Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    কাজী মায়মুর হোসেন এক পাতা গল্প361 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত্যুঘণ্টা – ৩৮

    আটত্রিশ

    অনেকক্ষণ হলো দু’হাতে কপাল টিপে ধরে নিজের অফিসে বিলাসবহুল চেয়ারে বসে আছেন এনআরআই চিফ জেমস ব্রায়ান। ওই কাল্ট বা ভয়ঙ্কর ভাইরাসের বিষয়ে প্রেসিডেন্ট কখন সিদ্ধান্ত নেবেন, সেজন্যে বসে থাকলে সর্বনাশ হবে। কিন্তু নিজে তিনি কিছু করবেন এনআরআই চিফ হিসেবে, সেই ক্ষমতাও তাঁর নেই। জানেনই তো না কী করা উচিত। জরুরি নতুন কোনও তথ্য পেলে তা জানাবেন প্রেসিডেন্টকে, কিন্তু তেমন কোনও রিপোর্ট জমা দেয়নি কেউ।

    ব্রা-ব্রা আওয়াজ তুলে ইন্টারকম বেজে উঠতেই রিসিভার তুলে কানে ঠেকালেন ব্রায়ান। ‘বলছি।’

    ‘স্যর, লাউ আন,’ ওদিক থেকে বলল বিজ্ঞানী, ‘ওই ভাইরাসের কোড সম্পর্কে অদ্ভুত একটা দিক জেনেছি। আরও কিছু কথা জানতে চাই ফিল্ড অপারেটিভদের কাছ থেকে।’

    লাউ আনকে কথা দিয়েছিলেন ব্রায়ান, মোনার কর্পোরেশন থেকে জোগাড় করে দেবেন তথ্য। নতুন সব রিপোর্টও আসছিল, কিন্তু ওখানে চুরি বা ডাকাতি হয়ে যেতে এখন আর কোনও তথ্য পাচার করতে পারছে না এনআরআই-এর লোকটা।

    ‘আপাতত তা সম্ভব নয়,’ বললেন ব্রায়ান, ‘নতুন কিছু?’

    ‘ওই ভাইরাসের ভেতরের অংশ খুব অদ্ভুত।’

    ‘বিপজ্জনক?’

    ‘না, কিন্তু জড়।’ একবার কেশে নিল আন। ‘এলোমেলো নয়। আমার অন্তত তা-ই ধারণা।’

    ‘এসব থেকে কী বুঝছ?’ জানতে চাইলেন ব্রায়ান। তাঁর এখনও ধারণা, ওই কোডের ভেতর জরুরি কিছু থাকবে।

    ‘তেমন কিছুই বুঝতে পারিনি।’

    ‘এদিকে সময় ফুরিয়ে আসছে।

    ব্রায়ানের বামদিকের ইন্টারকম বাজল। তাঁর অ্যাসিস্ট্যান্ট বললেন, ‘প্রেসিডেন্টের চিফ অভ স্টাফ, স্যর। দু’ নম্বর লাইনে।’

    ‘এমন কিছু বের করো, যা দেখাতে পারি প্রেসিডেণ্টকে,’ লাউ আনকে বললেন ব্রায়ান।

    ‘সাধ্যমত করব, স্যর।’

    ইন্টারকম রেখে দিলেন ব্রায়ান। বড় করে দম নিলেন, তারপর টিপে দিলেন দু’ নম্বর লাইনের বাটন।

    .

    কঙ্গোয় মোনা আর ওর সম্পর্ক নিয়ে অতীত রোমন্থন করছে রানা। আপাতত কোনও কাজ নেই ওর।

    সেই বর্ষার রাতে গুড়-গুড় শব্দে মেঘ ডাকছিল। হারিয়ে গিয়েছিল ঝিঁঝি ও হাজারো পোকার ডাক।

    পুরনো, রং-চটা সবুজ স্ক্রিন-ডোর ঠিকভাবে বন্ধ হতো না, যদিও ঠেকিয়ে দিত বেশিরভাগ পোকাকে। দূর থেকে দরজার সরু ফাঁক দিয়ে কালো, ঘন জঙ্গল দেখছিল উদাস রানা।

    আঁধার রাতে আরম্ভ হলো ঝমঝম বৃষ্টি। করাগেটেড ছাতে এত জোরে পড়ছে, যেন হাতুড়ি দিয়ে ঠুকে দিচ্ছে অসংখ্য পেরেক। একটু পর দক্ষিণ-পশ্চিমে নামতে লাগল একের পর এক বাজ! ঝলসে উঠছে উজ্জ্বল সাদা-নীলচে আলো, প্রতিটা ঝিলিকের কয়েক সেকেণ্ড পর প্রচণ্ড আওয়াজে কেঁপে উঠছে ছোট্ট বাড়ি।

    তখনই হঠাৎ বেডরুম থেকে ছিটকে এল মোনা মোবারক, ধাক্কা দিয়ে দরজা খুলে বেরিয়ে গেল উঠানে। বিদ্যুতের ঝিলিকে রানা দেখল, মেয়েটার চোখ বিস্ফারিত। থমকে গিয়ে এদিক ওদিক তাকাল। যে-কোনও সময়ে দৌড়ে ঢুকবে গহীন জঙ্গলে।

    যখন-তখন মস্ত বিপদে পড়বে মেয়েটা। আঁধার বাড়ি থেকে বেরিয়ে এল রানা। দ্রুত পায়ে গিয়ে থামল মোনার সামনে।

    ‘স্বপ্নে দেখলাম তুমি চলে গেছ,’ কাঁপা গলায় বলল মোনা। দু’হাত তুলে খোঁপা করছে, মুখে স্বস্তি।

    ‘তোমাদের না নিয়ে কোথাও যাব না,’ বলল রানা। ‘আগেও তোমাকে বলেছি।’

    ‘জানি। বলেছ। কিন্তু ওরা আটকে রাখছে বাবাকে।’

    রানা কিছু বলার আগেই বাড়ির ভেতর ঝনঝন শব্দে বাজল পুরনো টেলিফোন। মোনার হাত ধরে ঘরে ফিরল ও, তুলে নিল তারযন্ত্রের রিসিভার। ওদিকের কথা শুনে মন্তব্য করল, ‘হ্যাঁ। বুঝতে পেরেছি।

    হতাশ হয়ে ছাত দেখল মোনা। বুঝে গেছে, কী হয়েছে। আজকেও বাবাকে ল্যাব থেকে বেরোতে দেবে না কঙ্গো আর্মির জেনারেলরা।

    রিসিভার নামিয়ে রাখল রানা।

    ‘বাবা আজও আসবেন না, তা-ই না?’ বেসুরো কণ্ঠে জানতে চাইল মোনা।

    ‘আপাতত তা-ই,’ বলল গম্ভীর রানা।

    ‘বাবা বুঝতেও পারছেন না এরা কী করছে,’ নালিশ করল মোনা। আবারও দেখল কালো আঁধার জঙ্গল। ওদিকে আছে ভয়ঙ্কর সব বিপদ। আবার ওদিক দিয়ে হয়তো পালাতে পারবে ওরা, পাবে মুক্তি।

    ওই মুক্তি মোনার চাই-ই চাই। যে কারণেই হোক, বাবার সঙ্গে আফ্রিকায় এসেছিল মেয়েটা, কিন্তু দিনের পর দিন বন্দিনীর মত সময় কাটিয়ে হয়ে উঠেছে প্রায় উন্মাদিনী। পরিষ্কার বুঝে গেছে, দূর থেকে দূরে মিলিয়ে যাচ্ছে মুক্তির স্বপ্ন। কয়েক মাস ধরেই মনোমালিন্য হচ্ছে তিন জেনারেলের ভেতর, কে আগে নিজের বিছানায় তুলবে মোনাকে। আপাতত একজন করে লোক রেখে পাহারার ব্যবস্থা করেছে তিন জেনারেল।

    লোভী হবে না কেন তারা? অপূর্ব সুন্দরী মোনা, ম্যাডোনার রূপ তো পেয়েইছে, বাঙালি মেয়েদের সহজ-সুন্দর কমনীয়তাও। তরুণী, স্বাস্থ্যবতী। পুরো আফ্রিকা ছুঁড়েও তো ওর মত কাউকে পাবে না জেনারেলরা! কাজেই ওকে জোর করে ধরে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করবে না কেন? তাদের বিরুদ্ধে টু শব্দ করবে কে, কার এত সাহস!

    এখানে এসে গত কয়েক দিনে রানা বুঝেছে, যে-কোনও সময়ে সশস্ত্র লোক এসে কিডন্যাপ করবে মোনাকে। প্রথমে পালা করে ধর্ষণ করবে, এরপর একসময় মেরে ফেলবে। একা কিছুই করতে পারবে না রানা, শত্রুদের ঠেকাতে গিয়ে মরতে হবে ওকে।

    চুপ করে মোনাকে দেখছে রানা।

    বড় করে দম নিচ্ছে বলে ফুলে উঠছে মেয়েটার সুডৌল বুক। বেচারি দমাতে চাইছে আতঙ্ক।

    ছোট্ট কিচেনের সিঙ্কের সামনে থেমে কল খুলল মোনা। ‘চারপাশে বন্যা, কাদাটে হয়ে গেছে খাবার পানি। সেদ্ধ করে বোতলে জমিয়ে রাখা উচিত। পালাবার সময় কাজে লাগবে। রানা, কালকে পালাতে পারব না আমরা?’

    ওর পাশে থেমে কল বন্ধ করল রানা। নরম সুরে বলল, ‘পরেও যথেষ্ট পানি পাব।’ মোনার হাত ধরে সরিয়ে নিল ও।

    অশ্রুভরা চোখে ওকে দেখল মোনা। গলা ভেঙে গেল, ‘পালাতে পারব না, রানা। মেরে ফেলবে ওরা। তার আগে…’

    ওর কণ্ঠে ভীষণ ভয় টের পাচ্ছে রানা। গত বেশ কয়েক দিন ধরে সুযোগ খুঁজছে ও, ডক্টর মোবারক আর মোনাকে নিয়ে বেরিয়ে যাবে কঙ্গো ছেড়ে। কিন্তু কাজটা বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। নানান কাজে ডক্টরকে আটকে রাখছে জেনারেলরা। একটু দূরের জঙ্গল থেকে চোখ রাখছে তাদের সশস্ত্র লোক।

    মোনা ও ডক্টর মোবারক ভয় পেতে শুরু করেছেন, জেনারেলরা বুঝে যাবে, ওরা পালাতে চাইছে। তাদেরকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে অনেক বেশি খাটছেন বিজ্ঞানী। কোনও কাজ নেই বলে ছোট্ট এই বাড়িতে অলস সময় কাটাচ্ছে রানা ও মোনা। বেশ কয়েকবার দেখেছে, ওদেরকে লক্ষ করছে একাধিক গার্ড।

    গত কয়েক দিন বৃষ্টি ভেতর বাইরে বেরিয়ে রানা দেখেছে, জঙ্গলে লুকিয়ে রাখা হয়েছে মিলিটারি জিপ। নিয়মিত নজর রাখা হচ্ছে ওদের ওপর। কিন্তু যে-কোনও দিন ধৈর্য হারিয়ে বসবে জেনারেলরা। তখন আর বাঁচার উপায় থাকবে না ওদের।

    আজ বিকেলে কাউকে দেখেনি রানা, হতে পারে পাহারা দিচ্ছে না কেউ। ল্যাবে কাজ করছেন ডক্টর। জেনারেলরা জানে, আজ রাতেও তুমুল বৃষ্টি হবে। পালাতে পারবে না কেউ।

    জানালা দিয়ে বাইরে তাকাল রানা। ধুলোর পথ ভিজে হয়েছে পিচ্ছিল কাদার নালা। বাড়ি থেকে পানি সরাতে গভীর ড্রেন কেটেছে রানা, নইলে এতক্ষণে তলিয়ে যেত মেঝে।

    ‘আজ কোথাও যাওয়া সম্ভব নয়।’ বলল রানা।

    ‘কবে চলে যাব আমরা?’

    ‘এখনও জানি না। বেশি দিন নেই। তবে আজ নয়।’

    চোখ সরিয়ে একবার শিউরে উঠল মোনা। গাল বেয়ে দরদর করে পড়তে লাগল অশ্রু। আবারও হাঁপিয়ে উঠছে। ফুলে গেল বুক। ভীষণ ভয় লাগছে ওর। যে-কোনও সময়ে কেঁদে ফেলবে হু-হু করে। চেহারা দেখে মনে হলো কিছু বলবে, কিন্তু তা না করে কাউন্টার থেকে খপ করে তুলে নিল ওদের ফোর-হুইল- ড্রাইভের চাবি। ঘুরেই এক দৌড়ে স্ক্রিন-ডোর খুলে বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে গেল।

    ঝমবাম বৃষ্টির ভেতর নতুন করে ভিজে গেল মেয়েটা। ছুটে গিয়ে থামল জিপের ড্রাইভিং দরজার পাশে।

    বাড়ি থেকে বেরিয়ে বৃষ্টির আওয়াজের ওপর দিয়ে বলল রানা, ‘রাস্তা কর্দমাক্ত, মোনা। কোথাও যেতে পারব না আমরা।’

    ‘ওরাও পারবে না!’ পাল্টা চেঁচাল মোনা।

    ‘বন্যার নদী পেরোতে পারব না’ বোঝাতে চাইল রানা। বড়জোর যেতে পারব অ্যাডজান্টার সেতু পর্যন্ত। ওরা ওখানে রেখেছে অন্তত এক শ’জন সৈনিক। পাগলামি কোরো না। অপেক্ষা করো। এই দফার বৃষ্টি থামলে তখন এই এলাকা ছেড়ে বেরিয়ে যাব।

    ‘নিশ্চয়ই অন্য কোনও পথ থাকবে?’

    মাথা নাড়ল রানা।

    ‘বলো, অন্য কোনও পথ থাকবে, রানা!’ আবারও কেঁদে ফেলল মোনা। যেন রানা চাইলেই তৈরি হবে পথ।

    মোনা জঙ্গলের দিকে দৌড়াতে শুরু করার আগেই ওর কবজি ধরে ফেলল রানা। ঝটকা দিয়ে কবজি ছুটিয়ে নিল মোনা, ধুপ্ করে বসে পড়ল কাদার ভেতর। পিঠ ঠেকিয়ে দিয়েছে জিপের গায়ে। ফুঁপিয়ে কাঁদছে। ক্লান্ত, পুরোপুরি অসহায়।

    ‘এভাবে বাঁচতে চাই না, রানা! দয়া করে মেরে ফেল! দয়া করো!’

    ‘আর কয়েকটা দিন সহ্য করো,’ মোনার পাশে বসল রানা। ‘পারছি না, আর পারছি না।’ বাচ্চা মেয়ের মত পিঠ দুলিয়ে কাঁদছে মোনা। ‘বাবাকে ছাড়বে না ওরা। শেষে মেরেই ফেলবে আমাদের তিনজনকে। বাঁচব না কেউ।’ দু’হাত কোলে রেখেছে মোনা। কাদার ভেতর পড়ে গেল জিপের চাবি।

    মেয়েটার কথা খুব মিথ্যা নয়, ভাবল রানা। গত চারবার গোপনে চলে যাওয়ার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। ফিরতে হয়েছে ঝড়- বৃষ্টির ভেতর। দু’বার ল্যাবে আটকা পড়েন ডক্টর মোবারক। তাঁকে বাড়ি ফিরতে দেয়া হয়নি।

    হাত ধরে মোনাকে দাঁড় করাল রানা, বুকে তুলে নিয়ে ফিরল বাড়ির ভেতর। ছেঁড়া পুতুলের মত নেতিয়ে গেছে মেয়েটা। একেবারেই জীবনী-শক্তিহীন। হারিয়ে ফেলেছে বাঁচার অর্থ।

    ‘আমার চোখে তাকাও,’ বলল রানা। বুকের সঙ্গে শক্ত করে জড়িয়ে রেখেছে মোনাকে।

    চোখ তুলে ওকে দেখল মেয়েটা।

    ‘প্রমিয করছি,’ নরম সুরে বলল রানা। ‘তোমার কোনও ক্ষতি হতে দেব না। বৃষ্টি থামলে ডক্টরকে ল্যাব থেকে তুলে নিয়ে চলে যাব বহু দূরে।’

    রানার বুকে মাথা রেখে দুর্বল হাতে ওকে জড়িয়ে ধরল মোনা। শীত ও ভয়ে থরথর করে কাঁপছে বেচারি। নীরবে কাঁদতে লাগল।

    কিচেনের কাউন্টারে ওকে নামাল রানা। সুন্দর মুখ থেকে সরিয়ে দিল ভেজা, কালো চুল। কয়েক ফুট দূরের দেয়ালের পেরেকে ঝুলছে তোয়ালে, ওটা আনতে পা বাড়াতে গিয়েও থেমে গেল। মৃদু হাসল। ‘শুকনো তোয়ালে চাইলে আমাকে ছেড়ে দিতে হবে।’

    ‘আমি ছেড়ে দিতে চাই না,’ সরাসরি রানার চোখে তাকাল মোনা, চোখে এখন ভয় নেই। রানাকে খুব কাছে পেয়ে নিজেকে নিরাপদ বলে মনে করছে।

    একটু থমকে গেল রানা।

    ঝুঁকে এসে ওর ঠোঁটে চুমু দিল মোনা। রানা পিছিয়ে গেল না বলে দু’হাতে ওকে আরও কাছে টানল মেয়েটা। এবারের চুমু অনেক গাঢ় ও গভীর। কয়েক সেকেণ্ড পর সাড়া দিল রানাও। ভেজা পোশাকে তপ্ত হয়ে উঠতে লাগল ওদের দেহ।

    মোনা সুন্দরী তরুণী, মানসিকভাবে পরিণত। ওর আগ্রহ দেখে কেটে গেল রানার সব দ্বিধা। মেয়েটাকে কাউন্টার থেকে মেঝেতে নামাল রানা। পরস্পরকে নিয়ে মগ্ন হয়ে উঠল ওরা। কোথায় উড়ে গেল সব ভয় ও দুশ্চিন্তা। ব্যস্ত হয়ে একে অপরের পোশাক খুলছে ওরা। রানার কানে ছোট্ট কামড় দিয়ে ফিসফিস করল মোনা, ‘বাকি জীবন পাশে চাই তোমাকে।’

    একটু চমকে গিয়ে বলল রানা, ‘সম্ভব নয়। তাতে ক্ষতি হবে তোমার।’

    ‘কীসের ক্ষতি?’

    ‘আমি ভবঘুরে মানুষ।’

    ‘আমিও তা-ই হব, অসুবিধে কী? ‘

    ‘এখন যে আবেগ নিয়ে ভাবছ, পরে সেটা কষ্ট দেবে।’ .

    ‘আমার মনে হয় না যে…’ চুপ হয়ে গেল মোনা।

    রানার নিষ্ঠুর ঠোঁট নামল তরুণীর লোভনীয় ঠোঁটে।

    অনেকক্ষণের জন্যে থেমে গেল সময়। তারপর স্থির হয়ে গেল ওরা। তৃপ্তি নিয়ে রানার বুকে শুয়ে থাকল মোনা। তখনই ছড়াৎ শব্দে খুলল পুরনো স্ক্রিন-ডোর।

    ঝট্ করে ঘুরে তাকাল রানা।

    ঘরে এসে ঢুকেছে দু’জন লোক। একজন শ্বেতাঙ্গ, অন্যজন কৃষ্ণাঙ্গ। তাদের পরনে ফ্যাটিগ। সাদা লোকটার হাতে জিপের চাবি। খ্যাঁক-খ্যাক করে হেসে উঠে বলল সে, ‘কিছু হারিয়ে ফেলেছ নাকি?’

    উঠে কাউন্টারে পিঠ ঠেকিয়ে দাঁড়াল রানা। একবার উলঙ্গ রানাকে আরেকবার মোনাকে কুঁতকুঁতে চোখে দেখছে দু’সৈনিক।

    সামনে মস্ত বড় বিপদ, টের পেল রানা। মোনার দিকে পিঠ ফিরিয়ে কাউন্টারে হাত রাখল। ওর আঙুল স্পর্শ করল ধারালো ছুরির বাঁট।

    ‘অপরূপা, তোমার ওই ফর্সা পাছা সত্যিই দারুণ।’ বলল শ্বেতাঙ্গ। কৃষ্ণাঙ্গ সৈনিকের দিকে ঘুরল। ‘তুমিও ভাগ চাও?’

    ‘তা আর বলতে? বল-খল করে হাসল কালো লোকটা।

    ওই একই সময়ে ছোরা হাতে লাফিয়ে সামনে বাড়ল রানা। রাইফেল হাতে ওর দিকে ঘুরছে শ্বেতাঙ্গ, কিন্তু তখনই পাঁজরের হাড়ের মাঝ দিয়ে গিয়ে তার হৃৎপিণ্ড ফুটো করল ছুরির ফলা। রাইফেলের ট্রিগারে আঙুলের চাপ পড়তেই মেঝেতে বিধল বুলেট।

    শ্বেতাঙ্গকে ঠেলে নিয়ে কৃষ্ণাঙ্গ সৈনিকের ওপর ফেলল রানা। হুড়মুড় করে মেঝেতে পড়ল ওরা তিনজন। মারাত্মক আহত লোকটার বুক থেকে ছুরি খুলেই কালো সৈনিকের ঘাড়ে কোপ বসাল রানা। কেটে গেছে মোটা শিরা, ছিটকে বেরোল রক্ত। কাত হয়ে গেছে কৃষ্ণাঙ্গের ঘাড়, উল্টে গেল চোখের মণি।

    মারাত্মক আহত দু’শত্রুর ঘাড় মেঝেতে চেপে ধরেছে রানা। মাত্র দু’মিনিটে লাশ হয়ে গেল তারা। তখনই গর্জে উঠল পিস্তল।

    ঘুরে দেখল রানা, এইমাত্র স্ক্রিন-ডোর পেরিয়ে মেঝেতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছে এক লোক, মৃত!

    উঠে দাঁড়িয়ে কিচেনের দিকে তাকাল রানা। ওর পিস্তল এখন মোনার হাতে। থরথর করে কাঁপছে মেয়েটি। কয়েক দিন আগে ডক্টর মোবারক আর মোনার সঙ্গে আলাপের সময় ওরা বলেছিল, মরে গেলেও কখনও কাউকে খুন করতে পারবে না। কিন্তু আজ উল্টো কাজই করেছে মোনা। প্রাণে বাঁচিয়ে দিয়েছে রানাকে।

    শ্বেতাঙ্গ সৈনিকের রাইফেল তুলে নিয়ে বাইরে উঁকি দিল উলঙ্গ রানা। উঠানের ওদিকে একটা হার্ডটপ জিপ। মনে হলো খালি।

    আবারও কিচেনে এসে রানা দেখল, খুব কাঁপছে মোনা। হাতের পিস্তল এখনও তাক করে রেখেছে মৃত লোকটার দিকে।

    ‘ঠিক আছে, আর ভয় নেই,’ আস্তে করে মোনার হাত থেকে পিস্তল নিল রানা।

    বার কয়েক চোখ পিটপিট করে রানাকে দেখল মোনা। তখনই গুড়-গুড়-কড়াৎ শব্দে খুব কাছেই পড়ল বাজ।

    ‘পোশাক পরে নাও,’ মেঝে থেকে তুলে মোনার হাতে ব্লাউয ও স্কার্ট ধরিয়ে দিল রানা।

    নীরবে পোশাক পরতে লাগল মেয়েটা।

    দ্রুত হাতে শার্ট ও প্যান্ট পরছে রানা। ‘এবার আমাদেরকে চলে যেতেই হবে।’

    বোকার মত জিজ্ঞেস করল মোনা, ‘কেন? কোথায় যাব?’

    ‘এই দেশ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে হবে,’ বলল রানা।

    ভয়ের বদলে মোনার চোখে স্বস্তি। খুশি, ভয়ঙ্কর এ কারাগার থেকে মুক্তি পাবে। জীবনে আর কখনও ফিরবে না এখানে।

    ‘যাওয়ার পথে ল্যাব থেকে তুলে নেব তোমার বাবাকে।’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন
    Next Article খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    Related Articles

    কাজী মায়মুর হোসেন

    অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    ধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মৃত্যু উপত্যকা – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }