Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই কুয়াশা ১.১৪

    চোদ্দ

    পাহাড়ি পথ ধরে দ্রুত এগোল ওরা তিনজন, ধীরে ধীরে ঢুকে পড়ল অবারিত মাউন্টেইন রেঞ্জের ভিতরে। যত এগোচ্ছে, ততই দুর্গম হয়ে উঠছে পথ। পায়ের তলায় এবড়ো-খেবড়ো মাটি, সামনে ঘন জঙ্গল, উঁচু-নিচু রাস্তায় হাঁটতে জান বেরিয়ে যাবার জোগাড়। নকল পায়ে এ-অত্যাচার আর সহ্য হচ্ছে না কুয়াশার, ছড়ি ব্যবহার করতে হচ্ছে ওকে। চলার গতি কিছুটা কমে গেছে তাতে।

    অন্ধকারে দিশে পাওয়া ভার, তবে কুকুরটা থাকায় নিশ্চিন্তে এগোতে পারছে ওরা। জ্বলজ্বল করছে প্রাণীটার চোখ, নির্বিঘ্নে পথ দেখিয়ে নিয়ে চলেছে। রওনা হবার আগে তাকে রানা-কুয়াশার গন্ধ শুঁকিয়ে নিয়েছে মেয়েটা, বুঝিয়ে দিয়েছে—দুই নবাগত তাদের বন্ধু।

    এই কুকুরটাকেই পাহাড়ি ঢালে দেখেছিল কি না, সন্দেহ হচ্ছে রানার। মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করল সে-কথা।

    ‘হতে পারে,’ জবাব এল। ‘অনেকক্ষণ থেকেই ওখানে ঘুরছিলাম আমরা। ওকে ছেড়ে দিয়েছিলাম গন্ধ খোঁজার জন্য। তবে আমাকে ছেড়ে বেশিদূর কখনোই যায়নি ও।

    ‘আমাকে আক্রমণ করার সম্ভাবনা ছিল?’

    উঁহুঁ। মানে… যদি ওর গায়ে হাত তুলতে আর কী… বা আমার গায়ে।’

    মাঝরাত পেরিয়ে যাবার পর মোটামুটি সমতল একটা এলাকায় পৌঁছল ওরা। কোমর পর্যন্ত ঘাস জন্মেছে ওখানে, বাতাসে দুলছে এদিক-ওদিক। সমভূমির ওপাশে আবার শুরু হয়েছে পাহাড়ের সারি, গায়ে ঘন অরণ্য। আকাশে মেঘের আনাগোনা কমে গেছে, নির্বিঘ্নে মুখ দেখাতে পারছে চাঁদ। কোমল আলোয় স্নান করিয়ে দিচ্ছে পর্বতমালাকে। মাথা ঘুরিয়ে কুয়াশার দিকে তাকাল রানা, ওর মতই দশা—ঘামে ভিজে গেছে শার্ট, হাঁপাচ্ছে। অথচ ঠাণ্ডা বাতাস বইছে সমভূমির উপর দিয়ে।

    ওদের অবস্থা লক্ষ করে মেয়েটা বলল, ‘এখন একটু বিশ্রাম নিতে পারি আমরা।’ কয়েকশ’ গজ দূরের একটা অন্ধকার জায়গার দিকে আঙুল তুলল, কুকুরটা ও-দিকে ছুটে গেছে। ‘ওখানে একটা গুহা আছে। বেশি বড় না, তবে তিনজনের জায়গা হয়ে যাবে।’

    ‘তোমার কুকুর তো মনে হচ্ছে আগেও গেছে ওখানে,’ মন্তব্য করল কুয়াশা।

    হাসল মেয়েটা। ‘ও চাইছে আমি আগুন জ্বালি। বৃষ্টির সময় মুখে করে শুকনো ডাল নিয়ে আসে আমার কাছে। আগুন ওর ভারি পছন্দ!

    একটু পরেই জায়গামত পৌঁছে গেল ওরা। গুহাটা পাহাড়ি ঢালের গোড়ায়। গভীরতায় দশ ফুটের বেশি হবে না, উচ্চতায় ছ’ফুট। ভিতরে ঢুকল ওরা।

    কুয়াশা লক্ষ করল, পুরনো অগ্নিকুণ্ডের আধপোড়া লাকড়ি এখনও পড়ে আছে ভিতরে। তাই জিজ্ঞেস করল, ‘আগুন জ্বালব?’

    ‘ইচ্ছে হলে জ্বালুন। উচেলো খুব খুশি হবে।’

    ‘উচেলো!’ ভুরু কোঁচকাল কুয়াশা। মানে, পাখি?’

    ‘মাটির উপর দিয়ে পাখির মতই উড়ে বেড়ায় ও, সেনিয়র।‘

    কাঁধ ঝাঁকিয়ে আগুন জ্বালানোয় ব্যস্ত হয়ে পড়ল কুয়াশা।

    রানা মেয়েটাকে জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি চমকার ইংরেজি বলো, কোথায় শিখেছ?’

    ‘ভেসকোভাতো-র কনভেন্ট স্কুলে পড়েছি আমি,’ জানাল মেয়েটা। ‘আমার মত যারা গভর্নমেন্ট প্রোগ্রামে ঢুকতে চায়, তাদেরকে ওখান থেকে ইংরেজি আর ফ্রেঞ্চ শিখে নিতে হয়।’

    ম্যাচের সাহায্যে আগুন জ্বেলে ফেলল কুয়াশা। ছোট অগ্নিকুণ্ড থেকে ছড়াতে শুরু করল তাপ, আলোকিত হয়ে উঠল গুহা। ঠাট্টা করে রানা বলল, ‘আপনি আগুন লাগানোয় ওস্তাদ, রীতিমত প্রতিভাবান বলা যায়। পুরো জঙ্গলে যেভাবে আগুন লাগিয়ে দিলেন…’

    ‘খুব সাধারণ প্রতিভা ওটা,’ হাসল কুয়াশা।

    টুপি খুলে ফেলেছে মেয়েটা, মাথা ঝাঁকিয়ে ছড়িয়ে পড়তে দিল ঘন কালো কেশ। ওর দিকে তাকাতেই রানার হৃৎপিণ্ড যেন একটা বিট মিস করল। মুহূর্তের জন্য মুগ্ধতায় স্থবির হয়ে গেল ও। তাকিয়ে রইল একদৃষ্টে। বয়স বেশি নয়, বিশ থেকে পঁচিশের মধ্যে হবে। অপূর্ব কেশরাজি! বাদামি, আয়ত দুই চোখ যেন ডানা মেলছে আকাশে। নিখুঁত চোয়াল, নাকটা বুঝি পাথর কুঁদে বানিয়েছে কোনও ভাস্কর, তার নীচে ফোলা ফোলা দুই ঠোঁট হেসে উঠবে যে-কোনও মুহূর্তে। কোনও ধরনের সাজ নেয়নি, তারপরেও অপ্সরার মত লাগছে। জীবনে অনেক সুন্দরী দেখেছে রানা, কিন্তু আজ রাতে… কর্সিকার এই পাহাড়ি গুহার মাঝে এই মেয়েটিকে দেখে মনে হচ্ছে, এর নখেরও যোগ্য নয় কেউ। হয়তো পরিবেশের জন্য এমন অনুভূতি হচ্ছে, তবু ওর মনে হলো—লম্বা ছুটি নিয়ে বিধাতা বুঝি মাঝে-মধ্যে এমন নারীই সৃষ্টি  করেন!

    ‘কী দেখছ?’ হঠাৎ মেয়েটির প্রশ্নে সচকিত হয়ে উঠল রানা।

    ‘কিছু না,’ গলা খাঁকারি দিয়ে বলল ও। ‘তুমি গভর্নমেন্ট প্রোগ্রামে ঢুকেছিলে?’

    ‘যতদূর পারা যায় আর কী।’

    ‘কতদূর সেটা?’

    ‘বোনিফাসিয়ো-র স্কুলা মিডিয়া। বাকিটা অন্যদের সাহায্য নিয়ে সেরেছি। ফোণ্ডেস-রা পড়াশোনার খরচ দিয়েছে।’

    ‘ঠিক বুঝলাম না।’

    ‘ইউনিভার্সিটি অভ বোলোগনা-র গ্র্যাজুয়েট আমি, সেনিয়র। সেইসঙ্গে আমি একজন কম্যুনিস্তা… কথাটা আমি গর্ব নিয়ে বলি।’

    ‘সাবাস!’ বাঁকা সুরে বিদ্রূপ করল কুয়াশা।

    ‘হাসবেন না, সেনিয়র,’ একটু আহতস্বরে বলল মেয়েটা। ‘কমিউনিজমের দিন এখনও শেষ হয়ে যায়নি। ওটাই দেশ চালানোর সঠিক পন্থা। দেখবেন, একদিন এই কমিউনিজমের সাহায্য নিয়েই ইটালিকে দাঁড় করাব আমরা। অরাজকতা আর অস্থিরতার অবসান ঘটবে, শেষ হবে খ্রিস্টানদের অনাচার।’

    ‘বোকার রাজ্যে বাস করছ তুমি,’ বলল রানা।

    ‘না, সেনিয়র। যদি সতর্ক থাকি, তা হলে কেউ আমাদেরকে হাতের পুতুল বানাতে পারবে না। কমিউনিস্ট হিসেবেই স্বকীয়তা বজায় রাখতে পারব আমরা।’

    ‘শুভকামনা রইল।’

    পরিবেশটা গুমোট হয়ে উঠল এরপর। ঠাট্টায় সম্ভবত অপমানিত হয়েছে মেয়েটা, গুটিয়ে নিল নিজেকে। জানা গেল, তার নাম সোনিয়া। কুয়াশা জিজ্ঞেস করল, কেন ওর মত একজন রাজনীতি-সচেতন বিপ্লবী বোলোগনা ছেড়ে কর্মিকার পাহাড়ে ফিরে এসেছে। সংক্ষেপে ও শুধু বলল, দাদীর সঙ্গে কিছুদিন কাটাবার জন্য।

    ‘তোমার দাদী সম্পর্কে বলো,’ অনুরোধ করল রানা।

    ‘যা বলার, তা উনিই বলবেন তোমাদেরকে,’ কাঠখোট্টা গলায় বলল সোনিয়া। উঠে দাঁড়াল। ‘আমাকে যতটুকু জানাতে বলেছেন, তা বলেছি তোমাদেরকে।

    তুমি শুধু বলেছ, ওঁর নাম ভিলা বারেমির রক্ষিতা।’

    ‘এটুকুই বলার কথা আমার, নইলে ওই জঘন্য নাম কিছুতেই উচ্চারণ করতাম না। যাক গে, যথেষ্ট বিশ্রাম হয়েছে। ওঠো এবার। আরও প্রায় দু’ঘণ্টা হাঁটতে হবে আমাদেরকে।’

    .

    দু’ঘণ্টা নয়, সোয়া দু’ঘণ্টা পর পাহাড়ের উপরে এক সমতল মালভূমিতে উঠে এল ওরা। নীচের উপত্যকার মেঝে থেকে জায়গাটার উচ্চতা প্রায় সাড়ে চারশো ফুট। বেশ বড়, দৈর্ঘ্যে-প্রস্থে প্রায় এক একর জায়গা। চাঁদের আলো আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে, তাতে আলোকিত হয়ে উঠেছে গোটা মালভূমি। পরিষ্কার দেখা গেল সব। ঠিক মাঝখানটায় মাথা তুলে রেখেছে একটা পুরনো আমলের ফার্মহাউস, পাশে গোলাঘর। চারদিকে শাক-সবজির খেত। জলপ্রবাহের কুলুকুলু ধ্বনি কানে এল, খুব কাছে কোথাও বইছে একটা ঝর্ণা।

    ‘ভারি সুন্দর তো!’ মুগ্ধ কণ্ঠে বলে উঠল কুয়াশা।

    ‘গত পঞ্চাশ বছর থেকে এটাই দাদীর দুনিয়া,’ গম্ভীর গলায় বলল সোনিয়া।

    ‘এখানে জন্ম হয়েছে তোমার?’ জিজ্ঞেস করল রানা। ‘এখানেই বড় হয়েছ?’

    ‘না,’ নেতিবাচক জবাব দিল মেয়েটা, ব্যাখ্যা করল না।  ‘এসো, দাদী অপেক্ষা করছে। দেখা করবে তোমরা ওঁর সঙ্গে।’

    ‘এত রাতে?’ কুয়াশা একটু অবাক হলো।

    ‘দাদীর কাছে রাত-দিন বলে কিছু নেই। আমাকে বলেছেন, তোমরা পৌছুনোমাত্র ওঁর কাছে নিয়ে যেতে। চলো।’

    ফার্মহাউসের সামনের কামরায়, ফায়ারপ্লেসের সামনে পিঠ-উঁচু চেয়ারে বসা বৃদ্ধাটির জন্য রাত-দিন বলে কিছু নেই কেন, তা বুঝতে কষ্ট হলো না। অন্ধ তিনি—মণি বলে কিছু অবশিষ্ট নেই চোখে, পুরোটাই ঘোলা কাঁচের মত এক বস্তু, উদ্দেশ্যহীনভাবে সারাক্ষণ ঘুরছে এদিক-ওদিক। তীক্ষ্ণ চেহারা, বয়স আন্দাজ করা কঠিন—নব্বুই হতে পারে… একশো, কিংবা তার বেশি হলেও অবাক হবার কিছু নেই। কালের ভারে জর্জরিত চামড়া, কেমন যেন কালচে ফুটকি পড়ে গেছে… তারপরেও আঁচ করা যায়, এককালে অপূর্ব রূপসী ছিলেন বৃদ্ধা। কথা বলেন খুব নিচু স্বরে—শুধু কান খাড়া করে রাখলে চলে না, তাকিয়ে থাকতে হয় ঠোঁটের দিকেও। উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো, কথাবার্তায় কোনও দ্বিধা বা জড়তা নেই। দুই আগন্তক হাজির হওয়ামাত্র জানালেন, মৃত্যু তাঁর দুয়ারে কড়া নাড়ছে, চিরনিদ্রায় যাবার আগে অনেককিছু বলার আছে তাঁর। এই বাস্তবতা তাঁর চিন্তাচেতনাকে জাগিয়ে তুলেছে।

    ইটালিয়ানে কথা বললেন বৃদ্ধা, তবে বাচনভঙ্গি অনেক পুরনো আমলের। শুরুতেই পরিচয় জানতে চাইলেন দুই আগন্তুকের। হিস্টোরিয়ানের কাভারটা ধরে রাখল কুয়াশা, মিলানের অ্যাকাডেমিক ফাউণ্ডেশনের কাহিনি শোনাল; বোঝাল, কর্সিকার ইতিহাস সম্পর্কে সংগঠনটা আগ্রহী। রানা নিজের পরিচয় দিল ওর সহকারী হিসেবে। ফেনিসের ফাইল স্টাডি করে এসেছে ও কাউণ্ট বারেমি সম্পর্কে বিভিন্ন রকম তথ্য জানিয়ে গবেষক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দৃঢ় করবার প্রয়াস চালাল।

    চুপচাপ কিছুক্ষণ বসে রইলেন বৃদ্ধা, যেন দু’জনের বক্তব্য অন্তস্থ করে নিচ্ছেন। শেষে নড়ে উঠলেন তিনি, গালের উপর পড়ে থাকা একগোছা সাদা চুল সরালেন হাত দিয়ে। বললেন :

    ‘তোমরা দু’জনেই মিছে কথা বলছ। দ্বিতীয়জন তো আমাকে বোকা বানাবার জন্য এমন সব হাস্যকর কথা বলছে, যা পোর্তো ভেচিয়োর বাচ্চারাও জানে।’

    ‘পোর্তো ভেচিয়োতে হয়তো এসব জানা কথা, মৃদু প্রতিবাদ করল রানা, ‘কিন্তু মিলানে নয়।’

    ‘বুঝেছি কী বলতে চাইছ। কিন্তু তোমরা কেউই মিলানের লোক নও।

    ‘সে-কথা অস্বীকার করছি না,’ কুয়াশা বলল। আমরা ওখানে স্রেফ কাজ করি। আসলে আমরা বিদেশি, উচ্চারণ শুনে নিশ্চয়ই বুঝতে পারছেন সেটা।’

    অত-শত বুঝতে পারছি না। শুধু এটুকু বুঝতে পারছি, তোমরা মিথ্যেবাদী। অবশ্য… কিছু এন্সে-যায় না তাতে, ভয়ের কিছু নেই তোমাদের।’

    চকিতে দৃষ্টি বিনিময় করল রানা-কুয়াশা। আড়চোখে তাকাল সোনিয়ার দিকে। জানালার কাছে একটা তোষকের উপর বসে আছে মেয়েটা। পাশে গুটিসুটি মেরে আছে উচেলো।

    ‘এসে-যায় না মানে!’ বলল রানা। অবশ্যই এসে যায়। আমরা চাই আপনি খোলামনে কথা বলুন। আমাদেরকে মিথ্যেবাদী ভাবলে নিশ্চয়ই সেটা করবেন না?’

    ‘করব,’ শান্তস্বরে বললেন বৃদ্ধা। ‘কারণ স্বার্থান্বেষী মানুষের মত মিথ্যে বলছ না তোমরা। কথা শুনে বুঝতে পারছি, বিপজ্জনক লোক… কিন্তু লোভী নও। ব্যক্তিগত কোনও স্বার্থে আমার পাদ্রোনি-র ব্যাপারে খোঁজ নিচ্ছে না। ঠিক বলেছি?’

    অবাক হয়ে গেল রানা। সামনের দিকে একটু ঝুঁকে জিজ্ঞেস করল, ‘কীভাবে বুঝলেন?’

    বৃদ্ধার শূন্য দৃষ্টি স্থির হলো ওর মুখের উপর, মনে হলো যেন দেখতে পাচ্ছেন ওকে। বললেন, ‘তোমাদের গলার স্বর… বুঝতে পারছি, তোমরা বিচলিত। হয়তো বা ভয়ও পাচ্ছ।’

    ‘ভয় পাবার কিছু আছে কি?’ জানতে চাইল কুয়াশা।

    ‘নির্ভর করছে তোমরা কী বিশ্বাস করো, তার ওপর।’ বললেন বৃদ্ধা।

    ‘আমাদের বিশ্বাস, ভয়ানক একটা কিছু ঘটছে তলে তলে। কী সেটা, কেন ঘটছে—তার কিছুই জানি না। ব্যস… আপাতত এটুকুই শুধু বলতে পারি আপনাকে।’

    কী জানো তোমরা, সেনিয়র?

    আরেকবার মুখ চাওয়াচাওয়ি করল রানা-কুয়াশা। সোনিয়া যে ওদের কথাবার্তা শুনছে, এ-ব্যাপারে সচেতন হয়ে উঠেছে। রানা বলল, ‘জবাব দেবার আগে… আমার মনে হয় আপনার নাতনি এখানে না থাকলে ভাল হয়।’

    ‘না!’ সোনিয়া এত জোরে চেঁচিয়ে উঠল যে, কুকুরটা ধড়মড় করে উঠে দাঁড়াল

    ‘আমার কথা শোনো, নরম গলায় বলল রানা। ‘পথ দেখিয়ে দুজন অচেনা মানুষকে দাদীর কাছে নিয়ে এসেছ… এর জন্য কেউ দোষ দিতে পারবে না তোমাকে। কিন্তু এখন যদি বসে থাকো এখানে, নিজেকে জড়িয়ে ফেলবে আমাদের সঙ্গে… পুরো ব্যাপারটার সঙ্গে। খুবই বিপজ্জনক হবে সেটা, বিশ্বাস করো! তোমার ভালর জন্যই বলছি কথাটা।’

    ‘চলে যা, সোনিয়া,’ সুর মেলালেন বৃদ্ধা। ‘এদেরকে ভয় পাবার কিছু নেই আমার, তুইও নিশ্চয়ই ক্লান্ত। উচেলো-কে নিয়ে গোলাঘরে চলে যা… বিশ্রাম নে।’

    কয়েক মুহূর্ত ফোঁস ফোঁস করল সোনিয়া, তারপর উঠে দাঁড়াল। ‘ঠিক আছে, যাচ্ছি আমি। তবে উচেলো এখানেই থাকবে।’ কথাটা বলেই ঝট্ করে শটগান তাক করল দুই অতিথির দিকে। ‘তোমাদের অস্ত্রগুলো বের করো, সেনিয়র। মেঝেতে ফেলে ছুঁড়ে দাও আমার কাছে। যতক্ষণ এখানে আছ, ওগুলো আমার জিম্মায় থাকবে।

    ‘তার কোনও দরকার আছে?’ বিরক্ত গলায় বলল রানা, পরমুহূর্তে সিঁটিয়ে গেল। কুকুরটা হিংস্র ভঙ্গিতে গরগর করছে, ওর দিকে লাফ দিতে প্রস্তুত।

    ‘থাক, দিয়েই দাও,’ বলল কুয়াশা। ‘এতে যদি শান্ত হয়!’ নিজের পিস্তল বের করে মেঝেতে রাখল, পা দিয়ে ঠেলে পাঠিয়ে দিল সোনিয়ার কাছে। শ্রাগ করে রানাও একই কাজ করল।

    হাঁটু গেড়ে সাবধানে অস্ত্রদুটো কুড়িয়ে নিল সোনিয়া, লুপো-র ব্যারেল নড়চড় করল না। বলল, ‘আমি জেগে থাকব। তোমাদের কথা শেষ হলে দরজা খুলে আমাকে ডাক দিয়ো। আমি তখন উচেলোকে ডাকব। ও যদি না বেরোয়, তা হলে তোমাদের কপালে খারাবি আছে। তোমাদেরকে তোমাদের পিস্তল দিয়েই খুন করব আমি।’

    দরজা’ খুলে বেরিয়ে গেল ও।

    ‘বড্ড জেদি মেয়ে!’ দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন বৃদ্ধা। ‘গিলবার্তো বারেমির রক্ত! আরও কয়েক রকম রক্ত মিশে আছে : শিরায়, কিন্তু ওটার প্রভাব যায় না কিছুতেই।’

    ‘ও কাউণ্ট বারেমির নাতনি?’ ভুরু কোঁচকাল কুয়াশা।

    ‘প্রপৌত্রী,’ বললেন বৃদ্ধা। ‘আমার নাতির মেয়ে। কিন্তু ওর দাদার জন্ম হয়েছিল পাদ্রোনি এক কিশোরী রক্ষিতার সঙ্গে শুয়েছিলেন বলে।’

    ‘ভিলা বারেমির রক্ষিতা…’ রানা বলল। ‘আপনি?’

    হালকা একটা হাসি ফুটল বৃদ্ধার ঠোঁটে। হাত তুলে আবার চুল সরালেন গালের উপর থেকে। ক্ষণিকের জন্য মনে হলো অন্য কোনও জগতে হারিয়ে গেছেন। স্বপ্নালু কণ্ঠে বললেন, ‘বহু… বহু বছর আগের কথা সেটা। সে-সময়ের কথা বলব তোমাদেরকে গলা খাঁকারি দিলেন। ‘তবে তার আগে তোমাদের সত্যিকার পরিচয় জানতে চাই।’

    চোখে চোখে কথা হলো রানা-কুয়াশার, বৃদ্ধার সঙ্গে লুকোচুরি করে লাভ নেই আর। তাতে নিজেদেরই ক্ষতি। সত্যি কথাই বলবে বলে ঠিক করল ওরা।

    ‘আমার নাম মনসুর আলী… তবে কুয়াশা নামে সবাই চেনে আমাকে,’ বলল কুয়াশা। ‘আমি একজন বিজ্ঞানী এবং সত্যান্বেষী।

    ‘আর তুমি?’ রানার দিকে মুখ ঘোরালেন বৃদ্ধা।

    ‘আমি মাসুদ রানা, রানা বলল। ‘বাংলাদেশ কাউন্টার ইন্টেলিজেন্সের এজেন্ট। সোজা কথায়… স্পাই। আমরা দু’জনেই বাঙালি।’

    ‘তা-ই?’ গম্ভীর হয়ে গেলেন বৃদ্ধা। ‘আমি বুড়ো মানুষ, থাকিও একা; রেডিও-র খবর শোনা ছাড়া দুনিয়া থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন। কিন্তু এটুকু বুঝতে পারছি, কর্সিকায় আমার পাদ্রোনির খোঁজে দু’জন বাঙালির উপস্থিতি খুবই অস্বাভাবিক। তার ওপর তোমরা দু’জন দুই জগতের মানুষ!’

    ‘হ্যাঁ, কথাটা সত্যি,’ একমত হলো কুয়াশা।

    ‘পরিস্থিতি আসলে এমনই গুরুতর যে, আমাদেরকে একাট্টা হতে হয়েছে,’ যোগ করল রানা।

    ‘সব খুলে বলো আমাকে,’ হুকুম দিলেন যেন বৃদ্ধা

    চেয়ার টেনে তাঁর একটু কাছে গিয়ে বসল রানা। ফাইলে পড়া তথ্যগুলো স্মরণ করল। বলল, ‘যদ্দূর জানা গেছে, উনিশশো ত্রিশ থেকে চল্লিশের মাঝামাঝি কোনও একটা সময়ে কাউণ্ট গিলবার্তো বারেমি তাঁর বিশ্বস্ত কিছু মানুষকে খবর দিয়ে ডেকে আনেন নিজের এস্টেটে। কারা সেই লোক, বা কোত্থেকে তারা এসেছিল, তা জানা যায়নি। তবে নিজেদের একটা নাম দেয় ওরা…’

    তারিখটা ছিল চৌঠা এপ্রিল, উনিশশো ছত্রিশ,’ বাধা দিয়ে বললেন বৃদ্ধা। ‘নিজেরা নাম দেয়নি, আমার পাদ্রোনি-ই ঠিক করে দিয়েছিলেন সেটা– কাউন্সিল অভ ফেনিস… ফিনিক্সের কাউন্সিল যা হোক, বলে যাও।’

    ‘আপনি ছিলেন ওখানে?’

    ‘আগে তোমার কথা শেষ করো।

    ক্ষণিকের জন্য সংবিৎ হারাল রানা—এমন একটা ঘটনা নিয়ে কথা বলছিল, যেটা বহু বছর থেকে আলোচনা আর কল্পনার বিষয়বস্তু হয়ে আছে। কোনও রেকর্ড নেই এর, নেই সাক্ষী বা তথ্য-প্রমাণ। অথচ এই বৃদ্ধা চোখের পলকে নির্দিষ্ট সাল-তারিখ বলে দিলেন!

    ‘সেনিয়র?’

    ‘দুঃখিত,’ তাড়াতাড়ি নিজেকে সামলে নিল রানা। ‘তো যা বলছিলাম, পরবর্তী প্রায় দুই দশক ধরে কাউণ্ট বারেমি এবং তাঁর কাউন্সিল বিতর্কের বিষয়বস্তু হয়ে থেকেছে…

    সহজ ভাষায় ফেনিস সম্পর্কে যা যা জানে খুলে বলল ও। এ-ও জানাল, বিশেষজ্ঞরা সংঘটাকে স্রেফ মিথ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

    ‘তুমি কী বিশ্বাস করো, সেনিয়র?’ ওর কথা শেষ হলে বললেন বৃদ্ধা। ‘এ-প্রশ্নটা শুরুতেই তোমাদেরকে করেছি আমি।’

    ‘কী বিশ্বাস করব, জানি না,’ বলল রানা। ‘তবে চারদিন আগে আমার খুব প্রিয় এবং শ্রদ্ধেয় একজন মানুষের প্রাণনাশ করবার চেষ্টা চালানো হয়েছে। এখনও তিনি মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছেন। ফেনিস সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছিলেন তিনি, সম্ভবত ওটাই তাঁর অপরাধ।‘

    ‘মাত্র চারদিন আগে?’ বললেন বৃদ্ধা। ‘কিন্তু তুমি তো বলছিলে ওরা মাত্র বিশ বছর সক্রিয় ছিল। এরপর কী ঘটেছিল? মাঝে তো অনেকগুলো বছর পেরিয়ে গেছে।’

    ‘আমরা যদ্দূর জানি…. আর যদ্দূর আন্দাজ করতে পারি, তা হলো—কাউণ্ট বারেমির মৃত্যুর পর কর্সিকা থেকে ছড়িয়ে পড়ে ফেনিস। বার্লিন, লণ্ডন, প্যারিস, নিউ ইয়র্ক-সহ দুনিয়ার বিভিন্ন জায়গা থেকে কাজ চালিয়ে যায় ওরা। তবে পঞ্চাশের দশকের। মাঝামাঝি থেকে থিতিয়ে আসে ওদের কর্মকাণ্ড, ষাটের দশক যখন শুরু হলো, তখন থেকে আর চিহ্ন পাওয়া যায়নি ওদের।’

    অদ্ভুত ভঙ্গিতে ঠোঁট বেঁকে গেল বৃদ্ধার। ‘বলতে চাইছ, এতদিন পর আবার বাতাস থেকে উদয় হয়েছে ওরা?’

    ‘ব্যাপারটা সে-রকমই দেখাচ্ছে,’ বলল রানা। ‘আমার সঙ্গী ওটা ভালমত ব্যাখ্যা করতে পারবে।’

    কেশে গলা পরিষ্কার করে নিল কুয়াশা। বলল, ‘গত কিছুদিনে আমেরিকা এবং রাশায় দু’জন গণ্যমান্য ব্যক্তিত্ব খুন হয়েছেন। দু’জনেই ছিলেন শান্তিকামী; অরাজকতা এবং অস্থিরতার ঘোর বিরোধী। একটা খুনের বিষয়ে খোঁজখবর নিয়েছি আমি, তাতে জানতে পেরেছি—ফেনিসের সদস্য হতে রাজি না হওয়ায়…. ফেনিসের ব্যাপারে মুখ খোলার চেষ্টা করায় খুন করা হয়েছে ওই দু’জনকে। যে-লোক আমাকে এই তথ্য দিয়েছে, সে খুবই বিশ্বাসযোগ্য। অপরাধ জগতের খোঁজখবর তার চাইতে বেশি আর কেউ জানে না…’

    ‘ঠিক কী বলেছে সে তোমাকে?’ জিজ্ঞেস করলেন বৃদ্ধা।

    ‘বলেছে যে, ফেনিসের কাউন্সিল আজও টিকে আছে। ধ্বংস হয়নি ওরা, আণ্ডারগ্রাউণ্ডে চলে গিয়েছিল বহু বছরের জন্য। সেখান থেকে ধীরে ধীরে প্রসারিত করেছে নিজেদেরকে, সারা দুনিয়ার ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুগুলোতে নিজস্ব চর ঢুকিয়েছে। ওর মতে গত কয়েক বছরে যত ধরনের সন্ত্রাসী ঘটনা ঘটেছে, সবকিছুর পিছনে মদদ ছিল ফেনিসের। ওরা নাকি এখন আর টাকার বিনিময়ে মানুষ খুন করছে না, করছে নিজেদের ইচ্ছা অনুসারে… নির্দিষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য।’

    ‘কী সেই লক্ষ্য?’

    ‘জানে না ও। শুধু জানে, দুষ্ট এক ক্ষতের মত সারা দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়ছে ফেনিস। কিন্তু কীভাবে তাকে দমন করা যাবে, কার কাছে গেলে তথ্য পাওয়া যাবে… এসবের কিছুই বলতে পারেনি আমাকে। যদ্দূর বুঝতে পেরেছি, ফেনিসের সঙ্গে যুক্ত মানুষেরা কখনও মুখ খোলার সুযোগ পায় না।’

    ‘তারমানে কাজে লাগার মত কিছুই তোমাকে বলেনি সে?’

    ‘স্রেফ একটা ধারণা… কর্সিকায় আসতে বলেছে আমাকে এখানে নাকি জবাব পাওয়া যেতে পারে। ওর কথা বিশ্বাস করেছি আমি… এই যে, আমার বন্ধু রানাকে নিয়ে এসেছি ব্যাপারটা যাচাই করতে।’

    ‘তোমার বন্ধু কেন এসেছে, তা তো জেনেছি। ওর শ্রদ্ধেয় এক মানুষের উপর হামলা চালানো হয়েছে। কিন্তু তুমি এসেছ কেন?’

    ‘একই কারণ, ম্যা’ম। রাশায় যিনি খুন হয়েছেন, তাঁকে আমি খুব শ্রদ্ধা করতাম।’

    নীরবতা নেমে এল কামরায়। কী যেন ভাবলেন বৃদ্ধা, তারপর ফিসফিসিয়ে বললেন, ‘পাদ্রোনি ফিরে এসেছেন!’

    ‘ব্যাখ্যা করুন কথাটা,’ বলল কুয়াশা। ‘আমরা তো কিছুই রাখঢাক করিনি আপনার কাছে।’

    ‘তোমাকে যে-লোক এতসব কথা বলেছে, সে কি বেঁচে আছে?’ জিজ্ঞেস করলেন বৃদ্ধা। মনে হলো জবাবটা জানা আছে তাঁর।

    ‘না,’ বিস্মিত গলায় বলল কুয়াশা। ‘আমার সঙ্গে কথা শেষ হবার আগেই খুন করা হয় ওকে। আমি কোনোরকমে পালিয়ে বেঁচেছি।’

    ‘ওকে কি আতঙ্কিত মনে হয়েছে তোমার কাছে?’

    ‘হ্যাঁ… কিন্তু এসব প্রশ্ন কেন?’

    ‘আমার পাদ্রোনি ওর মনে আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিলেন।

    ‘মাফ করবেন, তবে ওই লোক কাউণ্ট বারেমিকে চিনত বলে মনে হয় না।’

    ‘পাদ্রোনিকে না চিনুক, তাঁর শিষ্যদেরকে তো চিনত! ওটাই যথেষ্ট। শিষ্যদের মাঝেই বেঁচে আছেন তিনি। ওদের জন্য তিনি ছিলেন যিশু… আর যিশুর মত শিষ্যদের জন্য তিনিও জীবন দিয়েছিলেন।

    ‘আপনার পাদ্রোনিকে ঈশ্বর ভাবত ওরা?’ চমকে উঠল রানা।

    ঈশ্বর… নবী… স-অ-ব! অন্ধ বিশ্বাস ছিল ওদের।’ জানালেন বৃদ্ধা।

    ‘কীসের বিশ্বাস?’

    ‘এ-ই যে, একদিন ওরা পৃথিবীর মালিক হবে। প্রতিশোধ নেবে আমার পাদ্রোনির হয়ে!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)
    Next Article মাসুদ রানা ১৫৯-১৬০ – আবার উ সেন (দুইখণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }