Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    কাজী মায়মুর হোসেন এক পাতা গল্প361 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত্যুঘণ্টা – ৪২

    বিয়াল্লিশ

    এনআরআই সেফ হাউস থেকে পুরো দু’মাইল দূরে পরিত্যক্ত এক দালানে জুবায়ের পাশাকে নিয়ে এসেছে এলেনা রবার্টসন। বাইরে থেকে দেখে মনে হবে, একসময় মিলিটারির বড় গাড়ির জন্যে ডিপো ছিল এই দালান। কিন্তু ওপর থেকে গোলার আঘাতে ধসে গেছে ছাত। বালিতে জন্ম নিয়েছে মরুর কাঁটাগাছ।

    সবচেয়ে নীরব জায়গা বেছে গাড়ি রেখেছে এলেনা। তার নির্দেশ শুনে গাড়ি থেকে নেমে পড়ল আরব তরুণ। তাকে ভাঙা এক অফিসে নিয়ে এল এনআরআই এজেন্ট। দেয়ালের পাশে পুড়ে যাওয়া এক কেবিনেট। বোঝার উপায় নেই, ওটা বোমার কারণে এমন হয়েছে, না আগুনের তাপে। বালিভরা মেঝেতে জুবায়েরকে বসতে ইশারা করল এলেনা।

    রানা এক হাতের তালু ফুটো করে দিয়েছে বলে খুব সাবধানে মেঝেতে বসল জুবায়ের। প্রথমবারের মত মুখ খুলল, ‘আপনি আমার প্রাণ বাঁচিয়েছেন, ধন্যবাদ।’

    ‘চুপ করো!’ ধমক দিল এলেনা। তরুণের বুকে তাক করল ওয়ালথার। ‘যাদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাজে কাজ করছ, তারা সবাই খুনি। ডক্টর মোবারক বা ফ্রেঞ্চ পুলিশদেরকে খুন না করে থাকলেও, যারা এসব করেছে, তাদের সঙ্গে ছিলে তুমি।’

    ‘তা হলে আমাকে বাঁচালেন কেন?’ মৃদু বিস্ময় নিয়ে বলল জুবায়ের।

    ‘রানা তোমাকে খুন করলে নতুন কোনও তথ্য পেতাম না, ‘ সরাসরি বলল এলেনা।

    চুপ করে থাকল জুবায়ের।

    ওদেরকে আড়াল করছ কেন?’ জানতে চাইল এলেনা।

    ‘ওরা আমাকে আশ্রয় দিয়েছে,’ বলল তরুণ, ‘আমি এখন তাদের একজন। ‘

    ভালভাবেই ইংরেজি বলতে পারে সে, তবে ফ্রেঞ্চ টানে।

    ‘তুমি ওদের একজন হলে তোমাকে নিয়ে যেত,’ মন্তব্য করল এলেনা।

    ‘নিশ্চয়ই চেষ্টা করেছে।’

    ‘তেমন কিছু দেখিনি,’ বলল এনআরআই এজেন্ট। ‘সত্যি তারা এলে, তোমার মগজে একটা বুলেট গেঁথেই দায়িত্ব শেষ করবে। ওই একই কাজ করেছে তোমার বন্ধুদের বেলায়। ফ্রান্সে।’

    যেন ঝাঁকি খেল তরুণ। আড়ষ্ট কণ্ঠে বলল, ‘ওদেরকে গুলি করেছেন আপনি!’

    মাথা নাড়ল এলেনা। ‘কথা ঠিক নয়। সুযোগ পেলেও তোমাকে খুন করিনি। বন্দি করে এনে ইন্টারোগেট করেছি। আমরা ওই খুনে কাল্টের লোকদের মত খুনি নই।’

    কড়া চোখে এলেনাকে দেখল জুবায়ের। অবিশ্বাস করেছে প্রতিটা কথা।

    ‘যারা তথ্য দিতে পারে, তাদেরকে কেন খুন করব?’ মাথা নাড়ল এলেনা। ‘তোমার বন্ধুদেরকে খুন করিনি। তবে সুযোগ পেলে জিজ্ঞাসাবাদ করতাম। ওই একই কাজ করত ফ্রেঞ্চ পুলিশ। কিন্তু কাল্টের কেউ তাদেরকে মেরে ফেলেছে, যাতে মুখ খুলতে না পারে তারা।’

    এলেনার চোখে চোখ রেখে রেগে উঠল তরুণ। বুঝতে  পারছে না মেয়েটা সত্যি না মিথ্যা বলছে। তবে ওর মন বলল, বোধহয় সত্য। চোখ সরিয়ে নিল সে।

    ‘উদ্ধার করতে কেউ আসবে না,’ বলল এলেনা, ‘পরিত্যাগ করেছে ওরা তোমাকে। তুমি বাঁচলে না মরলে, তাতে তাদের কিছুই যায় আসে না। তোমাকে খরচের খাতায় তুলে দিয়েছে। …নাম কী তোমার?’

    ‘মামবা।’

    মাথা নাড়ল এলেনা।

    ‘নিশ্চয়ই ওরা ভেবেছিল আমি মরে গেছি,’ বলল জুবায়ের।

    ‘হাতে সময় ছিল, তুমি বেঁচে আছ না মরে গেছ, দেখতে পারত,’ বলল এলেনা, ‘চাইলে রানা, গ্রাহাম বা আমাকে খুনও করতে পারত, তারপর তোমাকে খুঁজে নিয়ে সরে যেতে পারত— তা করেনি। কোনও খোঁজ রাখেনি। বিশ্বাস করতে পারো আমার কথা: ওরা ভুলে গেছে তোমাকে। সত্যিকার অর্থে আবারও একা হয়ে গেছ তুমি।

    আরও বেশি দ্বিধায় পড়ল জুবায়ের। ‘আপনি নিজের বন্ধুকে গুলি করেছেন, আপনি নিজেও তো একা হয়ে গেলেন।’

    ম্লান হাসল এলেনা। কখনও খুব কঠিন হয় পৃথিবী। গম্ভীর কণ্ঠে বলল, ‘যা করা উচিত ভেবেছি, তা-ই করেছি। তুমি জরুরি তথ্য না দিলে ওর বন্ধু গ্রাহামের হাতে তুলে দেব। তার মানেই, খুন হবে তুমি।’

    কোনও জবাব দিল না জুবায়ের, দেখছে এলেনাকে। বুঝতে চাইছে, মেয়েটা কেমন ধরনের। আর যাই হোক, আবারও ওই অ্যাপার্টমেন্টে যেতে চায় না ও। মাসুদ রানার ইংরেজ বন্ধু লাশটা পাওয়ার পর, ওকে পেলে জানে বাঁচতে দেবে না।

    ‘আমি যদি মুখ খুলি, আমাকে কী করবেন আপনি?’

    ‘ছেড়ে দেব। চলে যেতে পারবে নিজের পথে।’ কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে জানতে চাইল এলেনা, ‘পুলিশের লোকগুলোকে খুন করেছিলে?’

    ‘না,’ গর্বিত চেহারায় মাথা নাড়ল জুবায়ের, ‘খুনি নই।’

    ‘অথচ পৃথিবীর বেশিরভাগ মানুষকে খুন করতে চাইছে, এমন একটা দলের সঙ্গে ভিড়ে গেছ— এর কী ব্যাখ্যা?’

    চিন্তায় ডুবে গেল জুবায়ের। মনে হলো এলেনার কথাটা স্পর্শ করেছে ওর হৃদয়। একটু পর বলল, ‘আমার ধারণা, আপনি চালাকি করে আমার কাছ থেকে সব জেনে নিতে চাইছেন।’

    কথাটা পাত্তা না দিয়ে সহজ সুরে বলল এলেনা, ‘ওরা পৃথিবী জুড়ে ছড়িয়ে দিতে চাইছে ভয়ঙ্কর একটা ভাইরাস। কোটি কোটি মানুষ না খেয়ে মরবে। দেশে দেশে হবে যুদ্ধ। ঘৃণা ও হিংসা থাকবে চারপাশে। ইচ্ছে করলে তুমি এসব ঠেকাতে পারো।’

    ‘আমি? কী করে? সামান্য মানুষ। আজ আছি তো কাল নেই।

    ‘তুমি বলতে পারো, ওরা কোথায় নিয়েছে ওই মেয়েকে।’ চুপ করে থাকল জুবায়ের।

    ‘ওই মেয়ে জানে কীভাবে তৈরি করতে হয় সেই ভয়ঙ্কর ভাইরাস।’

    দূরে চেয়ে রইল জুবায়ের।

    ‘তোমার আসল নাম কী?’ জানতে চাইল এলেনা। ‘আসল নাম কারও মামবা হতে পারে না। তুমি আরব।’

    ‘কী যায় আসে নাম দিয়ে?’ বলল জুবায়ের। ‘ফ্রান্সের লোক আমাদের বলে নোংরা আরব। থুতু ফেলে মুখে। নাগরিক হিসেবে আমি ফ্রেঞ্চ, কিন্তু ওরা দেখতে পারে না দু’চোখে। মাজা সোজা করে দাঁড়াতে গেলে দল বেঁধে বুক-পিঠ ভেঙে দেয়। মানুষ বলেই মনে করে না, আমরা মরে গেলেই যেন খুশি হবে।’

    ‘আমরা বলতে কারা?’ জানতে চাইল এলেনা।

    ‘যারা আমার মত,’ তিক্ত সুরে বলল জুবায়ের।

    ‘তোমার বন্ধুদের কথা বলছ, যাদেরকে মেরে ফেলেছে কাল্টের লোক?’

    ‘আমি আসলে… জানি না…’ হ্যাণ্ডকাফ ধরে নাড়তে লাগল জুবায়ের। ফুলে গেছে নাকের পাটা। রাগ হচ্ছে ওর। ‘ওরা খুন করবে কেন?’

    ‘জানি না, কিন্তু তা-ই করেছে,’ নরম সুরে বলল এলেনা। ‘বলো, তুমি কোথা থেকে এসেছ? বললে তো ক্ষতি নেই।’ এর আগে অন্তত এক শ’বার এই প্রশ্ন করেছে। জবাবও ওর জানা, কিন্তু তরুণের মুখ থেকে শুনতে চাইছে। একবার সত্য বললে সেই সুযোগ নিয়ে আরও তথ্য আদায় করবে। ব্যাপারটা নদীর বাঁধের মত। একবার ফাটল ধরলে হুড়মুড় করে ভাঙবে সব।

    ‘লে কুখনেইভ,’ একটু পর বলল মামবা ওরফে জুবায়ের।

    ‘তোমার নাম?’ নরম সুরে বলল এলেনা, ‘সত্যিকারের?’

    চোখ সরিয়ে দূরে তাকাল তরুণ।

    ‘সত্যি বললে ভাল কোনও দেশে তোমাকে পাঠিয়ে দেব, ‘ বলল এলেনা। ‘নামটা কী তোমার?

    ‘জানতে চাইছেন কেন?’

    ‘কারণ, আমার লোক আসার আগেই তোমার লোক এলে খুন হবে, তখন আর কাউকে কিছু জানাতে পারবে না।’

    ‘প্রভু আমার নাম দিয়েছেন মামবা।’

    ‘মা আমার নাম রেখেছে এলেনা। তোমার নাম কে রেখেছিল— বাবা না মা?’

    বিষণ্ন হয়ে চুপ করে আছে তরুণ। কী যেন ভাবছে। কিছুক্ষণ পর আবারও মেঝে দেখল। ‘আমার নাম বাবা-মা রেখেছিলেন জুবায়ের পাশা। আমার নানার নামে।’

    ‘তোমার বাবা-মা আদর করতেন না?’ জানতে চাইল এলেনা।

    ‘নিশ্চয়ই,’ গলা সামান্য চড়ে গেল জুবায়েরের। ‘আমিও ভালবাসি তাঁদেরকে। আমার বাবা আর নেই, মা আছেন। আমি আমার পরিবারের সবাইকে ভালবাসি।’

    এবার আলাপের সুযোগ হয়েছে, বুঝল এলেনা। ‘তুমি কি জানো না কাল্টের লোক কী করছে? কীভাবে সর্বনাশ করবে পৃথিবীর? আমরা সবাই ক্ষতিগ্রস্ত হব। যাদেরকে ভালবাসো, সবার সর্বনাশ হবে। সবাই মিলে কষ্টের ভেতর পড়ব।’

    ‘আমাদের প্রতি যে অন্যায় করা হয়েছে, তার জবাব দেব আমরা,’ আত্মপক্ষ সমর্থন করল জুবায়ের।

    ‘অন্যায় ঠেকানো, আর নিজেরা অন্যায় করা সম্পূর্ণ আলাদা কথা,’ বলল এলেনা, ‘আসলে বিশ্বে সত্যি বিচার নেই। বরাবরের মতই, ধনী হবে আরও বড়লোক, সাধারণ মানুষ হবে আরও গরীব। অনেক বেশি কষ্টে পড়বে তারা। পেট পুরে খেতে পাবে না। থাকবে না মাথার ওপর ছাত। চারপাশে শুরু হবে যুদ্ধ ও ধ্বংসের মাতম। সেসবই ডেকে আনছে তোমার ওই কাল্ট।’

    মাথা নাড়ল জুবায়ের। ‘না, আমাদেরকে ভয় পাবে ধনীরা।’

    ‘হ্যাঁ, ভয় পাবে,’ সায় দিল এলেনা, ‘তাই হামলার জন্যে আর্মিকে টাকা দেবে ওরা। তোমার পরিবার পড়বে কঠিন কষ্টের ভেতর। পৃথিবী জুড়ে মানুষ দেখবে সত্যিকারের দুঃস্বপ্ন। চাকরি হারাবে পরিবারের সবাই। লাঞ্ছনার শেষ থাকবে না। এসবই হবে তোমার কারণে। তাদের কপাল পুড়িয়ে দিচ্ছ তুমি।’

    ‘এসব কিছুই হবে না,’ রেগে গিয়ে বলল জুবায়ের।

    ‘তা-ই হবে,’ নরম সুরে বলল এলেনা, ‘তুমিও জানো।’

    ‘আর আপনাকে সাহায্য করলে ভবিষ্যতে কী পরিবর্তন হবে এই দুনিয়ার?’ জুবায়েরের কথা থেকে ঝরল তিক্ত বিষ।

    ছেলেটা মিথ্যা বলছে না, ভাবল এলেনা। সত্যিই তো, কী  পাবে গরীব মানুষ! ‘অন্তত কোটি কোটি মানুষ খুন হবে না,’ বলল ও।

    ‘ভালভাবে বাঁচার অধিকার পাবে আমার পরিবার?’

    ‘সে-কথা দিতে পারব না,’ বলল এলেনা, ‘কিন্তু পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে না, এটা জানি। নিজের ছেলেকে ফিরে পাবে তোমার মা।’

    ‘আপনাকে কিছুই বলব না,’ বলল জুবায়ের।

    ‘অন্যায় গোপন করে কিছুই লাভ হবে না তোমার,’ বলল এলেনা। বিরক্ত হয়ে গেছে। ‘বড়লোক বা অমর হবে না, পাবে না খ্যাতি। আসলে পাবে চরম শাস্তি।’

    ‘স্রষ্টা নেই যে শাস্তি দেবে,’ বলল জুবায়ের।

    ‘তুমি না মানলেও অনেকে বিশ্বাস করে তিনি আছেন,’ বলল এলেনা, ‘তাঁর ওপর রাগতে গেলেও অলৌকিক অস্তিত্ব বিশ্বাস করতে হবে। তুমি স্রষ্টাকে ঘৃণা করো, কারণ তোমাকে তেমন কিছুই দেননি। তার মানেই মেনে নিয়েছ, তিনি আছেন।’

    ‘আমার রাগ নেই তার ওপর, কারণ সে তো নেই,’ বলল জুবায়ের। চোখ সরিয়ে নিল।

    এলেনা বুঝল, নীরব থাকলে আবারও শামুকের খোলসের ভেতর ঢুকে পড়বে তরুণ। মামবা নামের আড়াল নিয়ে রক্ষা করবে নিজেকে। হাতে সময় নেই, অথচ এর মুখ থেকে জরুরি তথ্য জোগাড় করা খুবই জরুরি।

    ‘স্রষ্টা থাকুক বা না থাকুক, তুমি পৌঁছে গেছ নিশ্চিত মৃত্যুর মুখে,’ বলল এলেনা। ‘আমাদেরকে খুঁজে নেবে আমার বন্ধুরা। তখন শেকল দিয়ে হাত-পা বেঁধে ফেলবে গভীর অন্ধকার কূপে। ওখানে থাকবে মৃত্যু পর্যন্ত। ওটাই হয়তো সত্যিকারের নরক। মিথ্যা বলব না, সে সময়ে যে প্রচণ্ড নির্যাতন করা হবে, তার তুলনা দেয়ার সাধ্য আমার নেই। এক এক করে পেট থেকে বের করে নেয়া হবে সব তথ্য। শেষে মেরে ফেলা হবে।’

    ‘কিন্তু একটা কথাও বেরোবে না আমার মুখ থেকে।’

    ‘ভুল বললে,’ বলল এলেনা। ‘আমাকে না বললেও ওদেরকে সবই বলবে। একটা একটা করে হাত-পায়ের হাড় ভাঙবে ওরা। শেষ পর্যন্ত হয়ে উঠবে চিরকালের জন্যে পঙ্গু। হয়তো তখন খুন করবে না তোমাকে। মরে যেতে চাইলেও মরতে পারবে না। ওটাই হবে সত্যিকারের কষ্টের জীবন।’

    মুখ তুলে এলেনাকে দেখল জুবায়ের। বিষণ্ন সুরে বলল, ‘আর কিছু বলবেন?’

    ‘মিথ্যা বলছি না, আমি চাই তুমি রক্ষা পাও,’ বলল এলেনা। মেঝের দিকে চোখ নামিয়ে নিল জুবায়ের। ঘুমের অভাবে ও মারধর খেয়ে খুব দুর্বল বোধ করছে সে।

    এবার বুঝি মুখ খুলবে ছেলেটা, ভাবল এলেনা। আস্তে করে বলল, ‘প্লিয, জুবায়ের।’

    মেঝে থেকে চোখ তুলল না তরুণ।

    ‘প্লিয, জুবায়ের।’

    জুবায়েরের চোখ মেঝেতে। মনে হলো একটা ঘোরের ভেতর আছে। কিছুক্ষণ পর বলল, ‘ওখানে একটা দ্বীপ আছে।

    ‘কোথায় সেই দ্বীপ?’

    ‘ইরান উপসাগরে,’ মেঝে দেখছে জুবায়ের। মাথা কাত করে দেখিয়ে দিল পারস্য উপসাগরের দক্ষিণ দিক। ‘কয়েকটা দালানে বোমা পড়েছিল। তীরের কাছে মালটানা জাহাজও আছে। পাথরে আটকা পড়েছে। ওই মেয়েকে ওখানে নিয়ে গেছে ওরা।’ মুখ না তুলে দুলছে জুবায়ের। ‘ওখানে নিয়েছে আপনাদের বান্ধবীকে।’

    ‘ওই দ্বীপের নাম বলতে পারো?’

    ‘নাম জানি না।’

    ‘নামটা মনে করার চেষ্টা করো, জুবায়ের,’ বলল এলেনা।  ‘আমরা হয়তো তাদেরকে ঠেকিয়ে দিতে পারব।’

    ‘হয়তো পারবেন,’ বিড়বিড় করল জুবায়ের, ‘বোটে গেলে ওখানে যেতে লাগে বড়জোর এক ঘণ্টা। কিন্তু কোনও নাম শুনিনি ওই দ্বীপের। অনেক পাখি আছে ওখানে। ‘

    বড় করে শ্বাস নিল এলেনা, ওর অন্তর বলল, সত্যি কথাই বলেছে জুবায়ের। বোমা পড়া এক দ্বীপ। পারস্য উপসাগরে। ওখানে পাথরে আটকা পড়েছে ফ্রেইটার। স্যাটালাইট ওদিক দিয়ে গেলেই চোখে পড়বে ওই দ্বীপ। জায়গাটা খুঁজে পেলেই হামলা করবে ওরা, ঠেকিয়ে দেবে ওই কাল্টকে!

    ‘ওদের কাছে মিসাইল আছে,’ বলল জুবায়ের, ‘নিজ চোখে দেখেছি। ওগুলো দিয়ে ভাইরাস ছড়িয়ে দেবে।’

    শীতল স্রোত নামল এলেনার মেরুদণ্ড বেয়ে। মিসাইল পেলে আর কী চাই কাল্টের! এরই ভেতর পেরিয়ে গেছে সতেরো ঘণ্টা। এখনও হয়তো ঠেকিয়ে দেয়ার সামান্য সুযোগ আছে। ‘অনেক ধন্যবাদ, জুবায়ের,’ বলল এলেনা।

    জবাব দিল না তরুণ। চুপ করে দেখছে মেঝে। গাল বেয়ে টপটপ করে পড়ছে অশ্রু। ‘অনেক খারাপ কাজ করে ফেলেছি, ‘ ভাঙা গলায় বলল।

    ‘আমরা তো মানুষ, ভুল তো করিই,’ বলল এলেনা।

    মুখ তুলে তাকাল জুবায়ের। ‘আমি তাদের ভেতর সবচেয়ে খারাপ শ্রেণীর— গাদ্দার। দয়া করে আমাকে খুন করে রেখে যান।’

    বিশ বছর বয়স হয়নি জুবায়েরের, যত খারাপ কাজই করুক, ওর জন্যে বুকে কষ্ট লাগছে এলেনার। যারা ধর্মের নামে মানুষকে খুন করছে বা যা খুশি করে বেড়াচ্ছে, তাদের মতই ওই কাল্টের নেতারা, তাদের শিকার হয়েছে বেচারা জুবায়ের।

    ‘মৃত্যু চাওয়া উচিত নয় তোমার,’ বলল এলেনা।

    ‘খুন করার আগে টিটকারি দেবে, অনেক অত্যাচার করবে, ‘ দুর্বল স্বরে বলল জুবায়ের।

    হাত বাড়িয়ে ওর চোখ মুছিয়ে দিল. এলেনা।

    ফুঁপিয়ে কাঁদতে লাগল তরুণ। ভেঙে গেছে বুক। মুখ তুলে দেখল এলেনাকে। গাল ভেসে যাচ্ছে অশ্রুর স্রোতে। বিড়বিড় করে বলল, ‘ওরা বলবে, আমি গাদ্দার। সত্যিই তা-ই। সর্বশক্তিমানের কথা ভুলে ওদের সঙ্গে মিশতে গিয়েছিলাম, আবার ওদের সঙ্গেও গাদ্দারি করেছি।’

    ‘এসব ভুল কথা,’ বলল এলেনা।

    ‘তা-ই বলবে ওরা,’ জোর দিয়ে বলল জুবায়ের।

    ‘না,’ মাথা নাড়ল এলেনা, ‘ভালরা বলবে, ওই যে দেখো জুবায়ের পাশাকে। সে সবচেয়ে কালো আঁধারে ইবলিশকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিল, নইলে আজ ধ্বংস হতো পৃথিবী। নইলে আমরা কেউ বাঁচতে পারতাম না।’

    বিস্ফারিত চোখে এলেনাকে দেখল জুবায়ের, চোখে সামান্য আশার আলো। এখনও ফুঁপিয়ে কাঁদছে, কিন্তু থেমে গেছে প্রলাপ।

    পেরিয়ে গেল মিনিট দশেক। বন্ধ হলো কান্না। জুবায়েরের হাতে এখনও হ্যাণ্ডকাফ, কিন্তু ওকে আস্তে করে মেঝেতে শুইয়ে দিল এলেনা। হাত বুলিয়ে দিল ওর কপালে। একটু পর ঘুমিয়ে পড়ল ক্লান্ত তরুণ।

    ছোট্ট ঘরটা ছেড়ে বেরিয়ে দরজা বন্ধ করে দিল এলেনা। পরে এনআরআই-এর এজেন্টরা এসে সরিয়ে নেবে জুবায়েরকে। বসের সঙ্গে আলাপ করবে ও, যেন ছেলেটাকে ছোটখাটো কোনও চাকরি দেয়া হয় আমেরিকায়।

    নিজের গাড়ির কাছে পৌছে গেল এলেনা।

    গাড়ির পাশে আঁধারে দাঁড়িয়ে আছে এক লোক।

    ‘বলল কিছু?’ জানতে চাইল রানা।

    আস্তে করে মাথা দোলাল এলেনা, খুব ক্লান্ত। ‘তোমাকে গুলি করতে হয়েছে ভাবতে গেলে মরে যেতে ইচ্ছে করছে।’

    ‘কাজ তো হলো?’ হাসল রানা। ‘কিন্তু কখনও রায়ট পুলিশ বলতে এলে যে রাবারের বুলেটে তেমন ব্যথা লাগে না, দেরি না করে ছিঁড়ে নেব তার কান!’

    ‘লাল রঙের কমবিনেশন দারুণ ছিল।’

    ‘ভয়ঙ্কর নির্যাতনকারীর রোল করতে গিয়ে আরেকটু হলে বুক থেকে ব্যাগটাই পড়ে যেত,’ বলল রানা।

    ‘যার শেষ ভাল, তার সবই ঠিক,’ মৃদু হাসল এলেনা। ‘এবার এনআরআই এজেন্ট সরিয়ে নেবে জুবায়েরকে। পরে পাঠিয়ে দেবে ওকে আমেরিকায়। ওর মাকেও। যার ভেতর দিয়ে গেল, চাই না এরপর ওদের কষ্ট আরও বাড়ুক

    মৃদু মাথা দোলাল রানা। ‘আমারও মনে হয়েছে, ছেলে হিসেবে খারাপ নয় ও। সবারই ভুল হয়। কম আর বেশি।

    রানার চোখে চোখ রাখল এলেনা। বাঙালি গুপ্তচরের অদ্ভুত গুণ, কাউকে ছোট করে দেখে না। প্রয়োজনে যেমন কঠোর হতে জানে, তেমনি মানুষের উপকারে লাগতেও দেরি করে না। ফিসফিস করে বলল এলেনা, ‘আমি তোমাকে ভালবাসি, রানা!’

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন
    Next Article খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    Related Articles

    কাজী মায়মুর হোসেন

    অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    ধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মৃত্যু উপত্যকা – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }