Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪১৩ – সেই কুয়াশা (দ্বিতীয় খণ্ড)

    কাজী আনোয়ার হোসেন এক পাতা গল্প322 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    সেই কুয়াশা ২.৮

    আট

    আর্কাইভের মেটাল র‍্যাক থেকে ঢাউস দুটো খতিয়ান নামালেন শেভচেঙ্কো, তুলে দিলেন কুয়াশার হাতে। এর আগে আরও ষোলোটা বই দেখা হয়েছে, কিন্তু পাওয়া যায়নি প্রিন্স আন্দ্রেই ভারাকিন সংক্রান্ত কোনও তথ্য।

    ‘কাজটা মস্কোতে করা গেলে অনেক দ্রুত সারা যেত,’ হাত থেকে ধুলো ঝাড়তে ঝাড়তে বললেন তিনি। ‘ওখানে কম্পিউটারাইজড্ ইনডেক্স বানানো আছে। সহজে দরকারি তথ্য খুঁজে পাওয়া যায়।’

    ‘সঙ্গত কারণেই ওখানে যেতে পারছি না আমরা,’ বলল কুয়াশা। ‘এখানেই চেষ্টা করে দেখতে হবে।’

    বইদুটো নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ল দু’জনে। হলদেটে পাতাগুলো উল্টে চোখ বোলাল প্রাচীন রেকর্ডে।

    ‘পেয়েছি!’ একটু পর বলে উঠলেন শেভচেঙ্কো।

    ‘কী?’ জিজ্ঞেস করল কুয়াশা।

    ভারাকিন পরিবারের ইতিহাস। এই তো… এখানে আছে সব।’

    ‘দেখি।’

    বৃদ্ধ লাইব্রেরিয়ানের পাশে চলে এল কুয়াশা। পড়তে শুরু করল লেখাটা। পরিষ্কার, গুটি গুটি হরফে লিপিবদ্ধ করা হয়েছে সব। প্রিন্স ভারাকিনের পিতা আর পিতামহের কথা আছে ওতে। সাধারণ জনতার শত্রু বলে বর্ণনা করা হয়েছে তাদেরকে। দেয়া আছে অপরাধের বিবরণ—প্রিন্সের পূর্বপুরুষদের কারণে মারা পড়েছে বহু মানুষ, ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছে ইম্পেরিয়াল ব্যাঙ্ক; একটা সময়ে গোটা রাশা জুড়ে দেখা দেয়। অর্থনৈতিক মন্দার জন্যও দায়ী করা হয়েছে তাদেরকে। প্রিন্স আন্দ্রেই ভারাকিনকে দক্ষিণ ইয়োরোপে পাঠানো হয়েছিল উচ্চশিক্ষার জন্য, পাঁচ বছর বিদেশে কাটিয়ে সে ফিরে আসে পূর্বপুরুষদের স্থাপন করা ঐতিহ্যকে আরও সুসংহত করবার মানসিকতা নিয়ে।

    ‘কোথায়?’ জিজ্ঞেস করল কুয়াশা। ‘কোথায় লেখাপড়া করেছে ও?’

    পাতা ওল্টালেন শেভচেঙ্কো। ‘ক্রেফেল্ড… ইউনিভার্সিটি অভ ক্রেফেল্ড। এই তো, লেখা আছে এখানে।’

    ‘তারমানে জার্মানি।’ একটু ভাবল কুয়াশা। ‘মনে হচ্ছে এটাই আমাদের ব্লু।

    ‘কীসের ক্লু?’

    ‘ভারাকিনের নতুন পরিচয়ের। আসুন, পুরোটা পড়ে দেখি।’

    পড়ল ওরা। তিন বছর ক্রেফেন্ডে পড়াশোনা করেছে প্রিন্স, তার মধ্যে দু’বছর ছিল ডুসেলডর্ফে… গ্র্যাজুয়েট হবার জন্য। ভবিষ্যৎ জার্মান-ইণ্ডাস্ট্রিয়ালিস্ট গুস্তাভ ফন বোলেনহলবাখ, ফ্রেডরিখ শট আর উইলহেলম্ হ্যাবারনিশ-এর মত ব্যক্তিত্বদের সঙ্গে সে-সময়ে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে তার।

    বিখ্যাত এসব ব্যবসায়ী সম্পর্কে কী জানে, ভেবে দেখল কুয়াশা। ‘জার্মানির এসেন-কেন্দ্রিক ব্যবসা ছিল ওদের, বলল ও, ‘মনে হচ্ছে ওখানেই পাড়ি জমিয়েছিল ভারাকিন। আফটার অল, ওখানে বন্ধুবান্ধব ছিল তার, ভাষাটাও ভাল করে জানত। টাইমিং-ও ছিল চমৎকার। রাশায় বিপ্লব, ইয়োরোপ জুড়ে যুদ্ধ… গোলমালের মাঝে হারিয়ে যাওয়া সহজ ছিল খুব। আমি বলব, এসেনের আর্মামেন্ট কোম্পানিগুলোর একটায় ঢুকে পড়েছিল সে।’

    ‘ক্রুপ?’

    ‘অথবা ভর্গেন… ক্রুপদের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী।’

    ‘কীভাবে?’

    ‘পিছনের দরজা দিয়ে… নতুন পরিচয় নিয়ে। সে-আমলে জার্মান ইণ্ডাস্ট্রিয়াল এক্সপ্যানশন চলছিল পূর্ণোদ্যমে। বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ম্যানেজমেন্ট এত ঘন ঘন বদলাত যে, ঠিকমত ট্র্যাক রাখতে পারত না কেউ। পরিস্থিতি ভারাকিনের অনুকূলে ছিল।’

    ‘এক মিনিট.’ বলে উঠলেন শেভচেঙ্কো, খতিয়ানের একটা অংশে চোখ আটকে গেছে তাঁর। ‘এই তো প্রিন্সের মারা যাবার বিবরণ! স্যরি, কুয়াশা, তোমার থিয়োরি আর বিশ্বাসযোগ্য থাকছে না।’

    বইয়ের উপর ঝুঁকে পড়ল কুয়াশা। হ্যাঁ, বিবরণই বটে… রাশান বিপ্লব শেষে বউ, দুই ছেলে আর এক মেয়ে-সহ প্রিন্স ভারাকিনের নিহত হবার বিবরণ। স্লোভিয়াঙ্কা নদীর তীরে, ভারাকিনদের ব্যক্তিগত এস্টেটে হামলা করেছিল উন্মত্ত জনতা। বাড়ির ভিতরে আটকা পড়ে প্রিন্স ভারার্কিন আর তার পরিবার! আত্মসমর্পণের প্রস্তাব মেনে না নিয়ে চাকর-বাকরদেরকে বের করে দেয় বাড়ি থেকে। তারপর শুরু করে লড়াই। শেষ পর্যন্ত বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয় জনতা, সে আগুনে পুড়ে মরে সবাই। ধ্বংসস্তূপ থেকে উদ্ধার করা কঙ্কালের মাধ্যমে মৃত্যুর সত্যতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

    ‘এটা মানতে পারছি না আমি,’ মাথা নাড়ল কুয়াশা। মরেনি ভারাকিন… এই রেকর্ড ভুয়া।’

    ‘তোমার এ-ধারণা ভুল, কুয়াশা, নরম গলায় বললেন- শেভচেঙ্কো। ‘এটা সরকারি আর্কাইভ। প্রতিটি তথ্য অনেক যাচাই-বাছাই করে সংরক্ষণ করা হয়েছে।

    ‘সরকারি রেকর্ড জাল করাই বরং সহজ,’ কুয়াশা বলল। ‘আমি অস্বীকার করছি না, ভারাকিনদের বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া হয়েছিল; কিন্তু ওরা যে মারা গিয়েছিল, তার কোনও প্রমাণ নেই। কঙ্কাল উদ্ধার করা হয়েছিল… সেটা যে কারুরই হতে পারে। আমার তো মনে হয়, সবার চোখে ধুলো দেবার জন্য নাটক করা হয়েছিল ওখানে।’

    ‘এত নিশ্চিত হচ্ছে কীভাবে?’

    ‘লেখাটা ভাল করে পড়ুন। লক্ষ করেছেন, সবকিছু কেমন ভাসা ভাসা ভঙ্গিতে লেখা?’ পাতা উল্টে খতিয়ানের পিছনদিকে গেল কুয়াশা। ‘এই যে… এখানে আরেকজন উচ্চবংশীয় ভদ্রলোকের মৃত্যুর বিবরণ আছে। এটার সঙ্গে মেলান। প্রতিটা বর্ণনা নিখুঁত। কখন কী ঘটেছিল, কতজন লোক গিয়েছিল, কার নেতৃত্বে… কার আদেশে গিয়েছিল, কতগুলো গুলি করা হয়েছে-কোনও কিছুই বাদ দেয়া হয়নি। আগের বইগুলোতেও একই কায়দা লক্ষ করেছি আমি। অথচ ভারাকিনের অংশটাতে একটাও খুঁটিনাটি নেই। পার্থক্যটা বুঝতে পারছেন? আসলে ঘটেইনি যে-ঘটনা, সেটার খুঁটিনাটি আসবে কোত্থেকে?’

    নাকের উপর চশমাটা ভাল করে বসালেন শেভচেঙ্কো। গম্ভীর হয়ে মেলালেন দুটো এন্ট্রি-ই। চেহারা বদলে গেল তাঁর। বললেন, ‘বোধহয় ঠিকই ধরেছ। গোলমাল আছে এতে।’

    ‘শুধু গোলমাল না, মহা-গোলমাল,’ বইটা বন্ধ করল কুয়াশা। ভারাকিন পরিবারের কিছু হয়নি সেদিন। বহাল তবিয়তে বেঁচে আছে ওরা।’

    .

    লাইব্রেরিয়ানের অফিসে ফিরে এল ওরা। কুয়াশার কথামত আবার একবার কালচারাল অ্যাফেয়ার্সের অফিসে ফোন করলেন শেভচেঙ্কো। গলায় কৃত্রিম রাগ ফুটিয়ে ডিউটি অফিসারকে বললেন, ‘কমপ্লেইন জানাবার জন্য ফোন করেছি আমি। তখন আপনাকে বলে দিলাম, আর্কাইভের কাজ শেষ করতে সময় লাগবে… চাবি যিনি আনবেন, তিনি যেন একটু দেরি করেন এখানে…. অথচ কী ঘটেছে, জানেন? কাজের হাত থেকে বাঁচার জন্য চাবিটা আমার দরজার তলা দিয়ে ঢুকিয়ে দিয়ে গেছেন উনি, দেখা না করেই কেটে পড়েছেন! এ-ধরনের আচরণ কিছুতেই মেনে নেয়া যায় না! অফিশিয়ালি কমপ্লেইন পাঠাব আমি… আর হ্যাঁ, দয়া করে চাবিটা নিয়ে যাবার জন্য পাঠান কাউকে।’

    ওপাশের লোকটাকে কথা বলবার সুযোগ দিলেন না তিনি, রাগী ভঙ্গিতে নামিয়ে রাখলেন রিসিভার। তারপর কুয়াশার দিকে ফিরে জিজ্ঞেস করলেন, ‘কেমন হলো অভিনয়?’

    ‘চমৎকার… পুরস্কার পাবার মত. ‘ হাসল কুয়াশা। ‘এখন আর কেউ সন্দেহ করতে পারবে না আপনাকে। পিঠ বাঁচল আপনার।’

    ‘লাশটা?’

    ‘ফার্নেসের পিছনে ফেলে দিয়ে আসব। আপনি ওটার ব্যাপারে কিচ্ছু জানেন না… লোকটাকে দেখেনই-নি কখনও। টিভিটাও লুকিয়ে ফেলুন আশপাশের কোনও স্টোররুমে! ক্লিয়ার? কেউ কিছু জিজ্ঞেস করতে এলে আকাশ থেকে পড়বেন।

    কিন্তু কালচারাল অ্যাফেয়ার্সের লোকেরা তো লাশটাকে চিনবে!’

    উঁহু। কী বললাম আপনাকে? এ-লোক চাবি নিয়ে আসেনি ওখান থেকে। অন্য সমস্যা নিয়ে মাথা ঘামাবে ওরা-চাবি ফেরত পেয়েছে, কিন্তু মানুষটা কোথায়? ফার্নেসের পিছনে পাওয়া লাশের সঙ্গে ব্যাপারটার সম্পর্ক খুঁজে পেতে অনেক সময় লাগবে ওদের।

    ‘আর ফেনিস? ওদের লোকও তো ফিরছে না। ওরা চিন্তায় পড়বে না?’

    ‘পড়রে, তবে এখুনি না। ওদের খুনি ব্যর্থ না সফল হয়েছে, সে-রিপোর্ট পাবার অপেক্ষায় থাকবে। যা-ই ঘটুক। বেশ কিছুটা সময় পাচ্ছি আমরা… সেটাই চাই।’

    ‘কেন?’

    ‘জার্মানিতে যেতে হবে আমাকে। এসেন-এ।’

    ‘স্রেফ অনুমানের উপর ভিত্তি করে এগোতে চাইছ তুমি।’

    ‘অনুমান না, স্যর। ক্যালকুলেটেড স্টেপ বলতে পারেন। আর্কাইভের রেকর্ডে যাদের নাম আমরা দেখেছি, তার মধ্যে দুটো নাম আমাকে খুব ভাবাচ্ছে। শট আর বোলেনহলবাখ। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধকালীন সময়ে দেশ থেকে মুদ্রা পাচারের অভিযোগ ওঠে ফ্রেডরিখ শটের নামে। পুলিশ তাকে অ্যারেস্ট করতে গিয়েছিল, কিন্তু তার আগেই অজ্ঞাতনামা আততায়ীর হাতে খুন হয় সে, খুনিকে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। ঘটনাটার মধ্যে ফেনিসের গন্ধ পাচ্ছি আমি। মনে হচ্ছে শটের মুখ বন্ধ করতে চেয়েছিল ওরা, যাতে পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদে কোনও গোমর ফাঁস না হয়। আর বোলেনহলবাখ… ক্রুপ পরিবারের শেষ বংশধরকে বিয়ে করেছিল সে, ওদের অস্ত্র-ব্যবসার দায়িত্ব তুলে নিয়েছিল নিজের কাঁধে এদের পক্ষে ভারাকিনকে লুকিয়ে রাখা সম্ভব।’

    ‘ষাট-সত্তর বছরের পুরনো ভূতকে তাড়া করছ তুমি।’

    ‘দেখা যাক ভূতটার ছায়া এখনও আছে কি না। এনিওয়ে, আর কোনও প্রমাণ চান আপনি?’

    ‘না, আমি কনভিন্সড। কিন্তু তোমার জন্য আমার ভয় হচ্ছে, কুয়াশা। যাদের পিছনে লেগেছ, তারা সহজ পাত্র না। রীতিমত সুইসাইড-স্কোয়াড পাঠিয়েছে ওরা তোমার পিছনে… সংগঠনের পরিচয় লুকানোর জন্য খুনিরা আত্মহত্যা করছে! এ তো ফ্যানাটিসিজম!’

    ‘ফ্যানাটিক-ই এরা… কাউন্ট গিলবার্তো বারেমির ফ্যানাটিক। তার দর্শন আর আদর্শ এদের ধর্ম। এই ফ্যানাটিকদেরকে ঠেকাতে না পারলে পৃথিবীর ধ্বংস অনিবার্য।’

    ‘সেটার জন্যই কাজ করছ তুমি, তাই না?’ অন্যচোখে কুয়াশার দিকে তাকালেন শেভচেঙ্কো। ‘এতদিনে আমি তোমার সত্যিকার রূপ দেখছি, কুয়াশা। সমাজ তোমাকে অপরাধীর খেতাব দিয়ে কতবড় ভুল করছে, তা-ও বুঝতে পারছি। দুঃখিত… আমিও ভুল বুঝেছিলাম তোমাকে। এগিয়ে যাও তুমি, আমার আশীর্বাদ থাকবে তোমার সঙ্গে।’

    ‘ধন্যবাদ, স্যর।’

    ‘এসেনে যাবে কীভাবে?’

    ‘হেলসিঙ্কি হয়ে।’

    ‘বর্ডারে সমস্যা হবে না?’

    ‘উঁহুঁ। আমাকে সাহায্য করবার লোক আছে।

    ‘রওনা হবে কখন?’

    ‘কাল সকালে?’

    ‘রাতটা চাইলে আমার বাড়িতে কাটাতে পারো।’

    ‘না, তাতে আপনার বিপদ হতে পারে।’

    ভুরু কোঁচকালেন শেভচেঙ্কো। কিন্তু টেলিফোনে আমার অভিনয় দেখে তুমিই তো বললে, লোকের সন্দেহ দূর করে দিতে পেরেছি।’

    ‘আমার তা-ই বিশ্বাস,’ বলল কুয়াশা। ‘অন্তত আগামী কিছুদিন আপনাকে বিরক্ত করবে না কেউ। এরপরে হয়তো নিখোঁজ চাবিঅলাকে নিয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করবে, কিন্তু ততদিনে সমস্ত ব্লু ঝাপসা হয়ে আসবে।’

    ‘তা হলে?’

    ‘আমার হিসেবে ভুলও থাকতে পারে। সেক্ষেত্রে হয়তো মরণ ডেকে এনেছি আপনার। দুঃখিত, আর কারও কাছে তথ্য পাবার উপায় ছিল না আমার।’

    ‘থাক, ওভাবে বলতে হবে না,’ হাসলেন শেভচেঙ্কো। বয়স্ কম হয়নি আমার, ক’দিন-ই বা আর বাঁচব? মরার আগে দু’একটা ভাল কাজ করে যেতে চাই। তাতে যদি জীবনের ঝুঁকি নিতে হয়, আপত্তি নেই। যাও এখন, ঈশ্বর তোমার সহায় হোন।

    বৃদ্ধকে জড়িয়ে ধরল কুয়াশা। তারপর বিদায় নিয়ে বেরিয়ে এল লাইব্রেরি থেকে।

    .

    ফোনবুথ থেকে সিমকিনের মোবাইলে ফোন করল কুয়াশা। জানতে চাইল, ‘কোথায় তুমি?’

    ‘তোমার কথামত একটা হোটেলে উঠেছি,’ বলল রাশান পুলিশ অফিসার। ‘এখুনি আবার বেরুতে হবে নাকি? আমার কিন্তু শরীর আর চলছে না। সারাদিনে এক ফোঁটা বিশ্রাম পাইনি, একটু ঘুমিয়ে নেয়া দরকার।’

    ‘ঘুমাও, কোনও অসুবিধে নেই। আমার মেসেজের কী হলো?’

    ‘অলরেডি পাঠিয়ে দিয়েছি। চাইলে হেলসিঙ্কিতে খোঁজ নিয়ে দেখতে পারো।’

    ‘প্রয়োজন হলে নেব। আর হ্যাঁ, লেনিনগ্রাদে আমার কাজ শেষ, কাল ভোরে হেলসিঙ্কিতে ফিরব। তুমি আমাকে বর্ডারে পৌঁছে দেবে। ভোর চারটের সময় আনিচভ ব্রিজের কাছে থেকো, ওখানে পাবে আমাকে।’

    ‘আবার!’ প্রায় হাহাকার করে উঠল সিমকিন। ‘কম তো করিনি তোমার জন্য, এখন একটু রেহাই দাও আমাকে!’

    ‘রেহাই তো দিচ্ছিই! বর্ডারে পৌঁছুনোর পর… বাকি জীবনের জন্য! সুসংবাদ, কাজটা ঠিকমত করে দিলে তোমার গোমর ফাঁস হবে না আমার কাছ থেকে।’

    ‘তোমার মুখ বন্ধ করানোর আরও তরিকা জানা আছে আমার, ‘ ফুঁসে উঠল সিমকিন। কুয়াশার ব্ল্যাকমেইলিং তার সহ্যের সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে।

    ‘ভাবছ গুলি করবে আমাকে?’ হাসল কুয়াশা। ‘এক ঢিলে দুই পাখি মারবে—মুখ তো বন্ধ করবেই, তারপর আবার আমার লাশ দেখিয়ে বাহবা কুড়াবে সবার? আমাকে শিকার করা অত সহজ নয়, বন্ধু।’

    ‘না, না, তাড়াতাড়ি বলল সিমকিন। ‘অমন কিছুই ভাবছি না আমি।’

    ‘গুড। তা হলে চারটেয় জায়গামত থেকো।’

    ‘অত ভোরে গাড়ি নিয়ে বের হলে যদি টহল পুলিশ আটকায় আমাকে? কী জবাব দেব?’

    ‘আই.ডি. দেখালেই ছেড়ে দেবে ওরা। টেনশনে মাথা খারাপ হয়ে গেছে তোমার, সিমকিন। নিজেই যে পুলিশ অফিসার, সে-কথা ভুলে গেছ। ঘুম দাও একটা, জেগে ওঠার পর সব ঠিক হয়ে যাবে। বিদায়।’

    .

    মাঝরাত পেরিয়ে যাবার পর ট্যাক্সি নিয়ে পুরনো হাউজিং ডিস্ট্রিক্টে গেল কুয়াশা। সরাসরি নাতালিয়ার বিল্ডিঙে ঢুকল না, চার বিল্ডিং পরের স্টেয়ারকেসের দিকে এগোল। দুপুরেও এটা দিয়েই বেরিয়েছিল। হাঁটতে হাঁটতে আড়চোখে তাকাল নাতালিয়ার ফ্ল্যাটের দিকে। জানালায় আলো দেখা যাচ্ছে, তারমানে ডিউটি থেকে ফিরে এসেছে মেয়েটা।

    ধীরে-সুস্থে সিঁড়ি ভাঙল কুয়াশা, যেন সারাদিনের কর্মব্যস্ততায় ক্লান্ত একজন মানুষ বাড়ি ফিরছে। বিল্ডিঙের সদর দরজা খুলে ফয়েই-এ ঢোকার পর ক্ষান্ত দিল অভিনয়। চকিতে দেখে নিল আশপাশ, তারপর সেলারের দিকে পা বাড়াল। নীচে নেমে একটা দেশলাই জ্বালল, চোখ বোলাল সেলারের পিছনের কোনায় … চমকে উঠল পরমুহূর্তে।

    লাশটা নেই! এখানেই ইংরেজ লোকটাকে ফেলে রেখে গিয়েছিল ও—সারা গায়ে ঢেলে দিয়েছিল ভদকা, ব্লেড দিয়ে কেটে দিয়েছিল দু’হাতের শিরা। অথচ এখন সে-সবের কিছু দেখা যাচ্ছে না। তাড়াতাড়ি কাছে গিয়ে পরখ করল জায়গাটা—এক ফোঁটা রক্তও নেই মেঝেতে। নিখুঁতভাবে সব পরিষ্কার করে ফেলা হয়েছে।

    শরীর আড়ষ্ট হয়ে উঠল কুয়াশার। কিছু একটা ঘটে গেছে ওর অনুপস্থিতিতে…. ভয়ানক কিছু! ভুল করেছে ও… মহা-ভুল! ভেবেছিল একবার ব্যর্থ হবার পর আর কাউকে পাঠানো হবে না এখানে… তাতে দ্বিতীয়জনের ফাঁদে পড়ার ভয় থাকে। কিন্তু ওর ধারণাকে মিথ্যে প্রমাণিত করে আবার লোক পাঠিয়েছে ফেনিস। আর তার অর্থ….

    নাতালিয়া!

    চরম অমঙ্গল আশঙ্কায় কেঁপে উঠল কুয়াশার বুক। সেলারের কানেক্টিং প্যাসেজ ধরে ছুটতে শুরু করল ও। হাতে বেরিয়ে এসেছে পিস্তল। কয়েক মিনিটের মধ্যে পৌঁছে গেল নাতালিয়ার বিল্ডিঙে। বেজমেন্টের সিঁড়ি ধরে দ্রুত উঠে এল নীচতলার ফয়েই-এ।

    হাসির শব্দ ভেসে আসছে সামনে থেকে একজন পুরুষ, অন্যজন মহিলা। ছায়ার মাঝে শরীর লুকিয়ে সন্তর্পণে উঁকি দিল ও। অল্পবয়েসী একজোড়া তরুণ-তরুণী উঠছে সিঁড়ি ধরে, ঠাট্টা মশকরা করছে পরস্পরের সঙ্গে। কয়েক মুহূর্ত ওদেরকে নিরীখ করল কুয়াশা, তারপর উঠে এল পিছনে। পিস্তলটা লুকিয়ে ফেলেছে কোটের পকেটে।

    ‘কিছু মনে কোরো না,’ চোস্ত রাশানে বলে উঠল ও। ‘আমাকে একটু সাহায্য করবে?’

    থেমে গেল তরুণ-তরুণী। ঘাড় ফিরিয়ে দেখল ওকে। মেয়েটা জিজ্ঞেস করল, ‘কী হয়েছে, আঙ্কেল?’

    ‘আমার গার্লফ্রেণ্ডকে নিয়ে একটু সমস্যায় পড়েছি,’ বিব্রত চেহারা বানিয়ে বলল কুয়াশা। কিরভ থিয়েটারে আজ সন্ধ্যায় অপেরা দেখতে যাবার কথা ছিল আমাদের। কিন্তু পুরনো এক বন্ধুর সঙ্গে আড্ডা দিতে গিয়ে ভুলে গিয়েছিলাম ব্যাপারটা। ভীষণ খেপে গেছে ও। ফোন-টোন ধরছে না। মাফ চাইতে এসেছি, কিন্তু আমার গলা শুনলে হয়তো দরজাই খুলবে না। তোমরা আমার হয়ে একটু নক করে দেবে দরজায়?’

    মুখ চাওয়াচাওয়ি করে মুচকি হাসল তরুণ-তরুণী। তারপর ছেলেটা বলল, ‘ক’তলায় থাকে আপনার বান্ধবী?’

    ‘তিনতলায়। চলো, আমি দেখিয়ে দিচ্ছি।’

    তরুণ-তরুণীকে নাতালিয়ার ফ্ল্যাটের সামনে নিয়ে গেল কুয়াশা। দরজা দেখিয়ে দিয়ে সরে গেল দেয়ালের আড়ালে। ঠোঁটের সামনে আঙুল তুলে ইশারা দিল ওদেরকে। মাথা ঝাঁকিয়ে পাল্লায় করাঘাত করল ছেলেটা। পকেটে হাত ঢোকাল কুয়াশা।

    কোনও সাড়া পাওয়া গেল না ভিতর থেকে। কুয়াশার দিকে তাকাল তরুণ। ইশারা পেয়ে আবার করাঘাত করল—এবার আগের চেয়ে জোরে। ফলাফল একই।

    ‘মনে হচ্ছে বাসায় কেউ নেই,’ বলল ছেলেটা!

    ‘আপনাকে ছাড়াই অপেরা দেখতে চলে গেছে হয়তো, ঠাট্টা করল মেয়েটা, ‘নতুন কোনও বন্ধুকে সঙ্গে নিয়ে।

    রসিকতায় হাসার চেষ্টা করল কুয়াশা, কিন্তু পারল না। খুব ভাল করেই বুঝতে পারছে, দরজার ওপাশে কী অপেক্ষা করছে।

    ‘‘আমি অপেক্ষা করব,’ বলল ও। ‘কষ্ট দেবার জন্য দুঃখিত। তোমাদেরকে ধন্যবাদ।’

    ওর কণ্ঠে বোধহয় কিছু একটা মিশে ছিল, তা থেকে তরুণী বুঝতে পারল, ঠাট্টা করা উচিত হয়নি। তাই লজ্জিত গলায় বলল, ‘আমি দুঃখিত।

    ‘আমি কিছু মনে করিনি।’

    শুভকামনা রইল আপনার জন্য,’ বলল তরুণ। সঙ্গিনীকে নিয়ে উপরতলায় চলে গেল

    উপরে দরজা বন্ধ হবার শব্দ শোনা পর্যন্ত স্থির রইল কুয়াশা তারপর নড়ল। পকেট থেকে বের করে আনল পিস্তল, সাবধানে হাত রাখল নাতালিয়ার দরজার নবে, আস্তে মোচড় দিল। মনে মনে প্রার্থনা করছিল, দরজা যেন তালাবদ্ধ থাকে; কিন্তু সে-প্রার্থনা কবুল হলো না। নব মোচড়াতেই মৃদু ক্যাঁচকোঁচ শব্দ তুলে খুলে গেল পাল্লা!

    –

    ভিতরে পা রাখতেই চোখে পড়ল তাণ্ডবের দৃশ্য। সামনের কামরা পুরো তছনছ করে ফেলা হয়েছে। ভেঙেচুরে ফেলা হয়েছে আসবাবপত্র-সোফার কুশন ছিঁড়ে তুলো বের করা হয়েছে, গুটিয়ে ফেলা হয়েছে কার্পেট, দেয়াল থেকে নামানো হয়েছে সবক’টা পেইন্টিং আর ছবির ফ্রেম। কাবার্ডের দরজা কজাসহ খুলে ফেলা হয়েছে। দেরাজগুলো খোলা, ভিতরের সব জিনিস মেঝেতে গড়াগড়ি খাচ্ছে। ব্যাপারটাকে ডাকাতি হিসেবে দেখানোর চেষ্টা আর কী। কিন্তু বাড়াবাড়ি করে ফেলেছে প্রতিপক্ষ, এতটা-না করলেও চলত। অভিজ্ঞ চোখে কুয়াশা বুঝল, ভিন্ন উদ্দেশ্য ছিল তাদের।

    সামনের কামরার ধ্বংসস্তূপ মাড়িয়ে বেডরুমের দিকে এগোল ও। দরজা পেরিয়েই থমকে দাঁড়াল… অপ্রত্যাশিত কিছু দেখছে না, তারপরেও বুক কেঁপে উঠল।

    বিছানার উপর পড়ে আছে নাতালিয়া সিমোনোভার নিষ্প্রাণ দেহ। উদোম… গা থেকে ছিঁড়ে নেয়া হয়েছে সমস্ত কাপড়। পড়ে থাকার ভঙ্গি বলে দিচ্ছে— মারা যাবার আগে ধর্ষণ করা হয়েছে ওকে। দৈহিক ক্ষুধা মেটানোর জন্য নয়, কুকীর্তিটা স্যাডিস্ট কোনও ডাকাতের বলে পুলিশের চোখে ধুলো দেবার জন্য। পুরো মুখে কালসিটে পড়েছে নাতালিয়ার, ফুলে আছে রক্তাক্ত ঠোঁট, চোখদুটো বুজে গেছে। বিছানা আর মেঝেতে পড়ে আছে কয়েকটা : ভাঙা দাঁত। নাকের ফুটো আর ঠোঁটের কোনা দিয়ে নেমে আসা রক্তে ভিজে গেছে বিছানার একটা অংশ।

    মুখ ফিরিয়ে নিল কুয়াশা। দাঁত দিয়ে কামড়ে ধরল নীচের ঠোঁট। তীব্র ক্রোধে ভরে উঠেছে অন্তরাত্মা। প্রতিশোধ নিতে হবে ওকে… ভয়ানক প্রতিশোধ। মনে মনে শপথ নিল ও, তারপর আবার তাকাল নাতালিয়ার দিকে। অব্যক্ত, এক বেদনায় বুকটা দুমড়ে-মুচড়ে যাচ্ছে ওর। নির্যাতনের বহর দেখে বোঝা যাচ্ছে, চরম ইন্টারোগেশনের মাঝেও মুখ খোলেনি মেয়েটা। বলে দেয়নি, কোথায় পাওয়া যাবে কুয়াশাকে। যদি বলেই দিত, তা হলে সল্টিকভ-শেদ্রিন লাইব্রেরিতে মাত্র একজন খুনি হাজির হতো না; দলবল নিয়ে আসত ওকে হত্যা করবার জন্য।

    ভাবনাটা মাথায় আসতেই আঁতকে উঠল কুয়াশা। নাতালিয়ার ফ্ল্যাটে দ্বিতীয়বার লোক পাঠানো হয়েছে, তা হলে আইভান শেভচেঙ্কোর কাছেও কি পাঠানো হবে না? বিছানার পাশে, সাইড-টেবিলের উপর শোভা পাচ্ছে নাতালিয়ার টেলিফোন; ছুটে গিয়ে রিসিভার তুলে নিল ও, কাঁপা কাঁপা হাতে ডায়াল করল শেভচেঙ্কোর নাম্বারে। এই লাইনে আড়ি পাতা হয়েছে কি না কে জানে, কিন্তু তা নিয়ে মাথা ঘামাবার সময় নেই। বৃদ্ধ লাইব্রেরিয়ানকে এখুনি সতর্ক করে দিতে হবে।

    একবার মাত্র রিং হলো, তারপরই রিসিভ করা হলো কল। ওপাশ থেকে খসখসে একটা কণ্ঠ বলল, ‘হ্যালো?’

    লাইব্রেরিয়ানের কন্ঠ নয় ওটা। কুয়াশা বলল, ‘মি. শেভচেঙ্কোকে দিন, প্লিজ।’

    ‘কে বলছেন?’

    ‘আমি ওঁর কলিগ—আন্তন রুদিনেস্কি। সন্ধ্যায় শুনেছিলাম শরীর ভাল না ওঁর। ডাক্তার পাঠাব কি না জানা দরকার

    ‘ভাল আছেন উনি,’ কাঠখোট্টা ভঙ্গিতে জানানো হলো।

    ‘তা হলে কথা বলতে দিন ওঁর সঙ্গে। একটা বই চেয়েছিলেন আমার কাছে… ওটা পাওয়া গেছে। খবরটা জানাতে চাই ওঁকে।’

    নীরবতা।

    ‘হ্যালো?’ একটু পর শেভচেঙ্কোর ক্ষীণ কণ্ঠ শোনা গেল ইয়ারপিসে। তাঁকে ফোন ধরতে দিয়েছে লোকটা, সম্ভবত পরিস্থিতি স্বাভাবিক বোঝানোর জন্যই।

    ‘আপনি ঠিক আছেন, সার? কে ধরেছে ফোন—শত্রু, নাকি মিত্র? ইশারায় বলুন আমাকে।’

    ইশারা করতে গেলেন না শেভচেঙ্কো। তার বদলে চেঁচিয়ে উঠলেন, ‘পালাও, কুয়াশা। এখুনি পালাও!! ওরা…’

    কথা শেষ হলো না বৃদ্ধের, তার আগেই কানে তালা লাগানো একটা বিস্ফোরণের আওয়াজ ভেসে এল ইয়ারপিসে। গুলির আওয়াজ! পরমুহূর্তে কেটে গেল লাইন।

    রিসিভার কানে ঠেকিয়ে মূর্তির মত বসে রইল কুয়াশা। খুন করেছে… ওর প্রিয় দু’জন মানুষকে খুন করেছে ফেনিস। বিনা অপরাধে। শুধুমাত্র ওকে সাহায্য করবার জন্যে। উপলব্ধিটা আসতেই রাগে অন্ধ হয়ে গেল ও, পাগলের মত ছুঁড়ে ফেলে দিল টেলিফোনটা। একটা শব্দই শুধু ঘুরপাক খাচ্ছে মাথায়।

    প্রতিশোধ!

    প্রতিশোধ!!

    প্রতিশোধ!!!

    নাতালিয়ার শরীর একটা চাদর দিয়ে ঢেকে দিল কুয়াশা, তারপর বেরিয়ে এল ফ্ল্যাট থেকে। রাস্তায় নেমে একটা ফোনবুদ খুঁজে নিল, রিং করল সিমনিকে। সময় নষ্ট করা চলবে না, যত দ্রুত সম্ভব ভাইনিকালা পৌছুতে হবে ওকে। সেখান থেকে হেলসিঙ্কি, তারপর এসেন। ভারাকিনের সূত্র ধরে ফেনিসের মাথাগুলোকে খুঁজে বের করবে ও, নিজ হাতে খুন করবে মানুষরূপী ওই পিশাচদের।

    ‘ইয়েস?’ ঘুমজড়িত গলায় ফোন রিসিভ করল সিম কিন।

    ‘এখুনি বেরিয়ে পড়ো, নির্দেশ দিল কুয়াশা। ‘রেল স্টেশনে আসতে হবে তোমাকে। প্রথম এন্ট্রান্সের সামনে অপেক্ষা করব আমি।’

    ‘এখন?’ বিরক্ত গলায় বলল সিমকিন। ঘড়ি দেখল বোধহয়। ‘একটাও তো বাজেনি। তুমি না বলেছিলে…’

    ‘কী বলেছি ভুলে যাও। যা বলছি, সেটা শোনো। বর্ডারের ওপাশে একটা গাড়ি ম্যানেজ করতে পারবে? যা টাকা লাগে দেব।’

    ‘দেখি আমার বন্ধুদের সঙ্গে কথা বলে।’

    ‘কথা পেঁচিয়ো না। পারবে কি না বলো।’

    ধমক খেয়ে সিধে হয়ে গেল সিমকিন। ‘পারব। তবে কয়েকটা ফোন করতে হবে আমাকে। পনেরো মিনিট সময় দাও!’

    যত খুশি সময় নাও, কিন্তু আধঘণ্টা পর রেল স্টেশনে তোমাকে দেখতে চাই আমি।’

    ঠিক পঁয়ত্রিশ মিনিট পর সিমকিনের পোবেদা ছুটল রাশা-ফিনল্যাণ্ড সীমান্তের পথে।

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ০২৯-৩০ – রক্তের রঙ (দুই খণ্ড একত্রে)
    Next Article মাসুদ রানা ৪১২ – সেই কুয়াশা (প্ৰথম খণ্ড)

    Related Articles

    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৩৮৫-৩৮৬ – হ্যাকার (দুই খণ্ড একত্রে)

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৬ – টপ টেরর

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৪ – নরপশু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৩ – ধর্মগুরু

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫২ – কালো কুয়াশা

    July 22, 2025
    কাজী আনোয়ার হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫১ – মায়া মন্দির

    July 22, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }