Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই কুয়াশা ১.৫

    পাঁচ

    হলওয়েতে পায়ের শব্দ শুনে চেয়ার ছেড়ে উঠে দাঁড়াল মাসুদ রানা। দরজার পাশে গিয়ে পিপহোলে চোখ রাখল। সাদামাঠা চেহারার একজন পুরুষ হেঁটে গেল সামনে দিয়ে, থামল না পলকের জন্যও। হোটেলের সাধারণ গেস্ট, আর কিছু না। চেয়ারে ফিরে গিয়ে শরীর এলিয়ে দিল ও। দৃষ্টি নিবদ্ধ করল সিলিঙে। ডুবে গেল চিন্তার সাগরে।

    মাসখানেক হলো আমেরিকায় এসেছে ও। অ্যাডমিরাল জর্জ হ্যামিলটনের অনুরোধে নুমার একটা ছোট অভিযানে অংশ নিয়েছে; সেটা শেষ হবার পর বেরিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন শহরে রানা এজেন্সির শাখাগুলো পরিদর্শন করবার কাজে। মোটামুটি নিরুপদ্রবে কেটে যাচ্ছিল সময়, হঠাৎ মেজর জেনারেল রাহাত খানের ফোন ওলটপালট করে দিয়েছে সবকিছু। ওর সাহায্য চাইছে প্রতিভাবান বিজ্ঞানী কুয়াশা, দেখা করতে চাইছে!

    মনসুর আলী ওরফে কুয়াশা সম্পর্কে সবই জানা আছে রানার। তার প্রতিভা এবং মহত্ত্বের কদর করে ও। লোকটা অপরাধী হতে পারে, কিন্তু তার কর্মকাণ্ডে কখনও নিরীহ-নিরপরাধ মানুষের ক্ষতি হয় না। বরং অজানা-অচেনা মানুষের বিপদে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে মুহূর্তের জন্য কুণ্ঠা করে না কুয়াশা। সেজন্য নিজের জীবনের ঝুঁকি নিতেও দ্বিধা নেই তার। অপরাধ করে শুধুমাত্র বিজ্ঞানের স্বর্থে, পৃথিবীর উপকারের জন্য… মহান লক্ষ্য নিয়ে। অদ্ভুত একজন মানুষ, এক ধরনের শ্রদ্ধা রয়েছে রানার তার প্রতি। সম্মান করে বললেও সম্ভবত বাড়িয়ে বলা হবে না। তাই মেজর জেনারেল রাহাত খানের অর্ডারটা শুরুতে একটু দ্বিধাদ্বন্দ্বের মধ্যে ফেলে দিয়েছিল ওকে।

    বিসিআই চিফের পরিষ্কার নির্দেশ—যে করে হোক, কুয়াশাকে আটকাতে হবে; নিয়ে যেতে হবে বাংলাদেশে। লোকটার যদি কিছু বলার থাকে, সেটা দেশে পৌঁছনোর পর শোনা যাবে। বুড়োর অবাধ্য কোনোদিন হয়নি রানা, তাই দ্বিধা ঝেড়ে ফেলেছে। আপাতত কুয়াশাকে করজায় নেয়া রানার একমাত্র লক্ষ্য। সেটা নিশ্চিত করবার জন্য নির্ধারিত সময়ের দু’দিন আগে নেব্রাস্কা অ্যাভিনিউয়ের হোটেল এক্সেলসিয়রে এসে উঠেছে ও। কুয়াশার ফাইল ভালমত স্টাডি করে নিয়েছে রানা, কোন পদ্ধতিতে সে কাজ করে, তা বুঝে নিয়েছে। স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে তার কোনও তুলনা হয় না, এক অর্থে ম্যাজিশিয়ানও বলা চলে প্রতিভাবান বিজ্ঞানীটিকে। চমক দেখানোয় ওস্তাদ। ওকে পরাস্ত করতে হলে কয়েক পা এগিয়ে থাকতে হবে। আগেভাগে হোটেলে এসে ওঠা সে-পরিকল্পনারই অংশ।

    কুয়াশা যে সরাসরি দেখা করবে না ওর সঙ্গে, এ-ব্যাপারে রানা মোটামুটি নিশ্চিত। হ্যাঁ, একটা পর্যায়ে নিশ্চয়ই মুখোমুখি হবার প্ল্যান আছে লোকটার; কিন্তু তার আগে প্রতিপক্ষকে একেবারে নিরস্ত্র এবং অসহায় করে নেবে, যাতে ওকে আটকাবার ক্ষমতা না থাকে রানার। শুধুমাত্র তখনই নিজের চেহারা দেখাবে এ-কাজ করা সম্ভব রানাকে ফাঁদে ফেলে। শেষ মুহূর্তে নয়, পুরো পাঁচ-পাঁচটা দিন আগে এক্সেলসিয়র হোটেলের নাম দিয়েছে সে এ-কারণেই এখানেই রানাকে কবজা করবার প্ল্যান করেছে কুয়াশা। সন্দেহটা গাঢ় হবার পিছনে প্রচুর যুক্তি আছে।

    নেব্রাস্কা অ্যাভিনিউয়ের এই হোটেলটা একেবারে ছোট, এখানে কুয়াশার ট্রেস পেতে খুব একটা কষ্ট করতে হয়নি রানাকে। সামান্য কিছু টাকা খরচ করেছে হোটেল-কর্মচারীদের পিছনে; তাতেই জেনে গেছে, ছড়িঅলা এক ভারতীয় ভদ্রলোক অতীতে একাধিকবার এসেছে এ-হোটেলে। তিনতলায়, দুইশ’ এগারো নম্বর রুমে সবসময় ওঠে সে। কক্ষটার বিশেষত্ব বুঝতে কষ্ট হয়নি রানার। জানালা দিয়ে পুরো নেব্রাস্কা অ্যাভিনিউ আর আশপাশের আরও দুটো রাস্তা দেখা যায় ওখান থেকে। পিছনের জানালা আর কার্নিশ ধরে খুব সহজে পৌঁছনো যায় ফায়ার-এস্কেপেও। আগেভাগে পুলিশের গাড়ি দেখতে পাওয়া, এবং দ্রুত সটকে পড়া—দুটোর জন্যই দুইশ’ এগারো আদর্শ।

    কুয়াশা যে থাকার জন্য এ-কামরাকে বেছে নেবে, তাতে অবাক হবার কিছু নেই। উল্লেখযোগ্য ব্যাপার হলো, আগামী উনিশ তারিখের জন্য রুমটা ইতোমধ্যে বুক করে রেখেছে জনৈক ব্যক্তি। কুয়াশা ছাড়া আর কে? এত সহজে তার খোঁজ পাওয়া যাবার অর্থ একটাই—সে চাইছে, নির্ধারিত তারিখে রানা হানা দেবে ওখানে… ওর পাতা ফাঁদে। কামরায় ঢুকে দেখা যাবে, কুয়াশা নয়, অন্য কেউ অপেক্ষা করছে ওখানে। একজন ডিকয়। যাকে দেখে চমকে যেতে হবে ওকে। আশপাশে লোক রাখবে কুয়াশা, হতচকিত রানার উপর হামলা করবে তারা, আটকে ফেলবে। সুন্দর কৌশল। নিজে ঝুঁকি নেবে না, কিন্তু ঠিকই কার্যোদ্ধার হয়ে যাবে এতে।

    রানা জানে, কুয়াশাকে পরাস্ত করতে হলে তছনছ করতে হবে এই পরিকল্পনা। নিজেকে প্রতিপক্ষের হাতের পুতুল নয়, বরং প্রতিপক্ষকে নিজের হাতের পুতুলে পরিণত করতে হবে। যাদেরকে মিডল-ম্যান হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে কুয়াশা, তাদেরকে ছেঁটে ফেলতে হবে ক্যানভাস থেকে। কাজটা খুব একটা কঠিন হবার কথা নয়। নিজস্ব লোক বলতে কেউ নেই কুয়াশার, যাদেরকেই ব্যবহার করার প্ল্যান করুক, ভাড়া করা লোক হবে। আনুগত্য নামক জিনিসটা থাকে না ভাড়াটে লোকের ভিতর, সামান্য চেষ্টাতেই তাদেরকে ত্যক্ত করে সরিয়ে দেয়া সম্ভব। যখন অন্যের মাধ্যমে কার্যোদ্ধার করার উপায় থাকবে না, বাধ্য হয়ে গর্ত থেকে বেরিয়ে আসতে হবে কুয়াশাকে। নিজেকেই হাজির হতে হবে খেলার মাঠে। আর তখনই তাকে ঘায়েল করবে রানা।

    তাই ছদ্ম-পরিচয়ে উল্টোদিকের দুইশ’ তেরো নম্বর কামরাটা ভাড়া নিয়েছে রানা। দু’দিন আগেই এসে উঠেছে ওখানে, কুয়াশার ঠিক করে দেয়া সময়ের অনেক আগে। নিশ্চয়ই এমনটা আশা করবে না সে। নিয়মমাফিক নজর রাখছে রানা করিডোরে দেখা যাক, কে এসে ওঠে দুইশ’ এগারো নম্বর রুমে। তারপর ব্যবস্থা নেবে ডিকয়কে সরিয়ে দেবার।

    দীর্ঘশ্বাস ফেলল রানা। ক্লান্তি বোধ করছে। গত দু’দিন থেকে ঠিকমত ঘুমাতে পারেনি। নজর রাখতে হচ্ছে চারপাশে, সেই সঙ্গে থাকতে হচ্ছে অতিমাত্রায় সতর্ক। এই বিশেষ মিশনে সম্পূর্ণ একাকী কাজ করতে হচ্ছে ওকে। কারও সাহায্য নিতে পারছে না, সে-রকমই নির্দেশ পেয়েছে বিসিআই চিফের কাছে। আমেরিকানদেরকে কিছুতেই জানতে দেয়া যাবে না কুয়াশার উপস্থিতির কথা। নইলে ওরাই প্রতিভাবান বিজ্ঞানীটিকে নিজেদের কবজায় চেবার চেষ্টা করবে।

    ওয়াশিংটনে আসবার আগে নিজের ট্রেইল লুকানোর জন্য কৌশলের আশ্রয় নিয়েছে রানা। রাহাত খান যখন ফোন করেন, তখন ও ছিল ফ্লোরিডায়… কী ওয়েস্টে। ওখান থেকে ভার্জিন আইল্যাণ্ডে যাবার জন্য ছোট একটা বিমান চার্টার করেছে, সেখানে হোটেল বুকিং দিয়েছে। এয়ারপোর্টেও গিয়েছিল, কিন্তু বাথরুমে গিয়ে পরিচয় অদল-বদল করে নিয়েছে রানা এজেন্সির একজন অপারেটরের সঙ্গে : রানা সেজে সে উঠেছে চার্টার করা বিমানে; আর আসল রানা ছদ্ম-পরিচয়ে উঠে পড়েছে ওয়াশিংটন-গামী ডমেস্টিক ফ্লাইটে। সহজে এ-চাতুরি ধরা পড়বার কথা নয়। তারপরেও কখন কী ঘটে যায়, তার ঠিক নেই। শুধু কুয়াশাকে নিয়ে নয়, আমেরিকান ইন্টেলিজেন্সকে নিয়েও কিছুটা দুশ্চিন্তায় ভুগছে ও।

    উঠে দাঁড়াল রানা। না, এখন আর দুশ্চিন্তার সময় নেই। আজ উনিশ তারিখ। মাহেন্দ্রক্ষণ ঘনিয়ে আসছে। খুব শীঘ্রি কাজে  নামতে হবে ওকে। চিন্তাটার সঙ্গে তাল মিলিয়েই যেন বাইরে শোনা গেল কলরব। এগিয়ে গিয়ে আবার পিপহোলে চোখ রাখল রানা। সুবেশী, সুন্দরী এক যুবতী দাঁড়িয়ে আছে দুইশ’ এগারো নম্বরের দরজায়। হোটেলের বেলবয় রয়েছে সঙ্গে, মেয়েটির লাগেজ তার কাঁধে। সুটকেস নয়, ট্রান্স-আটলাণ্টিক ফ্লাইটে আসা ব্যাগেজও নয়; স্রেফ একটা ওভারনাইট ব্যাগ।

    মুচকি হাসল রানা। এসে গেছে ডিকয়। কুয়াশার ভাড়া করা শকুনরাও নিশ্চয়ই চক্কর দিতে শুরু করেছে আশপাশে। মাঠে নেমেছে ধূর্ত মানুষটা। শুরু হয়েছে খেলা।

    রুমের ভিতরে ঢুকে গেল সুন্দরী আর বেলবয়। রানা ফিরে এল বিছানার কাছে। বেডসাইড টেবিল থেকে তুলে নিল টেলিফোনের রিসিভার। ডায়াল করল রানা এজেন্সির আর্লিংটন শাখায়… শাখা-প্রধান তিশা ইসলামের কাছে। কল রিসিভ হবার সঙ্গে সঙ্গে বলল, ‘কিচ্ছু বোলো না, চুপচাপ শুনে যাও কী করতে হবে।

    রানার গলা চিনতে পেরেছে তিশা। মৃদুস্বরে বলল, ‘জী, বলুন।’

    ‘নেব্রাস্কা অ্যাভিনিউয়ের এক্সেলসিয়র হোটেলে ফোন করবে তুমি… পনেরো-বিশ মিনিট, কিংবা আধঘণ্টা অন্তর অন্তর। দুইশ’ এগারো নম্বর রুমে কানেকশন চাইবে। একটা মেয়ে ধরবে ফোন। তাকে বলবে আমাকে ফোন দিতে, ঠিক আছে?’

    ‘আপনি থাকছেন ওখানে?’

    ‘না।’

    ‘তা হলে বার বার ফোন করব কেন?’

    ‘প্রশ্ন করতে মানা করেছি না তোমাকে?’ মৃদু ভর্ৎসনা করল রানা। ‘তারপরেও করেই যখন ফেলেছ, তা হলে শোনো। ওই মেয়েকে বিরক্ত করবে তুমি। অতিষ্ঠ করে ফেলবে। ক্লিয়ার?’

    ‘জী। ওই মেয়ে কী ক্ষতি করেছে আপনার, জানতে পারি?’

    ‘কিছুই না। ইন ফ্যাক্ট, ও আমাকে চেনেই না। কিন্তু যে আমাকে চেনে, সে ঠিকই বুঝে নেবে এই ফোনের অর্থ। আর কোনও কথা নয়। আমি রাখছি।’

    রিসিভার নামিয়ে রাখল রানা।

    .

    এক্সেলসিয়র হোটেলের উল্টোপাশে, অন্ধকার গলির মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে কুয়াশা। দেয়ালে হেলান দিয়ে হাত-পা ঝাড়া দিল, মাথা এদিক-ওদিক ঘুরিয়ে হালকা এক্সারসাইজ করে নিল ঘাড়ের। টেনশন দূর করতে চাইছে, সেইসঙ্গে চাইছে শরীরে চেপে বসা ক্লান্তিতে তাড়াতে টানা তিনদিন জার্নি করতে হয়েছে ওকে। বিমানে উড়েছে আঠারো ঘণ্টা, ড্রাইভ করে যেতে হয়েছে বিভিন্ন শহর আর গ্রামে, দেখা করতে হয়েছে বিশ্বস্ত লোকজনের সঙ্গে, তাদের কাছ থেকে জোগাড় করতে হয়েছে ভুয়া কাগজপত্র, যা দিয়ে তিন-তিনটে ইমিগ্রেশন পয়েন্ট নির্বিঘ্নে পার হওয়া যায়। মস্কো থেকে এথেন্স, এথেন্স থেকে লণ্ডন, লণ্ডন থেকে নিউ ইয়র্ক ওখান থেকে শেষ বিকেলের একটা ফ্লাইট ধরে ওয়াশিংটনে পৌঁছেছে ও।

    খাটাখাটনি গেলেও একটা সন্তুষ্টি কাজ করছে মনের ভিতর। ঠিকমত ছক সাজাতে পেরেছে, জায়গামত বলতে পেরেছে লোক। উঁচু শ্রেণীর এক পতিতাকে ভাড়া করেছে ডিকয় হিসেবে, তার উপর নজর রাখছে দু’জন লোক আর একজন বয়স্কা মহিলা 1 হোটেলের ভিতরে অবস্থান নিয়েছে সবাই। চমৎকার আয়োজন, রানাকে এর ভিতর পা দিতেই হবে। হোটেলের সবক’টা প্রবেশপথ কুয়াশার সার্ভেইলান্সে রয়েছে। রানা যেদিক দিয়েই  আসুক, দেখতে পাবে। একটা করে খুদে ওয়াকি-টকি রয়েছে সবার কাছে, রানাকে দেখামাত্র অ্যালার্ট করে দেবার জন্য। ওয়াকি-টকিগুলো কুয়াশা কিনেছে ফিফথ্ অ্যাভিনিউয়ের মিতসুবি কমপ্লেক্স থেকে।

    মাসুদ রানাকে কোনও ভাবেই খাটো করে দেখছে না কুয়াশা। কোনও ফাঁদই যে ওর জন্য নিখুঁত নয়, সেটা ভাল করে জানে। কিন্তু কৌতূহলের সামনে সবাই অসহায়। তা ছাড়া বহুদিন থেকেই বিসিআই কুয়াশাকে নাগালের মধ্যে পাবার চেষ্টা করছে। এমন পরিস্থিতিতে হোটেলে হাজির না হয়ে উপায় নেই রানার কুয়াশার কামরা সহজে চিনে নিতে পারবে সে, ওখানে যে একজন মেয়ে থাকছে, তা-ও জানতে পারবে। সন্দেহ নেই, মেয়েটিকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য যাবে ও। ভাড়া করা লোকদুটো হামলা চালাবে ওখানে, রানাকে বন্দি করবে।

    প্ল্যানের এই অংশটা নিয়ে একটু দ্বিধা আছে কুয়াশার। রানাকে কবজা করার জন্য মাত্র দু’জন লোক কখনোই যথেষ্ট নয়। তা ছাড়া এরা সেই অর্থে প্রফেশনাল নয়, রাস্তার গুণ্ডাই বলা চলে। এ-দুর্বলতা ঢাকার জন্যও রেখেছে বয়স্কা মহিলাটিকে। সে-ই কুয়াশার গোপন অস্ত্র, সত্যিকার একজন প্রফেশনাল। অথচ দেখে বোঝার কোনও উপায় নেই। আপাতদৃষ্টিতে সৌম্য চেহারার এক ভদ্রমহিলা, আসলে সে প্রাক্তন আইরিশ বিপ্লবী, জাত-খুনি। আন-আর্মড কমব্যাট, আর সব ধরনের অস্ত্র ব্যবহারে সিদ্ধহস্ত। বহুদিন আগে এক বিপদের সময় কুয়াশা সাহায্য করেছিল এই মহিলাকে, সেই থেকে কৃতজ্ঞতার বন্ধনে আবদ্ধ। সাহায্য চাইতেই রাজি হয়ে গেছে। তাকে পরিকল্পনায় অন্তর্ভুক্ত করার একটাই কারণ—রানাকে সামাল দেয়া। নিজের শারীরিক ক্ষমতা নিয়ে মোটেই সন্দেহ নেই কুয়াশার; তবে এ-ও জানে, রানা যদি খেপে যায়, তার সঙ্গে লড়াই করে পেরে উঠবে না ও। কিন্তু এই মহিলা পারবে। তার সে-ক্ষমতা আছে। আর কেউ না পারলেও এই মহিলা রানাকে পরাস্ত করতে পারবে। সবচেয়ে বড় কথা, বয়স্কা একজন মহিলাকে কখনোই সন্দেহ করবে না রানা। কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘায়েল হয়ে যাবে।

    সমস্ত আয়োজন সম্পন্ন। এখন অপেক্ষার পালা। দেখা যাক, রানা তার অ্যাপয়েন্টমেন্ট রাখে কি না। সফল হবে, তা ভাবছে না কুয়াশা। ব্যর্থ হবে, তা-ও না। কী ঘটবে সেটা সময়ই বলে দেবে।

    .

    ঝন ঝন করে বেজে উঠল টেলিফোন। অন্যমনস্ক ভঙ্গিতে রিসিভার তুলল সিআইএ-র বড় কর্মকর্তাটি, কানে ঠেকাল। অন্য পাশ থেকে ভেসে এল তার চিফ অ্যানালিস্টের কণ্ঠ।

    ‘সুসংবাদ, স্যর। মাসুদ রানার ট্রেস পাওয়া গেছে।‘

    ‘কোথায়?’

    ‘ফ্লোরিডা কীজ থেকে একটা চার্টার করা বিমানে উঠেছে ও দু’দিন আগে। দুটো স্টপেজে থেমে আগামীকাল ভার্জিন আইল্যাণ্ডে পৌঁছবে বলে আশা করা হচ্ছে।’

    ‘কোথায় পেয়েছ এই ইনফরমেশন?’

    ‘শার্লট এমিলির হোটেলে আগামীকাল ওর বুকিং আছে।’

    ‘কে করিয়েছে বুকিং?’

    ‘ওভারসিজ কল পেয়েছে ওরা আমেরিকা থেকে। রানা আগামীকাল সকাল নাগাদ পৌঁছুবে বলে জানানো হয়েছে ওদেরকে।’

    ‘ফোনের উৎস?’

    ‘রানা এজেন্সির ফ্লোরিডা শাখা। কী ওয়েস্টে আমাদের লোক  ইতোমধ্যে এয়ারপোর্টে চলে গেছে। সমস্ত চার্টার লগ চেক করে দেখবে সে।

    ভুরু কোঁচকাল সিআইএ কর্মকর্তা। ভার্জিন আইল্যাণ্ড? ওখানে কী কাজ রানার? কুয়াশার সঙ্গে দেখা করবে ওখানে? জিজ্ঞেস করল, ‘ভার্জিন আইল্যাণ্ডে কোনও শাখা আছে রানা এজেন্সির?’

    ‘জী না, স্যর।’

    ‘তা হলে কেন যাচ্ছে ওখানে?’

    ‘এজেন্সির ফ্লোরিডা শাখায় ফোন করে ডিরেক্টরকে চেয়েছিলাম। ওরা বলল, মি. রানা ছুটি কাটাতে গেছেন।’

    কপালের ভাঁজ গভীর হলো সিআইএ কর্মকর্তার। ছুটি কাটাতে যাবে মাসুদ রানা? কুয়াশার সঙ্গে দেখা না করে? অসম্ভব! আর দু’জনের যোগাযোগের জায়গা যদি ভার্জিন আইল্যাণ্ড হয়, সেটা তো গোপন রাখার কথা। উঁহু, গোলমাল আছে কোথাও।

    ‘রানা এজেন্সির অন্যান্য শাখার টেলিফোন লাইন ট্যাপ করতে বলেছিলাম তোমাকে,’ বলল সিআইএ কর্মকর্তা। ‘সেটার কী খবর?’

    ‘সমস্ত ট্রান্সক্রিপ্ট জমা আছে আমার কম্পিউটারে,’ বলল অ্যানালিস্ট। ‘কিন্তু ওগুলোয় চোখ বোলাইনি। দরকার তো নেই, রানার খোঁজ তো বের করে ফেলেছি….

    ‘তুমি একটা গর্দভ!’ গাল দিয়ে উঠল সিআইএ কর্মকর্তা। ‘তাই এমন কথা ভাবছ! এক্ষুনি চেক করো সব। রানা মোটেই ভার্জিন আইল্যাণ্ডে যায়নি। ভুতুড়ে একটা ট্রেইল ওটা—আমাদেরকে বোকা বানানোর জন্য। সবকিছু দেখে রিপোর্ট করো আমাকে।

    রাগী ভঙ্গিতে রিসিভার নামিয়ে রাখল সে। মেজাজ খাট্টা হয়ে গেছে। অবশ্য অ্যানালিস্টকে পুরোপুরি দোষারোপও করতে পারছে না। আসল ঘটনা কিছুই জানা নেই বেচারার। রুটিন কাজের মত মাসুদ রানার খোঁজ বের করতে বলা হয়েছে তাকে। গাদা গাদা টেলিফোন ট্রান্সক্রিপ্টে চোখ বোলাবে কেন?

    পায়চারি শুরু করল সিআইএ কর্মকর্তা। অস্থিরতা চেপে বসেছে মনে। না, মাসুদ রানা বা কুয়াশাকে নিয়ে দুর্ভাবনা নেই তার। দুর্ভাবনা ফেনিসের নেতাকে নিয়ে। যদি কোনোভাবে দুই বাঙালি তার হাত গলে পালায়, তা হলে মুখ দেখানো যাবে না নেতার সামনে। কঠিন শাস্তি পেতে হবে।

    তাড়াতাড়ি ফোনের রিসিভার তুলে নিল সে। রিং করল নিজস্ব ব্ল্যাক অপস্ টিমের লিডারের কাছে।

    ‘একটা হিট টিম চাই আমি,’ চাহিদা জানাল সিআইএ কর্মকর্তা। ‘চারজনের টিম। ফুললি ইকুইপড়। দু’জন টার্গেটকে খতম করতে হবে।’

    ‘ঠিক আছে,’ ওপাশ থেকে জানানো হলো। ‘টার্গেটের ডিটেইলস্ বলুন।’

    ‘ই-মেইলে পাঠিয়ে দিচ্ছি এসব, তুমি টিম রেডি করো।’

    ‘কখন পাঠাতে হবে ওদেরকে? কোথায়?’

    ‘এখুনি রেডি করে ওদেরকে। লোকেশন আমি একটু পরে জানাচ্ছি…’

    কথা শেষ হলো না। ইয়ারপিসে বিপ বিপ ধ্বনি শোনা গেল—দ্বিতীয় লাইনে আরেকটা কল এসেছে। ‘হোল্ড অন,’ ব্ল্যাক অপসের লিডারকে বলল সিআইএ কর্মকর্তা। বোতাম টিপল অন্য

    কলারের সঙ্গে কথা বলার জন্য।

    ‘জরুরি একটা ব্যাপার জানাবার জন্য ফোন করলাম, স্যর, ‘ শোনা গেল চিফ অ্যানালিস্টের কণ্ঠ।

    ‘কী সেটা?’

    ‘রানা এজেন্সির আর্লিংটন শাখায় একটা ইররেগুলারিটি লক্ষ করেছি। গত কয়েক ঘণ্টায় ওখান থেকে নেব্রাস্কা অ্যাভিনিউয়ের একটা হোটেলে, নাম এক্সেলসিয়র, অনেকবার ফোন করা হয়েছে। প্যাটার্নটা অদ্ভুত। একটা কলও দশ-বিশ সেকেণ্ডের বেশি নয়।

    ‘কী কথা হচ্ছে ফোনে?’

    ‘জানা নেই, স্যর। ব্রাঞ্চ চিফ তার এনক্রিপ্টেড লাইনের ফোন ব্যবহার করছে, কথা বোঝার উপায় নেই।’

    ‘তাতে ঘোড়ার ডিম কী লাভ হচ্ছে আমাদের?

    ‘এনক্রিপ্টেড ফোন, স্যর। একটা কিছু গোপন করছে ওরা, তাই না? রহস্য আছে এতে।’

    আচমকাই মুড বদলে গেল সিআইএ কর্মকর্তার। ‘নাইস জব, ম্যান।’ প্রশংসা করল সে। ‘ছুটি নিতে পারো তুমি।’ বোতাম টিপে ফিরে গেল ব্ল্যাক অপস টিমের লিডারের কলে!

    ‘লোকেশন পাওয়া গেছে, খুশি খুশি গলায় বলল সিআইএ কর্মকর্তা। ‘ওয়াশিংটনেই… নেব্রাস্কা অ্যাভিনিউয়ে পাঠাও তোমার টিম। হোটেল এক্সেলসিয়রে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)
    Next Article মাসুদ রানা ১৫৯-১৬০ – আবার উ সেন (দুইখণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }