Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প322 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই কুয়াশা ২.১১

    এগারো

    কুয়াশার কানের পাশ দিয়ে ছুটে গেল বুলেট। ব্রুনাকে জাপটে ধরে মেঝেতে পড়ে গেল ও। গড়ান দিয়ে মহিলাকে নিয়ে এল নিজের দেহের উপর-মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহার করছে তাকে। দেখা যাক, মনিবের উপর গুলি চালানোর সাহস আছে কি না খুনির।

    দেখা গেল নেই। দ্বিধান্বিত ভঙ্গিতে সামনে এগিয়ে এল সে, বোধহয় ভাবছে ব্রুনাকে ছাড়িয়ে নেয়া সম্ভব কি না। এটাই চাইছিল কুয়াশা। আলিঙ্গনের মধ্যে আটকে রাখা মহিলাকে ছুঁড়ে দিল খুনির দিকে। ওজন বেশি নয় ব্রুনার, খড়ের পুতুলের মত আছড়ে পড়ল লোকটার গায়ের উপর। তাল হারিয়ে দু’জনেই হুড়মুড় করে ভূপাতিত হলো।

    লাফ দিয়ে উঠে দাঁড়াল কুয়াশা। ব্রুনাকে শরীরের উপর থেকে সরিয়ে সিধে হবার চেষ্টা করছিল খুনি, ছুটে গিয়ে তার কবজিতে একটা পেনাল্টি কিক মারল। হাড় ভাঙার মড়মড় আওয়াজ হলো, ব্যথায় কাতরে উঠল লোকটা, নাইন মিলিমিটারের পিস্তল উড়ে চলে গেল একদিকে। ঘাড় ধরে ব্রুনাকে তুলে আনল কুয়াশা, টান দিয়ে ফেলে দিল পিছনে। তারপর চড়ে বসল খুনির বুকে। নির্দয়ের মত ঘুসি চালাতে থাকল নাক-মুখে। উন্মাদ হয়ে গেছে, থামছে না এক মুহূর্তের জন্যও।

    মারের চোটে রক্তাক্ত হয়ে গেল খুনির মুখ। ঠোঁট ফেটে গেল, বসে গেল নাক, ভাঙলো দাঁত, থেঁতলে গেল পুরো মুখের মাংস। ভুরুর চামড়া ছিঁড়ে নেমে এল চোখের উপর। নিজেকে সামলে নিয়ে পিছন থেকে হামলা করল ব্রুনা, চেষ্টা করল কুয়াশাকে নিজের অনুচরের উপর থেকে সরিয়ে আনতে, কিন্তু সফল হলো না। পাঁজরের নীচে কুয়াশার কনুইয়ের বেমক্কা এক আঘাত পেয়ে চোখে অন্ধকার দেখল, বাতাসের অভাবে হাঁসফাস করতে করতে বসে পড়ল হাঁটু মুড়ে।

    পরাস্ত খুনির চেহারার নকশা পাল্টে দিয়ে উঠে দাঁড়াল কুয়াশা শান্ত ভঙ্গিতে কুড়িয়ে নিল নাইন মিলিমিটারের অটোমেটিকটা। ফিরে এসে ওটা তাক করল লোকটার পায়ের দিকে।

    ‘এগুলো আইভান শেভচেঙ্কোর জন্য,’ বলে দুই হাঁটুতে গুলি করল ও। ‘আর, এগুলো নাতালিয়ার জন্য।’ বলে দুই কনুই ও উড়িয়ে দিল।

    হাড়ের জয়েন্ট গুঁড়ো গুঁড়ো হয়ে যাওয়ায় অসহ্য ব্যথায় কাতরাচ্ছে খুনি, নির্বিকার রইল কুয়াশা। পিস্তলের নল ঘুরে গেল পেটের দিকে। শীতল গলায় বলল, ‘আর এগুলো হলো বোনাস!’

    লোকটার পেটে পিস্তলের ম্যাগাজিন খালি করল ও। গোঙানির বেশি আর কিছু করতে পারল না খুনি। সীমাহীন কষ্টে পুরো নার্ভ-সিস্টেম অচল হয়ে যেতে বসেছে। তিলে তিলে মরবে এভাবে। এরচেয়ে যন্ত্রণাদায়ক মৃত্যু আর কিছু হতে পারে না।

    নাইন মিলিমিটার ফেলে দিয়ে এবার নিজের পিস্তল তুলে নিল কুয়াশা। মন দিল ব্রুনা ভরগেনের দিকে। এখনও পাঁজরের ব্যথায় বাঁকা হয়ে আছে সে। চুল ধরে মহিলাকে দাঁড় করাল ও, পিস্তল ঠেকাল ঘাড়ে।

    ‘ছাড়ো আমাকে!’ চেঁচিয়ে উঠল ব্রুনা।

    ‘দুটো পথ আছে তার জন্যে,’ কঠিন গলায় বলল কুয়াশা। ‘হয় আমার কথা শোনো, নয়তো তোমার সৈনিকদের মত গিলে ফেলো সায়ানাইড পিল।

    ‘আমার কাছে সায়ানাইড পিল নেই। নেতারা আত্মহত্যা করে না।’ শরীর মোচড়াল ব্রুনা। ‘মরণ যদি কারও হয় এখানে, সেটা হবে তোমার!’

    হয়তো,’ স্বীকার করল কুয়াশা। কিন্তু একা যাব না আমি, তুমিও সঙ্গে যাবে। নড়াচড়া বন্ধ করো, এখুনি গুলি চালাবার ইচ্ছে নেই আমার।

    স্থির হয়ে গেল ব্রুনা। ফিসফিসিয়ে প্রশ্ন করল, ‘কী চাও তুমি?’

    ‘ইনফরমেশন।’

    ‘গুড, আমিও চাই তা। যদি বাঁচতে চাও তো বলো, রাখাল বালক সম্পর্কে কী জানো তুমি?’

    মুঠোয় ধরা চুলে টান বাড়াল কুয়াশা। ‘প্রশ্ন যা করবার, তা আমি করব।’

    ‘বোকামি করছ তুমি, কুয়াশা। বাঁচার কোনও উপায় নেই । তোমার! আমাকে সহযোগিতা করলে ভাল করবে।’

    পিস্তলের ব্যারেল দিয়ে মহিলার গালে খোঁচা মারল কুয়াশা। ‘পরিস্থিতি কিন্তু উল্টো কথা বলছে।’

    কাঁধ ঝাঁকাল মা। ‘বেশ, তা-ই ভেবে যদি সন্তুষ্ট থাকো, তাতে আমার কী?’ মুখ ঘুরিয়ে নিল। ‘কী জানতে চাও তুমি?’

    ‘ফেনিসের উদ্দেশ্য কী?’

    ‘শৃঙ্খলা।’

    ‘অথচ দুনিয়াকে বিশৃঙ্খলার অতলে তলিয়ে দিছে তোমরা!’

    ‘ওর মাঝ দিয়েই আবার ফিরে আসবে শৃঙ্খলা… আমরাই ফিরিয়ে আনব সেটা। যাদের নিয়ন্ত্রণে এই পৃথিবীর থাকা উচিত, তাদের মাধ্যমে!’

    ‘লেকচার শুনতে চাই না। তোমাদের প্ল্যান জানতে চাই আমি।’

    ‘সেটা একমাত্র রাখাল বালক জানেন। আমরা শুধু ছোট ছোট মিশন সম্পন্ন করি।’

    ‘কে এই রাখাল বালক? কী তার পরিচয়?’

    ‘সেটা কোনোদিনই তুমি জানতে পারবে না আমার কাছ থেকে।’

    ‘বলতেই হবে তোমাকে! নইলে খারাবি আছে তোমার কপালে।’

    ‘টরচার করবে?’ হাসল ব্রহ্মা। ‘সময় কোথায় তোমার? চ্যাপেলটা মাটির তলায় বলে গুলির শব্দ হয়তো শোনা যায় না বাইরে, তার মানে এই নয় যে অনন্তকাল থাকতে পারবে এখানে। খুব শীঘ্রি কেউ না কেউ আমার খোঁজ নিতে আসবে।’

    ‘সেক্ষেত্রে এস্টেট থেকে বেরিয়ে যাব আমরা… তুমিই নিয়ে যাবে আমাকে। ভেবো না মুখ বন্ধ রাখলেই গোপন থাকবে সবকিছু।’ মেঝেতে পড়ে থাকা খুনির দিকে তাকাল। ‘ওর পেটে গুলি করেছি কেন, জানো? মরার আগে যেন জানিয়ে যেতে পারে কী ঘটেছে। ভরগেন সাম্রাজ্যের মাখাকে নিয়ে যাচ্ছি আমি, পরিস্থিতি সামলানোর জন্য কী করে ফেনিস, তা দেখব আমি আড়াল থেকে। মুখ খোলানোর জন্য কাকে এরপর ধরতে হবে, সেটা বুঝাতে পারব তখন।

    ‘না-আ!’ প্রতিবাদ করল ব্রুনা। ‘যাব না আমি তোমার সঙ্গে।’

    ‘তা হলে তুমি মরবে,’ কাটা কাটা স্বরে বলল কুয়াশা। ‘আমাকে নিয়ে ভেবো না, একাকী এখানে ঢুকতে যখন পেরেছি, বেরিয়েও যেতে পারব।’

    ‘অসম্ভব! চ্যাপেলে আসার আগে অর্ডার দিয়ে এসেছি আমি—কাউকে যেন এস্টেট থেকে বের হতে দেয়া না হয়।

    ‘বেরুতে যাচ্ছে কে?’ নিজের পোশাক দেখাল কুয়াশা। ‘ইউনিফর্ম পরা একজন গার্ড… নিজের পোস্টে ফিরবে। সেখান থেকে গায়েব হয়ে যাবে রাতের অন্ধকারে। কে সন্দেহ করবে আমাকে? আমি বুঝতে পেরেছি, গার্ড-রা ফেনিসের লোক নয়; সাধারণ প্রহরী-ধনী লোকজনকে পাহারা দেয়াই ওদের একমাত্র পেশা।’ পিত্তলটা ব্রুনার ঘাড়ে ভালমত চেপে ধরল কুয়াশা। এখন .. তুমিই সিদ্ধান্ত নাও- আমার সঙ্গে যাবে, নাকি পড়ে থাকবে পোষা কুকুরটায় পাশে।

    চোখের দৃষ্টি বদলে গেল মহিলার। হার মানল। নিচু গলায় বলল, ‘বাবার গাড়িটা ব্যবহার করতে পারি আমরা। চলো।’

    ‘কোনও চালাকি নয়, ব্রুনা!’ হুমকি দিল কুয়াশা :

    ‘তার প্রয়োজন পড়বে না। তুমি আমার কাছে ইনফরমেশন চাইছ… আমিও তোমাকে চমকে দেবার মত একটা তথ্য জানি। ওটা শোনার পর বুঝতে পারবে, লড়াই করা বৃথা। আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনও উপায় তোমার নেই…’

    ‘যথাসময়ে সেটা দেখা যাবে,’ বলে ব্রুনার চুল ছেড়ে দিল কুয়াশা। ‘হাঁটো। আমি তোমার পিছনে থাকছি।’

    .

    গ্যারাজ থেকে ওয়ালথার ভরগেনের লিমাজিনটা ধার করল ওরা। ড্রাইভিং সিটে থাকল ব্রুনা, কাঁধে হাত রেখে ঘনিষ্ঠ ভঙ্গিতে তার পাশে বসল কুয়াশা। ইতিমধ্যে খুলে ফেলেছে গার্ডের জ্যাকেট, ঊর্ধ্বাঙ্গে স্রেফ একটা সাদা শার্ট ছাড়া আর কিছু নেই এ-মুহূর্তে। হাবভাব দেখে মনে হয়ে ব্রুনা ভরগেনের নতুন প্রেমিক। মহিলার কানের কাছে মুখ নিয়ে রাখল ও; নীচে, পিস্তলের মাজল ঠেকিয়ে রাখল তার পাঁজরের একপাশে।

    ধীরগতিতে এস্টেটের মূল ফটকে পৌঁছল লিমাজিন। দু’জন গার্ড এগিয়ে এল আরোহীর পরিচয় জানার জন্য। কয়েক সেকেণ্ডের জন্য ট্রিগারের উপর প্রস্তুত থাকল কুয়াশার আঙুল। কিন্তু না, কোনও কৌশল খাটাবার চেষ্টা করল না ব্রুনা, হাতের ইশারায় গেট খুলতে বলল গার্ডকে। মাথা ঝাঁকিয়ে চলে গেল তারা, একটু পর মৃদু যান্ত্রিক গুঞ্জন তুলে সরে গেল পাল্লা। গাড়ি নিয়ে রাস্তায় বেরিয়ে এল ব্রুনা।

    বাঁয়ে মোড় নিতে যাচ্ছিল সে, খপ্ করে এক হাতে স্টিয়ারিং আঁকড়ে ধরল কুয়াশা, ঘুরিয়ে দিল ডানে। মাতালের মত দুলে মুখ ঘোরাল লিমাজিন, রাস্তায় সিধে হবার পর হাত সরিয়ে আনল। সঙ্গে সঙ্গে আবার বাড়িয়ে দিল বাম পা, ব্রুনার পায়ের উপর দিয়ে চেপে ধরল অ্যাকসেলারেটর। হু হু করে ছুটতে শুরু করল গাড়ি।

    ‘অ্যাই!’ চেঁচিয়ে উঠল ব্রুনা! কী করছ তুমি?’

    ‘ফাঁদ থেকে বাঁচার চেষ্টা করছি,’ শান্ত গলায় বলল কুয়াশা। ‘এসেনের রাস্তায় নিশ্চয়ই আরেকটা গাড়ি অপেক্ষা করছে তোমার জন্য?’

    মুখ থেকে রক্ত সরে গেল ব্রুনার, কুয়াশার সন্দেহই ঠিক তোতলাতে তোতলাতে বলল, ‘আ… আমি…’

    ‘রিল্যাক্স। একেবারে শান্ত-সুবোধ মেয়ে হয়ে যাবে, তা আশা করিনি আমি। কিন্তু এটাই তোমার লাস্ট চান্স।’ পা সরিয়ে আনল কুয়াশা। ‘ঠিকমত ড্রাইভ করো। ষাটের নীচে যেন না নামে স্পিড।’

    জঙ্গলের মাঝ দিয়ে কাঁচা রাস্তা ধরে দশ মাইল গেল লিমাজিন। এরপর একটা ওয়াই-জাংশান। ডানের পথ ধরতে চাইছিল ব্রুনা; কিন্তু স্টিয়ারিং ধরে আবার আগের পদ্ধতি অনুসরণ করল কুয়াশা, গাড়িকে ঘুরিয়ে নিল বাঁয়ের পথটাতে।

    ‘অ্যাকসিডেন্ট ঘটাবে তুমি!’ রাগী গলায় বলল ব্রুনা। ‘কোনদিকে যেতে চাও, সেটা আমাকে বললেই হয়!’

    ‘তোমাকে কিছুই বলতে বাধ্য নই আমি।’ জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল কুয়াশা। জঙ্গল ভেদ করে বেরিয়ে এসেছে লিমা জিন দু’পাশে এখন ফসলের খেত, কোথাও কোথাও ফাঁকা মাঠ। সামনের একটা খালি জায়গার দিকে আঙুল তাক করল। ‘রাস্তা থেকে নামো। ওখানে নিয়ে দাঁড় করাও গাড়ি।

    ‘কী?’

    পিস্তল উঁচু করে ব্রুনার কপালের পাশে ঠেকাল কুয়াশা। ‘এক কথা দু’বার বলতে পছন্দ করি না আমি।’

    স্টিয়ারিং ঘোরাল ব্রুনা। খালি জায়গাটায় পৌঁছে ব্রেক কষল। হাত বাড়িয়ে ইগনিশন বন্ধ করল কুয়াশা, চাবিটা খুলে নিয়ে পকেটে ভরল। পিস্তলের ইশারায় নামতে বলল বন্দিনীকে। নিজেও নামল। দু’জনে শুরু করল হাঁটতে। মাঠের মাঝখানে পৌঁছে থামল। মাথার উপরে উজ্জ্বল আলো ছড়াচ্ছে চাঁদ, দূরে একটা ফার্মহাউস চোখে পড়ল। কোনও আলো জ্বলছে না, সম্ভবত ঘুমিয়ে পড়েছে ওখানকার বাসিন্দারা।

    মৃদু হাওয়ায় ঢেউ উঠেছে গমের খেতে। সেদিকে তাকিয়ে নার্ভাস গলায় ব্রুনা জানতে চাইল, ‘এখানে কী?’

    ‘একটা পরীক্ষা হয়ে যাবে,’ শীতল গলায় বলল কুয়াশা। ‘দেখব, আদর্শের জন্য আত্মত্যাগ করবার সাহস আছে কি না তোমার।’

    ভয় দেখা দিল ব্রুনার চোখের তারায়। নার্ভাস গলায় বলল, ‘পাগলামি কোরো না, কুয়াশা। আমাকে কে খুন করে কোনও লাভ হবে না তোমার! অনেক এগিয়ে গেছি আমরা…. পৃথিবীর মঙ্গলের জন্যই বেঁচে থাকা দরকার এখন আমাদের।’

    ‘ভুল। খুনিদের হাতে কারও কোনদিন মঙ্গল হতে পারে না।’

    ‘কেন হবে না? খুনের মাধ্যমে যদি মন্দ লোকদেরকে সরিয়ে দেয়া যায়, সেটা মঙ্গল নয়? সময় আছে, কুয়াশা, যোগ দাও আমাদের সঙ্গে। জীবন বদলে যাবে তোমার।’

    ‘লোভনীয় প্রস্তাব। কিন্তু পুঃখিত, রাজি হতে পারছি না আমি।’

    ‘তা হলে নিজেরই ক্ষতি করছ। বলেছি তো, আমাদের কাছে আত্মসমর্পণ করা ছাড়া আর কোনও বিকল্প নেই তোমার হাতে…

    ‘ও হ্যাঁ… আমাকে চমকে দেবে বলেছিলে। কী সেটা?’

    ‘মাসুদ রানা মারা গেছে, কুয়াশা। ‘তুমি এখন একা!’

    সত্যি সত্যি চমকে উঠল কুয়াশা। এ কী শুনছে! রানা মারা গেছে? কখন? কীভাবে? তীক্ষ্ণ চোখে তাকাল ব্রুনার মুখের দিকে না, ধাপ্পা দিচ্ছে বলে মনে হলো না।

    ‘কোথায় মারা গেছে ও? কবে?’ শান্ত স্বরে জানতে চাইল ও।’

    ‘ওয়াশিংটনে। কয়েক দিন আগে… রক ক্রিক পার্কে।’

    ধন্দে পড়ে গেল কুয়াশা। যে ঘটনার কথা বলছে মহিলা, সেখানে ওর নিজেরও ভূমিকা ছিল। অ্যাডমিরাল হ্যামিলটনের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিল ও আর রানা। হামলা একটা চালানো হয়েছিল বটে, অ্যাডমিরালও আহত হয়েছেন, কিন্তু বহাল তবিয়তেই ফিরে এসেছে ওরা দু’জন। তা হলে …

    হঠাৎ বুঝতে পারল কুয়াশা, ভুল তথ্য দেয়া হয়েছে ব্রুনা ভরগেনকে? কে দিয়েছে। কেন? তবে কি ফেনিসের ভিতর থেকে কেউ সাহায্য করতে চাইছে ওদেরকে সেজন্যেই প্রচার করেছে রানার মৃত্যুর মিথ্যে সংবাদ? ব্যাপারটা খতিয়ে দেখা দরকার।

    ওর নীরবতার ভুল অর্থ করল ব্রুনা। নার্ভাসনেস দূর হয়ে গেল চেহারা থেকে। বলল, ‘বুঝতেই পারছ, তুমি একা। কিছুই করতে পারবে না আমাদের বিরুদ্ধে। শত্রুতা ভুলে গিয়ে হাত মেলালেই ভাল করবে। তুমি একটা প্রতিভা, কুয়াশা। তোমার মত লোকের প্রয়োজন আছে আমাদের সংগঠনে।’

    মুখ তুলে ওর দিকে তাকাল কুয়াশা। ঠিক আছে, একটু বাজিয়ে দেখা যাক। বলল, ‘হুম, মনে হচ্ছে ঠিক কথাই বলছ তুমি। কিন্তু আমাকে কনভিন্স করতে চাইলে কোনও কিছুই গোপন রাখা চলবে না। ফেনিস সম্পর্কে সবকিছু বলতে হবে তোমাকে। তোমাদের উদ্দেশ্য, কাজের ধারা, রাখাল বালকের পরিচয়… সব!’

    ‘অস্থির হবার কিছু নেই, ডার্লিং,’ হাসল ব্রুনা। একে একে কোট আর শার্টের বোতাম খুলল। কাপড় সরিয়ে দেখাল নিজের বুকের বৃত্তাকার উল্কি। আসলে প্রলোভিত করতে চাইছে শিকারকে। ‘এ-জিনিস যখন তোমার বুকেও শোভা পাবে, তখন মিলবে সব প্রশ্নের জবাব।’

    ‘গায়ে উল্কি করাবার আগ্রহ নেই আমার,’ চাঁছাছোলা গলায় জানাল কুয়াশা। ‘আমার কৌতূহল এখুনি মেটাতে হবে তোমাকে।’

    ‘গোঁয়ার্তুমি কোরো না…..’

    ব্রুনার কণ্ঠ চাপা পড়ে গেল ইঞ্জিনের ভারী আওয়াজে। কয়েক সেকেণ্ড পরেই চোখে পড়ল এক জোড়া হেডলাইট, রাস্তা ধরে গাছপালার আড়াল থেকে বেরিয়ে এসেছে একটা গাড়ি। লিমাজিনকে দেখতে পেয়ে দিক বদলাল, নেমে এল মাঠে। থামল পাশে গিয়ে। দরজা খুলে ঝটপট নামল চারটা ছায়ামূর্তি। সবার হাতে রাইফেলের অবয়ব দেখা গেল।

    ‘ওরা আমাদের খোঁজ পেয়ে গেছে,’ বলল ব্রুনা। ‘তোমার জবাব, কুয়াশা! বাঁচার কোনও উপায় নেই, বুঝতে পারছ নিশ্চয়ই? পিস্তলটা দিয়ে দাও আমাকে। আমার একটা আদেশে জীবন বদলে যেতে পারে তোমার। নইলে নিশ্চিত মৃত্যু!’

    শান্ত চোখে চারপাশ জরিপ করল কুয়াশা। গমখেতের মধ্যে কাভারের অভাব নেই। আলো-আঁধারিও যথেষ্ট সাহায্য করবে ওকে। পালিয়ে যেতে কষ্ট হবে না। ওটাই সঠিক পদক্ষেপ। কিন্তু কেন যেন নড়তে পারল না। ভাবছে ব্রুনার ভাষ্য নিয়ে। সত্যিই যদি ফেনিসের ভিতরে কোনও মিত্র থাকে, তার নাগাল পাওয়া দরকার। আর সেজন্যে একটাই পথ দেখতে পাচ্ছে।

    ‘কুইক!’ তাড়া দিল ব্রুনা। ‘তোমার সিদ্ধান্ত জানাও!’

    বড় শ্বাস নিল কুয়াশা। পিস্তলটা উল্টো করে ধরে বাড়িয়ে দিল ব্রুনার দিকে। বলল, ‘আমি রাজি। তোমার লোকদেরকে থামতে বলো।’

    ‘এতদিনে একটা বুদ্ধিমানের মত কাজ করলে,’ সন্তোষ ফুটল ব্রুনার কণ্ঠে। কুয়াশার হাত থেকে পিস্তল নিয়ে উল্টো ঘুরল। এগোল কয়েক পা। গলা চড়িয়ে বলল, ‘অ্যাই, থামো তোমরা। গুলি করবার দরকার নেই।’

    একটা ফ্ল্যাশলাইট জ্বলে উঠল, আলোকরশ্মি আছড়ে পড়ল মহিলার গায়ে। সঙ্গে সঙ্গে বুঝে গেল কুয়াশা কী ঘটতে চলেছে। ফ্ল্যাশলাইট নিয়ে ব্যস্ত মাত্র একজন, বাকি তিনজন ফ্রি। ওর গায়ে নয়, আলোটা ফেলা হয়েছে ব্রুনার গায়ে। একটাই অর্থ এর, নতুন আদেশ পেয়েছে খুনিরা। পাশের শস্যখেত লক্ষ্য করে ঝাঁপ দিল ও।

    পরমুহূর্তে আগুন ঝরাল ভিন রাইফেল। এক পশলা বুলেট ছুটে এল. অরক্ষিত ব্রুনা ভরগেনকে লক্ষ্য করে। বুক-পেট ছিন্নভিন্ন হয়ে গেল তার, ভারী শেলের আঘাতে ছিটকে পড়ল কয়েক হাত দূরে। প্রাণবায়ু বেরিয়ে গেছে দেহটা মাটি স্পর্শ করবার আগেই।

    আলো ঘুরে গেল কুয়াশার খোঁজে, একই সঙ্গে রাইফেলের নল। হামাগুড়ি দিতে দিতে আবারও গুলির আওয়াজ শুনল কুয়াশা, ওর চারপাশে ধুলো ওড়াল ব্যর্থ বুলেট। নিচুস্বরে ভাগ্যকে গাল দিয়ে উঠল ও। পিস্তলটা হাতছাড়া করা মোটেই উচিত হয়নি।

    কয়েক দফা গুলি ছুঁড়ে থেমে গেল খুনির দল। ধীরে ধীরে এগোল সামনে। সবার হাতেই এবার জ্বলে উঠেছে ফ্ল্যাশলাইট, খেতের মাঝখানে আলো ফেলে খুঁজছে কুয়াশাকে। মাঠের মাঝখানে ছোট একটা খোঁড়ল পেয়ে তাতে শরীর সেঁধাল কুয়াশা। গোড়া থেকে কয়েকটা গমগাছ উপড়ে এনে ঢেকে ফেলল দেহের উপরিভাগ। একটু পরেই শুনতে পেল পদশব্দ। ওর খুব কাছে এসে গেছে একজন খুনি।

    লোকটাকে পেরিয়ে যেতে দিল কুয়াশা, তারপর ভূতের মত উঠে দাঁড়াল পিছনে। শব্দ শুনে ঘোরার চেষ্টা করল খুনি, কিন্তু তার ‘আগেই বাম হাতের ভাঁজে তার গলা আটকে ফেলল ও। রাইফেল কেড়ে নেবার চেষ্টা করল না, তার বদলে লোকটার কোমরের হোলস্টার থেকে তুলে নিল পিস্তল। গোলমালের আভাস পেয়ে ঘুরতে শুরু করেছে বাকি তিনটে ফ্ল্যাশলাইট, বিন্দুমাত্র দেরি না করে গুলি করল ও! একবার… দু’বার … তিনবার!

    খুনিদের হাত থেকে সশব্দে এসে পড়ল ফ্ল্যাশলাইট আর রাইফেল… পিছু পিছু প্রাণহীন দেহ। হাতের ভাঁজে আটকানো লোকটার মাথার একপাশ আঁকড়ে ধরল কুয়াশা। প্রচণ্ড এক ঝটকায় মটকে দিল ঘাড়। অস্ফুট আর্তনাদ করল সে, যুক্তি দিতেই হুড়মুড় করে পড়ে গেল মাটিতে। থেমে গেছে হৃৎপিণ্ডের স্পন্দন।

    দীর্ঘশ্বাস ফেলল কুয়াশা। লম্বা কদম ফেলে হাঁটতে শুরু করল লিমাজিনের দিকে!

    .

    ঠিক চব্বিশ ঘণ্টা পর __ এয়ারলাইন্সের বিমানে দেখা গেল কুয়াশাকে, ইকোনমি ক্লাসের শেষ সারির একটা সিটে নিঃসঙ্গভাবে বসে আছে। আবারও নিয়েছে বৃদ্ধের ছদ্মবেশ। ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট কফি দিয়ে যাওয়ায় মৃদু স্বরে ধন্যবাদ জানাল, তারপর ডুবে গেল আপন চিন্তায়।

    আর একঘণ্টা পর প্যারিসে ল্যাও করবে ও। কর্সিকান মেয়েটার সঙ্গে দেখা করে যোগাযোগ করবে রানার সঙ্গে। আলাদাভাবে এগোনোর পালা শেষ। এ-মুহূর্তে একসঙ্গে কাজ করা দরকার ওদের। খুব দ্রুত ঘটছে সব ঘটনা। তাল মেলানোর জন্য ইংল্যাণ্ডে রানার সঙ্গে যোগ দিতে হবে ওকে।

    মারিয়া মাযোলা-র কাছ থেকে পাওয়া অতিধি-তালিকায় দুটো নাম ভেরিফাই করা হয়েছে বিয়ানি আর ভারাকিন। দু’জনের উত্তরাধিকারীই মৃত… খুন করা হয়েছে ওদের চোখের সামনে। পরিচয় ফাঁস হয়ে যাওয়ায় বলি দেয়া হয়েছে তাদেরকে। এদের মৃত্যু একটা ব্যাপার পরিষ্কার করে দিচ্ছে—কাউন্সিল-সদস্যদের বংশধররা খরচযোগ্য… ওরা মরে গেলেও কিছু যায় আসে না।- কাউন্ট বারেমির আদর্শের সত্যিকার উত্তরসূরি এখন অন্য কেউ… মার্সেলো বিয়াঞ্চি আর ব্রুনা ভরগেন তাদের বার্তাবাহক ছাড়া আর কিছু ছিল না। ওরা নিজেরাও হয়তো জানত না সেটা।

    কথা হলো, তালিকার শেষ দুই অতিথির বংশধর … ব্রিটেনের ফরেন সেক্রেটারি নাইজেল উইটিংহ্যাম এবং অ্যামেরিকান কংগ্রেসের সিনেটর ডেভিড ম্যাহোনি দ্য থার্ড-এর স্ট্যাটাস-ও একই ধরনের কি না। তাদের বুকেও কি পাওয়া যাবে বৃত্তাকার ওই উকি? এখন পর্যন্ত যা দেখেছে, তাতে তো মনে হচ্ছে ওটা অকালমৃত্যুর প্রতীক। __ প্রত্যেকেই মারা পড়েছে কুয়াশার চোখের সামনে।

    রানা এখন ইংল্যাণ্ডে তদন্ত করছে। অথচ ওর-ই মৃত্যুর খবর ‘ছড়িয়ে দেয়া হয়েছে ফেনিস-সদস্যদের মধ্যে। কেন? কী উদ্দেশ্যে? কে চেষ্টা করছে রানাকে বাঁচাবার?

    যতই ভাবছে, ততই খোঁট পাকিয়ে যাচ্ছে সবকিছু। পরিষ্কার বুঝতে পারছে কুয়াশা, এসব প্রশ্নের জবাব পেতে চাইলে রাখাল বালক নামের ওই রহস্যময় লোকটার কাছে পৌঁছুতে হবে ওদেরকে। কিন্তু এখন পর্যন্ত সেদিকে এক কদমও এগোতে পারেনি ওরা। হতাশা অনুভব করল ও।

    কফি শেষ করে কাপ নামিয়ে রাখল কুয়াশা। চোখ ফেরাল পাশে। আইলের ওপাশের সিটে বসেছে এসেনের এক ব্যবসায়ী। ঘুমিয়ে গেছে লোকটা, কোলের উপর পড়ে আছে আজকের খবরের কাগজ। ওটার উপরে ক্ষণিকের জন্য দৃষ্টি আটকাল কুয়াশার, পরমুহূর্তে ছলকে উঠল বুকের রক্ত। তাড়াতাড়ি হাত বাড়িয়ে টেনে নিল কাগজটা।

    প্রথম পাতার নীচদিকে ছাপা হয়েছে হাইনরিখ বোহ্‌লের হাস্যোজ্জ্বল ছবি। সঙ্গে শিরোনাম : অ্যাডভোকেট মার্ডারড্! তাড়াতাড়ি পড়ল খবরটা।

    গতকাল রাত দশটায় অফিস থেকে বাড়ি ফেরার পথে খুন হয়েছেন বিশিষ্ট আইনজীবী হাইনরিখ বোহ্‌ল। পথরোধ করে তাঁর গাড়ি থামায় অজ্ঞাতনামা আততায়ী, উপর্যুপরি গুলি চালায় তাঁর বুকে-পেটে। হাসপাতালে নেবার পর ডাক্তার তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এ ঘটনাকে পুরনো শত্রুতার জের বলে ধারণা করছে, তবে বিস্তারিত তদন্তের আগে কোনও ধরনের মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে তারা…

    তীব্র অনুশোচনায় মাথা নাড়ল কুয়াশা। গতকাল স্ট্যাডওয়ান্ড থেকে ফেরার পর কয়েক দফা ফোন করেছিল ও বোলের কাছে; একবারও রিসিভ করা হয়নি সেই ফোন। শেষ পর্যন্ত ভয়েস মেইলে মেসেজ দিয়ে রেখেছিল…. সতর্ক করে দিয়েছিল তাকে। এখন বুঝতে পারছে, অযথাই চেষ্টা করেছে; হল অভ রেকর্ডস থেকে বাড়িই ফিরতে পারেনি বেচারা, পথেই শিকার হয়েছে ফেনিসের আততায়ীদের। ওর জন্য… শুধু ওরই জন্য মারা গেল আরেকজন নিরপরাধ মানুষ। সাহায্য চাইতে গিয়ে ও-ই তো মৃত্যুর মুখে ঠেলে দিয়েছে বোহ্‌লকে!

    নিজেকে একেবারে অসহায় মনে হলো কুয়াশার। ফেনিসকে মনে হলো পৌরাণিক কোনও দানব… একটা মাথা কাটলে বেরিয়ে আসছে দশটা মাথা। কীভাবে লড়বে এই দানবের সঙ্গে? আদৌ কি একে পরাস্ত করা সম্ভব?

    সময়ই তা বলে দেবে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }