Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই কুয়াশা ১.১৮

    আঠারো

    মুরাতো-য় রানার পরিচিত লোকটা ইটালিয়ান, নাম সালভাতর মাযিনি—বাস্তিয়ার বেশ কিছু ফিশিং বোটের মালিক। তবে তলে তলে সে আসলে আমেরিকার বেতনভুক ইনফর্মার। ভূমধ্যসাগরীয় এলাকায় আশপাশের দেশগুলোর নৌ-কার্যক্রমের উপর নজর রাখে, সেসবের রিপোর্ট পাঠায় ওয়াশিংটনে। বেশ ক’বছর আগেই ওর এই গোমর জানতে পেরেছে রানা, কিন্তু সেটা ফাঁস করেনি I বরং ওকে নিজস্ব কাজে ব্যবহার করছে প্রয়োজনমাফিক। মাযিনিও নিজের কাভার অক্ষুণ্ণ রাখার স্বার্থে সাহায্য করে আসছে ওকে… : বলা বাহুল্য, খুশিমনে নয়। আজও তার ব্যতিক্রম ঘটল না।

    সরাসরি দেখা করল না রানা, মুরাতো-র একটা দোকান থেকে প্রথমে ফোন করল লোকটাকে। জানাল কী চায়। ওর কণ্ঠ চিনতে পেরেই চেহারায় চরম বিতৃষ্ণা ফুটল মাযিনির। আজকের পরিস্থিতি অতীতের যে-কোনও সময়ের চেয়ে গুরুতর। ইতোমধ্যে আমেরিকায় রানার নামে জারি হওয়া হুলিয়ার খবর পেয়ে গেছে সে, পুরস্কারের অঙ্কটাও জানতে পেরেছে। এ-সময় ওর সঙ্গে নিজেকে জড়ানো মানেই বিপদ।

    কিছুটা সময়ের জন্য লোভ মাথাচাড়া দিয়ে উঠল মাযিনির ভিতর। ইচ্ছে হলো ওর সিআইএ কন্ট্যাক্টের সঙ্গে যোগাযোগ করে রানাকে ধরিয়ে দিতে। কিন্তু বাস্তববাদী লোক সে, ক্ষণিকের  প্রলোভনকে এড়াতে জানে। তা ছাড়া এক অর্থে ওর পেটে ছুরি ঠেকাল রানা… মধু মাখানো ছুরি! হুমকি দিল, যদি রানার অনুরোধ না রাখে, তা হলে ওর সত্যিকার পরিচয় ফাঁস করে দেয়া হবে। তার অর্থ একটাই—নিশ্চিত মৃত্যু। ওর মত দু’মুখো সাপকে বাঁচতে দেবে না কেউ। এর সঙ্গে মধুটা হলো—কথা শুনলে দশ হাজার ডলার পাবে সে। সাত-পাঁচ ভেবে দেখল মাযিনি-রানাকে ধরিয়ে দেয়ার পুরস্কারের তুলনায় কম হলেও, হাজারদশেক ডলার একেবারে ফেলনা নয়। অন্তত ওটা খরচ করার জন্য জ্যান্ত থাকবে সে। রাজি হয়ে গেল প্রস্তাবে।

    সূর্যাস্তের খানিক আগে নিজের ওয়্যারহাউসের সামনে পৌঁছুল মাযিনি, দরজা খুলে ঢুকে পড়ল ভিতরে। প্রথমে ছোপ ছোপ অন্ধকার ছাড়া কিছুই দৃষ্টিগোচর হলো না, হাঁটতে হাঁটতে পিছনের দেয়ালের কাছে গিয়ে থামল সে, হেলান দিয়ে অপেক্ষা করতে লাগল রানার জন্য। দেখতে না পেলেও বুঝতে পারছে, বাঙালি এজেণ্ট আশপাশেই কোথাও আছে। পকেট থেকে একটা সিগারেট বের করে মুখে ঝোলাল মাযিনি, দেশলাই দিয়ে আগুন জ্বালতে গিয়ে লক্ষ করল, হাত কাঁপছে। রানার মুখোমুখি হলেই নার্ভাসনেস গ্রাস করে তাকে।

    ‘তুমি ঘামছ, মাযিনি!’ বাঁ-দিকের অন্ধকার থেকে গম গম করে উঠল পরিচিত কণ্ঠ। ‘দেশলাইয়ের আলোয় তোমার মুখ চকচক করছে। আশা করি কোনও দুঃসংবাদ নিয়ে আসোনি?’

    চমকে উঠল মাযিনি, মুখ থেকে খসে পড়ে গেল সিগারেট তবে এক মুহূর্ত পরেই সামলে নিল নিজেকেণ কণ্ঠে মধু মিলিয়ে বলল, ‘রানা! মাই ফ্রেণ্ড! তোমার গলা শুনতে পেয়ে কী যে ভাল লাগছে…’

    ছায়া থেকে আবছা আলোর মাঝে বেরিয়ে এল রানা। কাঠখোট্টা,গলায় বলল, ‘আমি তোমার বন্ধু নই… ছিলামও না কখনও। কাজের কথা বলো।’

    ‘সব ব্যবস্থা হয়ে গেছে। তোমাকে শুধু বাস্তিয়ার সাত নম্বর প্রিয়ারে গিয়ে আমার নাম বলতে হবে। তা হলেই একটা ট্রলার তোমাকে ভোরের আলো ফোটার আগে লিভোর্নোয় পৌঁছে দেবে।’

    ট্রলারের নরমাল রুট ওটা?’

    ‘উঁহুঁ। সাধারণত পিয়োম্বিনোয় যায় ওটা। তবে তোমার জন্য বাড়তি ফুয়েলের কোনও চার্জ ধরব না আমি। লোকসান যা হবার আমার হোক।’

    ‘এত দিলদরিয়া হলে কবে থেকে?’ ভুরু কোঁচকাল রানা।

    হেঃ হেঃ করে হাসল মাযিনি। ‘তোমার মত বন্ধুর জন্য একটু যদি উদার হতে না পারি…’

    ‘ধন্যবাদ,’ বাধা দিয়ে বলল রানা। পকেট থেকে ডলারের একটা বাণ্ডিল বের করল। তবে প্ল্যানে একটু রদবদল হবে। একা নই, আমার সঙ্গে আরও লোক যাচ্ছে। একটার জায়গায় দুটো ট্রলার চাই আমার, আর চাই দুটো স্পিডবোট। একটায় আমি উঠব, অন্যটায় আমার বন্ধু। ট্রলারদুটো অপেক্ষা করবে উপকূল থেকে দু’মাইল দূরে, সাগরের মাঝখানে। পিয়ার থেকে স্পিডবোটে চড়ে ওগুলোয় যাব আমরা, এরপর একটা ট্রলার যাবে উত্তরে, অন্যটা দক্ষিণে। ঠিক কোথায় যাবে, তা আমরা ট্রলারে ওঠার পর জানাব।

    ‘অনেক বেশি ঝামেলা হয়ে যাচ্ছে,’ কাঁচুমাচু শোনাল মাযিনি গলা। ‘এতসব সতর্কতার দরকার নেই। আমি কথা দিচ্ছি…’

    তোমার মুখের কথায় আমার চারআনাও বিশ্বাস নেই, মাযিনি!’

    মুখ কালো হয়ে গেল মাযিনির। ‘বেশ, তোমার কথাই সই। কিন্তু যা চাইছ, তার জন্য খরচাপাতি অনেক বেড়ে যাবে আমার।’

    ‘বাড়তি টাকা চাইছ, এই তো?’

    ‘ব্যাপারটা তুমি বুঝতে পারছ দেখে ভাল লাগছে।’

    ‘তা তো বুঝিই!’ বাণ্ডিল থেকে কয়েকটা নেটি আলাদা করল রানা। ‘তোমার কীর্তিকলাপের ব্যাপারে মুখে তালা এঁটে রাখছি আমি-প্রতিদান হিসেবে ওটুকুই যথেষ্ট হওয়া উচিত তারপরেও… আপাতত এই পাঁচ হাজার ডলার রাখো।’

    ‘রানা… বন্ধু আমার… তুমি বলেছিলে দশ হাজার!’ প্রতিবাদ করে উঠল মাযিনি। ‘পাঁচ হাজারে তো আমার দুই ট্রলার আর দুই স্পিডবোটের ফুয়েলের খরচও মিটবে না। ক্রু-দেরকে টাকা দেব কোত্থেকে? আমার ভাগের কথা নাহয় বাদ-ই দিলাম।’

    ‘পুরোটা অ্যাডভান্স দেব, এমন কথা তো বলিনি। অর্ধেকটা পাওনা থাকুক… মানে, বাড়তি খরচ ছাড়া আর কী। ওটা কত দিতে হবে?

    ‘খরচের ব্যাপারে তোমার তো আইডিয়া থাকার কথা। সবকিছুর দাম যেভাবে বাড়ছে…’

    ‘পনেরো পার্সেন্ট হলে চলবে?’

    অন্য কেউ হলে রাজি হতাম না, তবে তোমার কথা আলাদা।‘

    ‘শুনে খুশি হলাম। তা হলে বাড়তি দেড় হাজার, আর অরিজিন্যাল পাঁচ… মোট সাড়ে ছ’হাজার ডলার পাওনা রইল তোমার।’

    ‘মরে যাব, বন্ধু!’ আকুতি ঝরাল মাযিনি। ‘এখন যদি টাকা না দাও, পরে কোত্থেকে পাব? এখান থেকে বেরিয়ে তুমি তো দুনিয়ার আরেক প্রান্তে চলে যাবে… খোঁজও পাওয়া যাবে না তোমার।’

    ‘এত অস্থির হবার কিছু নেই,’ আশ্বস্ত করল রানা। ‘তোমার টাকা মেরে দেবার কোনও ইচ্ছে নেই আমার। সাড়ে ছ’হাজার ডলার আমি তোমার ট্রলারে রেখে যাব… কোন্টায়, তা এখুনি বলছি না। দুটোতেই তল্লাশি চালাতে হবে তোমাকে। ফরওয়ার্ড বাল্ক হেডের তলায়, সেন্টার-স্ট্রাটের ডানে, ডেকের তক্তার নীচে থাকবে টাকাটা। সহজেই খুঁজে পাবে।

    ‘গুড গড! আমি কেন… বোটের ক্রু-রাও তো খুঁজে পাবে!’

    ‘ওরা খুঁজতে যাবে কেন? আমি তো কাউকে বলে-কয়ে লুকাতে যাচ্ছি না টাকা।’

    তাও ব্যাপারটা বড্ড রিস্কি হয়ে যায়। আমার ক্রু-দেরকে তুমি তো চেনো না। টাকার গন্ধ পেলে আপন মায়ের পেটেও ছুরি ঢোকাতে পারে ওরা। প্লিজ রানা… একটু ভাবো আমার দিকটা!’

    ‘খামোকাই চিন্তা করছ তুমি, মাযিনি। ট্রলারদুটো হারবারে ফিরলেই টাকাটা বের করে নিয়ো। যদি না পাও, খোঁজ নিয়ে দেখো, ক্রু-দের মধ্যে কার একটা হাত উড়ে গেছে।

    ‘ডলারগুলোর সঙ্গে বুবি-ট্র্যাপ থাকবে?’ হতভম্ব গলায় জানতে চাইল মাযিনি।

    ‘ছোট একটা প্লাস্টিক চার্জ,’ জানাল রানা। ‘একটা সেট-স্ক্রু লাগানো থাকবে পাশে—তুমি দেখেছ আগে। ওটা খুলে নিয়ো, তা হলেই আর ভয় নেই। ‘

    তিক্ততা জমল মাযিনির চেহারায়—রানার কৌশল ধরতে পেরেছে। ট্রলারে থাকবে টাকা, কাজেই জলযানদুটোর উপর কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে পারবে না সে। সাহস করবে না কাউকে খবর দিতে, তাতে লড়াই বাধার… এবং ট্রলারের ক্ষতি হবার সম্ভাবনা। ওগুলো যখন হারবারে ফিরবে, ততক্ষণে স্পিডবোট নিয়ে রানা পগার পার হয়ে যাবে। বুদ্ধি বটে বাঙালিটার! হতাশ হয়ে মেনে নিল পরাজয়।

    ‘ঠিক আছে,’ কাঁধ ঝাঁকাল সে। ‘আজকের রাতের সিগনাল কী হবে?’

    ‘সিম্পল পর পর দু’বার আলো জ্বালতে বোলো তোমার লোকজনকে। সাড়া না পেলে কয়েক মিনিট পর আবার। যতক্ষণ ট্রলার না থামছে, আলো জ্বেলে যেতে হবে ওদেরকে, যেন স্পিডবোট নিয়ে মাঝ-সাগরে বিপদে পড়েছে।’

    ‘আচ্ছা, বলে দেব,’ রুমাল বের করে মুখের ঘাম মুছল মাযিনি। ‘আর কিছু?’

    উঁহুঁ। তুমি যেতে পারো।

    হাঁটতে শুরু করল মাযিনি, ওয়্যারহাউসের দরজার কাছে পৌছে ঘাড় ফেরাল ক্ষণিকের জন্য। রানা আবার মিলিয়ে গেছে অন্ধকারে।

    .

    পুরো দু’দিন হলো রানা-কুয়াশার সঙ্গে আছে সোনিয়া, কিন্তু এখনও মেয়েটাকে পুরোপুরি বুঝে উঠতে পারছে না ওরা। একটা সিদ্ধান্তে আসা দরকার ওর ব্যাপারে, অথচ পারছে না। কী যেন একটা লুকাচ্ছে সোনিয়া, সেটা জানার আগে ওকে হাতছাড়াও করা চলে না। কর্সিকা থেকে বেরুবার পর নিঃসন্দেহে মুক্তি চাইবে ও, ঠেকাবে কী করে? ভাবনা-চিন্তা করে প্রস্তাব দিল রানা, একটা কাজ দেয়া হোক ওকে; সেই কাজের ছুতোয় বাধ্য করবে সোনিয়াকে ওদের সঙ্গে থাকতে। কী কাজ—জানতে চাইল কুয়াশা। জবাবে রানা মেয়েটাকে ওদের দু’জনের মধ্যকার কন্ট্যাক্ট হিসেবে ব্যবহার করতে চাইল। আলাদা হয়ে যাবার পর সরাসরি যোগাযোগ রাখা ওদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ, মিডল-পারসন ব্যবহার করতে পারলে ভাল হয়। তা ছাড়া ওদের একজনের কাভার হবার জন্যও বলা যায় ওকে—শত্রুরা দু’জন পুরুষকে খুঁজছে, কোনও জুটিকে নয়। এতে ব্যস্ত রাখা যাবে সোনিয়াকে, ওদের সঙ্গে থাকার একটা যুক্তিও দেখানো যাবে। প্রস্তাবটা ভাল, স্বীকার করল কুয়াশা; কথা হলো, ওকে সঙ্গে রাখা কতখানি নিরাপদ। সন্দেহ নেই; বিরূপ পরিস্থিতির মধ্যে পড়তে হবে ওদেরকে পদে পদে, তার মাঝে যদি নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে না পারে মেয়েটা, মহা-বিপদ দেখা দেবে ওর সঙ্গীর জন্য।

    এখন পর্যন্ত অবশ্য উদ্বিগ্ন হবার মত কোনও আচরণ করেনি সোনিয়া। রানা-কুয়াশার কথা শুনছে বাধ্য মেয়ের মত। বাস্তিয়াতে নিয়ে এসেছে কোনও ধরনের ঝুট-ঝামেলা ছাড়া। মুরাতো ছাড়ার পরে হাঁটতেও হয়নি ওদেরকে, রাস্তার ধারে হাত তুলে একটা লক্কড়-মার্কা বাস থামিয়েছে ও—দুই সঙ্গীকে নিয়ে উঠে বসেছে তাতে। সামনের দিকের একটা সিটে সোনিয়াকে নিয়ে বসেছে কুয়াশা, রানা বসেছে পিছনে—একা।

    বাস্তিয়ায় পৌছুনোর পর রাস্তার ভিড়ের মাঝে মিশে গেল ওরা, এগোল ওঅটরফ্রন্টের একটা মদ্যশালার দিকে। জঘন্য এক জায়গা, রানা গেছে আগে, ভদ্রলোকেরা কখনও পা ফেলে না ওখানে। রাত পর্যন্ত গা-ঢাকা দিয়ে থাকার জন্য চমৎকার। ওদের খোঁজে কেউ মদ্যশালায় ঢুকলেই স্পট করা যাবে।

    ভিতরে ঢুকে সোনিয়াকে আলাদা একটা টেবিলে বসাল ওরা, রানা-কুয়াশা বসল একসঙ্গে—একান্তে কথা বলার জন্য। আড়চোখে নজর রাখল সঙ্গিনীর উপর। দেখা যাক, মাতাল প্রণয়প্রার্থীদেরকে কীভাবে সামলায় ও। এ এক ধরনের পরীক্ষা ফিল্ডে ওর উপর কতখানি আস্থা রাখা যায়, তার প্রমাণ পাওয়া যাবে।

    উইস্কির অর্ডার দিয়ে রানার দিকে ফিরল কুয়াশা। ‘কী বুঝছ?’

    ‘শিয়োর না,’ রানা বলল। ‘নিজেকে গুটিয়ে রেখেছে মেয়েটা, খোলস থেকে কিছুতেই বের করতে পারছি না ওকে।

    ‘খামোকাই হয়তো সন্দেহ করছ,’ কুয়াশা বলল। ‘মানসিক যন্ত্রণার মধ্যে আছে ও, এ-অবস্থায় স্বাভাবিক আচরণ আশা করা যায় না কারও কাছ থেকে।’

    ‘মানসিক এই যন্ত্রণা নিয়েই আমার খটকা। দাদী মারা যাবার আগে থেকেই মনে হয় শুরু হয়েছে ওটা। সভ্যজগৎ ছেড়ে পোর্তো ভেচিয়োর পাহাড়ে আশ্রয় নিয়েছিল কেন? শুধুই কি দাদীর সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য? আমার বিশ্বাস হয় না।’

    ‘অনেকভাবেই ব্যাখ্যা করা যায় সেটার। পুরো ইটালি জুড়ে অর্থনৈতিক মন্দা চলছে, চাকরি-বাকরি নেই কোথাও। কাজ না থাকলে পেটে খাবার জুটবে কোত্থেকে? তাই হয়তো দাদীর কাছে গিয়েছিল। অথবা কাউকে ভালবেসে ধোঁকাও খেতে পারে। ঘটতে পারে অনেক কিছুই।’

    ‘অস্বীকার করছি না। কিন্তু এ-রকম আচরণ করলে কারও উপর বিশ্বাস রাখা একটু মুশকিল হয়ে যায় না?’

    দাদীর খুনিদেরকে শাস্তি দিতে চায় ও। আমার তো মনে হয়, দলে ভেড়ানোর জন্য এটুকুই যথেষ্ট।’

    উঁহুঁ। ওকে কনভিন্স করতে হবে, পাহাড়ি অধিবাসীদের সঙ্গে ফেনিসের কানেকশন আছে।’

    ‘তা তো করেইছি আমরা!

    ‘ওই সময় ওর মাথার ঠিক ছিল না। কী বলেছি না বলেছি… এখন যদি পরোয়া না করে? ঠাণ্ডা মাথায় সব বোঝাতে হবে ওকে।’

    ‘বোঝাও। মানা করছে কে?’

    ভুরু কোঁচকাল রানা। ‘আমি?’

    ‘আর কে?’ হাসল কুয়াশা। ‘যদ্দূর জানি, মেয়ে পটানোর ব্যাপারে তুমি একটা প্ৰতিভা।’

    ‘ঠাট্টা করছেন?’

    জবাব না দিয়ে মাথা ঘোরাল কুয়াশা। টলতে টলতে মাঝবয়েসী এক লোক এগিয়ে এসেছে সোনিয়ার দিকে। ক্ষণিকের জন্য জ্বলে উঠল মেয়েটা, ধমক দিয়ে তাড়িয়ে দিল ব্যাটাকে।

    ‘ইম্প্রেসিভ!’ মন্তব্য করল কুয়াশা। ‘আগুনের টুকরো বললে ভুল হয় না। ওকে তোমারই সামলাতে হবে, রানা। এমন মেয়েকে নিয়ে ঘুরতে পারব না আমি।’

    বেশ, ও আমার সঙ্গে যাবে… মানে, যদি রাজি করাতে পারি আর কী।’ কাঁধ ঝাঁকাল রানা। তার আগে আমাদের কাজ ভাগ করে নেয়া দরকার।’ পকেট থেকে মারিয়া মাযোলার দেয়া কাগজটা বের করে আনল ও। ভাঁজ করে মেলে ধরল টেবিলের উপর!

    ‘কাউন্ট পালমিরো বিয়াঞ্চি, রোম,’ পড়ল কুয়াশা। ‘স্যর নাথান উইটিংহ্যাম, লণ্ডন, ইংল্যাণ্ড; প্রিন্স আলেক্সেই ভারাকিন, সেইণ্ট পিটার্সবার্গ, রাশা; সেনিয়র হুয়ান গার্সিয়া, মাদ্রিদ, স্পেন; ডেভিড ম্যাহোনি, ম্যাসাচুসেটস্, আমেরিকা।

    । এর মধ্যে স্প্যানিশ ভদ্রলোককে খুন করেছিল কাউন্ট বারেমি, কাউন্সিলে যোগ দেয়নি সে। বাকি চারজন হয়েছিল ফেনিসের কর্ণধার। এখন ওদের কেউ বেঁচে আছে কি না সন্দেহ। তবে, অন্তত দু’জনের বংশধর অত্যন্ত বিখ্যাত মানুষ।

    নাইজেল উইটিংহ্যাম – ব্রিটেনের ফরেন সেক্রেটারি; আর ডেভিড ম্যাহোনি দ্য থার্ড… ম্যাসাচুসেটস্ -এর সিনেটর। ওদেরকে চেপে ধরা দরকার।

    ‘এখুনি না,’ রানা মাথা নাড়ল। ‘এ-দু’জনের ব্যাপারে জানি আমরা, কিন্তু বাকিরা? তাদের বংশধর কারা? কোথায় আছে এ-মুহূর্তে? যদি কোনও চমক থাকে এর ভিতর, সেটা আগেভাগেই জেনে নেয়া দরকার। তা ছাড়া… মাত্র দু’জনের ভিতর সীমাবদ্ধ নয় ফেনিস। এমনও হতে পারে, নাইজেল উইটিংহ্যাম আর ডেভিড ম্যাহোনি হয়তো কিছুই জানেন না ফেনিস সম্পর্কে।

    ‘এ-কথা বলছ কেন?’ ভ্রূকুটি করল কুয়াশা।

    ‘কারণ এঁদের মত মানুষ কোনও গুপ্তসংঘের সদস্য হবেন বলে বিশ্বাস হয় না। উইটিংহ্যামকে নিষ্কলুষ মানুষ বলে জানে সবাই—যৌবনে সেনাবাহিনীর কমাণ্ডো ছিলেন, বহুবার দেশের জন্য জীবনের ঝুঁকি নিয়েছেন, প্রচুর পদকও পেয়েছেন সে-কারণে। সত্যিকার বীরযোদ্ধা। ফরেন অফিসেও তাঁর রেকর্ড তুলনাহীন। কৌশলী, বুদ্ধিমান… আন্তর্জাতিক সমস্যা সমাধানে তাঁর জুড়ি মেলা ভার। অত্যন্ত শান্তশিষ্ট স্বভাবের। তাঁর প্রোফাইলের সঙ্গে ফেনিসের কানেকশন একেবারেই মেলে না।’

    ‘আর ম্যাহোনি?’

    ‘বস্টনের ব্রাহ্মণ পরিবার বলতে পারেন ওদেরকে। কিন্তু কুলীন সমাজের বেড়া ভেঙে বেরিয়ে এসেছেন ম্যাহোনি; হয়ে উঠেছেন দরিদ্র, খেটে খাওয়া মানুষের ত্রাতা। রাজনীতির ঘোড়ায় চড়া আধুনিক এক নাইট বলা যায় তাঁকে, সবার ধারণা—আগামী বছরের নির্বাচনে জয়ী হয়ে হোয়াইট হাউসে বসতে চলেছেন তিনি।

    ‘ফেনিসের লক্ষ্য অর্জনের জন্য এরচেয়ে ভাল পজিশন আর কী হতে পারে?’

    ‘তা হলে বলতেই হয়, এত বছর ধরে দারুণ এক কাভার মেইনটেন করছেন দু’জনে। ঘটনা যা-ই হোক, এরা কোথাও পালিয়ে যাচ্ছে না।’

    ‘ঠিক আছে, রোম আর সেইন্ট পিটার্সবার্গ… মানে, লেনিনগ্রাদ থেকে শুরু করা যাক। বিয়াঞ্চি আর ভারাকিনের বংশধরকে খুঁজে বের করব আমরা।’

    ‘ওরাই সব নয়। মারিয়া মাযোলা বলেছিলেন, ওদেরকে নিয়ন্ত্রণ করছে আরেকজন।’

    যার কণ্ঠ ঝোড়ো বাতাসের চেয়ে ভয়ঙ্কর,’ বিড়বিড় করল কুয়াশা। ‘রাখাল বালক?’

    ‘এখন আর বালক নেই সে,’ বলল রানা। ‘কী পরিচয় নিয়েছে, কে জানে!’

    ‘শিষ্যদের পরিবার’ দিয়েই শুরু করব আমরা। ঠিকমত এগোতে পারলে নিশ্চয়ই খোঁজ পাওয়া যাবে ওই রাখাল বালক… থুড়ি, রাখাল বুড়োর!’

    রাশায় যেতে পারবেন আপনি? লেনিনগ্রাদে?’

    ‘পারব। ব্যবস্থা করা আছে আমার… হেলসিঙ্কি হয়ে ঢুকতে অসুবিধে হবে না।’

    ‘ভাল। হেলসিঙ্কিতে কোথায় উঠবেন?’

    ‘টোভাস্টিয়ান হোটেলে।’

    ‘আমি যোগাযোগ করব ওখানে। কী নাম বলব?’

    ‘আমার আসল নাম… মনসুর আলী। ‘সরোদশিল্পী হিসেবে ওখানকার লোকে চেনে আমাকে।’

    ‘আসুন তা হলে, আমাদের কোড ঠিক করে নিই,’ বলতে বলতে সোনিয়ার দিকে তাকাল রানা। মোটামুটি ভদ্র চেহারার এক বাস্তিয়ান নাবিকের সঙ্গে কথা বলছে মেয়েটা। বুদ্ধিমতী… বার বার খেপে গেলে যে লোকের মনোযোগ আকর্ষণ করা হবে, তা বুঝতে পেরেছে। মুখে হালকা হাসি ফুটিয়ে আলাপ চালিয়ে যাচ্ছে সে, সাবধানে বজায় রাখছে দূরত্ব, নাবিক যাতে বেশি অগ্রসর হতে না পারে। আচরণে এক ধরনের আভিজাত্য প্রকাশ পাচ্ছে ওর।

    ‘কী ভাবছ?’ জিজ্ঞেস করল কুয়াশা। ‘ওকে বশে রাখতে পারবে?’

    ‘খুব শীঘ্রি সেটা জানতে পারব আমরা,’ মৃদুগলায় বলল রানা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)
    Next Article মাসুদ রানা ১৫৯-১৬০ – আবার উ সেন (দুইখণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }