্ষ্য করে। হয়তো সাহায্য দরকার নেই কুয়াশার, তবু যদি ধাওয়াকারীদের দু’জনকে ও ব্যস্ত রাখতে পারে, কুয়াশার প্ল্যান সফল হবে নিশ্চিতভাবে। বাড়তি একজনকে যদি আটক করা যায়, তা হলে তো আরও ভাল। জেরা করার জন্য দু’জন সাবজেক্ট পারে ওরা।

    ছোট ছোট একেকটা ছুট’ লাগাচ্ছে রানা। এক কাভার থেকে পৌঁছচ্ছে আরেক কাভারে। প্রতি কদমে বাড়ছে সতর্কতা। নজর রাখছে ঢালের নীচে নড়তে থাকা ফ্ল্যাশলাইটগুলোর উপরে। হালকা আভায় দেখতে পাচ্ছে লোকগুলোর হাতে ধরা আগ্নেয়াস্ত্র, শিকারের ছায়া দেখলেও গুলি ছুঁড়তে প্রস্তুত।

    হঠাৎ থেমে দাঁড়াল ও। একটা বৈসাদৃশ্য লক্ষ করেছে। একেবারে ডান দিকের ফ্ল্যাশলাইটটা… ওর থেকে মোটামুটি দুইশ’ গজ নীচে ওটা… নড়ছে অদ্ভুতভাবে। নড়াচড়ার ছন্দ একেবারে বেমানান। সামনে-পিছনে নয়, ওটা নড়ছে উপর-নীচে! প্রতিফলনও নেই ওটার পাশে—যত সামান্যই হোক, ফ্ল্যাশলাইটের মালিকের অন্য হাতে ধরা আগ্নেয়াস্ত্রের ধাতব শরীরে একটু হলেও প্রতিফলন ঘটবে আলোর। প্রতিফলন নেই মানে অস্ত্রও নেই।

    রহস্যটা ধরতে পেরে চমকে উঠল রানা। ফ্ল্যাশলাইটটা এ-মুহূর্তে হাতে নেই কারও, গাছের ডালে বেঁধে ডালটাই নড়িয়ে দেয়া হয়েছে! এ আরেক ডাইভারশন… ফ্ল্যাশলাইটের মালিক নিজের মুভমেন্ট লুকাতে চাইছে।

    ঝট্ করে ঘাসের আড়ালে বসে পড়ল রানা। অতিমাত্রায় সজাগ হয়ে উঠেছে। লোকটা ওর আশপাশে থাকতে পারে। আশঙ্কাটা সত্যি হয়ে উঠল মিনিটখানেকের মধ্যেই। ঘাসের প্রাচীর ভেঙে বিশালদেহী এক কর্সিকানকে উদয় হতে দেখল ও কয়েক গজ দূরে। আরেকটু হলে ‘রানার গা মাড়িয়ে দিত, গড়ান দিয়ে সরে গেল ও।

    পায়ের শব্দ হালকা হয়ে এলে উঠে দাঁড়াল রানা। বুক ধক ধক করছে। আন্দাজের উপর ভর করে পিছু নিল কর্সিকানের পাহাড়ের উত্তরদিক লক্ষ্য করে ছুটছে লোকটা, রিজের তলায় পৌছুতে চাইছে—রানাও ওদিকেই যাচ্ছিল। অল্পক্ষণে বোঝা গেল, পুরো এলাকা হাতের তালুর মত চেনে ব্যাটা; অন্ধকারেও চিতার মত ছুটছে। দূরত্ব বেড়ে যাচ্ছে রানার সঙ্গে। ছোটার গতি বাড়িয়ে দিল ও, কিছুতেই পিছিয়ে পড়া চলবে না। চোখের কোণে. ফ্ল্যাশলাইটের আলো ঝিকমিকিয়ে উঠল, ঢাল বেয়ে উঠে আসছে একজন… নিঃসন্দেহে তাকেই টার্গেট করেছে কুয়াশা।

    অনেকদূর উঠে আসার পর থেমে দাঁড়াল রানা। কর্সিকানকে দেখা যাচ্ছে না কোথাও, শোনা যাচ্ছে না পায়ের আওয়াজও। চারপাশ নিস্তব্ধ… বড্ড বেশি নীরব। মাটিতে শুয়ে পড়ল ও, অন্ধকারের ভিতর আঁতিপাঁতি করে ঘুরে বেড়াচ্ছে ওর দৃষ্টি, হাতের আঙুল চেপে বসেছে সিগ-সাওয়ারের ট্রিগারে। কিছু একটা ঘটতে চলেছে খুব শীঘ্রি। কিন্তু কোথায়? কীভাবে?

    দেড়শো গজ সামনে, একটু নীচে, ফ্ল্যাশলাইটের আলো মিটমিট করতে শুরু করেছে। না… জ্বালানো-নেভানো হচ্ছে না, আলো বাধা পাচ্ছে গাছের গায়ে। ফ্ল্যাশলাইটের মালিক পাইন গাছের একটা ঝাড়ের দিকে এগিয়ে আসছে।

    হঠাৎ লাফিয়ে উঠল আলোকরশ্মি-প্রথমে আকাশের দিকে উঠে পড়ল, তারপর আছড়ে পড়ল মাটিতে; একটু গড়িয়ে স্থির হয়ে গেল। বুঝতে পারল রানা, আঘাত হেনেছে কুয়াশা। কিন্তু ওর জানা নেই, আলোর এই সঙ্কেত দেখার জন্য আরেকজন কর্সিকান ঘাপটি মেরে আছে খুব কাছে।

    আর শুয়ে থাকার মানে হয় না। উঠে ছুট লাগাল রানা আলোর উৎসের দিকে। পাহাড়ের পাথুরে ঢালে কর্কশ শব্দ তুলছে ওর জুতোর তলা, কিন্তু পরোয়া করল না। অনেকখানি জায়গা পেরুতে হবে ওকে, এবং খুব দ্রুত। অন্ধকারে দৃষ্টি চলছে না, বোঝা যাচ্ছে না কোত্থেকে শুরু হয়েছে গাছের সারি। যদি একটু চেহারা দেখা যেত, যদি একটু আওয়াজ শোনা যেত… ভাবতে ভাবতে সচকিত হয়ে উঠল ও। আওয়াজ! চিৎকার করেই তো সতর্ক করে দেয়া যায় কুয়াশাকে। তাই করতে যাচ্ছিল, কিন্তু থমকে গেল অচেনা কণ্ঠস্বর শুনে।

    ওই তো… ত্রিশ গজ নীচে, দুটো গাছের মাঝখানে দাঁড়িয়ে আছে বিশালদেহী কর্সিকান। বাতাসে ভাসছে তার ভারী গলার আওয়াজ। মাটিতে পড়ে থাকা ফ্ল্যাশলাইটের আভায় চকচক করছে হাতে ধরা শটগান। ওদিকে ঘুরে গেল রানা, সিগ-সাওয়ার ধরা হাত প্রসারিত করছে সামনে।

    ‘তুমি ফেনিসের লোক?’ কুয়াশার গলা চিনতে পারল রানা জবাব না দিয়ে চেঁচাল কর্সিকান, ‘পার নস্ত্রো সার্কোলো!’ বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করে লোকটার পিঠে তিনবার ফায়ার করল রানা। কর্সিকানও শটগানের ট্রিগার চেপেছে, ডাবল ব্যারেলের ভয়াবহ বিস্ফোরণের তলায় চাপা পড়ে গেল ওর সিগ সাওয়ারের আওয়াজ। পরমুহূর্তে হুড়মুড় করে মাটিতে পড়ে গেল বিশালদেহী, নিথর হয়ে গেল কেঁপে উঠে।

    হামাগুড়ি দিয়ে পাইন ঝাড়ের দিকে এগোল রানা, কুয়াশার গুলি খেতে চায় না। কাছে গিয়ে ডাকল, ‘কুয়াশা?’

    ‘রানা, তুমি?’ শোনা গেল পরিচিত কণ্ঠ।

    ‘আপনার কোথাও লাগেনি তো?’

    ‘উঁহুঁ, ব্যাটা তার বন্ধুকেই ঝাঁঝরা করে ফেলেছে।’

    এগিয়ে গেল রানা। বিশালদেহীর কয়েক গজ সামনে চিৎ হয়ে পড়ে আছে অপর কর্সিকান, কুয়াশা সরে যাওয়ায় শটগানের শেল তার বুক ছিন্নভিন্ন করে ফেলেছে।

    ‘আলোটা নেভান।’ চাপা গলায় বলল রানা।

    তাড়াতাড়ি ফ্ল্যাশলাইটটা তুলে নিয়ে সুইচ অফ করল কুয়াশা বলল, ‘এক্কেবারে সময়মত হাজির হয়েছ, ভাই।’

    ‘শোধবোধ,’ রানা বলল। ‘এক্সেলসিয়র হোটেলের সিঁড়িতে আপনিও প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন আমার। থাক ওসব….. নীচে আরেকজন রয়ে গেছে। দুই দোস্তের ডাক শোনার জন্য অপেক্ষা করছে সে। যদি না শোনে…’

    ‘এখানে উঠে আসবে,’ বলল কুয়াশা। —তখন ওকে ঘায়েল করব আমরা।’.

    ‘এত সাহস দেখাবে বলে মনে হয় না,’ মাথা নাড়ল রানা। ‘সঙ্গী-সাথীদেরকে ডেকে আনার আগেই আমাদের সরে যাওয়া দরকার।

    ‘ওরা ব্যস্ত, আগুনের দিকে ইশারা করল কুয়াশা। ‘সহজে আসতে পারবে না।’

    ‘তা-ও… ঝুঁকি নেবার কোনও মানে হয় না,’ গাছের আড়াল থেকে উঁকি দিল রানা। নড়তে দেখল ফ্ল্যাশলাইটের আলোকরশ্মি। ‘ওই তো, যাচ্ছে!’

    ‘চলো,’ পাইন ঝাড় থেকে বেরুনোর জন্য ঘুরল কুয়াশা। ‘লুকানোর মত ডজনখানেক জায়গা চিনে নিয়েছি আমি। অনেক কথা আছে তোমার সঙ্গে।’

    ‘কিছু জানতে পেরেছেন?’ জিজ্ঞেস করল রানা।‘

    ‘হ্যাঁ। একটু খোঁজখবর নিতেই…’

    ‘আমার জন্য অপেক্ষা করবার কথা ছিল আপনার!’ বাধা দিয়ে অনুযোগের সুরে বলল রানা।

    ‘কোনও কাজ ছাড়া চুপচাপ বসে থাকলে সন্দেহ করত লোকে,’ কৈফিয়ত দিল কুয়াশা। ‘আফটার অল, এ-জায়গা তো ট্যুরিস্ট স্পট নয়!’

    ‘হুম! কী জানতে পেরেছেন?’

    ‘পুরোপুরি নিশ্চিত নই, তবে ফেনিসের সঙ্গে যে এ-জায়গার সম্পর্ক এখনও আছে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। নিজের চোখেই তো দেখতে পাচ্ছ, আমাকে খুন করার জন্য হন্যে হয়ে উঠেছে ওরা। আমার ধারণা…..’

    কথা শেষ হলো না কুয়াশার। তার আগেই আগ্নেয়াস্ত্র কক করার শব্দ শুনে জমে গেল।

    ‘ফারমা!’ চালের উপর থেকে চেঁচিয়ে উঠল একটা অস্থির কণ্ঠ।

    একসঙ্গে অস্ত্র তুলল রানা-কুয়াশা, ঘুরে গেল’ শব্দের উৎসের দিকে।

    ‘বাস্তা!’ ধমকে উঠল কণ্ঠটা। তারসঙ্গে শোনা গেল চাপা গরগর… কুকুরের আওয়াজ। ‘আমার হাতে এটা দুই ব্যারেলের রাইফেল, সেনিয়র,’ স্থানীয় উচ্চারণে ইংরেজিতে বলে উঠল এবার কণ্ঠটা। মেয়ের গলা। ‘একটু আগে যেটা ফায়ার হলো, সেটার মতই আরেকটা লুপো। তবে তোমাদের পায়ের কাছে যে-লোকটা পড়ে আছে, তারচেয়ে ভালভাবে এটা চালাতে জানি আমি। অস্ত্র নামাও, সেনিয়র। ফেলে দেয়ার দরকার নেই, ফলে দেয়ার দর ওগুলো তোমাদের কাজে আসবে।’

    ‘কে তুমি?’ জানতে চাইল রানা। চোখ পিটপিট করে দেখার চেষ্টা করল রহস্যময়ীকে। দেহের রেখা ছাড়া আর কিছু দৃষ্টিগোচর হচ্ছে না। বোঝা যাচ্ছে, ট্রাউজার আর ফিল্ড জ্যাকেট পরে আছে মেয়েটা। এক হাতে ধরে রেখেছে কুকুরের গলার শেকল।

    ঘেউ ঘেউ করে উঠল প্রাণীটা।

    ‘তোমাদের মধ্যে ইতিহাসবিদ কে?’ পরিচয় না জানিয়ে বলল মেয়েটা। ‘তাকে খুঁজছি আমি।’

    ‘কী!’ রানা একটু বিভ্রান্ত বোধ করল।

    ‘আমার কাভার!’ ফিসফিস করে বলল কুয়াশা। তারপর গলা চড়িয়ে বলল, ‘আমিই ইতিহাসবিদ… এ আমার সহকারী।’ রানাকে দেখাল। ‘কেন খুঁজছ আমাকে? খুন করতে?’

    ‘না। পুরো এলাকায় তোমার কথা ছড়িয়ে পড়েছে। তুমি নাকি পাদ্রোনিদের পাদ্রোনি-এর ব্যাপারে প্রশ্ন করে বেড়াচ্ছ??

    ‘কাউণ্ট গিলবার্তো বারেমি-র কথা বলছ? হ্যাঁ, তার ব্যাপারে খোঁজখবর নিচ্ছি আমি। কিন্তু কেউ আমার প্রশ্নের জবাব দিচ্ছে না।

    ‘একজন দেবে। বৃদ্ধা এক মহিলা… পাহাড়ের অনেক ভিতরে থাকেন। তোমাকে ডেকেছেন তিনি।’

    ‘পরিস্থিতি কতটা খারাপ, তা জানো তো?’ বলল কুয়াশা। আমাকে শিকার করতে বেরিয়েছে নীচের লোকজন, দেখামাত্র খুন করে ফেলবে। এর মাঝে ঝুঁকি নিয়ে ওই বৃদ্ধার কাছে নিয়ে যাবে আমাকে?’

    ‘হ্যাঁ। তাড়াতাড়ি এসো, অনেকদূর যেতে হবে আমাদেরকে রাস্তাও খুব খারাপ। পাঁচ-ছ’ঘণ্টা লেগে যাবে।’

    আগে আমার প্রশ্নের জবাব দাও। কেন জীবনের ঝুঁকি নিচ্ছ তুমি?’

    ‘কারণ ওই বৃদ্ধা আমার দাদী। পাহাড়ের সবাই ওঁকে ঘৃণা করে, তাই নীচে থাকতে পারেন না। কিন্তু আমি তাঁকে ভালবাসি।’

    ‘কে তিনি? কী তাঁর পরিচয়?’

    ‘ভিলা বারেমির রক্ষিতা… এনামেই সবাই ডাকে তাঁকে, ‘ বলল মেয়েটা। ‘আর কোনও কথা নয়। এসো আমার সঙ্গে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)
    Next Article মাসুদ রানা ১৫৯-১৬০ – আবার উ সেন (দুইখণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }