Close Menu
এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    What's Hot

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)
    • 📙
    • লেখক
    • শ্রেণী
      • ছোটগল্প
      • ভৌতিক গল্প
      • প্রবন্ধ
      • উপন্যাস
      • রূপকথা
      • প্রেমকাহিনী
      • রহস্যগল্প
      • হাস্যকৌতুক
      • আত্মজীবনী
      • ঐতিহাসিক
      • নাটক
      • নারী বিষয়ক কাহিনী
      • ভ্রমণকাহিনী
      • শিশু সাহিত্য
      • সামাজিক গল্প
      • স্মৃতিকথা
    • কবিতা
    • লিখুন
    • চলিতভাষার
    • শীর্ষলেখক
      • রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
      • বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
      • শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
      • বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
      • সত্যজিৎ রায়
      • সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
      • বুদ্ধদেব গুহ
      • জীবনানন্দ দাশ
      • আশাপূর্ণা দেবী
      • কাজী নজরুল ইসলাম
      • জসীম উদ্দীন
      • তসলিমা নাসরিন
      • মহাশ্বেতা দেবী
      • মাইকেল মধুসূদন দত্ত
      • মৈত্রেয়ী দেবী
      • লীলা মজুমদার
      • শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়
      • সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
      • সমরেশ মজুমদার
      • হুমায়ুন আহমেদ
    • English Books
      • Jules Verne
    • 🔖
    • ➜]
    Subscribe
    এক পাতা গল্প বাংলা গল্প | Bangla Golpo | Read Best Bangla Stories @ Ekpatagolpo (Bangla)

    মাসুদ রানা ৪৪৮ – মৃত্যুঘণ্টা

    কাজী মায়মুর হোসেন এক পাতা গল্প361 Mins Read0
    ⤶ ⤷

    মৃত্যুঘণ্টা – ৫

    পাঁচ

    অপরূপা প্যারিস।

    আকাশের বুক ভেদ করে সোজা পুরো এক হাজার ফুট ওপরে উঠেছে ফ্রান্সের লৌহমানবী, চোখ জুড়িয়ে যাওয়ার মতই গঠন, তেমনি তার মনোরম গড়ন। প্রকাণ্ড আইফেল টাওয়ারের সামনে পৌঁছে ওপরে চোখ তুললেন জেনেটিক বিজ্ঞানী ডক্টর আহসান মোবারক। অবযার্ভেশন ডেক-এ থাকার কথা এক ইরানিয়ান লোকের, সঙ্গে করে এনেছে সে আজ থেকে সাত হাজার বছর আগে খোদাই করা অমূল্য এক ট্যাবলেট। শুধু যে প্রাচীন তা-ই নয়, ওটা বলে দেবে এমন সব তথ্য, যার তুলনা নেই। ওটা যেমন আসবে ভাল কাজে, তেমনি একটু এদিক- ওদিক হলেই সর্বনাশ হবে মানব-সভ্যতার।

    চারপাশে হাজার মানুষের ভিড়েও নিজেকে বড় একা লাগল ডক্টর মোবারকের। সাহায্য চেয়ে খবর দিয়েছিলেন, কিন্তু কই, এল না মাসুদ রানা। এরই ভেতর অনেক দেরি করে ফেলেছেন। শেষে উপায় না দেখে বেরিয়ে এসেছেন গোপন আস্তানা ছেড়ে। যে মস্ত ঝুঁকি নিয়েছেন, যখন তখন খুন হয়ে যেতে পারেন এখন।

    অত ওপরে চেয়ে এখন মাথা ঘুরছে মোবারকের, চোখ নিচু করে দেখলেন চারপাশে শত শত টুরিস্ট। সবার সঙ্গে মিশে চললেন এলিভেটর লক্ষ্য করে। ভুলেও তাড়াহুড়ো করছেন না। চাইছেন না বাড়তি মনোযোগ দিক কেউ।

    চট্ করে কেউ বুঝবে না, তিনি চিন্তিত। বয়স কম-বেশি ষাট, মাঝারি আকারের মানুষ। কালো চুল খাটো। পৃথিবীতে এমন বহু লোক আছে, যাদের দিকে দ্বিতীয়বার তাকিয়ে দেখবে না কেউ, তিনিও তেমনই একজন।

    জেনেটিক বিজ্ঞানী হিসেবে একসময় ছড়িয়ে পড়েছিল নাম। বিখ্যাত জন্স হপকিন্স ইউনিভার্সিটির ছাত্র ছিলেন। পরে কিছু দিন ছাত্র পড়ান ওখানেই, ছিলেন নোবেল ক্যাণ্ডিডেট। পরে ইউনিভার্সিটির চাকরি ছেড়ে যোগ দেন নামকরা এক জেনেটিক  প্রতিষ্ঠানে। অনেকের সঙ্গে মিলেমিশে কাজ করতে হবে, তাই সেখানেও ভাল লাগেনি। এরপর কাজ করেছেন বহু দেশের নানান প্রতিষ্ঠানের হয়ে।

    আর এ কারণেই বিপজ্জনক লোক বলে চিহ্নিত করেছে তাঁকে ইন্টারপোল, প্রথম সুযোগে বন্দি করা হবে। খারাপ কিছু করেছেন তা নয়, কিন্তু যখন-তখন মারাত্মক কিছু করবেন, সেজন্যে হাই-প্রায়োরিটি লিস্টে তোলা হয়েছে তাঁর নাম।

    পৃথিবীর সেরা সব ল্যাবোরেটরিতে কাজ করেছেন। বাদ পড়েনি ইউএস সরকারি গবেষণাগার। জাদু দেখিয়ে দিয়েছেন। তাঁর মত করে ভাঙতে পারেনি কেউ জেনেটিক কোড। খুব ভাল করেই জানেন, কীভাবে তৈরি হতে পারে বায়োলজিকাল ওয়েপন।

    কয়েক বছর আগে নতুন করে ছড়িয়ে পড়েছিল একটা খবর: জেনেটিক বিজ্ঞানী আহসান মোবারকের অনেক টাকা দরকার। কেন চাই, সে রহস্য ভেদ করা যায়নি। তবে ভয় পেতে শুরু করেছিল সিআইএ ও অন্যান্য পশ্চিমা সিকিউরিটি সার্ভিস।

    এখনও কোনও অন্যায় করিনি, মনে মনে বললেন মোবারক।

    এটা অর্ধ সত্য। বাকিটা মিথ্যা।

    যখন-তখন ভাল বা খারাপ যে-কোনও কিছু করবেন তিনি হাঁটতে হাঁটতে মাথা নাড়লেন মোবারক। সামনের মিটিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অনেক ভেবে ঠিক করেছেন, আবু রশিদের সঙ্গে আলাপ করবেন ফ্রান্সের পাবলিক স্পেসে। আশা করছেন, আগে যাদের হয়ে কাজ করতেন, তারা এখানে এসে ধরতে পারবে না তাঁকে। খুব চাপ তৈরি করেছিল তারা। পালিয়ে না এসে উপায় ছিল না। আরেকটু হলে কেড়ে নিত তাঁর গবেষণালব্ধ সবকিছু। সেক্ষেত্রে সর্বনাশ হতো পৃথিবীর।

    ভয় লাগতেই একবার শিউরে উঠলেন তিনি। কপাল ভাল, ঠিক সময়ে সরে যেতে পেরেছিলেন ওদের কাছ থেকে। এবার বাকি কাজ শেষ করবেন আড়ালে বসে। যদি দেখেন গবেষণার কারণে তৈরি হয়েছে ভয়ঙ্কর কোনও প্রতিক্রিয়া, দেরি না করে নষ্ট করে দেবেন তাঁর রিসার্চের সব ফলাফল।

    কিন্তু আপাতত ওই রিসার্চ না করে উপায়ও নেই তাঁর।

    ‘এক্সকিউয মি,’ একদল জাপানিজ টুরিস্টের মাঝ দিয়ে গেলেন মোবারক। ‘মার্সি, মার্সি!’ আরও কয়েক পা গিয়ে উঠে পড়লেন ভিড় ভরা এলিভেটরে। ঊরুর পাশে শক্ত হাতে ধরেছেন কমপিউটার ব্যাগ। দরজা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে এলিভেটরে উঠল আরও কয়েকজন যাত্রী।

    ভিড়ের প্লাযায় চোখ গেল মোবারকের। এইমাত্র ঘুরে ওকে দেখল এক যণ্ডার্ম। একবার কার উদ্দেশে সামান্য মাথা দোলাল লোকটা, চোখে কীসের যেন দ্বিধা।

    ধক করে উঠল মোবারকের হৃৎপিণ্ড। এলিভেটরের দিকে পা বাড়িয়ে দিয়েছে যণ্ডার্ম। তাড়া নেই তার। আসলে এদিকে যে আসবে, তা-ও ঠিকভাবে বোঝা গেল না।

    এইমাত্র বুজে গেল এলিভেটরের দরজা। মৃদু আওয়াজ তুলে উঠতে লাগল লোহার মস্ত বাক্স।

    বড় করে দম নিলেন মোবারক। মনে মনে আশা করলেন, বিপদ হবে না। একবার অবযার্ভেশন ডেক-এ উঠে ভাববেন পরের কথা। বড় ভারী লাগছে কমপিউটার কেস, ভেতরে রেখেছেন তাঁর অর্জন করা প্রায় সব টাকা। তবুও হয়তো হবে না তাতে, গবেষণা শেষ করতে চাইলে লাগবে কমপক্ষে আরও বিশ হাজার ইউরো।

    তাঁর দেয়া টাকা পেয়েও যদি সন্তুষ্ট না হয় ইরানিয়ান লোকটা, সেক্ষেত্রে অন্য ব্যবস্থা নেবেন। সেজন্যে  মানসিকভাবেও তৈরি। কোটের পকেটে আছে সিরামিকের সেল ফোনের মত দেখতে পিস্তল। পুরে নিতে পারবেন হাতের মুঠোয়। ম্যাগাযিনে চারটে বুলেট।

    কাউকে কখনও গুলি করেননি মোবারক, কিন্তু দরকার পড়লে আজ তা-ই করবেন। খালি হাতে ফিরবেন না প্রাণ থাকতে।

    এলিভেটর থেমে যেতেই ষাঁড়ের মত গুঁতোগুঁতি করে বদ্ধ জায়গা থেকে বেরিয়ে যেতে চাইল সবাই। তাদের সঙ্গে তাল মিলিয়ে হাঁটছেন মোবারক, ঠোঁটের ওপর বিন্দু বিন্দু ঘাম। ডেক- এর দক্ষিণ-পশ্চিমে একজনের ওপর চোখ পড়ল তাঁর।

    লোকটার এক চোখে কালো পট্টি। পায়ের সামনে নামিয়ে রেখেছে কাপড়ের একটা ব্যাগ। মনে হলো ভেতরে ভারী কিছু। প্রফেসর আবু রশিদের সামনে থেমে ফ্রেঞ্চ ভাষায় বললেন মোবারক, ‘ভাল আছেন?’

    মাথা দোলালেন ভদ্রলোক। কঠোর পরিশ্রমে রোদে পোড়া মুখ। গাল চিরে কানা চোখ পর্যন্ত গেছে গভীর ক্ষতচিহ্ন। নিচু স্বরে বললেন আবু রশিদ, ‘ফ্রেঞ্চ ভাষায় আমি ঠিক অভ্যস্ত নই।’

    ‘কিন্তু বাস করেন এই দেশে,’ বললেন মোবারক।

    ‘আপনার কাছ থেকে টাকা বুঝে পেলে এ দেশে আর থাকব না,’ বললেন ইরানিয়ান। ‘মানুষের চামড়া সাদা না কালো, তা নিয়ে বড় বেশি মাতামাতি করছে এরা।’

    ইরানে দ্বিতীয়বার যাওয়ার পর আবু রশিদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল ডক্টর মোবারকের। ভদ্রলোক ছিলেন আর্কিওলজিস্ট এবং একটি ব্যক্তিগত জাদুঘরের কিউরেটর। সবুজ বিপ্লবের পক্ষে কাজ করেছেন বলে তাঁর স্ত্রী-সন্তানকে খুন করেছিল সরকারি দলের লোক। রশিদ নিজে দেশ ছেড়ে পালিয়ে আসেন ফ্রান্সে। কেউ ভাবতেও পারেনি, তাঁর কাছে রয়ে গেছে অতি প্রাচীন ও দুর্লভ এক সম্পদ। এখন ভাবছেন, ওই ট্যাবলেট বিক্রি হলে যে টাকা পাবেন, তা নিয়ে যোগ দেবেন প্রতিরোধ যুদ্ধে।

    ‘এবার খোদা চাইলে ঠিকই ফিরব দেশে,’ বললেন পদচ্যুত প্রফেসর ও কিউরেটর।

    বিষণ্ণ হাসলেন মোবারক। আগেও আবু রশিদের সঙ্গে তাঁর দেশের ভবিষ্যৎ নিয়ে আলাপ করেছেন। তাঁর সবসময় মনে হয়েছে, সফল হবে না সবুজ বিপ্লব। মাথা নাড়লেন তিনি। ‘বন্ধু, আসল কথা, স্রষ্টা বলে কেউ নেই। আমাদেরকে দেখভাল করছে না কেউ। নইলে মানুষে মানুষে এত হানাহানি থাকত না।’

    জবাবে তিক্ত হাসলেন আবু রশিদ। তাঁর হাসি মোবারকের হাসির মতই ম্লান। নিচু স্বরে বললেন, ‘পশ্চিমারা আপনার মাথা খেয়ে নিয়েছে, ভাই!’

    ‘অনেক বিষ ঢেলেছে মনে, কিন্তু ঈশ্বর সম্পর্কে ওই ধারণা আমার নিজের।’ চুপ হয়ে গেলেন মোবারক। মনে পড়েছে, কিছু দিন আগে পশ্চিমা একটা দলের লোক কীভাবে অত্যাচার করেছে তাঁর ওপর।

    ‘আপনি যা বললেন, তার ভেতর সন্দেহের সুর, ভাই,’ বললেন আবু রশিদ। ‘যাক সেসব, বলবেন, কেন আপনার দরকার ওই ট্যাবলেট? কী করবেন ওটার ভেতরের সত্য জেনে?’

    জবাব না দিয়ে অন্য প্রসঙ্গে গেলেন মোবারক, ‘আপনার জিনিসটা হাতে পাওয়ার জন্যে আরও অপেক্ষা করতে হবে?’

    ‘আমি নিজে পুরো পঁয়ত্রিশ বছর ওগুলো হাতে পেতে চেয়েছি,’ বললেন রশিদ। ‘জানি না আপনার কতটা দরকার, কিন্তু আমার ভুল না হয়ে থাকলে ওই ট্যাবলেট বা তাম্রলিপি তৈরি করেছিল সবচেয়ে প্রাচীন শিক্ষিত মানব। আপনি কি বুঝতে পারছেন এর মানে? এই খবর ছড়িয়ে পড়লে হামলে পড়বে কোটি কোটি ডলারের মালিক সব বড়লোক।’

    কথা শুনে বুক শুকিয়ে গেল মোবারকের। ঠিকই বলেছেন আবু রশিদ। কিন্তু সেজন্যে ব্যস্ত হওয়া উচিত হবে না। আগেও পেয়েছেন নকল জিনিস। জানতে চাইলেন, ‘আপনি নিশ্চিত হলেন কী করে যে এসব আসল?’

    ‘বোঝার উপায় নেই,’ বললেন রশিদ, ‘কিন্তু যেসব ট্যাবলেট পড়ে ওই কবরের খোঁজ পেয়েছি, ওখানে লেখা ছিল এক বাগানের কথা। ওখান থেকে বেরিয়ে পড়ে মানুষটা। আরও লিখেছে…’

    ‘এখানে খোলা জায়গায় কিছু বলবেন না,’ সতর্ক করলেন মোবারক।

    বিরক্ত হলেন রশিদ। ‘কিন্তু আপনার জানা থাকা দরকার। যা ভাবছেন, তা ঠিক নয়। মাটির ট্যাবলেটে লেখা আছে পানি, তলোয়ার, আগুন আর মৃত্যুর কথা।’

    ‘এ ছাড়া নিশ্চয়ই থাকবে জীবনের কথা,’ জোর দিয়ে বললেন মোবারক। তিনি জানেন না, যা চাইছেন তা পাবেন কি না।

    ‘হ্যাঁ, জীবনের কথা’ সায় দিলেন রশিদ।

    ‘আর মুড়িয়ে রাখা তামার জিনিসটা?’

    ‘আগেই বলেছি, ওটা তোলা হবে বৈরুতের এক নিলামে, ‘ হতাশ সুরে বললেন রশিদ।

    একই সঙ্গে ভয় ও হতাশা বোধ করলেন ডক্টর মোবারক। ভেবেছিলেন মুড়িয়ে রাখা তাম্রলিপি হাতে পাবেন আবু রশিদ। কিন্তু তা হয়নি। ওটা নিয়ে ভেবে এখন লাভ হবে না। মাটির ট্যাবলেট পেলেও চলবে তাঁর।

    ‘কখনও ভেবেছেন, অন্তর থেকে একটা জিনিস চাইছেন, কিন্তু সবসময় ওটা রয়ে গেছে আপনার নাগালের বাইরে?’ বললেন রশিদ।

    ‘হুঁ, কখনও কখনও তা-ই হয়,’ স্বীকার করলেন মোবারক।

    ‘ওই তাম্রলিপি আমার জীবনে ঠিক তেমনই এক জিনিস। যতবার ওটার খুব কাছে গেছি, হারিয়ে গেছে বহু দূরে।’ মাথা দোলালেন আবু রশিদ। ‘আপনি যে টাকা দেবেন, হয়তো তার একটা অংশ ব্যয় করেই একদিন কিনে নেব ওই তাম্রলিপি। একবার ওটা পেলে আবার যোগাযোগ করব আপনার সঙ্গে। দু’জন মিলে জেনে নেব কী আছে ওটার ভেতর।’

    তার মানে টাকা পেলে বৈরুতে যাবেন আবু রশিদ। নিলামে অংশ নেবেন। সেক্ষেত্রে তাম্রলিপি পেলে হয়তো একমত হবেন রশিদ ও তিনি। জানবেন, সত্যিই পৃথিবীর বুকে অদ্ভুত এক বাগান ছিল কি না। অবশ্য, আগে দরকার মাটির ট্যাবলেট।

    ‘জিনিসটা দেখতে দিন,’ বললেন মোবারক।

    মেঝে থেকে ব্যাগ তুলে তাঁর দিকে বাড়িয়ে দিলেন আবু রশিদ।

    থলির মত কাপড়ের ব্যাগের চেন খুলে ভেতরে চোখ রাখলেন মোবারক, আটকে ফেলেছেন শ্বাস। বুঝে গেলেন, সত্যিই হয়তো মাটির ট্যাবলেট জানাবে জীবন-মরণের জটিল রহস্য।

    জিনিসটা বাদামি পাথরের মত, সেখানে খোদাই করা কী যেন। আরেকবার শ্বাস নিলেন মোবারক। এটা পাওয়ার জন্যে প্রায় পাগল হতে বাকি ছিল তাঁর।

    রশিদের চোখ অনুসরণ করে টাওয়ারের একপাশে চোখ গেল তাঁর। ইরানিয়ানের মুখে ফুটে উঠেছে সত্যিকারের আতঙ্ক।

    ‘আপনি সতর্ক ছিলেন না,’ প্রায় ফিসফিস করলেন রশিদ। ঘুরে দেখতে যাচ্ছিলেন মোবারক, কিন্তু নিচু স্বরে বললেন প্রফেসর, ‘ভুলেও ঘুরবেন না।’

    সোজা হয়ে মেঝেতে কমপিউটার কেস রাখলেন মোবারক। আড়চোখে দেখেছেন, ছড়িয়ে পড়ে ভিড়ের মাঝ দিয়ে আসছে  চারজন যণ্ডার্ম। রিফ্লেকটিভ ভেস্টের জন্যে পরিষ্কার বোঝা গেল তারা কারা। কোমরের হোলস্টারের পাশে হাত। যেন বুঝে গেছে ঝামেলা হবে।

    ‘পুলিশ!’ ফিসফিস করলেন রশিদ।

    চারজনের একজনকে চিনে ফেললেন মোবারক। বুকে বিঁধল ভয়ের তীক্ষ্ণ তীর। চাপা স্বরে বললেন, ‘পুলিশ না ওরা! আমাকে ধরে নিয়ে যেতে এসেছে!’

    ‘কিন্তু এত লোকের ভেতর…’

    ‘কেউ কিছু করতে পারবে না,’ বললেন মোবারক।

    পা দিয়ে রশিদের দিকে ঠেললেন কমপিউটার ব্যাগ। শক্ত করে ধরলেন মাটির ট্যাবলেটের ব্যাগ। ভাবছেন, একবার ভিড়ের ভেতর দিয়ে এলিভেটর পর্যন্ত যেতে পারলেই…

    এক পা যেতেই কাঁধে ভারী হাত রাখল কে যেন। হ্যাঁচকা টানে ঘুরিয়ে নেয়া হলো তাঁকে। খুব সতর্ক বলে চট্ করে ব্যাগ মেঝেতে রাখলেন তিনি, এক হাত মাথার ওপর তুলেছেন আত্মসমর্পণের ভঙ্গি করে। অন্য হাত ঢুকল কোটের পকেটে। পেয়ে গেলেন ছোট্ট অস্ত্র, বের করার সময় নেই, তাক করেই টিপে দিলেন ট্রিগার।

    গুলির জোরালো ‘বুম!’ শব্দে কাঁপল অবযার্ভেশন ডেক। এক লাফে সরে গেল আশপাশের দর্শক। পেট খামচে ধরে চিত হয়ে মেঝেতে পড়ল পুলিশের ভেস্ট পরা লোকটা। হাতের ফাঁক গলে ঝর্নার মত পড়ছে লাল রক্ত।

    ওই দৃশ্য দেখে চিৎকার জুড়ল নারী দর্শকরা। ঘুরে দৌড় দিল সবাই এলিভেটর ও সিঁড়ি লক্ষ্য করে।

    গুলির কমলা আগুনে একটু পুড়ে গেছে মোবারকের হাত ও কোমর। বোকার মত চেহারা করে দেখলেন আহত লোকটাকে। যেন বুঝছেন না কী করেছেন। তাঁর চারপাশে নানান দিকে ছুটছে ভীত দর্শক। নিজেও তাদের সঙ্গে মিশে যেতে চাইলেন তিনি। কিন্তু কয়েক দিক থেকে এল গুলি

    বাধ্য হয়ে ডাইভ দিয়ে একপাশে পড়লেন মোবারক। পকেট থেকে বের করেছেন পিস্তল। আইফেল টাওয়ারের লোহার কারুকাজের আশ্রয় পেয়ে পাল্টা গুলি পাঠালেন শত্রুদের লক্ষ্য করে। আপাতত তিনি নিরাপদ। কিন্তু হালকা হয়ে উঠছে ছুটন্ত ভিড়। একটু পর পরিষ্কার তাঁকে দেখবে শত্রুপক্ষ।

    পাশ থেকে বললেন আবু রশিদ, ‘লড়াই করে জিতবেন না! যা চায় দিয়ে দিন! তাম্রলিপি ছাড়া ওই মাটির ট্যাবলেটের কোনও মূল্য নেই!’

    ‘ভুল,’ বললেন মোবারক, ‘ট্যাবলেটই আসল জিনিস!’

    অন্য মত পোষণ করেন বলেই খপ করে কাপড়ের ব্যাগ আঁকড়ে ধরে ঘুরে এলিভেটর লক্ষ্য করে ছুটতে চাইলেন রশিদ। কিন্তু পা বাড়িয়ে দিয়েছেন মোবারক, ল্যাং খেয়ে মেঝেতে আছাড় খেলেন রশিদ। হাত থেকে ডেকে পড়ে ভাঙল ট্যাবলেটের একটা কোনা।

    আমেরিকান সুরে প্ল্যাটফর্মের একপাশ থেকে চিৎকার করল একজন, ‘আহসান মোবারক! আপনি সরে গেছেন বিশ্বাস থেকে! তাই প্রভু বলেছেন আপনাকে ধরে নিয়ে যেতে!’

    ওই গলা চিনলেন মোবারক।

    থিয়োডর এন. মাউক!

    ভয়ঙ্কর খুনি!

    হাসতে হাসতে মানুষের রক্তে স্নান করে!

    মাটির ট্যাবলেট তুলে নিয়েই ধড়মড় করে উঠে দাঁড়ালেন মোবারক, খুঁজছেন আরও ভাল কোনও আশ্রয়। যথেষ্ট দ্রুত সরতে পারেননি। উরুতে বিঁধল বুলেট। মেঝে থেকে পা সরে যেতেই পিছলে পড়লেন মোবারক। ব্যথায় মনে হলো পাগল হয়ে যাবেন। কয়েক গড়ান দেয়ার পর শুরু করলেন ক্রল। তখনই দ্বিতীয় বুলেট গাঁথল তাঁর কাঁধে।

    কোনও দিকে না চেয়ে সামনে বাড়লেন মোবারক। লোহার কারুকাজ করা একটু ভাল আড়াল পেয়ে থামলেন ওখানে। শক্ত হাতে ধরেছেন ট্যাবলেট। আইফেল টাওয়ারের ইস্পাতের সব পাতের মাঝ দিয়ে বাইরে গেল চোখ। আবার দেখলেন চারপাশ।

    তিনদিক থেকে তাঁকে ঘিরে ফেলেছে শত্রুরা। কোনওভাবেই এলিভেটর বা সিঁড়ির দিকে যেতে পারবেন না।

    না, পালাবার উপায় নেই!

    ছোট্ট পিস্তলে বড়জোর আছে আর দুটো বুলেট।

    লড়াই করেও কোনও লাভ নেই।

    অসহায় চোখে আবারও চারপাশ দেখলেন মোবারক।

    পাশ থেকে বললেন রশিদ, ‘দিয়ে দিন! নইলে বাঁচতে দেবে না!’

    ‘আপনাকে বা আমাকে ছাড়বে না ওরা,’ জবাবে বললেন মোবারক। বহু নিচের রাস্তায় পুলিশের গাড়ির সাইরেন। বুঝে গেলেন, দেরি করবে না খুনির দল, এবার প্রথম সুযোগে খুন করবে ওদের দু’জনকে।

    প্ল্যাটফর্মের কোনা দেখলেন মোবারক। ওখান থেকেই শুরু খোলা আকাশ। ভাল করেই জানেন, এখন আর কোনওভাবেই নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন না। যাকে বাঁচাতে চেয়েছিলেন, তার জন্যে কিছুই করতে পারলেন না। ভয়ঙ্কর নিষ্ঠুর একদল লোক কেড়ে নেবে ট্যাবলেট। মানব-সভ্যতাকে শেষ করে দিতে ব্যবহার করবে ওটার ভেতরের তথ্য।

    তা হতে দিতে পারেন না তিনি।

    মসৃণ, খোদাই করা মাটির ট্যাবলেটে হাত বোলালেন মোবারক, একবার দেখলেন ওটার মাঝের সিম্বল। ওটা বৃত্তাকার, তার চারপাশে চারটে পেরেকের মত দাগ। ওই চার চিহ্নের মাঝে একটা বর্গক্ষেত্র, তার ভেতর ছোট একটা আয়তক্ষেত্র।

    আবু রশিদ বলেছিলেন, ওটাই প্রাচীন আমলের বিশেষ এক উদ্যানের চিহ্ন। ঠিকই বলেছিলেন, কিন্তু রশিদ বা তাঁর কোনও কাজে এল না ওটা। যেহেতু স্রষ্টার অস্তিত্বে বিশ্বাস করেন না, এখানেই শেষ হচ্ছে তাঁর কষ্টকর জীবন। সত্যিই যদি দেখভাল করার কেউ থাকেন, তাতেই বা কী, সারাজীবন ধরে যা করেছেন, সেজন্যে প্রচণ্ড নির্যাতনের কোনও নরকে পাঠানো হবে তাঁকে।

    ইঞ্চি ইঞ্চি করে প্ল্যাটফর্মের কিনারার দিকে চললেন মোবারক।

    একটু দূর থেকে এল খুনি মার্ডকের নির্দেশ: ‘হাল ছেড়ে দিন, মোবারক!’

    ‘যাতে আমাকে ব্যবহার করে ধ্বংস করতে পারো পৃথিবীটা?’

    ‘নইলে আপনার সঙ্গেই শেষ হবে আপনার সৃষ্টি, ধমকের সুরে বলল মার্ডক। ‘আপনি কি তা-ই চান?

    পিছলে আরও কয়েক ইঞ্চি এগোলেন মোবারক। ‘নিজের চোখে এই পৃথিবীকে নরক হতে দেখার চেয়ে মরে যাওয়াই ভাল।’

    ‘খুব জরুরি না হলে খারাপ কোনও কাজ করি না আমরা,’ বলল মার্ডক। ‘আপনি নিজেও আগে বলেছেন, আসলে কী করা উচিত।’

    মুখ থেকে যেসব কথা বেরিয়ে গেছে, সেজন্যে এখন লজ্জিত হলেন মোবারক। উচিত ছিল না চরম কোনও মন্তব্য করা। তাঁর  পেশা আসলে এমনই! জেনেটিসিস্টরা সবসময়েই জন্ম-রহস্য নিয়ে কাজ করছে স্রষ্টার মতই। কিন্তু এখন…

    দুঃখে ভারী হয়ে গেল তাঁর বুক। কী করে বসেছেন তিনি!

    গত কয়েক দশকের আপ্রাণ চেষ্টার দৃশ্য ভেসে এল চোখে। এক পলকে বুঝলেন কোটা আসলে সত্য। হ্যাঁ, তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে শেষ করে দিতে হবে এত কষ্টের সব গবেষণা।

    তিলতিল করে প্ল্যাটফর্মের আরও কাছে গেলেন মোবারক। ফিসফিস করে বললেন, ‘আমি দুঃখিত, মিনতি! চেষ্টা করেছিলাম রে! পারলাম না!’

    ঘাড় ফিরিয়ে শেষ দুটো গুলি অন্ধের মত ছুঁড়লেন, পরক্ষণে বিন্দুমাত্র দ্বিধা না করেই লাফিয়ে উঠে দৌড়াতে চাইলেন। ঝাঁপ দেবেন উঁচু প্ল্যাটফর্ম থেকে শূন্যে।

    কিন্তু এক পা যেতে না যেতেই পেছন থেকে এল গুলির গর্জন। প্রচণ্ড ব্যথা পেলেন মোবারক, ধনুকের মত বাঁকা হয়ে গেল পিঠ। ঠক করে বাড়ি খেল দুই হাঁটু। এক হাতে ধরে ফেললেন প্ল্যাটফর্মের রেলিং। অন্য হাত থেকে মেঝেতে পড়ল ট্যাবলেট। ওটার বুকের জীবন-চিহ্ন চেয়ে আছে তাঁর দিকে।

    গায়ে কোনও শক্তি পেলেন না, ধপ করে বসে পড়লেন মোবারক। হাত বাড়িয়ে দিলেন ট্যাবলেটের দিকে। স্পর্শ করলেন মাটির মসৃণ জিনিসটা। তুলে নিয়েই ছুঁড়ে দিলেন প্ল্যাটফর্ম থেকে দূরের শূন্যে।

    বার কয়েক পাক খেল ট্যাবলেট, যেন চিরকালের জন্যে ঝুলছে বাতাসে।

    কয়েক সেকেণ্ড পর বুঝলেন মোবারক, ছোট হয়ে আসছে মাটির ট্যাবলেট। মাত্র কয়েক মুহূর্ত পর পড়ল অনেক নিচের কংক্রিটের রাস্তায়। হাজার টুকরো হলো ওটা।

    মুখ থুবড়ে মেঝেতে পড়লেন মোবারক। কালো কী যেন ঝেঁপে আসছে দু’চোখে। ভাবলেন, এবার মগজে ঢুকবে বুলেট। কিন্তু কর্কশ হাতে হ্যাঁচকা টানে তুলে নেয়া হলো তাঁকে।

    ‘আমাদের সঙ্গে নেব, ‘ শুনলেন মার্ডকের কণ্ঠ।

    ‘দু’জনকেই।’

    ‘ট্যাবলেটের কী হবে?’ দ্বিতীয়জনের কণ্ঠে ভয়।

    পরিষ্কার বুঝলেন মোবারক, ভয়ঙ্কর খেপে যাবে ওদের প্রভু!

    অপেক্ষাকৃত কম ভয় পেয়েছে থিয়োডর মার্ডক। ‘আগে দরকার ওই তাম্রলিপি। পরে ওটা দেখে খুঁজে বের করব ওই জিনিস।’

    সচেতন করতে গিয়ে মাথার চুল ধরে বার কয়েক মোবারককে ঝাঁকি দিল মার্ডক। ‘খুন করার আগে তোর মুখ থেকে বের করব সব! বিশ্বাস কর্, বারবার প্রার্থনা করবি, যাতে মরে যেতে পারিস!’

    ঘন এক ধূসর কুয়াশার ভেতর শুনলেন সব মোবারক। আবছা দেখলেন, মার্ডকের নিষ্ঠুর হলদে চোখ। জন্মের ঘৃণা করে লোকটা তাঁকে। ঠিক কথাই বলেছে, প্রচণ্ড যন্ত্রণা দিয়ে খুন করবে সে।

    মরতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে খুব আফসোস হলো মোবারকের।

    কে বলেছে পৃথিবীতে নরক নেই?

    সত্যিকারের নরক দেখাবে তাঁকে থিয়োডর এন. মার্ডক!

    ⤶ ⤷
    1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 11 12 13 14 15 16 17 18 19 20 21 22 23 24 25 26 27 28 29 30 31 32 33 34 35 36 37 38 39 40 41 42 43 44 45 46 47 48 49 50
    Share. Facebook Twitter Pinterest LinkedIn Tumblr Email Reddit VKontakte Telegram WhatsApp Copy Link
    Previous Articleমাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন
    Next Article খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    Related Articles

    কাজী মায়মুর হোসেন

    অদৃশ্য ঘাতক – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৬৮ – স্বর্ণলিপ্সা

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    ধাওয়া – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মৃত্যু উপত্যকা – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    খুনে ক্যানিয়ন – কাজী মায়মুর হোসেন

    July 25, 2025
    কাজী মায়মুর হোসেন

    মাসুদ রানা ৪৫৮ – মহাপ্লাবন

    July 25, 2025
    Add A Comment
    Leave A Reply Cancel Reply

    Ek Pata Golpo
    English Books
    অনিরুদ্ধ সরকার
    অনীশ দাস অপু
    অন্নদাশঙ্কর রায়
    অভিষেক চট্টোপাধ্যায়
    অভীক সরকার
    অসম্পূর্ণ বই
    আত্মজীবনী ও স্মৃতিকথা
    আয়মান সাদিক
    আশাপূর্ণা দেবী
    আহমদ শরীফ
    আহমেদ রিয়াজ
    ইউভাল নোয়া হারারি
    ইন্দুভূষণ দাস
    ইন্দ্রনীল সান্যাল
    ইভন রিডলি
    ইমদাদুল হক মিলন
    ইয়স্তেন গার্ডার
    ইয়ান ফ্লেমিং
    ইলমা বেহরোজ
    ইশতিয়াক খান
    ইশতিয়াক হাসান
    ইশরাক অর্ণব
    ইসমাইল আরমান
    ইসমাঈল কাদরী
    ঈশান নাগর
    ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর
    উইলবার স্মিথ
    উইলিয়াম শেক্সপিয়র
    উচ্ছ্বাস তৌসিফ
    উৎপলকুমার বসু
    উপন্যাস
    উপাখ্যান
    উপেন্দ্রকিশোর রায়চৌধুরী
    এ . এন. এম. সিরাজুল ইসলাম
    এ পি জে আবদুল কালাম
    এ. টি. এম. শামসুদ্দিন
    এইচ জি ওয়েলস
    এইচ. এ. আর. গিব
    এইচ. পি. লাভক্র্যাফট
    এডগার অ্যালান পো
    এডগার রাইস বারুজ
    এডিথ নেসবিট
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাশ
    এনায়েতুল্লাহ আলতামাস
    এম আর আখতার মুকুল
    এম. এ. খান
    এম. জে. বাবু
    এ্যারিস্টটল
    ঐতিহাসিক
    ও হেনরি
    ওবায়েদ হক
    ওমর খৈয়াম
    ওমর ফারুক
    ওয়াসি আহমেদ
    কনফুসিয়াস
    কবীর চৌধুরী
    কমলকুমার মজুমদার
    কর্ণ শীল
    কল্লোল লাহিড়ী
    কহলীল জিবরান
    কাজী আখতারউদ্দিন
    কাজী আনোয়ার হোসেন
    কাজী আনোয়ারুল কাদীর
    কাজী আবদুল ওদুদ
    কাজী ইমদাদুল হক
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী নজরুল ইসলাম
    কাজী মায়মুর হোসেন
    কাজী মাহবুব হাসান
    কাজী মাহবুব হোসেন
    কাজী শাহনূর হোসেন
    কাব্যগ্রন্থ / কবিতা
    কার্ল মার্ক্স
    কালিকারঞ্জন কানুনগো
    কালিকিঙ্কর দত্ত
    কালিদাস
    কালী প্রসন্ন দাস
    কালীপ্রসন্ন সিংহ
    কাসেম বিন আবুবাকার
    কিশোর পাশা ইমন
    কুদরতে জাহান
    কৃত্তিবাস ওঝা
    কৃষণ চন্দর
    কৃষ্ণদাস কবিরাজ গোস্বামী
    কৃষ্ণদ্বৈপায়ন বেদব্যাস
    কেইগো হিগাশিনো
    কোজি সুজুকি
    কোয়েল তালুকদার
    কোয়েল তালুকদার
    কৌটিল্য / চাণক্য / বিষ্ণুগুপ্ত
    কৌশিক জামান
    কৌশিক মজুমদার
    কৌশিক রায়
    ক্যাথারিন নেভিল
    ক্যারেন আর্মস্ট্রং
    ক্রিস্টোফার সি ডয়েল
    ক্লাইভ কাসলার
    ক্ষিতিমোহন সেন
    ক্ষিতিশ সরকার
    ক্ষিতীশচন্দ্র মৌলিক
    খগেন্দ্রনাথ ভৌমিক
    খন্দকার মাশহুদ-উল-হাছান
    খাদিজা মিম
    খায়রুল আলম মনি
    খায়রুল আলম সবুজ
    খুশবন্ত সিং
    গজেন্দ্রকুমার মিত্র
    গর্ডন ম্যাকগিল
    গাজী শামছুর রহমান
    গাব্রিয়েল গার্সিয়া মার্কেস
    গোলাম মাওলা নঈম
    গোলাম মুরশিদ
    গোলাম মোস্তফা
    গৌতম ভদ্র
    গৌরকিশোর ঘোষ (রূপদর্শী)
    গ্যেটে
    গ্রাহাম ব্রাউন
    গ্রেগরি মোন
    চণ্ডীদাস
    চলিত ভাষার
    চাণক্য সেন
    চার্লস ডারউইন
    চার্লস ডিকেন্স
    চিত্তরঞ্জন দেব
    চিত্তরঞ্জন মাইতি
    চিত্রদীপ চক্রবর্তী
    চিত্রা দেব
    ছোটগল্প
    জগদানন্দ রায়
    জগদীশ গুপ্ত
    জগদীশচন্দ্র বসু
    জন ক্লেল্যান্ড
    জন মিল্টন
    জয় গোস্বামী
    জয়গোপাল দে
    জয়দেব গোস্বামী
    জরাসন্ধ (চারুচন্দ্র চক্রবর্তী)
    জর্জ অরওয়েল
    জর্জ ইলিয়ট
    জর্জ বার্নাড শ
    জলধর সেন
    জসীম উদ্দীন
    জসীম উদ্দীন
    জহির রায়হান
    জহীর ইবনে মুসলিম
    জাইলস ক্রিস্টিয়ান
    জাকির শামীম
    জাফর বিপি
    জাভেদ হুসেন
    জাহানারা ইমাম
    জাহিদ হোসেন
    জি. এইচ. হাবীব
    জিতেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায়
    জিম করবেট
    জীবনানন্দ দাশ
    জীবনানন্দ দাশ
    জুনায়েদ ইভান
    জুবায়ের আলম
    জুল ভার্ন
    জুলফিকার নিউটন
    জে অ্যানসন
    জে ডি সালিঞ্জার
    জে. কে. রাওলিং
    জেমস রোলিন্স
    জেমস হেডলি চেজ
    জেসি মেরী কুইয়া
    জোনাথন সুইফট
    জোসেফ হাওয়ার্ড
    জ্ঞানদানন্দিনী দেবী
    জ্যাঁ জ্যাক রুশো
    জ্যাক হিগিনস
    জ্যোতিভূষণ চাকী
    জ্যোতিরিন্দ্র নন্দী
    টম হারপার
    টেকচাঁদ ঠাকুর (প্যারীচাঁদ মিত্র)
    ডার্টি গেম
    ডিউক জন
    ডেভিড সেলজার
    ডেল কার্নেগি
    ড্যান ব্রাউন
    ড্যানিয়েল ডিফো
    তপন বন্দ্যোপাধ্যায়
    তপন বাগচী
    তপন রায়চৌধুরী
    তমোঘ্ন নস্কর
    তসলিমা নাসরিন
    তসলিমা নাসরিন
    তারক রায়
    তারাদাস বন্দ্যোপাধ্যায়
    তারাপদ রায়
    তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়
    তিলোত্তমা মজুমদার
    তোশিকাযু কাওয়াগুচি
    তৌফির হাসান উর রাকিব
    তৌহিদুর রহমান
    ত্রৈলোক্যনাথ মুখোপাধ্যায়
    দক্ষিণারঞ্জন বসু
    দক্ষিণারঞ্জন মিত্র মজুমদার
    দয়ানন্দ সরস্বতী
    দাউদ হায়দার
    দাশরথি রায়
    দিব্যেন্দু পালিত
    দিলওয়ার হাসান
    দিলীপ মুখোপাধ্যায়
    দীনেশচন্দ্র সিংহ
    দীনেশচন্দ্র সেন
    দীপঙ্কর ভট্টাচার্য
    দীপান্বিতা রায়
    দুর্গাদাস লাহিড়ী
    দেবজ্যোতি ভট্টাচার্য
    দেবারতি মুখোপাধ্যায়
    দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়
    দেবেশ ঠাকুর
    দেবেশ রায়
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বর্মন
    দ্বিজেন্দ্রনাথ বৰ্মন
    ধনপতি বাগ
    ধীরাজ ভট্টাচার্য
    ধীরেন্দ্রলাল ধর
    ধীরেশচন্দ্র ভট্টাচার্য
    নচিকেতা ঘোষ
    নজরুল ইসলাম চৌধুরী
    নবনীতা দেবসেন
    নবারুণ ভট্টাচার্য
    নসীম হিজাযী
    নাগিব মাহফুজ
    নাজমুছ ছাকিব
    নাটক
    নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়
    নারায়ণ সান্যাল
    নারী বিষয়ক কাহিনী
    নাসীম আরাফাত
    নিক পিরোগ
    নিমাই ভট্টাচার্য
    নিয়াজ মোরশেদ
    নিরুপম আচার্য
    নির্বেদ রায়
    নির্মল সেন
    নির্মলচন্দ্র গঙ্গোপাধ্যায়
    নির্মলেন্দু গুণ
    নিল গেইম্যান
    নীরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী
    নীল ডিগ্র্যাস টাইসন
    নীলিমা ইব্রাহিম
    নীহাররঞ্জন গুপ্ত
    নীহাররঞ্জন রায়
    নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী
    পঞ্চানন ঘোষাল
    পঞ্চানন তর্করত্ন
    পপি আখতার
    পরিতোষ ঠাকুর
    পরিতোষ সেন
    পাওলো কোয়েলহো
    পাঁচকড়ি দে
    পাঁচকড়ি বন্দ্যোপাধ্যায়
    পার্থ চট্টোপাধ্যায়
    পার্থ সারথী দাস
    পিয়া সরকার
    পিয়ের লেমেইত
    পীযুষ দাসগুপ্ত
    পূরবী বসু
    পূর্ণেন্দু পত্রী
    পৃথ্বীরাজ সেন
    পৌলোমী সেনগুপ্ত
    প্রচেত গুপ্ত
    প্রণব রায়
    প্রতিভা বসু
    প্রতুলচন্দ্র গুপ্ত
    প্রফুল্ল রায়
    প্রফেসর ড. নাজিমুদ্দীন এরবাকান
    প্রবন্ধ
    প্রবীর ঘোষ
    প্রবোধকুমার ভৌমিক
    প্রবোধকুমার সান্যাল
    প্রভাতকুমার মুখোপাধ্যায়
    প্রভাবতী দেবী সরস্বতী
    প্রমথ চৌধুরী
    প্রমথনাথ বিশী
    প্রমথনাথ মল্লিক
    প্রমিত হোসেন
    প্রশান্ত মৃধা
    প্রশান্তকুমার পাল
    প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
    প্রিন্স আশরাফ
    প্রিন্সিপাল ইবরাহীম খাঁ
    প্রিয়নাথ মুখোপাধ্যায়
    প্রীতিলতা রায়
    প্রেমকাহিনী
    প্রেমময় দাশগুপ্ত
    প্রেমাঙ্কুর আতর্থী
    প্রেমেন্দ্র মিত্র
    প্লেটো
    ফররুখ আহমদ
    ফরহাদ মজহার
    ফারুক বাশার
    ফারুক হোসেন
    ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়
    ফিওডর দস্তয়েভস্কি
    ফিলিপ কে. হিট্টি
    ফ্রাঞ্জ কাফকা
    ফ্রানজ কাফকা
    ফ্রিডরিখ এঙ্গেলস
    বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    বদরুদ্দীন উমর
    বদরুদ্দীন উমর (অসম্পূর্ণ)
    বন্যা আহমেদ
    বরাহমিহির
    বর্ণালী সাহা
    বলাইচাঁদ মুখোপাধ্যায় (বনফুল)
    বশীর বারহান
    বাণী বসু
    বানভট্ট
    বাবুল আলম
    বামনদেব চক্রবর্তী
    বারিদবরণ ঘোষ
    বার্ট্রান্ড রাসেল
    বিজনকৃষ্ণ চৌধুরী
    বিজনবিহারী গোস্বামী
    বিদায়া ওয়ান নিহায়া
    বিদ্যুৎ মিত্র
    বিনয় ঘোষ
    বিনায়ক বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিনোদ ঘোষাল
    বিপুল কুমার রায়
    বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিভূতিভূষণ মিত্র
    বিভূতিভূষণ মুখোপাধ্যায়
    বিমল কর
    বিমল মিত্র
    বিমল মুখার্জি
    বিমল সেন
    বিশাখদত্ত
    বিশ্বজিত সাহা
    বিশ্বরূপ বন্দ্যোপাধ্যায়
    বিশ্বরূপ মজুমদার
    বিষ্ণু দে
    বিষ্ণুপদ চক্রবর্তী
    বিহারীলাল চক্রবর্তী
    বুদ্ধদেব গুহ
    বুদ্ধদেব বসু
    বুদ্ধেশ্বর টুডু
    বুলবন ওসমান
    বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেন
    বেঞ্জামিন ওয়াকার
    বৈশালী দাশগুপ্ত নন্দী
    ব্রততী সেন দাস
    ব্রাম স্টোকার
    ভগৎ সিং
    ভগিনী নিবেদিতা
    ভবানীপ্রসাদ সাহু
    ভবেশ রায়
    ভরতমুনি
    ভারতচন্দ্র রায়
    ভাস
    ভাস্কর চক্রবর্তী
    ভিক্টর ই. ফ্রাঙ্কেল
    ভিক্টর হুগো
    ভীমরাও রামজি আম্বেদকর
    ভেরা পানোভা
    ভৌতিক গল্প
    মঈদুল হাসান
    মখদুম আহমেদ
    মঞ্জিল সেন
    মণি ভৌমিক
    মণিলাল গঙ্গোপাধ্যায়
    মণীন্দ্র গুপ্ত
    মণীন্দ্র দত্ত
    মতি নন্দী
    মনজুরুল হক
    মনোজ মিত্র
    মনোজ সেন
    মনোজিৎ কুমার দাস
    মনোজিৎকুমার দাস
    মনোরঞ্জন ব্যাপারী
    মন্দাক্রান্তা সেন
    মন্মথ সরকার
    মরিয়ম জামিলা
    মরিস বুকাইলি
    মহাভারত
    মহালয়া
    মহাশ্বেতা দেবী
    মহিউদ্দিন আহমদ
    মহিউদ্দিন মোহাম্মদ
    মাইকেল এইচ. হার্ট
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাইকেল মধুসূদন দত্ত
    মাওলানা আজিজুল হক
    মাওলানা মুজিবুর রহমান
    মাকসুদুজ্জামান খান
    মাকিদ হায়দার
    মানবেন্দ্র পাল
    মানবেন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়
    মারিও পুজো
    মার্ক টোয়েন
    মার্থা ম্যাককেনা
    মার্সেল প্রুস্ত
    মাহমুদ মেনন
    মাহমুদুল হক
    মাহরীন ফেরদৌস
    মিচিও কাকু
    মিনা ফারাহ
    মির্চা এলিয়াদ
    মিলন নাথ
    মিহির সেনগুপ্ত
    মীর মশাররফ হোসেন
    মুজাফফর আহমদ
    মুজাহিদ হুসাইন ইয়াসীন
    মুনতাসীর মামুন
    মুনীর চৌধুরী
    মুরারিমোহন সেন
    মুহম্মদ আবদুল হাই
    মুহম্মদ জাফর ইকবাল
    মেল রবিন্স
    মৈত্রেয়ী দেবী
    মোঃ ফুয়াদ আল ফিদাহ
    মোঃ বুলবুল আহমেদ
    মোজাফ্‌ফর হোসেন
    মোতাহের হোসেন চৌধুরী
    মোস্তফা মীর
    মোস্তফা হারুন
    মোস্তাক আহমাদ দীন
    মোহাম্মদ আবদুর রশীদ
    মোহাম্মদ আবদুল হাই
    মোহাম্মদ নজিবর রহমান
    মোহাম্মদ নাজিম উদ্দিন
    মোহাম্মদ নাসির আলী
    মোহাম্মদ শাহজামান শুভ
    মোহাম্মদ হাসান শরীফ
    রকিব হাসান
    রবার্ট লুই স্টিভেনসন
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
    রাজশেখর বসু (পরশুরাম)
    লীলা মজুমদার
    লেখক
    শংকর (মণিশংকর মুখোপাধ্যায়)
    শক্তি চট্টোপাধ্যায়
    শক্তিপদ রাজগুরু
    শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়
    শান্তিপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়
    শিবরাম চক্রবর্তী
    শীর্ষেন্দু মুখােপাধ্যায়
    শ্রীজাত বন্দ্যোপাধ্যায়
    শ্রেণী
    ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জয় ভট্টাচার্য
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীব চট্টোপাধ্যায়
    সঞ্জীবচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
    সত্যজিৎ রায়
    সত্যজিৎ রায়
    সমরেশ বসু
    সমরেশ মজুমদার
    সমুদ্র পাল
    সামাজিক গল্প
    সুকুমার রায়
    সুচিত্রা ভট্টাচার্য
    সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়
    সুভাষচন্দ্র বসু
    সুমনকুমার দাশ
    সৈকত মুখোপাধ্যায়
    সৈয়দ মুজতবা আলী
    সৌভিক চক্রবর্তী
    সৌমিত্র বিশ্বাস
    স্টিফেন হকিং
    স্বামী বিবেকানন্দ
    স্যার আর্থার কোনান ডয়েল
    হরিনারায়ণ চট্টোপাধ্যায়
    হাসান খুরশীদ রুমী
    হাস্যকৌতুক
    হিমাদ্রিকিশোর দাশগুপ্ত
    হুমায়ূন আহমেদ
    হেমেন্দ্রকুমার রায়
    Generic selectors
    Exact matches only
    Search in title
    Search in content
    Post Type Selectors
    Demo

    Your Bookmarks


    Reading History

    Most Popular

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Demo
    Latest Reviews

    বাংলা গল্প শুনতে ভালোবাসেন? এক পাতার বাংলা গল্পের সাথে হারিয়ে যান গল্পের যাদুতে।  আপনার জন্য নিয়ে এসেছে সেরা কাহিনিগুলি, যা আপনার মন ছুঁয়ে যাবে। সহজ ভাষায় এবং চিত্তাকর্ষক উপস্থাপনায়, এই গল্পগুলি আপনাকে এক নতুন অভিজ্ঞতা দেবে। এখানে পাবেন নিত্যনতুন কাহিনির সম্ভার, যা আপনাকে বিনোদিত করবে এবং অনুপ্রাণিত করবে।  শেয়ার করুন এবং বন্ধুদের জানাতে ভুলবেন না।

    Top Posts

    হর্ষবর্ধনের বাঘ শিকার

    January 4, 2025

    দোকানির বউ

    January 5, 2025

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026
    Our Picks

    ডিটেকটিভ তারিণীচরণ – কৌশিক মজুমদার

    January 31, 2026

    ভুতুড়ে ট্রেন – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026

    ব্রাহ্মণ ভূত – সমুদ্র পাল

    January 31, 2026
    Facebook X (Twitter) Instagram Pinterest
    • Home
    • Disclaimer
    • Privacy Policy
    • DMCA
    • Contact us
    © 2026 Ek Pata Golpo. Designed by Webliance Pvt Ltd.

    Type above and press Enter to search. Press Esc to cancel.

    • Login
    Forgot Password?
    Lost your password? Please enter your username or email address. You will receive a link to create a new password via email.
    body::-webkit-scrollbar { width: 7px; } body::-webkit-scrollbar-track { border-radius: 10px; background: #f0f0f0; } body::-webkit-scrollbar-thumb { border-radius: 50px; background: #dfdbdb }