Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প322 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই কুয়াশা ২.১৭

    সতেরো

    প্রফেসর স্যাণ্ডার্সের বাড়ি থেকে তড়িঘড়ি করে বেরিয়ে এল রানা। বেরুনোর আগে ম্যাহোনি পরিবার সম্পর্কে আরও দু-চারটে প্রশ্ন করেছে, তারপর উঠে পড়েছে ধন্যবাদ জানিয়ে। ওর এই অকস্মাৎ প্রস্থানে দুই বৃদ্ধ-বৃদ্ধা হয়তো অবাক হলেন, কিন্তু তাতে কিছু যায়-আসে না। যা জানা দরকার, তা জেনে গেছে… এরপর আর ওখানে সময় নষ্ট করবার মানে হয় না।

    সাইডও অক ধরে দ্রুত হাঁটতে থাকল হাঁটতে থাকল ও—উত্তেজিত, পারিপার্শ্বিক অবস্থা সম্পর্কে সচেতন নয়। বৃষ্টির ছাঁটে গা ভিজে যাচ্ছে, পরোয়া করছে না। পেয়েছে… অবশেষে ফেনিসের মূল ব্যক্তিটির খোঁজ পেয়েছে ও! এখন শুধু ভেবে বের করতে হবে, কীভাবে তাকে ঘায়েল করা যায়।

    একটা ব্যাপার পরিষ্কার, সিনেটর ডেভিড ম্যাহোনিকে আতঙ্কগ্রস্ত করবার মত অস্ত্র পেয়ে গেছে রানা। কিচ্ছু না, শুধু ওয়াশিংটনে ভদ্রলোকের কাছে একটা ফোন করতে হবে ওকে-বর্ণনা করতে হবে পঁচাত্তর বছর আগেকার একটা মিটিঙের বিবরণ। ঊনিশশো ছত্রিশের চৌঠা এপ্রিলের সেই মিটিং, বারেমি ভিলায় যেটাতে অংশ নিয়েছিল তার পিতামহ। কী বলবে তখন সিনেটর। অস্বীকার করতে পারবে, এত বছর ধরে একটা গুপ্তসংঘের সঙ্গে নিজের পরিবারের সংশ্লিষ্টতার কথা? এ তো বোঝাই যাচ্ছে, রাখাল বালকের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ রাখছে সে-কারণ লোকটাকে ওরাই আজকের অবস্থানে পৌঁছতে সাহায্য করেছে।

    খানিক ভেবেচিন্তে সরাসরি এগোনোর চিন্তা বাতিল করে দিল রানা। এখন পর্যন্ত এ-কৌশলে কোনও কাজ হয়নি। তা ছাড়া ডেভিড ম্যাহোনি ফেনিসের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হতে চলেছে সে, তাকে রক্ষার জন্য হাজারটা পন্থা অবলম্বন করবে ওরা। রানার হাতে কোনও প্রমাণ নেই তার বিরুদ্ধে। জনসমক্ষে তার মুখোশ খুলতে চাইলে নিরেট তথ্য-প্রমাণ চাই।

    তারমানে আরও গভীরে যেতে হবে ওকে

    বাইরে যা দেখা যাচ্ছে, তা ডেভিড ম্যাহোনির আসল চরিত্র নয়। সময় নিয়ে… অত্যন্ত সুকৌশলে তাকে জনগণের সামনে পছন্দনীয় করে তোলা হয়েছে। উপসাগরীয় যুদ্ধের ওসব বীরত্ব কি তা হলে শুধুই কাহিনি? হাসপাতালের সামনে শত শত মানুষ জড়ো করা হয়েছিল কি টাকার বিনিময়ে? একেবারে অবাস্তব নয় চিন্তাটা। কাউকে জনপ্রিয় করে তুলবার জন্য এ-ধরনের নাটক অতীতে বহুবার করা হয়েছে। দক্ষ পরিচালকের হাতে সেই নাটক চরম সাফল্য অর্জন করতে পারে।

    এর মানে দাঁড়াচ্ছে, আসলে বীর নয় ম্যাহোনি, স্রেফ একটা পুতুল। তাকে দুনিয়ার সবচেয়ে ক্ষমতাবান মানুষের পদে বসিয়ে নিজেদের অশুভ উদ্দেশ্য হাসিল করতে চাইছে জিয়োভানি গুইদেরোনি ও তার গুপ্তসংঘ। তাদের পরিকল্পনা ব্যর্থ করে দিতে চাইলে ম্যাহোনির নাগাল পেতে হবে কিন্তু কীভাবে?

    চলে আসবার আগে প্রফেসর স্যান্ডার্সের কাছ থেকে সিনেটরের ব্যাপারে বিস্তারিত জেনে এসেছে রানা। কনকর্ডে তাঁর সরকারি আবাস, কিন্তু সেখানে শুধু গ্রীষ্মের সময়টা কাটান তিনি ও তাঁর পরিবার। পিতা ডেভিড ম্যাহোনি জুনিয়র মারা গেছেন বেশ ক’বছর আগে। এরপর তাঁর বিধবা মায়ের কাছ থেকে চড়া দামে ম্যাহোনি হল কিনে নিয়েছেন জিয়োভান্নি গুইদেরোনি; ম্যাহোনি পরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা দেখিয়ে কথা দিয়েছেন, ভবনের নাম বদলানো হবে না। বৃদ্ধা মিসেস ম্যাহোনি এখন বিকন হিলে থাকেন—লুইসবার্গ স্কয়্যারের পুরনো একটা ব্রাউনস্টোন বিল্ডিং ওটা। বয়স সত্তরের উপরে, নিভৃতচারী।

    কিছু কি জানা যাবে ওই বৃদ্ধার কাছ থেকে? পরিবারের মহিলারা সাধারণত গোপন তথ্যের বিশাল উৎস… এমন সব ব্যাপার জানা থাকে তাঁদের, যা ঘনিষ্ঠ পুরুষ আত্মীয়রাও বলতে পারে না। কথা বলা যায় না মিসেস ম্যাহোনির সঙ্গে? বাড়িটায় পাহারা থাকতে পারে, তবে রানা নিশ্চিত-সে-পাহারা খুব কড়া হবে না। নানা দিক চিন্তা করে তার সঙ্গে দেখা করবার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল রানা। রিটজ কার্লটনে ওঠার আগে সিনেটর ডেভিড ম্যাহোনির ব্যাপারে সবকিছু জেনে নিতে হবে ওকে।

    .

    চেস্টনাট স্ট্রিট থেকে লুইসবার্গ স্কয়্যারে যাবার ঢালু রাস্তাটা একেবারে নির্জন। মনে হয় যেন কোলাহলমুখর দুনিয়া থেকে আলাদা কোনও জগতে যাবার পথ ওটা। উজ্জ্বল নিয়ন-আলোর স্থান নেই ওখানে, তার বদলে মিটমিট করে জ্বলছে পুরনো আমলের গ্যাসবাতি। কবলস্টোনে গড়া রাস্তা আর চতুর একেবারে ধুলোবালি-হীন : স্কয়্যারে পৌছুনোর পর ছায়ার আড়ালে চলে গেল রানা। একটা বিনকিউলার কিনে এনেছে, ওটা চোখে লাগিয়ে তাকাল রাস্তার ধারে পার্ক করা গাড়ির সারির দিকে। নজরদারির জন্য ওসব গাড়ি আদর্শ, ভিতরে বসে অনায়াসেই কয়েক ঘণ্টা চোখ রাখা যায় লক্ষ্যবস্তুর দিকে।

    কিন্তু না, কেউ নেই কোনও গাড়িতে।

    বিনকিউলার কোটের ভিতরে লুকিয়ে ফেলল রানা, হাঁটতে শুরু করল।  ব্রাউনস্টোনে গড়া মিসেস ম্যাহোনির বাড়ির দিকে। আশপাশের ইমারতগুলোর চেয়ে ব্যতিক্রম ওটা—নির্মাণশৈলী রাজকীয় ধাঁচের। চারপাশে রয়েছে খোলা জায়গা আর ফুলের বাগান। রাত নামায় তাপমাত্রা কমে গেছে, ঠাণ্ডা বাতাসে বার বার কেঁপে উঠছে বাড়ির বাইরে লাগানো গ্যাসবাতির শিখা।

    নুড়িপাথরের ওয়াকওয়ে ধরে লন পেরুল রানা, সিঁড়ি ধরে উঠে এল ফ্রন্ট পোর্চে। দরজায় দাঁড়িয়ে কলিং বেল বাজাল। বাড়ির ভিতরে শোনা গেল জলতরঙ্গের আবছা আওয়াজ, একটু পর ওপাশে প্রকট হয়ে উঠল পদশব্দ। একটু অস্বস্তি বোধ করল রানা, পোচটা বড্ড আলোকিত। ছায়া থাকলে ভাল হতো, ওর চেহারা দেখা যেত না। আশঙ্কাটা যুক্তিযুক্ত বলে প্রমাণিত হলো কয়েক সেকেণ্ড পরেই।

    ছিটকিনি নামানোর শব্দ পেল রানা, তারপর খুলে গেল দরজা। অল্পবয়েসী একটা মেয়ে উদয় হয়েছে চৌকাঠের ওপাশে, পরনে নার্সের ইউনিফর্ম : ওকে দেখেই চমকে উঠল চকিতের জন্য, পরমুহূর্তে সামলে নিল নিজেকে। কিন্তু যা বোঝার বুঝে গেছে রানা—ওকে চিনে ফেলেছে মেয়েটা।

    ‘ইয়েস?’ গলা যথাসম্ভব স্বাভাবিক রেখে প্রশ্ন করল নার্স

    ‘মিসেস ম্যাহোনি আছেন?’

    দুঃখিত, শুয়ে পড়েছেন উনি।’

    দরজা বন্ধ করে দেবার চেষ্টা করল নার্স, কিন্তু পারল না। রানা এক পা ঢুকিয়ে দিয়েছে চৌকাঠের মাঝখানে কঁধ দিয়ে সজোরে ধাক্কা দিল পাল্লায়, মেয়েটা পিছন দিকে ছিটকে যেতেই ঢুকে পড়ল বাড়ির ভিতরে।

    তুমি ধরা পড়ে গেছ, ডিয়ার!’ বলল রানা।

    হিংস্রতা ফুটল নার্সের সাদাসিধে চেহারায়, দ্রুত হাত ঢোকাতে চেষ্টা করল ইউনিফর্মের পকেটে, কিন্তু রানা বাধা দেয়ায় ব্যর্থ হলো। খপ্ করে একহাতে মেয়েটার কবজি চেপে ধরল ও, আরেক হাতে ধরল গলা। এক ঝটকায় তাকে মেঝে থেকে শূন্যে তুলল, তারপর আছড়ে ফেলল মেঝেতে।

    ব্যথায় চেঁচিয়ে উঠল নার্স, তবে সেই চিৎকার হলো ক্ষণস্থায়ী। গায়ের উপর চড়ে বসেছে রানা, গলায় চাপ বাড়তেই চোখ উল্টে ফেলল, বাতাসের অভাবে ছটফট করতে লাগল রানার দেহের তলায়। নিষ্ঠুরের মত গলাটা ধরে রাখল রানা, চাইলে শ্বাসরুদ্ধ করে মেরে ফেলতে পারবে, তবে অতদূর যাবার ইচ্ছে নেই ওর। মেয়েটা অজ্ঞান হয়ে গেলে হাত সরাল, দেখে নিল পালস্, তারপর সরে এল দেহের উপর থেকে।

    সতর্ক দৃষ্টিতে আশপাশে তাকাল রানা, বাড়িতে আরও লোক থাকতে পারে। মেয়েটার চিৎকারে ছুটে আসে কি না, সেটাই দেখার বিষয়। তবে কয়েক সেকেণ্ড পেরিয়ে যাবার পরও কিছু ঘটল না। না শোনা গেল উত্তেজিত কণ্ঠ, না শোনা গেল পায়ের আওয়াজ। স্বস্তির শ্বাস ফেলল ও, মনোযোগ দিল নার্সের দিকে। শরীরতল্লাশি করে পকেটের ভিতর থেকে একটা রিভলভার বেরুল। ওটাই বের করে আনার চেষ্টা করছিল সে।

    মিসেস ম্যাহোনির কোনও সাড়াশব্দ পাওয়া যাচ্ছে না। পুরো বাড়িতে থম থম করছে নিস্তব্ধতা। নার্সের কথাই কি তবে ঠিক? সত্যিই ঘুমিয়ে পড়েছেন তিনি? খোঁজ নেবে রানা, তবে তার আগে একটা ব্যাপারে নিশ্চিত হয়ে নেয়া প্রয়োজন।

    মেয়েটার ইউনিফর্মের বোতাম খুলে ফেলল ও, অনাবৃত করল ঊর্ধ্বাঙ্গ। তারপর তীক্ষ্ণ চোখে দেখল বুকটা। দুই স্তনের মাঝখানে, ব্রেসিয়ারের ঠিক নীচে জ্বলজ্বল করছে একটা বৃত্তাকার উল্কি- ফেনিসের চিহ্ন।

    হঠাৎ… উপর থেকে একটা মোটরের গুঞ্জন ভেসে এল। লাফ দিয়ে অজ্ঞান নার্সের কাছ থেকে সরে গেল রানা, সিঁড়ির ছায়ায় লুকিয়ে পিস্তল তাক করল ওদিকে। একটু পরেই মাঝখানের ল্যাণ্ডিং পেরিয়ে উদয় হলেন এক বৃদ্ধা। সাদা রঙের চেয়ার-লিফটে বসে আছেন, দেয়ালের সঙ্গে বসানো গার্ড-রেইল বেয়ে নেমে আসছে ওটা। পরনে উঁচু কলারঅলা গাউন। বলিরেখায় জর্জরিত মুখ। যখন কথা বললেন, শোনা গেল খনখনে গলা।

    ‘যদি ডাকাতি করতে এসে থাকো, বলার কিছু নেই। তবে উদ্দেশ্য যদি সেক্সুয়াল হয়ে থাকে, তা হলে তোমার বিচারবুদ্ধি নিয়ে প্রশ্ন করতে বাধ্য হচ্ছি, ইয়াং ম্যান।’

    মাতাল হয়ে আছেন মিসেস ম্যাহোনি। হাবভাবে মনে হলো, বহু বছর থেকেই এমন মাতাল তিনি।

    ছায়া থেকে বেরিয়ে এল রানা। বলল, ‘আমার একমাত্র উদ্দেশ্য-আপনার সঙ্গে দেখা করা, ম্যা’ম। এই মেয়েটা আমাকে বাধা দেয়ার চেষ্টা করেছিল, তাই আত্মরক্ষা করতে বাধ্য হয়েছি। ওর শরীরে লুকানো অস্ত্র আছে কি না, তা-ই চেক করে দেখছিলাম। আসলে আমি একজন প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর, চাইলে আমার আই.ডি. দেখাতে পারি আপনাকে।’

    হাত নাড়লেন মিসেস ম্যাহোনি। ‘দরকার নেই। তুমি কে, তাতে কিছু আসে যায় না।’ চেয়ার-লিফট পৌঁছে গেছে গ্রাউণ্ড ফ্লোরে। নেমে পড়লেন। দুর্বল পয়ে হাটতে হাটতে বললেন, ‘কাজ শেষ করো, লিভিংরুমে পাবে আমাকে।’

    নার্সের ইউনিফর্মের বোতাম লাগিয়ে দিল রানা, তারপর অজ্ঞান দেহটা কাঁধে তুলে নিয়ে গেল সিঁড়ির তলার স্টোররুমে। ভিতরে ঢুকে মেয়েটার হাত-পা বাঁধল স্টোররুমে পাওয়া দড়ি দিয়ে। মুখে গুঁজে দিল রুমাল। ওকে ওখানেই ফেলে রেখে বেরিয়ে আটকে দিল দরজা। তারপর পা বাড়াল মিসেস ম্যাহোনির সঙ্গে দেখা করতে।

    লিভিংরুমের ভিতরটা যেন মদ্যশালা। দুদিকের দেয়াল ঢাকা পড়ে আছে হাজারো তাক-অলা শেলফ আর করুকাজে ভরা কাঠের কাউন্টারে, সবখানে শোভা পাচ্ছে হরেক প্রকার মদের বোতল। যে-কোনও অ্যালকোহলিকের স্বর্গরাজ্য। পিঠ-উঁচু একটা সোফায় বসেছেন মিসেস ম্যাহোনি, হাতে মদের গ্লাস। নাগালের মধ্যে আছে অন্তত আরও চারটে বোতল।

    ‘বি মাই গেস্ট।’ রানা ভিতরে ঢুকতেই নিজের সংগ্রহের দিকে ইশারা করলেন বৃদ্ধা

    ‘না, ধন্যবাদ।’ ড্রিঙ্ক নিল না রারা। এগিয়ে গেল মিসেস ম্যাহোনির দিকে। জ্ঞান ফিরলে একটা কে পাবে আপনার নার্স- অযথা যার-তার দিকে যেন অস্ত্র তাক না করে। খুব অদ্ভুত কায়দায় আপনার সেবা করছে ও মিসেস ম্যাহোনি।’

    ‘অদ্ভুত তো বটেই,’ স্বীকার করলেন বৃদ্ধা। ‘কিন্তু যেহেতু ব্যর্থ হয়েছে ও, দয়া করে জানতে পারি, কে তুমি? কেন আমার সঙ্গে দেখা করতে এসেছ?’

    ‘বসে বলি?’

    ‘প্লিজ!’

    একটা চেয়ার টেনে বৃদ্ধার মুখোমুখি বসল রানা। ‘আমার নাম মাসুদ রানা-রানা ইনভেস্টিগেশন এজেন্সির ডিরেক্টর। ভুয়া পরিচয় দেয়ার প্রয়োজন মনে করছে না। নার্সের মাধ্যমে ওর সত্যিকার পরিচয় এমনিতেই ফাঁস হতে চলেছে। ‘কিছুদিন আগে একটা কেস নিয়ে তদন্ত করতে গিয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধের সঙ্গে আপনার ছেলের সম্পৃক্ততার কথা জানতে পেরেছি…’

    ‘তাই নাকি?’ হেসে উঠলেন মিসেস ম্যাহোনি। ‘ভারি মজার ব্যাপার তো!’

    ‘দুঃখিত, ম্যা’ম। ব্যাপারটা হালকা চোখে দেখবার অবকাশ নেই।’

    ‘ভণিতা না করে আসল কথা বলো, ইয়াং ম্যান।’

    ফেনিসের নাম উচ্চারণ করল না রানা, তবে ওদের মতই একটা সংগঠনের কথা বলল মিসেস ম্যাহোনিকে। সারাক্ষণ যাচাই করল তাঁর প্রতিক্রিয়া। কিন্তু এমন কিছু দেখল না, যাতে মনে হতে পারে- ফেনিস সম্পর্কে তিনি সচেতন। শেষে যোগ করল, ইয়োরোপ থেকে পাকা খবর পেয়েছি আমরা, মিসেস ম্যাহোনি। ওটা জনসমক্ষে প্রচার করবার আগে সত্য-মিথ্যা পরখ করে নিতে চাই। বুঝতেই পারছেন, এ-খবর ফাঁস হলে সিনেটর ম্যাহোনির অনেক ক্ষতি হবে।’

    তাচ্ছিল্যের একটা হাসি ফুটল বৃদ্ধার ঠোঁটে। ‘বোকার স্বর্গে বাস করছ তুমি, ইয়ং মান কিছুই সিনেটরকে স্পর্শ করতে পারবে না। সামনের নির্বাচনে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট হতে চলেছে ও, এটা জানো না? সবাই বলছে এ-কথা… সবাই তা চায়ও।’

    ‘কিন্তু এ-ধরনের একটা স্ক্যাণ্ডাল সে-সম্ভাবনা ভেস্তে দিতে পারে,’ জোর দিয়ে বলল রানা। প্লিজ, ম্যাম, আমাকে জানতে হবে—রাজনীতিতে নামার আগে আপনার ছেলে পারিবারিক ব্যবসায় কতখানি সক্রিয় ছিলেন? আপনার স্বামীর সঙ্গে কখনও কি তিনি ইয়োরোপে যেতেন? বস্টনে তাঁর সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ বন্ধু কারা ছিল? ম্যাহোনি হলে কারা দেখা করতে আসত তাঁর সঙ্গে?’

    ‘ম্যাহোনি হল?’ যেন স্মৃতির সাগরে ভেসে গেলেন বৃদ্ধা। ‘বস্টনের সবচেয়ে সুন্দর জায়গা ছিল ওটা… জানালা দিয়ে দেখা যেত পুরো শহরটাকে। আমার শ্বশুর তৈরি করেছিলেন বাড়িটা, প্রায় একশো বছর আগে। আহা, কী চমৎকার ছিল সেসব দিন…’

    ‘মিসেস ম্যাহোনি,’ ভদ্রমহিলাকে বাস্তবে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করল রানা, ‘আপনার ছেলে যখন গালফ ওঅর থেকে ফিরল…’

    ‘ওই যুদ্ধ নিয়ে আলোচনা করি না আমরা!’ রূঢ় গলায় ওকে থামিয়ে দিলেন বৃদ্ধা। চেহারায় মেঘ জমেছে। আলোচনা করা বারণ।’

    ‘কেন?’

    জবাব না দিয়ে পাল্টা প্রশ্ন ছুঁড়লেন বৃদ্ধা। সত্যি করে বলো তো, ওই নার্স তোমাকে আক্রমণ করেছিল কেন? কী বলেছিলে ওকে তুমি?’

    ‘তেমন কিছুই না। এটুকুই যে, আপনার খোঁজ নিতে সিনেটর ম্যাহোনি পাঠিয়েছেন আমাকে।’

    হেসে উঠলেন মিসেস ম্যাহোনি। ‘আগে বলবে তো! তোমাকে ঠেকাবার চেষ্টা তো করবেই মেয়েটা।’

    ‘এসবের জন্য? চারপাশে শোভা পেতে থাকা মদের সংগ্রহ দেখাল রানা। ‘আপনাকে মাতাল অবস্থায় দেখতে দিতে চাইছিল না? ভাবছিল ওতে সিনেটর অসন্তুষ্ট হবেন?’

    ‘বোকার মত কথা বোলো না। ও বুঝতে পেরেছিল, ‘তুমি মিথ্যে কথা বলছ।‘

    ‘মিথ্যে?’

    ‘অবশ্যই! সিনেটর আমার সঙ্গে দেখা-সাক্ষাৎই করে না… খোঁজখবর নেয়া তো অনেক পরের কথা। আজ পর্যন্ত একবারও এ-বাড়িতে পা রাখেনি সে। শেষবার একান্তে আমাদের দেখা হয়েছে আট বছর আগে… আমার স্বামীর শেষকৃত্যে। এখন মা-ছেলে একত্রে দেখা দিই শুধু মিডিয়ার সামনে… ছবি তোলার জন্য। কথা বলি না কেউ কারও সঙ্গে। তা ছাড়া, ওসব অনুষ্ঠানে যাবার আগে ডাক্তারের কাছে পাঠানো হয় আমাকে; ওষুধ খাইয়ে স্বাভাবিক বানানো হয় আফটার অল, লোকের সামনে হবু প্রেসিডেন্টের মা মাতলামি করলে চলবে কেমন করে?’

    ‘আপনাদের সম্পর্কের এমন অবনতি হয়েছে কীভাবে, জানতে পারি?’

    ‘উঁহু, ওসব আমি বলতে পারব না। তবে তুমি যে-ফালতু অভিযোগের তদন্ত করতে এসেছ, তার সঙ্গে ওসবের সম্পর্ক নেই।’

    ‘যুদ্ধের ব্যাপারে আলোচনা বারণ বললেন কেন?’

    ‘খোঁচাখুঁচি বন্ধ করো, বাছা। আগুন নিয়ে খেলছ তুমি!’ সাবধান করলেন মিসেস ম্যাহোনি। কাঁপছেন তিনি, হাত থেকে পড়ে গেল গ্লাস। ঝুঁকে ওটা তুলে নিল রানা।

    ‘খারাপ লাগছে আপনার?’ জিজ্ঞেস করল ও।

    ‘ন… না। কিছু মনে না করলে আমাকে আরেকটা ড্রিঙ্ক এনে দেবে?

    ‘নিশ্চয়ই।’

    বারের কাছে গিয়ে নতুন একটা গ্লাস নিল রানা। তাতে ব্র্যাণ্ডি নিয়ে ফিরে এল বৃদ্ধার কাছে। তাঁর হাতে তুলে দিল।

    ‘আমাকে জানতে হবে, ম্যাম,’ বলল রানা। যুদ্ধ নিয়ে কেন কথা বলতে চান না আপনি?’

    ‘বাজে একটা বিষয়, এটাই কি কারণ হিসেবে যথেষ্ট নয়?’

    ‘উঁহুঁ। আমি নিজেও বহু যুদ্ধে অংশ নিয়েছি, অভিজ্ঞতার অভাব নেই। যুদ্ধ-টুদ্ধ নিয়ে আলাপ করার জন্য আমার চেয়ে উপযুক্ত মানুষ আপনি আর পাবেন না।

    ‘তা-ই? যুদ্ধে শুধু প্রাণ যায় না মানুষের, বেঁচে থেকেও সত্তা হারায় তারা—তোমার বেলাতে ঘটেছে এমন কিছু?

    ‘কীসের কথা বলছেন?’

    ‘পরিবর্তন, ইয়াং ম্যান। যুদ্ধ মানুষকে বদলে দেয়! তুমি বদলাওনি?’

    ‘হ্যাঁ, বদলেছি,‘ স্বীকার করল রানা। ‘আপনার ছেলের বেলাতেও কি তেমন কিছু ঘটেছে?’

    মাথা ঝাঁকালেন মিসেস ম্যাহোনি। ‘ডাক্তাররা বলেছিল, যুদ্ধের ভয়াবহ অভিজ্ঞতা পাল্টে দিয়েছে আমার ছেলেকে। আমূল বদলে গেছে ও…’

    ‘কী ধরনের পরিবর্তন?’

    ‘না… ওসব নিয়ে কথা বলা বারণ। আমি বলতে পারব না!’

    ‘প্লিজ, মিসেস ম্যাহোনি!’ অনুরোধ করল রানা। ‘বলুন মাকে। জানতে চাই আমি। হয়তো সাহায্য করতে পারব সিনেটরকে।‘

    মলিন হাসি ফুটল বৃদ্ধার ঠোঁটে কীভাবে সাহায্য করবে? কোনও আশাই তো নেই। ভিতরটা বদলে গেছে ওর… এতটা বেশি, তা এখন আর ঠিক করার উপায় নেই। বাইরে থেকে যা দেখে লোকে, তা শুধুই এক মুখোশ। কিন্তু এমন ছিল না ও! কত্তো ভাল একটা ছেলে ছিল আমার ডেভিড… বুক ভরা ভালবাসা ছিল ওর, ছিল সবার জন্য দরদ। অথচ যুদ্ধে গিয়ে সব হারিয়ে গেল।’ চোখ থেকে অশ্রু নেমে এল তাঁর। মা হয়েও কিছুই করার ছিল না আমার…’

    ‘কেন? কী করেছিলেন তিনি?’

    ‘জানি না, বুঝতে পারিনি। কিন্তু হাসপাতাল থেকে ফেরার পরে একেবারে অন্য মানুষে পরিণত হলো ও। শীতল, প্রাণহীন। ভালবাসা বলে কিছুর অস্তিত্ব ছিল না ওর মাঝে। আমার কাছ থেকে দূরে সরে গেল কোনও কারণ ছাড়া। বেঁচে থাকার পরও একমাত্র সন্তানকে হারালাম আমি। হতাশায় মদ খেতে শুরু করলাম…’ ফুঁপিয়ে উঠলেন মিসেস ম্যাহোনি।

    এগিয়ে গিয়ে তাঁর কাঁধে হাত রাখল রানা। নীরবে সান্ত্বনা দিল।

    ভেজা চোখে ওর দিকে তাকালেন বৃদ্ধা। ‘থ্যাঙ্ক ইউ, ইয়াং ম্যান।‘

    মাথা ঝোঁকাল রানা।

    নিজেকে একটু সামলে নিলেন মিসেস ম্যাহোনি। গাউনের হাতা দিয়ে চোখ মুছলেন। তারপর বললেন, ‘হয়তো অবাক হবে, কিন্তু এখনও আশা ছাড়িনি আমি। আজও বাড়ির একটা কামরা ওর জন্য আলাদা করে রেখেছি। সাজিয়ে রেখেছি ওর-ই জিনিসপত্র দিয়ে—ঠিক যেভাবে বহু বছর আগে ঘর ছাড়ার সময় রেখে গিয়েছিল ও।‘

    হাঁটু গেড়ে তাঁর সামনে বসল রানা। ‘মিসেস ম্যাহোনি, ওই কামরাটা আমি দেখতে পারি? প্লিজ?’

    উচিত হবে না, দ্বিধা করলেন বৃদ্ধা। ‘আমার ছেলের কামরা… ওর অনুমতি ছাড়া কীভাবে কাউকে ঢুকতে দিই? ওই কামরাই তো ডেভিডের একমাত্র স্মৃতি… আমার লক্ষ্মী, মিষ্টি ডেভিডের!’

    ‘আমি কোনও অসম্মান করব না তার স্মৃতির,’ নরম গলায় বলল রানা। ‘একবার… শুধু একবার দেখব কামরাটা। মনের ভিতর এমন তাগিদ অনুভব করছে কেন, তা ও নিজেও জানে না।

    কয়েক মুহূর্ত ওর চোখের দিকে স্থিরদৃষ্টিতে তাকিয়ে রইলেন মিসেস ম্যাহোনি! তারপর দীর্ঘশ্বাস ফেলে বললেন, ‘তোমাকে কেন যেন খুব আপন মনে হচ্ছে, বাছা। ডেভিডের ছায়া দেখতে পাচ্ছি তোমার মাঝে। ঠিক আছে, চলো। আমাকে আমার চেয়ার-লিফট পর্যন্ত পৌঁছে দাও। কামরাটা ওপরতলায়।’

    কয়েক মিনিট পরেই দোতলার করিডোর ধরে এগোল দু’জনে। বাড়ির শেষ মাথায়, বন্ধ একটা দরজার সামনে থামলেন বৃদ্ধা হাতল ঘোরাবার আগে বললেন, ‘কিছুতে হাত দিয়ো না। আমার ছেলে খুব গোছালো স্বভাবের। এলোমেলো জিনিস পছন্দ করে না।’

    ‘কথা দিলাম,’ মুখে হাসি এনে বলল রানা।

    দরজা খুলে কামরায় ঢুকল দু’জনে। অল্পবয়েসী তরুণের রুম যেমন হয়, ভিতরটা তেমনি। বিছানার পাশে রয়েছে পড়ার টেবিল, পুরনো আমলের নানা রকম পোস্টার ঝুলছে দেয়ালে। শেলফে শোভা পাচ্ছে নানা ধরনের খেলাধুলার পদক আর ট্রফি। টেবিলের উপর রয়েছে একটা মাইক্রোস্কোপ আর কেমিস্ট্রি সেট! এনসাইক্লোপিডিয়া ব্রিটানিকার একটা ভলিউমও খোলা অবস্থায় পড়ে আছে ওখানে। খোলা পাতায় আণ্ডারলাইন করা, মার্জিনে ছোট ছোট নোট। বেডসাইড টেবিলে কয়েকটা গল্পের বই আর ম্যাগাজিন। খাটের তলা থেকে উঁকি দিচ্ছে জুতো, স্যাণ্ডেল আর স্পোর্টস্ শু-র সারি। আলনায় ঝুলছে রঙচঙা শার্ট-প্যান্ট, জিন্স আর জ্যাকেট।

    অশুভ একটা অনুভূতি হলো রানার। এ-কামরার মালিক একজন জীবিত মানুষ, তাও সবকিছু সংরক্ষণ করা হয়েছে মৃতের প্রতি সম্মান জানানোর রীতিতে : অদ্ভুত ব্যাপার! পাশ ফিরে মিসেস ম্যাহোনির দিকে তাকাল— দেয়ালে ঝোলানো কতগুলো ফটোগ্রাফের উপর সেঁটে আছে তাঁর দৃষ্টি। ও-ও মনোযোগ দিল ওদিকে।

    ডেভিড ম্যাহোনি দ্য থার্ডের অল্পবয়েসের ছবি ওগুলো-একাকী, কিংবা বন্ধুবান্ধব নিয়ে তুলেছেন। মাঝখানের ছবিটা তোলা হয়েছে একটা সেইলবোটের ডেকে, পিছনের ব্যানার বলছে: মার্কেলহেড সেইলিং চ্যাম্পিয়নশিপ, ১৯৮৫। মোট চারজনকে দেখা যাচ্ছে ছবিতে – ম্যাহোনি এবং তাঁর তিন সঙ্গী। একেবারে গায়ে গা লাগিয়ে দাঁড়ানো ছেলেটার উপর আটকে গেল রানার দৃষ্টি। খালি গায়ে দাঁড়িয়ে আছে—দৈহিক গড়ন আর চেহারায় প্রচুর মিল আছে ম্যাহোনির সঙ্গে। তাড়াতাড়ি বাকি ছবিগুলো দেখল, বেশক টাতেই আছে এই ছেলে। সিনেটরের খুব ঘনিষ্ঠ ছিল নিঃসন্দেহে।

    ‘কে এই ছেলে?’ জানতে চাইল রানা। ‘চেহারা দেখে তো আত্মীয় মনে হচ্ছে।’

    ‘আত্মীয় নয়, তবে দু’ভাইয়ের মত বড় হয়েছে ওরা,’ উদাস গলায় বললেন মিসেস ম্যাহোনি। যুদ্ধেও যাবার কথা ছিল একসঙ্গে। কিন্তু আমার ডেভিডের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করে ও, পালিয়ে যায় ইয়োরোপে। আমার ছেলেকে একা যেতে হয় যুদ্ধে… বন্ধু ছাড়া, ভাই ছাড়া! যদি দুঃখকষ্ট শেয়ার করার জন্য কাউকে পেত, তা হলে হয়তো এভাবে বদলে যেত না ও! অবশ্য নিয়তিও প্রতিশোধ নিয়েছে ওর হঠকারিতার। গোস্তাদে স্কিইং করতে গিয়ে দুর্ঘটনায় মারা গেছে ও। সেই থেকে আর কোনোদিন ওর নাম উচ্চারণ করেনি আমার ছেলে।’

    ‘সেই থেকে? কবে সেটা?’

    ‘বিশ বছর আগে।’

    ‘কে ছিল এই ছেলে? কী ওর পরিচয়?’

    জানালেন মিসেস ম্যাহোনি। সঙ্গে সঙ্গে দম আটকে এল রানার। মনে হলো অজ্ঞান হয়ে যাবে। রাখাল বালককে খুঁজে পাবার পরও মন বলছিল তদন্ত না থামাতে… আর তার ফলাফল ও দেখতে পাচ্ছে চোখের সামনে। সব ধোঁয়া কেটে গেছে সামনে থেকে, দূর হয়ে গেছে সমস্ত খটক … পেয়ে গেছে সব প্রশ্নের জবাব। চরম সত্যটা জেনে গেছে ও, এখন শুধু তার স্বপক্ষে প্ৰমাণ জোগাড় করা প্রয়োজন।

    তা-ই করবে রানা।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }