Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প322 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই কুয়াশা ২.৫

    পাঁচ

    লাশের শরীর সার্চ করল কুয়াশা আর নাতালিয়া কিন্তু উল্লেখযোগ্য কিছুই পাওয়া গেল না। টাকাভর্তি ওয়ালেট আছে, ভুয়া আই.ডি. আছে, পিস্তলের বাড়তি অ্যামিউনিশনও আছে—কিন্তু এসব থেকে তার আসল পরিচয় বের করা সম্ভব নয়। একটা মোবাইল ফোনও বেরিয়েছে পকেট থেকে, তবে সেটার মেমোরি সম্পূর্ণ খালি। ফোনবুক বা কললিস্টে একটা নাম্বারও নেই। বিরক্ত হয়ে মেঝে থেকে উঠে পড়ল নাতালিয়া, মুখ দিয়ে বেরিয়ে এল খেদোক্তি।

    ‘কিছু একটা মিস করে যাচ্ছি আমরা,’ চিন্তিত গলায় বলল কুয়াশা। ‘একেবারে কিছুই জানতে পারব না, তা কী করে হয়?’ নাতালিয়ার দিকে মুখ ফেরাল। কী কথা হয়েছে ওর সঙ্গে, তা প্রথম থেকে খুলে বলো আমাকে।’

    ‘বলতে গেলে কিছুই না,’ নাতালিয়া জানাল। ‘গল্প করবার মুডে ছিল না ও।

    ‘তারপরেও সব শুনতে চাই আমি। ওর কথা থেকে তুমি হয়তো কিছু আঁচ করতে পারোনি, কিন্তু আমি পারব।

    ভুরু কুঁচকে কিছুক্ষণ নীরব রইল নাতালিয়া। তারপর শান্ত গলায় বলল, ‘কী লুকাচ্ছ তুমি আমার কাছে, কুয়াশা? সত্যি করে বলো তো, কেন এই লোক খুঁজছিল তোমাকে?

    ‘ক’দিন আগে আমার নামে নতুন একটা হুলিয়া জারি হয়েছে, জানো নিশ্চয়ই?’ বলল কুয়াশা। ‘অনেকেই খুঁজছে আমাকে।’

    ‘হেঁয়ালি করছ তুমি!’ অভিযোগের সুরে বলল নাতালিয়া। ‘এ-লোক আইনের কেউ নয়… তার ওপর বিদেশি। মুখে যেভাবে সায়ানাইড পিল লুকিয়ে রেখেছিল, তাতে তো মনে হয় চরমপন্থী, কিংবা ইন্টেলিজেন্স কমিউনিটির সঙ্গে জড়িত! পুলিশ-টুলিশ ছাড়িয়ে আজকাল কি ওদের সঙ্গেও শত্রুতা বাধিয়েছ নাকি?’

    ‘আমি কিছুই করিনি, যা করবার ওরাই করছে। ড. ইভানোভিচকে খুন করেছে, আমাকে দিয়েছে ফাঁসিয়ে। নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করবার জন্য লড়ছি আমি।’

    ‘বলতে চাইছ, আমার দেশের একজন বিজ্ঞানীকে খুন করবার পিছনে ব্রিটিশদের হাত আছে?’

    উঁহু। এই খুনিদের নির্দিষ্ট কোনও দেশ নেই, দুনিয়ার বিভিন্ন জায়গা থেকে রিক্রুট করা হয়েছে এদেরকে। খুবই ভয়ানক এক সংগঠন… পরে সব খুলে বলব তোমাকে। আগে এই লোকটার ব্যাপারে শিয়োর হয়ে নেয়া দরকার।’

    ‘কী শিয়োর হবে?’

    ‘অস্পষ্ট ব্যাপারগুলো…

    ‘কোনোটা স্পষ্ট মনে হচ্ছে নাকি তোমার কাছে?’ বাধা দিয়ে জানতে চাইল নাতালিয়া।

    ‘অবশ্যই!’ মাথা ঝাঁকাল কুয়াশা। কয়েকটা বিষয় তো এমনিতেই পরিষ্কার—-আমার জন্য এসেছিল ও, কিন্তু ব্যর্থ হলে জ্যান্ত ধরা পড়তে চায়নি। নিশ্চয়ই এমন কিছু জানত, যা আমাকে জানানো চলে না। ব্যাটার কোনও সঙ্গীও নেই আশপাশে, থাকলে এখনও আমরা বেঁচে থাকতাম না।’

    ‘কিন্তু তুমি যে আমার কাছে আসবে, সেটা জেনেছে কীভাবে? আমি নিজেই তো জানতাম না!’

    ‘ওটা সম্ভবত অনুমান… সেজন্যেই মাত্র একজনকে পাঠানো হয়েছে এখানে।’

    ‘অনুমান!’

    ‘রাশান ইন্টেলিজেন্সের ফাইলে নিশ্চয়ই এ-দেশে আমার সমস্ত কন্ট্যাক্টের রেকর্ড আছে… সেটাই ফলো করছে ওরা। যাদের কাছে সাহায্য চাইতে পারি, বিশেষ করে লেনিনগ্রাদে, তাদের পিছনে লোক লাগানো হয়েছে।

    ‘লেনিনগ্রাদ কেন?’

    ‘কারণ এখানেই আমি একজনকে খুঁজতে এসেছি। সে-কাজে যারা আমাকে সাহায্য করতে পারে, তাদের সবাই এখন আমার শত্রুদের টার্গেট।’

    ‘আমি ছাড়া আর ক’জন আছে অমন?’

    ‘খুব বেশি না, দু-তিনজন। লেনিনগ্রাদ ভার্সিটির একজন প্রফেসর আছেন, আরেকজন আছে দানভ এ… জনৈক পলিটিক্যাল অ্যাকটিভিস্ট। আর হ্যাঁ, লোকাল ক্রিমিনালদের মধ্যেও একজন আমার ঘনিষ্ঠ বন্ধু।

    ‘সতর্ক করে দেবে ওদেরকে?’

    ‘দরকার নেই। যত খুশি লোক লাগাক, ওদের কারও কাছেই আমি যাচ্ছি না। তবে এর বাইরে আরেকজনকে চিনি আমি, তার সঙ্গে দেখা করা জরুরি। সেজন্যেই আমাদের এই ইংরেজ বন্ধুর ব্যাপারে শিয়োর হওয়া দরকার। কতখানি জানে ওরা … যার সঙ্গে দেখা করব বলে ভাবছি, তার পিছনেও লোক লাগিয়েছে কি না…’

    ‘সম্ভাবনা কতটুকু?’

    ‘নির্ভর করছে কতখানি রিসার্চ করেছে ওরা, তার ওপর! ওই ভদ্রলোকের সঙ্গে গত এক যুগ দেখা-সাক্ষাৎ হয়নি আমার। ব্যাপারটা সিরিয়াস, নাতালিয়া। ভাল করে ভাবো, কী বলেছিল লোকটা তোমাকে?’

    ‘বললাম তো, কিছুই না। তবে হ্যাঁ, একবার ফোন এসেছিল ওর মোবাইলে। অন্যপাশের লোকটার সঙ্গে নদীর ধার নিয়ে কথা বলছিল… মাছি মারা ছাড়া নাকি আর কিছু করবার নেই ওখানে। কথা শেষ করেই কললিস্ট থেকে নাম্বারটা মুছে দিতে দেখেছি ওকে।’

    ‘নদীর ধার?’ ভ্রূকুটি করল কুয়াশা। একটু পরেই মাথা ঝাঁকাল। ‘অভ কোর্স! দ্য হার্মিটেজ। ম্যালাচিট, হল! নদীর ধারে, হ্যাঁ… ওখানকার এক মহিলাকে চিনি আমি। ব্যাটারা দেখি কিছুই মিস করেনি, আমি নিজেও তো ভুলে গিয়েছিলাম ওখানকার কথা!

    ‘কোন মহিলা সেটা?’ গম্ভীর হয়ে প্রশ্ন করল নাতালিয়া। ‘তোমার বান্ধবী?’

    ‘হ্যাঁ… সিনিয়র বান্ধবী,’ হাসল কুয়াশা। ‘বয়স সত্তরের কাছাকাছি, হার্মিটেজ মিউজিয়ামের অ্যাসিসটেন্ট কিউরেটর। এককালে প্রায়ই চা খেতে যেতাম তাঁর ওখানে। ইতিহাস নিয়ে জ্ঞানগর্ভ তর্ক-বিতর্ক চলত আমাদের। একেবারে সাদাসিধে মানুষ, ভাবতেও পারিনি আমার ফাইলে বেচারির নাম উঠে যাবে।’

    ‘এতেই অবাক হচ্ছ? ওঁর ছেলেমেয়ে আর নাতিপুতির নামও উঠে আছে কি না দেখো গিয়ে। এসব ব্যাপারে আমাদের ইন্টেলিজেন্স অত্যন্ত সিরিয়াস।

    ‘এনিওয়ে,’ হাত নাড়ল কুয়াশা, ‘আর কী কথা হয়েছে ওদের

    মধ্যে?

    ‘ওটুকুই।’ একটু ভাবল নাতালিয়া। ও হ্যাঁ… আমি যখন কাপড় বদলাচ্ছিলাম, ব্যাটা মশকরা করছিল আমার সঙ্গে।’

    ‘কী ধরনের মশকরা?’

    ‘বাজে কিছু না। বলছিল- কিউরেটর, অ্যাকাডেমিকস্ আর লাইব্রেরিয়ানদের তুলনায় গণিতবিদের শরীর যে অনেক সুন্দর হবে, তা ওর আগেই বোঝা উচিত ছিল। আমরা ফিগার নিয়ে গবেষণা করি কিনা…’

    পিঠ খাড়া হয়ে গেল কুয়াশার। ‘শিট!’ গাল দিয়ে উঠল ও। ‘তারমানে ভদ্রলোকের খোঁজ পেয়ে গেছে ওরা!’

    ‘কার কথা বলছ?’ বিস্মিত হলো নাতালিয়া।

    ঠাট্টা করতে গিয়ে আসল খবর ফাঁস করে দিয়েছে লোকটা।’ ব্যাখ্যা করল কুয়াশা, ‘কিউরেটর মানে ওই বৃদ্ধা মহিলা, অ্যাকাডেমিকস্ হলো আমার প্রফেসর বন্ধু, আর লাইব্রেরিয়ান হচ্ছেন সল্টিকভ-শেদ্রিন লাইব্রেরির আরেক বৃদ্ধ… তাঁর কাছেই যেতে চাইছিলাম আমি।’

    ‘কে এই বৃদ্ধ?’

    ‘মিউজিয়ামের ওই বৃদ্ধার মত আরেক জ্ঞানতাপস। বই সংগ্রহের জন্য লাইব্রেরিতে নিয়মিত আসা-যাওয়া করতাম আমি, সেই সূত্রে ঘনিষ্ঠতা গর্ভে উঠেছিল। ভদ্রলোক দুনিয়ার অসংখ্য ব্যাপারে আমার চোখ খুলে দিয়েছেন।’

    ‘কেন দেখা করতে চাইছ ওঁর সঙ্গে?’

    ‘ভদ্ৰলোককে চলন্ত বিশ্বকোষ বললে ভুল হয় না। বিশেষ করে রাশা আর লেনিনগ্রাদের বিষয়ে তাঁর মত গভীর জ্ঞান আর কারও মধ্যে নেই। এমন সব তথ্য জানেন, যা বইয়ের পাতায় খুঁজে পাওয়া যাবে না। সেজন্যেই তারাকিন নামে একটা প্রভাবশালী পরিবারের খোঁজ নেবার জন্য তাঁর কাছে যাব ভেবেছিলাম।’

    ‘প্রভাবশালী পরিবার? এই লেনিনগ্রাদে?’

    ‘হুঁ।’

    মুখ বাঁকাল নাতালিয়া। ‘এত সামান্য একটা ব্যাপার নিয়ে এত দুশ্চিন্তা! তুমি না… অ্যাই, আমি কী কাজ করি, তা ভুলে গেছ? রাশান ইন্টেলিজেন্সের ডেটাবেজ থেকে কম্পিউটারের মাধ্যমে ওই তথ্য তো আমিই তোমাকে বের করে দিতে পারি!’

    ‘উঁহুঁ, ওটা করবার সঙ্গে সঙ্গে তোমার নামে মৃত্যু-পরোয়ানা জারি হয়ে যাবে।’ মেঝেতে পড়ে থাকা লাশের দিকে ইশারা করল কুয়াশা। ‘এই লোকের ‘সঙ্গী-সাথীরা ছড়িয়ে আছে সবখানে। পায়চারি শুরু করল ও। তা ছাড়া… কম্পিউটারে কিছু পাওয়া যাবে বলেও মনে হয় না। যা খুঁজছি, তা বহু বছর আগের কথা। মাঝে অনেক কিছু ঘটেছে, বহুবার সরকার বদলেছে… বদলেছে প্রযুক্তিও। রেকর্ডে কোনোকালে যদি ভারাকিনদের নাম থেকেও থাকে, এখন আর আছে কি না সন্দেহ। আমার তো ধারণা, সরকারি সব ধরনের ডেটাবেজ থেকে নামধাম মুছে ফেলা হয়েছে ওদের।’

    ‘প্রভাবশালী কোনও পরিবারের নাম এত সহজে রেকর্ড থেকে মুছে ফেলা যায় না, কুয়াশা,’ প্রতিবাদ করল নাতালিয়া।

    ‘নাম মোছা না গেলেও সংশ্লিষ্টতার তথ্য মোছা যায়।’

    ‘কীসের সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা?’

    জবাব না দিয়ে মৃত লোকটার পাশে হাঁটু গেড়ে বসল কুয়াশা, খুলে ফেলল তার শার্টের বোতাম, খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতে শুরু করল উন্মুক্ত বুকটা। যা খুঁজছিল তা পেয়ে গেল একটু পরেই–বুকের মাঝখানে একটা বৃত্তাকার উল্কি… ফেনিসের চিহ্ন। নাতালিয়াকে কাছে ডেকে দেখাল ওটা।

    ‘কী এটা?’ বিভ্রান্ত কণ্ঠে জিজ্ঞেস করল নাতালিয়া। ‘জন্মদাগ?’

    মাথা নাড়াল কুয়াশা। নিচু গলায় বলল, ‘পার নস্ত্রো সার্কোলো… জন্মের সময় এ-জিনিস ছিল না আমাদের ইংরেজ বন্ধুর শরীরে। চিহ্নটা অর্জন করে নিতে হয়েছে ওকে।

    ‘তোমার কথাবার্তার কিছুই বুঝতে পারছি না আমি।’

    ‘এখুনি বুঝবে। সবকিছু খুলে বলছি। নিজের নিরাপত্তার জন্যই এ-সব জানা দরকার তোমার। ফেনিস নামে একটা গুপ্তসংঘ …’

    আস্তে আস্তে নাতালিয়াকে সবকিছু বলল কুয়াশা— ফেনিসের কথা, এখন পর্যন্ত যা যা ঘটেছে… স-অ-ব। ওর কথা শেষ হবার পর অনেকক্ষণ চুপ করে রইল মেয়েটা, সময় নিল এতসব তথ্য হজম করবার জন্য। একটু পর হেঁটে জানালার সামনে গেল, বাইরে দৃষ্টি ফেলে বলল, ‘তোমাকে আমি অবিশ্বাস করি না, কুয়াশা। বুঝতে পারছি, যা বলেছ তার মধ্যে মিথ্যে নেই একবিন্দুও। সেজন্যেই জানতে চাইছি, এত ভয়ানক একটা সংগঠনের সঙ্গে সংঘাতে নামা কি উচিত হয়েছে তোমার? এরা তোমার পুরনো শত্রুদের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী…’

    ‘জানি,’ বলল কুয়াশা। ‘সেজন্যেই রানার সাহায্য নিচ্ছি। এ-ধরনের সংগঠনের ব্যাপারে অভিজ্ঞতা আছে ওর।’

    ‘ওকে এর ভিতরে টেনে আনাও ঠিক হয়েছে বলে মনে হয় না। আর যা-ই হোক, রানা, তোমার বন্ধু নয়। স্রেফ পরিস্থিতির চাপে পড়ে হাত মিলিয়েছে তোমার সঙ্গে, কিন্তু কাজ শেষ হওয়ামাত্র… মানে যদি আদৌ শেষ করতে পারো আর কী… তোমাকে অ্যারেস্ট করবে ও।

    ‘তা হলে কী করা উচিত ছিল আমার?’

    ‘ব্যাপারটা থেকে নিজেকে সরিয়ে নিতে পারতে। গা-ঢাকা দেবার বিষয়ে তুমি একটা প্রতিভা। যদি না চাইতে, তা হলে ফেনিসের পক্ষে কোনোদিন সম্ভব হতো না তোমাকে খুঁজে পাওয়া।’

    ‘ওটা কাপুরুষের কাজ হতো। আমার বাবার মত একজন পরমাত্মীয়কে খুন করেছে ওরা, তারপর আবার সেটার জন্য ফাঁসিয়ে দিয়েছে আমাকেই! না, এ থেকে কিছুতেই পিছু হটা সম্ভব নয় আমার পক্ষে।’

    কুয়াশার কণ্ঠে উত্তেজনা লক্ষ করে উল্টো ঘুরল নাতালিয়া। বলল, ‘কিন্তু তোমরা অসহায়! যদ্দূর বুঝতে পারছি, তোমাদেরকে কোণঠাসাও করে ফেলেছে ফেনিস। কী করতে পারবে তোমরা এ-অবস্থায়?’

    ‘ভুল ভাবছ,’ কুয়াশা বলল। ‘এরই মধ্যে অনেকটা এগিয়ে গেছি আমরা। লিস্টের প্রথম নাম- বিয়াঞ্চির ব্যাপারটা ভেরিফাই করা হয়েছে। আর এই যে… এখানে পড়ে থাকা ইংরেজকে দেখে বোঝা যাচ্ছে, ঠিক পথেই এগোচ্ছি। লেনিনগ্রাদে ভারাকিন পরিবারকে যেন ট্রেস করতে না পারি আমরা, সে-চেষ্টা চালাচ্ছে ওরা। তোমার এখানে একজন এসেছে, আরও দু’জন নজর রাখছে হার্মিটেজ মিউজিয়াম আর শেট্রিন লাইব্রেরিতে। মরিয়া হয়ে উঠছে ওরা। এটা আমার জন্য সুসংবাদ।

    ‘নাহয় বের করলে ফেনিসের পিছনে কারা আছে… কিন্তু সে-খবর কার কাছে নিয়ে যাবে তোমরা? কে সাহায্য করবে তোমাদেরকে?’

    ‘সময় এলে সেটা জানা যাবে। দুনিয়ার সবাই তো আর ফেনিসের সঙ্গে জড়িত নয়। এমন লোকজন নিশ্চয়ই আছে, যারা ওদেরকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাতে পারবে। আমাদেরকে শুধু তার জন্য তথ্য-প্রমাণ একাট্টা করে দিতে হবে। তুমি সাহায্য করবে আমাদেরকে? আমাকে?’

    ‘ঝামেলায় জড়াতে চাইছ আমাকে?’

    ‘দুঃখিত। এ-ছাড়া আর কোনও রাস্তা নেই আমার হাতে। বৃদ্ধ ওই লাইব্রেরিয়ানের কাছে সরাসরি যেতে পারব না আমি। যখন বন্ধুত্ব ছিল, তখন আমার আসল পরিচয় জানা ছিল না তাঁর। পরে পুলিশের হাতে যথেষ্ট নাস্তানাবুদ হতে হয়েছে বেচারাকে এ-কারণে। আমাকে খবর পাঠিয়েছিলেন, আর কোনোদিন যেন দেখা করবার চেষ্টা না করি তাঁর সঙ্গে, আমাকে ধরিয়ে দেবেন সেক্ষেত্রে। তাঁর ইচ্ছেকে সম্মান দেখিয়েছি এতদিন, কিন্তু এখনকার পরিস্থিতি ভিন্ন। তাঁকে বোঝানো দরকার, কেন দেখা করাটা জরুরি হয়ে পড়েছে… সেজন্য তৃতীয় কাউকে দরকার।’

    হালকা হাসি ফুটল নাতালিয়ার ঠোঁটে। সামনে এগিয়ে এল। বলল, ‘থাক, অত কৈফিয়ত দিতে হবে না। অবশ্যই সাহায্য করব আমি তোমাকে। তুমি না থাকলে এতদিনে নামহীন কোনও কবরে পচে যেত আমার লাশ।’

    ওর হাত ধরল কুয়াশা। ‘আমি চাই না শুধু কৃতজ্ঞতার বশে তুমি সাহায্য করো আমাকে।’

    ‘তা করছি না। যা শুনেছি তোমার মুখে, তাতে ভয় লাগছে আমার। ফেনিসকে ঠেকাতে হবে… আর তা এ-মুহূর্তে তোমাদের পক্ষেই সম্ভব।’

    .

    সিমনিকে নাতালিয়ার পরিচয় জানতে দেয়া যাবে না। তাই ঘর থেকে বেরুনোর আগে জানালার কাছে গিয়ে দাঁড়াল কুয়াশা, নীচে তাকাল লোকটা কী করছে দেখার জন্য। এক ঘণ্টা পেরিয়ে গেছে, গাড়ি থেকে নেমে তাকে পেভমেন্টের উপর পায়চারি করতে দেখল।

    ‘ও শিয়োর না, কোন্ বিল্ডিঙে ঢুকেছি আমি—এটা, না পাশেরটায়,’ বলল কুয়াশা। ঘাড় ফিরিয়ে নাতালিয়ার দিকে তাকাল। ‘নীচের সেলারগুলোর মধ্যে কি এখনও কানেকশন আছে?’

    ‘হ্যাঁ।’ জবাব এল।

    ‘আমি তা হলে যাই। পাশের আরেকটা বিল্ডিং থেকে বেরিয়ে ওকে বিভ্রান্ত করে দেব। একঘণ্টার কথা বলে এসেছি, এখন যদি না ফিরি, নার্ভাস হয়ে উল্টোপাল্টা কিছু ঘটিয়ে বসতে পারে।’

    ‘আবার আসবে এখানে? কী করতে হবে আমাকে, তার কিছুই তো বলোনি এখনও

    ‘আসব তো বটেই। সিমকিনের কাছ থেকে আরও আধঘন্টা সময় নিয়ে আসি। তারপর তোমাকে সব শিখিয়ে পড়িয়ে দেব!’

    ‘ওটার কী হবে?’ ইশারায় ইংরেজ লোকটার লাশ দেখাল নাতালিয়া। ‘এভাবে সামনের কামরায় ফেলে রাখা নিরাপদ নয়।’

    ‘আপাতত থাকুক ওখানে। ফিরে আসার পর ভেবে দেখব লাশটা কোথায় সরানো যায়।’

    ফ্লাট থেকে বেরিয়ে সিঁড়ি ধরে নেমে গেল ও নীচের সেলারে। নাতালিয়ার কথাই ঠিক, পুরনো বিল্ডিংগুলোর কিছুই বদলায়নি প্রতিটা সেলার-ই পাশেরটার সঙ্গে অন্ধকার প্যাসেজওয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত। পুরো ব্লকজুড়ে জালের মত বিছিয়ে আছে এসব প্যাসেজ। একের পর এক সেলার পেরুল কুয়াশা, চারটে বিল্ডিং পেরিয়ে উঠে এল মূল সড়কে। ওদিক থেকে ওকে আশা করেনি সিমকিন, পিঠ ফিরিয়ে রেখেছিল, পিছনে গিয়ে কাঁধে টোকা দিল ও।

    চমকে উঠে কুয়াশার দিকে তাকাল পুলিশ অফিসার। বিস্মিত কণ্ঠে বলল, ‘আরে… কোত্থেকে এলে? আমার তো মনে হচ্ছিল সামনের ওই বিল্ডিঙে ঢুকেছ তুমি!’ হাত তুলে নাতালিয়ার বিল্ডিংটা দেখাল।

    ‘বড্ড নার্ভাস হয়ে আছ তুমি, বন্ধু, মুখে হাসি এনে বলল কুয়াশা। ‘চোখে ভুলভাল দেখছ। এনিওয়ে, বলতে এলাম যে আমার আরেকটু সময় লাগবে। গাড়িতে গিয়ে বসো তুমি, বাইরে বেশ ঠাণ্ডা। তা ছাড়া… হাঁটাহাঁটি করে লোকের দৃষ্টি আকর্ষণ করছ অযথা!’

    ‘তোমার কি বেশি দেরি হবে?’ উদ্বিগ্ন কণ্ঠে জানতে চাইল সিমকিন।

    ‘বড়জোর আধঘণ্টা। কেন, আমাকে ফেলে কোথাও চলে যাবার কথা ভাবছ নাকি?’

    ‘না, না,’ তাড়াতাড়ি বলল সিমকিন। ‘আমার আসলে বাথরুমে যাওয়া দরকার।’

    ‘ব্ল্যাডারকে কন্ট্রোল করতে শেখো,’ কড়া গলায় বলল কুয়াশা। ‘নিতান্তই যদি না পারো, ড্রেনের কাছে গিয়ে ছেড়ে দাও কল।

    সিমর্কিনকে আর কিছু বলবার সুযোগ না দিয়ে সরে গেল ও।

    পরের বিশ মিনিট ধরে নাতালিয়ার সঙ্গে আলোচনা করল কুয়াশা—ঠিক করে নিল, কীভাবে মাইয়োরভ প্রসপেক্টের সল্টিকভ-শেদিন লাইব্রেরির বৃদ্ধ লাইব্রেরিয়ানের কাছে ওর সাক্ষাতের খবর পৌঁছে দেয়া হবে। বাইরের একটা ফোনবুদ থেকে ভদ্রলোকের কাছে ফোন করছে নাতালিয়া জানাবে, তাঁর এক পুরনো অনুরাগীর প্রতিনিধি ও। আভাসে-ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দেবে, মানুষটা কুয়াশা। ব্যাপারটা পরিষ্কার হবার পর এ-ও বলবে, কুয়াশা বিপদে পড়েছে, গোপনে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে চায়।

    এ-খবর পাবার পর বৃদ্ধের প্রতিক্রিয়া কী হবে, তা সহজেই অনুমেয়। চমকে যাবেন তিনি, ঘাবড়েও যাবেন। গোপন সাক্ষাতের জন্য যে-সব নির্দেশনা দেয়া হবে, তা একজন সাধাসিধে মানুষকে বিচলিত করবার জন্য যথেষ্ট। সন্ধ্যা ছ’টা বাজার দশ মিনিট আগে বৃদ্ধকে লাইব্রেরি কমপ্লেক্স থেকে দক্ষিণ-পশ্চিম একজিট দিয়ে বেরিয়ে আসতে বলবে নাতালিয়া। ওদিককার রাস্তাঘাট তখন অন্ধকার থাকবে, লোক চলাচলও থাকবে না খুব বেশি। নির্দিষ্ট একটা দূরত্ব পর্যন্ত একদিকে হাঁটতে হবে তাঁকে, তারপর কয়েক দফা দিক বদলে যেতে হবে আরও কিছুদূর। এর মাঝে কুয়াশা যদি দেখা না করে, তা হলে লাইব্রেরিতে ফিরে গিয়ে অপেক্ষা করতে হবে। সুযোগ বুঝে ওখানেই পরে হাজির হবে কুয়াশা। বলা বাহুল্য, এসব কথায় এক ধরনের চাপ সৃষ্টি হবে তাঁর মধ্যে। চালচলনে ছাপ পড়বে সেটার, কাজেকর্মেও। যে-ই তাঁর উপর নজর রাখুক, ভদ্রলোকের অস্বাভাবিক আচরণ দেখতে পাবে নিঃসন্দেহে। এর কারণ জানার চেষ্টা করতে হবে তাকে, ফলে কাভার মেইনটেন করতে পারবে না। লোকটাকে চিনতে পারামাত্র আঘাত হানবে কুয়াশা, সরিয়ে দেবে দৃশ্যপট থেকে। লাইব্রেরিয়ানের সঙ্গে এরপর ও দেখা করতে পারবে নিশ্চিন্তে।

    ‘ওঁর সঙ্গে কথা বলবার পর কী করবে?’ জানতে চাইল নাতালিয়া।

    ‘সেটা নির্ভর করছে ভদ্রলোক আমাকে কী বলেন, আর ওঁর পিছনে লাগা ফেউয়ের কাছ থেকে কী জানতে পারি… তার ওপর, কাঁধ ঝাঁকাল কুয়াশা। ‘দেখা যাক কী হয়

    ‘রাতে থাকবে কোথায় তুমি? আমার এখানে আসবে?’

    ‘না এলেই তোমার জন্য মঙ্গল।’

    ‘ঝুঁকি নিতে আপত্তি নেই আমার।’

    ‘আমার আপত্তি আছে। তা ছাড়া রাতের শিফটে কাজ করো তুমি, সকাল পর্যন্ত তো বাসাতেই থাকো না।’

    ‘আজকের রুটিন বদলে নিতে পারি। বিকেলের শিফটে যদি ডিউটি সেরে আসি, মাঝরাতে ফিরতে পারব।’

    ‘শিফট বদলাবার কারণ জানতে চাইবে লোকে। ‘

    ‘বলব আমার এক আত্মীয় এসেছে মস্কো থেকে। ‘আইডিয়াটা পছন্দ হচ্ছে না আমার।’

    কিন্তু এখানে থাকলে নিরাপদ থাকবে তুমি। রাত-বিরেতে কোথায় ঘুরে বেড়াবে? অন্তত আমার সিকিউরিটির জন্যও কাছে থাকা প্রয়োজন তোমার।’

    অনিচ্ছাসত্ত্বেও মাথা ঝাঁকাল কুয়াশী। ‘বেশ, আমি ভেবে দেখব। কিন্তু কোনও কথা দিচ্ছি না।’ উঠে দাঁড়াল কুয়াশা। ‘আমাকে যেতে হয় এবার। তুমিও ফোন করবার জন্য একটু পর বেরিয়ে পোড়ো।

    ‘লাশটা?’

    ‘সঙ্গে নিয়ে যাচ্ছি। দূরের কোনও সেলারে ফেলে দেব। তোমার কাছে ভদকা আছে?’

    ‘কেন, ড্রিঙ্ক করতে চাও?’

    উঁহুঁ, ইংরেজ ব্যাটার গায়ে ঢালব। তারপর কেটে দেব দু’হাতের রগ। মনে হবে মাতাল হয়ে আত্মহত্যা করেছে। একটা ব্লেডও দাও আমাকে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }