Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প322 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই কুয়াশা ২.৬

    ছয়

    সল্টিকভ-শেট্রিন লাইব্রেরির দক্ষিণ-পশ্চিম এন্ট্রান্সের উল্টোপাশে, একটা আর্চওয়ের পিছনে দাঁড়িয়ে আছে কুয়াশা আর সিমকিন। সামনে… কমপ্লেক্সের আঙিনা উজ্জ্বলভাবে আলোকিত—সারি সারি ফ্লাডলাইটের আলো ছড়িয়ে পড়ছে উঁচু দেয়ালের মাথা থেকে… সৃষ্টি করছে দৃষ্টিবিভ্রম—মনে হচ্ছে যেন কোনও প্রিজন কম্পাউণ্ডের মধ্যে দাঁড়িয়ে আছে ওরা। পার্থক্য স্রেফ এ-ই যে, এই কারাগারে ইচ্ছেমত ঢুকতে-বেরুতে পারে মানুষ। আজ সন্ধ্যায় লাইব্রেরি অত্যন্ত ব্যস্ত। দলে দলে পুস্তকপ্রেমী আনাগোনা করছে আর্চওয়ে ধরে।

    ‘কী করছি আমরা, বুঝিয়ে বলো আমাকে,’ হঠাৎ অস্থির কণ্ঠে বলে উঠল সিমকিন। ‘বুড়ো লোকটা কে? তাকে যে-অনুসরণ করছে, সে-ই বা কোন্ পক্ষের?

    বিরক্ত হলো কুয়াশা। ‘এত কথা জানার দরকার কী তোমার?’

    দরকার আছে, কুয়াশা। ব্ল্যাকমেইলের ভয় দেখিয়ে দেশবিরোধী কোনও কাজ করিয়ে নিচ্ছ কি না, সেটা শিয়োর হয়ে নিতে চাই।’

    ‘নিশ্চিন্ত থাকো, অমন কিছুতে অংশ নিচ্ছ না তুমি। মি. শেভচেঙ্কো নিপাট ভালমানুষ, তাঁকে ফলো করছে আমার এক শত্রু। ব্যাটাকে আটক করতে হবে আমাদেরকে, যাতে ওর কাছ থেকে ইনফরমেশন আদায় করা যায়।’

    ‘শেভচেঙ্কো… ওটাই বুড়ো ভদ্রলোকের নাম?’

    ‘নামটা ভুলে গেলেই ভাল করবে তুমি… ওই তো, বেরিয়েছেন উনি।’ চাপাস্বরে বলল কুয়াশা।

    ওভারকোট আর কালো রঙের ফারের হ্যাট পরা এক বৃদ্ধ বেরিয়ে এসেছেন এন্ট্রান্স দিয়ে। হিম বাতাসে কেঁপে উঠলেন একটু। সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে রইলেন খানিকক্ষণ, যেন বুঝতে পারছেন না, কোন আর্চওয়ে ধরে রাস্তায় যাবেন। মুখে ছোট করে ছাঁটা সাদা দাড়ি; উন্মুক্ত ফ্যাকাসে চামড়া বলিরেখায় ভরা। মিনিটখানেক দ্বিধায় থাকার পর পা বাড়ালেন তিনি, নামতে শুরু করলেন সিঁড়ি দিয়ে, আঙিনায় নামার পর বামদিকের আর্চওয়ে ধরে চলে গেলেন রাস্তার দিকে।

    শেভচেঙ্কোর পিছনের ভিড়ের মধ্যে তীক্ষ্ণ নজর বোলাল কুয়াশা, অনুসরণকারীকে সনাক্ত করতে চায়। খুব বেশি সময় লাগল না, নিঃসঙ্গ একটা মেয়ের উপর দৃষ্টি আটকে গেল ওর—ভিড় ঠেলে দ্রুত আগে বাড়ছে। তাড়াহুড়ো করে নামছে সিঁড়ি ধরে, এক মুহূর্তের জন্যও নজর সরাচ্ছে না বৃদ্ধের উপর থেকে। ভাল কৌশল, মনে মনে স্বীকার করল কুয়াশা। পুরুষের চেয়ে মেয়েরা ফেউ হিসেবে ভাল, কেউ সহজে সন্দেহ করে না মেয়েদেরকে। তবে এই মেয়ে শুধু অনুসরণের জন্য আসেনি এখানে, ওর আসল মিশন নিঃসন্দেহে কুয়াশাকে খুন করা। কতখানি ভয়ানক হতে পারে মেয়েটা, মনে মনে আন্দাজ করবার চেষ্টা করল ও।

    ‘ওই মেয়েটাকে দেখছ?’ ফিসফিসিয়ে বলল কুয়াশা। খয়েরি ওভারকোট আর টুপি পরা… ও-ই আমাদের টার্গেট। মি. শেভচেঙ্কোর কাছে পৌঁছুতে দেয়া যাবে না ওকে। এসো।’

    ‘একটা মেয়ে?’ দ্বিধা ফুটল সিমকিনের কণ্ঠে, যেন কথাটা বিশ্বাস করতে পারছে না।

    ‘সাধারণ মেয়ে নয়, বন্ধু। ওর থদের ভিতর অনেক চমক লুকানো আছে। চলো এগোই। এখুনি মি. শেভচেঙ্কোর কাছে যাবে না ও, ভদ্রলোককে একাকী পাবার জন্য অপেক্ষা করবে। সে-সুযোগটা কাজে লাগাব আমরা, ওকে দূরে সরিয়ে আনব কৌশলে। যাতে চেঁচামেচি করলে কারও কানে না যায়।’

    ‘চেঁচাবে?’

    ‘অবশ্যই! মেয়েমানুষকে কখনও চুপচাপ হার মানতে দেখেছ? আর কথা নয়। চলো।’

    পরের বিশ মিনিট প্রত্যাশিতভাবেই কাটল। চরম বিভ্রান্তি আর অশান্ত ভঙ্গি নিয়ে রাস্তায় রাস্তায় ঘুরে বেড়ালেন বৃদ্ধ লাইব্রেরিয়ান। হাঁটলেন নার্ভাসভাবে—কখনও ফুটপাতে, কখনও বা বরফ ঢাকা সড়কে। ঘড়ি দেখলেন বার বার, তা করতে গিয়ে ক্রমাগত ধাক্কা খেলেন পথচারী লোকজনের সঙ্গে। বিড় বিড় করে তাদের কাছে ক্ষমা চাইতে থাকলেন অনবরত। কয়েক বারই উল্টো ঘুরে অনেক দূর চলে এলেন, সম্ভবত নির্দেশনা ঠিকমত ফলো করতে পারেননি বলে সন্দিহান হয়ে উঠেছেন নিজের উপর। ভদ্রলোকের এই অনিশ্চিত- আচরণের ফলে যা ঘটার তা-ই ঘটল—অনুসরণকারী মেয়েটাকেও একই ধরনের আচরণ করতে হলো। চিহ্নিত হয়ে যাবার ভয়ে কাছে যেতে পারল না বৃদ্ধের, দূরত্ব বজায় রাখতে হলো, থাকতে হলো ছায়ায় ঢাকা গলি কিংবা স্বপ্নালোকিত দোকানপাটের সামনে।

    সামনের চওড়া অ্যাভিনিউ জরিপ করে নিল কুয়াশা। দু’পাশে দুটো অন্ধকার গলি দেখতে পাচ্ছে। শেভচেঙ্কো সামনে এগোনোর পর নিঃসন্দেহে ও-দুটোর একটাতে পজিশন নিতে হবে মেয়েটাকে।

    ‘এসো, সিমনিকে বলল কুয়াশা, ‘ভিড়ের আড়াল নিয়ে সামনে এগিয়ে যাব আমরা। একটু পরেই ওই গলিগুলোর একটাতে ঢুকবে মেয়েটা, ওখানেই ফাঁদ পাতব।

    ‘যদি না ঢোকে?’ সন্দেহ প্রকাশ করল সিমকিন।

    ‘ঢুকবে,’ কুয়াশা নিশ্চিত। ‘এতক্ষণ ধরে এ-পদ্ধতিই ব্যবহার করছে ও।’

    যে-সুযোগের জন্য অপেক্ষা করছিল, তা সমাগত। উত্তেজনা অনুভব করল কুয়াশা। গত বিশ মিনিট ধরে ওর সাজানো পরিকল্পনা চমৎকারভাবে কাজ দিয়েছে, এবার সেটার সফল সমাপ্তি, ঘটাবার পালা। দুটো বিষয়ে ও নিশ্চিত-প্রথমত, ওকে দেখামাত্র. চিনতে পারবে মেয়েটা; নিঃসন্দেহে তাকে ছবি আর শারীরিক গঠনের বিবরণ দেয়া হয়েছে। দ্বিতীয়ত, তাকে দ্রুত ঘায়েল করতে না পারলে আরেকবার ইংরেজ আততায়ীর মত আত্মহত্যার ঘটনা ঘটবে। পুরো প্ল্যানের সাফল্য নির্ভর করছে টাইমিং এবং চমকে দেবার উপরে। প্রথমটা ওর দায়িত্ব, দ্বিতীয়টা সিমকিনের।

    পথচারীদের আড়াল নিয়ে রাস্তা পেরুল দুজনে, মিশে গেল কিরভ থিয়েটারের সামনে জড়ো হওয়া দর্শকদের ভিড়ে। আড়চোখে পিছনটা দেখে নিল কুয়াশা। টিকেটের জন্য লাইন ধরা লোকজনের কাছাকাছি হতাশ ভঙ্গিতে দাঁড়িয়ে আছেন শেভচেঙ্কো, কী করবেন ভেবে পাচ্ছেন না। শ্বাস টানছেন জোরে জোরে।

    সিমকিনের বাহু ধরে কাছে টানল কুয়াশা। ‘শোনো কী করতে হবে…’

    ইউনিফর্মধারী কয়েকজন সৈনিক হেঁটে যাচ্ছে পাশ দিয়ে। তাদের পিছু পিছু আবার এগোতে শুরু করল ওরা। প্রথম গলিটা পেরিয়ে এল দু’জনে, দ্বিতীয় গলির সামনে পৌছে থামল। ইশারা পেয়ে ভিতরে ঢুকে গেল সিমকিন, আর কুয়াশা কয়েক কদম এগিয়ে গলির পাশের দেয়ালে হেলান দিয়ে দাঁড়াল। ওভারকোটের কলার তুলে দিল, মাথায় পরা হ্যাট একটু নামিয়ে নিল সামনে মাথা নামিয়ে রাখায় ওর চেহারা এখন আর দেখতে পাচ্ছে না কেউ।

    আর মাত্র কয়েক মিনিট…

    হ্যাটের কার্নিশের তলা দিয়ে শেভচেঙ্কোকে ওর সামনে দিয়ে হেঁটে যেতে দেখল কুয়াশা। চোখ ঘোরাল—ক্ষণিকের জন্য প্রথম গলিতে ঢুকেছিল মেয়েটা, আবার বেরিয়ে এসেছে। দ্বিতীয় গলির সামনে চলে এল দ্রুতপায়ে, গলিমুখে দাঁড়াল এক মুহূর্তের জন্য, ভিতরে ঢুকে পড়ল পরক্ষণে।

    কয়েক পা গিয়েই থেমে দাঁড়াল মেয়েটা। বুঝতে পেরেছে, গলিতে সে একা নয়। তাড়াতাড়ি উল্টো ঘুরল বেরিয়ে যাবার জন্য, কিন্তু থেমে গেল পিছনে সিমকিনের কণ্ঠ শুনে।

    কমরেড, দাঁড়াও! সার্কোলো… পার নস্ত্রো সার্কোলো!’

    থমকে গেল মেয়েটা। চমকে উঠেছে। ধীরে ধীরে ফিরল সিমকিনের দিকে। হিসিয়ে উঠে বলল, ‘কে তুমি?’

    ‘বন্ধু।’ কয়েক পা সামনে এগোল সিয়কিন। জরুরি মেসেজ আছে তোমার জন্য… রাখাল বালক পাঠিয়েছেন।’

    আরেক দফা চমকাবার পালা মেয়েটার। বজ্রাহতের মত স্থির হয়ে গেল। সঙ্গে সঙ্গে বিদ্যুৎ খেলে গেল কুয়াশার শরীরে। শিকারি শ্বাপদের মত ছুটল ও, দেয়ালের কোনা ঘুরে ঢুকে গেল গলিতে। পিছনে পায়ের শব্দ শুনে পাঁই করে ঘুরল মেয়েটা, কিন্তু প্রতিক্রিয়া দেখাবার আগেই তার উপর ঝাঁপিয়ে পড়ল কুয়াশা।

    প্রচণ্ড এক ধাক্কা খেয়ে দেয়ালের উপর আছড়ে পড়ল মেয়েটা। ব্যথা পেয়ে চেঁচানোর চেষ্টা করতেই তার খোলা মুখে একটা দলা পাকানো রুমাল গুঁজে দিল কুয়াশা, আঙুলের খোঁচায় মুখ-গহ্বরের ভিতরে ঢুকিয়ে দিল ভালমত। দুই চোয়াল আর একত্র করবার উপায় রইল না মেয়েটার, মুখের ভিতর লুকানো সায়ানাইড পিলের আবরণ আর ভাঙতে পারবে না দাঁত দিয়ে।

    পুরো ব্যাপারটা ঘটতে সময় লাগল মাত্র দশ সেকেণ্ড। কিন্তু এরপরেই সচল হয়ে উঠল মেয়েটা। পাক্কা প্রফেশনাল, মুখে গোঁজা রুমাল বের করবার চেষ্টা করল না, ওটাকে মেনে নিয়েই অ্যাকশনে গেল। দেয়ালের উপর তাকে চেপে ধরতে গেল কুয়াশা, কিন্তু বাউলি কেটে ওকে ফাঁকি দিল সে। শরীর বেঁকে গেল একটু, চাবুকের মত উঠে এল এক পা, মুখের একপাশে সজোরে আঘাত করল কুয়াশাকে। মাথা ঝনঝন করে উঠল, ছিটকে মাটিতে পড়ল কুয়াশা।

    ‘অ্যাই! থামো!’ গর্জে উঠল সিমকিন, কোটের ভিতর ঢুকিয়ে দিল হাত… পিস্তল বের করবার জন্য।

    তাকে সে-সুযোগ দিল না মেয়েটা, দুই লাফে পৌঁছে গেল নাগালের মধ্যে। সোলার প্লেক্সাসে প্রচণ্ড এক গুঁতো খেয়ে গোঙানি বেরিয়ে এল রাশান পুলিশ অফিসারের মুখ দিয়ে। হাঁটু গেড়ে বসে পড়ল সে। মাথার পাশে লাথি খেয়ে কাত হয়ে পড়ে গেল পরক্ষণে। সিমকিনের উপর মরণ-আঘাত হানতে যাচ্ছিল মেয়েটা, কিন্তু পারল না… পিছন থেকে শক্তিশালী একজোড়া হাত জাপটে ধরে ফেলল তাকে, একটানে সরিয়ে আনল। আঘাত সামলে উঠে এসেছে কুয়াশা, আক্রমণ করেছে পিছন থেকে।

    আলিঙ্গনের ভিতর মোচড়ামুচড়ি করল মেয়েটা, কিন্তু একচুল আলগা হলো না কুয়াশার হাতের বাঁধন। হিড় হিড় করে বন্দিনীকে টেনে নিয়ে গেল দেয়ালের কাছে। আচমকা কনুই চালাল মেয়েটা, পাঁজরের একপাশে আঘাত পেয়ে হুঁক্ করে উঠল ও, ইচ্ছের বিরুদ্ধে ঢিল পড়ল দুই হাতে। নড়াচড়া করতে পেরে একটা পা উঁচু করল মেয়েটা, জুতোর তীক্ষ্ণ হিল নামিয়ে আনল কুয়াশার পায়ের পাতায়। তীব্র একটা ব্যথা ছড়িয়ে পড়ল শরীরে। ক্রুদ্ধ ভঙ্গিতে মেয়েটাকে দেয়ালের উপর ছুঁড়ে ফেলল কুয়াশা, ইঁটের উপর নাক-মুখ-কপাল ঠুকে গেল তার। মুখে রুমাল গোঁজা, তাই শুধু গোঙানির আওয়াজ বেরুল!

    প্রায় একই সময়ে আঘাত সামলে নিল দু’জনে। পরস্পরের মুখোমুখি হলো দুই ক্রুদ্ধ প্রতিপক্ষ। কুয়াশার মাথা লক্ষ্য করে আবারও লাথি চালাল মেয়েটা। তবে এবার ও তৈরি আছে, আলতোভাবে ডান হাত তুলে ঠেকাল আঘাত, অন্যহাতে সজোরে বসাল একটা লেফট হুক। ঘুসি খেয়ে একপাশে মুখ ঘুরে গেল মেয়েটার, ডান হাতের আরেক ঘুসিতে তাকে সিধে করল কুয়াশা। তারপর তলপেটের উপর লাখি বসিয়ে তৃতীয়বারের মত ছিটকে ফেলল দেয়ালের গায়ে।

    দম ফুরিয়ে গেছে মেয়েটার, শরীরের পুরো ভর তার গায়ে চাপিয়ে দিল কুয়াশা, একটা হাত রাখল কণ্ঠার উপরে, চাপ দিল মৃদুভাবে। বাতাসের অভাবে খাবি খেতে শুরু করল বন্দিনী।

    ‘এবার আমার কয়েকটা প্রশ্নের জবাব দেবে তুমি,’ শীতল গলায় বলল কুয়াশা। আড়চোখে তাকাল সিমকিনের দিকে, ব্যথা সয়ে নিয়ে উঠে দাঁড়াচ্ছে সে। জিজ্ঞেস করল, ‘তুমি ঠিক আছ?’

    মাথা ঝাঁকাল রাশান পুলিশ অফিসার।

    ‘গুড,’ বলল কুয়াশা। ‘পিস্তল বের করে কাভার দাও এই কুত্তিটাকে।’

    শরীরের চাপ একটু কমাল কুয়াশা, আর তার সঙ্গে সঙ্গে একটা গুলির আওয়াজে কেঁপে উঠল পুরো গলি। ছিটকে পিছিয়ে এল’ ও, বিস্মিত হয়ে লক্ষ করুণ দৃষ্টি বিস্ফারিত হয়ে গেছে মেয়েটার, ফ্যাল ফ্যাল করে তাকিয়ে রইল কয়েক মুহূর্ত, তারপর লুটিয়ে পড়ল মাটিতে। শরীরের একপাশ ভিজে উঠেছে রক্তে। ঝট্ করে সিমকিনের দিকে তাকাল কুয়াশা!

    ‘আমি না!’ সভয়ে পিছিয়ে গেল রাশান পুলিশ অফিসার। ‘আমি না!!’ আবার বলল সে।

    তাড়াতাড়ি মেয়েটার পাশে হাঁটু গেড়ে বসল কুয়াশা, দ্রুত হাতে পরখ করল দেহটা। রহস্যটা পরিষ্কার হয়ে গেল—নাতালিয়ার ফ্ল্যাটের ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটেছে। পিল ব্যবহার করতে পারেনি তো কী হয়েছে, কোটের আড়ালে লুকানো নিজের পিস্তলের ট্রিগার টিপে আত্মহত্যা করেছে ফেনিসের গুপ্তচর। পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যাওয়ায় দেরি করেনি এক সেকেণ্ডও। পাঁজরের একপাশে সৃষ্টি হয়েছে বিশাল এক গর্ত… পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্কে ফায়ার করবার ফলাফল। ধোঁয়া বেরুতে থাকা পিস্তলটা বের করে নিল কুয়াশা।

    ‘মাই গড!,ও মারা গেছে!’ প্রায় আর্তনাদ করে উঠল সিমকিন। ‘গুলির আওয়াজ… সবাই শুনতে পেয়েছে! আমাদেরকে সরে যেতে হবে, কুয়াশা!’

    ওর কথার সত্যতা প্রমাণের জন্যই যেন গলির মুখে উঁকিঝুঁকি দিতে শুরু করল কৌতূহলী পথচারীরা ।

    ‘শান্ত থাকো!’ ধমক দিয়ে উঠল কুয়াশা। ‘তোমার আই.ডি. কার্ড বের করো, ওটা দেখিয়ে ভাগাও ওদের। কাউকে ঢুকতে দিয়ো না গলিতে। দু’মিনিট চাই আমি।’

    মেয়েটার পোশাকের সবগুলো পকেট হাতড়াল ও যা যা পেল, ঢোকাল নিজের পকেটে। এক ফাঁকে শার্টের বোতাম খুলে লাইটারের আলোয় দেখে নিল বুকের নীচটা। হ্যাঁ, আছে… ছোট একটা বৃত্তাকার উল্কি—ফেনিসের চিহ্ন।

    ‘জলদি করো!’ গলিমুখ থেকে চাপা গলায় তাড়া দিল সিমকিন

    উঠে দাঁড়াল কুয়াশা। সঙ্গীকে নিয়ে দ্রুতপায়ে ঢুকে পড়ল গলির আরও ভিতরে। আরেক পথে বেরিয়ে এল বড় রাস্তায়। সিমকিন কাঁপছে, মুখ থেকে সরে গেছে রক্ত। তার একটা হাত ধরে রাখল ও, যাতে নার্ভাসনেসের কারণে হঠাৎ দৌড় না দেয় লোকটা। ভাইবর্গের পুলিশ চিফকে এখনও মুক্তি দেবার সময় আসেনি। একটা মেসেজ পাঠাতে হবে রানার কাছে, সরকারি ইন্টারসেপশন এড়িয়ে এ-মুহূর্তে একমাত্র সিমকিনই পাঠাতে পারবে সেটা। কিন্তু হাতে বেশি সময় নেই, গলির ভিতরের গোলমাল শেভচেঙ্কো দেখতে পেয়েছেন কি না কে জানে! এমনিতেই নার্ভাস মানুষ, গোলমালের আভাস পাবার সঙ্গে সঙ্গে ফিরে যাবেন অফিসে। হয়তো বা খবর দেবেন পুলিশে। তার আগেই পৌছুতে হবে ভদ্রলোকের কাছে। আশপাশে চঞ্চল দৃষ্টি বোলাল কুয়াশা, সুস্থির হয়ে বসবার জন্য একটা জায়গা দরকার। রানার জন্য মেসেজ লিখতে হবে, ওটা আবার সাইফার -ও করতে হবে।

    খুনে মেয়েটার লাথির প্রভাব এখনও যায়নি, মাথার এক পাশ টন টন করছে ওর। হাত তুলে আঘাতের জায়গাটা ছুঁলো। কপালের চামড়া কেটে গেছে ওখানটায়, রক্ত লেগে গেল গ্লাভে! কাটা জায়গাটা চেপে ধরল তাড়াতাড়ি। কপাল রক্তে মাখামাখি হয়ে গেলে লোকের চোখে পড়বে।

    তড়িঘড়ি করে হাঁটছে সিমকিন। ‘আস্তে হাঁটো,’ তাকে নিচু গলায় বলল কুয়াশা। ‘ওই যে একটা ক্যাফে; ওখানে কয়েক মিনিটের জন্য ঢুকব আমরা।

    ‘ভাল প্রস্তাব, আমার ড্রিঙ্ক দরকার,’ বলল সিমকিন। ‘মাই গড! আত্মহত্যা করল মেয়েটা… কে ছিল ও?’

    ‘এমন একজন, যে-একটা বড় ভুল করে ফেলেছিল। তুমি সেটা করতে যেয়ো না।’

    ক্যাফেতে প্রচুর মানুষ। কপাল ভাল, এক কোণের একটা টেবিল খালি পেয়ে গেল। মুখোমুখি বসল কুয়াশা আর সিমকিন চারপাশটা দেখে নিল কুয়াশা।

    ম্যানেজারের কাছে যাও,’ সিমনিকে বলল ও। ‘বলো যে, মাতাল হয়ে আছাড় খেয়েছে তোমার বন্ধু… কপাল কেটে গেছে। ব্যাণ্ডেজ আর অ্যান্টিসেপটিক নিয়ে এসো।’ প্রতিবাদ করতে যাচ্ছিল সিমকিন, সে-সুযোগ দিল না। ‘রিল্যাক্স, এ-সব জায়গায় মোটেই অস্বাভাবিক নয় ব্যাপারটা।

    কাঁধ ঝাঁকিয়ে উঠে পড়ল পুলিশ অফিসার।

    পকেট হাতড়ে একটা বলপেন বের করল কুয়াশা। ‘সামনে থেকে একটা কাগজের ন্যাপকিন টেনে নিয়ে রানার জন্য মেসেজ লিখতে শুরু করল। সাবধানে একেকটা অক্ষর আর তার সাইফার বাছাই করছে। কয়েক দফা কাটাকাটি করতে হলো। একটু পরেই ফিরে এল সিমকিন। তার পিছু পিছু উদয় হলো ওয়েইট্রেস, একসঙ্গে তিনটে ড্রিঙ্কের অর্ডার দিল রাশান অফিসার—দুটো নিজের, অন্যটা সঙ্গীর জন্য। কুয়াশা মাথা তুলল না, লিখে চলল আপনমনে।

    আট মিনিট লাগল মেসেজ শেষ করতে। এরপর ন্যাপকিনটা ভাঁজ করে সিমকিনের হাতে তুলে দিল ও। ‘এটা কেইবল করে হেলসিঙ্কিতে পাঠাতে হবে তোমাকে হোটেলের নাম-ঠিকানা উপরে দেয়া আছে।’ তুলোয় অ্যান্টিসেপটিক পাউডার নিয়ে ক্ষতের উপর ঘষতে শুরু করল। ‘গোপন চ্যানেল ব্যবহার কোরো, আমি চাই না কেউ এটা ইণ্টারসেপ্ট করুক।’

    ভুরু কোঁচকাল সিমকিন। ‘সেটা কীভাবে সম্ভব, বলতে পারো?’

    ‘ন্যাকামি কোরো না,’ শান্তস্বরে বলল কুয়াশা ‘নিশ্চয়ই ফিনিশ বন্ধুদের সঙ্গে নরমাল চ্যানেলে যোগাযোগ করো না তুমি?’

    ‘ওটার জন্য আলাদা শিডিউল আছে… যখন-তখন পাঠানো যায় না মেসেজ

    ‘সেক্ষেত্রে অন্য কোনও উপায় খুঁজে বের করো। আমি কোনও অজুহাত শুনতে চাই না। আজ রাতেই মেসেজটা চলে যাওয়া চাই।

    মুখ গোমড়া করে ফেলল সিমকিন। ‘তা হলে কয়েক ঘণ্টার জন্য আমাকে ছেড়ে দিতে হবে তোমাকে। টাকা-পয়সাও লাগবে বেশ কিছু, আমি তো কিছুই আনিনি।’

    ‘দুটোই পাচ্ছ তুমি…’ বলল কুয়াশা, ‘… আমার তরফ থেকে।’

    বিস্ময় ফুটল সিমকিনের চেহারায়। ‘একাকী যেতে দেবে তুমি আমাকে? বিশ্বাস করবে?’

    ‘কেন নয়? বেঈমানী করলে আমার চেয়ে অনেক বেশি কিছু হারাবে তুমি। তাই না?’ অর্থপূর্ণ হাসি ফুটল কুয়াশার ঠোঁটে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }