Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প298 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই কুয়াশা ১.৬

    ছয়

    বেসিনের কল ছেড়ে এক আঁজলা পানি মুখে ছিটাল রানা। তাকাল আয়নার দিকে। ঘুমের অভাবে চোখদুটো টকটকে লাল হয়ে উঠেছে, সেই সঙ্গে গালভর্তি খোঁচা খোঁচা দাড়ি মিলে বুনো দেখাচ্ছে চেহারা। বিশ তারিখ, ভোর চারটে বাজে; প্রায় একটা দিন পেরিয়ে গেছে লুকোচুরি খেলায়, এর মাঝে ঘুমানোর বা বিশ্রাম নেবার কোনও সুযোগই পায়নি ও।

    করিডোরের ওপারে, দুইশ’ এগারো নম্বর রুমে কুয়াশার সুবেশী ডিকয়ও ঘুমাতে পারছে না। চোখ মুদলেই বেজে ওঠে ফোন। শুরু হয় জ্বালাতন।

    ‘মি. মাসুদ রানা, প্লিজ!’

    ‘বলেছি তো, কোনও মাসুদ রানাকে চিনি না আমি। কেন বিরক্ত করছেন? কে আপনি?’

    ‘মি. রানার বন্ধু। জরুরি একটা ব্যাপারে কথা বলা দরকার ওঁর সঙ্গে। প্লিজ, দিন না ফোনটা!’

    ‘এই নামে কেউ নেই এখানে। আমি মি. রানাকে চিনি না। আপনি আমাকে পাগল করে তুলছেন! খবরদার, আর ফোন করবেন না। নইলে হোটেল ম্যানেজমেন্টকে বলে টেলিফোন ডিসকানেক্ট করে রাখব আমি।

    ‘ও-কাজ করতে যাবেন না। আপনার নিয়োগকর্তা মোটেই খুশি হবে না ওতে। বলা যায় না, পেমেণ্ট আটকে দিতে পারে।

    ‘স্টপ ইট!’

    রীতিমত হৈচৈ করছে মেয়েটা। উল্টোপাশের কামরা থেকে ও পরিষ্কার সব শুনতে পাচ্ছে রানা। মুচকি হাসি ফুটে উঠল ওর ঠোঁটে। চমৎকার কাজ দেখাচ্ছে তিশা। খুব শীঘ্রি সহ্যের বাঁধ ভেঙে যাবে মেয়েটার, হোটেল ছেড়ে পালাবে। যত টাকাই সেধে থাকুক কুয়াশা, টেলিফোনের এমন উৎপাত সইতে হবে বলে ভাবেনি নিশ্চয়ই? বিপদের আশঙ্কাও জেগে উঠবে তার ভিতরে ঘড়ি দেখল রানা, দেরি নেই আর। ডিকয় সরে যাচ্ছে দৃশ্যপট থেকে… কুয়াশার পরিকল্পনায় সৃষ্টি হতে চলেছে খুঁত।

    এরপর শকুনদেরকে পাঠাতে বাধ্য হবে সে। ওদেরকেও পরাস্ত করবে রানা ধৈর্যচ্যুতি ঘটিয়ে। নিঃসঙ্গ হয়ে পড়বে কুয়াশা। হতাশা আর ক্ষোভের কারণে নিজেই মাঠে নামতে বাধ্য হবে। পা রাখবে রানার ফাঁদে। শুধু সময়ের অপেক্ষা, একসময় না একসময় ঠিকই তিনতলার করিডোরে উদয় হবে কুয়াশা; থামবে দুইশ’ এগারো নম্বর কেবিনের সামনে। সঙ্গে সঙ্গে নিজের কামরার দরজা খুলে তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়বে রানা, ইতি ঘটাবে ওদের মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধের।

    করিডোরে পায়ের আওয়াজ শুনে ঝট্ করে সোজা হলো রানা। তাড়াতাড়ি পা চালিয়ে দরজার কাছে গেল ও, পিপহোলে চোখ রাখল।

    বয়স্কা একজন হোটেল মেইডকে দেখতে পেল ও, দুইশ’ এগারোর দরজা খুলছে। ডানহাতে তোয়ালের স্তূপ, যেন বাথরুমের তোয়ালে বদলাতে যাচ্ছে। ভুরু কোঁচকাল রানা। ভোর চারটায় হোটেল মেইড? কুয়াশার কীর্তি নিঃসন্দেহে। রাতের শিফটের এই মেইডকে ভাড়া করেছে অফ-আওয়ারে তার ডিকয়ের উপর নজর রাখবার জন্য। বুদ্ধিটা মন্দ নয়, তবে খুঁত আছে এতে। এ-ধরনের মানুষকে খুব সহজেই সরিয়ে দেয়া যায়—ফ্রন্ট ডেস্কে সামান্য একটা ফোন করেই অন্যত্র ব্যস্ত করে ফেলা যায় হোটেল মেইডকে। সবচেয়ে বড় কথা, মেইডের ডিউটি শেষ হয়ে যাবে সকালে। তখন তাকে ডেকে নিয়ে বাড়তি টাকা সাধতে পারে ও, কুয়াশার ইনফরমেশন বের করে নিতে পারে। কোত্থেকে যোগাযোগ করেছিল সে, কীভাবে পেমেণ্ট দিয়েছে, ইত্যাদি।

    পিপহোল থেকে চোখ সরিয়ে নিচ্ছিল, এমন সময় আবার নড়াচড়া লক্ষ করল রানা। সুন্দরী মেয়েটা বেরিয়ে এসেছে কামরা থেকে, হাতে তার ওভারনাইট ব্যাগ। মেইডও বেরুল, নিচু গলায় কিছু বলার চেষ্টা করল মেয়েটাকে।

    ‘জাহান্নামে যেতে বলো ওকে!’ খেপাটে গলায় চেঁচিয়ে উঠল সুন্দরী। ‘পাগলের পাল্লায় পড়েছি আমি। আগে জানলে কিছুতেই রাজি হতাম না। না, আর এক মুহূর্তও থাকছি না আমি এখানে।

    গটমট করে হেঁটে দৃষ্টিসীমা থেকে অদৃশ্য হয়ে গেল সে। মেইড কিছুক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকল তার গমনপথের দিকে তাকিয়ে, তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে নিজেও চলে গেল অন্যদিকে 1

    দরজা থেকে সরে এল রানা। চমৎকারভাবে এগোচ্ছে ওর প্ল্যান। টেলিফোন করার বুদ্ধিটা কাজে লেগে গেছে। ডিকয়কে হটিয়ে দেয়া গেছে, আবার আকৃষ্ট করা গেছে কুয়াশাকেও। যত কিছুই হোক, ফোনে মাসুদ রানার নাম শোনা গেছে… কৌশলে একটা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়া হয়েছে তার দিকে। এখন কিছুতেই পিছু হটবে না অকুতোভয় বিজ্ঞানী। হয় এস্পার, নয় ওস্পার: একটা কিছু করতেই হবে তাকে।

    জমে উঠছে খেলা।

    .

    রাস্তার ধারে হাঁটছে কুয়াশা। পা টনটন করছে ব্যথায়, সতর্ক থাকতে হচ্ছে সাইডওয়াকে হাঁটতে থাকা লোকজনের উপর হুমড়ি খেয়ে না পড়ার জন্য। মনোযোগ ধরে রাখার জন্য মগজের এক্সারসাইজ করছে—পায়ের কদম গুনছে, হিসেব রাখছে পেভমেন্টের ফাটলের, কিংবা বিড়বিড় করে সমাধান করছে নানা রকম সমীকরণ। পকেটের ওয়াকি-টকিটাকে মনে হচ্ছে বাড়তি উপদ্রব, এ-মুহূর্তে একেবারে অচল ওটা। চার্জ শেষ হয়ে গেছে; থাকলেও লাভ হতো না। যাদের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য কিনেছিল যন্ত্রটা, তারাই আর নেই এখন।

    বেলা এগারোটা বিশ বাজে। জ্যান্ত হয়ে উঠেছে ওয়াশিংটন নগরী। ব্যতিব্যস্ত মানুষ ছোটাছুটি করছে চারদিকে, রাস্তাঘাট ভরে গেছে গাড়িঘোড়ায়… কিন্তু এখনও থামেনি এক্সেলসিয়র হোটেলে উদ্ভট ফোনের উৎপাত।

    মাসুদ রানা, প্লিজ। ওঁর সঙ্গে জরুরি কথা আছে আমার…

    পাগলামি!

    কী করছে রানা? কোথায় ও? এখন পর্যন্ত টিকিটিও দেখা যাচ্ছে না কেন ওর?

    হোটেলে এখন শুধু বয়স্কা মহিলাটি আছে। পতিতা মেয়েটা বিদ্রোহ করেছে ভোরে; সকাল হতে না হতে লোকদুটোও বেঁকে বসেছে। একদিনের চুক্তিতে আনা হয়েছিল ওদেরকে, সকাল নাগাদ কাজের কোনও অগ্রগতি না হওয়ায় ধৈর্য হারিয়েছে তারা। দ্বিতীয় দিনের জন্য অবিশ্বাস্য অঙ্কের একটা পারিশ্রমিক দাবি করে বসেছে। ওদেরকে ধরে রাখার কোনও যুক্তি দেখতে পায়নি কুয়াশা, তাতে লাভ নেই কোনও। বোঝাই যাচ্ছে, ওর সযত্নে গড়া পরিকল্পনা মাটি করে দিয়েছে রানা। ফোনের উৎপাতের পিছনে তাচ্ছিল্য, নাকি চ্যালেঞ্জ কাজ করছে, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

    পরিস্থিতি অন্যরকম হলে আশা ছেড়ে দিত কুয়াশা। নিজের পথে চলে যেত। কিন্তু এখন তা সম্ভব নয়। যেভাবে হোক, রানার সঙ্গে কথা বলতে হবে ওকে। কিন্তু লোকটা তো দেখাই দিল না হোটেলে। কী করা এখন? শেষ চেষ্টা হিসেবে বয়স্কা মহিলাটিকে দুইশ’ এগারো নম্বর রুমে ঢুকিয়েছে ও। মাঝে মাঝে ফোনে রিপোর্ট দিচ্ছে সে—না, রানার দেখা পায়নি। তবে আধঘণ্টা পর পরই টেলিফোন আসছে রুটিনমাফিক। মাসুদ রানাকে চাইছে একটি মেয়ে। দশ-পনেরো সেকেণ্ডের বেশি লাইনে থাকে না সে, বাড়তি একটা শব্দও উচ্চারণ করে না। পুরোপুরি প্রফেশনাল আচরণ। ফোনটা ট্রেস করবার উপায় নেই কোনও।

    ফোন বুদের দিকে এগোল কুয়াশা। হোটেলের এন্ট্রান্স থেকে পঞ্চাশ গজ উত্তরে ওটা, রাস্তার উল্টোপাশে। ভিতরে ঢুকে গ্লাসডোর টেনে দিল। স্লটে কয়েন ফেলে ডায়াল করতে যাবে, এমন সময় একটা দৃশ্য দেখে স্থির হয়ে গেল।

    হলুদ রঙের একটা ট্যাক্সি এসে থেমেছে হোটেলের সামনে, লম্বা-চওড়া একজন লোক নেমে এল সেটা থেকে। অস্বাভাবিক কিছু নয়, কিন্তু লোকটার চেহারা-সুরত এবং ভাবভঙ্গি সন্দিহান করে তুলল কুয়াশাকে। ট্যাক্সির ভাড়া মিটিয়ে সরাসরি হোটেলে ঢুকল না সে, পেভমেন্টে দাঁড়িয়ে থাকল কিছুক্ষণ, আশপাশ জরিপ করে নিল তীক্ষ্ণ চোখে। তারপর পা বাড়াল এন্ট্রান্সের দিকে। হাঁটার ভঙ্গি সাধারণ সিভিলিয়ানের মত নয়, সামরিক প্রশিক্ষণের ছাপ ফুটে আছে তাতে। চেহারাই বলে দিচ্ছে, কঠিন পাত্র। হাঁটু পর্যন্ত লম্বা একটা ওভারকোট পরেছে, অস্ত্র লুকিয়ে রাখার জন্য আদর্শ পোশাক। কুয়াশার অভিজ্ঞ চোখ একজন প্রফেশনাল খুনিকে চিনতে পারছে।

    ডায়াল করা আর হলো না কুয়াশার। ক্রেডল থেকে রিসিভার তুলে কানে ঠেকল, কথা বলার ভান করে ফোন বুথের ভিতর দাঁড়িয়ে রইল ও। ব্যাপারটা আরেকটু বুঝে নেয়া দরকার! লোকটা একা এসেছে, নাকি সঙ্গী-সাথী আছে আরও? একা হলে কো-ইনসিডেন্স ভাবা যেতে পারে। কিন্তু যদি আরও লোক থাকে, বুঝতে হবে নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে এসেছে। এ-মুহূর্তে হোটেল এক্সেলসিয়রে খুনি উদয় হতে পারে শুধু ওকে হত্যা করার জন্য।

    কুয়াশার আশঙ্কাকে সত্যি প্রমাণের জন্য মিনিটপাঁচেক পরে আরেকজন উদয় হলো হোটেলের সামনে। এ-লোক গাড়িতে আসেনি; পথচারী, চোখে সাদামাঠা একটা চশমা, হাতে ব্রিফকেস। সাধারণ চাকরিজীবীর বেশ নিয়েছে। কিন্তু পরনে ঠিক প্রথম লোকটার মতই ওভারকোট। হোটেলের সামনে পৌঁছে একই কায়দায় চারদিক দেখে নিল। রাস্তার উল্টোদিকে দাঁড়ানো তৃতীয় একজনের সঙ্গে চোখাচোখি হলো তার। নিগ্রো, শীতের ভারী জ্যাকেট আর উইন্টার বুট পরে আছে। গলায় স্কার্ফ, চোখে কালো সানগ্লাস। সেকেণ্ডের ভগ্নাংশের জন্য পরস্পরের দিকে তাকাল ওরা। নিগ্রো পকেট থেকে সিগারেট বের করে লাইটারের সাহায্যে ধরাল… সঙ্কেত দিল আসলে। মৃদু মাথা ঝাঁকিয়ে উল্টো ঘুরল চশমাঅলা, ঢুকে পড়ল হোটেলে, প্রথম খুনির সঙ্গে যোগ দিতে যাচ্ছে।

    হৃৎস্পন্দন দ্রুততর হয়ে গেছে কুয়াশার। মানে কী এর? সার্ভেইলান্স করতে নয়, এরা এসেছে অ্যাকশনের জন্য। হাবভাবেই পরিষ্কার বোঝা যাচ্ছে। কিন্তু টার্গেট কে? ও নিজে? হতে পারে, কিন্তু ও তো রয়েছে হোটেলের বাইরে। ওরা ভিতরে ঢুকল কেন? নিশ্চিত না হয়ে তো প্রফেশনাল লোকজন কোথাও ও পা ফেলে না। তা হলে? দ্বিতীয় কোনও টার্গেট আছে ওদের? কে সেটা? রানা?

    আচমকা সব পরিষ্কার হয়ে গেল কুয়াশার কাছে। মাথার চুল ছিঁড়তে ইচ্ছে হলো নিজের বোকামির কথা ভেবে। রানা বাইরে থেকে আসবে বলে ধারণা করেছিল, ওভাবেই পুরো সেটআপ সাজিয়েছে। কিন্তু ও যে হোটেলের ভিতরেই থাকতে পারে, তা মাথায় আসেনি একবারও। বহু আগে থেকেই ওখানে ঘাপটি মেরে বসে আছে দুর্ধর্ষ বাঙালি এজেন্ট, ওখানে বসেই নাচিয়ে বেড়াচ্ছে ওকে। তিক্ত একটা হাসি ফুটল কুয়াশার ঠোঁটে, তবে মনে মনে তারিফও করল রানার।

    কিন্তু এখন ওসব নিয়ে সময় নষ্ট করার উপায় নেই। তিন খুনির উপস্থিতিতে জটিল হয়ে গেছে পরিস্থিতি। নিঃসন্দেহে ফেনিসের লোক এরা। কীভাবে এই হোটেলের খোঁজ পেল, তা জানা নেই। কিন্তু এটা নিশ্চিত-ওদের টার্গেটের তালিকায় কুয়াশার পাশাপাশি রানার নামও ঢুকে গেছে। সংগঠনটা কতখানি সিরিয়াস, তা বোঝা যাচ্ছে এবার। কোনও ধরনের ঝুঁকি নিতে রাজি নয়, কেউ পথের কাঁটা হতে পারে ভাবলেই তাকে সরিয়ে দিচ্ছে এরা। মানুষটা সত্যিকার কোনও সমস্যা সৃষ্টি করবার আগেই!

    উদ্বেগ অনুভব করল কুয়াশা। ওর কারণে বিপদ নেমে এসেছে রানার উপরে, ওর জন্যই জীবন যেতে বসেছে বেচারার। কাজেই রানাকে রক্ষা করার দায়িত্বও এখন এর উপরেই বর্তাচ্ছে। কিন্তু কীভবে? রানা ঠিক কোথায় অবস্থান করছে, সেটাই তো জানা নেই ওর। কিছু একটা করতে হবে… এক্ষুণি! একটা মুহূর্ত অপচয় করা চলে না। তাড়াতাড়ি ফোন বুদ থেকে ডায়াল করল হোটেলের নাম্বারে।

    ‘রানা এখানে?’ কুয়াশার বক্তব্য শুনে প্রায় চেঁচিয়ে উঠ বয়স্কা মহিলাটি।

    ‘হ্যাঁ, তোমার খুব কাছাকাছিই আছে বলে ধারণা করছি আমি। রুমে কে ঢুকছে না ঢুকছে, সব দেখতে পাচ্ছে ও। তুমি কি এখনও ইউনিফর্মে আছ?’

    ‘হ্যাঁ। কেন?’

    ‘আশপাশের কামরাগুলো চেক করে দেখো।’

    ‘হায় যিশু! কী বলছ, বুঝতে পারছ? যদি কেউ টের পায় যে, মেইড নই আমি এখানকার…

    ‘কথা বাড়িয়ো না!’ ধমকে উঠল কুয়াশা। ‘হাতে সময় নেই

    একদম। রানাকে খুঁজে বের করতে হবে আমাদেরকে। এবং সেটা এখুনি। দশ মিনিটের মধ্যে আবার রিং দেব তোমাকে।

    ‘দাঁড়াও… ওকে আমি চিনব কী করে?’

    ‘খুব সহজ। একমাত্র ও-ই তোমাকে ওর কামরায় ঢুকতে দেবে না।‘

    .

    খোলা জানালার সামনে দাঁড়িয়ে আছে রানা। শার্ট খুলে ফেলেছে, ঠাণ্ডা বাতাসে কাঁপছে হি হি করে। হিটার বন্ধ করে দিয়েছে অনেক আগেই, রুমের তাপমাত্রা এখন পঞ্চাশ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড। ইচ্ছে করে কষ্ট দিচ্ছে নিজেকে… জাগ্রত থাকার জন্য। আরামদায়ক ঊষ্ণ পরিবেশের চেয়ে শীতার্ত অবস্থায় মানুষের নার্ভ অনেক তীক্ষ্ণ হয়ে ওঠে।

    মৃদু একটা শব্দ কানে এল ওর। ধাতুর সঙ্গে ধাতুর ঘর্ষণের আওয়াজ। জানালার পাল্লা টোনে ছুটে গেল ও পিপহোলের কাছে। দুইশ এগারো নম্বর থেকে বেরিয়ে এসেছে বয়স্কা মেইড, হাতে যথারীতি ভাঁজ করা তোয়ালে আর বিছানার চাদর। একদিকে চলে গেল সে। মনে হচ্ছে কুয়াশার শেষ অনুচরও হাল ছেড়ে দিয়েছে। দৃশ্যপট এখন সম্পূর্ণ ফাঁক এবার ফাঁদের অবস্থা দেখার জন্য ক্যাশাকে সশরীরে হাজির হতে হবে।

    ক্লজিটের কাছে চলে গেল রানা, ভিতর থেকে বের করে আনল একটা পরিষ্কার শার্ট। গায়ে চড়াল ওটা। বালিশের তলা থেকে বের করল নিজের সিগ-সাওয়ার হ্যাগান। ম্যাগাজিন চেক করছে, এমন সময় দরজার টোকা পড়ল। দ্বিধান্বিত টোকা।

    পাঁই করে ঘুরে দাঁড়াল রানা, ইন্দ্রিয় অতিমাত্রায় সতর্ক হয়ে উঠেছে। ব্যাপারটা অস্বাভাবিক। ফ্রন্ট ডেস্কে বাড়তি টাকা দিয়েছে ও, কেউ যাতে বিরক্ত না করে ওকে। দরজার নবে ঝুলিয়ে দিয়েছে ডু নট ডিস্টার্ব সাইন। নামি-দামি হোটেলে প্রাইভেসি রক্ষার জন্য এটুকুই যথেষ্ট। তা হলে কে টোকা দিচ্ছে দরজায়?

    সিগ-সাওয়ার বাগিয়ে দরজার কাছে গেল রানা। পিপহোল দিয়ে সাবধানে উঁকি দিল বাইরে। বয়স্কা সেই মেইড ফিরে এসেছে। কুয়াশার ভাড়া করা শকুন… এখনও পরাজয় মেনে নেয়নি তা হলে! মুহূর্তের জন্য চেহারাটা দেখল রানা। সৌম্যদর্শন মুখটার ভিতর কী যেন লুকিয়ে আছে। কিন্তু ও নিয়ে সময় নষ্ট করার মানে হয় না। ওর নাগাল পেয়ে গেছে মহিলা, কনফ্রণ্টেশনে যাওয়াই ভাল। দেখা যাক, টাকার লোভ দেখিয়ে ওকে নিজের দলে ভেড়ানো যায় কি না। রানার খবর কুয়াশার কাছে নয়, বরং কুয়াশার খবর রানার কাছে পৌঁছবে ওতে।

    সিগ-সাওয়ারটা কোমরের পিছনে গুঁজে ফেলল রানা, ঢেকে ফেলল শট নিয়ে তারপর গলা চড়িয়ে বলল, ‘ইয়েস?’

    ‘মেইড-সার্ভিস, স্যর।’ জবাব এল ওপাশ থেকে। উচ্চারণে আইরিশ টান। ‘ম্যানেজমেণ্ট বলেছে সব কামরার সাপ্লাই ঠিকঠাক আছে কি না, দেখে নিতে।’

    মিথ্যেটা জুতসই হয়নি। তবে ভাড়াটে একজন প্রৌঢ়া মেইডের কাছে এরচেয়ে কনভিন্সিং কোনও কিছু আশা করাও যায় না।

    ‘ঠিক আছে, ভিতরে আসুন।’ ছিটকিনি খুলে দিল রানা।

    .

    ‘দুইশ’ এগারো নম্বর থেকে কোনও সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না, স্যর, ‘ জানাল এক্সেলসিয়রের সুইচবোর্ড অপারেটর।

    ‘আবার চেষ্টা করুন,’ বলল কুয়াশা। চোখ সেঁটে আছে রাস্তার উল্টোপাশের কফি শপের উপর। নিগ্রো খুনি ওখানে ঢুকেছে, বেরিয়ে আসবে যে-কোনও মুহূর্তে। ও-ই নিঃসন্দেহে দলটার  নেতা। ও মাঠে নামলেই শুরু হবে হিট টিমের মূল অ্যাকশন।

    ‘আপনার যা ইচ্ছে, স্যর,’ বিরক্তি নিয়ে বলল অপারেটর।

    অস্থির হয়ে উঠেছে কুয়াশা। পনেরো মিনিট পেরিয়ে গেছে বয়স্কা মহিলাটির তল্লাশি শুরু হবার পর। হোটেলের তিনতলায় মাত্র আটটা রুম, সেগুলোর দরজায় টোকা দিয়ে প্রতিক্রিয়া দেখবার জন্য এত সময় লাগার কথা নয়। সবগুলোতে লোক থাকলেও না। ঘাপলা হয়েছে কোথাও!

    চকিতে হোটেল এন্ট্রান্সের দিকে নজর ফেরাল কুয়াশা। চমকে উঠল সঙ্গে সঙ্গে। আরেকজন হাজির হয়েছে। দাড়িঅলা, বেঁটে এক লোক। এর গায়েও কালো ওভারকোট, গলায় পেঁচিয়েছে সিল্কের মাফলার; মাথায় ধূসর হ্যাট—একটু নিচু করে পরেছে, যাতে ঠিকমত চেহারা দেখা না যায়। পেভমেন্টের উপর দাঁড়াল ক্ষণিকের জন্য। সঙ্গে সঙ্গে কফি শপের জানালায় মৃদু আলো দেখা গেল—ম্যাচ জ্বালানো হয়েছে। আরেকটা সঙ্কেত। ঘুরে হোটেলের এন্ট্রান্সের দিকে পা বাড়াল দাড়িঅলা খুনি।

    ইয়ারপিতে কর্কশ আওয়াজ তুলে বেজে চলেছে দুইশ’ এগারো নম্বর রুমের ফোন জবাব দিচ্ছে না কেউ। আঁতকে উঠল কুয়াশা। একটাই অর্থ হতে পারে এর-বুড়ির পরিচয় ফাঁস হয়ে গেছে রানার কাছে। কিন্তু দুশ্চিন্তা বুড়িকে নিয়ে নয়, বরং রানাকে নিয়ে। প্রাক্তন ওই আইরিশ বিপ্লবীর স্বভাব-চরিত্র খুব ভাল করে জানা আছে কুয়াশার, কোণঠাসা হয়ে পড়লে উন্মাদ হয়ে যাবে। যদিও তাকে বার বার বলে দেয়া হয়েছে; কিছুতেই রানার ক্ষতি করা চলবে না, কিন্তু সার্ভাইভাল ইন্সটিঙ্কটের সামনে সেসবের কোনও মূল্য নেই। রানা যদি বুড়িকে বন্দি করতে চায়, স্রেফ বেঘোরে খুন হয়ে যাবে। মহিলা অত্যন্ত ভয়ঙ্কর।

    রিসিভারের ইয়ারপিস খড়খড় করে উঠল। ওপাশ থেকে শোনা গেল টেলিফোন অপারেটরের কণ্ঠ। দুঃখিত, স্যর। কিছুতেই জবাব পাওয়া যাচ্ছে না দুইশ’ এগারো নম্বর রুম থেকে। আপনি বরং ঘণ্টাখানেক পরে চেষ্টা করুন।’

    কুয়াশাকে আরেকদফা অনুরোধের সুযোগ দিল না মেয়েটা। কথা শেষ করেই লাইন কেটে দিল।

    রিসিভার নামিয়ে রাখল কুয়াশা। ঠোঁট কামড়াল হতাশায়। আর কোনও উপায় নেই। রঙ্গমঞ্চে এবার নামতেই হবে ওকে। নিতে হবে ঝুঁকি। কাঁধ ঝাঁকাল, কী আর করা। কোটের ভিতরের পকেটে হাত দিয়ে বের করে আনল একটা ছোট বাণ্ডিল। এর ভিতরে ওর সমস্ত ভুয়া কাগজপত্র। ওখান থেকে বেছে বের করল সুইটজারল্যাণ্ডের নামকরা একটা ব্রোকারেজ হাউজের পরিচয়পত্র। ওটা গুঁজে রাখল ওয়ালেটে। হোটেলের উল্টোপাশের গলির ভিতরে একটি ব্রিফকেস লুকিয়ে রেখেছিল আগেই, সেটা সংগ্রহ করল। তারপর পাক্কা ব্যবসায়ীর ভঙ্গিতে নেব্রাস্কা অ্যাভিনিউ পেরিয়ে ঢুকে পড়ল হোটেলে।

    সরাসরি ডে-শিফটের ম্যানেজারের সঙ্গে দেখা করল ও। নিজের পরিচয়পত্র দেখাল, বিজনেস কনফারেন্সের জন্য পুরো হোটেল বুকিঙের টোপ ফেলল… ফলে দশ মিনিটের মাথাতেই বিনয়ে বিগলিত হয়ে যেতে দেখা গেল ম্যানেজারকে হাজার হোক, তাদের এই ছোট্ট হোটেলকে সুইটজারল্যাণ্ডের অমন নামকরা প্রতিষ্ঠান কনফারেন্সের জন্য বেছে নেবে, এ তো সাত কপালের ভাগ্য!

    ‘ছোট্ট একটা উপকার করতে হবে আমার,’ ম্যানেজারের হাতে একশো ডলারের তিনটে নোট গুঁজে দিয়ে বলল কুয়াশা, ততক্ষণে লোকটাকে বড়শিতে পুরোপুরি গেঁথে ফেলেছে ও। ‘কী দিনকাল পড়েছে, তা তো জানেন। সৎ ব্যবসায়ীদের জন্য পদে পদে বাধা। একটা লোক খুব জ্বালাতন করছে আমাকে, S এ-মুহূর্তে এ-হোটেলেই আছে বলে সন্দেহ আমার…’

    ফলে কয়েক মিনিটের মধ্যেই হোটেলের গত চব্বিশ ঘণ্টার টেলিফোন রেকর্ড এসে গেল কুয়াশার হাতে। কম্পিউটার থেকে প্রিন্টআউট নিয়ে এসেছে সুইচবোর্ডের অপারেটর। বলা বাহুল্য, তাকেও সামান্য পকেট-খরচ দেয়া হয়েছে।

    বাকি সব ফ্লোর বাদ দিয়ে শুধু তিনতলার রেকর্ডে চোখ বোলাল কুয়াশা। দুটো করিডোর আছে ওখানে। দুইশ’ এগারো থেকে পনেরো পর্যন্ত পাঁচটা রুম পশ্চিম উইঙে। ওগুলোর আউটগোয়িং কলের উপরেই মনোযোগ দিল ও। বিল দেখে- বোঝা গেল, হোটেল ছোট হলেও এখানকার চার্জ অনেক বেশি এক্সক্লুসিভ হোটেল হলে যা হয় আর কী। লিস্টটা এরকম:

    ২১২…লণ্ডন, ইউকে। চার্জ: ২৬.৫০ ডলার।

    ২১৪… দেস ময়সে, আইওয়া! চার্জ: ৪.৫০ ডলার।

    ২১৪… সিডার রাপিডস, আইওয় চ র্জ: ৪.৮০ ডলার।

    ২১৩…আর্লিংটন, ভার্জিনিয়া চার্জ: ৫.১০ ডলার।

    ২১৫…ডেনভার, কলোরাডো। চার্জ: ৬.৭৫ ডলার।

    ২১৪…প্যাসাডেনা, ক্যালিফোর্নিয়া। চার্জ: ১১.৬৫ ডলার।

    ২১৫…ইস্টন, মেরিল্যান্ড চার্জ: ৮.০৫ ডলার।

    ২১২…এথেন্স, গ্রিস। চার্জ: ৩০.১০ ডলার।

    ২১২…স্টকহোম, সুইডেন। চার্জ: ৩৮.২৫ ডলার।

    ২১৫…ওয়াশিংটন ডিসি, ভার্জিনিয়া। চার্জ: ৩.৬৫ ডলার।

    প্যাটার্ন খোঁজার চেষ্টা করল কুয়াশা। দুইশ’ বারো থেকে ইয়োরোপের তিনটা জায়গায় ফোন করা হয়েছে, কিন্তু তার সঙ্গে রানার কোনও সম্পর্ক আছে বলে মনে হয় না। ইণ্টারন্যাশনাল কল করতে চাইলে সেটা ও নিজের সেলফোন থেকেই করতে পারে, তাতে পয়সা কম খরচ হয়: ট্রেসও থাকে না। দুইশ’ চোদ্দ আর পনেরোর বাসিন্দারা লোকাল কল করেছে, তাতেও কোনও বিশেষত্ব দেখতে পাচ্ছে না। খটকা লাগছে শুধু দুইশ তেরোর এন্ট্রিটা। একটামাত্র কল… কারণ কী? চব্বিশ ঘণ্টায় আর কোথাও কি ফোন করতে হয়নি লোকটাকে? নাকি সেলফোন আছে তার কাছে? তা-ই যদি হয়, সেক্ষেত্রে একটামাত্র কল হোটেলের সুইচবোর্ড থেকে করার দরকার কী ছিল?

    ‘আপনি বোধহয় দুইশ’ বারোর ভদ্রলোককে খুঁজছেন,’ আগ বাড়িয়ে বলে উঠল অপারেটর মেয়েটা। টাকা পেয়ে খুশির সীমা নেই তার। ‘ইয়োরোপে বার বার ফোন করছেন, বিজনেসম্যান হবার সম্ভাবনা বেশি।’

    ‘হতে পারে,’ কাঁধ ঝাঁকাল কুয়াশা। ‘কিন্তু আমি যাকে খুঁজছি, তার সঙ্গে এথেন্স, স্টকহোম বা লণ্ডনের সম্পর্ক নেই।’ একটু দ্বিধা করল ও। ইয়ে… দুইশ’ তেরোতে কে থাকছে?

    ‘না, না, ওই লোক হতে পারে না,’ বলল অপারেটর। গলার স্বর খাদে নামাল মেয়েটা। ‘চুপি চুপি জানাই আপনাকে, মসিয়ো, লোকটা সম্ভবত পাগল।

    ‘মানে?’

    ব্যাখ্যা করল মেয়েটা, দুইশ’ তেরোর দরজায় গত তিনদিন থেকে ডু নট ডিস্টার্ব সাইন ঝুলছে। ফ্রন্ট ডেস্কে বলে দেয়া হয়েছে, কোনও অবস্থাতেই ওই গেস্টকে বিরক্ত করা চলবে না। খাবার-দাবার ওয়েইটারে রেখে আসছে দরজার সামনে,

    জার সামনে, ভিতরে যাবার অনুমতি নেই। এমনকী মেইড সার্ভিস পর্যন্ত বাতিল করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে কামরা থেকে।

    ‘ব্যাপারটা অস্বাভাবিক না?’ জিজ্ঞেস করল কুয়াশা।

    ‘একেবারে খুবই অস্বাভাবিক তা বলব না,’ বলল অপারেটর। ‘মাঝে মাঝে এমন গেস্ট পাই আমরা। রুমের দরজা জানালা বন্ধ করে দিনের পর দিন মদ গেলে; কিংবা বউয়ের চোখ ফাঁকি দিয়ে ফুর্তি করে অন্য মেয়েদের সঙ্গে। কিন্তু মেইড সার্ভিস বাতিল করতে দেখিনি কাউকে। আফটার অল, ময়লা চাদর আর ভেজা তোয়ালে নিয়ে ক’দিন থাকতে পারে মানুষ?’

    ‘খাটাশ লোকজন পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে মাথা ঘামায় না, হালকা গলায় বলল কুয়াশা।

    ‘তা বটে। কিন্তু আমাদের ট্যাক্সের পয়সায় সরকারি চাকুরিতে এমন লোক পোষা হচ্ছে, সেটা সহ্য করা মুশকিল।

    ‘বলতে চাইছ, সরকারি লোক?

    ‘কোনও সন্দেহ নেই। নাইট ম্যানেজারের কাছে শুনেছি, আজ ভোরে… পাঁচটার দিকে নাকি একজন সুট-বুট পরা মানুষ এসেছিল দুইশ’ তেরোর গেস্টের ছবি নিয়ে। ম্যানেজারকে বলেছে, লোকটা অ্যালকোহলিক; সাইকিয়াট্রিক সমস্যাও আছে। ওকে কিছু বলতে মানা করেছে আমাদেরকে, আজ দুপুরের মধ্যেই নাকি একজন ডাক্তার নিয়ে আসবে চিকিৎসার জন্য।’

    ‘সরকারি ক্রিডেনশিয়াল দেখিয়েছে ওই সুট-বুট পরা লোক?’ উঁহুঁ। তবে এত বছর থেকে ওয়াশিংটনে আছি আমরা, চেহারা দেখেই সরকারি লোক চিনতে জানি।’

    ‘থ্যাংক ইউ, ম্যা’ম,’ মেয়েটার হাতে আরেকটা একশো ডলারের নোট দিল কুয়াশা অনেক উপকার করেছ আমার।’

    ‘মাই প্লেজার!’

    সুইচবোর্ডের সামনে থেকে সরে এল কুয়াশা। বুক ঢিবঢিব করছে। পেয়েছে… রানার খোঁজ পেয়ে গেছে ও। কিন্তু দুঃসংবাদ, খোঁজটা খুনির দলও পেয়েছে। লবিতে চোখ বোলাল, কোথাও দেখতে পেল না লোকগুলোকে। নিশ্চয়ই পজিশন নিতে শুরু করে দিয়েছে। এখন ছুটে গিয়ে রানাকে সাবধান করে দেয়া সম্ভব নয়, খুনিরা ওকে কিছুতেই ও-পর্যন্ত পৌঁছুতে দেবে না। তার আগেই খুন করবে। ফোন করতে পারে, কিন্তু রানা ওর কথা বিশ্বাস করতে যাবে কেন?

    তাড়া অনুভব করল কুয়াশা। একটা উপায় বের করতেই হবে ওকে। নইলে কোনও আশা নেই রানার। কী করা যায়? ভাবতে ভাবতে এন্ট্রান্সের দিকে তাকাল ও, স্থির হয়ে গেল নিগ্রো খুনিকে লবিতে ঢুকতে দেখে।

    বড্ড দেরি হয়ে গেছে। এখুনি শুরু হবে হামলা!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)
    Next Article মাসুদ রানা ১৫৯-১৬০ – আবার উ সেন (দুইখণ্ড একত্রে)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }