Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই কুয়াশা ১.১৭

    সতেরো

    ফার্মহাউস থেকে বেরিয়ে পিছনদিকে ছুটল তিনজনে। সবজি-খেত পেরিয়ে নেমে পড়ল ঢালে, লুকাল ঝোপঝাড়ের আড়ালে। কপাল ভাল, উল্টোদিকের ঢাল বেয়ে উঠতে থাকা লোকগুলোর মনোযোগ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে উচেলোর ক্রমাগত হুঙ্কারে। আবছাভাবে তর্কাতর্কি শুনতে পেল ওরা, কুকুরটাকে গুলি করবে কি না, তা নিয়ে দ্বিধাদ্বন্দ্বে পড়ে গেছে হামলাকারীরা। সুযোগ বুঝে তীক্ষ্ণস্বরে শিস দিয়ে উঠল সোনিয়া, উচেলো ছুটে চলে এল সে-ডাক শুনে। মাথায় হাত বুলিয়ে প্রাণীটাকে শান্ত করল মেয়েটা।

    পাতার ফাঁক দিয়ে রুক্ষ চেহারার কয়েকজন লোককে মালভূমিতে উঠে আসতে দেখল রানা। সংখ্যায় আটজন … সবাই সশস্ত্র। ওর আর কুয়াশার পক্ষে এতজনকে ঘায়েল করা সম্ভব নয়। লুকিয়েই থাকতে হবে।

    বৃদ্ধার কথাগুলো নিয়ে ভাবতে শুরু করল ও। রাখালবালককে খুঁজে বের করতে হবে, যার কণ্ঠ ঝোড়ো বাতাসের চেয়ে ভয়ঙ্কর! সত্যিই কি সেদিনের সেই কিশোর আজকের ফেনিসের নেতৃত্ব দিচ্ছে? বয়স অনেক হয়ে যাবার কথা… পঁচাশি-র কম নয়; বৃদ্ধের কণ্ঠের সঙ্গে বাচ্চা ছেলের কণ্ঠ কীভাবে মেলালেন মারিয়া মাযোলা? শুনেছেনও রেডিও-তে, সামনাসামনি নয়। ভুল করেননি তো?

    একটা ব্যাপার পরিষ্কার, অন্ধ মহিলাটির সঙ্গে এখনও অনেক কথা বাকি রয়ে গেছে ওদের। জানতে হবে ঠিক কবে, কোন্ রেডিও স্টেশনে শুনেছেন তিনি সে-কণ্ঠ। কী-ই বা বলছিল মানুষটা? যে-সে তো জাতীয় বেতারে কথা বলতে পারে না, নিশ্চয়ই গুরুত্বপূর্ণ কোনও মানুষ ওই বৃদ্ধ। পরিচয় কী তার?

    অস্ত্র উঁচিয়ে ফার্মহাউসের দিকে এগোতে দেখা গেল কর্সিকানদেরকে। চারজন বাইরে রইল পাহারা দেবার জন্য, বাকিরা দরজা খুলে ঢুকে পড়ল ভিতরে। একটু পরেই শোনা গেল চেঁচামেচি। মারিয়া মাযোলা রাগী কণ্ঠে জিজ্ঞেস করছেন অনুপ্রবেশের কারণ, ক্ষিপ্ত স্বরে তার জবাব দিচ্ছে কর্সিকানরা একটু পরেই শোনা গেল চড়-থাপ্পড়ের আওয়াজ, পিছু পিছু ব্যথায় চেঁচিয়ে উঠলেন বৃদ্ধা। ধীরে ধীরে আওয়াজের তীব্রতা বাড়ল।

    ক্রুদ্ধ ভঙ্গিতে ঝোপের আড়াল থেকে উঠে দাঁড়াতে শুরু করল সোনিয়া, সুন্দর মুখটা রাগে লাল হয়ে গেছে। জ্যাকেট খামচে ধরে ওকে টানল কুয়াশা, বাধ্য করল বসে থাকতে। মেয়েটার গলা ফুলে উঠতে দেখল রানা, চেঁচাতে যাচ্ছে। পিছন থেকে ওকে জাপটে ধরল তাই, এক হাতে চেপে ধরল মুখ। যুঝতে শুরু করল সোনিয়া, কিন্তু একচুল আলগা হলো না রানার হাতের  বাঁধন।

    ‘শান্ত থাকো!’ চাপা গলায় ধমক দিল রানা। ‘চেঁচালে কোনও লাভ হবে না তোমার দাদীর। মাঝখান থেকে ধরা পড়ে যাব আমরা।’

    কথাটা কানেই তুলল না সোনিয়া, শরীর মোচড়াচ্ছে সে। ওর কাঁধে একটা হাত রাখল কুয়াশী। নরম গলায় বলল, ‘প্লিজ, বুঝতে চেষ্টা করো। আমরা ধরা দিলেই যে তোমার দাদীকে ছেড়ে দেবে ওরা, এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। বরং সবাইকেই খুন করে রেখে যাবে ওরা।’

    থেমে গেল সোনিয়া। চোখ পিটপিট করল, বুঝতে পেরেছে কুয়াশার যুক্তি। মুখের উপর থেকে হাত একটু সরাল রানা, কিন্তু পুরোপুরি নয়, খুলল না হাতের বাঁধনও।

    ‘ওরা দাদীকে মারছে!’ কাঁদো কাঁদো গলায় বলল মেয়েটা। ‘অসহায়… অন্ধ একটা মানুষ… তারপরেও ওঁর গায়ে হাত তুলছে পিশাচগুলো। কিছু একটা করতে হবে আমাদেরকে।’

    ‘এ-মুহূর্তে কিছুই করার নেই,’ মাথা নাড়ল কুয়াশা। ‘জমি হারানোর ভয়ে পাগল হয়ে গেছে মূর্খগুলো। ওদের মাথায় এখন কিচ্ছু ঢুকবে না।’

    বিস্ময় ফুটল সোনিয়ার চোখে। জমি হারানোর ভয়! মানে?? ‘এসব নিয়ে পরে কথা বলা যাবে,’ রূঢ় কণ্ঠে বাধা দিল রানা। সন্দিহান হয়ে উঠেছে ও। বলল, ‘ঝামেলা হয়েছে কোথাও। বাড়ির ভিতরে এতক্ষণ থাকার কথা না ওদের।

    ‘হয়তো আমাদের কোনও চিহ্ন খুঁজে পেয়েছে,’ অনুমান করল কুয়াশা।

    ‘মনে হয় না। কিছু ফেলে আসিনি আমরা।’

    ‘তা হলে?’

    কান পাতল রানা। ফার্মহাউসের ভিতর থেকে এখন আর চড়-থাপ্পড়ের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে না। তার বদলে নেমে এসেছে নীরবতা। একটাই অর্থ হতে পারে এর।

    ‘সর্বনাশ!’ আঁতকে উঠল রানা। ‘কথা বলছেন উনি!’

    ‘এতে সর্বনাশের কী আছে?’ বলল সোনিয়া। ‘যা খুশি বলুন… শয়তানগুলো দাদীর গায়ে আর হাত না তুললেই হয়!’

    কুয়াশা ভুরু কোঁচকাল। ‘কী ভাবছ তুমি, রানা?

    মারিয়া চাইছেন না আমরা ফিরে যাই,’ রানা বলল। ‘ফিরে গেলে সোনিয়ার বিপদ হবে। তাই বন্ধ করে দিতে চাইছেন আমাদের ফেরার পথ। লোকগুলোকে বলে দিচ্ছেন, কী কথা হয়েছে আমাদের মধ্যে। এরপর নিশ্চয়ই ভুল পথে পাঠিয়ে দেবেন ওদের, যাতে আমাদেরকে আর খুঁজে না পায় ওরা!?

    ‘সে তো ভাল কথা।’

    ‘গড ড্যাম ইট, কুয়াশা! ওরা খুন করবে মহিলাকে!’

    ঝট্ করে ফার্মহাউসের দিকে তাকাল কুয়াশা। এতক্ষণে বুঝতে পেরেছ মারিয়া মাযোলার উদ্দেশ্য। আত্মাহুতি দিচ্ছেন তিনি স্বেচ্ছায়… সোনিয়াকে বাঁচাবার জন্য। দাদী মারা গেলে এখানে থাকার আর বাধ্যবাধকতা থাকে না মেয়েটার… চলে যেতে পারবে ও-পাহাড়ের খুনে লোকজনের নাগালের বাইরে।

    ‘ঠিকই বলেছ তুমি,’ রানাকে বলল ও। ‘ওদের গোমর ফাঁস করে দিয়ে মস্ত অন্যায় করেছেন ভদ্রমহিলা। কিছুতেই ওঁকে বাঁচতে দেবে না ওরা। উনিও তা-ই চাইছেন। নিজের জীবনের বদলে সোনিয়ার জীবন!’

    লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়াল রানা। হাতে চলে এসেছে নিজের সিগ-সাওয়ার। ‘ঠেকাতে হবে ওদেরকে,’ উত্তেজিত গলায় বলল ও। ‘কিছুতেই খুন হতে দেয়া যাবে না ভদ্রমহিলাকে। এখনও  অনেক কিছু জানার আছে আমাদের!’

    সোনিয়া আর কুয়াশাও উঠে দাঁড়াল, ঝোপের আড়াল থেকে বেরিয়ে ছুটতে শুরু করল তিনজনে। কিন্তু কয়েক পা যাবার সঙ্গে সঙ্গে শোনা গেল শটগানের গগনবিদারী আওয়াজ, সেইসঙ্গে কারও মরণ-আর্তনাদ—দুটোই ভেসে এসেছে ফার্মহাউসের ভিতর থেকে। দাদীর অমঙ্গল আশঙ্কায় চেঁচিয়ে উঠতে চাইল সোনিয়া, কিন্তু ওকে সে-সুযোগ দিল না রানা, জাপটে ধরে ঝাঁপিয়ে পড়ল মাটিতে। পিছু পিছু কুয়াশা। মাটিতে পড়েই মেয়েটার মুখ আবার চেপে ধরল ও।

    ‘প্লিজ, সোনিয়া… প্লিজ!’ চুপ থাকার জন্য অনুরোধ করল রানা।

    সারা শরীর থরথর করে কাঁপছে মেয়েটার, কথা শুনতে চাইল না। মুক্তি পাবার জন্য খামচি দিতে শুরু করল রানার হাতে।

    ‘বেহুঁশ করে ফেলো!’ চাপা গলায় বলে উঠল কুয়াশা।

    ‘না, তার দরকার নেই।’ ফার্মহাউসের দিকে ইশারা করল রানা। ভিতর থেকে বেরিয়ে এসেছে কর্সিকানরা। সত্যিই ভুল নির্দেশনা দিয়েছেন মারিয়া মাযোলা —ওদের দিকে না এসে মালভূমির দক্ষিণ ঢালের দিকে ছুটে চলে গেল ওরা। একটু পরেই হারিয়ে গেল দৃষ্টির আড়ালে।

    সোনিয়াকে ছেড়ে দিল রানা। উঠে বসে ফুঁপিয়ে উঠল মেয়েটা। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলল, ‘খুন করো ওদেরকে… খুন করো!’

    ‘কী লাভ?’ বলল কুয়াশা। ‘ওদেরকে খুন করতে গেলে সময় নষ্ট হবে… নিজেরাই বরং ওদের ঘেরাওয়ের মধ্যে পড়ে যেতে পারি। তোমার দাদীর আত্মত্যাগ বৃথা হয়ে যাবে তাতে।’

    ‘তা হলে কী করব আমরা?’ কান্না আরও বেড়ে গেল সোনিয়ার।

    ‘উনি যা চেয়েছিলেন—তোমাকে বের করে নিয়ে যাব এখানকার মৃত্যুফাঁদ থেকে। তারপর খুঁজে বের করব এসবের পিছনে যারা জড়িত, তাদেরকে।’

    .

    কুকুরটা কিছুতেই ওদের সঙ্গে এল না, পরোয়াই করল না সোনিয়ার হুকুমের। ছুটে চলে গেল ফার্মহাউসের দিকে, ভিতরে ঢুকে অদ্ভুত এক সুরে কুঁই কুঁই করে উঠল। অবলা জানোয়ারটার বিষণ্ণ সে-ডাকে ভারী হয়ে উঠল মালভূমির বাতাস।

    ‘বিদায়, উচেলো,’ হাহাকারের মত শোনাল সোনিয়ার কণ্ঠ । ‘ভাল থাকিস। কথা দিচ্ছি, ফিরে আসব আমি তোর জন্য। যিশুর কিরে… আসব-ই! যখনই হোক না কেন!

    পাহাড়ি ঢাল ধরে নামতে শুরু করল তিনজনে। ঘুরপথে উত্তর-পশ্চিমে গেল—পোর্তো ভেচিয়ো থেকে দূরে সরে গেল যতটা পারে; এরপর আবার দক্ষিণমুখী ট্রেইল ধরে সেইণ্ট লুসির দিকে এগোল। দুপুর নাগাদ ঝর্ণার পাড়ের পাইন গাছটার তলায় পৌঁছুল ওরা। গর্ত থেকে নিজের হ্যাভারস্যাক আর ডাফল ব্যাগ বের করে নিল রানা। তারপর আবার পথে নামল। খুব সতর্কভাবে এগোল ওরা, গাছপালার আড়ালে থাকল সবসময়। খোলা কোনও জায়গা পেরুতে হলে একে একে পেরোয়, কেউ যেন একসঙ্গে দেখতে না পায় তিনজনকে। পথে প্রয়োজন ছাড়া কথাই বলল না কেউ, কাউণ্ট বারেমির এলাকা থেকে বেৱিয়ে যাবার দিকে একমাত্র মনোযোগ।

    অনবরত হাঁটায় ক্লান্তি এল ঠিকই, কিন্তু একদিক থেকে লাভও হলো। রানা লক্ষ করল, সোনিয়া কিছুটা শান্ত হয়ে এসেছে। সারা পৃথিবীতে মারিয়া মাযোলা ওর সবচেয়ে কাছের মানুষ ছিলেন,  তাঁর মৃত্যুটা বিশাল এক আঘাত। অপরিচিত মানুষের সান্ত্বনা কোনও কাজে আসত না, কিন্তু পথযাত্রার কারণে মন কিছুটা বিক্ষিপ্ত হয়ে আছে ওর। ক্ষণে ক্ষণে দাদীর কথা ভেবে ফুঁপিয়ে উঠছে বটে, কিন্তু কোনও ধরনের পাগলামি করছে না। কথা শুনছে ওর আর কুয়াশার।

    দিনের আলোয় মেয়েটাকে ভাল করে দেখল রানা। হাঁটাচলার ভঙ্গিই বলে দিচ্ছে—সভ্য-ভদ্র সমাজের মেয়ে ও, অশিক্ষিত পাহাড়িদের কেউ নয়। শটগান চালাতে জানে হয়তো, কিন্তু সত্যিকার ভায়োলেন্সের সঙ্গে পরিচয় নেই বেচারির। কে জানে, হয়তো ঝোঁকের মাথায় যোগ দিয়েছে কমিউনিস্টদের সঙ্গে; কিন্তু আদপে মোটেই বিপ্লবী নয়। সত্যি সত্যি কখনও আন্দোলনে নামলে টের পাবে এই বাস্তবতা।

    হঠাৎ থেমে দাঁড়াল সোনিয়া, মনে হলো ভাবনাচিন্তা করে একটা সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছে। রাগী গলায় বলল, ‘না, পালাব না আমি। যা খুশি করো তোমরা, সেনিয়র, কিন্তু আমি ফিরে যাচ্ছি পোর্তো ভেচিয়োয়। ওখানে গিয়ে খুনিগুলোকে ফাঁসিতে ঝোলাব।

    ‘ভুল করতে যাচ্ছ,’ শান্ত গলায় বলল কুয়াশা। ‘অনেক কিছুই জানো না তুমি।’

    ‘আমার দাদী খুন হয়েছে… এর বেশি কিছু জানার প্রয়োজন নেই আমার!’

    ‘ব্যাপারটা এত সহজ নয়,’ রানা বলল। ‘কথা শোনো, পাহাড়ের লোকেরা এখন পাগলা কুকুর হয়ে আছে। যাকে পাবে তাকেই খুন করে ফেলবে। কিন্তু এই উন্মাদনা খুব বেশিদিন টিকবে না। কয়েকদিন কেটে যাবার পর শান্ত হয়ে পড়বে ওরা, ফিরে যাবে নিজেদের রোজকার স্বাভাবিক জীবনে… ভয় আর আতঙ্কে জড়োসড়ো হয়ে। তার আগে কিছুতেই ওখানে ফেরা চলে না তোমার। বিচার-আচার যদি কিছু করতে চাও, তখন কোরো। তোমার দাদী এসব জানতেন, তাই জীবন দিয়েছেন নিজের, আমাদের হাতে তুলে দিয়েছেন তোমাকে, যাতে ততদিন তোমাকে নিরাপদে রাখি আমরা।’

    ‘কিন্তু কেন? কে তোমরা? এক রাতের পরিচয়… তাতেই তোমাদের উপর এত বিশ্বাস সৃষ্টি হবে কেন দাদীর?’

    ‘কারণ আমাদের পরিচয় জেনেছেন তিনি…. বুঝতে পেরেছেন কেন এত ঝুঁকি নিয়ে তোমাদের এলাকায় এসেছি আমরা।’:

    ‘আমিও জানতে চাই। কী এক তালিকা আর রাখাল বালকের কথা বলছিলেন দাদী… সেগুলো কী?’

    ‘এ-ব্যাপারে যত কম জানবে, ততই তোমার জন্য মঙ্গল, সোনিয়া। এর সঙ্গে কিছুতেই তোমাকে জড়াতে পারব না আমরা।’

    রেগে গেল সোনিয়া। ফুঁসে উঠল ক্রুদ্ধ সিংহীর মত। ‘জড়িয়ে তো গেছিই, সেনিয়র। আমার দাদী খুন হয়েছে! কেন… সেটা জানার অধিকার আছে আমার।’

    ওর সঙ্গে কথায় না পেরে কাঁধ ঝাঁকাল রানা। সঙ্গীর দিকে তাকিয়ে নীরবে সাহায্য চাইল। লক্ষ করেছে, ওদের মধ্যে কুয়াশাকে কিছুটা সমীহ করে মেয়েটা।

    রানার ইশারা বুঝতে পেরে এক পা এগিয়ে এল কুয়াশা। বলল, ‘ঠিক আছে, সোনিয়া। সব খুলে বলব তোমাকে… কিন্তু এখন নয়। কথা বলার মত পরিস্থিতি নেই এ-মুহূর্তে। যত দ্রুত সম্ভব এই এলাকা থেকে দূরে সরে যেতে হবে আমাদেরকে।’

    ‘কোথায় যাচ্ছি আমরা?’ জানতে চাইল সোনিয়া।

    ‘উপকূলের দিকে,’ রানা জানাল। ‘মুরাতো-য় থামব আমরা, ওখানে আমার পরিচিত এক লোক থাকে। ওর সঙ্গে কথা বলার পর যদি বাস্তিয়া পৌঁছুতে পারি, দ্বীপ থেকে বেরিয়ে যেতে অসুবিধে হবে না।’

    ‘ঠিক আছে, বাস্তিয়া পর্যন্ত যাব আমি,’ বলল সোনিয়া। ‘কিন্তু এরপর যদি সব কথা খুলে না বলো, এক পা-ও আর নড়াতে পারবে না আমাকে।

    গটমট করে হাঁটতে শুরু করল ও। পিছন থেকে কয়েক মুহূর্ত ওকে নীরবে দেখল কুয়াশা, তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, ‘ভাল একটা ঝামেলা জুটল, তাই না?’

    ‘কিছু করার ছিল না,’ শ্রাগ করল রানা।

    মেয়েটার পিছু পিছু হাঁটতে শুরু করল দু’জনে। কুয়াশা বলল, ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ঠিক করে নেয়া দরকার, রানা। অনেক কাজ হাতে, একসঙ্গে করতে গেলে সময় লাগবে প্রচুর। তারচেয়ে দু’জনে দু’দিকে গেলে ভাল হয়। কাজও এগোবে, একসঙ্গে দু’জনকে বাগেও পাবে না ফেনিস। যোগাযোগ রাখার জন্য শিডিউল আর পয়েন্ট অভ কন্ট্যাক্ট ঠিক করে নিতে পারি আমরা এখুনি।’

    ‘তাড়াহুড়োর কিছু নেই,’ রানা বলল। ‘এখান থেকে বাস্তিয়ার দূরত্ব প্রায় নব্বুই মাইল। কথা বলার অনেক সময় পাওয়া যাবে।’

    ‘ওর সামনে কথা বলতে চাইছ না বুঝি?’ ইশারায় সোনিয়াকে দেখাল কুয়াশা। ‘যত যা-ই বলো, ও একটা বোঝা ছাড়া আর কিছু নয়। নিজেরা পালিয়ে বেড়াচ্ছি, এ অবস্থায় একটা মেয়ের দায়িত্ব নেব কী করে?

    ‘না নিয়ে উপায়ও নেই,’ রানা বলল। ‘অন্তত কর্সিকা থেকে বের করে নিয়ে যেতে হবে ওকে। এখানে থাকলে পাহাড়ি লোকজন ঠিকই খোঁজ বের করে ফেলবে ওর।’

    ‘নাহয় নিলাম-ই দ্বীপের বাইরে। তারপর?

    ‘সেটা তখন দেখা যাবে।’

    ‘দেখা যাবে মানে? কিছু ভাবছ না তুমি এ-ব্যাপারে? সত্যি করে বলো তো, মাথায় কী ঘুরপাক খাচ্ছে তোমার?’

    ‘ছোট্ট একটা খটকা,’ ঘাড় ফিরিয়ে কুয়াশার দিকে তাকাল রানা। ‘প্রশ্নটা কিন্তু মন্দ করেনি সোনিয়া। মারিয়া মাযোলা কেন ওকে পাঠালেন আমাদের সঙ্গে? আমাদেরকে তো চিনতেন-ই না তিনি। যে-পরিচয় দিয়েছি, সেটা মিথ্যে হতে পারত। আমরা মন্দলোক হতে পারতাম…’

    ‘ওই মুহূর্তে আর কেউ ছিল না তাঁর হাতের কাছে,’ মুক্তি দেখাল কুয়াশা।

    ‘ওটা কোনও কারণ হতে পারে না। এই পাহাড়-পর্বত আমাদের চেয়ে ভাল চেনে সোনিয়া। একাই পালাতে পারত ও ।

    ‘ভাবছ কোনও রহস্য আছে এতে?’

    ‘জানি না,’ মাথা নাড়ল রানা। ‘কিন্তু একটা জিনিস পরিষ্কার, সব প্রশ্নের জবাব না পাবার আগে কিছুতেই ওকে হাতছাড়া করা উচিত হবে না আমাদের।’

    .

    বাস্তিয়া থেকে প্রায় বিশ মাইল দক্ষিণে ভেসকোভাতো শহর, ওখানে এককালে বাস করেছে সোনিয়া, আশপাশের সমস্ত পথঘাট চেনে, লোকজনের দৃষ্টি এড়িয়ে রানা আর কুয়াশাকে সহজেই নিয়ে যেতে পারল শহরের কাছাকাছি। কোন্ পথে কীভাবে যাবে, তা মেয়েটাকে ঠিক করতে দিল ওরা-কিছুটা স্বাধীনতা পাক ও, নিজেকে তা হলে অচেনা দু’জন মানুষের হাতে বন্দি বলে মনে হবে না। সিদ্ধান্তটার সুফলও পাওয়া গেল—এমন সব গিরিবর্ত আর ভাঙাচোরা ট্রেইল ধরে এগোল মেয়েটা… ওসব পথে কখনও কেউ আসা-যাওয়া করে বলে মনে হলো না। কেউ ওদেরকে দেখে ফেলার ভয় নেই।

    ‘কনভেন্টের নান-রা পিকনিকের জন্য আমাদেরকে নিয়ে এসেছিল এখানে,’ শুকিয়ে যাওয়া একটা ঝর্ণা দেখিয়ে বলল সোনিয়া। ‘আগুন জ্বেলে রান্না করেছিলাম আমরা, জঙ্গলে ঢুকে চুরি করে সিগারেট টেনেছিলাম… আহ্, কী এক দিন ছিল সেটা!’

    স্মৃতিচারণের ঝোঁক চেপেছে মেয়েটার মাথায়। আরেকটু এগোবার পর বলল, ‘এদিককার পাহাড়ের মাঝ দিয়ে সকালবেলা, চমৎকার বাতাস বয়ে যায়। যখন ছোট ছিলাম, প্রতি রোববার বাবা আমাদেরকে নিয়ে সকালবেলা ঘুড়ি ওড়াতেন।’

    ‘আমরা?’ জিজ্ঞেস করল কুয়াশা। ‘তোমার আরও ভাই-বোন আছে?’

    ‘এক ভাই আর এক বোন। দু’জনেই আমার বড়… এখনও ভেসকোভাতোয় থাকে। বিয়ে-শাদী করে পরিবার নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে ওরা, আজকাল বলতে গেলে দেখা-সাক্ষাৎই হয় না। ওদের ব্যাপারে বলার মত তেমন কিছু নেই।

    ‘এখনও এখানে পড়ে আছে কেন? লেখাপড়া করেছে কতদূর??

    ‘বেশি না, এসবের প্রতি ঝোঁক ছিল না ওদের। সাদাসিধে টাইপের মানুষ—চাষাবাদ আর সংসারধর্মই ওদের জন্য সব। ঝুটঝামেলা পছন্দ করে না। তবে আমরা সাহায্য চাইলে ফিরিয়ে দেবে না।’

    ‘না, না, তাড়াতাড়ি বলল রানা। ‘সাহায্য চাওয়া তো দূরের কথা, দেখাই করার দরকার নেই।’

    ‘ওরা আমার আপনজন, সেনিয়র। কেন এড়িয়ে যাব ওদেরকে?’

    ‘এর দরকার আছে, সোনিয়া।’

    ‘ওটা কোনও জবাব হলো না। দেখো সেনিয়র, আমার সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছ তোমরা। জোর করে পোর্তো ভেচিয়ো থেকে সরিয়ে এনেছ, দাদীর খুনের বিচার পেতে দাওনি। এখন আবার বাধা দিতে চাইছ ভাই-বোনের সঙ্গে দেখা করবার ব্যাপারেও? তোমাদের এ-সব হুকুম মানতে রাজি নই আমি।’

    অসহায় চোখে কুয়াশার দিকে তাকাল রানা। আবার মেয়েটা খেপে গেছে ওর উপর। কুয়াশা যদি বুঝিয়ে-সুজিয়ে শান্ত করতে পারে!

    ‘কেউ তোমাকে হুকুম দিচ্ছে না, সোনিয়া,’ নরম গলায় বলল কুয়াশা। ‘যা বলছি, তা তোমার নিরাপত্তার জন্যই বলছি। বিশ্বাস করো!’

    ‘আমার তা মনে হয় না। অন্ধ… অসহায়… নিরপরাধ একজন মহিলার খুনের ঘটনা ধামাচাপা দিতে চাইছ তোমরা। কেন?’

    ‘বললাম তো, তোমাকে বাঁচাবার জন্য। যদি মুখ খোলো, ভয়ানক বিপদ ঘনিয়ে আসবে তোমার মাথার উপর… যাদের সঙ্গে কথা বলবে, তারাও পড়বে একই বিপদে। তা হতে দেয়া যায় না।’

    ‘আমার দাদীকে খুন করা হয়েছে!’ প্রায় চেঁচিয়ে উঠল সোনিয়া।

    ‘হ্যাঁ,’ স্বীকার করল কুয়াশা। ‘কিন্তু পুরো ব্যাপারটা শুধু এই একজনের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে নয়। খুব খারাপ কিছু মানুষকে ঠেকাবার জন্য লড়াইয়ে নেমেছি আমরা, তোমার দাদী সাহায্য করেছেন আমাদেরকে। জীবন দিয়েছেন… বিনিময়ে চেয়েছেন তোমার নিরাপত্তা। কী করে সেটা অগ্রাহ্য করব আমরা, বলো?’

    কচি খুকির সঙ্গে কথা বলছ না তোমরা,’ রাগতস্বরে বলল সোনিয়া। ‘খুব খারাপ মানুষ বলতে কী বোঝাতে চাইছ? খুলে বলো, আমাকে।‘

    চোখে চোখে কথা হলো রানা-কুয়াশার। দুজনেই বুঝতে পারছে, মেয়েটাকে অন্ধকারে রাখার উপায় নেই আর। পুরোটা না হোক, সামান্য হলেও আভাস দিতে হবে ওকে, নইলে ঝামেলা পাকাবে। তাই মুখ খুলল রানা।

    ‘ওরা একদল খুনি, সোনিয়া,’ বলল ও। দলটা কতবড়, তা জানি না; তবে এটুকু জানি, প্রচুর ক্ষমতা ওদের। আর দশটা সাধারণ খুনিও নয় এরা মানুষ হত্যা করে নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে… বাছাই – করে। এর ফলে সংঘাত সৃষ্টি হয় দুনিয়ার আনাচে-কানাচে—ব্যক্তিগত সংঘাত, রাজনৈতিক সংঘাত এবং আন্তজার্তিক সংঘাত! ওরা রয়ে যায় আড়ালে।’ এটুকু বলে সোনিয়ার প্রতিক্রিয়া দেখল রানা—মনোযোগ দিয়ে কথা শুনছে মেয়েটা। ‘তুমি শিক্ষিত, আধুনিক মেয়ে, সোনিয়া। আমার আর আমার বন্ধুর মধ্যকার সম্পর্কটার গুরুত্ব বুঝতে পারবে। মি. কুয়াশাকে আণ্ডারগ্রাউণ্ডের অত্যন্ত প্রতিভাবান এক ক্রিমিনাল বলতে পারো, সেই সঙ্গে প্রথম সারির একজন বিজ্ঞানী; আর আমি, মাসুদ রানা, আইনের লোক। তারপরেও পরস্পরবিরোধী আমরা একত্র হয়েছি ওই খুনিদেরকে ঠেকানোর জন্য। কারণ, গোটা পৃথিবীর জন্য ওরা এত ভয়ঙ্কর হুমকি যে, তার সামনে আমাদের দু’জনের বিভেদটা মোটেই গুরুত্বপূর্ণ নয়। জটিল এক ষড়যন্ত্র এঁটেছে ওরা, সেটা বানচাল করতে না পারলে দুনিয়া ধ্বংস হয়ে যাবে যুদ্ধ-বিগ্রহ আর অরাজকতার কবলে পড়ে।’

    ‘তীক্ষ্ণদৃষ্টিতে রানার মুখভঙ্গি লক্ষ করল সোনিয়া। সন্তুষ্ট হয়ে বলল, ‘সত্যি কথা বলার জন্য ধন্যবাদ, সেনিয়র রানা। কিন্তু এসবের সঙ্গে আমার দাদীর কী সম্পর্ক?’

    ‘ষড়যন্ত্রটার যখন সূচনা ঘটে, সেখানে উপস্থিত ছিলেন তিনি, ‘ বলল রানা। ‘প্রায় পঁচাত্তর-বছর আগে… ভিলা বারেমিতে।’

    ‘পঁচাত্তর বছর আগে!’ অবাক হয়ে গেল সোনিয়া। ‘তোমরা বলতে চাইছ, এই ষড়যন্ত্রের সঙ্গে দাদীর পাদ্রোনি… মানে কাউণ্ট গিলবার্তো জড়িত?’

    ‘শুধু জড়িত না, পুরোটাই তাঁর উর্বর মস্তিষ্কের ফসল। অত্যন্ত প্রভাবশালী এবং ক্ষমতাবান লোক ছিলেন তিনি, ফ্রান্স আর ইংল্যাণ্ডে তাঁর সমকক্ষ আর কেউ ছিল না। দেশদুটোর ব্যবসায়ীদের নানাভাবে হেনস্থা করেছেন, তাই সরকারের সঙ্গে জোট বেঁধে ব্যবসায়ীরা তাঁর পতন ঘটায়… খুন করে তাঁর দুই ছেলেকে। এর ফলে পাগল হয়ে যান তিনি, আত্মহত্যা করেন। কিন্তু মরার আগে প্রতিশোধ নেবার জন্য দীর্ঘমেয়াদী এক পরিকল্পনা তৈরি করে রেখে যান একদল শিষ্যের কাছে। কাউন্সিল অভ ফেনিস নাম নিয়ে এরপর থেকে খুনোখুনির ব্যবসায় নামে ওরা। মাঝে বহু বছরের জন্য আণ্ডারগ্রাউণ্ডে চলে গিয়েছিল, কিন্তু এখন আবার ফিরে এসেছে—আগের চেয়ে ভয়ঙ্কর রূপ নিয়ে। যেভাবে এগোচ্ছে, তাতে কাউণ্ট বারেমির ইচ্ছে পূর্ণ হতে দেরি নেই আর। চরম সর্বনাশ ঘটে যাবার আগেই ঠেকাতে হবে ওদেরকে।’ এটুকু বলে থেমে গেল রানা, প্রয়োজনের তুলনায় বেশিই বলে ফেলেছে। যতকিছু তোমার পক্ষে বোঝা সম্ভব, তা আমি খুলে বললাম, সোনিয়া। ভুল বুঝো না, তোমার দাদীর ব্যাপারে সত্যিই দুঃখিত আমরা। ওঁর খুনিদের শাস্তি চাও তুমি… আমরাও চাই। আশা করি একদিন তা হবেও। কিন্তু এ-মুহূর্তে পাহাড়ি কিছু মূর্খ লোককে শায়েস্তা করার চেয়ে অনেক জরুরি কাজ ‘আছে আমাদের হাতে।’ .

    কয়েক মুহূর্ত নীরব রইল সোনিয়া। একটু পর মাথা তুলে সরাসরি তাকাল রানার দিকে। ‘ওদের কোনও গুরুত্ব নেই তোমাদের কাছে… তারমানে আমারও গুরুত্ব নেই, তাই না?’

    ‘আমি তা বলিনি।‘

    ‘ধোঁকা দেয়ার চেষ্টা কোরো না, সেনিয়র। বুঝতে পারছি, কী করছ তোমরা… কার কাছ থেকে কী তথ্য পাচ্ছ, তা জানতে দিতে চাও না কাউকে। এজন্যেই দাদীর ব্যাপারে কাউকে কিছু বলতে দিচ্ছ না আমাকে। তাতে তোমাদের খবর ফাঁস হয়ে যাবে। যদি কথা না শুনি, হয়তো চিরতরে চুপ করাবে আমাকে!’

    ‘এসব তোমার ভুল ধারণা। তবে হ্যাঁ, এ-মুহূর্তে তোমাকে ছাড়তে পারব না আমরা।’

    ‘তারমানে আমি তোমাদের বন্দি?’

    ‘মোটেই না,’ বলে উঠল কুয়াশা। ‘বরং আমাদের মত তুমিও একই পথের পথিক। ফেনিসের খবর জেনে ফেলায় আমার আর রানার নামে মৃত্যু-পরোয়ানা জারি হয়েছে… অনেকটা তোমারই মত। আমাদের সঙ্গে থাকলেই তোমার জন্য ভাল হবে।’

    ‘সাহস জোগাচ্ছ, নাকি হুমকি দিচ্ছ তুমি, সেনিয়র?’ ফুঁসে উঠল সোনিয়া।

    মেজাজ খিঁচড়ে গেল রানার। এতক্ষণ বোঝানোর পরেও যদি এমন আচরণ করে কেউ, মাথা ঠাণ্ডা রাখা মুশকিল। রূঢ় কণ্ঠে বলল, ‘যা খুশি ভাবতে পারো। কিন্তু আমাদের সঙ্গে থাকছ তুমি।’

    ‘কতদিন…… বা কতটা সময়, সেনিয়র? আমাকে নিয়ে শেষ পর্যন্ত কী করবে তোমরা?

    ‘এখুনি ওসব বলতে পারছি না। সময় এলে দেখা যাবে,’ বলল কুয়াশা। ‘আপাতত বাস্তিয়া পর্যন্ত চলো…. আর আস্থা রাখো আমাদের উপর। নিশ্চিত থাকতে পারো, আমাদের হাতে তোমার কোনও ক্ষতি হবে না।

    হতাশায় মাটিতে পা ঠুকল সোনিয়া। কুয়াশার কথা বিশ্বাস করেনি ও।..

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)
    Next Article মাসুদ রানা ১৫৯-১৬০ – আবার উ সেন (দুইখণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }